Dr. Tahamina Akter Joya
I'm always concerned about your health and safety, you can contact me if you have any problem!!
18/05/2026
খুব প্রয়োজনীয় তথ্য।
18/05/2026
ব্রেস্ট ক্যান্সার (Breast Cancer) হওয়ার নির্দিষ্ট একক কারণ নেই। সাধারণত বিভিন্ন ঝুঁকির কারণ (risk factors) একসাথে কাজ করে রোগটি হতে পারে।
🔎 প্রধান কারণ ও ঝুঁকির বিষয়গুলো:
১.বয়স বৃদ্ধি
বয়স যত বাড়ে, ঝুঁকি তত বাড়ে—বিশেষ করে ৪০ বছরের পর।
২.পারিবারিক ইতিহাস (Genetic factor)
মা, বোন বা নিকট আত্মীয়ের ব্রেস্ট ক্যান্সার থাকলে ঝুঁকি বেশি।
বিশেষ করে BRCA1 ও BRCA2 জিনের পরিবর্তন থাকলে ঝুঁকি অনেক বাড়ে।
৩.হরমোনের প্রভাব (ইস্ট্রোজেন বেশি সময় থাকা)
খুব অল্প বয়সে মাসিক শুরু
দেরিতে মেনোপজ
সন্তান না হওয়া
প্রথম সন্তান ৩০ বছরের পরে হওয়া
দীর্ঘদিন হরমোন থেরাপি নেওয়া
বিশেষ করে মেনোপজের পর ইস্ট্রোজেন-প্রোজেস্টেরন থেরাপি।
৪.স্থূলতা (Obesity)
বিশেষ করে মেনোপজের পর ওজন বেশি হলে ঝুঁকি বাড়ে।
৫.অ্যালকোহল সেবন
নিয়মিত মদ্যপান ঝুঁকি বাড়ায়।
৬.রেডিয়েশন এক্সপোজার
অল্প বয়সে বুকে রেডিয়েশন থেরাপি নেওয়া থাকলে।
৭.ধূমপান
৮.শারীরিক পরিশ্রমের অভাব
❗ যেগুলো ভুল ধারণা:
ব্রা পরলে ব্রেস্ট ক্যান্সার হয় — ❌ না
স্তনে আঘাত পেলে ক্যান্সার হয় — ❌ না
ডিওডোরেন্ট ব্যবহার করলে হয় — ❌ বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই
⚠️ লক্ষণগুলো খেয়াল রাখবেন:
স্তনে বা বগলে গাঁট
স্তনের আকার/ত্বকের পরিবর্তন
নিপল থেকে রক্ত বা অস্বাভাবিক স্রাব
ত্বক কমলার খোসার মতো হওয়া
ডা. তাহমিনা আক্তার জয়া
চেম্বার-১
"মা হোমিও হেলথ কেয়ার সেন্টার"
আদর্শ নগর বাড্ডা লিং রোড ঢাকা ১২১২ ।
চেম্বার-২
"মা হোমিও হল"
কলমাকান্দা থানা রোড
কলমাকান্দা নেত্রকোনা।
কলমাকান্দা চেম্বারে রোগী দেখার মূহুর্ত।
নাকে পলিপাস, মহিলাদের লিকোরিয়া(সাদা স্রাব), ইরিগুলার পিরিয়ড(অনিয়মিত মাসিক স্রাব), জরায়ু ফাইব্রয়েড, জরায়ু সিস্ট, এডেক্সনাল সিস্ট এন্ড ফাইব্রয়েড, অভারিয়ান সিস্ট, ইলংগেটেড ইউট্রাস(জরায়ু নিচের দিকে নেমে আসা)
ইনফার্টালিটি(বন্ধ্যাত্ব বা বাচ্চা না হওয়া) , লো সেক্সচুয়াল ডিসঅর্ডার (মহিলাদের সহবাসে অনিচ্ছা), জরায়ু ক্যান্সার ব্রেস্ট ক্যান্সার, এই রোগগুলো বর্তমানে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে।
আমার স্টাডি বলছে অসচেতনতা, নিয়মিত পিল খাওয়া, ইনজেকশন নেওয়া, ভুল ট্রিটমেন্ট, অপুষ্টিহীনতা, খাদ্যে ভেজাল এবং পারিবারিক এবং সামাজিক ভ্রান্ত ধারণা এবং স্বামী স্ত্রীর মধ্যে দৃঢ় বন্ধনের অভাবে এই রোগ গুলো বেশি দেখা দিচ্ছে।
হোমিওপ্যাথিতে এই সমস্যাগুলোর সমাধান হয়, নিয়মিত চিকিৎসা নিলে এই রোগ গুলো স্থায়ীভাবে আরোগ্য হয়, তাই প্রতিটি মেয়ে বউ মহিলাকে তারা এ সমস্যাগুলোতে ভুগছেন তাদেরকে আন্তরিকভাবে আহ্বান জানাবো আপনাদের রোগ গুলোকে পুষে না রেখে দ্রুত আমাদের কাছে আসুন সুস্থ হয়ে যাবেন ইনশাআল্লাহ।
ডা. তাহমিনা আক্তার জয়া।
03/04/2026
হাম ও চিকেন ফক্স: আধুনিক চিকিৎসার ফাঁদ না হোমিওপ্যাথির মানবিক সাফল্য
আজকের বাস্তবতায় আমরা একটি অদ্ভুত প্রবণতা লক্ষ্য করছি, যে কোনো ভাইরাসজনিত রোগ হলেই অনেকে তড়িঘড়ি করে অপ্রয়োজনীয় ওষুধ, অ্যান্টিবায়োটিক, কিংবা অতিরিক্ত মেডিকেল হস্তক্ষেপের দিকে ঝুঁকে পড়ছেন। অথচ হাম (Measles) ও চিকেন ফক্স (Chickenpox) মূলত স্বয়ং সীমাবদ্ধ ভাইরাল রোগ, যেখানে শরীরের নিজস্ব প্রতিরোধ ক্ষমতাই প্রধান ভূমিকা পালন করে।
কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে, আমরা কি সেই প্রাকৃতিক আরোগ্য প্রক্রিয়াকে সম্মান করছি, নাকি অজান্তেই তা বাধাগ্রস্ত করছি
আধুনিক চিকিৎসার একটি বড় সীমাবদ্ধতা হলো এটি অধিকাংশ ক্ষেত্রে উপসর্গ দমনেই সীমাবদ্ধ থাকে। জ্বর কমানো, র্যাশ চাপা দেওয়া, চুলকানি বন্ধ করা এসবের আড়ালে শরীরের ভেতরে চলমান স্বাভাবিক প্রতিরোধ প্রক্রিয়াকে অনেক সময় দুর্বল করে দেওয়া হয়। উপরন্তু অপ্রয়োজনীয় অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার, পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া এবং রোগীর সামগ্রিক অবস্থার প্রতি অবহেলা এসব বিষয় অনেক ক্ষেত্রেই প্রশ্নের জন্ম দেয়।
অন্যদিকে হোমিওপ্যাথি একটি সম্পূর্ণ ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে কাজ করে।
এখানে রোগকে দমন করা হয় না, বরং রোগীর ভেতরের ভায়টাল ফোর্সকে উদ্দীপিত করে শরীরকে নিজে নিজে সুস্থ হওয়ার পথ দেখানো হয়। প্রতিটি রোগীকে আলাদা সত্তা হিসেবে বিবেচনা করা হয় তার মানসিক অবস্থা, শারীরিক প্রতিক্রিয়া এমনকি তার ভয়, অস্থিরতা, তৃষ্ণা, ঘাম সবকিছুর উপর ভিত্তি করে ঔষধ নির্বাচন করা হয়।
হাম ও চিকেন ফক্সের ক্ষেত্রে সঠিকভাবে নির্বাচিত হোমিওপ্যাথিক ঔষধ যেমন Belladonna, Pulsatilla, Rhus tox, Antimonium tart, Variolinum ইত্যাদি রোগের গতি মসৃণ করতে, জটিলতা কমাতে এবং দ্রুত আরোগ্যে সহায়ক হতে পারে এমন অভিজ্ঞতা বহু চিকিৎসকের ক্লিনিক্যাল প্র্যাকটিসে প্রতিফলিত হয়েছে।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো হোমিওপ্যাথিক ঔষধ সূক্ষ্ম মাত্রায় প্রয়োগ করা হয়, ফলে এটি সাধারণত দেহে কোনো বিষক্রিয়া সৃষ্টি করে না। শিশুদের ক্ষেত্রে এটি একটি কোমল, নিরাপদ এবং সহনশীল চিকিৎসা পদ্ধতি হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।
তবে বাস্তবতা অস্বীকার করা যাবে না, যে কোনো রোগ জটিল আকার ধারণ করলে যেমন শ্বাসকষ্ট, অতিরিক্ত দুর্বলতা, খিঁচুনি বা চেতনা বিভ্রাট দেখা দিলে দ্রুত প্রয়োজনীয় চিকিৎসা গ্রহণ করা অপরিহার্য। প্রকৃত চিকিৎসা কখনো একমুখী নয়, এটি হওয়া উচিত সচেতন, সমন্বিত এবং রোগীর সর্বোত্তম স্বার্থে পরিচালিত।
সুতরাং অন্ধভাবে কোনো চিকিৎসা পদ্ধতির উপর নির্ভর না করে বুঝে, জেনে, অভিজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে পথ বেছে নিন। কারণ প্রকৃত আরোগ্য মানে শুধু রোগ সেরে যাওয়া নয়, বরং শরীর, মন ও জীবনীশক্তির পূর্ণ সামঞ্জস্যে ফিরে আসা।
সচেতন হোন, সুস্থ থাকুন।।
🌸 হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসায় বিশ্বস্ত সেবা 🌸
দীর্ঘ সাত বছর ধরে আপনাদের সেবায় বিশ্বস্ত প্রতিষ্ঠান।
📍 চেম্বারঃ
1."মা হোমিও হেলথ কেয়ার সেন্টার"
আদর্শ নগর বাড্ডা লিং রোড ঢাকা ১২১২
2. "মা হোমিও হল"
কলমাকান্দা থানা রোড, কলমাকান্দা,নেত্রকোনা।
ডাঃ তাহমিনা আক্তার জয়া
ডিগ্রিঃ D.H.M.S- BHB DHAKA
B.H.M.S (Bachelor of Homeopathic Medicine & Surgery) [on course]
📞 যোগাযোগঃ 01965945192
✨ সেবার বৈশিষ্ট্যঃ
✅ Constitutional Treatment: রোগীর শারীরিক, মানসিক ও আবেগগত দিক বিশ্লেষণ করে মূল কারণ নির্ণয়
✅ Chronic Disease Management: দীর্ঘমেয়াদি রোগের সুনির্দিষ্ট ও কার্যকর সমাধান
✅ Acute Treatment System: হঠাৎ সৃষ্ট যেকোনো সমস্যা বা ব্যথার তাৎক্ষণিক হোমিওপ্যাথিক সমাধান
✅ Preventive Homeopathy: রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য বিশেষ থেরাপি
✅ Child & Women Care: শিশু ও নারীর বিশেষ স্বাস্থ্য সমস্যার জন্য নিরাপদ চিকিৎসা
✅ Lifestyle & Counseling Support: রোগ প্রতিরোধে জীবনধারা বিষয়ক পরামর্শ
🌿 কেন হোমিওপ্যাথি বেছে নেবেন? 🌿
সম্পূর্ণ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াহীন ও নিরাপদ চিকিৎসা
প্রতিটি রোগীর জন্য ব্যক্তিগতকৃত চিকিৎসা পরিকল্পনা
শারীরিক ও মানসিক সুস্থতার সমন্বিত সমাধান
🕊 আপনার সুস্থতার অঙ্গীকারে, পাশে আছি সবসময়।
21/02/2026
✨🌙 ঘুম কোনো বিলাসিতা নয়, বরং মানবদেহের একটি মৌলিক প্রয়োজন। এটি শারীরিক পুনর্গঠন, মানসিক স্থিতি ও স্মৃতির স্থায়িত্বে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। সঠিক সময়ে, সঠিক পরিবেশে এবং পর্যাপ্ত পরিমাণে ঘুম আমাদের দৈনন্দিন জীবনকে সুসংগঠিত ও প্রাণবন্ত করে তোলে। তাই সুস্থ জীবনের অংশ হিসেবে ঘুমকে অগ্রাধিকার দেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ। 💤🌟
🌙💤 ঘুম নিয়ে মজার ও বিস্ময়কর তথ্য 💫🛌
🔵 ⃣ মানুষ জীবনের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ সময় ঘুমিয়ে কাটায় ⏳
গড়ে একজন মানুষ যদি ৭৫ বছর বেঁচে থাকেন, তবে প্রায় ২৫ বছর তিনি ঘুমের মধ্যেই কাটান। অর্থাৎ আমাদের জীবনের একটি বিশাল অংশ সচেতন কর্ম নয়, বরং অবচেতন বিশ্রামে ব্যয় হয়। মস্তিষ্ক ও দেহের পুনর্গঠনের জন্য এই সময়টি অপরিহার্য। তাই ঘুমকে সময়ের অপচয় ভাবা বৈজ্ঞানিকভাবে ভুল; এটি আসলে জৈবিক বিনিয়োগ।
🟢 ⃣ ঘুমের সময়ও মস্তিষ্ক পুরোপুরি বন্ধ থাকে না 🧠
অনেকে মনে করেন ঘুম মানেই মস্তিষ্ক বিশ্রামে যায়। বাস্তবে ঘুমের নির্দিষ্ট পর্যায়ে মস্তিষ্ক অত্যন্ত সক্রিয় থাকে, বিশেষ করে স্বপ্নদর্শন পর্যায়ে। স্মৃতি সংরক্ষণ, আবেগ প্রক্রিয়াকরণ ও স্নায়বিক সংযোগ পুনর্গঠন—সবই তখন ঘটে।
🟣 ⃣ স্বপ্ন দেখা একটি স্বাভাবিক স্নায়ুবৈজ্ঞানিক প্রক্রিয়া 🌈
প্রত্যেক মানুষ স্বপ্ন দেখে, যদিও সবাই মনে রাখতে পারে না। সাধারণত প্রতি রাতে ৪–৬ বার স্বপ্ন দেখা হয়। অধিকাংশ স্বপ্ন কয়েক মিনিট স্থায়ী হয়, তবে অনুভূতিতে তা দীর্ঘ মনে হতে পারে।
🟡 ⃣ ঘুমের চক্র প্রায় ৯০ মিনিটের 🔄
একটি পূর্ণ ঘুমচক্রে হালকা ঘুম, গভীর ঘুম ও স্বপ্ন পর্যায় অন্তর্ভুক্ত থাকে। প্রায় ৯০ মিনিটে একটি চক্র সম্পন্ন হয়। তাই অনেক সময় ৬ ঘণ্টা বা ৭.৫ ঘণ্টা ঘুম তুলনামূলকভাবে সতেজ অনুভূতি দেয়—কারণ তখন পূর্ণ চক্র সম্পন্ন হয়।
🔴 ⃣ নবজাতকেরা প্রাপ্তবয়স্কদের চেয়ে অনেক বেশি ঘুমায় 👶
নবজাতক শিশু দিনে ১৪–১৭ ঘণ্টা পর্যন্ত ঘুমাতে পারে। তাদের মস্তিষ্ক দ্রুত বিকশিত হয়, তাই বিশ্রাম প্রয়োজন বেশি।
🔵 ⃣ ঘুমের অভাবে শরীর নেশাগ্রস্তের মতো আচরণ করতে পারে 🚫
২৪ ঘণ্টা না ঘুমালে মনোযোগ ও প্রতিক্রিয়ার ক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যায়। গবেষণায় দেখা গেছে, দীর্ঘ সময় না ঘুমানো অবস্থায় সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা দুর্বল হয়, যা অ্যালকোহলের প্রভাবের মতো আচরণ তৈরি করতে পারে।
🟢 ⃣ ঘুমের মধ্যে হাঁটা একটি বাস্তব ঘটনা 🚶
কিছু মানুষ গভীর ঘুমে হাঁটাহাঁটি বা কথা বলে। এটিকে নিদ্রাচরণ বলা হয়। এটি সাধারণত শৈশবে বেশি দেখা যায় এবং বয়সের সাথে কমে যায়।
🟣 ⃣ প্রাণীরাও বিভিন্নভাবে ঘুমায় 🐬
ডলফিনের মতো কিছু প্রাণী একসঙ্গে মস্তিষ্কের অর্ধেক অংশ ঘুম পাড়ায়, যাতে তারা সাঁতার চালিয়ে যেতে পারে। আবার জিরাফ খুব অল্প সময় ঘুমায়—প্রতিদিন প্রায় ২ ঘণ্টা।
🟡 ⃣ ঘুমের ঘাটতি ক্ষুধা বাড়াতে পারে 🍔
পর্যাপ্ত ঘুম না হলে শরীরে এমন হরমোন নিঃসৃত হয় যা ক্ষুধা বৃদ্ধি করে। ফলে অতিরিক্ত খাবার গ্রহণের প্রবণতা দেখা দিতে পারে।
🔴 🔟 নাক ডাকা সবসময় ক্ষতিকর নয়, তবে সতর্কতার বিষয় 😴
হালকা নাক ডাকা সাধারণ ঘটনা। তবে যদি শ্বাস বন্ধ হয়ে যাওয়ার মতো লক্ষণ থাকে, তবে তা গুরুতর নিদ্রাজনিত সমস্যার ইঙ্গিত হতে পারে।
🔵 ⃣ ঘুমের আগে আলো কমানো ঘুমকে সহজ করে 💡
উজ্জ্বল আলো, বিশেষ করে নীল আলো, ঘুমের হরমোন নিঃসরণে প্রভাব ফেলে। তাই ঘুমের আগে আলো কমানো উপকারী।
🟢 ⃣ দুপুরের স্বল্প বিশ্রাম কর্মক্ষমতা বাড়াতে পারে ☀️
২০–৩০ মিনিটের বিশ্রাম মনোযোগ ও স্মৃতিশক্তি উন্নত করতে সহায়ক হতে পারে। তবে দীর্ঘ সময় ঘুমালে ঘুমঘোর থাকতে পারে।
🟣 ⃣ ঘুমের সময় শরীরের তাপমাত্রা সামান্য কমে যায় 🌡️
ঘুম শুরুর সঙ্গে সঙ্গে দেহের তাপমাত্রা কিছুটা কমে। এটি ঘুমের প্রাকৃতিক প্রক্রিয়ার অংশ।
🟡 ⃣ দুঃস্বপ্ন সাধারণত মানসিক চাপের সাথে সম্পর্কিত 😨
উদ্বেগ বা মানসিক চাপে থাকলে দুঃস্বপ্নের সম্ভাবনা বাড়তে পারে। তবে মাঝে মাঝে দুঃস্বপ্ন দেখা স্বাভাবিক।
🔴 ⃣ ঘুম স্মৃতিকে শক্তিশালী করে 📚
দিনের শেখা তথ্য ঘুমের সময় স্থায়ী স্মৃতিতে রূপান্তরিত হয়। তাই পরীক্ষার আগে পর্যাপ্ত ঘুম কার্যকর প্রস্তুতির অংশ।
🔵⃣ দীর্ঘদিন কম ঘুম স্বাস্থ্যের ঝুঁকি বাড়াতে পারে ⚠️
দীর্ঘমেয়াদি ঘুমের ঘাটতি শরীরের বিভিন্ন জৈবিক প্রক্রিয়ায় প্রভাব ফেলতে পারে। তাই নিয়মিত পর্যাপ্ত ঘুম গুরুত্বপূর্ণ।
🟢 ⃣ স্বপ্নে আমরা প্রায়ই পরিচিত মুখ দেখি 👥
মস্তিষ্ক স্বপ্ন তৈরির সময় পরিচিত অভিজ্ঞতা ব্যবহার করে। তাই অধিকাংশ ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ অচেনা মুখ কম দেখা যায়।
🟣 ⃣ অন্ধ ব্যক্তিরাও স্বপ্ন দেখে 🌌
জন্মগতভাবে অন্ধ ব্যক্তির স্বপ্ন দৃশ্যভিত্তিক নাও হতে পারে, তবে শব্দ, স্পর্শ ও অনুভূতি থাকে।
🟡 ⃣ ঘুমের অভাবে আবেগ নিয়ন্ত্রণ কঠিন হয় 💢
পর্যাপ্ত বিশ্রাম না হলে মানুষ সহজে বিরক্ত বা আবেগপ্রবণ হতে পারে।
🔴 ⃣ ঘুমের আগে নিয়মিত রুটিন উপকারী 📅
একই সময়ে ঘুমানো ও জাগা শরীরের জৈব ঘড়িকে সুশৃঙ্খল রাখে।
🔵 ⃣ অতিরিক্ত ঘুমও সবসময় উপকারী নয় ⏰
প্রয়োজনের অতিরিক্ত দীর্ঘ সময় ঘুমালে ক্লান্তি অনুভূত হতে পারে।
🟢 ⃣ স্বপ্নে সময়ের অনুভূতি ভিন্ন হতে পারে ⌛
স্বল্প সময়ের স্বপ্ন দীর্ঘ মনে হতে পারে, কারণ মস্তিষ্কের সময় উপলব্ধি ভিন্নভাবে কাজ করে।
🟣 ⃣ শব্দের মধ্যেও মানুষ ঘুমাতে পারে 🔔
নিয়মিত পরিচিত শব্দ অনেক সময় ঘুমে বাধা দেয় না, তবে হঠাৎ অচেনা শব্দ সহজে জাগিয়ে তোলে।
🟡 ⃣ বিছানার আরাম ঘুমের মানে প্রভাব ফেলে 🛏️
উপযুক্ত বালিশ ও গদি শরীরের সঠিক ভঙ্গি বজায় রাখতে সহায়তা করে।
🔴 ⃣ হাসিখুশি মন ভালো ঘুমে সহায়ক 😊
ঘুমের আগে ইতিবাচক মনোভাব ও প্রশান্তি ঘুমের গুণগত মান উন্নত করতে সাহায্য করতে পারে।
06/02/2026
অতিরিক্ত রাগী, অহংকারী, বদমেজাজি, গালাগালি করা, ভাংচুর করা , একদম অতিরিক্ত মাথা গরম। কারও কথা সহ্য হয় না। নিজে যা বলে ওটাই ঠিক। শান্তনা রাগ বাড়ে। কোন মেডিসিন এর লক্ষন আপু?
একজন জিজ্ঞাসুর প্রশ্নের উত্তর-
🔥 Nux Vomica
এটাই প্রথমে মাথায় আসে।
মূল লক্ষণ
খুব রাগী, খিটখিটে, সহজে বিস্ফোরিত
অহংকারী ভাব, নিজের সিদ্ধান্তই ঠিক
সামান্য কথাতেই গালাগালি
শান্ত করতে গেলে আরো রেগে যায়
কেউ বিরোধিতা করলে সহ্য করতে পারে না
কাজের চাপ, রাত জাগা, অতিরিক্ত চিন্তা থাকে
👉 রাগ + জেদ + ইরিটেশন = Nux Vomica
🔥 Lycopodium
ভেতরে ভেতরে অহংকার খুব বেশি
নিজের ভুল মানতে চায় না
অন্যকে ছোট করে কথা বলে
কথা বলায় কর্তৃত্ব দেখায়
রাগে চিৎকার, অপমান
বাইরে শক্ত, ভেতরে insecurity
👉 “আমি ঠিক, তুমি ভুল”—এই মানসিকতা
🔥 Sulphur
নিজেকে সবচেয়ে বুদ্ধিমান মনে করে
কারও কথা গুরুত্ব দেয় না
তর্কপ্রিয়, রুক্ষ ভাষা
নিয়ম মানতে চায় না
অহংকার + উদাসীনতা
👉 “আমি জানি, বাকিরা কিছুই জানে না”
🔥 Hepar Sulph
সামান্য কথাতেই প্রচণ্ড রাগ
গালাগালি, মারমুখী ভাব
সহ্যশক্তি খুব কম
রাগ হঠাৎ আসে
👉 অল্প কথায় আগুন
🔥 Belladonna
হঠাৎ হঠাৎ রাগের বিস্ফোরণ
ভাংচুর করতে পারে
চোখ লাল, মুখ গরম
নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে
👉 একদম sudden violent anger
আপনি বা আপনার আশেপাশের মানুষজন কি ধরনের এবং উপরে উল্লেখিত কোন মেডিসিনের রোগী তা কমেন্ট করে অবশ্যই জানাতে ভুলবেন না।
ক্যান্সার রোগীর সম্পূর্ণ সুস্থ হওয়া এবং স্বাভাবিক জীবন যাপন করা এটা একমাত্র হোমিওপ্যাথি ট্রিটমেন্ট এর মাধ্যমেই সম্ভব আলহামদুলিল্লাহ।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Kalmakanda
Dhaka
