Fade in tour
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Fade in tour, Beauty, cosmetic & personal care, 45B,Deluroad,Mogbager, Dhaka.
06/11/2016
Special offer for winter 2016
Royal Resorts Tours & Travel and Fade in tour will arrange an exclusive package tour in December
21, 22, 23, 24th (3 days 2 nights) Dhaka to Sundorban to Dhaka.
Per person 10,500/ taka only. Fixed number of tourist 36 persons.
You get received service from our company as follows . . . . .
1. Dhaka – Khulna – Dhaka by Train shovon Chair chose (Non A.C)
2. Two well-trained forest guard form Govt. of forest department.
3. The Sundorban experienced tourist guide for all time direction.
4. Luxurious water Launch with well decorated cabin.
5. Arrange of necessary medicine of Fast Aid.
6. 24 hours tea, mineral water services are available.
7. Delicious breakfast, lunch and dinner with two times testy snacks.
8. Every night movie projection 6p.m. to 8p.m. children animation cartoon
movie, 9p.m. to 11p.m. parent granted (PG) movie.
Karamgal, Harbaria, Tiger Point, Kochikhali, Office Canal, Dimerchor,
Pakkirchor, Katka, Jamtoli Watch tower, Badamtola sea beach. All are tourist
spot we visit.
Waiting for your positive respond. Highly appreciable for your nice co-operation. We hope your fast class journey.
শিরোনাম দেখে আশ্চর্য লাগছে? আপনার আশ্চর্য লাগলেও লাগতে পারে, কিন্তু এটাই সত্যি! যাঁরা দার্জিলিংয়ের নাম শুনেছেন, বিবরণ শুনেছেন, কিন্তু যাননি। দার্জিলিং বিবরণে প্রকৃতির অপরূপ সৌন্দর্যের কথা শুনে দেখার ব্যাকুলতায় এরই মধ্যে আপনার মন আনচান হয়ে গেছে নিশ্চয়? এখন তো আরো ব্যাকুলতা বেড়ে গেল, তাই না? তাহলে দেরি কেন, চলুন ঘুরে আসি স্বপ্নের দার্জিলিংয়ে। কথা দিচ্ছি, কোনো পাসপোর্ট-ভিসা লাগবে না। চড়তে হবে না উড়োজাহাজেও। সোজা সড়কপথে একদম স্বল্প খরচে দার্জিলিং দেখে আসতে পারেন খুব সহজেই। শুধু ঢাকা থেকে খাগড়াছড়ি পর্যন্ত বাস টিকেটের জন্য ৫২০ টাকা আর খাগড়াছড়ি থেকে দার্জিলিং পৌঁছতে সিএনজি, পিকআপ বা চান্দের গাড়ি রিজার্ভ ভাড়া হাজার চারেক হলেই চলবে। তবে এ দার্জিলিং সেই দার্জিলিং নয়। এটি বাংলার দার্জিলিং। বাংলাদেশের দার্জিলিং।
বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বে ভারতের মিজোরাম ও ত্রিপুরা রাজ্যের সীমান্তে বাংলার দার্জিলিং অবস্থিত। এ দার্জিলিংয়ের স্থানীয় ও ঐতিহ্যবাহী নাম ‘সাজেক’। সাজেকের পাহাড়ে দাঁড়িয়ে আপনি দেখতে পাবেন মিজোরামের লুসাই পাহাড়। দেখতে পাবেন, মিজোরামের জনবসতি ও বাজার এলাকা।
10713015_321227201403432_8106758616239366236_nকী! শেষে এসে সাজেকের নাম বলাতে ধোঁকা মনে হলো? একদম না। যাঁরা দার্জিলিং দেখে এসেছেন, তাঁরাই বলেছেন সাজেক আর দার্জিলিংয়ের মধ্যে কোনো তফাত নেই। দার্জিলিংয়ের প্রাকৃতিক দৃশ্য যা, সাজেকের প্রাকৃতিক দৃশ্যও একই রকম, একই রূপ, একই গুণ।
মেঘের চাদরে মোড়ানো পাহাড়, সবুজাভ বৃক্ষরাজিতে ঢেকে আছে ধবধবে সাদা কুয়াশা। বিশাল বিশাল গাছপালা, অজগর সাপের মতো আঁকাবাঁকা আর উঁচু-নিচু পাহাড়ি রাস্তা, সুউচ্চ পর্বত, ভোরসকালে সূর্যোদয় দৃশ্য—কোনোটাই দার্জিলিংয়ের চেয়ে কম নয়। দার্জিলিং ভ্রমণ করে আসা দর্শনার্থীদের ভাষ্যমতে বরং দার্জিলিয়ের চেয়ে বাড়তি কিছু রয়েছে সাজেকে।
কীভাবে যেতে হবে তা তো প্রথমেই বলেছি। আবার বলছি, ঢাকা থেকে খাগড়াছড়ির দূরত্ব ৩১৬ কিলোমিটার। ছয়-সাত ঘণ্টায় পৌঁছে যাবেন খাগড়াছড়ি। রাতে গেলে সকালে পৌঁছবেন আর দিনের সকালবেলা গেলে বিকেলে পৌঁছবেন। ঢাকার কমলাপুর, ফকিরাপুল, সায়েদাবাদ, কল্যাণপুর, কলাবাগান থেকে খাগড়াছড়ির বাস পাওয়া যায়। শ্যামলী, শান্তি পরিবহন, ইকোনো, ঈগল, সৌদিয়া, সেন্ট মার্টিন, এস আলমসহ অনেক রকমের বাস পাওয়া যায়। দিনে অথবা রাতে যেতে পারেন। শান্তি পরিবহনে গেলে খাগড়াছড়ির দীঘিনালা পর্যন্ত যাওয়া যাবে। অন্যান্য পরিবহন হলে খাগড়াছড়ি সদর পর্যন্ত। খাগড়াছড়ি থেকে পিকআপ, চান্দের গাড়ি বা সিএনজি রিজার্ভ করে যেতে হবে সাজেকে।
Azhar1পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সামরিক প্রশাসন বাঘাইহাট থেকে সাজেকের রুইলুই পর্যন্ত সেনাবাহিনী ও পুলিশ স্কট দিয়ে আসা-যাওয়া বাধ্যতামূলক করেছে।
দূরে দর্শনার্থীদের কাছে সাজেকে যাওয়া মানেই কেবল সাজেকের লাল-নীল রঙে নির্মাণ করা উঁচু উঁচু রিসোর্ট, কটেজ দেখে ফিরে আসা নয়। সাজেক যাওয়ার উদ্দেশ্যই হলো দীঘিনালা থেকে সাজেক পর্যটন পর্যন্ত যেসব প্রাকৃতিক দৃশ্য রয়েছে, সেগুলো উপভোগ করা। সাজেক যেতে যেতে অথবা সাজেক থেকে ফিরতে ফিরতে দীর্ঘ রাস্তার মধ্যে কোথাও গাড়ি থামিয়ে বিশ্রাম নিয়ে কোনো কিছুর ছবি তোলা, চা পান করা অথবা প্রকৃতির ডাকে সাড়া দেওয়া, আপাতত এ সুযোগ পাবেন না। আপনি যদি দিনে গিয়ে দিনে ফিরতে চান, তাহলে মনে করবেন আপনার হাতে মাত্র দুই ঘণ্টা সময় আছে।
এ দুই ঘণ্টার মধ্যে আপনাকে সাজেকের রুইলুই পর্যটন, কংলক পাহাড় দর্শনসহ দুপুরের খাবার খেয়ে ঠিক বিকেল সাড়ে ৩টার সময় ফিরতে হবে। দুপুরের খাবার ইচ্ছা করলে যেখানে-সেখানে পাবেন না। কমপক্ষে দুই-তিন ঘণ্টা আগে যেকোনো রেস্টুরেন্টে অর্ডার দিয়ে রাখতে হবে। কারণ, রেস্টুরেন্টগুলো অর্ডার না পেলে কোনো ধরনের খাবার বা নাশতা প্রস্তুত করবে না। তবে রাতযাপন করলে পরের দিন বিকেল ৩টা পর্যন্ত সময় পাবেন সাজেক উপভোগ করার জন্য। চাইলে আরো আগে বেলা ১১টার সময়ও ফিরতে পারেন।
maxresdefaultপ্রতিদিন বেলা ১১টার সময় বাঘাইহাট বাজার থেকে একসঙ্গে সেনাবাহিনীর প্রহরা নিয়ে সাজেকের উদ্দেশে রওনা দিতে হয়। সেনাবাহিনীর স্কট মাসালং সেনাক্যাম্প পর্যন্ত পৌঁছে দিলে সেখান থেকে পুলিশ সাজেক পৌঁছে দেয়। ঠিক ফেরত আসার সময়ও একই নিয়মে আসতে হবে।
এভাবে দুই থেকে তিনবার স্কট পরিবর্তন করতে পর্যটকদের দীর্ঘক্ষণ গাড়িতে বসে গরম রোদ সহ্য করতে হয়। এই গরমে সহ্য করতে না পেরে কেউ কেউ বমি করে দিতে পারে, মাথাব্যথা হতে পারে, রক্তচাপ বাড়তে পারে। সুতরাং সাজেকে যাওয়ার আগে এ বিষয়গুলো মাথায় রেখে আগাম ব্যবস্থা নিয়ে গেলে ভালো।
যা-ই হোক, এত নিয়মের মধ্যেও শত কষ্ট করে সাজেকে পৌঁছতে পারলে সব কষ্ট ভুলে যেতে পারবেন এক নিমেষেই। রাত যাপন করতে পারলে রাতের দৃশ্য আর সকালের দৃশ্য যে কারোর কাছে লাগবে অপূর্ব।
সাজেকে আসার আগে কেউ যদি দার্জিলিংয়ে গিয়ে থাকেন, তাহলে ভুল করে সাজেক এলাকাটিকেও দার্জিলিং বলে বসবেন। তবে এক বছর আগের সাজেক আর বর্তমানের সাজেকের মধ্যে কিছু পরিবর্তন হয়েছে। এখন সাজেকে নতুন নতুন রিসোর্ট, রেস্টুরেন্ট নির্মিত হয়েছে। তাই থাকা-খাওয়ার জন্য তেমন অসুবিধা হয় না। সাজেক পর্যটনে অতিথি আপ্যায়নের জন্য প্রস্তুত হয়ে আছে সাজেক রিসোর্ট, রুন্ময় রিসোর্ট, আলো রিসোর্ট, নিরিবিলি রিসোর্ট, জলবুক রিসোর্ট, হানিমুন কটেজ, য়ারুং রিসোর্ট, সেনি লুসাই রিসোর্ট অ্যান্ড রেস্টুরেন্টসহ ইত্যাদি। সবচেয়ে কম খরচে ও উন্নত পরিবেশে থাকতে-খেতে চাইলে সেনি লুসাই রিসোর্ট ও রেস্টুরেন্টে। এখানে জনপ্রতি ১০০-২০০ টাকার মধ্যে দুপুরের খাবার বা রাতের খাবার পাবেন।
অগ্রিম বুকিং ও খাবারের অর্ডার দিতে ফোন করতে পারেন এই নম্বরে—০১৮৭৯৪৫৬২৩৩, ০১৮৮১৬৮৪৮৩১।
3d5410c2b11e24cb87c2840c9836124eএ ছাড়া আরো রয়েছে, যেমন—ডোর ইন রিসোর্ট অ্যান্ড রেস্টুরেন্ট, জলবুক রিসোর্ট, য়ারুং রিসোর্ট (০১৮৭৬১০০৬৫৬, ০১৮৬৫০৫৪৫০৫, ০১৭৩৭৪৪৩৩০৯), নিরিবিলি রিসোর্ট (০১৮৬৬৯৫৯৭৭৯, ০১৮৬৬০৩৫৮২৫), আলো রিসোর্ট অ্যান্ড রেস্টুরেন্ট ইত্যাদি। সাজেকের রুইলুই পর্যটনকেন্দ্রটি মূলত একটি আদিবাসী গ্রাম। গ্রামটিকেই পর্যটনকেন্দ্র ঘোষণা করে গ্রামের মাঝখানে সুউচ্চ সাজেক রিসোর্ট নির্মাণ করে পর্যটনে রূপ দেওয়া হয়েছে। ত্রিপুরা ও লুসাই জনগোষ্ঠীরা এখানে সেই ১৮০০ সাল থেকে বসবাস করে আসছে বলে জানা যায়। বর্তমানে এ পর্যটন এলাকায় দুটো গ্রাম (দক্ষিণ রুইলুই ও উত্তর রুইলুই) মিলে ৯০ ত্রিপুরা পরিবার ও ১৭ লুসাই পরিবার রয়েছে বলে জানিয়েছেন উত্তর রুইলুইপাড়ার বাসিন্দা কুকিন্দ্র ত্রিপুরা। পর্যটনটি সরাসরি সেনাবাহিনী নিয়ন্ত্রণ করে বলেও জানা যায়। নামে রুইলুই পর্যটনকেন্দ্র হলেও এর বিস্তৃতি প্রায় দুই কিলোমিটার দূরের কংলকপাড়া পর্যন্ত। দর্শনার্থীদের সবচেয়ে আকর্ষণীয় দর্শনীয় স্থানের মধ্যে কংলক পাহাড়টি।
পর্যটন এলাকায় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, একটি জুনিয়র হাই স্কুল, একটি পাঠাগার, একটি তাঁতশিল্প কেন্দ্র, একটি গির্জা, একটি শিবমন্দির, একটি ক্লাব রয়েছে। এ ছাড়া পর্যটন গড়ে তোলার পর এখানে একটি পানির হাউস নির্মাণ করা হয়েছে। এ পানির হাউস থেকেই রুইলুইবাসী পানি সংগ্রহ করে থাকে। তাই চলুন না, আর দেরি না করে ঘুরে আসি বাংলার দার্জিলিং।
বাংলা ইন্টারন্যাশনাল এয়ারলাইনস্ লিমিটেড
বাংলা ইন্টারন্যাশনাল এয়ারলাইনস্ লিমিটেডের ছয়জন যাত্রী বহনে সক্ষম বেল-৪০৭ হেলিকপ্টারের জন্য ভাড়া গুনতে হবে প্রতি ঘণ্টায় এক লাখ টাকা। আর তিনজন যাত্রী বহনে সক্ষম রবিনসন আর-৪৪-এর ভাড়া ঘণ্টাপ্রতি ৬০ হাজার টাকা। সব ভাড়ার সঙ্গে ১৫ শতাংশ ভ্যাট সংযুক্ত করতে হবে। যোগাযোগ-বাংলা ইন্টারন্যাশনাল এয়ারলাইনস্ লিমিটেড ৬৮/১ গুলশান এভিনিউ, গুলশান-১
ঢাকা। ফোন: ৯৮৮৫৭৭১-২, ৯৮৫৬৯৬৩-৪ স্কয়ার এয়ার লিমিটেড
স্কয়ার এয়ার লিমিটেডের ছয়জন যাত্রী বহনে সক্ষম বেল-৪০৭ হেলিকপ্টারের ভাড়া প্রতি ঘণ্টায় এক লাখ ১৫ হাজার টাকা। আর চারজন যাত্রী বহনে সক্ষম রবিনসন আর-৬৬-র ভাড়া ঘণ্টাপ্রতি ৭৫ হাজার টাকা। এ ছাড়া প্রতি ঘণ্টায় ভূমিতে অপেক্ষমাণ চার্জ ছয় হাজার টাকা। সেই সঙ্গে প্রতি ফ্লাইটে ইনস্যুরেন্স খরচ দুই হাজার টাকা।
যোগাযোগ- স্কয়ার এয়ার লিমিটেড, স্কয়ার সেন্টার, ৪৮ মহাখালী বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা। ফোন : ০১৭১৩১৮৫৩৫২
সিকদার গ্রুপ
সিকদার গ্রুপের তিনটি হেলিকপ্টার আছে হল বেল-৪০৪, আর-৬৬ ও আর-৪৪ সাত সিটের হেলিকপ্টার ভাড়া ঘণ্টায় এক লাখ ১৫ হাজার টাকা। তিন সিটের ভাড়া ঘণ্টায় ৭২ হাজার টাকা। সঙ্গে ভ্যাট ১৫ শতাংশ। প্রতি ঘণ্টায় ভূমিতে অপেক্ষমাণ চার্জ দিতে হবে সাত হাজার টাকা। যোগাযোগ-সিকদার গ্রুপ
রাজ ভবন, দ্বিতীয় তলা, ২৯ দিলকুশা বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা। ফোন : ৯৫৫০২৭১ সাউথ এশিয়ান এয়ারলাইনস্
সাউথ এশিয়ান এয়ারলাইনস্ সাধারণ কাজের জন্য হেলিকপ্টার ভাড়া প্রতি ঘণ্টা ৫৫ হাজার টাকা। কিন্তু সিনেমার শুটিং, লিফলেট বিতরণসহ অন্যান্য বাণিজ্যিক কাজের জন্য ভাড়া ৩০ শতাংশ বেশি। ভূমিতে অপেক্ষমাণ চার্জ প্রতি ঘণ্টার জন্য পাঁচ হাজার টাকা। এ ছাড়া পুরো খরচের ওপর ১৫ শতাংশ হারে ভ্যাট দিতে হয়। এই কম্পানি থেকে ন্যূনতম ৩০ মিনিটের জন্য হেলিকপ্টার ভাড়া নেওয়া যায়। জ্বালানি খরচ, ইনস্যুরেন্সসহ বাকি সব কিছু কম্পানিই বহন করে থাকে। যোগাযোগ-সাউথ এশিয়ান এয়ারলাইনস্ লিমিটেড টাওয়ার হেমলেট
১৬ কামাল আতাতুর্ক এভিনিউ, বনানী, ঢাকা-১২১৩। ফোন : ০২ ৯৮৮০৪৯৬ ইমপ্রেস অ্যাভিয়েশন লিমিটেড
ইমপ্রেস অ্যাভিয়েশন লিমিটেড থেকে সর্বনিম্ন ১ ঘণ্টার জন্য ভাড়া নেওয়া যাবে ৬ আসনবিশিষ্ট ইসি ১৩০বি-৪ হেলিকপ্টার। প্রতি ঘণ্টার জন্য গুনতে হবে এক লাখ টাকা। সেই সঙ্গে ১৫ শতাংশ ভ্যাট। ভূমিতে প্রতি ঘণ্টার জন্য চার্জ ৫ হাজার টাকা। যোগাযোগ- ইমপ্রেস অ্যাভিয়েশন লিমিটেড ৪০ শহীদ তাজউদ্দীন সরণি, তেজগাঁও, ঢাকা। ফোন: ০১৭২৯২৫৪৯৯৬
আরো যাদের বাণিজ্যিক ব্যবহারের হেলিকপ্টার আছে
পিএইচপি গ্রুপ, বাংলা ইন্টারন্যাশনাল, বিআরবি কেব্ল্, মেঘনা গ্রুপ, ইয়াং ইয়াং (আরিয়ান) গ্রুপ, এমএস বাংলাদেশ প্রভৃতি।সাধারণ নীতিমালা
সব প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে আবেদনের সময় হেলিকপ্টার চার্জের ৫০ ভাগ পরিশোধ করে বাকি টাকা পরিশোধ করতে হয় হেলিকপ্টার উড্ডয়নের আগে। হেলিকপ্টার উড্ডয়নের ৪৮ ঘণ্টা আগে সিভিল এভিয়েশনকে জানাতে হয়। কারণ হেলিকপ্টারের নির্দিষ্ট কোনো রুট নেই। এ কারণে কোনো হেলিকপ্টার আকাশে উড্ডয়ন করলে টাওয়ারকে প্রস্তুত রাখতে হয়, যাতে সহজে যোগাযোগ স্থাপন করা যায়। তবে জরুরি হলে ৫, ১০, ১৫ মিনিট এমনকি এক ঘণ্টার মধ্যেও অনুমতি দেওয়া হয়।
24/07/2015
মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট(এমআরপি) এর খুঁটিনাটি জেনে নিন
মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট(এমআরপি)
আন্তর্জাতিক বেসামরিক বিমান চলাচল সংস্থার (আইসিএও) নীতিমালা অনুযায়ী এপ্রিল মাস থেকে যন্ত্রে পাঠযোগ্য পাসপোর্ট (মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট-এমআরপি) ও ভিসা চালুর বাধ্যবাধকতা করা হয়েছে। আইসিএও-এর শর্ত অনুসারে বাংলাদেশ সরকার যন্ত্রে পাঠযোগ্য পাসপোর্ট (এমআরপি) চালু করেছে। যেসব হাতে লেখা পাসপোর্ট এখনো চালু আছে, তা নবায়ন করা যাবে। এপ্রিলে চালু করার বাধ্যবাধকতা থাকলেও যারা আগের পাসপোর্ট ব্যবহার করছেন, তাঁদের পুরোনো পাসপোর্টেই চলবে ২০১৫ সাল পর্যন্ত।
প্রচলিত পাসপোর্টের মতোই দেখতে মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট (এমআরপি)। কেবল পার্থক্য হলো এই পাসপোর্টে থাকা তথ্য এয়ারপোর্টে থাকা কম্পিউটার পড়তে পারে । দেশের বাইরে যেতে বা প্রবাসীদের দেশে ফেরার সময় এয়ারপোর্টের ভোগান্তি এড়াতেই চালু করা হয়েছে এই পাসপোর্ট।
কিভাবে ফরম সংগ্রহ করবেন:
আগের মতোই ইন্টারনেট থেকে বিনামূল্যে ফরম সংগ্রহ করা যাবে। বহিরাগমন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটেই (www.dip.gov.bd) এই ফরম পাওয়া যাবে। এ ছাড়া ঢাকাসহ দেশের ১০টি আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস থেকেও বিনামূল্যে সংগ্রহ করা যাবে এই ফরম। উল্লেখ্য, ওয়েবসাইটে প্রাপ্ত এমআরপির আবেদন ফরমটি নামিয়ে প্রিন্ট করে তাতে হাতে লিখতে হয়।
অনলাইনে পাসপোর্ট ফরম পূরণ:
এখন পাসপোর্টের আবেদনপত্র অনলাইনে পূরণ করতে উৎসাহিত করা হয়। অনলাইনে আবেদন করলে আবেদনকারী নিজেই নিজের নাম, ঠিকানাসহ অন্যান্য তথ্য টাইপ করে দিতে পারায় ভুলের সম্ভাবনা থাকে না। তবে আবেদন ফরমটি অনলাইনে পূরণ করে দেয়ার পর তার প্রিন্ট আউট নিয়ে ছবি ও অন্যান্য কাগজপত্রসহ জমা দিতে হবে। আবেদনকারী নাম ঠিকানা অনলাইনে যেভাবে পূরণ করে দেন সেভাবেই পাসপোর্ট অধিদপ্তরের ডাটাবেসে যুক্ত হয় এবং সেভাবেই পাসপোর্ট তৈরি হয়। অনলাইনে পাসপোর্টের আবেদন করতে হবে http://www.passport.gov.bd/ সাইটের মাধ্যমে।
নতুন আবেদনপত্রে যা যা আছে:
চার পৃষ্ঠার এ আবেদনপত্রে আবেদনকারীকে নাম, বাবার নাম, মাতার নাম, তাদের পেশা, জাতীয়তা, জন্মস্থান, জন্ম তারিখ, জন্ম সনদপত্র নম্বর, জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বর, বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানা, যোগাযোগের তথ্য প্রদান করতে হবে। এসব তথ্য সঠিক এবং নির্ভূল ভাবে পূরণ করে আবেদনকারীকে নির্দিষ্ট জায়গায় স্বাক্ষর ও তারিখ লিখতে হবে। এ ছাড়া আবেদনকারীকে একটি ৫৫ × ৪৫ মিলিমিটার আকারের রঙিন ছবি (পাসপোর্ট সাইজ ছবি) ফরমে আঠা দিয়ে লাগানোর পর সত্যায়িত করতে হবে।ছবিটি এমনভাবে সত্যায়িত করতে হবে যেন সত্যায়নকারীর স্বাক্ষর এবং সীলমোহর এর অর্ধেক অংশ ছবির উপর আর বাকি অর্ধেক অংশ ফরমের কাগজে থাকে। এক্ষেত্রে, দুটি আবেদন ফরম পূরণ করে জমা দিতে হবে।
যারা সত্যায়িত করতে পারবেন:
আবেদন ফরমের সত্যায়ন করতে পারবেন- ১. সাংসদ ২. সিটি করপোরেশনের মেয়র, ডেপুটি মেয়র ও ওয়ার্ড কাউন্সিলর ৩. গেজেটেড কর্মকর্তা ৪. বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ৫. উপজেলা পরিষদ ও ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ৬. পৌরসভার মেয়র ৭. বেসরকারি কলেজের শিক্ষক ৮. বেসরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ৯. দৈনিক পত্রিকার সম্পাদক ১০. পৌর কাউন্সিলর ১১. রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক ও স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা বা করপোরেশনের নতুন জাতীয় বেতন স্কেলের সপ্তম বা তদূর্ধ্ব গ্রেডের কর্মকর্তারা।
খরচ:
এমআরপির জন্য নতুন ফি নির্ধারিত হয়েছে। সাধারণ পাসপোর্টের জন্য তিন হাজার টাকা এবং জরুরি পাসপোর্টের জন্য ছয় হাজার টাকা ব্যাংকে জমা দিতে হবে। টাকা জমা দিতে হবে আগের মতোই সোনালী ব্যাংকের নির্ধারিত শাখায়। (টাকা জমা দেয়ার সময় আরো ১০ টাকা চায় VAT হিসেবে) টাকা জমা দেয়ার পর আপনাকে দেয়া রশিদের অংশে একটি নম্বর লিখে দিবে। এই নম্বরটি আপনার পাসপোর্ট ফরমের ক্রমিক নং ২৫ এ নিদিষ্ট শূন্যস্থানে বসাতে হবে। এরপর রশিদটি আপনার পাসপোর্ট ফরমের ১ম পাতার উপরের অংশে ডানদিকে আঠা দিয়ে সংযুক্ত করতে হবে।
যে সকল কাগজপত্র লাগবে:
সঠিকভাবে পূরণ করা আবেদন ফরমের সঙ্গে প্রার্থীকে আবেদনকারীর একটি রঙিন ছবি আঠা দিয়ে নির্দিষ্ট স্থানে লাগিয়ে দিতে হবে, সঙ্গে জাতীয় পরিচয়পত্র অথবা জন্ম সনদপত্রের ফটোকপি। অপ্রাপ্তবয়স্ক (১৫ বছরের কম) আবেদনকারীর ক্ষেত্রে আবেদনকারীর বাবা ও মায়ের একটি করে রঙিন ছবিও লাগবে।
আবেদন পত্র জমা দেওয়ার আগে:
আবেদন পত্র জমা দেওয়ার আগেই তা নির্দিষ্ট আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের কর্মকর্তা এটি ভেরিফিকেশন বা যাচাই করবেন। আবেদপত্রটি ভেরিফিকেশন করানোর আগে এর সঙ্গে ব্যাংকে টাকা জমা দেওয়ার রশিদটি আঠা দিয়ে আবেদন পত্রের সঙ্গে যোগ করে দিতে হবে। এ ছাড়া আবেদনপত্রের সঙ্গে সংযুক্ত ছবিটিও যথাযথ কর্মকর্তাকে দিয়ে সত্যায়িত করে নিতে হবে।ছবিটি এমনভাবে সত্যায়িত করতে হবে যেন সত্যায়নকারীর স্বাক্ষর এবং সীলমোহর এর অর্ধেক অংশ ছবির উপর আর বাকি অর্ধেক অংশ ফরমের কাগজে থাকে। পাশাপাশি জাতীয় পরিচয় পত্র বা জন্ম নিবন্ধন সনদের ফটোকপিটিও সত্যায়িত হতে হবে। যদি কারও জাতীয় পরিচয় পত্র না থাকে তাহলে পাসপোর্ট ফরমের তৃতীয় পৃষ্ঠায় নির্দিষ্ট স্থানে বসবাসরত এলাকার জনপ্রতিধি দ্বারা প্রত্যয়ন করিয়ে নিতে হবে। এমআরপির আবেদন ফরম সংগ্রহ ও জমা দেওয়া যাচ্ছে দেশের ১০টি আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে। প্রতিটি আঞ্চলিক অফিসের অধীনে রয়েছে কয়েকটি জেলা।
আবেদনপত্র গ্রহণ অফিস
অন্তর্ভুক্ত এলাকাসমূহ
প্রধান কার্যালয়: পাসপোর্ট ভবন, ই-৭, আগারগাঁও, শের-ই-বাংলা নগর, ঢাকা – ১২০৭। ফোন: ৮১৫৯৫২৫ মতিঝিল, পল্টন, খিলগাঁও, সবুজবাগ, মিরপুর, শাহ আলী, পল্লবী, কাফরুল, তেজগাঁও, মোহাম্মদপুর, আদাবর, গুলশান, ক্যান্টনমেন্ট, খিলক্ষেত, রমনা, শাহবাগ, নিউ মার্কেট, ধানমন্ডি, হাজারীবাগ, ধামরাই, সাভার।
উত্তরা কার্যালয়: হাউজ # ২৯, রোড # ৭, সেক্টর # ১২, উত্তরা, ঢাকা।ফোন: ৮৯৬২০৩৯ উত্তরা, দক্ষিনখান, উত্তরখান, তুরাগ, এয়ারপোর্ট, বাড্ডা, আশুলিয়া, গাজীপুর।
যাত্রাবাড়ি কার্যালয়: হাউজ # ৩৬০৫, মুজাহিদনগর, রায়েরবাগ, কদমতলী, ঢাকা। সবুজবাগ, ডেমরা, শ্যামপুর, কদমতলী, খিলগাঁও, গেন্ডারিয়া, কেরাণীগঞ্জ মডেল থানা, কেরাণীগঞ্জ, দক্ষিণখান থানা, চক কোতয়ালী, দোহার, নবাবগঞ্জ, সূত্রাপুর, নারায়ণগঞ্জ।
চট্টগ্রাম পাসপোর্ট অফিস: ৫৪, পাঁচলাইশ, চট্টগ্রাম।ফোন: ০৩১-২৫৫০০১০ কোতয়ালী, পাহাড়তলী, চাঁদগাঁও, পাঁচলাইশ, বন্দর, ডবলমুরিং, কর্ণফুলী, খুলশী, হালিশহর, বায়েজিদ বোস্তামী বাকলিয়া, পতেঙ্গা, মিরসরাই, হাটহাজারী, সীতাকুন্ড, রাউজান থানা
কুমিল্লা পাসপোর্ট অফিস: রেসকোর্স, কুমিল্লা।ফোন: ০৮১-৬৫৭৮৬ কুমিল্লা সদর (কোতয়ালী), চান্দিনা, বুড়িচং, দেবিদুয়ার, দাউদকান্দি, হোমনা, ব্রাহ্মণপাড়া, মুরাদনগর, মেঘনা, মনোহরগঞ্জ, তিতাস থানা
ময়মনসিংহ পাসপোর্ট অফিস: জিলা স্কুল রোড, ময়মনসিংহ।ফোন: ০৯১-৬৬৩৫৭ ময়মনসিংহ জেলা।
গোপালগঞ্জ পাসপোর্ট অফিস: চাঁদমারী রোড, গোপালগঞ্জ।ফোন: ০৬৬৮-৫৭০৮৯ গোপালগঞ্জ জেলা।
নোয়াখালী পাসপোর্ট অফিস: গাবুয়া, মাইজদী, নোয়াখালী।ফোন: ০৩২১-৬১৭৪০ নোয়াখালী জেলা।
রাজশাহী পাসপোর্ট অফিস: হামেতখান, রাজশাহী।ফোন: ০৭২১-৭৭২২৪৮ রাজশাহী জেলা।
রংপুর পাসপোর্ট অফিস: রোড নং # ৫, মুলাটোল, রংপুর।ফোন: ০৫২১-৬৩২৫০ রংপুর জেলা।
সিরাজগঞ্জ পাসপোর্ট অফিসফোন: ০৭৫১-৬২৯০৩ সিরাজগঞ্জ জেলা।
খুলনা পাসপোর্ট অফিস: সোনাডাঙ্গা, খুলনা।ফোন: ০৪১-৭৩২১৪৬ খুলনা জেলা।
যশোর পাসপোর্ট অফিস: চার খাম্বার মোড়, যশোর।ফোন: ০৪২১-৭৩৫০৭ যশোর জেলা।
বরিশাল পাসপোর্ট অফিস: ব্রান্ধি রোড, বরিশাল।ফোন: ০৪৩১-৬৪৫৪৯ বরিশাল জেলা।
সিলেট পাসপোর্ট অফিস: শেখ ঘাট, সিলেট।ফোন: ০৮২১-৭১৪০২২ সিলেট জেলা।
হবিগঞ্জ পাসপোর্ট অফিস: কোরেশ নগর এলাকা, হবিগঞ্জ।ফোন: ০৮৩১-৫২৮৯৪ হবিগঞ্জ জেলা।
ফরিদপুর পাসপোর্ট অফিস: ঝিলতুলী, ফরিদপুর।ফোন: ০৬৩১-৬২৭৮৭ ফরিদপুর জেলা।
চাঁদপুর পাসপোর্ট অফিসফোন: ০১৭১৬-৬০৭৮৬৪ চাঁদপুর জেলা।
মানিকগঞ্জ পাসপোর্ট অফিস মানিকগঞ্জ জেলা।
মুন্সীগঞ্জ পাসপোর্ট অফিসফোন: ০১৮১৯-১৯৫৭০০ মুন্সীগঞ্জ জেলা।
বগুড়া পাসপোর্ট অফিসফোন: ০১৭১২-০৫২০১৮ বগুড়া জেলা।
দিনাজপুর পাসপোর্ট অফিসফোন: ০১৮১৯-২৯২৬৭২ দিনাজপুর জেলা।
পাবনা পাসপোর্ট অফিসফোন: ০১৭১১-৯৪৮৬৮১ পাবনা জেলা।
পটুয়াখালী পাসপোর্ট অফিসফোন: ০১৭১৬-০১৯৫৫০ পটুয়াখালী ও বরগুনা জেলা।
মৌলভীবাজার পাসপোর্ট অফিসফোন: ০১৭১১-৩২৫৩৫২ মৌলভীবাজার জেলা।
টাঙ্গাইল পাসপোর্ট অফিসফোন: ০১৭১১-৫৬৬৮৯৫ টাঙ্গাইল জেলা।
চাঁদগাঁও, চট্টগ্রাম পাসপোর্ট অফিসফোন: ০১৭১১-১৪২৬১৮ চাঁদগাঁও।
কিশোরগঞ্জ পাসপোর্ট অফিসফোন: ০১৭১১-১৩৫০৬৯ কিশোরগঞ্জ জেলা।
নরসিংদী পাসপোর্ট অফিসফোন: ০১৮১৯-২৬০৬৯৩ নরসিংদী জেলা।
ফেনী পাসপোর্ট অফিসফোন: ০১৭১৪-৪৯২৮৮৩ ফেনী জেলা।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া পাসপোর্ট অফিসফোন: ০১৭১১-১৪৫২৮৫ ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা।
কক্সবাজার পাসপোর্ট অফিসফোন: ০১৭৩৮-২৫৮৫৬১ কক্সবাজার জেলা।
রাঙ্গামাটি পাসপোর্ট অফিসফোন: ০১৭১৮-১০১১১৬ রাঙ্গামাটি জেলা।
কুষ্টিয়া পাসপোর্ট অফিসফোন: ০১৫৫২-৪৮৯০৩০ কুষ্টিয়া জেলা।
বহিরাগমন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তরের নিয়ন্ত্রণাধীন বিভাগীয় ও আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসসমূহের আওতায় সোনালী ব্যাংকের নির্ধারিত শাখাসমূহের তালিকা:
বিভাগীয়/আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের নাম
ব্যাংকের শাখার নাম
বিভাগীয় পাসপোর্ট ও ভিসা অফিস, আগারগাঁও, ঢাকা। আগারগাঁও, মহাখালী, কলেজগেট, মোহাম্মদপুর, আওলাদ হোসেন মার্কেট, বিবি এভিনিউ, দিলকুশা, মগবাজার, সেগুনবাগিচা, মালিবাগ, মিরপুর ১২ শাখা।
বিভাগীয় পাসপোর্ট ও ভিসা অফিস, মনসুরাবাদ, চট্টগ্রাম। আগ্রাবাদ কর্পোরেট, পাঁচলাইশ ও মিঠাগলী শাখা।
বিভাগীয় পাসপোর্ট ও ভিসা অফিস, সিলেট। সিলেট কর্পোরেট, স্টেশন রোড, মহাজন পট্টি শাখা।
বিভাগীয় পাসপোর্ট ও ভিসা অফিস, রাজশাহী। রাজশাহী কর্পোরেট শাখা।
বিভাগীয় পাসপোর্ট ও ভিসা অফিস, রংপুর। কর্পোরেট শাখা ও কাঁচারী বাজার শাখা।
বিভাগীয় পাসপোর্ট ও ভিসা অফিস, খুলনা। খুলনা কর্পোরেট শাখা।
বিভাগীয় পাসপোর্ট ও ভিসা অফিস, বরিশাল। বরিশাল কর্পোরেট শাখা।
বিভাগীয় পাসপোর্ট ও ভিসা অফিস, যাত্রাবাড়ি, ঢাকা। সদরঘাট, খিলগাঁও ও যাত্রাবাড়ি শাখা।
বিভাগীয় পাসপোর্ট ও ভিসা অফিস, উত্তরা, ঢাকা। উত্তরা শাখা।
বিভাগীয় পাসপোর্ট ও ভিসা অফিস, চাঁদগাঁও, চট্টগ্রাম। কোটহিল, সদরঘাট, বহদ্দার হাট, পাঁচলাইশ শাখা।
বিভাগীয় পাসপোর্ট ও ভিসা অফিস, কুমিল্লা। স্টেশন রোড, কুমিল্লা কর্পোরেট শাখা।
বিভাগীয় পাসপোর্ট ও ভিসা অফিস, নোয়াখালী। মাইজদী কোর্ট শাখা।
বিভাগীয় পাসপোর্ট ও ভিসা অফিস, ব্রাহ্মণবাড়িয়া। ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রধান শাখা।
বিভাগীয় পাসপোর্ট ও ভিসা অফিস, চাঁদপুর। চাঁদপুর প্রধান শাখা।
বিভাগীয় পাসপোর্ট ও ভিসা অফিস, হবিগঞ্জ। হবিগঞ্জ প্রধান শাখা।
বিভাগীয় পাসপোর্ট ও ভিসা অফিস, মৌলভীবাজার। মৌলভীবাজার প্রধান শাখা।
বিভাগীয় পাসপোর্ট ও ভিসা অফিস, কক্সবাজার। কক্সবাজার প্রধান শাখা।
বিভাগীয় পাসপোর্ট ও ভিসা অফিস, রাঙামাটি। রাঙামাটি প্রধান শাখা।
বিভাগীয় পাসপোর্ট ও ভিসা অফিস, বগুড়া। বগুড়া প্রধান শাখা।
বিভাগীয় পাসপোর্ট ও ভিসা অফিস, পাবনা। পাবনা প্রধান শাখা।
বিভাগীয় পাসপোর্ট ও ভিসা অফিস, সিরাজগঞ্জ। সিরাজগঞ্জ প্রধান শাখা।
বিভাগীয় পাসপোর্ট ও ভিসা অফিস, কিশোরগঞ্জ। কিশোরগঞ্জ প্রধান শাখা।
বিভাগীয় পাসপোর্ট ও ভিসা অফিস, টাঙ্গাইল। টাঙ্গাইল প্রধান শাখা।
বিভাগীয় পাসপোর্ট ও ভিসা অফিস, ময়মনসিংহ। ময়মনসিংহ প্রধান শাখা।
বিভাগীয় পাসপোর্ট ও ভিসা অফিস, দিনাজপুর। দিনাজপুর প্রধান শাখা।
বিভাগীয় পাসপোর্ট ও ভিসা অফিস, নরসিংদী। নরসিংদী প্রধান শাখা।
বিভাগীয় পাসপোর্ট ও ভিসা অফিস, ফরিদপুর। ফরিদপুর প্রধান শাখা।
বিভাগীয় পাসপোর্ট ও ভিসা অফিস, গোপালগঞ্জ। গোপালগঞ্জ প্রধান শাখা।
বিভাগীয় পাসপোর্ট ও ভিসা অফিস, কুষ্টিয়া। কুষ্টিয়া প্রধান শাখা।
বিভাগীয় পাসপোর্ট ও ভিসা অফিস, যশোর। যশোর প্রধান শাখা।
বিভাগীয় পাসপোর্ট ও ভিসা অফিস, পটুয়াখালী। পটুয়াখালী প্রধান শাখা।
বিভাগীয় পাসপোর্ট ও ভিসা অফিস, মুন্সীগঞ্জ। মুন্সীগঞ্জ প্রধান শাখা।
বিভাগীয় পাসপোর্ট ও ভিসা অফিস, ফেনী। ফেনী প্রধান শাখা।
ভিসা সেল, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, ঢাকা। ভিসা সেল, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর শাখা, ঢাকা।
ভিসা সেল, শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, চট্টগ্রাম। ভিসা সেল, শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর শাখা, চট্টগ্রাম।
এখন থেকে সোনালী ব্যাংক ছাড়াও আরো পাঁচটি ব্যাংকে পাসপোর্টের টাকা টাকা জমা দেয়া যাবে। এ পাঁচটি ব্যাংক হলো ঢাকা ব্যাংক, ব্যাংক এশিয়া, প্রিমিয়ার ব্যাংক, ওয়ান ব্যাংক ও ট্রাস্ট ব্যাংক। নতুন পাঁচটি ব্যাংকের যেকোনো শাখায় অর্থ জমা দেয়া যাবে। ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে এটি কার্যকর হবে। এসব ব্যাংকে অনলাইনে ক্রেডিট কার্ড ও মোবাইলের মাধ্যমেও পাসপোর্টের ফি পরিশোধ করা যাবে।
আবেদনপত্র জমা দেওয়ার নিয়ম:
আবেদন পত্রটির ভেরিফিকেশন করে দায়িত্বরত কর্মকর্তা আবেদনপত্র যাচাই করে সিলসহ স্বাক্ষর করবেন। এরপর আবেদনপত্রটি নির্দিষ্ট স্থানে জমা দিতে হবে। পাসপোর্ট অফিসেই খোলা আছে বেশ কয়েকটি বুথ। এসব বুথেই জমা দিতে হবে। আবেদনপত্রটি জমা দেবার সময় পাসপোর্ট অফিসের দায়িত্বরত ব্যাক্তি আপনার তথ্যগুলো কম্পিউটারে এন্ট্রি করে রাখবেন। এরপর তিনি আপনাকে একটি টোকেন দেবেন। এরপর সে টোকেনসহ আবেদনপত্রটি নিয়ে ছবি তোলার জন্য আরেকজন কর্মকর্তার কাছে যেতে হবে। জাতীয় পরিচয়পত্রের জন্য যেভাবে ছবি তোলা হয়েছিলো, এখানেও একইভাবে নির্দিষ্ট মাপের ছবি তোলা হবে। এছাড়াও দুই হাতের আঙ্গুলের ছাপও দিতে হবে ইলেকট্রনিক মেশিনে। এরপর নেয়া হবে ইলেকট্রনিক স্বাক্ষর। তবে, ইলেকট্রনিক স্বাক্ষর আবেদন পত্রের স্বাক্ষরের সঙ্গে যেনো মিল থাকে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। এই প্রক্রিয়া শেষে কর্তৃপক্ষ পাসপোর্ট সংগ্রহের জন্য একটি আলাদা ডকুমেন্ট দেবে এবং আবেদনপত্রটি রেখে দিয়ে আপনাকে পাসপোর্ট সংগ্রহ করার তারিখও জানিয়ে দেবেন।আবেদন ফরম জমা দেওয়ার সময় আবেদনকারীকে অবশ্যই নিজে উপস্থিত থাকতে হবে। ফরম জমা দেওয়ার সময় আবেদনকারীর আঙুলের ছাপ রাখা হবে এবং মুখের ছবি তোলা হবে।
যাদের জন্য পুলিশ প্রতিবেদন প্রয়োজন নাই–
১. মাননীয় সংসদ সদস্য
২. তিন পার্বত্য জেল পরিষদ চেয়ারম্যান ও সদস্যবৃন্দ
৩. সিটি কর্পোরেশন ও পৌরসভার মেয়র এবং কাউন্সিলরবৃন্দ
৪. উপজেল পরিষদ চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যানবৃন্দ
৫. ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান
৬. সকল পর্যয়ে সামরিক-বেসামরিক সরকারী কর্মকর্তা ও কর্মচারী
৭. সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান/সংস্থার প্রত্যানয় সাপেক্ষে আধাসরকারী ও রাষ্ট্রায়ত্ব সংস্থায় কর্মরত স্থায়ী কর্মকর্তা ও কর্মচারী
৮. অবসরপ্রাপ্ত সরকারী কর্মকর্তা ও কর্মচারী এবং তাদের স্ত্রী
৯. সরকারী কর্মকর্তা/কর্মচারী এবং তাদের স্ত্রী এবং ১৫(পনের) বrসরের কম বয়সের সন্তান
১০. ৫ /১০ বৎসর অতিক্রান্ত কিন্তু ১২ বছরের অধিক নহে এমন বৈধ সমর্পনকৃত(সারন্ডারড)পাসর্পোটের ক্ষেত্রে পুলিশ প্রতিবেদনের প্রয়োজন নেই।
বি:দ্র: স্ত্রী / ১৫ বৎসরের নিচের বয়সের সন্তানদের ক্ষেত্রে- কর্মকর্তা/কর্মচারীরর সন্তান এবং তার উপর নির্ভরশীল মর্মে প্রত্যয়ন দিতে হবে।
পাসপোর্ট সংগ্রহ:
কর্তৃপক্ষের দেয়া তারিখে পাসপোর্ট সংগ্রহ করা যাবে। তবে, এই সময়ের মধ্যে অবশ্যই পুলিশ ভেরিফিকেশন শেষ হতে হবে। পাসপোর্ট দেবার আগে ডিবি পুলিশ বর্তমান এবং স্থায়ী ঠিকানায় ভেরিফিকেশন করে। আর পুলিশের রিপোর্ট প্রদানের পরই পাসপোর্ট পাওয়া যায়।
বি:দ্র: ফরম জমা দেয়ার ১৮ দিনের মধ্যে আপনার উল্লিখিত ঠিকানায় পুলিশ আসবে ভেরিফিকেশনের জন্য। আপনার সবকিছু ঠিকঠাক থাকার পরও পুলিশ মহাশয়কে খুশি করতে ৫০০-১০০০ টাকা খরচ দিতে হবে।
নতুন পাসপোর্টের বৈশিষ্ট্য:
নতুন যন্ত্রে পাঠযোগ্য পাসপোর্ট বিভিন্ন দেশের উন্নত প্রযুক্তিনির্ভর পাসপোর্টের আদলে তৈরি। এ পাসপোর্টে উন্নত দেশগুলোর পাসপোর্টের মতোই বিশেষ কাপড়ের কভার ব্যবহার করা হয়েছে। হাতে লেখা পাসপোটের মতোই শুরু থেকে ৫ থেকে পঞ্চম পৃষ্ঠা পর্যন্ত ছবিসহ প্রয়োজনীয় এক পাতায় আছে। আছে জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বরও। পুরোনো পাসপোর্টে বিভিন্ন দেশের ভিসা লাগানো থাকলে সেগুলো এই পাসপোর্টে থাকছে না। এ পাসপোর্টে এক পাতার এসব তথ্যের পাশাপাশি একপাশে আছে বিশেষ সাংকেতিক নম্বর, যাকে ‘যন্ত্রে পাঠযোগ্য এলাকা’ বলা হয়। এই নম্বরের মধ্যেই থাকছে পাসপোর্টধারীর সব তথ্য, যা কম্পিউটার পড়তে পারে। জানা গেছে, পুরো প্রক্রিয়াটিই চলছে আন্তর্জাতিক মেশিন রিডেবল পাসপোর্টের অনুমোদন সংস্থা আইসিএভি-এর নির্দেশনা অনুসারে। এমআরপির তথ্যগুলো যখনই কম্পিউটার এই নম্বরের মধ্যে পড়ে, তখনই মনিটরে সেসব তথ্য দেখা যায়। এই পৃষ্ঠায় রয়েছে জাতীয় পশু বাঘ ও জাতীয় ফুল শাপলার জলছাপ। আরও আছে নানা ধরনের নিরাপত্তা দাগ। পাতার বিভিন্ন স্থানে বাঘের ছবির সঙ্গে বাংলাদেশ সরকারের নাম ও শহীদ মিনারের ছবি। এসব জলছাপ বিশেষ আলো দিয়ে দেখলে লেজার রশ্মির মতো দেখায়। এমআরপির শেষ পাতায় আছে সংসদ ভবনের ছবি ও পরিচিতি।
কিছু লক্ষণীয় বিষয়:
যে কোন সমস্যায় দায়িত্বরত আনসারদের সহায়তা নিন।
যে কোন সময় ব্যবহারের জন্য স্ট্যাপলার, পিন, আঠা, কলম ইত্যাদি সঙ্গে রাখবেন।
পুরো ঢাকা নগরীকে তিনটি অধিক্ষেত্রে বিভক্ত করা হয়েছে- উত্তরা, আগারগাঁও, যাত্রাবাড়ী অধিক্ষেত্র। টাকা জমা দেয়ার ক্ষেত্রে যার ঠিকানা যে অধিক্ষেত্রের অন্তগত, তাকে সেই অধিক্ষেত্রের পাসপোর্ট অফিসে টাকা জমা দিতে হবে।
ছবি তোলার দিন পরিচ্ছন্ন কাপড় পরে যাবেন।
অনলাইনে পাসপোর্ট:
কাগজে ছাপানো ফরম পূরণ করে পাসপোর্ট করার পাশাপাশি অনলাইনে পাসপোর্ট করার সুবিধা চালু হয়েছে। অনলাইনে পাসপোর্ট করার বিস্তারিত তথ্য আমরা এখানে তুলে ধরেছি।
পাসপোর্টের ফরম পূরণ:
অনলাইনে পাসপোর্টের ফরম পূরণ করার জন্য প্রথমে যেতে হবে www.dip.gov.bd এই ঠিকানায়। এখানে হোম পেজের ডান পাশে Services বক্সে Apply Online For MRP এই অংশে ক্লিক করার পর পাসপোর্ট সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় দিক নির্দেশনা প্রদর্শিত হবে। সকল নির্দেশনা মনোযোগ সহকারে পড়তে হবে। নিচের দিকে আলাদা একটি অংশে বলা হয়েছে যে – আপনি সকল নির্দেশনা ভালোমতো পড়েছেন এবং বুঝেছেন এই মর্মে পাশের বক্সটিতে টিক চিহ্নি দিতে হবে। এরপর Continue to online enrolment ট্যাব এ ক্লিক করলে আপনার সামনে অনলাইন অ্যাপ্লিকেশন ফরমটি চলে আসবে। এই ফর্মে যে সকল তথ্য চাওয়া হয়েছে তার মধ্যে ফরমের ঠিক উপরের অংশে Delivery Type এর নিচে Supporting Document নামে আলাদা একটি ফিল্ড রয়েছে। যেখানে রয়েছে –
GO: Government order
NOC: NO Objection Certificate
PDS: Proof of retired Date
সরকারী, আধাসরকারী, স্বায়ত্তশাসিত ও রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থার স্থায়ী কর্মকর্তা/কর্মচারী, অবসরপ্রাপ্ত সরকারী চাকুরীজীবীদের এই ঘর পুরণ করতে হয়। সাধারণ নাগরিকদের এই ঘরটিতে কোনো তথ্য প্রদান করতে হয় না। এই অংশটি নিয়ে অনেকের মধ্যে প্রশ্ন (?) তৈরি হয়। এছাড়া Passport Type অংশে সকল সাধারণ জনগণের জন্য Ordinary সিলেক্ট করতে হবে। Delivery type অংশে ৩০ দিনের জন্য হলে রেগুলার এবং ১৫ দিনের জন্য হলে এক্সপ্রেস সিলেক্ট করতে হবে। অনলাইন ফর্মে জন্ম নিবন্ধন ও জাতীয় পরিচয়পত্র নাম্বার চাওয়া হয়েছে। যাদের জাতীয় পরিচয় পত্র নেই তারা শুধুমাত্র জন্ম নিবন্ধন নাম্বার দিয়েও পাসপোর্ট করতে পারবেন। অবশিষ্ট যে সকল তথ্যসমূহ চাওয়া হয়েছে সেগুলো আপনার ব্যক্তিগত নাম, ঠিকানা, পিতা-মাতার নাম, জন্ম তারিখ সহ সেগুলো যথাযথভাবে পূরণ করে Save and Next বাটনে ক্লিক করতে হবে। এটি হলো প্রথম ধাপ।
দ্বিতীয় ধাপে নতুন একটি ফর্ম আসবে। এখানে আপনার সাথে জরুরী যোগাযোগের জন্য কিছু তথ্য চাওয়া হয়েছে। এক্ষেত্রে আপনি আপনার বর্তমান বা স্থায়ী ঠিকানাকে উল্লেখ করতে পারেন। পাশাপাশি এই ফরমের অপর পাশে আপনার পুরাতন পাসপোর্ট সম্পর্কে জানতে চাওয়া হয়েছে। আপনার যদি পুরাতন কোনো পাসপোর্ট না থাকে সেক্ষেত্রে আপনাকে এই অংশে কিছু করতে হবে না। ঠিক তার নিচেই পাসপোর্টের নির্ধারিত চার্জ সম্পর্কে জানতে চাওয়া হয়েছে। অনলাইনে ফরম পূরণ করার ক্ষেত্রে আগে থেকেই ব্যাংকে টাকা জমা দিয়ে টাকা জমাদানের রশিদ সংগ্রহ করতে হয়। ব্যাংক রশিদের ওপরের দিকে, লাল কালিতে হাতে লেখা নম্বর (স্ক্রল নম্বরটি) অনলাইনে আবেদন ফর্মে লিখতে হয়।
পরবর্তী পেজে আবেদনকারীর পূর্ণাঙ্গ আবেদনপত্রটি প্রদর্শিত হবে। শেষবারের মতো সব ঠিক আছে কি-না তা দেখে নিতে হবে। সঠিক থাকলে নিচের দিকে Save বাটনে ক্লিক করতে হবে।
সাবমিট হওয়ার পর আপনার ই-মেইলে একটি মেইল আসবে যেখানে পূরণকৃত ফর্মের পিডিএফ কপি পাঠাবে। সেই কপিটি আপনি দুই কপি রঙ্গিন প্রিন্ট করে ফেলুন। (এক কপি বাড়তি করে রাখলে ভালোই হয়) এবার ফর্মে দেখুন আপনার ফিলাপ করা অংশ ছাড়াও কিছু স্থানে আপনার স্বাক্ষর দিতে বলা হয়েছে, সেখানে আপনার স্বাক্ষর দিয়ে সাথে আপনার জাতীয় পরিচয় পত্রের ফটোকপি এবং ৪ (চার) কপি পাসপোর্ট সাইজ ছবি নিয়ে আপনারই পরিচিত কোন প্রথম শ্রেণীর কর্মকর্তার কাছে নিয়ে গিয়ে সত্যায়িত করে নিন এবং যেখানে যেখানে ঐ কর্মকর্তার মোবাইল নাম্বার এবং ঠিকানা লিখা লাগবে সেখানে লিখিয়ে নিন।
এ ছাড়া ই-মেইলে দেওয়া আবেদনপত্রের নম্বর ও পাসওয়ার্ড দিয়ে পরে আবেদনপত্রটি প্রিন্ট করা যাবে। প্রিন্ট করা আবেদনপত্রটি সংশ্লিষ্ট পাসপোর্ট অফিসে জমা দিতে হবে। একইসঙ্গে পাসপোর্টের জন্য ছবি তোলা ও আঙুলের ছাপ স্বাক্ষর দিয়ে আসতে হবে। উল্লেখ্য, ছবি তোলার জন্য আপনি আপনার সুবিধামত (সরকারী ছুটির দিন ব্যতীত) দিন নির্ধারণ করতে পারবেন। নির্ধারিত দিনে পাসপোর্ট অফিসে গিয়ে আপনি আপনার ছবি তোলা ও আঙ্গুলের ছাপ দিয়ে আসতে পারবেন। দ্রষ্টব্য: অনলাইনে আবেদন ১৫ দিন বহাল/ভ্যালিড থাকে। এই সময়ের মধ্যেই আপনাকে ছবি তোলার দিন নির্ধারণ করতে হবে।
নির্ধারিত দিনে সকল কাগজপত্র নিয়ে সরাসরি আগারগাও পাসপোর্ট অফিস এর ৮ম তলায় অবস্থিত ৮০৪ নাম্বার রুমে গিয়ে সেখান থেকে ফরমটি ভেরিফাই করে নিতে হবে। সেখান থেকে স্বাক্ষর সহ একটি সিরিয়াল নাম্বার দেওয়া হবে। এবার যেতে হবে পাশের অফিস এর ৩য় তলার ৩১০ নাম্বার রুমে। যতই ভিড় থাকুক না কেন সরাসরি উপ-কমিশনার এর রুমে চলে যেতে হবে। কেননা অনলাইন আবেদন এর জন্য লাইনে দাড়াতে হয় না। এখানে ভেরিফিকেশন করার পরে যেতে হবে পাশের অফিস এ ছবি তোলার জন্য।
ছবি তোলার জন্য যেতে হবে ১৯ নং কাউন্টারে। এখানে শুধু অনলাইন ফর্ম এর সার্ভিস দেওয়া হয়। কাউন্টারে ফর্মটি জমা দিলে সেখানকার অফিসার আপনার ছবি তুলবে, আঙ্গুলের ছাপ ও স্বাক্ষর নিবে এবং তারপর আপনাকে রশিদ দেওয়া হবে। রশিদটি ভালো মত চেক করে রুম থেকে বেরিয়ে আসুন। সাদা কাপড় পড়ে ছবি তোলা যাবে না।
পাসপোর্ট রিসিভ তারিখ:
প্রোসেসিং চলার মাঝেই আপনার কাজ হয়ে গেলে মোবাইলে একটি ম্যাসেজ আসবে বাংলাদেশ পাসপোর্ট অফিস থেকে। এটি আপনার পাসপোর্ট বুঝে নেয়ার তারিখ। আপনি নির্ধারিত সময়ে গিয়ে পাসপোর্টটি বুঝে নিয়ে আসুন। হ্যাঁ মনে রাখবেন পাসপোর্ট বুঝে নেয়ার আগে সব তথ্য মিলিয়ে নিন ঠিক আছে কিনা।
অনলাইনে পাসপোর্ট চেকিং:
নির্ধারিত ডেলিভারী তারিখে আপনার পাসপোর্ট ডেলিভারী নিতে পারবেন কিনা তা অনলাইনে জানতে পারবেন। বিস্তারিত দেখুন এই লিংকে: www.immi.gov.bd/passport_verify.php
passports 1
খুঁটিনাটি তথ্য:
নতুন/১২ বছর উত্তীর্ণ পাসপোর্ট এর জন্য আবেদন:
দুই কপি আবেদনপত্র জমা দিতে হবে। আবেদনপত্রের সাথে অতিরিক্ত পাসপোর্ট সাইজের এককপি এবং ষ্ট্যাম্প সাইজের এক কপি ছবি জমা দিতে হবে।
অতি জরুরী হলে আন্তর্জাতিক পাসপোর্টের জন্য খরচ পড়ে ৬.০০০ টাকা এবং বিশেষ পাসপোর্টের খরচ হয় ২,৫০০ টাকা। পুলিশ প্রতিবেদন প্রাপ্তির পর ৭২ ঘন্টার মধ্যে পাসপোর্ট পাওয়া যায়।
জরুরী পাসপোর্টের ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক হলে ৩,৫০০ টাকা এবং বিশেষ পাসপ
24/07/2015
বাংলাদেশের জনপ্রিয় কিছু রিসোর্টের নামের তালিকা
ঢাকার বাসিন্দাদের ব্যস্ততম ও কর্মমূখর পরিবেশ থেকে দূরে গিয়ে অবকাশ যাপন, বিনোদন, বনভোজন, কনফারেন্স, সেমিনার অথবা কর্মশালা আয়োজনের প্রয়োজন পড়ে। গ্রাহকদের এসকল প্রয়োজন মিটানোর তাগিদে বিভিন্ন ধরনের সুযোগ-সুবিধা নিয়ে অনেকগুলো রিসোর্ট গড়ে ওঠেছে। রিসোর্টগুলো হলো যমুনা রিসোর্ট (টাঙ্গাইল), জাস্তাত হলিডি রিসোর্ট (সিলেট), পদ্মা রিসোর্ট (মুন্সিগঞ্জ), পেবল স্টোন রিসোর্ট (ইনানী), অরুনিমা কান্ট্রিসাইড ও গলফ রিসোর্ট (নড়াইল), আল-যশোর রিসোর্ট, ফয়েজ লেক রিসোর্ট (চট্টগ্রাম), মেঘনা ভিলেজ, রয়েল রিসোর্ট (টাঙ্গাইল), এলেঙ্গা রিসোর্ট (টাঙ্গাইল), মোজ্জাফর গার্ডেন ও রিসোর্ট (সাতক্ষীরা), কোরাল ভিউ রিসোর্ট (সেন্ট মার্টিন) ও নাজিমগড় রিসোর্ট (সিলেট)।
কয়েকটি রিসোর্টের ওয়েবসাইট:
অবকাশ পর্যটন লিমিটেডের রিসোর্ট: www.abakashparjatan.com
অরুণিমা: http://www.arunimaresort.com
এলেঙ্গা রিসোর্ট: http://www.elengaresort.com/
নক্ষত্রবাড়ি: www.nokkhottrobari.com.bd
নাজিমগড় রিসোর্ট: www.nazimgarh.com
পদ্মা রিসোর্ট: www.padmaresort.net
পাকশী রিসোর্ট (ঈশ্বরদী, পাবনা): www.pakshiresort.net
ফয়’স লেক রিসোর্ট: www.fantasy-kingdom.net.bd
মারমেইড ইকো রিসোর্ট: www.mermaidecoresort.com
যমুনা রিসোর্ট: www.jamunaresortbd.com
হিল সাইড রিসোর্ট: www.guidetoursbd.com
কোরাল ভিউ রিসোর্ট www.coralviewresortbd.com
|| টুর প্যাকেজ, প্যাকেজ সিডিউল এবং টুর সংক্রান্ত আপনার যে কোনে তথ্যের জন্য কল করুনঃ01616100110
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Culinary Team
Attire
Contact the business
Telephone
Website
Address
45B,Deluroad,Mogbager
Dhaka
1000
