Genuine Health Care
Health & Beauty
15/06/2026
গাউট (Gout) রোগের হোমিও ঔষধ
Gout (গাউট) হলো এক ধরনের জয়েন্টের প্রদাহ (arthritis) যা শরীরে ইউরিক অ্যাসিড বেড়ে গেলে হয়।
Colchicum
-পায়ের বড় আঙুলে তীব্র ব্যথা।
-সামান্য নড়াচড়ায়ও অসহ্য যন্ত্রণা।
-জয়েন্ট লাল, ফুলে গরম হয়।
-ব্যথা এক জয়েন্ট থেকে আরেক জয়েন্টে
ঘুরে বেড়ায়।
-খাবারের গন্ধে বমিভাব।
Ledum palustre
-ব্যথা পা থেকে উপরের দিকে ওঠে।
-জয়েন্ট ঠান্ডা অনুভব হয় কিন্তু ঠান্ডা সেঁকে আরাম।
-পায়ের তলায় প্রচন্ড ব্যথা
ব্যথার জন্য মাটিতে পা ফেলতে পারেনা।
Benzoic acid
-ইউরিক অ্যাসিড বেশি।
প্রস্রাবের তীব্র ঝাঁঝালো গন্ধ।ঘোড়ার প্রস্রাবের মত।
-জয়েন্টে খচখচে ব্যথা।
Lycopodium
-ডান পাশে বেশি সমস্যা।
-ব্যথা বেদনা বিকাল ৪–৮টার মধ্যে বাড়ে।
-গ্যাস, হজমের সমস্যা। রোগী কৃপণ, শীতকাতর।
Urtica urens
-ইউরিক অ্যাসিড কমাতে সহায়ক।
-এলার্জির কারণে চামড়ায় চুলকানি বা
র্যাশ থাকলে উপকারী।
এছাড়া প্রোপার কেস টেকিং এর মাধ্যমে যেকোনো মেডিসিন আসতে পারে।
📣পায়ের তলা ও গোড়ালি ব্যথা: হোমিওপ্যাথিক দৃষ্টিভঙ্গি
পায়ের তলা ও গোড়ালি ব্যথা দীর্ঘ সময় দাঁড়িয়ে থাকা, অতিরিক্ত হাঁটা, অতিরিক্ত ওজন, শক্ত জুতা ব্যবহার, হিল স্পার (হাড় বৃদ্ধি) বা বংশগত বাতজনিত কারণে হতে পারে।
হোমিওপ্যাথিতে রোগের নাম নয়, রোগীর সম্পূর্ণ লক্ষণ ও ধাতুগত বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী ঔষধ নির্বাচন করা হয়।
লক্ষণভিত্তিক কিছু গুরুত্বপূর্ণ ঔষধ:
🔹 Medorrhinum — বংশগত বাতের প্রবণতা, গরম-কাতর, তৃষ্ণা বেশি, টক-ঝাল-মিষ্টি পছন্দ।
🔹 Ledum palustre — পায়ের তলা, গোড়ালি ও বৃদ্ধাঙ্গুলিতে ব্যথা; ব্যথা নিচ থেকে উপরের দিকে ওঠে; ঠান্ডায় উপশম।
🔹 Antimonium crudum — মোটাসোটা রোগী, পায়ের তলা ও গোড়ালি ফোলা, হাঁটলে ব্যথা বৃদ্ধি।
🔹 Natrum carbonicum — গোড়ালি ও পায়ের তলায় ব্যথা, ফোলা এবং হাঁটাচলায় কষ্ট।
❗ দীর্ঘদিনের ব্যথা, ফোলা বা হাঁটতে অসুবিধা হলে কারণ নির্ণয়ের জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
সতর্কতা: হোমিওপ্যাথিক ঔষধ অবশ্যই নিবন্ধিত চিকিৎসকের পরামর্শে গ্রহণ করুন।
ডা. মোহাম্মদ আব্দুল মুকিত
কোন একটা ব্যবসা বা উদ্যোগ শুরু করার আগে কি কি করবেন?
ব্যবসা শুরু করার আগে যে কাজ গুলো করবেন ঃ
১। স্বপ্ন দেখা ঃ সবার আগে স্বপ্ন দেখতে হবে যে, “আপনি একজন উদ্যোক্তা বা ব্যবসায়ী হতে চান”। স্বপ্নের একটা তালিকা করতে হবে। সেই তালিকার পাশে তারিখ লিখতে হবে। ঐ তালিকাটা চোখের সামনে সেটে বা ঝুলিয়ে রাখতে হবে – যাতে প্রতিদিন আপনি স্বপ্ন গুলো দেখতে পান এবং স্বপ্ন গুলো আপনাকে তাড়া করে। তারপর কাজে নেমে পড়তে হবে।
২। মেলা মেশার সার্কেল ঃ আপনি উদ্যোক্তা হতে হলে উদ্যোক্তাদের সাথে মিশতে হবে। আপনার মেলা মেশার সার্কেলের একটা বড় অংশ উদ্যোক্তা ও ব্যবসায়ীরা হতে হবে। তাঁদের অফিস ও ফ্যাক্টরি ভিজিট করতে হবে, তাঁদের সাথে একটা সম্পর্ক গড়ে তুলতে হবে। উদ্যোক্তাদের জীবনী পড়তে হবে।
৩। দক্ষতা অর্জন ঃ ব্যবসা করতে হলে কিছু বিষয়ে দক্ষতা আপনার লাগবেই। ঐ গুলো শিখে ফেলতে হবে। যেমন – লিডারশীপ, প্রেজেন্টেশন, কমিউনিকেশন, বেসিক কম্পিউটার নলেজ, বেসিক অ্যাকাউন্টিং, ডিজিটাল মার্কেটিং, সেলস ইত্যাদি।
৪। বিজনেস আইডিয়া ঃ কি পণ্য বা সার্ভিস নিয়ে ব্যবসা শুরু করবেন তা ঠিক করতে হবে। কোনটাতে আপনার আগ্রহ বা প্যাশন? কি করতে আপনার ভালো লাগে? আপনার মেলা মেশার সার্কেল এটা আপনাকে ঠিক করতে সাহায্য করবে। আপনার বিজনেস আইডিয়া কোন সমস্যার সমাধান করছে?
৫। মার্কেট স্টাডি বা মার্কেট রিসার্চ ঃ যে পণ্য বা সার্ভিস নিয়ে আপনি বাজারে আসবেন, তার একটা মার্কেট রিসার্চ করা দরকার।
- এটার কাস্টমার কারা?
- তারা কোথায় থাকে?
- কাদের জন্য এই পণ্য বাজারে আনছেন?
- তারা এই পণ্য কেন কিনবে? কাস্টমার ফিডব্যাক নিয়েছেন?
- এই পণ্যের কম্পিটিটর কারা? নাকি নিস পণ্য বা সার্ভিস?
- তারা কেন ভালো করছে বা ভালো কারছে না?
- ভালো না করলে কেন করছে না?
- তাঁদের পণ্যের মূল্য কত? আপনি আপনার পণ্যের মূল্য কত ঠিক করেছেন?
- কাস্টমাররা তাঁদের পণ্য না কিনে আপনার থেকে কেন কিনবে?
- আপনার পণ্য বা সার্ভিসের নিজস্বতা বা ব্যতিক্রম কি?
- কি সমস্যা সমাধান করছে আপনার প্রোডাক্ট?
- কাঁচামাল কোথা থেকে সোর্স করবেন? কয়জন ভেন্ডর ঠিক করেছেন সোর্সিং এর জন্য?
৬। ফান্ডিং ঃ প্রোডাক্ট বা সার্ভিস ফাইনাল করার পাশাপাশি ফান্ডিং নিয়ে কাজ শুরু করেন। কিভাবে মূলধন ও ইনভেস্টমেন্ট জোগাড় হবে? নিজে একা করবেন না পার্টনার নিয়ে করবেন? নাকি লিমিটেড কোম্পানি করবেন? তবে ব্যবসা শুরু করতে অনেক টাকা লাগে না।
ব্যবসা শুরু করার আগেই এই বিষয়গুলো নিশ্চিত করতে হবে, তারপর নামতে হবে।
- ইকবাল বাহার
৫০+টি বিখ্যাত Single-Symptom Homeopathic Remedies
Aconite → ভয়/আতঙ্কের পর হঠাৎ জ্বর
Arnica → আঘাতের পর ব্যথা
Arsenicum Alb. → জ্বালা + অস্থিরতা
Belladonna → লাল মুখসহ তীব্র জ্বর
Bryonia → নড়াচড়ায় ব্যথা বাড়ে
Carbo Veg → অতিরিক্ত গ্যাস
Chamomilla → অসহ্য ব্যথায় রাগ
China → রক্ত/তরল ক্ষয়ের পর দুর্বলতা
Colocynthis → চাপে আরাম পাওয়া পেটব্যথা
Drosera → রাতের শুকনো কাশি
Ferrum Phos → জ্বরের শুরু
Gelsemium → দুর্বলতা + ঘুম ঘুম ভাব
Hepar Sulph → ঠান্ডা অসহ্য
Hypericum → স্নায়ুর আঘাত
Ignatia → চেপে রাখা দুঃখ
Ipecac → অবিরাম বমিভাব
Kali B**h → সুতা-টানা কফ
Lachesis → বাম পাশের সমস্যা
Ledum → পোকা কামড়/ছিদ্র ক্ষত
Lycopodium → বিকেলে গ্যাস বাড়ে
Mag Phos → গরমে আরাম পাওয়া খিঁচুনি ব্যথা
Merc Sol → লালা ও মুখের দুর্গন্ধ
Natrum Mur → পুরনো দুঃখ মনে রাখা
Nux Vomica → অতিভোজনের বদহজম
Phosphorus → ঠান্ডা পানি পছন্দ
Pulsatilla → কান্না, সান্ত্বনা চায়
Rhus Tox → নড়লে আরাম, বিশ্রামে খারাপ
Ruta → টেন্ডন/লিগামেন্ট আঘাত
Sepia → সংসারে অনাগ্রহ
Silicea → পুঁজ হওয়ার প্রবণতা
Spigelia → হৃদকম্পন
Sulphur → গরম সহ্য হয় না
Thuja → আঁচিল
Tuberculinum → বারবার ঠান্ডা লাগে
Veratrum Alb. → ঠান্ডা ঘাম + ডায়রিয়া
Apis → ফোলা ও জ্বালা
Calcarea Carb → মাথায় বেশি ঘাম
Cantharis → প্রস্রাবে তীব্র জ্বালা
Causticum → পক্ষাঘাত প্রবণতা
Coffea → চিন্তায় ঘুম না হওয়া
Dulcamara → ভেজা ঠান্ডায় অসুখ
Euphrasia → চোখ দিয়ে পানি
Glonoinum → রোদে মাথাব্যথা
Hamamelis → রক্তক্ষরণ
Kali Carb → ভোর ৩টার শ্বাসকষ্ট
Medorrhinum → রাতে অস্থিরতা
Nitric Acid → কাঁটার মতো ব্যথা
O***m → ভয় পরবর্তী অবচেতন ভাব
Platina → অহংকার
Staphysagria → অপমান চেপে রাখা
Zincum Met → পা নাড়ানোর অভ্যাস
Agaricus → কাঁপুনি/টান
Antimonium Tart → বুকভরা কফ
Baptisia → শরীর ভেঙে যাওয়া অনুভূতি
Borax → নিচে নামতে ভয়
Cicuta Virosa → খিঁচুনি
Digitalis → ধীর দুর্বল নাড়ি
Graphites → আঠালো চর্মরস
Petroleum → শীতে ত্বক ফাটা
Sabadilla → বারবার হাঁচি
Tarentula Hispana → অতিরিক্ত অস্থিরতা
নোট: এগুলো কেবল স্মরণযোগ্য “keynote” লক্ষণ। বাস্তবে সঠিক হোমিওপ্যাথিক ঔষধ নির্বাচন করতে রোগীর সম্পূর্ণ মানসিক, শারীরিক ও সাধারণ লক্ষণ বিবেচনা করা হয়।
ডা. মাওলানা মোহাম্মদ আব্দুল মুকিত
💦 জেনারেল কেস টেকিং 💦
হোমিওপ্যাথিতে কেস টেকিং (Case Taking) হলো চিকিৎসার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। প্রচলিত চিকিৎসায় (Allopathy) যেখানে শুধু রোগের লক্ষণের ওপর ভিত্তি করে ওষুধ দেওয়া হয়, হোমিওপ্যাথিতে সেখানে রোগীর সামগ্রিক সত্তা (Treat the patient, not the disease) বিবেচনা করা হয়।
সহজ কথায়, কেস টেকিং হলো রোগীর শারীরিক, মানসিক এবং বংশগত ইতিহাসের একটি সম্পূর্ণ চিত্র তৈরি করা। নিচে কেস টেকিংয়ের মূল বিষয়গুলো বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:
১. রোগীর বর্তমান সমস্যা (Chief Complaints)
রোগী বর্তমানে কী কী সমস্যায় ভুগছেন, তা বিস্তারিত জানা। তবে শুধু রোগের নাম জানাই যথেষ্ট নয়, এর সাথে ৪টি বিষয় জানা জরুরি (যাকে হোমিওপ্যাথিতে L-M-C-E বলা হয়):
Location (স্থান): রোগটি শরীরের ঠিক কোথায় হয়েছে এবং তা অন্য কোথাও ছড়ায় কি না।
Sensation (অনুভূতি): ব্যথা বা কষ্টের ধরন কেমন? (যেমন: জ্বালাপোড়া, সুই ফোটার মতো ব্যথা, নাকি কামড়ানো ব্যথা)।
Modality (উপশম ও বৃদ্ধি): কিসে রোগ বাড়ে আর কিসে কমে? (যেমন: গরমে বাড়ে নাকি ঠান্ডায়? নড়াচড়া করলে কমে নাকি বিশ্রামে?)
Concomitant (সহগামী লক্ষণ): মূল রোগের সাথে অন্য কোনো অদ্ভুত লক্ষণ দেখা যায় কি না। যেমন: মাথাব্যথার সাথে পেটে গ্যাস হওয়া বা বমি বমি ভাব।
২. শারীরিক সাধারণ লক্ষণ (Physical Generals)
রোগীর শরীরের সার্বিক অবস্থা বোঝার জন্য কিছু সাধারণ অভ্যাস ও লক্ষণ জানতে হয়:
খাদ্যাভ্যাস ও ইচ্ছা: রোগী কেমন খাবার পছন্দ করেন? (মিষ্টি, ঝাল, টক, নাকি লবণাক্ত খাবার?) কোনো খাবারে অরুচি বা ক্ষতি হয় কি না।
পিপাসা ও জিব: রোগীর পিপাসা কেমন? জিবের রং কেমন (শুকনো, ভেজা, নাকি সাদা প্রলেপযুক্ত)?
মল ও মূত্র: কোষ্ঠকাঠিন্য বা ডায়রিয়ার প্রবণতা আছে কি না। প্রস্রাবের রং বা কোনো সমস্যা।
ঘুম ও স্বপ্ন: ঘুম কেমন হয়? ঘুমানোর পজিশন কেমন? ঘুমে কোনো অদ্ভুত স্বপ্ন দেখেন কি না।
আবহাওয়ার প্রভাব (Thermal Relation): রোগী কি শীতকাতর নাকি গরমকাতর? অর্থাৎ তিনি কোন আবহাওয়া বেশি সহ্য করতে পারেন।
ঘাম: শরীরের কোন অংশে বেশি ঘাম হয়? ঘামে কোনো দুর্গন্ধ বা দাগ পড়ে কি না।
৩. মানসিক লক্ষণ (Mental Symptoms)
হোমিওপ্যাথিতে মানসিক লক্ষণকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়। ওষুধ নির্বাচনের ক্ষেত্রে এটি "স্বর্ণপদক" এর মতো।
স্বভাব: রোগী শান্ত, রাগী, নাকি খিটখিটে মেজাজের?
আবেগ: তিনি কি সহজে কেঁদে ফেলেন? সান্ত্বনা দিলে কি রাগ কমে নাকি আরও বাড়ে?
ভয় ও দুশ্চিন্তা: অন্ধকার, একাকীত্ব, উচ্চতা, রোগ বা মৃত্যুর কোনো ভয় আছে কি না।
স্মৃতিশক্তি: মনযোগ কেমন? কোনো কিছু দ্রুত ভুলে যান কি না।
৪. অতীত এবং বংশগত ইতিহাস (Past & Family History)
অতীত ইতিহাস: অতীতে বড় কোনো রোগ (যেমন: টাইফয়েড, ম্যালেরিয়া, জন্ডিস) হয়েছিল কি না এবং তখন কী চিকিৎসা নেওয়া হয়েছিল। কোনো সাপ্রেসড (চাপা পড়া) রোগ আছে কি না।
বংশগত ইতিহাস: পরিবারে বা রক্তসম্পর্কীয় আত্মীয়দের মধ্যে ক্যানসার, টিবি, হাঁপানি, ডায়াবেটিস, বা মানসিক রোগের ইতিহাস আছে কি না (যা হোমিওপ্যাথির মিয়াজম বা ভেতরের মূল কারণ নির্ধারণে সাহায্য করে)।
৫. কেস টেকিংয়ের সময় ডাক্তারের করণীয় (Physician's Role)
হ্যানিম্যানের অর্গানন অব মেডিসিন অনুযায়ী, একজন ভালো হোমিওপ্যাথিক ডাক্তারের কেস টেকিংয়ের সময় নিচের গুণগুলো থাকা জরুরি:
ধৈর্যশীল শ্রোতা: রোগীকে কোনো বাধা না দিয়ে তার নিজের ভাষায় কথা বলতে দেওয়া।
নিরপেক্ষতা: নিজে থেকে কোনো লক্ষণ রোগীর ওপর চাপিয়ে না দেওয়া (Leading questions না করা)।
সতর্ক পর্যবেক্ষণ: রোগীর হাঁটাচলা, কথা বলার ধরন, বসার ভঙ্গি এবং গায়ের রং বা অবয়ব লক্ষ্য করা।
সংক্ষেপে: > একটি আদর্শ কেস টেকিং হলো একটি নিখুঁত পোর্ট্রেট বা ছবির মতো। লক্ষণগুলো যত স্পষ্ট এবং অনন্য (Uncommon, Peculiar) হবে, সঠিক ওষুধ (Simillimum) নির্বাচন করা ততটাই সহজ হবে।
(সুশীল কুমার দাস)
প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক
আপো হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়
30/05/2026
কেস টেইকিং
👉 রোগীর নামঃ
👉 বয়সঃ ১৩ বছর
👉 Physical makeup: মাঝারি গঠন, ফর্সা চেহারা, শরীর কিছুটা নরম ও ফোলা প্রকৃতির।
👉 রোগীর সমস্যা ও রোগ লক্ষণঃ
👉 আর্টিকেরিয়া+++ সারা শরীরে হঠাৎ লালচে চাকা চাকা উঠে।
👉 প্রচণ্ড চুলকানি ও জ্বালাপোড়া, বিশেষ করে দিনে ও গরমে বেশি।
👉 ঠান্ডা পানি বা ঠান্ডা সেঁকে আরাম লাগে।
👉 আক্রান্ত স্থান ফুলে যায়, মৌমাছি কামড়ানোর মতো ব্যথা ও জ্বালা।
👉 রাতে ঘুমের সময় শরীর গরম হলে চুলকানি বেড়ে যায়।
👉 মাঝে মাঝে চোখের পাতা ও ঠোঁট ফুলে যায়।
👉 প্রসাবঃ প্রসাব কম, হলুদাভ, প্রসাবের সময় হালকা জ্বালা।
👉 অতীত রোগঃ টনসিল ও অ্যালার্জির ইতিহাস।
👉 পারিবারিক ইতিহাসঃ
মায়ের এলার্জি সমস্যা, বাবার চর্মরোগের প্রবণতা।
👉 পায়খানাঃ স্বাভাবিক।
👉 কাতরতাঃ গরমকাতর+++
👉 প্রিয়ঃ ঠান্ডা পানি, আইসক্রিম, জুস।
👉 অপ্রিয়ঃ গরম খাবার, রোদ।
👉 গোসলঃ ঠান্ডা পানিতে গোসল পছন্দ।
👉 ঘুমঃ কম, চুলকানিতে ঘুম ভেঙে যায়।
👉 ঘামঃ কম।
👉 জিহ্বাঃ লালচে ও রসাল।
👉 পিপাসাঃ কম।
👉 মনঃ অধিক বিরক্ত, কান্না করে, একা থাকতে ভয়, বজ্রপাত ও অন্ধকারে ভয়। অধিক রাগী ও প্রতিবাদী। কোন কিছুতে জিদ করলে একেবারে কাজ শেষ করে ছাড়ে।
রোগীকে আমি নিজের মত একটা ঔষধ দিয়েছি আপনাদের মতামত চাই স্যার/ ম্যামরা????
Cascara Sagrada Ø (মাদার টিংচার
উৎস (Source):
Cascara Sagrada গাছের বাকল (Rhamnus purshiana) থেকে প্রস্তুত একটি পরিচিত হোমিওপ্যাথিক মাদার টিংচার।
প্রধান কার্যকারিতা:
✅ দীর্ঘদিনের কোষ্ঠকাঠিন্য
✅ শক্ত ও শুকনো পায়খানা
✅ পাইলসের সাথে কোষ্ঠকাঠিন্য
✅ লিভারের কর্মক্ষমতা দুর্বল হলে
✅ পেটে গ্যাস, ফাঁপা ও অস্বস্তি
✅ মলত্যাগের বেগ কম অনুভব হওয়া
✅ অলস অন্ত্র (Lazy bowel) সমস্যায় উপকারী
যাদের ক্ষেত্রে বেশি ব্যবহার হয়:
✔️ নিয়মিত পায়খানা পরিষ্কার না হওয়া
✔️ বয়স্কদের কোষ্ঠকাঠিন্য
✔️ দীর্ঘদিন জোলাপ ব্যবহার করার পর অন্ত্র দুর্বল হয়ে যাওয়া
✔️ খাবার হজম ধীরগতির হওয়া
Mephitis Putorius 30 CH
হুপিং কাশি (Whooping Cough) ও তীব্র শুকনো কাশিতে বহুল ব্যবহৃত একটি পরিচিত হোমিওপ্যাথিক ঔষধ।
কার্যকারিতা ও লক্ষণঃ
✔️ বারবার দম বন্ধ হওয়া ধরনের কাশি
✔️ কাশির পর বমি বমি ভাব বা বমি হওয়া
✔️ রাতে কাশি বেড়ে যাওয়া
✔️ কাশি করতে করতে মুখ লাল বা নীলচে হয়ে যাওয়া
✔️ শিশুদের স্পাজমোডিক বা হুপিং কাশি
✔️ শ্বাস নিতে কষ্ট ও বুক চাপ অনুভব
✔️ দীর্ঘদিনের বিরক্তিকর শুকনো কাশি
মানসিক লক্ষণঃ
🔸 অস্থিরতা
🔸 বিরক্তিভাব
🔸 কাশির কারণে ঘুমের ব্যাঘাত
🔸 আতঙ্ক বা দম বন্ধ হয়ে যাওয়ার ভয়
22/05/2026
অসহ্য গরম! আর এই গরমে শরীরে বেড়েছে #ঘামাচি। ঘামাচির যন্ত্রনা থেকে মুক্তি পেতে পারেন হোমিও চিকিৎসায়।
#ঘামাচি র ১৫ টি হোমিও ওষুধ ও ৮টি বৈশিষ্ট্য
━━━━━━━━━━━━━━━━━━
🔴 1. Sulphur
• অতিরিক্ত চুলকানি
• গরমে বাড়ে
• ত্বক লাল হয়
• জ্বালাপোড়া অনুভূতি
• ঘাম বেশি
• রাতে অস্বস্তি
• শুকনো ত্বক
• পুরাতন ঘামাচিতে উপকারী
🟢 2. Rhus Toxicodendron
• ছোট ছোট ফুসকুড়ি
• পানিভর্তি দানা
• চুলকালে আরাম
• ভেজা আবহাওয়ায় বাড়ে
• লালচে র্যাশ
• অস্থিরতা
• জ্বালা অনুভূতি
• রাতে বেশি কষ্ট
🔵 3. Apis Mellifica
• ফুলে যায়
• জ্বালাপোড়া
• সূচ ফোটার মত ব্যথা
• ঠান্ডায় আরাম
• লালচে ত্বক
• স্পর্শে ব্যথা
• গরমে বাড়ে
• হঠাৎ র্যাশ ওঠে
🟣 4. Belladonna
• তীব্র লালভাব
• গরম অনুভূতি
• স্পর্শে ব্যথা
• হঠাৎ শুরু
• ধুকপুক ব্যথা
• শরীর গরম
• অস্থিরতা
• জ্বালাপোড়া
🟠 5. Graphites
• আঠালো রস বের হয়
• মোটা ত্বক
• ফাটল পড়ে
• দীর্ঘস্থায়ী সমস্যা
• চুলকানি
• ভেজা র্যাশ
• ত্বক খসখসে
• রাতে বাড়ে
🟡 6. Hepar Sulph
• পুঁজযুক্ত দানা
• স্পর্শে ব্যথা
• ঠান্ডা সহ্য হয় না
• তীব্র চুলকানি
• ঘামে দুর্গন্ধ
• ফোঁড়ার মত হয়
• সংবেদনশীল ত্বক
• সামান্য ঠান্ডায় বাড়ে
🔴 7. Mercurius Solubilis
• অতিরিক্ত ঘাম
• দুর্গন্ধযুক্ত ঘাম
• আর্দ্র ত্বক
• লালচে র্যাশ
• রাতে বাড়ে
• চুলকানি
• দুর্বলতা
• জ্বালাপোড়া
🟢 8. Natrum Mur
• গরমে র্যাশ বাড়ে
• রোদে সমস্যা
• ত্বক তৈলাক্ত
• মাথায় ঘাম
• দুর্বলতা
• চুলকানি
• শুষ্ক ঠোঁট
• ঘামাচি বারবার হয়
🔵 9. Croton Tiglium
• প্রচণ্ড চুলকানি
• স্পর্শে বাড়ে
• পানিভর্তি ফুসকুড়ি
• জ্বালাপোড়া
• দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে
• ত্বক লাল হয়
• ঘামলে বাড়ে
• চুলকালে জ্বালা
🟣 10. Dulcamara
• ভেজা আবহাওয়ায় বাড়ে
• বর্ষাকালে সমস্যা
• ঠান্ডায় র্যাশ
• চুলকানি
• লালচে দানা
• ত্বক ভেজা লাগে
• জ্বালা
• শরীর ব্যথা
🟠 11. Arsenicum Album
• জ্বালাপোড়া
• অস্থিরতা
• রাতে বাড়ে
• দুর্বলতা
• শুকনো ত্বক
• ছোট দানা
• গরমে আরাম
• ভয় ও উদ্বেগ
🟡 12. Calcarea Carb
• অতিরিক্ত ঘাম
• মোটা শরীর
• গরম সহ্য হয় না
• মাথায় ঘাম
• শিশুদের ঘামাচি
• দুর্বলতা
• চুলকানি
• বারবার র্যাশ
🔴 13. Petroleum
• শুষ্ক ফাটা ত্বক
• চুলকানি
• রক্ত বের হয়
• শীতে বাড়ে
• খসখসে ত্বক
• জ্বালাপোড়া
• মোটা চামড়া
• দীর্ঘস্থায়ী সমস্যা
🟢 14. Mezereum
• পুরু খোসা পড়ে
• তীব্র চুলকানি
• পুঁজযুক্ত দানা
• জ্বালাপোড়া
• রাতে বাড়ে
• গরমে অস্বস্তি
• মাথার ত্বক আক্রান্ত
• রক্তপাত হতে পারে
🔵 15. Sepia
• ঘামে র্যাশ বাড়ে
• বাদামি দাগ
• দুর্বলতা
• গরমে কষ্ট
• চুলকানি
• শুষ্ক ত্বক
• মহিলাদের বেশি
• দীর্ঘস্থায়ী ঘামাচি
★★★এছাড়াও লক্ষ্মণ ভিত্তিক আরো গুরুত্বপূর্ণ ওষুধ আসতে পারে। ★★★
#বিঃদ্রঃ ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া যে কোনো ওষুধ সেবন ই বিপদজনক।
কেস টেইকিং
👉রোগীর নামঃ সোহেল বয়সঃ ১৯ বছর,
👉 Physical makeup: পাতলা-ছিপছিপে গঠন, শ্যামলা বর্ণ, চেহারায় বিরক্ত ভাব।
👉 Present Complain: অল্প খাওয়াতেই গ্যাস, টক ঢেকুর ও বুক জ্বালা। সকালে বমি বমি ভাব। মাঝে মাঝে শরীরে চুলকানি ও র্যাশ বের হয়।
👉 Past History: ঘন ঘন সর্দি-কাশি, পেটের সমস্যা, পূর্বে চর্মরোগ হয়েছিল।
👉 Family History: বাবা অ্যাজমা, মা বাতের রোগী।
👉 H.C.R: ঠান্ডাকাতর।
👉 Agg: সকালে, অতিভোজনে, ঝাল-মসলাযুক্ত খাবারে, রাত জাগলে, মানসিক রাগের পর।
👉 Amel: বিশ্রামে, গরমে, কিছুক্ষণ ঘুমালে।
👉 Desire: ঝাল+++, ফাস্টফুড+++, মাংস++, ডিম++, চা++।
👉 Aversion: সাধারণ খাবার, পানি, মিষ্টি।
👉 Stool: বারবার পায়খানার বেগ আসে কিন্তু পরিষ্কার হয় না।
👉 Urine: স্বাভাবিক।
👉 Thirst: কম।
👉 Bath: গোসল অপছন্দ।
👉 Sleep: রাতে দেরিতে ঘুমায়, ঘুম ভাঙলে বিরক্ত হয়।
👉 Sweat: অল্প, কিন্তু গন্ধযুক্ত।
👉 Suppressed disease: পূর্বে স্টেরয়েড বা মলমে চর্মরোগ চাপা পড়েছিল।
👉 Tongue: সাদা আবরণযুক্ত, কিছুটা শুষ্ক।
👉 Mind: অত্যন্ত রাগী ও খিটখিটে। সামান্য কথায় উত্তেজিত হয়। বিরোধিতা সহ্য করতে পারে না। একা থাকতে পছন্দ করে। পড়াশোনায় মনোযোগ ভালো কিন্তু দ্রুত বিরক্ত হয়। অধৈর্য ও জেদী স্বভাব।
সঠিক পরামর্শ আশা করছি। যদিও আমি একটা ঔষধ প্রয়োগ করেছি।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Dhaka
