The Informer

The Informer

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from The Informer, Dhaka.

**The Informer পেজে আপনাকে স্বাগতম ।। ** The Informer দৈনিক ঘটে যাওয়া সংবাদ তথ্যভিত্তিক একটি ফেইসবুক পেজে ।। এই চ্যানেলে পাবেন প্রতি মুহূর্তে ঘটে যাওয়া সব আপডেট সংবাদ এবং তথ্যভিত্তিক ভিডিও।

"এই পেজের মাধ্যমে কোন ধরনের নির্দিষ্ট রাজনৈতিক মতাদর্শের উপর ভিত্তি করে কোন ধরনের ভিডিও তৈরি করা হয়না। একইভাবে ব্যক্তিগত কোন মতামত উপস্থাপন করা হয়না শুধুমাত্র দেশে কিংবা বিদেশের প্রচলিত গণমাধ্যমে প্রকা

Photos from The Informer's post 22/05/2017

যে অভ্যাসগুলো আপনার পেটের মেদ তৈরির জন্য দায়ী !

পেটের মেদ নিয়ে চিন্তার শেষ নেই! ব্যায়াম, ডায়েট ইত্যাদি কত কিছু না করছেন পেটের মেদ কমানোর জন্য। কিন্তু নিজের অভ্যাসের দিকে লক্ষ্য করেছেন কি? হ্যাঁ, আপনার কিছু প্রাত্যহিক অভ্যাস পেটের মেদ বৃদ্ধির জন্য দায়ী। এই অভ্যাসগুলো থাকলে ডায়েট, ব্যায়াম করে পেটের মেদ সাময়িকভাবে কমলেও আবার পুনরায় পেটে মেদ দেখা দিবে। তাই আজই ত্যাগ করুন এই বদঅভ্যাসগুলো।

১। ডায়েট পানীয় আসক্তি

আপনি যদি মনে করেন ডায়েট ড্রিঙ্ক স্বাস্থ্যের জন্য ভাল এবং এটি ওজন বৃদ্ধি করে না। তবে আপনি ভুল ধারণা নিয়ে আছেন। University of Texas Health Science Center ৪৭৫ জনের মধ্যে জরিপ চালিয়েছিল, সেখানে দেখা গেছে যারা ডায়েট ড্রিঙ্ক পান করেছেন তাদের ৭০% পর্যন্ত কোমর বৃদ্ধি পেয়েছে যারা ডায়েট ড্রিঙ্ক পান করেন না তাদের তুলনায়। শুধু তাই নয় যারা দুইয়ের বেশি ডায়েট ড্রিংক পান করেন তাদের ৫০০% পর্যন্ত কোমড় বৃদ্ধির তথ্য পাওয়া যায়!

২। ডেস্ক জব

ডেস্ক জব বা বসে কাজ করা স্বাস্থ্যের জন্য বিশেষত পেটের মেদ জমার প্রধান কারণ। এটি আপনার পেট, কোমর এবং পেটের আশেপাশে মেদ জমিয়ে দিয়ে থাকে। শুধু ছেলেরা নয় মহিলাদের ক্ষেত্রেও এটি প্রযোজ্য।

৩। দেরি করে রাতের খাবার খাওয়া

এটি সত্য যে শরীর ঘুমন্ত অবস্থায় আপনার পেটের মেদ কেটে থাকে। কিন্তু তার অর্থ এই নয় আপনি ভরা পেটে ঘুমাতে যাবেন। ঘুমাতে যাওয়ার কমপক্ষে ৩ ঘণ্টা আগে রাতের খাবার শেষ করেন। ঘুমাতে যাওয়ার আগে ক্ষুধা পেলে হালকা ছোট ফল বা দুধ খেতে পারেন।

৪। মন খারাপের সময় খাওয়া

অনেকেই মন খারাপ বা মন চিন্তাগ্রস্ত হলে খাওয়া শুরু করে দিন। এটি আপনার পেটের মেদ বৃদ্ধির জন্য অনেকাংশ দায়ী। কারণ স্ট্রেসের সময় আপনার খেয়াল থাকে না, আপনি কি পরিমাণে খাবার খাচ্ছেন। স্ট্রেস বা মন খারাপের সময় খাওয়ার পরিবর্তে কয়েক গ্লাস পানি পান করুন বা ব্যায়াম করুন। এটি আপনার স্ট্রেস কমাতে সাহায্য করবে।

৫। প্রোটিনের অভাব

একজন প্রাপ্ত বয়স্ক মানুষের প্রতিদিন কমপক্ষে ২০ থেকে ২৫ গ্রাম পরিমাণে প্রোটিন খাওয়া উচিত। একজন প্রাপ্ত বয়স্ক পুরুষ অতিরিক্ত ১০ গ্রাম প্রোটিন খেতে পারে সুস্বাস্থ্যের জন্য। প্রোটিন ব্লাড সুগার লেভেল এবং ইনসুলিনের লেভেলের মধ্যে সামঞ্জস্য রাখে। এই প্রোটিনের অভাবেও আপনার পেটের মেদ জমতে পারে।

৬। টিভি দেখতে দেখতে খাওয়া

এই কাজটি অনেকেই করে থাকেন। registered dietitian nutritionist Leslie Schilling বলেন “ আপনার জন্য খাবার গ্রহণ নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন যখন আপনি টিভি, কম্পিউটার দেখতে দেখতে খান। এটি খাবারের দিক থেকে মনোযোগ সরিয়ে নিয়ে আসে”। যার ফলশ্রুতিতে অতিরিক্ত খাবার খাওয়া হয়ে যায়।

৭। অপর্যাপ্ত ঘুম

অপর্যাপ্ত ঘুম দেহের করটিসল (স্ট্রেস হরমোন) বৃদ্ধি করে থাকে। যা চিনি খাওয়ার প্রবণতা বাড়িয়ে দিয়ে থাকে। রাত জাগা অভ্যাস থাকলে আজই বাদ দিন। আর চেষ্টা করুন ৭-৮ ঘন্টা ঘুমানোর।

ব্যায়াম এবং ডায়েটের পাশাপাশি এই অভ্যাসগুলো ত্যাগ করতে পেটের মেদ হ্রাস করার জন্য। শুধু তাই নয় এই অভ্যাসগুলো স্বাস্থ্যের জন্যও অনেক ক্ষতিকর।

Photos 16/05/2017

একদম রোগা আপনি? তাহলে জেনে নিন ওজন "বৃদ্ধি" করার ৬টি উপায়

আমরা সবাই ওজন কমানোর জন্য ব্যস্ত হয়ে পড়ি। কিন্তু কখনও খেয়ালও থাকে না যে এই পৃথিবীতে এমনও কিছু মানুষ আছে যারা ওজন বাড়ানোর জন্য খুব আগ্রহ প্রকাশ করে থাকেন। অনেকেই আছেন যাদের একটুখানি খেলেও যেন ওজন বাড়ে। আবার এমন অনেকেই আছেন যারা শতগুণ খেলেও তাদের ওজনের খুব একটা হেরফের হয় না, রোগা-পটকাই থেকে যান। আন্ডার-ওয়েট শরীর হলে অবশ্য চেষ্টা ভালো লাগে না, চেহারা ভেঙে যায়। মেয়েদের শরীর যেমন এতে ঠিকভাবে বেড়ে ওঠে না, তেমনই ছেলেদের দেখতেও ভীষণ বাজে লাগে।

এমতাবস্থায় ওজন বাড়ানোর জন্য বেশি কিছু নয় শুধু নিয়ম করে কিছু খাওয়া প্রয়োজন যেন খাবারটি আপনার শরীরে ঠিকমত লাগে। আসুন জেনে নিই এমন ৬ টি উপায়।

১. স্বাস্থ্যকর খা:বার খান
আপনি হয়ত প্রচুর পরিমাণে খাচ্ছেন তারপরও আপনার স্বাস্থ্য ঠিকমত বাড়ছে না। তার কারণ হল আপনি খাচ্ছেন, কিন্তু ঠিক নিয়ম করে সঠিক খাবারটি খাচ্ছেন না। খালি পেট ভরে এটা সেটা খেলেই হবে না। খেটে হবে উপযুক্ত খাবারটি। আপনার শরীরে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণে প্রোটিন, কার্বন এবং ফ্যাট এর প্রয়োজন হয় প্রতিদিন। এর জন্য প্রতিদিন বাদাম এবং দুগ্ধজাত খাবার খান। প্রোটিনযুক্ত খাবার পেশী গঠনে সহায়তা করে। এটি শরীরের ওজন বৃদ্ধি করে থাকে। তাই প্রতিদিন নির্দিষ্ট পরিমাণে মাংস গ্রহণ করুন। রোজ খান ডিম, পনির ও পর্যাপ্ত পরিমাণে ভাত-রুটি-আলু। ওজন বাড়াতে চাইলে বসা ভাত খেলেই উপকার পাবেন। কেননা এটা থাকে প্রচুর ক্যালোরি। মিষ্টি খান রোজ।

২. বেশি পরিমাণে তরল জাতীয় খাবার গ্রহণ করুন :
একটু পর পর তরল জাতীয় খাবারে ক্ষুধা দ্রুত তৈরি করে। এজন্য আপনি ক্ষুধা তৈরি করার জন্য একটু পর পর তরল জাতীয় যেকোনো খাবার খেতে পারেন। তবে অবশ্যই মনে রাখবেন ভারী খাবার খাওয়ার আগে এবং খাবারের মাঝখানে কখনই পানি খাওয়া ভালো না। এতে করে খাবার মাঝখানে পানি ক্ষুধাটাকে নিবারণ করে। ফলে ভারী খাবার খাওয়ার রুচি থাকে না।

৩. ঘন ঘন খান :
আপনি যদি ওজন বাড়াতে চান তাহলে দিনে ৫ থেকে ৭ বার পরিমিত পরিমাণে খাবার খান। অামরা সচরাচর ৩ বার খেয়ে থাকি। আপনি দিনে ৬ বার খান কিন্তু পরিমাণটি নির্দিষ্ট করে। এতে করে আপনার খেতে কোনো সমস্যা হবে না। কলা, আম ইত্যাদি ফল বেশি পরিমাণে খাবেন। পাশাপাশি অন্যান্য ক্যালরিযুক্ত খাবারও গ্রহণ করুন। মনে রাখবেন আপনি যত পরিমাণে জাঙ্ক ফুড খাবেন আপনার দেহ থেকে তার চেয়েও বেশি পরিমাণে প্রোটিন বেরিয়ে যাবে। তাই ভাজা বাদ দিয়ে বাদাম, পরিমিত মিষ্টি, ঘরে তৈরি নানান খাবার খান।

৪. সঠিক নিয়মে খান :
আপনি খাবার খাচ্ছেন কিন্তু কোনো নিয়ম মেনে খাচ্ছেন না এতে করে আপনার কোনো কাজই হবে না। আপনার ওজন কোনোভাবেই বাড়বে না। আপনি যদি নিয়ম করে খাবার তালিকা তৈরি করে খেয়ে থাকেন তাহলে আপনার ওজন বাড়তে সহায়ক ভূমিকা রাখবে। দিনের একটি বড় তালিকা তৈরি করুন ও সেটি পালন করুন ঘড়ি ধরে। মোটামুটিভাবে ৪ সপ্তাহের মধ্যে একটি ইতিবাচক ফলাফল পাবেন। ওজন বাড়ে সহায়ক খাবার গুলো রোজ খাবেন ও পর্যাপ্ত ঘুমাবেন।

৫. শারীরিক ব্যায়াম :
অবাক হচ্ছেন? ভাবছনে আপনি রোগা মানুষ আপনার আবার ব্যায়াম কি? তাহলে জেনে রাখুন, কিছু বিশেষ ব্যায়াম শরীরের পেশী তৈরি করে ও ওজন বাড়ায়। তাছাড়া ক্ষুধার উদ্রেকও করে। জিমে যাওয়া শুরু করুন নিয়মিত, ট্রেইনারের কথা মেনে চলুন। চমৎকার শরীর তৈরি হবে।আবার আপনি যদি শুধু ক্যালরিযুক্ত খাবার খেয়েই যান আর কোনো ধরনের ব্যায়াম না করেন তাহলে আপনার শরীরের কিছু অংশে অতিরিক্ত মেদ দেখা দেবে যেমন তলপেটসহ অন্যান্য অংশে কিন্তু আপনার ওজন বাড়াতে খুব একটা সহায়ক ভূমিকা রাখবে না। এজন্য যতটা সম্ভব শারীরিক ব্যায়াম করুন। এতে করে দেহের অতিরিক্ত মেদ নিঃসরণ করে একটা ভালো ওজন পেতে পারেন।

৬. ধূমপান থেকে বিরত থাকুন :
ধূমপান একজন মানুষকে শারীরিকভাবে অসুস্থ করে তোলে। স্বাস্থ্যের ক্ষতিসাধন করে থাকে। এজন্য দেখা গেল যে স্বাস্থ্য বাড়ানোর জন্য আপনি যতটা প্রয়োজন নিয়ম করে খাবার গ্রহণ করলেন কিন্তু পাশাপাশি ধূমপান চালিয়ে গেলেন। এতে করে আপনার কোনো ধরনের ইতিবাচক ফলাফল আসবে না। এর জন্য আপনি যদি ধূমপায়ী হয়ে থাকেন আর ওজন বাড়াতে চান তাহলে আজই ধূমপান ত্যাগ করুন।

সূত্র - প্রিয়.কম

Photos 16/05/2017

মাংসের বিকল্প হিসাবে প্রোটিনযুক্ত খাবার

আমাদের মাঝে এমন অনেকেই আছেন যারা মাংস খান না বা কোন শারীরিক সমস্যার কারণে খেতে পারেন না। মাংস বা মাছ প্রোটিনের বড় একটি প্রাণীজ উৎস তাই মাংসের বিকল্প কিছু খাবারের চিন্তা করতেই হয়। তবে উদ্ভিদ উৎস থেকে প্রাপ্ত কিছু খাবারে প্রায় মাংসের সমতুল্য প্রোটিন পাওয়া সম্ভব।

পালং শাক

এতে থাকে প্রচুর পরিমানে প্রোটিন। আধা কাপ রান্না করা পালং শাকে থাকে প্রায় ৩ গ্রামের মত প্রোটিন। তবে রান্না করার সময় খেয়াল রাখতে হবে যেন অবশ্যই পুষ্টি মূল্য অক্ষুণ্ণ থাকে।

ব্রকলি

এক পরিবেশন ব্রকলিতে আছে ২ গ্রাম এর মত প্রোটিন। এছাড়াও এতে রয়েছে প্রচুর খাদ্য আঁশ। বিভিন্ন ভাবে এই ব্রকলি রান্না করা যায়।একেক দিন একেক ভাবে রান্না করে খেলে আর বিরক্তি আসবে না।

আলু

জেনে অবাক হবেন যে একটি মধ্যম আকৃতির রান্না করা আলুতে (১৭০গ্রাম) থাকে ৪ গ্রাম প্রোটিন। তাই বেশি প্রোটিন পেতে বেক করে বা রান্না করে আলু খেতে পারেন। তবে যাদের অতিরিক্ত ওজনের সমস্যা আছে তাদের আলু না খাওয়াই ভালো।

মটরশুঁটি

মটরশুঁটিতেও রয়েছে প্রচুর প্রোটিন। আধা কাপ মটরশুঁটিতে থাকে ৩.৫ গ্রাম প্রোটিন। একটি প্রোটিন সমৃদ্ধ সঠিক সুষম খাবার তৈরি করতে মটরশুঁটি দিয়ে তৈরি করতে পারেন সূপ। শুধু মটরশুঁটি সেদ্ধ বা অন্যান্য সবজির সাথে রান্না করেও খেতে পারেন।

মিষ্টি কুমড়ার বিচি

মিষ্টি কুমড়ার বিচিতেও রয়েছে যথেষ্ট পরিমানে প্রোটিন। ১ কাপ বিচিতে রয়েছে ১২ গ্রাম প্রোটিন। এই বিচি শুধু ভেজেও খেতে পারেন আবার সালাদে দিয়েও খেতে পারেন।

ভুট্টা

আধা কাপ ভুট্টাতে থাকে ৮ গ্রাম প্রোটিন।ভুট্টা দিয়ে সালাদ, সুপ বা শুধু সেদ্ধ করেও খেতে পারেন।

যদিও এক পরিবেশন মাংসে(৮৬ গ্রাম)থাকে ২৩ গ্রাম প্রোটিন তবে উদ্ভিদ উৎস থেকে প্রাপ্ত এসব প্রোটিন যদি কয়েকটির সমন্বয়ে খাওয়া যায় তাহলে মাংসের চেয়ে বেশি প্রোটিন পাওয়া সম্ভব।

সয়া বিন ও ডাল বীজ

আধা কাপ পরিপক্ক সয়াবিনে থাকে প্রায় ১৪.৫ গ্রাম প্রোটিন। এছাড়া আধা কাপ কিডনি বিনে ৯ গ্রামের মত প্রোটিন। মুগ ডালে থাকে ৮ গ্রামের মত প্রোটিন।

এই খাবার গুলো খুব ভালো ভাবেই আপনার প্রোটিনের চাহিদা পূরণ করতে সম্ভব।

Photos 16/05/2017

খালি পেটে যে খাবারগুলি ভুলেও খাবেন না

ক্ষুধার পেটে পৃথিবী যতই গদ্যের মতো হোক৷ পূর্ণিমার চাঁদকে ঝলসানো রুটির মতো যতই দেখতে লাগুক৷ সামনে যা পাবেন, তাই যদি খেয়ে বসেন তাহলেই বিপত্তি৷ এক্ষেত্রে জ্ঞানীগুণীদের কথা মেনে চলতেই পারেন৷ কারণ স্বাস্থ্য যেমনই হোক সুস্থ আপনি খালি পেটে এই জিনিসগুলি না খেয়েই থাকতে পারেন৷

১) মিষ্টিঃ মিষ্টি শরীরে শর্করার পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়৷ এতে পেট সারাদিন ভারী হয়ে থাকে৷

২) ভাজাঃ জিভের পক্ষে যা আরামদায়ক, পেটের পক্ষে নাও হতে পারে৷ তাই খালি পেটে ভাজা খাওয়ার থেকে দূরে থাকুন৷

৩) দুগ্ধজাত দ্রব্যঃ খালি পেটে দুধ, দই কিংবা দুগ্ধজাত দ্রব্য খেলে পাকস্থলীতে হাইড্রলিক অ্যাসিডের পরিমাণ বাড়তে থাকে৷ যার ফলে ল্যাকটিক অ্যাসিডের গুণ কমতে থাকে৷

৪) শসাঃ হজমের জন্য এই ফল অত্যন্ত উপকারী ঠিকই৷ তবে পেট ভরা থাকলে৷ খালি পেটে খেলেই গ্যাস, অম্বল, বুকজ্বালা হতে বাধ্য৷

৫) নাশপাতিঃ নাশপাতিতে ফাইবারের পরিমাণ অতিমাত্রায় থাকে৷ যার ফলে পাকস্থলী ভীষণভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়৷

৬) লেবু জাতীয় ফলঃ লেবু জাতীয় ফলে অ্যাসিডের মাত্রা বেশি থাকে৷ যা খালি পেটে গ্যাসের সৃষ্টি করে৷ এতে হৃৎপিন্ডেরও ক্ষতি হতে পারে৷

৭) কার্বোনেটেড পানীয়ঃ অনেকেরই ধারণা এই ধরনের পানীয়তে গ্যাসের প্রভাব কমে৷ কিন্তু এই পানীয় পাকস্থলীতে অক্সিজেনের পরিমাণ কমিয়ে দেয়৷

8) টমেটোঃ স্যালাত খাবারের সঙ্গে কিংবা পরে যত খুশি খান৷ কিন্তু ভুলেও খালি পেটে খাবেন না এই সবজি৷ টমেটোর ট্যানিক অ্যাসিড থেকে আলসার পর্যন্ত হতে পারে৷

৯) কলাঃ কলায় প্রচুর পরিমাণে ম্যাগনেশিয়াম থাকে৷ খালি পেটে কলা খাওয়া হৃৎপিন্ডের পক্ষে একেবারেই ভাল নয়৷

১০) ঝাল খাবারঃ এর ফলে গ্যাসের প্রবণতা বেড়ে যায়৷ অ্যাসিডও হতে পারে৷

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Telephone

Website

Address


Dhaka
1216