Teeth Architect
"Precision in every smile!"
16/07/2026
আজ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এবং স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বরাবর 'বাংলাদেশ ডেন্টাল সোসাইটি স্মারকলিপি প্রদান করে...
©️Dental Times
1st Time🇦🇷😂
কোর্টে না যেয়ে টেকনোরা শহীদ মিনারে যায়, কারন আইনগত এবং নীতিগতভাবে এরা বৈধ নয়....
এসব প্রশ্নের জবাব টেকনিশিয়ান বা টেকনোলজিস্টদের কাছে নেই! ⚠️🦷
কারণ, টেকনোলজিস্টদের কাজ ল্যাবে ব্যাক-অফিস সাপোর্ট দেওয়া, রোগীর মুখে ক্লিনিক্যাল প্র্যাকটিস করা নয়। মুখ ও দন্ত রোগের সঠিক, বৈজ্ঞানিক ও নিরাপদ চিকিৎসা কেবল একজন BDS ডাক্তারই দিতে পারেন।
ল্যাবের কাজ ল্যাবেই থাকুক, আপনার মুখের যত্ন থাকুক সঠিক ডেন্টাল সার্জনের হাতে! 🩺✨
📢 ডেন্টাল টেকনিশিয়ান / টেকনোলজিস্ট: BE CAREFUL‼️
🔹 BDS = ডাক্তার/ডেন্টিস্ট।
🔹 ডিপ্লোমা/টেকনিশিয়ান = ল্যাব অ্যাসিস্ট্যান্ট।
পরিচয় চুরি বন্ধ করুন। সময় থাকতে নিজের গণ্ডিতে ফিরে আসুন, আইনকে শ্রদ্ধা করতে শিখুন! ⚠️
11/07/2026
প্রশ্ন : ডেন্টাল টেকনিসিয়ানরা আর কয়দিন চেম্বার করবে? উত্তর: রায়ের সার্টিফায়েড কপি হাতে পেতে যে কয়দিন লাগে!
এরপর শুরু হবে অভিযান। ডেন্টাল টেকনিসিয়ানের হবে জেল। মালামাল উঠবে নিলামে। তবে ওয়ার্ম আপ এখন শুরু...
"BDS নয়তো ডাক্তার নয়, ডেন্টিস্ট নয়"
09/07/2026
BDS নয়তো ডাক্তার নয়, ডেন্টিস্ট নয়! 🔥🦷🩺
06/07/2026
🛑 সস্তার চিকিৎসা নাকি গরিব মানুষের জীবন নিয়ে ছিনিমিনি?
আমাদের সমাজে একটি ভুল ধারণা প্রচলিত আছে যে, কম খরচে দাঁতের চিকিৎসা পাওয়ার জন্য ডেন্টাল টেকনোলজিস্ট বা টেকনিশিয়ানদের প্র্যাকটিস করতে দেওয়া উচিত। আপাতদৃষ্টিতে একে "গরিবের উপকার" মনে হলেও, বাস্তবে এটি নিম্নবিত্ত মানুষের জন্য চরম বিপজ্জনক ও অপকারের কারণ।
⚠️ 'সস্তার চিকিৎসা' যেভাবে বড় ক্ষতি ডেকে আনে:
• ভুল ডায়াগনসিস ও অপচিকিৎসা: ডেন্টাল টেকনোলজিস্টদের কাজ ল্যাবে কৃত্রিম দাঁত বা ক্রাউন তৈরি করা, রোগীর রোগ নির্ণয় (Diagnosis) করা নয়। একজন টেকনোলজিস্টের দীর্ঘ ৫ বছরের ক্লিনিক্যাল পড়াশোনা না থাকায় তারা মুখের ভেতরের জটিল অবস্থা বুঝতে পারেন না। ফলে সামান্য সমস্যাও ভুল চিকিৎসায় বড় আকার ধারণ করে।
• ক্যান্সার ও জটিল ইনফেকশনের ঝুঁকি: মুখের সাধারণ ঘা বা দাঁতের সমস্যা অনেক সময় ওরাল ক্যান্সারের পূর্বলক্ষণ হতে পারে। একজন ডেন্টাল সার্জন সেটি শুরুতেই ধরতে পারেন। কিন্তু টেকনিশিয়ানদের কাছে চিকিৎসা করালে সঠিক সময়ে সঠিক রেফারেল না পেয়ে রোগটি অবহেলায় মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিতে পারে।
• হেপাটাইটিস ও এইচআইভির বিস্তার: প্র্যাকটিসের সঠিক নিয়ম এবং জীবাণুমুক্তকরণের (Sterilization) বৈজ্ঞানিক ধারণা না থাকায় অনিবন্ধিত চেম্বারগুলো থেকে হেপাটাইটিস বি, সি এবং এইচআইভির মতো মারাত্মক রক্তবাহিত রোগ ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি থাকে।
💸 উপকারের চেয়ে আর্থিক ক্ষতিই বেশি:
গরিব মানুষ কষ্টার্জিত টাকা বাঁচানোর জন্য এসব জায়গায় যান। কিন্তু ভুল চিকিৎসার পর যখন ইনফেকশন বা জটিলতা তৈরি হয়, তখন সেই ক্ষতি ঠিক করতে পরবর্তীতে অনুমোদিত ডেন্টাল সার্জন বা সরকারি হাসপাতালে গিয়ে তাদের চারগুণ বেশি টাকা এবং সময় নষ্ট করতে হয়।
আমাদের বক্তব্য:
অর্থনৈতিক অবস্থা যেমনই হোক, ভুল বা অপচিকিৎসা পাওয়ার অধিকার কারও নেই। গরিব মানুষেরও সঠিক এবং নিরাপদ চিকিৎসা পাওয়ার সমান অধিকার আছে। ল্যাব টেকনোলজিস্টদের সরাসরি রোগী দেখতে দেওয়া উপকারের বদলে সাধারণ মানুষের জীবনকে কেবল ঝুঁকিতেই ফেলবে।
ভুয়া চিকিৎসা ও হাতুড়ে ডাক্তারদের (কোয়াক) হাত থেকে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে বাঁচাতে এখনই সোচ্চার হওয়ার সময়! 📢
সম্প্রতি ছড়িয়ে পড়া এই ভিডিওটি দেখলেই বোঝা যায়, কেন প্রপার ডিগ্রিহীন ডিপ্লোমা টেকনিশিয়ানদের সরাসরি রোগীর চিকিৎসা বা ক্লিনিক্যাল সিদ্ধান্ত নিতে দেওয়া উচিত নয়। ডেন্টাল সায়েন্স এবং সঠিক টেকনোলজির কোনো গভীর জ্ঞান ছাড়াই, মাত্র ২ মিনিটে 'সেলফ-কিউর অ্যাক্রিলিক' (Self-Cure Acrylic) দিয়ে দাঁতের পার্মানেন্ট ব্রিজ বানিয়ে দেওয়া হচ্ছে!
একজন রেজিস্টার্ড ডেন্টিস্টের পরামর্শ ও সঠিক অ্যাকাডেমিক নলেজ ছাড়া এভাবে চিকিৎসা করা কতটা মারাত্মক ও ঝুঁকিপূর্ণ, তা সাধারণ মানুষের কল্পনারও বাইরে। এই ধরণের ক্ষণস্থায়ী ও অনিরাপদ পদ্ধতি পরবর্তীতে মাড়ির ক্যানসার, ইনফেকশন এবং দাঁতের স্থায়ী ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
নিজের ও পরিবারের সুরক্ষায় সচেতন হোন। দয়া করে সস্তা ও অনিরাপদ চিকিৎসার ফাঁদে পা না দিয়ে, সবসময় বিডিএস (BDS) ডিগ্রিধারী রেজিস্টার্ড ডেন্টাল সার্জনের শরণাপন্ন হোন। 🦷✨
সম্প্রতি ডিপ্লোমা ডেন্টাল টেকনিসিয়ানরা নতুন মিথ্যাচার শুরু করেছে। এদেশে নাকি বিডিএস ডাক্তার ১৪০০০❗
মূলত এদেশে বিডিএস পাস করা চিকিৎসক ২০০০০ এরও বেশি। এরমধ্যে প্রায় ১৬৩০০ চূড়ান্ত বিএমডিসি নিবন্ধন পেয়েছেন। প্রভিসনালি নিবন্ধিত ২০১৮/১৯ সেশনের চিকিৎসকরা এখন বিএমডিসির চূড়ান্ত নিবন্ধন নেওয়া শুরু করেছেন। তাদের নিবন্ধন শেষ হলে এই সংখ্যা ১৮০০০ ছাড়িয়ে যাবে। অন্যদিকে, ২০১৯/২০ সেসনের প্রায় ২০০০+ চিকিৎসক এখন ইন্টার্নসিপ ট্রেইনিং নিচ্ছেন। যাদের নিবন্ধন শেষ হলে সংখ্যাটি ২০৫০০ অতিক্রম করবে। এছাড়াও, ২০২১/২২ শেশন এখন চূড়ান্ত পেশাগত পরীক্ষা দিচ্ছেন। এই ব্যাচেও ২ মাস পর অন্তত ২০০০+ ডাক্তার হবেন। অর্থাৎ সেপ্টেম্বরের মাঝেই নিবন্ধিত বিডিএস চিকিৎসকের সংখ্যা দাঁড়াবে প্রায় ২৩০০০+।
এছাড়াও, দেশের মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজসমূহের ৫ টি ব্যাচে অন্তত ১০০০০ বিডিএস শিক্ষার্থী পড়াশোনা করছেন।
অপপ্রচার থেকে দূরে থাকুন।
©️ Tooth for life
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Mirpur
Dhaka
