Bing Herb
Health is an asset, so everyone should be aware of health. And drink more water. We want everyone to be healthy
12/08/2021
Mustard Oil | সরিষার তেল
Price: 220 tk kg
রন্ধনসম্পর্কীয় এবং চিকিৎসাজনিত উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত তেলগুলির মধ্যে অন্যতম হল সরিষার তেল। এই তেলের গন্ধ এবং ফ্লেবার যেকোনও রান্নার স্বাদ বাড়াতে পরিচিত এবং খাবারটিকে পুষ্টিকর করে তোলে। সরিষার তেল ফ্যাটি অ্যাসিডগুলির সমন্বয়ে গঠিত, যেমন -মনোস্যাচুরেটেড ফ্যাটি অ্যাসিড (৫৯ গ্রাম), স্যাচুরেটেড ফ্যাটি অ্যাসিড (১১ গ্রাম) এবং পলিআনস্যাচুরেটেড ফ্যাটি অ্যাসিড (২১ গ্রাম)। সরিষার তেল সাধারণত উত্তর ভারত, থাইল্যান্ড, বাংলাদেশ এবং কিছু পশ্চিমা দেশগুলিতে রান্নার জন্য ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
12/08/2021
Premium Ghee | প্রিমিয়াম ঘি
Price:1400 tk only
100% pure and neutral, made from fresh cream of pure cow's milk, safe for health because it is home made, 1Kg.
12/08/2021
কালোজিরা তেল (Black Seed Oil)
Price: 200 tk 100gm
উপকারিতা
কালোজিরার স্বাস্থ্য উপকারিতা অপরিসীম। ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া নিধন থেকে শুরু করে শরীরের কোষ ও কলার বৃদ্ধিতে সহায়তা করে কালোজিরা। শুধুমাত্র স্বাস্থ্যের জন্যই না কালোজিরা চুল ও ত্বকের জন্যও অনেক উপকারি। প্রত্যেকের রান্নাঘরেই কালোজিরা থাকে যা খাবারকে সুবাসিত করে। আসুন আমরা আজ আশ্চর্য বীজ কালোজিরার উপকারিতা গুলো জেনে নেই।
স্মরণ শক্তি বৃদ্ধি : এক চা-চামচ পুদিনাপাতার রস বা কমলার রস বা এক কাপ রঙ চায়ের সাথে এক চা-চামচ কালোজিরার তেল মিশিয়ে দিনে তিনবার করে নিয়মিত সেব্য। যা দুশ্চিন্ত দূর করে। এছাড়া কালোজিরা মেধার বিকাশের জন্য কাজ করে দ্বিগুণ হারে। কালোজিরা নিজেই একটি অ্যান্টিবায়োটিক বা অ্যান্টিসেপটিক। মস্তিস্কের রক্ত সঞ্চলন বৃদ্ধির মাধ্যমে স্মরণ শক্তি বাড়িয়ে তুলতে সাহায্য করে। কালোজিরা খেলে আমাদের দেহে রক্ত সঞ্চালন ঠিকমতো হয়। এতে করে মস্তিস্কের রক্ত সঞ্চলন বৃদ্ধির হয়। যা আমাদের স্মৃতি শক্তি বাড়িয়ে তুলতে সাহায্য করে।
মাথা ব্যাথা নিরাময়ে : ১/২ চা-চামচ কালোজিরার তেল মাথায় ভালোভাবে লাগাতে হবে এবং এক চা চামচ কালোজিরার তেল সমপরিমাণ মধুসহ দিনে তিনবার করে ২/৩ সপ্তাহ খেতে হবে।
বাতের ব্যাথা দূরীকরণে : আক্রান্ত স্থানে ধুয়ে পরিষ্কার করে তাতে মালিশ করে; এক চা-চামচ কাঁচা হলুদের রসের সাথে সমপরিমাণ কালোজিরার তেল সমপরিমান মধু বা এক কাপ রং চায়ের সাথে দৈনিক ৩বার করে ২/৩ সপ্তাহ সেব্য।
বিভিন্ন প্রকার চর্মরোগ সারাতে : আক্রান্ত স্থানে ধুয়ে পরিষ্কার করে তাতে মালিশকরে; এক চা-চামচ কাঁচা হলুদের রসের সাথে সমপরিমাণ কালোজিরার তেল সমপরিমান মধু বা এককাপ রং চায়ের সাথে দৈনিক ৩বার করে ২/৩ সপ্তাহ পান করুন।
হার্টের বিভিন্ন সমস্যার ক্ষেত্রে : এক চা-চামচ কালোজিরার তেল সহ এক কাপ দুধ খেয়ে দৈনিক ২বার করে ৪/৫ সপ্তাহ সেব্য এবং শুধু কালোজিরার তেল বুকে নিয়মিত মালিশ করতে হবে।
ব্লাড প্রেসারনিয়ন্ত্রনে রাখতে : প্রতিদিন সকালে সমস্ত শরীরে কালোজিরার তেল মালিশ করে সূর্যেরতাপে কমপক্ষে আধাঘন্টা অবস্থান করতে হবে এবং এক চা-চামচ কালোজিরার তেল সমপরিমাণমধুসহ প্রতি সপ্তাহে ২/৩ দিন খেলে ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রণ রাখে। এছাড়া কালোজিরা বা কালোজিরা তেল বহুমুত্র রোগীদের রক্তের শর্করার মাত্রা কমিয়ে দেয় এবং নিম্ন রক্তচাপকে বৃদ্ধি করে ও উচ্চ রক্তচাপকে হ্রাস করে।
শ্বাস কষ্ট বা হাঁপানি রোগ সারাতে : যারা হাঁপানী বা শ্বাসকষ্ট জনিত সমসসায় ভুগে থাকেন তাদের জন্য কালোজিরা অনেক বেশি উপকারী। প্রতিদিন কালোজিরার ভর্তা রাখুন খাদ্য তালিকায়। কালোজিরা হাঁপানি বা শ্বাস কষ্টজনিত সমস্যা উপশম হবে।এছাড়া এক কাপ চা-চামচ কালোজিরার তেল, এক কাপ দুধ বা রং চায়ের সাথে দৈনিক ৩বার করে নিয়মিত সেব্য।
ডায়বেটিক নিয়ন্ত্রণে : ডায়াবেটিকদের রোগ উপশমে বেশ কাজে লাগে কালিজিরা। এক চিমটি পরিমাণ কালিজিরা এক গ্লাস পানির সঙ্গে প্রতিদিন সকালে খালি পেটে খেয়ে দেখুন, রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকবে। এছাড়া এক কাপ চা-চামচকালোজিরার তেল, এক কাপ রং চা বা গরম ভাতের সাথে মিশিয়ে দৈনিক ২বার করে নিয়মিত সেব্য। যা ডায়বেটিকস নিয়ন্ত্রণে একশত ভাগ ফলপ্রসূ।
12/08/2021
সৌন্দর্যচর্চায় অলিভ অয়েল
আমরা সবাই কম বেশি জানি আগেকার দিনে আমাদের মা দাদীরা সরিষার তেল দিয়ে তাদের রূপচর্চা করতেন। কিন্তু এটা হয়ত অনেকেই জানিনা সেসময় অলিভ অয়েল বা জলপাইয়ের তেলও বহুল প্রচলিত ছিল। এই তেলের ব্যবহারই হয়ত তাদের চাকচিক্যময় ত্বকের গোপন রহস্য। অলিভ অয়েলের নাম শুনে কি চোখের সামনে তেল চটচটে একখানি মুখ ভেসে উঠছে? একটু ট্রাই করেই দেখুন, আপনার ভ্রান্ত ধারণার অবশ্যই অবসান ঘটবে। জলপাইয়ের তেল জলপাই থেকেই পাওয়া যায়। অলিভ অয়েল ভিটামিন, মিনারেল, ফ্যাটি এসিডে ভরপুর তাই শুধু হার্টের জন্য নয় পুরো মানব দেহের জন্যই উপকারী। এটি সেনসিটিভ স্কিনের জন্যও নিরাপদ। অলিভ অয়েল চুলে পুষ্টি যোগায় আর অলিভ অয়েলে বিদ্যমান ভিটামিন ই এবং এ তারুণ্য ধরে রাখতে সাহায্য করে। অলিভ অয়েলের গুনাগুণ এখানেই সীমাবদ্ধ না। আজ আমরা এমন অনেক উপকারি টিপস জানবো এই আর্টিকেলের মাধ্যমে।
[picture]
12/08/2021
12/08/2021
MEDJOOL KHEJUR (DATES) PREMIUM SIZE .05KG
Price:580.00
MEDJOOL KHEJUR (DATES) PREMIUM SIZE
পুষ্টিগুণে ভরপুর খেজুরে রয়েছে ভিটামিন, আঁশ, ক্যালসিয়াম, আয়রন, ফসফরাস, পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম ও জিঙ্ক।
খেজুর একজন সুস্থ মানুষের শরীরে আয়রনের চাহিদার প্রায় ১১ ভাগই পূরণ করে। তাই প্রতিদিন খেতে পারেন খেজুর।
পুষ্টিবিদদের মতে, শরীরের প্রয়োজনীয় আয়রনের অনেকটাই খেজুর থেকে আসে। এ ছাড়া ডায়াবেটিস থাকলে প্রচলিত খেজুরের বদলে শুকনো খেজুরকে ডায়েটে রাখতে বলেন বিশেষজ্ঞরা।
খেজুরের পুষ্টিগুণ
সুস্বাদু আর বেশ পরিচিত একটি ফল, যা ফ্রুকটোজ ও গ্লাইসেমিক সমৃদ্ধ। এটি রক্তে শর্করার পরিমাণ বাড়ায়। খেজুর ফলকে চিনির বিকল্প হিসেবে ধরা হয়ে থাকে। খেজুরের পুষ্টি উপাদান সম্পর্কে বলা হয় চারটি বা ৩০ গ্রাম পরিমাণ খেজুরে আছে ৯০ ক্যালোরি, এক গ্রাম প্রোটিন, ১৩ মিলি গ্রাম ক্যালসিয়াম, ২.৮ গ্রাম ফাইবার এবং আরও অন্যান্য পুষ্টি উপাদান। খেজুর শক্তির একটি ভালো উৎস। তাই খেজুর খাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই শরীরের ক্লান্তিভাব দূর হয়। আছে প্রচুর ভিটামিন বি, যা ভিটামিন বিসিক্স মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়ক।
প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় রাখতে পারেন খেজুর।
আয়রনে ভরপুর খেজুর খেতে পারেন প্রতিদিন। অন্তত দুটি খেজুর যদি প্রতিদিন খান তবে অনেক রোগ কাছেও ঘেঁষবে না।
পুষ্টিবিদদের মতে, শরীরের প্রয়োজনীয় আয়রনের সবই রয়েছে খেজুরে।
আসুন জেনে নিন খেজুরের উপকারিতা-
১. খেজুরে রয়েছে প্রচুর ভিটামিন, খনিজ, ক্যালসিয়াম ও পটাশিয়া। খেজুরে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরে রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা বাড়ায়।
২. ফাইবারও মিলবে খেজুরে। তাই এই ফল ডায়েটে রাখতে পারেন নিশ্চিন্তে।
৩. প্রতিটি খেজুরে রয়েছে ২০ থেকে ২৫ মিলিগ্রাম ম্যাগনেসিয়াম, যা উচ্চ রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে।
৪. রক্তস্বল্পতায় ভোগা রোগীরা প্রতিদিন খেজুর খেতে পারেন। একজন সুস্থ মানুষের শরীরে যতটুকু আয়রন প্রয়োজন, তার প্রায় ১১ ভাগ পূরণ করে খেজুর।
৫. যারা চিনি খান না তারা খেজুর খেতে পারেন। চিনির বিকল্প খেজুরের রস ও গুড়।
৬. কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যায় রাতে পানিতে খেজুর ভিজিয়ে রাখুন। পর দিন সকালে খেজুর ভেজানো পানি পান করুন। দূর হবে কোষ্ঠকাঠিন্য।
৭. খেজুরে থাকা নানা খনিজ হৃদস্পন্দনের হার ঠিক রাখতে সাহায্য করে।
৮. খেজুরে লিউটেন ও জিক্সাথিন থাকায় তা রেটিনা ভালো রাখে।
12/08/2021
Kaju Badam Premium 250 gm
Price:৳330.00
স্বাদ ও সুস্বাস্থ্যে অনন্য ন্যাচারালস বিডি (প্রিমিয়াম)কাজু
কাজুর স্বাদের কাছে কাবু হয়নি পৃথিবীতে এমন লোক খুঁজে পাওয়া দুস্কর। কাজুর স্বাদ আর গুণের সুখ্যাতি রয়েছে পুরো বিশ্বজুড়েই।
কিডনি শেপের ছোট একটি সিড, দেখতে ছোট হলেও স্বাস্থ্য গুণে অসাধারণ কাজু।
কাজু বাদামে অধিক পরিমাণে ভিটামিন থাকায় চিকিৎসকেরা একে ন্যাচারাল ভিটামিন ট্যাবলেট নামে ডাকেন।
কাজু বাদামের উপকারিতা :
হার্ট ভালো রাখেঃ
কাজু বাদামে থাকা অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট হার্টের নানাবিধ সমস্যা দূর করতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে।এতে উপস্থিত আর্জিনিন নামক উপাদান হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনা কমায় এবং হার্টের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি করে।
কোলেস্টেরল দূর করে:
কাজুতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ ওলিসিক নামক ফ্যাটি অ্যাসিড। যা দেহের গুড কোলেস্টেরল এর মাত্রা বাড়ায় এবং ব্যাড কোলেস্টরলের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে।
সংক্রামনের সঙ্গে লড়াই করে:
কাজুবাদামে থাকা জিঙ্ক ভাইরাসের আক্রমণের হাত থেকে শরীরকে রক্ষা করে। শরীর ইনফেকশনের শিকার হলে কাজুবাদাম দ্রুত সংক্রমন সাড়াতে ভূমিকা রাখে।
হাড় মজবুত করে:
কাজু বাদামে ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম,পটাশিয়াম এবং ভিটামিন কে আছে, যা হাড়ের গঠন মজবুত করে।
চোখের জ্যোতি বাড়ায়:
কাজুতে প্রচুর পরিমাণে লুটেন ও জিয়াক্সাথিন অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট থাকে, যা চোখকে আলোর ক্ষতিকর রশ্মি থেকে রক্ষা করে এবং চোখের জ্যোতি বাড়ায়।
ওজন কমাতে:
কাজু বাদাম ওজন কমাতে দারুণ কার্যকর। কাজুতে যে প্রোটিন আছে, তা চর্বির পরিমাণ কমিয়ে ওজন ঠিক রাখতে সাহায্য করে।
ব্রেইন ডেভেলপমেন্ট:
নিয়মিত কাজু বাদাম খেলে ব্রেইনের কগনিটিভ ফাংশনের উন্নতি ঘটে। ফলে বুদ্ধি, স্মৃতিশক্তি এবং মনোযোগ বাড়তে শুরু করে। এজন্য কাজুবাদাম কে ব্রেইনের পাওয়ার বুস্টার বলা হয়ে থাকে।
আমদের প্রিমিয়াম কাজু – তে কোন কেমিক্যাল ও প্রিজারভেটিভ নেই।ন্যাচারালস রোস্টেড কাজু স্বাদে সেরা এবং স্বাস্থ্য মানে অনন্য।
12/08/2021
Honey Of Sundarban 0.5kg
উচ্চ ঔষধি গুণ সম্পন্ন তরল ‘মধুর’ নানা গুণের কথা প্রায় সকলেরই জানা। তবে আজকের তরুণ প্রজন্মের কাছেও কি এসব ভেষজ ওষুধের গুরুত্ব আছে? জীবনকে মধুময় করতে মধুর খাদ্য উপাদান কতটা গুরুত্বপূর্ণ, তা জেনে নিন।
মধু শক্তি ও তাপ বাড়ায়
মধু শরীরের তাপ ও শক্তি জোগায়। বিশেষ করে শীতকালে মধু শরীরকে গরম রাখে। শীতকালে সকালে ও রাতে এক কাপ গরম পানিতে এক চামচ করে মধু মিশিয়ে খেলে শরীর গরম থাকবে। মধুতে থাকা শর্করা হজমের জন্যও বিশেষ উপকারী।
সুস্থ হার্টের জন্য চাই মধু
প্রতিদিন সকালে এক চামচ করে খাটি মধু খেলে হৃদপিণ্ড শক্তিশালী হয়। এছাড়া মধু নাকি আয়ুও বাড়ায়। এই পরামর্শ দিয়েছেন জার্মানির হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ড. বেরিট কখ।
কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে মুক্তি
মধুতে রয়েছে যথেষ্ট পরিমাণে কপার, মানে তামা, আয়রন ও ভিটামিন বি কমপ্লেক্স, যা কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে বিশেষ ভূমিকা রাখে। শুধু তাই নয়, যারা অ্যাজমা বা শ্বাসকষ্টে ভোগেন, তাদের জন্যও মধু বেশ উপকারী।
ক্ষত বা পোড়া স্থানে মধু
নিউজিল্যান্ডের ওয়াইকাটো বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক পেটার মোলানের করা এক গবেষণায় জানা যায় যে, বেশ কিছু রোগের জীবাণু ধ্বংসে মধুর জুড়ি নেই। তাছাড়া পোড়া বা ক্ষতের জায়গায় খাটি মধু লাগালে অনেক উপকার হয়।
ঠান্ডায় মধু
কাশি বা ঠান্ডা লাগলে মধু মহাষৌধ হিসেবে কাজ করে – এ কথা মনে হয় কারো অজানা নয়। কুসুম কুসুম গরম পানিতে মধু মিশিয়ে পান করলে শরীর ঝরঝরে হয়। তবে এটা কিছু দিন নয়, বেশ নিয়মিত করতে হবে। মধুতে ভিটামিন ‘এ’, ‘বি’, ‘সি’ ছাড়াও রয়েছে খনিজ পদার্থ, পটাশিয়াম, ক্যালশিয়ামসহ অন্যান্য নানা প্রয়োজনীয় উপাদান।
ত্বকের সমস্যায় মধু
ত্বকের অ্যালার্জিজনিত সমস্যায় অলিভ অয়েলের সাথে মধু মিশিয়ে লাগালে ত্বকের সমস্যা দূর হয়। এমনটা জানা গেছে এক সমীক্ষার ফলাফলে। তবে সেক্ষেত্রে মধু অবশ্যই খাঁটি হতে হবে।
সৌন্দর্যচর্চায় মধু
শুধু শরীর নয়, সৌন্দর্যচর্চাতেও রয়েছে মধুর বড় ভূমিকা। রাসায়নিক পদার্থের প্রসাধন সামগ্রীর পার্শপ্রতিক্রিয়া থেকে ত্বককে রক্ষা করতে নানা উপায়ে মধু ব্যবহার করা হয়। মধু ত্বককে উজ্জ্বল, কোমল ও মসৃণ করে। রূপচর্চায় মধু সাধারণত ‘ফেসমাস্ক’ হিসেবে ব্যবহার করা হয়৷ তবে মধু তৈলাক্ত ত্বকের চাইতে শুষ্ক ও স্বাভাবিক ত্বকের জন্য বেশি উপকারী।
ওজন কমাতে মধু
মধুতে কোনো ধরনের চর্বি নেই। তাছাড়া মধু পেট পরিষ্কার রাখে এবং শরীরের ফ্যাট কমাতেও সাহায্য করে। ফলে ওজন কমে। অনেকেই তাই গরম পানিতে লেবুর রস ও মধু মিশিয়ে পান করেন। মধুতে চর্বি নেই, কাজেই তা ওজন বাড়ায় না। রাতে গরম দুধে কয়েক ফোটা মধু মিশিয়ে খেলে ভালো ঘুম হয় আর ঘুমের মধ্য দিয়েও যে ওজন কমানো সম্ভব, সেকথা তো বিশেষজ্ঞরাও বলেছেন।
মাড়ির ইনফেকশনে
মাড়ির ব্যথায় মুখ কুলকুচি করার জন্য মধু মিশ্রিত পানি বা ‘মাউথওয়াশ’ ব্যবহার করলে মাড়ির ব্যথা কমে। এই তথ্যটি জানা গেছে ব্রাজিলের সাও পাওলো-তে করা এক গবেষণার ফলাফল থেকে।
সুস্থ থাকতে মধু
যার কোনো সমস্যা নেই বা যিনি অসুস্থ নন, তারা সকলেই নিয়মিত চিনির বদলে মধু খেতে পারেন বা প্রতিদিন সকালে এক চামচ খাটি মধু খেতে পারেন। এক্ষেত্রে বলা যেতে পারে ‘প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধই উত্তম’। অর্থাৎ মধুর নানা গুণের কারণে নিয়মিত মধুর ব্যবহার অসুখ-বিসুখকে এমনিতেই দূরে রাখবে।
12/08/2021
পন্যের নামঃ কুমড়ো+মাসকলাই বড়ি
মাসকলাই বড়ি বাঙালির যেমন একটি ঐতিহ্যবাহী খাবার তেমনি কুমড়ো বড়ি টাও বহুল প্রচলিত। বিভিন্ন তরকারির সঙ্গে রান্না করে খাওয়ার প্রচলন বহু আগের। ভোজন রসিকদের খাবারে বাড়তি স্বাদ এনে দেয় এই বড়ি।
কুমড়ো বড়ির গুনাগুনঃ
*প্রয়োজনীয় পুষ্টি গুনে ভরপুর
*শিশুদের বুদ্ধির বিকাশে সহায়তা করে
*চোখের সাস্থ্য এর জন্য উপকারি
*হজমশক্তি উন্নত করে
*শক্তির মাত্রা বৃদ্ধি করে
*ইমিউন সিস্টেমকে বাড়ায়
*ভালো ঘুম হয়
12/08/2021
মজাদার সল্টি স্বাদ ও পুষ্টিগুণে অনন্য ন্যাচারালস রোস্টেড কালিফোর্নিয়া আমন্ড
নানাবিধ স্বাস্থ্য গুণের জন্য আমন্ড তথা কাঠ বাদাম সারা বিশ্বেই অত্যন্ত জনপ্রিয়। কাঠ বাদামকে বলা হয় ভিটামিন-মিনারেলস এর পাওয়ার হাউজ।
পুষ্টিবিদরা তাই প্রতিদিন পরিমিত কাঠ বাদাম খেতে পরামর্শ দিয়ে থাকেন।
কাঠ বাদামের উপকারিতা :
১. হজমশক্তি বাড়ায়। প্রয়োজনীয় এনজাইম নিঃসরণে সাহায্য করে।
২. ওজন কমাতে কার্যকরী ভূমিকা পালন করে। আমন্ডে উপস্থিত মোনোস্যাচুরেটেড ফ্যাট খিদে কমায় ও পেট ভরিয়ে রাখে।
৩. হৃদযন্ত্র ভালো রাখে আমন্ড। ক্ষতিকারক কোলেস্টেরল (লো ডেন্সিটি লিপোপ্রোটিন) নিয়ন্ত্রণ করে।
৪. শারীরিক শক্তি বৃদ্ধি করে।
৫. ব্রেইন ডেভেলপমেন্ট এ সাহায্য করে।
৬. ইম্যুউন সিস্টেম বুস্ট করে।
৭. গর্ভবতী মায়েদের নিয়ম করে আমন্ড খেতে পরামর্শ দেন স্ত্রীরোগবিশেষজ্ঞরা।
ন্যাচারালস বিডি এর কাঠ বাদাম তে কোন কেমিক্যাল ও প্রিজারভেটিভ নেই।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Telephone
Website
Address
House # 06, Road # 137, Block # SE(D), Gulshan/1
Dhaka
1212
