Annorupe

Annorupe

Share

বাঁচতে হলে জানতে হবে ..
ঔষধ ছাড়া ঘরোয়া উপায়ে স্বাস্থ্য ও সৌন্দর্য সচেতনতা ।

16/09/2023

দুধ জাতীয় খাবার ও দুধ সংরক্ষণের জন্য প্রয়োজনীয় টুকিটাকি কিছু টিপস; জেনে রাখুন আপনার জীবন কে সহজ করে তুলবে ❤️

🌹 বাড়িতে ঘি তৈরি করার জন্য দুধের সরটা যে বাটিতে রাখবেন সেখানে ১/২ চামচ টক দই দিয়ে তার উপরে রাখুন। সরটা এমনভাবে রাখতে হবে যাতে পুরো দইটা ঢেকে যায়। এই ভাবে দই এর সাথে সর জমলে সর জমা যে গন্ধ হয় সেটা হবে না।

🌹 এক টুকরো সন্ধক লবণ ঘি এর শিশির মধ্যে রেখে দিন। এতে ঘি বেশি দিন টাটকা থাকবে, স্বাদেরও পরিবর্তন হবে না।

🌹 ঘিয়ের গন্ধ বজায় রাখতে হলে ঘি রাখার শিশিতে এক টুকরো আখের গুড় রেখে দিন।

🌹ভোজ্য তেলে ৮/১০ টা আস্ত গোলমরিচ ফেলে দিন। তেল দীর্ঘদিন অব্যবহৃত হলেও ভাল থাকবে।

🌹দই পাতবার সময় দুধের সঙ্গে ১ চামচ কর্ণফ্লাওয়ার গুলে দেবেন। দই অনেক বেশি ঘন হবে।

🌹 গরু বা মোষের দুধ ঠিক সময় মতো গরম না করলে দুধ কেটে যাবার ভয় থাকে। দুধের মধ্যে দু-ফোঁটা সরষের তেল দিয়ে রাখলে দুধ যখনই ফোটান হোক না কেন দুধ কাটবে না।

🌹 দীর্ঘদিন বাইরে পড়ে আছে পাউডার দুধ। ভয় হচ্ছে আঁচে বসালেই কেটে যাবে। আঁচে বসানোর আগে দুধে ১ চিমটি সোভা-বাই-কার্ব মিশিয়ে নিন। দুধ কাটবে না।

🌹 দুধ পড়ে গেলে বা দুধ থেকে পোড়া গন্ধ দূর করতে হলে তাতে পান পাতা ফেলে কিছুক্ষণ ফুটিয়ে নিন। পোড়া গন্ধ কেটে যাবে।

🌹 চালের গুঁড়োর পিঠে করলে সাধারণত শক্ত হয়। পিঠে করার আগে যদি চালের গুঁড়োতে কিছুটা খই মাখিয়ে নেওয়া হয় তবে পিঠে নরম হয় এবং খেতেও ভাল লাগে।

🌹 কেক, পুডিংর ওপর বাদাম, কাজু বা কিশমিশ সাজিয়ে দেবার আগে, ধুয়ে কিছুক্ষণ ভিজিয়ে রাখলে পড়ে খসে যাবার ভয় থাকে না।

🌹 কাস্টার্ড তৈরীর সময় কাপ প্রতি দুধে দু-তিন চামচ মিল্ক পাউডার গুলে নেন তবে চমৎকার একটা আস্বাদ আসবে। তৈরীর পর মোটা চিনির দানা যদি ছড়িয়ে দেন, কাস্টার্ডে সর পড়বে না।

🌹ছানা কাটানোর জন্য লেবুর রসের বদলে ফুটন্ত দুধে ১ চামচ দই ফেলে দিন। ছানা নরম হবে।

🌹 বিস্কুটের টিনে এক টুকরো ব্লটিং পেপার রেখে দিন। বিস্কুট অনেক দিন ভালে থাকবে।মুসরে যাবে না।

🌹 পোড়ামাটির জিনিসপত্র পরিষ্কার রাখতে হলে ওগুলোর ওপর ন্যাচারাল রঙের নেলপালিশ লাগিয়ে দিন। রং অক্ষত থাকবে আর নোংরা হবে না।

আমার টিপস গুলো যদি আপনাদের একটু ও উপকারে আশে তবে শেয়ার করে সবাই কে দেখার সুযোগ করে দিন। আরও নতুন নতুন টিপস পেতে আমার সাথেই থাকুন।

13/09/2023

#রসুনের_গুনাগুন

> যৌবনের প্রারম্ভ থেকেই যদি কেউ ১/২ চামচ কাচা আমলকির রসের সাথে ১/২ কোয়া রসুন বাটা মিশিয়ে খায়, বার্ধক্য দেরিতে আসে। যৌবনের সজীবতা অনেকদিন বজায় থাকে।

>বীর্য পাতলা হলে, অল্প গরম দুধের সাথে ২/১ কোয়া রসুন বেটে নিয়মিত খেতে হবে। এভাবে খেলে যক্ষার প্রতিশেধক হিসেবেও কাজ করে।

>অনেক খাওয়া দাওয়ার পর ও শরীর শুকিয়ে যেতে থাকলে ১/২ কোয়া রসুন বেটে এক পোয়া দুধে ফুটিয়ে খেলে ওজন বাড়বে।

>বাতের ব্যাথায় গাওয়া ঘি এর সাথে ২/৩ কোয়া রসুন বাটা খেতে হবে। তাছাড়া সরিষার তেলে রসুন ভেজে মালিশ করা যেতে পারে।

>অনেকদিন যাবত হাল্কা জ্বর থাকলে ৫/৭ ফোটা রসুনের রসের সাথে এক চামচ ঘি মিশিয়ে খেলে অল্পদিনেই ভালো হয়ে যায় (না হলে অবশ্যি ডাক্তার দেখাবেন)।

>দুই বা এক কোয়া রসুন চিবিয়ে খেয়ে একটু গরম দুধ খেলে স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি পায়, কৃমি দূর হয়, শরীরের জড়তা কাটে। তাছাড়াও চুলকানি ও রাতকানায় উপকার পাওয়া যায়।

>কুকুর কামড়ালে অবশ্যি ইঞ্জেকশন নেবেন। পাশাপাশি ২-৫ ফোটা রসুন এর রস অল্প দুধে মিশিয়ে খাবেন।

>এমফাইসিমা (এক ধরণের হাপানি যাতে শ্বাস ছাড়তে কষ্ট হয়) এর উপশমের জন্য ৫/৭ ফোটা রসুনের রস ঠান্ডা দুধে মিশিয়ে রোজ খেতে হবে।

>বাচ্চার হুপিং কাশিতে পায়ের নিচে ভেসলিন এর প্রলেপ লাগিয়ে ২/৩ কোয়া রসুন বেটে লাগাতে হবে।

14/08/2022

সাইবার নিরাপত্তার জন্য করনীয়/ বর্জনীয়

১) লগইন করুন, কাজ শেষ হয়ে গেলে লগআউট করুন। কম্পিউটার বন্ধ করুন।

২) আপনার ডিভাইসের অটো লক অপশন চালু রাখুন।

৩) আপনার সাথে কোন নায়ক/নায়িকার মিল আছে,কিংবা ৩০ বছর পর আপনাকে কেমন দেখাবে এই জাতীয় লিংকে কখনোই ঢুকবেন না।

৪) আপনার সোশাল মিডিয়া বা মেইল পাসওয়ার্ড চায় এই ধরনের লিংকে কখনোই ঢুকবেন না।

৫) সোশাল মিডিয়ার আই ডি দিয়ে অন্য কোন অ্যাপস সাইন ইন করবেন না। প্রয়োজনে ইমেইল এড্রেস দিয়ে সাইন আপ করে সাইন ইন করা যেতে পারে।

৬) অপরিচিত কোন মেইল বা লিংকে কোনক্রমেই ঢোকা যাবে না।

৭) আপনার ফেইসবুকের টাইম-লাইন/ ট্যাগিং সেটিংস ঠিক করতে হবে, অন্য কেউ কিছু লিখে আপনার ওয়ালে যাতে পোস্ট না দিতে পারে। রিভিউ ট্যাগস চালু করে দিন।সিকিউরিটি এন্ড লগইন অপশনে যেয়ে দেখুন- অপরিচিত কোন ডিভাইস থেকে লগইন হয়েছে কিনা। হলে ঐ ডিভাইসটি লগআউট করে দিন।

৮) বেশীর ভাগ সোশাল মিডিয়ায় টু-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন অপশন আছে। চালু করে দিন।টু-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশনে আপনার নিরাপত্তা বহু গুন বেড়ে যায়।

৯) আপনার ডিভাইসটিতেও লগইন করুন এবং অপশন থাকলে টু-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন চালু করে দিন।

১০) ফাইন্ড মাই ফোন অপশন চালু রাখুন।
মোবাইল হারিয়ে গেলে অন্য ডিভাইস থেকে ডাটা ডিলিট করে দিতে পারবেন।

১১) মোবাইল,কম্পিউটার, মেইল, ওয়াইফাই ইত্যাদির পাসওয়ার্ড কোন কিছু সন্দেহ হলে বা তিন মাস অন্তর পরিবর্তন করুন।

১২) আপনার ডিভাইসে কোন অন্তরঙ্গ ছবি রাখবেন না। যে কোন সময় আপনার মোবাইল ফোনটি হারিয়ে যেতে পারে, কিংবা যে কোন সময় আপনার বন্ধু-বান্ধব আপনার কম্পিউটারে ঢুকে আপনার ছবি চুরি করে নিয়ে আপনাকে কিংবা আপনার প্রিয়জনকে ব্ল্যাক-মেইল করতে পারে।

১৩) লোকেশন/অবস্থান জনিত ছবি/পোস্ট আপডেট দেয়া থেকে বিরত থাকুন।

১৪) লটারিতে টাকা বা গাড়ী জিতেছেন, কিংবা আমেরিকা ও ইউরোপ থেকে এফবি/টুইটার বা অন্য কোন সোশাল মিডিয়ার একাউন্ট হোল্ডার কোন ব্যক্তির লোভনীয় কোন মেইলের ফাঁদে পা দেয়া যাবে না।

১৫) অপরিচিত নাম্বার হতে যদি আপনার কোন তথ্য চায় যেমন-এনআইডি নাম্বার, জন্ম তারিখ সহ অন্যান্য তথ্যাদি তাহলে সেই কলটি বর্জন করুন। অপরিচিত কাউকেই নিজের কোন তথ্য দেওয়া থেকে বিরত থাকুন।

১৬) কোন মোবাইল ফোন অপারেটরের অপরিচিত নাম্বার হতে ফোন করে আপনাকে যদি জানায় যে, সে কাষ্টমার কেয়ার সেন্টার হতে ফোন করেছে, তাদের সার্ভারের সমস্যার কারণে আপনার মোবাইল ফোনটি কিছু সময়ের জন্য বন্ধ রাখতে হবে- এই ধরনের কোন কথাবার্তা শুনবেন না।

১৭) কোন অপরিচিত নাম্বার হতে মিস কল আসলে তা ব্যাক করা যাবে না; এতে আপনার নাম্বার ক্লোন হতে পারে।

১৮) যেকোনো সফটওয়ার বা অ্যাপস এ ঢোকার সময় যদি আপনার তথ্য বা এক্সেস চায়, সেখানে না ঢোকাই শ্রেয়।

১৯) সব সময় শক্তিশালী পাসওয়ার্ড, যেমন-সংখ্যা. অক্ষরের লোয়ার কেস, আপার কেস, এবং চিহ্নের সমন্বয়ে তৈরি পাসওয়ার্ড ব্যবহার করুন।

২০) বিভিন্ন অ্যাকাউন্টের জন্য বিভিন্ন পাসওয়ার্ড ব্যবহার করুন এবং ব্যবহারকারীর নাম এবং পাসওয়ার্ড সংরক্ষণ করে এমন স্বয়ংক্রিয় লগইন ফিচার ব্যবহার করা এড়িয়ে যান।

২১) +১১১১ অথবা +২২২২২ এই জাতীয় ফোন নাম্বার হতে ফোন রিসিভ করা থেকে বিরত থাকুন।

২২) আপনার মোবাইলে/ ইমেইলে কোন কোড নম্বর আসলে, সেই কোড অন্য কেউ ফোন করে চাইলে কোন অবস্থাতেই দেয়া যাবে না।

২৩) কম্পিউটারে এন্টি ভাইরাস এবং ইন্টারনেট সিকিউরিটির পাইরেটেড ভার্সন ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন।

২৪) অ্যাপ স্টোর বা প্লে স্টোর ছাড়া কোন থার্ড পার্টি বা দোকান থেকে অ্যাপ ডাউনলোড করবেন না।

২৫) ভিপিএন ব্যবহার করুন।

২৬) অনলাইনে ব্যাংকিং করার সময় পাবলিক ওয়াই-ফাই বা পাবলিক কম্পিউটার ব্যবহার করবেন না।

২৭) অনলাইন লেনদেন করার সময়, ওয়েবসাইটের লক চিহ্নটি সন্ধান করুন বা ওয়েবসাইট ঠিকানাটির শুরুতে "https://" দেখুন, উভয়ই নির্দেশ করে যে সাইট এবং আপনার লেনদেন নিরাপদ।

২৮) ব্যক্তিগত, আর্থিক, ক্রেডিট কার্ড বা ডেবিট কার্ডের তথ্য সরবরাহ করার আগে, আপনি একটি খ্যাতনামা এবং প্রতিষ্ঠিত বিক্রেতার সাথে লেনদেন করছেন কিনা তা নিশ্চিত করুন।

২৯) আপনার সন্তানদের সাথে কথা বলুন। নিশ্চিত করুন যে তারা জানে তারা এমন ইভেন্টের মুখোমুখি হতে পারে যা তাকে বা তার পরিবারকে হয়রানিতে ফেলতে পারে।

৩০) ফেক আইডি বা খারাপ কিছু নজরে আসলে রিপোর্ট করুন।

৩১) যদি আপনি বিশ্বাস করেন যে আপনি সাইবার-ক্রাইমের শিকার হয়েছেন, তাহলে পুলিশকে অবগত করুন

সচেতনতা বৃদ্ধিতে পোস্টটি শেয়ার করুন।

এছাড়াও আপনি নতুন কিছু সংযোগ করতে চাইলে কমেন্টে লিখে জানান।

31/07/2022

♦ দৈনন্দিন জীবনযাপনে প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য বার্তা♦

♦ গোলমরিচ মিহি করে বেটে নিয়ে প্রতিদিন মধু মিশিয়ে খেলে শ্বাসকষ্ট ভালো হয়।

♦ স্মরণশক্তি বাড়াতে ২/৩ চা-চামচ থানকুনি পাতার রস, আধা কাপ দুধ ও সামান্য মধু খান। ভরা পেটে খেতে হবে এবং বয়স অনুযায়ী মাত্রা কম-বেশি করতে হবে।

♦ কৃমি হলে পুদিনা পাতা বেটে এর সঙ্গে মধু-লবণ মিশিয়ে খান।

♦ ঠাণ্ডা, অতিরিক্ত গরমে বা এলার্জিজনিত
কারণে গলা বসে গেলে ১ গ্রাম কাবাব চিনি গুঁড়া করে ১ চা চামচ মধুর সঙ্গে মিশিয়ে চাটনির মতো দিনে কয়েকবার চুষে খান।

♦ মেসতা হলে দারুচিনি গুঁড়া ১-৩ গ্রাম পরিমাণ নিয়ে সারারাত ১ গ্লাস গরম পানিতে ভিজিয়ে রাখুন।পরদিন ওই পানি ছেঁকে সকাল-সন্ধ্যা পান করুন।

♦ হাঁপানির জন্য কাঁচা হলুদ শুকিয়ে গুঁড়া করে, আখের গুড় ও সামান্য সরিষার তেল
মিশিয়ে চেটে খাবেন।ছোট এলাচ, খেজুর আর আঙ্গুর একসঙ্গে পিষে মধু মিশিয়ে খেলে হাঁপানির কষ্ট বাড়ে।

♦ কাঁচা হলুদ গরম করে গন্ধ শুকলে সর্দি-কাশিতে উপকার পাওয়া যায়।

♦ জিভে ঘা হলে পানির সঙ্গে কর্পূর গুলে জিভ কয়েকদিন ধুলে জিভের ঘা ভালো হয়।

♦ ডায়াবেটিস কমাতে কাঁচা ঢেঁড়স পানিতে ভিজিয়ে এর আঠালো পানি সকালে খান।

।।স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখুন।। পোস্টটি শেয়ার করুন।

02/02/2022

বিয়ে হচ্ছে একটি কন্ট্রাক্ট বা চুক্তিপত্র। অন্যান্য যেকোন "কন্ট্রাক্টের" মতোই এতেও কিছু শর্ত থাকে, চুক্তিবদ্ধ অবস্থায় সেইসব শর্ত মেনে চলা অবশ্য কর্তব্য। শর্ত ভাঙ্গা হলে সেটি হবে নৈতিক ও সামাজিক অপরাধ। কাজেই, পরকীয়া একটি অপরাধ। একে কোন ভাবেই জাস্টিফাই করা যাবেনা। গ্লোরিফাই করারতো প্রশ্নই উঠেনা।
এই পর্যন্ত সব ঠিক আছে?
এখন আপনি হয়তো বিয়ের পরে অন্য কারোর প্রেমে পড়ে গেছেন। এমনটা হতেই পারে। শরীরের চাহিদাকে উপেক্ষা করা আসলেই কঠিন। এবং অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যায় মানসিক সাপোর্টও নিজের পার্টনার থেকে না এসে অন্য কারোর থেকে আসছে। তখন আপনি কী করবেন?
আপনার উচিৎ দুই সম্পর্ককে ইভালুয়েট করা। যার সাথে আপনি বৈবাহিক সম্পর্কের মধ্যে আছেন, তাঁর চেয়ে কী নতুন পার্টনারকে আপনি বেশি ভালবাসেন? এক্ষেত্রে অবশ্যই বিবেচনায় নিবেন, এই বর্তমান পার্টনারের সাথে জীবনের চরমতম বন্ধুর পথ পেরিয়ে বর্তমান অবস্থানে পৌঁছেছেন। নতুন পার্টনার কী আপনার দুঃসময়ে বর্তমান সঙ্গীর মতন পাশে থাকবে? আপনার কাছে ইমোশনের মূল্য বেশি, নাকি শরীরের চাহিদার?
তারপরে আপনি সিদ্ধান্ত নিলেন, না, অনেকদিন হলো। একঘেয়ে জীবনে একটু ফ্রেশ স্টার্ট করতে হবে। আপনার উচিৎ পার্টনারের সাথে আলোচনা করে কন্ট্রাক্ট থেকে বেরিয়ে আসা। সহজ ভাষায় ডিভোর্স। এটিই সুস্থ এবং একমাত্র সঠিক প্রক্রিয়া। এখন পর্যন্ত যা লিখলাম, সত্য লিখলাম, সবাই মানেনতো?
এখন, আমাদের দেশে ডিভোর্সের নাম শুনলেই অনেকেই ছিঃছিঃ করে। হায় হায় করে। লোকে কী বলবে? ছেলেকে নিয়ে লোকে বলবে, একটা বৌকে পোষ মানাতে পারলো না? কেমন পুরুষ সে? তাঁর নিশ্চই শারীরিক ত্রুটি আছে।
আর মেয়েকে নিয়ে লোকে বলবে, নিশ্চই মেয়েটার কোন দোষ। এর ওর সাথে শুতে চায়, তাই ডিভোর্স হয়ে গেছে।
কথাগুলো সত্য বললাম কিনা বলেন দেখি? জ্বি, আপনি স্বীকার করেন বা না করেন, এই কথা লোকে বলে, এবং ক্ষেত্র বিশেষে আপনিও তাদের একজন। আজ পর্যন্ত খুব কম বাঙালিকে দেখেছি যারা অন্যের পার্সোনাল বিষয়ে নাক না গলায়। অন্যের হাড়ির ঢাকনা খুলে দেখতে হবে ওতে কী রান্না হচ্ছে। এইটা আমাদের মজ্জাগত স্বভাব।
যাই হোক, উপরোক্ত কারনে বাঙালি ডিভোর্স না নিয়ে অনৈতিক সম্পর্ক চালিয়ে যায়। অথবা সব সহ্য করে যায়।
স্বামী সাইকো, মানসিক অত্যাচার করে, মারধর করে, তারপরেও মেয়েদের দেখেছি সংসার টিকিয়ে রাখতে আপ্রাণ চেষ্টা করতে। এই ক্যানভাসেই একটা জনপ্রিয় হারামজাদা টাইপ লেখককে আমি নিজের হাতে ব্যান করেছি। সে ব্যাটা স্ত্রীকে মারধর করতো। অন্য মেয়ের সাথে সম্পর্ক ছিল। স্ত্রী প্রমানসহ পোস্ট দিয়েছিল। তার ভক্তকূল উল্টো ওর হয়েই সেই স্ত্রীকে শাঁসালো। বাঙালি ফেসবুকীয় বিচারকদের বিচারে তাই কোনকালেই আমার শ্রদ্ধা নাই। অদ্ভুত ব্যাপার, মার সহ্য করেও সেই স্ত্রী শেষ পর্যন্ত লড়ে গেছেন সংসার টিকিয়ে রাখতে!
আরেক ভাইকে চিনতাম, স্ত্রী ওপেনলি আরেকজনের সাথে প্রেম করে বেড়াতো। তারপরেও সেই স্ত্রীর প্রতি মমতার শেষ নেই। বা স্ত্রী তীব্র মানসিক টর্চার করেন, তারপরেও সোনামুখ করে সংসার করে যাচ্ছেন। অদ্ভুত জাতি আমরা!
কারোর কারোর মতে, লোকের অপমান সহ্য করার চেয়ে আত্মহত্যা করা ভাল। যেমন, এই ডাক্তার আকাশ করেছে।
আফসোস, ভুল এই সিদ্ধান্তের ঘটনাকে গ্লোরিফাই করা হচ্ছে। তাঁকে শহীদ বানিয়ে দেয়া হচ্ছে। একই সাথে তাঁর স্ত্রীকে বানানো হচ্ছে ভ্যাম্প। এই কিছুদিন আগেই ইন্ডিয়াতে "ডাইনি" অভিযোগে এক মহিলাকে তাঁর শিশুসহ পুড়িয়ে মারা হলো। আমি নিশ্চিত, এই মেয়েটিকে সামনে পেলে ফেসবুকের চরিত্রবান বাঙালি একই কাজ করতো।
কেসটিকে একটু খতিয়ে দেখুন, আত্মহত্যা করার সাথে সাথেই ছেলেটি হিরো হয়ে গেছে। লাখে লাখে পুরুষ ওর মাধ্যমে নিজের ক্ষোভ ঝাড়ছে। অপরাধীর দোষ পরকীয়া ছাড়াও সে সুন্দরী এবং আকর্ষনীয়া। এখন যারা যারা গালাগালি করছেন, এদেরকে যদি এই মেয়ে কিছুদিন আগেও ইনবক্সে ইশারা ইঙ্গিত দিত, কয়জন নিজের জিহ্বা সংযত রাখতে পারতেন? আমি প্র্যাক্টিক্যাল কথা বলছি। আমি বাঙালি, আমি পুরুষ, আমি জীবনের একটা বড় অংশ বাঙালি পুরুষদের সাথেই কাটিয়ে বড় হয়েছি, এবং এখনও ইনবক্সে অনেক আপু, ভাবি, মেয়েরা আমাকে "বিবাহিত ভদ্রলোকেদের" ম্যাসেজ স্ক্রিনশট করে পাঠায়। ওদের ফেসবুকের কমেন্টেরগুলো পড়ে মাথা চুলকে ভাবছি, এত চরিত্রবান আমাদের দেশের মানুষ! এরা কই ছিল এতদিন? আনন্দে চোখে পানি চলে আসে।
আমার অবাক লাগছে এজন্যই যে, কিছুদিন আগেই যখন এক দাড়িওয়ালা চাইল্ড মলেস্টারের ভিডিও ভাইরাল করার চেষ্টা করলাম, কেউই আগ্রহ দেখালেন না। মাত্র পয়ঁতাল্লিশটা লাইক পড়েছিল। শেয়ারের ঘটনা মাত্র ১৩! আমার নাস্তায় ডিমের ছবিতেই যেখানে লাইক সংখ্যা ২৭১! অথচ এই মেয়েটির ক্ষেত্রে সবাই সত্যবান যুধিষ্ঠির হয়ে গেছেন। এইটাতো সেই আদিকাল থেকে আমাদের জন্য সত্য - পুরুষ পরকীয়া করলে সমস্যা নাই, বাচ্চাদের শরীর স্পর্শ করলে সমস্যা নাই, ধর্ষণ করলে সমস্যা নাই - নারী পরকীয়া করলেই "মাগি।" বাড়ির মালিক যদি বুয়াকে প্রেগন্যান্ট করে দেয়, তাহলে বুয়ার চাকরি যায়, মালিকের সংসারে কিছুই অদল বদল ঘটেনা। সে "ভদ্রলোক" হয়েই ভদ্রসমাজে টিকে থাকে।
আল্লাহ কী কোথাও বলেছেন নাকি পরকীয়ায় নারীর দ্বিগুন দোষ হবে, এবং পুরুষকে বেকসুর খালাস দেয়া হবে? তাহলে ফাজিলের মতন আচরণে আমরা কেন বিশ্বসেরা?
স্ত্রীর পরকীয়ার কিছু প্রমান দিয়ে সে নিজেকে শেষ করেছে। ঘটনাটা দুঃখজনক। একটি প্রাণের নিদারুন অপচয়। সমস্যা হচ্ছে, মাত্র কয়েকটি ফেসবুক পোস্ট পড়েই পুরো দেশ অবিবেচকের মতন বিচারালয় বসিয়ে স্ত্রীকে ক্রুশবিদ্ধ করছে। এমনভাবে লোকে ওয়াক থু করছে, যেন এই দম্পতিকে তাঁরা সবাই ব্যক্তিগতভাবে চেনেন। একটি দাম্পত্য জীবনে প্রতিদিন, প্রতি মুহূর্তে হাজারটা ঘটনা ঘটে, সব আউট অফ কন্টেক্স্ট রেখে কেবলমাত্র কয়েকটি পোস্টের উপরে ভরসা করে জাজমেন্টে পৌঁছানো কতটুকু যৌক্তিক? "আমাদের দেশ গরু ছাগলে স্বয়ংসম্পূর্ণ" - পত্রিকার সংবাদটির সত্যতা কী ফেসবুকেই দিতে হবে?
সবার আচরণে মনে হচ্ছে যেন আমাদের দেশে কেউ এতদিন পরকীয়া করেনি। এই মেয়েটির মাধ্যমেই শুরু হলো। ফেসবুক ছেয়ে গেল চরিত্রবান বান্দাদের কমেন্টে। সবাই চায় মেয়েটিকে তাঁর মা সহ শূলে চড়াতে। আচ্ছা, দেশে যদি সবাই চারিত্রিকভাবে এতই ভাল হয়, তাহলে ঢাকা শহরের আবাসিক হোটেলগুলো টিকে আছে কাদের ভরসায়? পতিতালয়গুলোর কাস্টমার কারা? নিউমার্কেট, গাউছিয়া, বা যেকোন ভিড়ে মেয়েদের শরীর হাতড়ে বেড়ায় কারা? বড় বড় কর্পোরেশনে সেক্সুয়াল হ্যারাসমেন্ট করে কারা? যারা মেয়েটিকে গালাগালি করছে, বলছে যে সমাজ উচ্ছন্নে যাচ্ছে, খোঁজ নিয়ে দেখুন, প্রতি রাতে পর্ন ওয়েবসাইট ঘুরাঘুরি করে এই এরাই। গুগলের তথ্যমতে পর্ন ওয়েবসাইটগুলোতে সবচেয়ে বেশি আনাগোনা করা দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ অন্যতম শীর্ষে। আমরা এতই ভদ্রলোক হলে সার্চ মেশিনে টাইপ করে কারা? জ্বিন ভূতে?
যারা আমাকে চেনেন, তাঁরা ভাল করেই জানেন, আমি অন্ধভাবে কারোর পক্ষ বা বিপক্ষ নেই না। আমার যতই কাছের লোক হোক না কেন। চেষ্টা থাকে যা সত্য, তার পক্ষে থাকার।
আমার কথা হলো,
১. হ্যা, মহিলা পরকীয়া করেছেন। অন্তত হোটেলরুমের ছবিগুলো, মোবাইল ফোনের ম্যাসেজগুলো থেকে তাই মনে হয়। বিবাহিত অবস্থায় মেয়েটি নৈতিক ও সামাজিক কন্ট্রাক্ট ভঙ্গ করেছে। এখন সেজন্য যদি বিচার করতে হয় সেই দায়িত্ব আদালতের। তোমার আমার মতন ফেসবুকীয় বান্দাদের না। কাজেই অফ যাই।
২. আত্মহত্যায় প্ররোচনা করেছে কিনা, সেটা তদন্তের ভার পুলিশের। পুলিশ তদন্ত করে বের করুক আসল ঘটনা। আপনি সাহায্য করতে চাইলে পুলিশে যোগ দিন। ফেসবুকে আউল ফাউল কথা বলে শুধুশুধু নিজের মূর্খতা প্রমান দিবেন না।
৩. ছেলেটির মানসিকভাবে কতটা সুস্থ ছিল, সেটাও আশা করি বিবেচনা করা হবে। বৌকে পেটানো (ভিডিওটি দেখলে একটা ছাগলও বুঝতে পারবে), সন্দেহ করা, চরিত্রহীন জেনেও (ছেলেটিরই ভাষ্যমতে) লেগে থেকে এই মেয়েকেই বিয়ে করা, ইত্যাদি কোন সুস্থ মাথার ছেলেরতো করার কথা না। (বিয়ের কার্ড ছাপা না হলে বিয়ে করতো না - are you serious?) "ভালবেসেছিল, তাই বিয়ে করেছে" - জাতীয় সস্তা, ফালতু থিওরি সাইকোলজিতে চলেনা, আশা করি জানেন।
৪. আপনি আমি কেউ না কেবল একদিক দেখেই বিচার করে বসার। ভিকটিম ব্লেমিং, বা মেয়েটির পক্ষ কোনটাই নিচ্ছি না। শুধু চাইছি সত্য ও সুষ্ঠু বিচার হোক। যতক্ষণ না হচ্ছে, ফেসবুকে আজেবাজে গালাগালি বন্ধ করেন। নোংরা ভাষায় নিউজফিড ভরে গেছে। বইমেলার ছবি, বন্ধুবান্ধবের বইয়ের প্রচারনা দেখতে যাই, শুধু গালাগালি আর গালাগালি দেখি। আপনাদের হয়তো ভাল লাগে। এই লেভেলের গালাগালি শুনলে আমার মাথা ধরে যায়। আল্লাহর ওয়াস্তে অফ যান।
৫. মেয়েটির জীবন এই মুহূর্তে দোজখ বানানো হয়ে গেছে। পুরো দেশের মানুষ এখন এর বিরুদ্ধে। এখন মেয়েটিকে যদি কেউ রেপ করে, লোকে বলবে খুব ভাল হয়েছে। এখন মেয়েটিকে যদি খুন করা হয়, লোকে হাততালি বাজাবে। আদালত যদি মেয়েটিকে কোন শাস্তি না দেয় - তাহলে লোকে বিচারকের গুষ্ঠি উদ্ধার করবে। বড় অদ্ভুত আমাদের আচরণ! শিক্ষিত হয়ে গেছি, পয়সাও পকেটে চলে এসেছে - কিন্তু "মানুষ" হতে পারিনি।
আল্লাহর ওয়াস্তে, বিচারটা আদালতকে করতে দিন। ছেলেটি মারা গেছে, তাঁর পরিবারকে শোক যাপন করতে দিন। আপনি আমি আপাতত দূরে থাকি। এখন মেয়েটাও যদি নিজেও আত্মহত্যা করে সেই দায়ভার কিন্তু আপনার আমারও নিতে হবে।

*ইহা কোন নারীবাদী-পুরুষবাদী-হিজরাবাদী পোস্ট নহে। ইহা একটি সত্যবাদী পোস্ট।
*কোন মন্তব্য করার আগে ভাল করে লেখাটি পড়ুন। দ্বিমত, ত্রিমত, চতুৰ্মত থাকতেই পারে - আপনি আপনার অপিনিয়ন ধারণ করবেন, আমারও আমার অপিনিয়ন ধারণ করার স্বাধীনতা আছে। আপনি যদি মেয়েটির শাস্তি চান, সভ্যতার লিমিটেশনের মধ্যে থেকে করুন। আপনার আচরণেই বুঝা যায় আপনার পারিবারিক শিক্ষা কেমন। নিজের না হোক, পরিবারের দিকে খেয়াল করে হলেও কমেন্টে সচেতন হন।
মাথায় রাখুন, এই ছেলেটি যেমন আপনার পরিবারের কেউ হতে পারতো, তেমনি এই মেয়েটিও আপনার পরিবারেরই কেউ হতে পারতো।
- Monjur Chowdhury

27/11/2021

ডেঙ্গুতে মৃত্যুর মুল কারন রক্তে প্লাটিলেট কমে যাওয়া। যে ভাবে রক্তে প্লাটিলেট বাড়াবেন।

রক্তে প্লাটিলেট বা অণুচক্রিকা রক্তজমাটে সাহায্য করে। প্লাটিলেটের সংখ্যা ২০ হাজার এর নিচে নেমে আসলে কোন প্রকার আঘাত ছাড়াই রক্তক্ষরণ হতে পারে। কোন কারণে রক্তে প্লাটিলেট কমে গেলে জীবন যাত্রা ও খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তনের মাধ্যমেই প্লাটিলেটের সংখ্যা আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনা সম্ভব।

কিছু খাবার আছে যেগুলো প্লাটিলেট বৃদ্ধি করতে সহায়তা করে। আসুন জেনে নেই সেই সব খাবারের নাম।

ডালিমঃ
ডালিম রক্তে প্লাটিলেটের পরিমাণ বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। ডালিমের রসের ভিটামিন দুর্বলতা দূর করে কাজে শক্তি দেয়। ডালিম এর রসে প্রচুর আয়রন রয়েছে যা প্লাটিলেট বৃদ্ধি করে। প্রতিদিন ১৫০ মিলিলিটার ডালিমের জুস ১৫ দিন ধরে পান করুন।

পেঁপে এবং পেঁপে পাতাঃ
পেঁপে খুব দ্রুত রক্তের প্লাটিলেটের পরিমাণ বাড়াতে সক্ষম। মালোশিয়ার এশিয়ান ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনো লোজির একটি গবেষণায় দেখা গেছে যে, ডেঙ্গু জ্বরের কারণে রক্তে প্লাটিলেটের পরিমাণ কমে গেলে পেঁপে পাতার রস তা দ্রুত বৃদ্ধি করে। রক্তে প্লাটিলেটের পরিমাণ কমে গেলে প্রতিদিন পেঁপে পাতার রস কিংবা পাকা পেঁপের জুস পান করুন।

মিষ্টি কুমড়া এবং কুমড়া বীজঃ
মিষ্টি কুমড়া রক্তের প্লাটিলেট তৈরি করতে বেশ কার্যকরী। এছাড়াও মিষ্টি কুমড়াতে আছে ভিটামিন ‘এ’ যা প্লাটিলেট তৈরি করতে সহায়তা করে। তাই রক্তের প্লাটিলেটের সংখ্যা বাড়াতে নিয়মিত মিষ্টি কুমড়া এবং কুমড়ার বীজ খেলে উপকার পাওয়া যায়।

লেবুর রসঃ
লেবুর রসে প্রচুর ভিটামিন ‘সি’ থাকে। রক্তে প্লাটিলেট বাড়াতে ভিটামিন সি সহায়তা করে। এছাড়াও ভিটামিন ‘সি’ শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও বাড়িয়ে তোলে। ফলে প্লাটিলেট ধ্বংস হওয়া থেকেও রক্ষা পায়।

আমলকীঃ
আমলকীতেও আছে প্রচুর ভিটামিন ‘সি’। এছাড়াও প্রচুর অ্যান্টি অক্সিডেন্ট আছে আমলকীতে। ফলে আমলকী খেলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে এবং প্লাটিলেট ধ্বংস হওয়া থেকে রক্ষা পায়।

অ্যালোভেরার রসঃ
অ্যালোভেরা রক্তকে বিশুদ্ধ করে। রক্তের যেকোন সংক্রমণ দূর করতেও অ্যালোভেরা উপকারী। তাই নিয়মিত অ্যালোভেরার জুস পান করলে রক্তের প্লাটিলেটের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়।

05/11/2021

নিমিষেই পাকা চুল কালো করবে এই প্যাক
চুলকে নানা রঙে রাঙানো বর্তমানে এক ফ্যাশনে পরিণত হয়েছে। তবে পাকা চুল কালো করার জন্য অনেকেই কলপ বা কৃত্রিম রঙে ভরসা রাখেন।

এসব কেমিকেলযুক্ত হেয়ার কালার চুলের জন্য বেশ ক্ষতিকর। বেশিরভাগ কেমিকেলযুক্ত রঙেই অ্যামোনিয়া থাকে। তা থেকে অ্যালার্জি হতে পারে মাথার ত্বকে, বেশিদিন ব্যবহার করলে চুলের অবস্থা আরো খারাপ হতে থাকে।

এমন অনেকেই আছেন, যাদের চুল অল্প বয়স থেকেই পাকতে শুরু করে। দূষণ, স্ট্রেস, অযত্ন, ভুল ডায়েট বা স্বাস্থ্যহানির কারণে এসব হয়। তারাও এমন কিছুর সন্ধানে থাকেন যা নিশ্চিন্তে ব্যবহার করা যাবে। প্রাকৃতিক হেয়ার ডাই সবারই কাজে লাগে।

চলুন তবে জেনে নেয়া যাক পাকা চুল কালো করার ঘরোয়া উপায় সম্পর্কে-
যা যা লাগবে: ২ চামচ হেনা পাউডার, ১ চামচ শিকাকাই পাউডার, ১ চামচ দই ও ১টা ডিম।

যেভাবে ব্যবহার করবেন:
একটা বাটিতে পানি দিয়ে হেনা আর শিকাকাইয়ের পেস্ট বানিয়ে নিন। এবার সারারাত ওটা রেখে দিন। পরের দিন ডিম আর দই নিয়ে ভালো করে মিশিয়ে নিন। এবার চুলের গোড়া থেকে পুরো চুলে ভালো করে মেখে নিন। ১ ঘণ্টা পর শ্যাম্পু দিয়ে মাথা ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে একদিন ব্যবহার করুন।

01/11/2021

* বয়স বাড়ার সাথে সাথে দুটো জিনিস নিয়মিত চেক করুন।
১) ব্লাড প্রেসার।
২) ব্লাড সুগার।

* চারটি জিনিস একেবারেই ভুলে যান৷
১) বয়স বাড়ছে এটা নিয়ে দুশ্চিন্তা করা,
২) অতীত নিয়ে সর্বদা অনুশোচনা করা,
৩) সবসময় দুঃখে কাতর হয়ে থাকা,
৪) মানসিক উৎকণ্ঠা বা উদ্বেগ।

* পাঁচটি জিনিস খাবার থেকে যত পারুন এড়িয়ে চলুন।
১) লবন,
২) চিনি,
৩) অতিরিক্ত চর্বি জাতীয় খাবার ।
৪) অতিরিক্ত ভাজা ভূজি খাবার
৫) বাইরের কেনা খাবার বা প্রসেসেড ফুড।

* পাঁচটি জিনিস খাবারে যত পারুন বাড়িয়ে নিন।
১) সব রকমের সবুজ শাক
২) সব রকম সবুজ সব্জি, সীম বা মটরশুটি ইত্যাদি
৩) ফলমূল,
৪) বাদাম,
৫) প্রোটিন জাতীয় খাবার।

* মানসিক শান্তি বা সুখী হতে সাতটি জিনিস সবসময় সাথে রাখার চেষ্টা করুন।
১) একজন প্রকৃত ভালো বন্ধু,
২) নিজের সমগ্ৰ পরিবার,
৩) সবসময় সুচিন্তা,
৪) একটি নিরাপদ ঘর কিংবা আশ্রয়,
৫) অল্পেতে খুশি হওয়ার চেষ্টা,
৬) অতিরিক্ত অর্থ চিন্তা থেকে নিজেকে দূরে রাখা,
৭) কিছু সময় আধ্যাত্মিক চর্চায় বা সৎসঙ্গ দেওয়া।

* ছয়টি জিনিসের চর্চা রাখুন।
১) অহংকার না করা,
২) সবার সাথে হাসিমুখে কথা বলা,
৩) মানুষের সাথে ভালো আচরণ করা,
৪) নিয়মিত শরীর চর্চা করা ।কিছুক্ষণ হাঁটা নিয়মিত ।
৫) ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা।
৬) সরল ও সৎ জীবন যাপন

* সাতটি জিনিস এড়িয়ে চলুন।
১) কর্য,
২) লোভ,
৩) আলস্য,
৪) ঘৃণা,
৫) সময়ের অপচয়,
৬) পরচর্চা,পরনিন্দা
৭) কোনো রূপ নেশা বা আসক্তি

* পাঁচটি জিনিস কখনোই করবেন না।
১) অতিরিক্ত ক্ষুধা নিয়ে খেতে যাওয়া,
২) অতিরিক্ত পিপাসায় কাতর হয়ে পানি পান করা,
৩) অতিরিক্ত দূর্বল হয়ে ঘুমোতে যাওয়া,
৪) অতিরিক্ত দূর্বল হয়ে বিশ্রাম নেয়া,
৫) একেবারে অসুস্থ হয়ে ডাক্তারের কাছে যাওয়া,

*সব সময় নিজেকে সুস্থ রাখতে সচেতন হোন*

from Net
“সুস্থ্য থাকুন - ভাল থাকুন - ভাল রাখুন”

01/11/2021

আলু যেভাবে ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াবে....

আলুতে আছে অনেক পুষ্টিগুণ। তবে জানলে অবাক হবেন, শুধু শরীরের জন্যই নয় ত্বক ভালো রাখতেও আলু দুর্দান্ত কার্যকরী।

যারা কর্মব্যস্ততার কারণে ত্বকের যত্ন নিতে পারেন না, তারা চাইলেই রান্নাঘরে থাকা এই উপাদান দিয়েই ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে পারেন।

আলুতে থাকে প্রাকৃতিক ব্লিচ এজেন্ট, যা ত্বকের দাগ-ছোপ কমায়। ফলে ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়তে খুব বেশি সময় লাগে না।

আলু ত্বকের মৃত কোষ দূর করে। ফলে চেহারার হারিয়ে যাওয়া জেল্লা দ্রুত ফিরে আসে। একইসঙ্গে আলুর রস ব্রণ দূর করে। যাদের ত্বক বেশি শুষ্ক, তারা নিয়মিত আলু ফেসপ্যাক ত্বকে ব্যবহার করতে পারেন।

কীভাবে তৈরি করবেন #আলুরফেসপ্যাক?

এজন্য লাগবে- ২ চা চামচ আলুর রস, ২ চা চামচ চালের গুঁড়া, ২ চা চামচ দুধ ও আধা চা চামচ মধু। প্রথমে একটি পাত্রে চালের গুঁড়া ও দুধ ভালো করে মিশিয়ে নিন।

এবার তার সঙ্গে এই মিশ্রণে আলুর রস ও মধু মিশিয়ে নিন। এই মিশ্রণ মুখে লাগিয়ে অন্তত ২০ মিনিট অপেক্ষা করুন। তারপর ভালো করে ম্যাসাজ করে ধুয়ে ফেলুন। সবশেষে ময়েশ্চারাইজার লাগিয়ে নিন।

30/10/2021

আবেগের বিকার বলে একটা ব্যাপার আছে। সকালে ঘুম ভাঙ্গার পর বালিশের নিচ থেকে মোবাইল বের করে তার জানতে ইচ্ছে করছে না, এখন কতটা বাজে। বিছানা থেকে উঠতে ইচ্ছে করে না। চোখ মেলে রাখতেও ইচ্ছে করে না। চোখে ঘুম এবং স্বপ্ন কোনটাই নেই।

কেউ দরজায় কড়া নাড়লে উঠে গিয়ে দরজা খুলতেও কষ্ট হয় অনেক। কেউ কিছু বললে সেটা শুনতে ভাল লাগে না। মাথা কেমন ভারী ভারী লাগে। মনে হয় মাথার ভেতরে কেমন জট বেঁধে আছে। এই জট খুলতেও ইচ্ছে করে না।
জীবনের প্রতি একটা বিতৃষ্ণা চলে আসে। কোন সুসংবাদ এবং প্রাপ্তিতে কিছুই আসে যায় না। একা থাকতে ইচ্ছে করে কিন্তু একা একা ভাল লাগে না। সে Affective Disorder এ ভুগছে। খিদে পেলে উঠে গিয়ে কিছু খেতে ইচ্ছে করে না। নিজেকে শারীরিক এবং মানসিক ভাবে কষ্ট দিতে তার ভাল লাগে। কষ্টের গান শুনে শুনে সে ভাবে গানের এই লাইনটি তার জন্যই লেখা হয়েছে। খুঁজে খুঁজে পুরনো দুঃখ কষ্টের কথা ভেবে ফ্লোরে চিত হয়ে শুয়ে থাকতে তার ভাল লাগে। কান্না ভাল লাগে না কিন্তু দুয়োর বন্ধ করে কাঁদতে ইচ্ছে করে। কেমন একটা দোদুল্যমান অবস্থা...

একসময় তার আশে পাশের সবার উপর রাগ জন্মাতে শুরু করে। সে রাগ চেপে রাখে। এই ব্যাপারটি তাকে আরও বেশি কষ্ট দেয়। সে জানে সে ভেঙ্গে পড়ছে, তার এখান থেকে উঠে আসাটা জরুরী। সে ভেঙ্গে পড়তে চায় না; আবার চায়। একসময় সে খুব অভিমানী হয়ে উঠে। সবাই জিততে চায় না; কেউ কেউ হারতে চায়। তার খুব হেরে জেতে ইচ্ছে করে।

একসময় এভাবে বেঁচে থাকার চেয়ে মরে যাওয়াই ভাল, এইরকম নানান চিন্তা আসতে শুরু করে। সে মরে যাবার পর কোন কোন মানুষ তার জন্য কাঁদবে এরকম কিছু মানুষের চেহারা চিন্তা করতে তার ভাল লাগে।

ছাদের উপর থেকে নিচের রাস্তায় নিজের থেঁতলানো শরীর কল্পনা করতে তার খুব ভয় লাগে। কিছু ঘুমের ওষুধ নিজের সাথে রেখে দেয়। মাঝে মাঝে রাতে ওষুধের গোপন ডিব্বা বিছানায় নিয়ে বসে। কত রকমের চিন্তা আসে। কখনো ধর্ম চিন্তা আসে। সে মরে গেলে কী জাহান্নামে যাবে ? আল্লাহ নিশ্চয়ই তাকে ভুল বুঝবে না, এই জাতীয় চিন্তাও তার মনের ভেতরে খেলে। কখনো নিজেই নিজের গলা চেপে ধরে।

দেখতে চায় শরীরের কতটুকু যন্ত্রণা সে সহ্য করতে পারবে। মানুষ এই একটা জায়গায় এসে হেরে যায়। মানুষ অনেক ভাবেই নিজেকে নিঃস্বেষ করে ফেলতে পারে। তবে কেউই কখনো নিজেকে সজ্ঞানে শ্বাসরোধ করে মেরে ফেলতে পারবে না।

ব্রীজ থেকে ঝাপ দিয়ে যে মাঝনদীতে অক্সিজেনের অভাবে হাবুডুবু খাচ্ছে সে চাইলেও নিজেকে কয়েক সেকেন্ড আগের অবস্থানে নিয়ে যেতে পারে না। রাইফেলে একবার চাপ দিয়ে দিলে তার আর কিছু করার থাকে না। সব নিয়ন্ত্রণ বুলেটের কাছে চলে যায়। গায়ে কেরাসিন লাগিয়ে ম্যাচের কাঠি জ্বালিয়ে দেবার কয়েক মুহূর্ত পরে সে চাইলেও এর থেকে নিস্তার পায় না।
তানাহলে সেই চিত্রটাই দেখা যেত যেটা নিজেকে নিজে শ্বাসরোধ করে মেরে ফেলতে যাবার সময় ঘটে। নিজের ফুসফুসে একটু ব্যথা শুরু হলেই হাত গুটিয়ে নেয়। জীবনের প্রতি যতই বিতৃষ্ণা চলে আসুক না কেন, নিজের জীবনের চাইতে বেশি সে আর কোন কিছুকেই ভালোবাসে নি।

আগেও বলেছিলাম, আবারও বলছি। টাইম ইজ দা মেইন হিলার। সব কিছু সময়ের উপর ছেড়ে দিন। এই পাঁচটা শব্দের উপর আস্থা রাখুন - সময় সব ক্ষত মুছে দেবে।

আমার কথায় আস্থা না থাকলে অন্তত একটা বছর অপেক্ষা করুন। সেদিন নিজেই হেসে হেসে বলবেন গত বছর আগের এই সব হাবিজাবি কষ্টের জন্য মরে গেলে আজকের এই সুন্দর সময়টা জীবনে আসার সুযোগই পেত না।
ভরসা রাখুন... আমার ভাল থাকার জন্য কোন কিছু না , কোন কেউ না '' আমার আল্লাহই যথেষ্ট''

লেখাঃ জুনায়েদ ইভান

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Website

Address


Dhaka