Health tips

Health tips

Share

Natural tips for good health in our daily life. We don’t provide any health consultation.

27/02/2026

Celebrating my 11th year on Facebook. Thank you for your continuing support. I could never have made it without you. 🙏🤗🎉

09/01/2026

শরীরের জন্য কেন জরুরি ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড?

হজমের সমস্যা হলে এনজাইম, শরীরের দুর্বলতায় ভিটামিন আর হাড়ের ব্যথায় ক্যালশিয়াম—এই ধারণাগুলো বাঙালির কাছে বহুদিনের পরিচিত। সাম্প্রতিক সময়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় আলোচনায় এসেছে ভিটামিন ডি ও ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড। ভিটামিন ডি সম্পর্কে অনেকেই সচেতন হলেও ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিডের গুরুত্ব এখনো সবার কাছে স্পষ্ট নয়।

চিকিৎসকদের মতে, ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টি উপাদান, যা মস্তিষ্ক, চোখ ও হার্টের সঠিক কার্যকারিতা বজায় রাখতে সহায়তা করে।

এটি শরীরের প্রদাহজনিত সমস্যা নিয়ন্ত্রণে রাখে এবং প্রিম্যাচিউর বার্থের ঝুঁকি কমাতেও ভূমিকা রাখে। পুষ্টিবিদরা জানান, বিভিন্ন ধরনের বাদাম, বীজ এবং সামুদ্রিক মাছে ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড প্রচুর পরিমাণে পাওয়া যায়। শরীরের স্বাভাবিক কার্যক্রম বজায় রাখতে প্রতিদিন খাদ্যতালিকায় এই উপাদান রাখা প্রয়োজন।
তবে বয়সভেদে ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিডের চাহিদাও ভিন্ন।

‘নিউট্রিশন রিসার্চ’ জার্নালে প্রকাশিত একটি গাইডলাইন অনুযায়ী, ছয় মাস বা তার কম বয়সী শিশুদের মোট ফ্যাটের মধ্যে এটি থাকা উচিত ০.৩২ শতাংশ। ১২ বছর বা তার বেশি বয়সী শিশুদের জন্য প্রতিদিন ৫৫ থেকে ২০০ মিলিগ্রাম ওমেগা-৩ প্রয়োজন। আর ১৮ বছর বা তার বেশি বয়সীদের জন্য দৈনিক ২৫০ মিলিগ্রাম পর্যন্ত ওমেগা-৩ গ্রহণ নিরাপদ।

অন্তঃসত্ত্বা নারীদের ক্ষেত্রে ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিডের ডোজ বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

চিকিৎসকদের মতে, গর্ভাবস্থায় প্রতিদিন ১১০ থেকে ২৫০ মিলিগ্রাম পর্যন্ত ওমেগা-৩ গ্রহণ করা যেতে পারে।
প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় সহজ কিছু খাবার যোগ করলেই ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিডের চাহিদা পূরণ করা সম্ভব। প্রয়োজন হলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে সাপ্লিমেন্ট গ্রহণ করা উচিত।

সূত্র: এই সময়

02/01/2026

রাতভর বেসিনে বাসন ভিজিয়ে রাখা হতে পারে যে বিপদের কারণ

খাওয়াদাওয়া শেষ হলে সঙ্গে সঙ্গে প্লেট-বাটি ধোয়ার চল নেই অনেক বাড়িতেই। প্লেট-বাটি বেসিনে ভিজিয়ে রেখে বিশ্রাম নেন অনেকেই। সকাল হলেই পরে সেই বাসন মেজে নেন। কিন্তু বেসিনে এসব প্লেট-বাটি ভিজিয়ে রাখার মতো অভ্যাস অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ বলে মত বিশেষজ্ঞদের।

এতে রান্নাঘরের বেসিন আসলে ব্যাকটেরিয়ার আঁতুড়ঘর হয়ে ওঠে বলে সতর্ক করছেন তারা। রান্নাঘরের বেসিনে বাসন ফেলে রাখলে সেখানে যে ব্যাকটেরিয়া জন্মায়, তা থেকে বিষক্রিয়া হতে পারে। এমনকি গুরুতর রোগ শরীরে বাসা বাঁধতে পারে বলেও সতর্ক করছেন বিশেষজ্ঞরা।

মাইক্রোবায়োলজিস্টদের মতে, বেসিনের থালাবাসন ভিজিয়ে রাখলে ভেজা ও উষ্ণ জায়গায় উত্তরোত্তর বংশবৃদ্ধি ঘটে ক্ষতিকর জীবাণুর।

ফলে সংক্রমণ ছড়ানোর ঝুঁকি বাড়ে।

রিডার্স ডাইজেস্ট-এ বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলেছেন অণুজীব বিশেষজ্ঞ, ‘দ্য জার্ম কোড’-এর লেখক জেসন টেট্রো। তিনি জানিয়েছেন, রান্নাঘরের বেসিন আসলে জীবাণুদের ‘স্বর্গরাজ্য’।

কার্ডিফ মেট্রোপলিটান ইউনিভার্সিটির একটি গবেষণায় ব্রিটেনের কিছু বাড়ির রান্নাঘরের বেসিন থেকে নমুনা সংগ্রহ করে গবেষণা চালানো হয়, যাতে দেখা যায়, রান্নাঘরের মধ্যে বেসিনেই সবচেয়ে বেশি জীবাণু রয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, কাঁচা শাক-সবজি ধোয়া, কাটা থেকে মাছ-মাংস ধোয়া-বাছা সবই হয় রান্নাঘরের বেসিনেই। ফলে রান্নাঘরের বেসিন ব্যাকটেরিয়া, জীবাণুর আঁতুড়ে পরিণত হয়।

রান্নাঘরের বেসিনে যেসব জীবাণুর সন্ধান মিলেছে, তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো, ই. কোলাই, এন্টারোব্যাক্টর ক্লোয়াকা, ক্লেবসিয়েলা নিউমোনিয়া। এর মধ্যে ই. কোলাই প্রাণঘাতী প্রমাণিত হতে পারে। প্রথমে জ্বর হয় শরীরে, তার পর বমি, সেই থেকে ডায়রিয়া।

এমনকি কোলন ক্যান্সারের সঙ্গেও ই. কোলাই-এর যোগসূত্র মিলেছে। কেটে রাখা সালাদ, ভালো করে সিদ্ধ না হওয়া মাংসেও ই. কোলাই পাওয়া গেছে।
বিশেষজ্ঞদের দাবি, রাতভর বেসিনে বাসন ভিজিয়ে রাখলে তা ব্যাকটেরিয়াদের বেড়ে ওঠার জন্য আদর্শ পরিবেশ। এতে গুরুতর রোগ বাসা বাঁধে শরীরে। এমনকি এঁটো থালা ভিজিয়ে রাখলেও ব্যাকটেরিয়ার বংশবৃদ্ধি ঘটে।

এক্ষেত্রে ডিশ ওয়াশার ব্যবহারের পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। খাওয়ার পর তড়িঘড়ি থালাবাসন ধুয়ে নিয়ে, বেসিনও পরিষ্কার করে নিতে হবে। পাশাপাশি, বাসন মাজার স্পঞ্জ পরিষ্কার রাখা দরকার। প্রয়োজনে স্পঞ্জ মাইক্রোওয়েভে রাখুন কিছুক্ষণ। বেশি তাপমাত্রায় জীবাণু মরে যাবে। বেসিনে মাংস ধোয়ার পর চারপাশ ভালো করে পরিষ্কার করে নিতে হবে।

সূত্র : এবিপি লাইভ ও দৈনিক কালের কণ্ঠ

27/02/2025

ফ্যাটি লিভার ঠেকাতে চিনিযুক্ত খাবার, চর্বিযুক্ত খাবার, এবং অতিরিক্ত তেল-মশলা এড়িয়ে চলা উচিত।

➡️চিনিযুক্ত খাবার,সোডা, ক্যান্ডি, ডেজার্ট, চিনিযুক্ত জুস, চর্বিযুক্ত খাবার মাখন, ঘি, পনির, রেড মিট।

➡️অতিরিক্ত তেল-মশলা
অতিরিক্ত তেল-মশলা খাওয়ার ফলে লিভারে মেদ জমে তা হল 'নন-অ্যালকোহলিক' ফ্যাটি লিভার

➡️সফট ড্রিংক্স, ও সুইটেন্ড এনার্জি ড্রিংক্স, সয়াবিন রিফাইন্ড অয়েল,
চকোলেট-আইসক্রিম,
পিৎজা, পাস্তা ও বার্গার এসব গুলো পরিহার করুন।

➡️ফ্যাটি লিভার ঠেকাতে করণীয়:-
উদ্ভিদের খাবারে মনোযোগ দিন।
ফল, শাকসবজি, গোটা শস্য, বাদাম, বীজ এবং লেবুগুলিকে অগ্রাধিকার দিন,চর্বিহীন মাংস বেছে নেওয়া উচিত

➡️পরিমিতভাবে ভাত খেতে পারেন, বিশেষ করে ব্রাউন রাইস বেছে নিন

➡️লিভারের স্বাস্থ্যকে উন্নত করতে হলুদ, দুধের থিসল এবং ওমেগা -3 ফ্যাটি অ্যাসিড খেতে পারেন

⚠️ফ্যাটি লিভার নিয়ে সতর্ক না হলে লিভার সিরোসিসও হয়ে যেতে পারে।

18/11/2023

মেকআপ ছাড়াই চেহারায় জেল্লা আনতে হলে মানতে হবে যে ৫ নিয়ম

‘নো মেকআপ’ মেকআপ লুকের মতোই চেহারায় জেল্লা আসবে মেকআপের ধারেকাছে না গিয়েও। আর তা সম্ভব শুধু জীবনযাপনের ক্ষেত্রে কিছু নিয়ম মেনে।

মেকআপ কথাটির অর্থই আসলে কেমন যেন। আক্ষরিক অর্থে মেকআপ মানে কমতিগুলোকে পূরণ করা। অথচ সত্যিকার অর্থে মেকআপের উদ্দেশ্য হওয়া উচিত নিজের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যকে সুন্দর রূপে উপস্থাপন। আর এখন এ ক্ষেত্রে মিনিমালিস্ট মেকআপ আর ‘নো মেকআপ মেকআপ’–এর মতো ট্রেন্ডই তুঙ্গে। তবে ত্বকবিশেষজ্ঞ থেকে শুরু করে মেকআপ এক্সপার্ট—সবাই এখন ভেতর থেকে ত্বকের জেল্লা বাড়ানোর দিকে মনোযোগ দিতে বলছেন সবাইকে।

স্কিন ফাস্টিং বা কোয়ায়েট কুইটিংয়ের মতো স্কিনকেয়ার ট্রেন্ড এখন ট্রেন্ডিং। কারণ একটাই। করোনা মহামারির পর থেকেই সাধারণ অর্থে সাজপোশাকের বাহুল্যের প্রতি কোথাও না কোথাও বিরাগ জন্মেছে মানুষের। আর সেই সঙ্গে সচেতনতা বেড়েছে নিজেকে ভেতর ও বাইরে থেকে সুস্থ রাখার প্রতি। তাই অতিরিক্ত মেকআপ ছাড়াই লাইফস্টাইলের পরিবর্তন করে চেহারার উজ্জ্বলতা ও সৌন্দর্য বাড়ানোর ব্যাপারে আগ্রহী হয়ে উঠছেন সবাই।

মেকআপ করা রূপচর্চার এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। নানা রং–ঢঙে নিজেকে সাজানোর আছে হাজারও কায়দা। আর এটি দোষেরও কিছু নয়। বরং নিজেকে আরও সুন্দর ও আকর্ষণীয় করে তোলার পন্থা মেকআপ। তবে অতিরিক্ত মেকআপ পণ্য ব্যবহারের সময়সাপেক্ষ ও বিরক্তিকর প্রক্রিয়া এড়িয়ে নিজের ত্বককে সুস্থ ও সুন্দর করতে চাইলে জীবনের প্রতিটি ধাপেই নিতে হবে কিছু পদক্ষেপ। আর তা কঠিন নয় মোটেই।

১. সঠিক খাদ্যাভ্যাস

আমরা যা খাই বা খাই না, তা সরাসরি আমাদের ত্বকে প্রভাব ফেলতে পারে। পুষ্টিকর ডায়েট আমাদের ত্বককে ভেতর থেকে সুন্দর করে তোলে। আবার কোনো একটি খাদ্য উপাদানের অভাবে চেহারায় নিষ্প্রাণভাব আসতে পারে। ফল আর সবজি খেতে হবে প্রচুর। আবার সব তেলই খারাপ নয়। খাবারে ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড না থাকলে দ্রুত বুড়িয়ে যাবে ত্বক। ফ্ল্যাক্স সিডস, আখরোট ইত্যাদি খেলে ভালো। আবার আমিষের ঘাটতি হলেও চলবে না।

২. প্রচুর পানি পান করুন

পানি পানের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে যত বলা যায়, ততই কম হবে। আমাদের প্রতিটি অঙ্গপ্রত্যঙ্গ ভালো রাখতে পর্যাপ্ত পানি দরকার। শরীরকে ভেতর থেকে ডিটক্স করা আর হজম ভালো রাখার মতো কাজ করে পানি। ত্বককে হাইড্রেটেড রাখতে শুধু ময়েশ্চারাইজার দিলে হবে না। পানি পান করতে হবে সারা দিন। দিনে আট বা ততোধিক গ্লাস পানি পান করা জরুরি প্রাপ্তবয়স্ক যে কারও জন্য।

৩. পর্যাপ্ত ও ভালো ঘুম

রাতে ঠিক সময় ঘুমাতে যাওয়া আর ভোরে ওঠা শুধু স্বাস্থ্য নয়, ত্বকও ভালো রাখে। এতে শরীরের বিপাকীয় কাজগুলো ভালোভাবে হয়, টক্সিনমুক্ত হয় শরীর। ক্লান্ত চেহারায় যতই মেকআপ করা হোক, তা ম্লানই লাগবে। চোখের নিচের কালি, চেহারার বসে যাওয়া বা ফোলাভাব—সবই অনিদ্রার কুফল৷ ৬-৮ ঘণ্টা ঘুম খুব দরকার তাই। আর তা–ও সঠিক সময়ে। এ জন্যই নিশ্চিন্ত নিয়মিত ঘুমকে বিউটি স্লিপ বলা হয় সৌন্দর্যজগতে।

৪. মুখে যা মাখছেন, জেনে-বুঝে মাখুন

আমরা এখন এক ধরনের তথ্যসমুদ্রে ভাসছি। কোনটি যে ঠিক, আর কোনটি ভুল, বলা মুশকিল। একে বলা হয় ইনফরমেশন ওভারলোড। যেন সবাই বিশেষজ্ঞ। বিশেষ করে ত্বকের ব্যাপারে। চটকদার বিজ্ঞাপনে মজে গিয়ে বা কারও কথা শুনে হুজুগে পড়ে এমন কিছু ব্যবহার করবেন না ত্বকে, যা সম্পর্কে আপনি খুব বেশি জানেন না। প্রয়োজন হলে পড়ুন ভালোভাবে এর উপাদানগুলো। আর না বুঝলে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন। আমরা যা মাখি, তার ৬০ শতাংশ ত্বকে শোষিত হয়। তাই বিপদ ঘটতে পারে ক্ষতিকর বা অনুপযোগী কিছু ব্যবহার করলে।

৫. সুস্থ ত্বক পেতে ব্যায়াম করুন

শুনতে অদ্ভুত মনে হলেও শরীর ও মনের সব সমস্যার সমাধান ব্যায়াম বা শারীরিক সচলতার সঙ্গে সম্পর্কিত। আর দেহের সবচেয়ে বর অঙ্গ ত্বকও তার বাইরে নয়। যে যে ধরনের জীবনযাপনই করুন না কেন, যেভাবেই পারেন, কিছু না কিছু ব্যায়াম করতেই হবে রোজ। জিমে গিয়ে হোক, রাস্তায় বা পার্কে হেঁটে, জগিং করে, সাইকেল চালিয়ে হোক—শরীর সচল রাখতে হবে। ইয়োগা করলে মন ও শরীর দুইই ভালো থাকে। ফলশ্রুতিতে স্ট্রেস থেকে ত্বকের নানা সমস্যা আর হয় না তেমন। সপ্তাহে অন্তত তিন ঘণ্টা কার্যকরভাবে ব্যায়াম করলে ত্বক ভালো থাকে, বলছে গবেষণা। কারণ, ব্যায়াম রক্তের সঞ্চালন বাড়ায়, টক্সিন দূর করে, ত্বকে অক্সিজেন সরবরাহ ঠিক রাখে আর এন্ডরফিনের প্রবাহ বাড়ায়।

তথ্যসূত্রঃ এল ম্যাগাজিন

01/09/2023

#গর্ভাবস্থা_পরীক্ষা: কখন নিতে হবে, সঠিকতা এবং ফলাফল

ঋতুস্রাবের অনুপস্থিত সব মহিলাদের জন্য উদ্বেগজনক হতে পারে। এটি আপনাকে গর্ভধারণ নিশ্চিত করার জন্য গর্ভাবস্থা পরীক্ষা করার জন্য অনুরোধ করতে পারে। যাইহোক, যদি আপনি একটি হোম গর্ভাবস্থা পরীক্ষা খুঁজছেন, তাহলে সুনির্দিষ্ট ফলাফলের জন্য অনুসরণ করার জন্য একটি নির্দেশিকা রয়েছে। এই ডায়াগনস্টিক কিটগুলির নির্ভুলতা নির্ভর করে আপনি কীভাবে পরীক্ষাগুলি করবেন তার উপর।

মহিলারা প্রায়ই গর্ভাবস্থা পরীক্ষা করার সঠিক সময় সম্পর্কে বিভ্রান্ত হন। বেশিরভাগ স্বনামধন্য ব্র্যান্ড পিরিয়ড মিস হওয়ার প্রথম দিন আগেও সঠিক ফলাফল দেওয়ার দাবি করে। যাইহোক, একটি নিশ্চিত ফলাফলের জন্য একটু অপেক্ষা করা ভাল। এই পরীক্ষার কিটগুলি গর্ভধারণ নিশ্চিত করতে আপনার প্রস্রাবে গর্ভাবস্থার হরমোন হিউম্যান কোরিওনিক গোনাডোট্রপিন (HCG) এর উপস্থিতি মূল্যায়ন করে।

গর্ভাবস্থা পরীক্ষা কিভাবে কাজ করে?

আপনার ডিমের নিষিক্তকরণের প্রায় ছয় দিন পরে আপনার শরীর হিউম্যান কোরিওনিক গোনাডোট্রপিন (HCG) নামে একটি হরমোন তৈরি করতে শুরু করে। আপনি গর্ভবতী কিনা তা নিশ্চিত করতে একটি গর্ভাবস্থা পরীক্ষা হিউম্যান কোরিওনিক গোনাডোট্রপিন (HCG) সনাক্ত করে।

বাড়িতে গর্ভাবস্থা পরীক্ষা কতটা সঠিক?

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নারী স্বাস্থ্য সংক্রান্ত অফিসের মতে, বেশিরভাগ হোম গর্ভাবস্থা পরীক্ষার কিট 99% সঠিক ফলাফল প্রদান করে, যদি সেগুলি সঠিকভাবে ব্যবহার করা হয়। আপনার প্রস্রাবে হিউম্যান কোরিওনিক গোনাডোট্রপিন (HCG) এর পরিমাণ সময়ের সাথে সাথে বাড়তে থাকে। তাই আপনি যদি আপনার মাসিক না হওয়ার কয়েকদিন পর পরীক্ষা করেন, তাহলে আপনি সম্ভবত সঠিক, নির্ভরযোগ্য ফলাফল পাবেন।

কখন আপনার বাড়িতে গর্ভাবস্থা পরীক্ষা করা উচিত?

মহিলারা নিষিক্ত হওয়ার 6 দিনের মধ্যে এই হরমোন তৈরি করতে শুরু করে। এর পরে, HCG এর মাত্রা দ্রুত বৃদ্ধি পায়। বেশিরভাগ মহিলা প্রতি 2 থেকে 3 দিনে এই যৌগের মাত্রা দ্বিগুণ করে। প্রস্রাবে HCG-এর মাত্রা শনাক্ত করার জন্য পিরিয়ড মিস করার পর হোম প্রেগন্যান্সি টেস্ট করানো ভালো। প্রস্রাবে HCG এর ঘনত্ব সর্বোচ্চ হলে ভোরবেলা হল গর্ভাবস্থা পরীক্ষার সেরা সময়।

গর্ভধারণের পর শরীর কেন মানব কোরিওনিক গোনাডোট্রপিন হরমোন তৈরি করে?

এইচসিজি হরমোন প্রাথমিক পর্যায়ে গর্ভাবস্থা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এই গর্ভাবস্থার হরমোনের মাত্রাও নির্ধারণ করে যে আপনি কত দিন গর্ভবতী হয়েছেন। যাইহোক, গাইনোকোলজিস্টরা প্রায়ই HCG স্তরের সাথে গর্ভাবস্থার পর্যায়কে সম্পর্কযুক্ত করার জন্য একটি আল্ট্রাসাউন্ড পরীক্ষার পরামর্শ দেন।

প্রত্যাশিত মায়েরা জরায়ুর প্রাচীরের সাথে সংযুক্ত হওয়ার পর ক্রমবর্ধমান ভ্রূণের সংলগ্ন কোষ থেকে HCG হরমোন নিঃসরণ করে। অল্প সময়ের মধ্যে, এই কোষগুলি প্লাসেন্টায় রূপান্তরিত হয় এবং HCG উৎপাদনের ভূমিকা গ্রহণ করে। গর্ভাবস্থার প্রথম ত্রৈমাসিকে পর্যাপ্ত পরিমাণে প্রোজেস্টেরন তৈরি করতে এইচসিজি কর্পাস লুটিয়ামকেও উৎসাহিত করে।

গর্ভাবস্থার ষষ্ঠ সপ্তাহে HCG মাত্রা সর্বোচ্চ হয়। এই পর্যায়ের পরে, প্ল্যাসেন্টা সম্পূর্ণরূপে কার্যকরী এবং HCG-এর সহায়তা ছাড়াই যথেষ্ট প্রোজেস্টেরন তৈরি করে। এই পর্যায়ের পরে HCG এর মান হ্রাস পায়।

গর্ভাবস্থা পরীক্ষা বিভিন্ন ধরনের কি কি?

বেশিরভাগ গর্ভাবস্থা পরীক্ষা প্রস্রাব বা রক্তে HCG এর উপস্থিতি সনাক্ত করে। এই বিশ্লেষণের উপর ভিত্তি করে, দুটি প্রাথমিক ধরনের গর্ভাবস্থা পরীক্ষা আছে।

গর্ভাবস্থার জন্য রক্ত ​​পরীক্ষা

গর্ভাবস্থার জন্য রক্ত পরীক্ষা করা হয় ডায়াগনস্টিক সেন্টারে। এই মূল্যায়ন কৌশলটির প্রাথমিক সুবিধা হল, এটি ডিম্বস্ফোটনের মাত্র 6 থেকে 8 দিনের মধ্যে গর্ভধারণ সনাক্ত করতে পারে। সুতরাং, আপনি বাড়িতে ভিত্তিক পরীক্ষার আগে আপনি আশা করছেন বা বেশি আশা করছেন কিনা তা খুঁজে বের করতে পারেন। যাইহোক, আপনি নিজেরাই এই পরীক্ষাগুলি সহ্য করতে পারবেন না। এই মূল্যায়নের ফলাফল তাত্ক্ষণিক নয়।

বর্তমানে, দুটি ধরণের গর্ভাবস্থার রক্ত ​​পরীক্ষা রয়েছে।

1. গুণগত HCG পরীক্ষা।

আপনি যদি গর্ভবতী হন তবে গুণগত HCG পরীক্ষা শুধুমাত্র প্রকাশ করে। যেহেতু তারা এইচসিজির মাত্রা নির্ধারণ করে না, তাই আপনি গর্ভধারণে কোনো চিকিৎসা সংক্রান্ত সমস্যা আছে কিনা তা খুঁজে বের করতে পারবেন না, যেমন অ্যাক্টোপিক গর্ভাবস্থার সম্ভাবনা। গাইনোকোলজিস্টরা নিষেকের 10 দিনের আগে এই মূল্যায়নগুলি নির্ধারণ করতে পারেন।

2. পরিমাণগত HCG পরীক্ষা

পরিমাণগত HCG পরীক্ষা আপনার রক্তে HCG হরমোনের সঠিক মাত্রা নির্ধারণ করতে পারে। সুনির্দিষ্ট মূল্যায়ন কৌশল HCG এর এমনকি মিনিটের স্তর সনাক্ত করতে পারে। গাইনোকোলজিস্টরা প্রায়শই এই পরীক্ষার পরামর্শ দেন একটি অ্যাক্টোপিক গর্ভাবস্থা (যখন জরায়ুর বাইরে নিষিক্ত ভ্রূণ ইমপ্লান্ট করা হয়) বা দুর্ঘটনাজনিত গর্ভপাত (এইচসিজি স্তরে হঠাৎ হ্রাসের মাধ্যমে প্রকাশ)।

গর্ভাবস্থার জন্য প্রস্রাব পরীক্ষা

আপনি বাড়িতে বা ডায়াগনস্টিক ক্লিনিকে প্রস্রাব গর্ভাবস্থা পরীক্ষা করতে পারেন। আপনি যদি নির্দেশিকা অনুসারে প্রক্রিয়াটি অনুসরণ করেন তবে তারা কয়েক মিনিটের মধ্যে সঠিক ফলাফল অফার করে। যাইহোক, এমনকি যদি গর্ভাবস্থার পরীক্ষাটি ইতিবাচক হয়, তবে স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞরা ফলাফল নিশ্চিত করার জন্য গর্ভাবস্থার জন্য অন্যান্য সংবেদনশীল পরীক্ষার পরামর্শ দেন।

কত তাড়াতাড়ি আমি গর্ভাবস্থা পরীক্ষা নিতে পারি?

গর্ভাবস্থা পরীক্ষা করার জন্য আপনার মাসিক মিস হওয়ার এক সপ্তাহ পর্যন্ত অপেক্ষা করা ভাল। এটি করার ফলে গর্ভাবস্থা পরীক্ষার সঠিকতা বৃদ্ধি পাবে। আপনি যদি মাসিক মিস হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে না চান, তাহলে যৌন মিলনের পর অন্তত এক বা দুই সপ্তাহ অপেক্ষা করার পরামর্শ দেওয়া হয়।

প্রারম্ভিক গর্ভাবস্থা পরীক্ষার সুবিধা এবং অসুবিধা

প্রারম্ভিক গর্ভাবস্থা পরীক্ষার সুবিধা:

এটি বাড়িতে গর্ভাবস্থা সনাক্ত করার সবচেয়ে সহজ এবং দ্রুততম উপায়গুলির মধ্যে একটি।

আপনার জন্ম নিয়ন্ত্রণ পরিমাপ ব্যর্থ হলে এটি কার্যকর।

এটি আপনাকে আপনার জীবনযাত্রায় প্রয়োজনীয় পরিবর্তন করতে সাহায্য করে প্রসবপূর্ব যত্নের জন্য।

এটি আপনাকে বুঝতে সাহায্য করে কখন ওষুধ বন্ধ বা শুরু করতে হবে।

গর্ভাবস্থার লক্ষণ বুঝতে পারবেন।

প্রাথমিক গর্ভাবস্থা পরীক্ষার অসুবিধা:

আপনি যদি খুব তাড়াতাড়ি বা ভুলভাবে পরীক্ষা করেন তবে মিথ্যা-নেতিবাচক হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।

এটি রাসায়নিক গর্ভাবস্থা সনাক্ত করতে পারে।

এটি পরীক্ষার ফলাফলের কারণে উদ্বেগের কারণ হতে পারে।

আপনি যদি পরীক্ষার পুনরাবৃত্তি করতে চান তবে এটি ব্যয়বহুল হতে পারে।

আমার গর্ভাবস্থা পরীক্ষা ইতিবাচক হলে আমার কি করা উচিত?

যদি আপনার গর্ভাবস্থা পরীক্ষা ইতিবাচক হয়, তাহলে আপনাকে নিম্নলিখিতগুলি করতে হবে:

একজন ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করুন

ধৈর্য্য ধারন করুন

প্রসবপূর্ব ভিটামিনের সাথে সুষম খাদ্য গ্রহণ শুরু করুন

মদ খাওয়া বন্ধ করুন

ধুমপান ত্যাগ কর

ব্যায়াম নিয়মিত

অনেক পানি পান করা

হোম প্রেগন্যান্সি টেস্টের ধাপগুলো কি কি?

বেশিরভাগ হোম-ভিত্তিক গর্ভাবস্থা পরীক্ষার কিটগুলিতে একটি প্লাস বা বিয়োগ চিহ্ন, “গর্ভবতী” বা “গর্ভবতী নয়” শিলালিপি, বা এক লাইন বা দুই লাইন থাকে। এই সূচকগুলি আপনি গর্ভধারণ করেছেন কি না তা নির্ধারণ করতে সহায়তা করে। গর্ভাবস্থা পরীক্ষা করার আগে মেয়াদ শেষ হওয়ার তারিখ এবং নির্দেশাবলীর মধ্য দিয়ে যেতে ভুলবেন না।

সঠিকতা বজায় রাখার জন্য পিরিয়ড না হওয়ার পরে খুব সকালে এই পরীক্ষাটি করা ভাল। রেখা বা প্রতীকের আকারে ফলাফলের বৈধতা নির্দেশ করে স্ট্রিপগুলির একটি নিয়ন্ত্রণ সূচকও রয়েছে। যদি কন্ট্রোল লাইন বা প্রতীক উপস্থিত হতে ব্যর্থ হয়, পরীক্ষাটি অবৈধ হয়ে যায় এবং আপনার এটি পুনরায় পরিচালনা করা উচিত।

আপনি নিম্নলিখিত পদ্ধতিগুলির যে কোনও একটির মাধ্যমে প্রস্রাব গর্ভাবস্থা পরীক্ষা করতে পারেন যা পরীক্ষার কিটে নির্দিষ্ট করা হবে:

• পরীক্ষার স্ট্রিপটি সরাসরি প্রস্রাবের স্রোতে রাখুন।

• একটি পাত্রে প্রস্রাব সংগ্রহ করুন এবং তারপরে স্ট্রিপটি ডুবিয়ে দিন।

• একটি কাপে প্রস্রাব সংগ্রহ করুন এবং তারপর কয়েক ফোঁটা প্রস্রাব সংগ্রহ করতে একটি ড্রপার ঢোকান। এখন, গর্ভাবস্থা পরীক্ষার কিটে প্রস্রাব রাখতে ড্রপার ব্যবহার করুন।

হোম প্রেগন্যান্সি পরীক্ষার সঠিকতা হার কি?

বেশিরভাগ হোম গর্ভাবস্থা পরীক্ষার ব্র্যান্ড গর্ভধারণ নির্ধারণে 99% নির্ভুলতার হার বলে দাবি করে। যাইহোক, গর্ভাবস্থা নির্ণয়ের ক্ষমতা নির্ভর করে পদ্ধতি, সময় এবং নিষিক্তকরণের পর কত দিন, যখন আপনি পরীক্ষা করবেন। যদি আপনি মনে করেন যে নেতিবাচক ফলাফল সত্ত্বেও আপনি গর্ভবতী হতে পারেন, তাহলে এক সপ্তাহ পরে পরীক্ষাটি পুনরায় করুন। নিশ্চিত ফলাফলের জন্য আপনি অন্যান্য সংবেদনশীল গর্ভাবস্থা পরীক্ষাও বেছে নিতে পারেন।

গর্ভাবস্থা পরীক্ষা নেওয়ার পরে কখন ডাক্তার দেখাবেন?

যদি ডাক্তারের সাথে অ্যাপয়েন্টমেন্ট বুক করা ভাল

আপনি পরবর্তী গর্ভাবস্থা পরীক্ষায় ভিন্ন ফলাফল পাবেন। এই পরিস্থিতিতে, প্রজনন সিস্টেমের একটি পুঙ্খানুপুঙ্খ পরীক্ষা সহ্য করা ভাল।
গর্ভাবস্থা পরীক্ষার ফলাফল নেতিবাচক বলে মনে হয়, এবং মাসিক শুরু হয় না, একটি অন্তর্নিহিত চিকিৎসা অবস্থা হতে পারে। আপনি অত্যধিক মানসিক চাপ, থাইরয়েড ব্যাধি বা অ্যামেনোরিয়ায় ভুগছেন।
আপনি যদি গর্ভবতী হন, তাহলে আপনাকে একজন প্রসূতি বিশেষজ্ঞের সাথে দেখা করতে হবে এবং প্রসবপূর্ব পরীক্ষা করাতে হবে।

আপনি যদি আপনার মাসিক চক্র না পান এবং বিশ্বাস করেন যে আপনি গর্ভবতী হতে পারেন, তাহলে পরীক্ষা করতে দ্বিধা করবেন না। সর্বদা মনে রাখবেন যে গর্ভাবস্থার প্রাথমিক নিশ্চিতকরণ অবিলম্বে প্রসবপূর্ব যত্ন শুরু করতে পারে।

গর্ভাবস্থা পরীক্ষা সম্পর্কে প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন

1. আপনার নিয়মিত ওষুধ কি গর্ভাবস্থা পরীক্ষার ফলাফলে হস্তক্ষেপ করতে পারে?

হ্যাঁ, নির্দিষ্ট উর্বরতার ওষুধ এবং HCG এর যথেষ্ট ডোজ ধারণকারী অন্যান্য বড়িগুলি বাড়ির গর্ভাবস্থা পরীক্ষার ফলাফলে হস্তক্ষেপ করতে পারে। এমনকি জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়ি এবং উচ্চ মাত্রার অ্যান্টিবায়োটিক কিছু নারীর ফলাফল পরিবর্তন করতে পারে। হোম গর্ভাবস্থা পরীক্ষা নেওয়ার আগে আপনার প্রেসক্রিপশনের ওষুধের বিষয়ে আপনার ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করা ভাল।

2. গর্ভাবস্থা পরীক্ষায় কি মিথ্যা-ইতিবাচক ফলাফল পাওয়া সম্ভব?

আপনি একটি গর্ভাবস্থা পরীক্ষায় একটি মিথ্যা-ইতিবাচক ফলাফল পেতে পারেন যদি আপনি জরায়ুর প্রাচীরে নিষিক্ত ডিম্বাণু রোপনের পরেই গর্ভপাত করেন। আপনি যদি HCG ধারণকারী উর্বরতা ওষুধ পরিচালনার সাথে সাথে মূল্যায়ন করেন তবে মিথ্যা-ইতিবাচক ফলাফলও সম্ভব। বিরল ক্ষেত্রে, অ্যাক্টোপিক গর্ভাবস্থাও বিভ্রান্তিকর ফলাফল দিতে পারে।

3. কখন আপনি একটি মিথ্যা-নেতিবাচক গর্ভাবস্থা পরীক্ষার ফলাফল পেতে পারেন?

নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে মিথ্যা নেতিবাচক গর্ভাবস্থা পরীক্ষার ফলাফল পাওয়া সম্ভব:

• রক্তে অপর্যাপ্ত HCG মাত্রা থাকলে আপনি যদি খুব তাড়াতাড়ি পরীক্ষা করেন।

• আপনি দিনের পরের সময়ে পরীক্ষার জন্য পাতলা প্রস্রাব ব্যবহার করেন।

• আপনি ফলাফল দেখানোর জন্য পর্যাপ্ত সময় প্রদান করেন না।

4. প্রথম সপ্তাহে গর্ভাবস্থার পরীক্ষা কতটা সঠিক?

বেশিরভাগ গর্ভাবস্থা পরীক্ষার কিট প্রথম সপ্তাহে 99% সঠিক ফলাফলের প্রতিশ্রুতি দেয়।

তথ্যসূত্রঃ AskApollo online Health Information Library

29/08/2023

#জ্বরের_পর_দুর্বলতা_কাটাতে_যেসব_খাবার_খাবেন

বর্ষাকালের স্নিগ্ধতার সঙ্গে আতঙ্ক সৃষ্টি করছে জ্বর। বর্ষাকালে ডেঙ্গু জ্বর, ভাইরাস জ্বরের প্রকোপ খুব বেশি দেখা যায়। আর জ্বরে আক্রান্ত হলে শরীর অনেক দুর্বল হয়ে পড়ে। জ্বর সেরে উঠতে যেমন সময় লাগে, তেমনি সময় লাগে জ্বর সেরে যাওয়ার পর দুর্বলতা কাটাতে। দুর্বলতা কমানোর জন্য প্রয়োজন পর্যাপ্ত বিশ্রাম ও পুষ্টিকর খাদ্য গ্রহণ।

চলুন জেনে নেওয়া যাক জ্বরের পর শরীরের দুর্বলতা কাটাতে যেসব খাবার খাওয়া প্রয়োজন—

জ্বরে আক্রান্ত ব্যক্তিদের প্রোটিন ও আয়রনসমৃদ্ধ খাবার প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় রাখতে হবে। বিভিন্ন ধরনের ডাল, মটরশুঁটি, ছোলা, সয়ামিট, মাশরুম, বাদাম, তিসি, চিয়াসিড এসব খাবারে ভালো পরিমাণে প্রোটিন থাকে। মাংস দিয়ে স্যুপ করে খেলে এটি শরীরের দুর্বলতা কমায়।
ফলের মাঝে মৌসুমি নানান রকমের তাজা ফল, কমলা, মাল্টা, আপেল, পেয়ারা, আমড়া, পাকা পেঁপে, আম, আনারস, আঙুর, ডালিম, আনার লেবুজাতীয় ফল, ডাবের পানি নিয়মিত খেতে হবে।

সবজির মাঝে কচুশাক, পালংশাক, মিষ্টিকুমড়া, আলু, গাজর এগুলো শারীরিক দুর্বলতা কাটিয়ে উঠতে ও রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করবে।
শরীরে পানির পরিমাণ ঠিক রাখতে ডাবের পানি ও বিভিন্ন ধরনের ফলের রস খেতে হবে। এ ছাড়া নরম সেদ্ধ জাউ ভাত, খিচুড়ি, বিভিন্ন ধরনের সবজি স্যুপ খেতে দিতে হবে রোগীকে।

এ সময় আদা দিয়ে চা পান করলেও উপকার পাবেন। আদা শরীর থেকে জীবাণু দূর করে শরীরকে টক্সিন মুক্ত করে।
সঙ্গে সঙ্গে রোগীকে পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিতে, যা রোগীকে দ্রুত সুস্থ হতে সহায়তা করবে।

26/08/2023

পুরুষের পেরোনিজ ডিজিজ কী, কেন হয় এবং চিকিৎসা

পুরুষাঙ্গে দুটি দণ্ড আকৃতির প্রসারণশীল অংশ থাকে, যার চারপাশ টিউনিকা অ্যালবুজিনিয়া নামক একটা শক্ত টিস্যু দ্বারা আবৃত থাকে। এই শক্ত জিনিসটাই পুরুষাঙ্গের উত্থান অবস্থা ধরে রাখে। নানান কারণে এই টিস্যুর উপরিভাগটায় বিভিন্ন আকৃতির শক্ত গুটির মতো দানা দেখা দেয়। একে পেরোনিজ ডিজিজ বলে।

সাধারণভাবে ৩ থেকে ২০ শতাংশ পুরুষ এই রোগে ভোগেন। বিশেষ করে ডায়াবেটিসে আক্রান্ত রোগীদের এই রোগ হওয়ার বেশি প্রবণতা বেশি। খুব সূক্ষ্ম আঘাতের কারণে পুরুষাঙ্গে এই রোগের শুরু বলে মনে করা হয়। এই রোগের দুটি স্তর বা পর্যায় আছে। একটা হলো অ্যাকটিভ, আরেকটি ক্রনিক ফেজ।

প্রথম পর্যায়ে ব্যথা থাকে। দ্বিতীয় পর্যায়ে আর ব্যথা থাকে না বরং শক্ত গুটির ব্যাপ্তি বেড়ে যেতে পারে। ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র পাথুরি জমতে পারে বা পুরুষাঙ্গের বিকৃতি ঘটতে থাকে, যা কিনা পরবর্তী সময়ে যৌনক্রিয়ায় ব্যাঘাত সৃষ্টি করে। শেষ অবধি পুরুষত্বহীনতা পর্যন্ত হতে পারে।

রোগটি ৪০-৫০ বছরের দিকে বেশি হয়, যদিও যেকোনো বয়সেই হতে পারে। আগেই বলেছি, ডায়াবেটিস থাকলে ঝুঁকি বেশি। অনেকের ধারণা যে এটা এমনিতেই সেরে যাবে, কিছু করতে হবে না। ব্যাপারটা কিন্তু আসলে মোটেই তা নয়। রোগের শুরুতে সঠিক চিকিৎসা নিলে জটিলতা অনেকাংশে এড়ানো যেতে পারে। যেহেতু কী কারণে এই অবস্থা ঘটে, তার প্রকৃত কারণ জানা যায় না, তাই এর প্রতিকার বা প্রতিরোধটাও বেশ জটিল।

যাঁদের আগে থেকেই ডায়াবেটিস রোগ ছাড়াও যৌন দুর্বলতা আছে, যাঁরা মানসিকভাবে দুর্বল, যৌনাঙ্গ ছোট বা রক্তে সেক্স হরমোনের পরিমাণ কম, যাঁরা আরও কিছু কোলাজেন ডিজঅর্ডারে ভোগেন, তাঁদের ক্ষেত্রে এই রোগের প্রাদুর্ভাব একটু বেশি। একজন অভিজ্ঞ ইউরোলজিস্ট দেখে ও ক্লিনিক্যাল পরীক্ষা করে রোগ শনাক্ত করতে পারবেন। তবে আনুষঙ্গিক কিছু পরীক্ষা যেমন এক্স-রে বা কালার ডপলার আলট্রাসনোগ্রাম করা যেতে পারে।

চিকিৎসা
বেশির ভাগ ক্ষেত্রে চিকিৎসা দরকার হয়। যেসব ক্ষেত্রে ওষুধ কার্যকর নয়, অথচ ক্রমেই পুরুষাঙ্গের বিশেষ বিকৃতি ঘটছে, যাতে যৌনক্রিয়ায় সমস্যা হচ্ছে বা সঙ্গম অত্যন্ত বেদনাদায়ক হচ্ছে, সেসব ক্ষেত্রে সার্জারির প্রয়োজন আছে। রোগীকে অবশ্যই বিশেষজ্ঞ ইউরোলজিস্টের তত্ত্বাবধানে থাকতে হবে।

অধ্যাপক ডা. নিতাই পদ বিশ্বাস, অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান, ইউরোলজি বিভাগ, জাতীয় কিডনি ও ইউরোলজি ইনস্টিটিউট, শেরেবাংলা নগর, ঢাকা

তথ্যসূত্র: প্রথমআলো অনলাইন

25/08/2023

#ক্যালসিয়াম_কতটুকু_দরকার_আপনার, #পাবেন_কোন_খাবারে

৯ থেকে ১৮ বছর বয়স মানুষের ‘পিক বোন মাস’ বা হাড় ঘন হওয়ার শ্রেষ্ঠ সময়। এ জন্য এই সময় ক্যালসিয়াম খাওয়া ও ভার বহন করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই বয়সে ও পূর্ণবয়স্ক মানুষেরও গড়পড়তায় ১ হাজার ২০০ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম প্রয়োজন হয়। তবে বয়সভেদে কিছু রকমভেদ আছে। মেয়েদের পিরিয়ড শুরু হওয়ার দুই বছর আগে ও পরের সময়টার মধ্যে উচ্চতা বাড়ে। এই সময়ে সর্বাধিক উচ্চতা বাড়ানোর জন্য পূর্ণমাত্রায় ক্যালসিয়াম গ্রহণ করা উচিত। এ ছাড়া অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় বা স্তন্যপান করানোর সময় নারীদের ক্যালসিয়ামের চাহিদা বেশি থাকে।

অস্টিওপোরোসিস ও হাড় ভেঙে যাওয়া প্রতিরোধের জন্য ক্যালসিয়ামসমৃদ্ধ খাবার খেতে হবে, প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শে ওষুধ খেতে হবে। কিন্তু একজন মানুষের হাড়ের ঘনত্ব তৈরি হয়ে যায় অল্প বয়সেই, তাই শৈশব থেকেই এই বিষয়ে সচেতন হতে হবে।

ক্যালসিয়ামের স্বল্পতা হলে তেমন কোনো উপসর্গ না–ও হতে পারে। তবে কিছু লক্ষণ প্রকাশ পেতে পারে, যেমন হাড় ও মাংসপেশির ব্যথা, বিষণ্নতা, ভঙ্গুর নখ ও হাড়, চুলের রুক্ষতা, ত্বকের শুষ্কতা ইত্যাদি।

খাবারের মাধ্যমে ছোটবেলা থেকেই পর্যাপ্ত ক্যালসিয়াম গ্রহণ করতে হবে। তাই জানতে হবে, কোন খাবারে কেমন ক্যালসিয়াম পাওয়া যায়।

ডিম, দুধ ও দুগ্ধজাত খাবার (পনির, দই), ভুট্টা, শিম, মসুর ডাল, কাঠবাদাম, ছানার পানি, শাকসবজি, সার্ডিন মাছ, স্যামন মাছ, কাচকি মাছ, চিয়া সিড, ডুমুর ইত্যাদি খাবারে প্রচুর ক্যালসিয়াম রয়েছে। এ ছাড়া ফর্টিফাইড খাবার, সয়া প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার ও তোফুতে ক্যালসিয়াম পাওয়া যায়। আবার দৈনিক এক হাজার মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম পাওয়া যাবে দুই টুকরা পনির/ দুই টুকরা গ্রেইন ব্রেড/ ব্রকলি বা এক কাপ দই খেলে।

ফলের মধ্যে কমলা, খুবানি, শুকনা ডুমুর, কিউয়ি, মালবেরি, নাশপাতি, আঙুর, পেঁপে, স্ট্রবেরি, কলায় প্রচুর ক্যালসিয়াম আছে।

ক্যালসিয়াম গ্রহণ করলে কিডনিতে পাথর হয়, এই ধারণা ঠিক নয়। তবে ক্যালসিয়াম ট্যাবলেট বেশি খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য, পেটফাঁপা, ডায়রিয়া ও হৃদ্‌রোগ হতে পারে। কখনো না বুঝে দিনের পর দিন ক্যালসিয়াম বড়ি খেলে হাইপারক্যালসেমিয়া বা রক্তে ক্যালসিয়ামের আধিক্য দেখা দিতে পারে।

৩০ বছর বয়সের পর হাড়ের ক্যালসিয়াম কমে যেতে থাকে। মধ্যবয়সে কমে যাওয়ার পরিমাণ আরও বেড়ে যায়। তখন হাড় ভেঙে যাওয়ার প্রবণতা দেখা যায়।

ডা. রোজানা রউফ: অ্যাসোসিয়েট কনসালট্যান্ট, মেডিসিন বিভাগ, স্কয়ার হাসপাতাল, ঢাকা

তথ্যসূত্র: প্রথমআলো অনলাইন

24/08/2023

ব্যাক পেইন বা পিঠ ব্যথা কেন হয়?

ব্যাক পেইন শব্দটি আমরা আজকাল বেশ শুনতে পাই। এই ব্যাক পেইন বা পিঠ ব্যথা সাধারণত নিচের পিঠের পেশি, লিগামেন্ট, মেরুদণ্ড, কশেরুকার সমস্যা থেকে তৈরি হয়। পিঠ ব্যথার কারণগুলোর ভেতর সবচেয়ে বেশি থাকে পিঠের পেশিতে চাপ পড়া এবং পিঠের কাঠামোগত সমস্যা। চলুন জেনে নেওয়া যাক পিঠ ব্যথা বা ব্যাকপেইনের কারণগুলো কী কী।

১. পিঠের পেশিতে চাপ বা স্ট্রেইন: পিঠের পেশিতে অতিরিক্ত চাপ, ভারী বস্তু ভুলভাবে উত্তোলন এবং ভুল ভঙ্গিতে শরীরের আকস্মিক নড়াচড়াতে প্রায়ই পিঠে ব্যথা করে। অতিরিক্ত কাজ করার ফলেও পেশিতে চাপ পড়তে পারে।

২. কাঠামোগত সমস্যা: কশেরুকা হলো মেরুদণ্ডকে ঘিরে থাকা চাকতি আকারের হাড়। এই হাড়গুলো একে অপরের সাথে সংযুক্ত। প্রতিটি কশেরুকার মধ্যবর্তী স্থানগুলোতে ডিস্ক নামক টিস্যু থাকে এবং কশেরুকাগুলোকে চারপাশ থেকে ঘিরে রাখে। এই ডিস্কে আঘাত পিঠে ব্যথার সাধারণ কারণ।

কখনো কখনো এই ডিস্কগুলো ফুলে যেতে পারে, বেরিয়ে পড়তে পারে (হার্নিয়েট হওয়া), অথবা ফেটে যেতে পারে। এসব ক্ষেত্রে মেরুদণ্ডের স্নায়ুতে চাপ পড়ে। এগুলোর মাঝে সবচেয়ে বেশি ব্যথা হয় হার্নিয়েটেড ডিস্ক বা ডিস্কগুলো কশেরুকা থেকে বেরিয়ে গেলে। বেরিয়ে পড়া ডিস্ক স্নায়ুতে চাপ দিলে পিঠ বা কোমর থেকে পা পর্যন্ত ব্যথা, শিরশিরে অনুভুতি এবং অল্প থেকে প্রচণ্ড পরিমাণ ব্যথা হতে পারে।

৩. বাত বা আর্থ্রাইটিস: স্পাইনাল অস্টিওআর্থারাইটিস পিঠে ব্যথার একটি সম্ভাব্য কারণ। এই রোগে আপনার পিঠের নিচের জয়েন্টগুলোর কারটিলেজের অবনতি ঘটে যার কারণে মেরুদণ্ড চেপে আসতে পারে বা সংকীর্ণ হতে পারে, যা ব্যথার কারণ।

৪. অস্টিওপোরোসিস: হাড়ের ঘনত্ব হ্রাস এবং হাড় পাতলা হয়ে যাওয়াকে অস্টিওপোরোসিস বলা হয়। এতে আপনার কশেরুকার ছোটো ছোটো ফাটল হতে পারে যেগুলো গুরুতর ব্যথার কারণ।

৫. পিঠে ব্যথার অন্যান্য কারণ:ওপরে দেওয়া কারণগুলোর বাইরেও আরো কিছু কারণেও আপনার ব্যাকপেইন বা পিঠে ব্যথা হতে পারে।

– ডিজেনারেটিভ স্পন্ডিলোলিস্থেসিস: একটি কশেরুকা তার স্থান থেকে সরে গিয়ে কাছাকাছি একটি কশেরুকার দিকে চলে যাওয়া।

– কাউডা ইকুইনা সিন্ড্রোম: মেরুদণ্ডের নিচের অংশে স্নায়ুর কার্যকারিতা হ্রাস পাওয়া।

– মেরুদণ্ডের ছত্রাক বা ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ।

– মেরুদণ্ডে ক্যান্সার বা টিউমার।

– কিডনি সংক্রমণ বা কিডনি পাথর।

ব্যাকপেইন যন্ত্রণাদায়ক এবং এটি কাজের ক্ষমতা হ্রাস করে দেয়। তাই আপনি যদি অনেকদিন ধরে, ঘনঘন পিঠের ব্যথা অনুভব করেন তবে একজন ডাক্তারের সাথে দেখা করতে ভুলবেন না।

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Website

Address


Dhaka
1205