Beauty Cream & Care
We are importing some of the brand health care product
13/03/2021
▶মূল্য:800(400)টাকা
▶ক্যাশ অন ডেলিভারি ঢাকার মধ্যে ডেলিভারি চার্জ 60 টাকা এবং ঢাকার বাহিরে 100 টাকা ডেলিভারি চার্জ। ফোনে অর্ডার করতে পারেন ফোন: 01671017225 (9AM-10PM)
▶ ঢাকার বাহিরে কুরিয়ার চার্জ 100 -টাকা বিকাশ করে বুকিং কনফার্ম করার পর কুরিয়ারে মাল প্রেরণ করা হয়।
▶Golden Pearl ফেস বিউটি ক্রিম ব্যবহারে ব্যবহারে আপনার ত্বক হয়ে উঠবে লাবন্যময়,উজ্জ্বল ও ব্রন হীন ত্বক আরও উজ্জ্বল আরও ফর্সা
▶আপনার মুখের ব্রণ, কালো দাগ, মেছতা, বলিরেখা, ডার্ক সার্কেল দূর করে
▶ #উপকারিতাঃ
১।ব্রন দূর করে।
২।ব্রনের দাগ দূর করে।
৩।ত্বক ফর্সা করে।
৪।সূর্যের ক্ষতিকর রশ্নি থেকে ত্বককে রক্ষা করবে।
৫।মাএ ৭ দিনে ত্বক উজ্জ্বল,ফর্সা করবে।
৬।এটি oily skin এর জন্য খুবই ভাল।
৭|কোলাজেন উপাদান ভিতর থেকে ফরসা করে।
৮ |ত্বক এ গোল্ডেন ভাব আনে।
▶মেড ইন পাকিস্তান
▶Golden Pearl Beauty Cream makes you so much looking gorgeous that you wont believe. Golden Pearl Beauty Cream is perfect for all types of climate, even in extremities of the same.
▶It removes the prominent pimples,gloom and other acne problems. It protects the face from the aftereffects of the sunlight, harsh and allergic conditions following regular makeup. Rapidly and amazingly it makes the skin soft, tender and glowing.
▶Regular use of Golden Pearl clears the burn and cut marks and other face acnes. In summer due to sunlight, dust, pollution and perspiration the skin especially of the face darkness and layer of dust wraps over the face and the neck in particular.
▶Golden Pearl Beauty Cream removes the layer of the dust and makes the skin look fresh and healthy.
Happy New Year to everyone on the other side! it's crazy to think there's people already in 2016 while i'm still here in 2015!!
24/09/2015
🐮🐮🐮 সবাইকে পবিত্র ঈদের শুভেচ্ছা🐮🐮🐮
08/09/2015
❄❄❄❄❄ রূপচর্চায় ভিটামিন ই ক্যাপসুল ব্যবহারের সহজ কিছু উপায় ❄❄❄❄❄
ভিটামিন ই ক্যাপসুল, ছোটছোট সবুজ রঙের স্বচ্ছ ক্যাপসুল যা সব ফার্মেসিতে পাওয়া যায়। আর চুল বা ত্বকের কোন সমস্যা দেখা দিলেই যেগুলো আমাদের অনেকেই ডাক্তারের সাথে কোন কথা না বলে (অথবা কোন বড় আপু, চাচি, মামি, খালার কথা শুনে। এই কেসটাই বেশি দেখি) নিজে নিজেই মুড়ি মুড়কির মত খেতে পছন্দ করেন! মনে করেন সকাল বিকাল ভিটামিন ই খেলেই দুই তিনদিনে মসৃণ উজ্জ্বল ত্বক আর মাথা ভর্তি চুল হয়ে যাবে আপনার! পুরো ধারণাটাই ভুল। প্রেসক্রিপশন ছাড়া ভিটামিন ক্যাপসুল খাওয়ার অভ্যাস খুব অল্প সময়ে প্রেশারের জটিলতা, অতিরিক্ত ওজন, হরমোনাল ইম্ব্যালান্স সহ আরও অনেক জটিল সমস্যা তৈরি করে। তাই মনে করবেন না এখন চুল পড়ার সমস্যায় ভিটামিন ই ক্যাপসুল খেয়ে ডাক্তারের অনেকগুলো খরচ বাঁচিয়ে ফেললেন, নিজের কাছের মানুষের জীবনে ঘটে যাওয়া করুণ এক্সপেরিএন্স থেকে বলছি, এমন কাজ করলে পস্তাতে আপনাকে হবেই।
আমি শুরুতেই সবাইকে সাবধান করে দিতে পছন্দ করি। কারণ অনেকেই প্রেসক্রিপশন ছাড়া ওষুধের ঝুঁকি গুলো এমন একটা লেভেলে তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করেন যেন ডাক্তারদের এত বছরের অভিজ্ঞতা, পড়াশোনার কোন মূল্যই নেই! তাই আজ আরেকবার আপনাদের এই ব্যাড প্র্যাকটিসের ভবিষ্যতের কথা মনে করিয়ে দিয়ে আজকের লেখায় জানাবো টপাটপ ট্যাবলেট খেয়ে কম কষ্টের ঝুঁকিপূর্ণ পথ ছাড়াও আপনি কীভাবে এই অতি সহজলভ্য ভিটামিন ই ক্যাপসুলের সাহায্যে পেতে পারেন সুন্দর সুস্থ ত্বক, চুল, নখ ইত্যাদি। পড়তে থাকুন-
কী লাগবে?
কনফিউশন দূর করার জন্য আরেকবার বলে দেই-
আমি কোন কসমেটিক শপে পাওয়া চাইনিজ স্কিন বা হেয়ার ক্যাপসুলের কথা বলছি না। আমি ফার্মেসিতে যে ভিটামিন ই পাওয়া যায় সেই ক্যাপসুলের কথা বলছি, যেগুলো খাওয়া হয়।
এগুলো সবুজ হয় আর হাই পাওয়ারের গুলো কমলা হয়। কমলাটার দরকার নেই। নিচে যে কাজগুলো করতে বলব তা যদি কেউ ট্রাই করতে চান সবুজটাই যথেষ্ট।
আর যারা আর্টিকেল পড়ার আগেই প্রশ্ন করবেন-
‘খাওয়ার জিনিস কি মুখে দেয়া যায়?’ তাদের জানিয়ে দিচ্ছি যে, খাওয়ার ক্যাপসুল মুখে, চুলে, হাতে,পায়ে সবখানে মাখা যায়। কারণ এগুলো নির্ভেজাল। সাইড ইফেক্ট হবার সম্ভবনা নেই বললেই চলে।
কীভাবে ব্যবহার করবেন ভিটামিন ই?
নিচের প্রতিটা টিপসের জন্যই ক্যাপসুল ফুটো করে ফেললে যে তেলটা পাওয়া যায় সেটা আমরা ব্যবহার করব। যেহেতু একটা ক্যাপসুল ফুটো করলে প্রায় আধা চা চামচ তেল পাওয়া যায় আর ভিটামিন ই তেল খুবই ভারী হয় সুতরাং আপনারা একটা ক্যাপসুলের তেল দিয়ে নিজের ত্বকের ধরন বুঝে যেখানে যতটুকু লাগে ব্যবহার করবেন। কিন্তু ড্রাই, আর নরমাল স্কিনের কিন্তু পোয়া বার! আপনাদের জন্য এই ভারী ভিটামিন ই তেল কম খরচেই লাক্সারিয়াস বিউটি ট্রিটমেন্টের রেজাল্ট দেবে… so, go crazy!
১। ভিটামিন ই স্কিন সিরাম-
দি বডি শপের একটা ভিটামিন ই ফেসিয়াল সিরাম আছে। বাজি রেখে বলতে পারি ভিটামিন ই ক্যাপসুল যদি আপনি ত্বকে ব্যবহার করেন তবে বডি শপের সিরামের মতই রেজাল্ট পাবেন। ড্রাই আর নরমাল স্কিনের অধিকারীরা ভিটামিন ই তেল ত্বকে ফোঁটা ফোঁটা লাগিয়ে হালকা হাতে ম্যাসাজ করে বসিয়ে দিন। আর তৈলাক্ত ত্বকের পাঠকরা, আপনাদের জন্য তেলটা খুবই ভারী হবে। তাই মাত্র এক ফোঁটা তেল প্রথমে দুই হাতে নিয়ে ঘষুন, এরপর হাত দুটো মুখে ৫ সেকেন্ড চেপে ধরুন। হয়ে গেল আপনার সিরাম লাগানো। এভাবে ভিটামিন ই ব্যবহার করলে আপনার আর অন্য কোন নাইট ক্রিম বা সিরাম ব্যবহারের দরকার পড়বে না। আর এই টিপসে সবচেয়ে বেশি উপকার পাবেন একটু বয়স্করা। কারণ আপনাদের ত্বকের ফাইন লাইন দূর করতে ভিটামিন ই খুবই ভালো হবে।
২। ভিটামিন ই হেয়ার সিরাম-
চুল পড়ে যাওয়া বন্ধ করতে আর রিবনডেড বা কালারড চুলের যত্নে ভিটামিন ই খুবই ভালো হবে। বেশি উপকার পেতে ২-৩ টি ক্যাপসুল ভেঙ্গে ভারী তেলটা একটা পাত্রে নিয়ে স্ক্যাল্প আর চুলে লাগিয়ে নিন। সারারাত রেখে পরদিন ধুয়ে ফেলুন। যদি আপনার মনে হয় এই ট্রিটমেন্টটা আপনার জন্য বেশি ভারী হয়ে যাচ্ছে, শ্যাম্পু করলে যাচ্ছে না তবে এক টেবিল চামচ নারকেল তেলের সাথে ১ টা ক্যাপসুল ভেঙ্গে ব্যবহার করুন। খুব সহজে শ্যাম্পু করতে পারবেন।
৩। ভিটামিন ই নাইট ক্রিম-
জানি ১ম টিপস টা ট্রাই করতে অনেকেই ভয় পাবেন। কারণ ফেসিয়াল অয়েল জিনিসটা এখনও এদেশে তেমন জনপ্রিয় না। তাদের জন্য এই টিপস। আপনার পছন্দের নাইট ক্রিম বা হালকা বেবি ক্রিম নিন। এবার এই কৌটায় ১-২ টি ক্যাপসুলের তেল ভালোভাবে মিশিয়ে নিন। এবার এই ক্রিম রেগুলার ব্যবহারে আপনি এক্সট্রা ভিটামিন ইর গুণটা পাবেন। একই ভাবে আপনার প্রিয় বডি লোশনেও ভিটামিন ই ক্যাপসুল ভেঙ্গে মিশিয়ে ব্যবহার করতে পারেন।
৪। কনুই আর হাঁটুর জেদি কালো দাগ দূর করতে-
দীর্ঘদিনের পুরনো স্কিন ড্যামেজের দাগ দূর করতে ভিটামিন ইর কোন তুলনা নেই। আপনার কনুই আর হাঁটুতে যদি এমন দাগ থাকে তবে রেগুলার ১ টা ক্যাপসুলের তেল নিয়ে বা মুখে ব্যবহার করার পর অতিরিক্ত যে তেলটুকু বাকি থাকে তা কনুই আর হাঁটুতে লাগান। ২-৩ সপ্তাহের ব্যবহারে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন দেখতে পাবেন!
৫। মসৃণ, গোলাপি ঠোঁট পেতে-
মুখে, হাতে পায়ে লাগিয়ে যেটুকু তেল থাকবে সেই তেলের ফোঁটাটা ঠোঁটে ভালো ভাবে লাগিয়ে ঘুমিয়ে পড়ুন। কালো , ফাটা ঠোঁটের যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পাবেন। আপনার পছন্দের লিপবাম বা ভ্যাস্লিনের সাথে ক্যাপসুল ভেঙ্গে মিশিয়ে সেটাও রেগুলার ব্যবহার করতে পারেন।
৬। চোখের নিচের কালো দাগ দূর করতে-
অনেকেই আছেন যারা চোখের নিচের কালো দাগ দূর করতে খাটি বাদাম তেল ব্যবহার করেন। তার সাথে যদি ভিটামিন ই তেল মিশিয়ে নেন তবে খুবই কম সময়ে ভালো ফল পাবেন। সাজগোজে এর আগে ভিটামিন ই তেল দিয়ে অ্যান্টি ডার্ক সার্কেল সিরাম রেসিপি দিয়েছিলাম। সেটাও ফলো করতে পারেন।
৭। অনেক পুরনো কাটা দাগ অথবা ব্রনের দাগ দূর করতে-
আপনার ত্বকে যদি অনেক পুরনো কাটা দাগ, ব্রনের দাগ বা পক্সের দাগ থাকে তবে রেগুলার সেই দাগে এক দুই ফোঁটা করে ভিটামিন ই তেল লাগিয়ে রাখুন। ধীরে ধীরে একটু হলেও দাগটা হালকা হবে। এধরনের দাগ হালকা করতে ভিটামিন ই তেল খুবই কার্যকরী।
এগুলো স্কিন আর হেয়ার কেয়ারে ভিটামিন ই ব্যবহারের কিছু ফুলপ্রুফ ওয়ে । এতে করে কিছু না বুঝে শুনে ক্যাপসুল না খেয়ে ভিটামিন ইর উপকার আপনি পাবেন। আর যদি খেতেই চান তবে ক্যাপসুল না খেয়ে ভালো সুষম খাবারের মাধ্যমে ভিটামিন ই শরীরে দেয়ার চেষ্টা করুণ। শাক সবজি, বাদাম, ডিম ইত্যাদি বেশি করে খান। ত্বক আর চুল তো ভালো থাকবেই আর কোন এক্সট্রা ঝুঁকিও নিতে হবে না।
লিখেছেনঃ মীম তাবাসসুম
07/09/2015
▶মূল্য:২৭০টাকা
▶ আজ থেকে ক্যাশ অন ডেলিভারী বন্ধ ঈদের পর আবার চালু হবে। ঢাকার বাহিরে ৬০ টাকা ডেলিভারী চার্জ। ফোনে অর্ডার করতে পারেন ফোন: 01671017225 11AM-10PM
▶Golden Pearl ফেস বিউটি ক্রিম ব্যবহারে ত্বক হবে আরও উজ্জ্বল আরও ফর্সা
▶আপনার মুখের ব্রণ, কালো দাগ, মেছতা, বলিরেখা, ডার্ক সার্কেল দূর করে
▶প্রতি প্যকেটের সাথে একটি ফেস ওয়াশ মিনিপ্যাক ফ্রি.....
▶মেড ইন পাকিস্তান
▶Golden Pearl Beauty Cream makes you so much looking gorgeous that you wont believe. Golden Pearl Beauty Cream is perfect for all types of climate, even in extremities of the same.
▶It removes the prominent pimples,gloom and other acne problems. It protects the face from the aftereffects of the sunlight, harsh and allergic conditions following regular makeup. Rapidly and amazingly it makes the skin soft, tender and glowing.
▶Regular use of Golden Pearl clears the burn and cut marks and other face acnes. In summer due to sunlight, dust, pollution and perspiration the skin especially of the face darkness and layer of dust wraps over the face and the neck in particular.
▶Golden Pearl Beauty Cream removes the layer of the dust and makes the skin look fresh and healthy.
06/09/2015
❄❄❄জেনে নিন কিভাবে ঘরে তৈরি করবেন হারবাল ড্রাই ফেস ওয়াশ ❄❄❄
একবিংশ শতাব্দীর নারী-পুরুষ উভয়েই ব্যস্ত সময় কাটান। তাদেরকে ঘরে-বাইরে সমান তালে কাজ করতে হয়। বাইরের ধুলা-ময়লা, আবর্জনা, দূষণ, সূর্য রশ্মি; ঘরের ভেতরেও চুলার তাপ ও কম্পিউটার, ল্যাপটপ বা স্মার্ট ফোনের ব্যবহারে চেহারাতে নানা রকম ক্ষতিকর প্রভাব পড়ে। সে জন্য মুখের ত্বককে নিয়মিত পরিষ্কার করা জরুরি, না হলে ময়লা জমে লোমের গোড়া বন্ধ করে দেয়; ফলে ব্রণ, ব্ল্যকহেডস, হোয়াইট হেডস সহ আরো অনেক রকম সমস্যা দেখা দেয়। বাজারে প্রাপ্ত ফেস ওয়াশগুলো আপনার কোমল ত্বকের জন্য আরো ক্ষতিকর ।তাই চলুন আজ জেনে নিই ঘরে বসে ফেস ওয়াশ বানানোর রেসিপি। আপনাদের সুবিধার্থে কোন উপাদান কোথায় পাওয়া যাবে তাও জানিয়ে দেওয়া হল-
উপকরণ ও প্রাপ্যতাঃ
১/ বেসন -দেড় কাপ।(মুদি দোকানে পাওয়া যায়,আপনি চাইলে কয়েক রকম ডাল মিশিয়ে সেগুলো গুঁড়ো করে নিজের বেসন বানিয়ে নিতে পারেন)
২/ আতপ চালের গুঁড়া-১/৪ কাপ।(মসলা যেখানে ভাঙ্গানো হয় সেখানে কিনতে পাওয়া যায়, না পেলে চাল কিনে মিহি গুঁড়া করে নিন)
৩/ মিল্ক পাউডার-১/৪ কাপ।(সুপার শপ/মুদি দোকান)
৪/ হলুদ গুঁড়া-১ চা চামচ। (নিজে গুঁড়া করিয়ে নিতে পারেন বা রেডিমেড প্যাকও কিনতে পারেন, রাঁধুনি/এসিআই/প্রাণ সহ অনেক ব্র্যন্ড রয়েছে)
৫/ গ্লুকোজ পাউডার-১/৮ কাপ। (ফার্মেসিতে বললেই পেয়ে যাবেন)
৬/ লাল আটা বা ময়দা-১/২ কাপ।(সুপার শপ/মুদি দোকান)
৭/ কাঠ বাদাম গুঁড়া-২ টেবিল চামচ।(ঐচ্ছিক,না দিলেও চলবে। পাওয়া যাবে মসলার দোকানে/সুপারশপে)
৮/ নিমপাতা গুঁড়া-১ টেবিল চামচ।(যাদের ব্রণের সমস্যা আছে শুধু তারা ব্যবহার করবেন)
৯/ পরিষ্কার এয়ার টাইট পাত্র
১০/ফেস প্যাক
প্রস্তুত প্রণালী ও ব্যবহারঃ
>যে সব উপকরণের কথা বলা হয়েছে সেগুলো আলাদা আলাদা পাত্রে রাখুন।
>সব উপাদান যেন মিহি ও পরিষ্কার হয় সেদিকে খেয়াল রাখবেন।
>তারপর একটা বড় পাত্রে সব গুলো উপকরণ ভালো ভাবে মিশিয়ে নিন।
>তারপর এয়ার টাইট পাত্রে সংগ্রহ করুন। খেয়াল রাখবেন বাতাস ও পানির সংস্পর্শে যেন না আসে, শুকনো জায়াগার রেখে দিন।
>প্রতিদিন মুখ ধোয়ার সময় পানি / গোলাপ পানি (তৈলাক্ত ত্বক হলে) অথবা কাঁচা দুধ (শুষ্ক ত্বক হলে) দিয়ে গুলিয়ে ফেস ওয়াশের মত ম্যাসাজ করে ধুয়ে ফেলুন। ফেস প্যাকের মত লাগিয়ে রাখার দরকার নাই।
> এর পর পানির ঝাপটা দিয়ে ধুয়ে ফেলুন, আর দেখুন প্রকৃতির কারিশমা ।
বিঃদ্রঃ ১ মাসের মত ভালো থাকবে এ ফেসওয়াশ। আপনি চাইলে বেশি করে বানিয়ে রেফ্রিজারেটরেও রেখে দিতে পারেন। রেফ্রিজারেটরে ৬ মাসেরও বেশি সময় ভালো থাকবে।
05/09/2015
ঢাকার বাহিরে যারা তারা অনেকেই মনে করছে যে আগে টাকা দিলে আমরা প্রডাক্ট পাঠাব, নাকি তাদের টাকা জলে যাবে।এবং ফোন করে প্রশ্ন করছে যে আগে টাকা দিতে হবে নাকি প্রডাক্ট হাতে পাওয়ার পর টাকা দিব তাদের সবার অবগতির জন্য জানান যাচ্ছে যে,আপনি যদি ঢাকার বাহিরে থেকে আমাদের পন্য নিতে চান তাহলে আপনাকে অবশ্যই আগে টাকা বিকাশ করে অর্ডার কনর্ফাম করতে হবে তারপর আমরা কুরিয়ারে আপনার পন্যটি পাঠিয়ে দিব।আমরা যে কুরিয়ার করি তার কিছু স্যাম্পল দেখুন । আমরা ১ সপ্তাহের ভিতর ২০০ প্লাস প্রডাক্ট ডেলিভারী দিতে পেরেছি
03/09/2015
অতিরিক্ত পরিমান অর্ডার হওয়ার কারনে আমরা সবাইকে প্রডাক্ট দিতে পারিনি বলে আমরা আন্তরিক ভাবে দুখিত।আশা করি শনি-রবি বারের ভিতরে সবাইকে প্রডাক্ট দিতে পারব।
মুখের কালো দাগ,ব্রণের দাগ দূর করে ২০ মিনিটে রঙ ফর্সা করুন খুব সহজে!
30/08/2015
❄❄❄❄❄❄❄ জেনে নিন পার্ল ফেসিয়াল করার নিয়ম❄❄❄❄❄❄❄
পার্ল ফেসিয়াল বর্তমানে বহুল আলোচিত। সব মেয়ের মুখেই শোনা যায় এই পার্ল ফেসিয়ালের কথা। এই ফেসিয়াল এখন গোল্ড ফেসিয়াল বা ফ্রুট ফেসিয়ালের মতই জনপ্রিয়। পার্ল ফেসিয়াল করতে হলে সব সময় যে পার্লারে যেতে হবে তা নয়। ঘরে বসেই আপনি করতে পারেন এই পার্ল ফেসিয়াল আর আনতে পারেন আপনার চেহারায় এক অপরূপ লাবণ্য।
পার্ল ফেসিয়ালের কিছু উপকারীতাঃ
• এটি ত্বক করে তোলে উজ্জ্বল ও প্রাণবন্ত
• বয়সের ছাপ দূর করে
• ত্বক করে তোলে কোমল ও স্নিগ্ধ
পার্ল ফেসিয়ালের জন্য প্রয়োজনীয় উপকরণঃ
• পার্ল ক্রিম
• পার্ল পাউডার
• ফ্রেশ ক্রিম
• ক্লিঞ্জার
• দুধ
• পানি / গোলাপজল
• তেল(শুষ্ক ত্বকের জন্য অলিভওয়েল ভালো)
• মধু
• ডিম
• লেবুররস
• টোনার
পদ্ধতিঃ
• পার্ল ফেসিয়াল করতে হলে প্রথমেই আপনাকে যেটা করতে হবে তাহল খুব ভালো ও উন্নতমানের পার্ল পাউডার ও পার্ল ক্রিম কেনা। এই দুটি প্রসাধনী আপনি মার্কেট থেকে কিনে নেবেন।
• এখন আপনার মুখমণ্ডল ক্লিঞ্জার দ্বারা ভালো মত পরিষ্কার করুন। আপনি একটি তুলা দুধের মধ্যে ডুবিয়ে তা দিয়ে মুখমণ্ডল পরিষ্কার করতে পারেন। বেসন ও দুধের মিশ্রণ-ও একটি ভালো ক্লিঞ্জার হিসেবে কাজ করে।
• এবার পার্ল পাউডারের একটি পেস্ট প্রস্তুত করুন। এর জন্য পার্ল পাউডার পানি অথবা গোলাপজলের সাথে মিশিয়ে নিন। যদি আপনার ত্বক শুষ্ক হয় তবে কয়েক ফোঁটা অলিভ অয়েল মেশান।
• এবার পেস্টটি আপনার মুখমণ্ডলে ৫ মিনিটের মত ম্যাসাজ করুন এবং আরো ৫ মিনিট মুখে রাখুন। এবার পরিষ্কার পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন।
• এবার মুখ মুছে পার্ল ক্রিম লাগান। আলতো ভাবে লাগাবেন। খুব বেশি জোরে ঘষবেন না। এতে মুখ লাল হয়ে যেতে পারে। ক্রিম দিয়ে মুখ প্রায় ৫ মিনিট আলতো ভাবে ম্যাসাজ করুন।
• এপর্যায়ে মাস্ক প্রস্তুত করুন। যদি আপনি বয়সের ছাপ থেকে মুক্তি পেতে চান তবে ডিম ও মধু মেশান এবং তার সাথে লেবুর রস ও এক চামচ পার্ল পাউডার মেশান। এই মাস্ক টি ধীরে ধীরে মুখে লাগান। দাগ থেতে মুক্তি পেতে চাইলে ফ্রেশ ক্রিমের সাথে ১ চামচ পার্ল পাউডার মেশান। মিশ্রণটি শুকিয়ে গেলে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।
ফ্রেশ ক্রিম প্রস্তুত করা কোন কঠিন কাজ নয়। ফ্রেশ ক্রিম পেতে হলে দুধ জ্বাল দিন ঘনকরে এবং তার থেকে সর নিয়ে ফ্রিজে রেখে দিন। এভাবে প্রায় ১ দিন ফ্রিজে রাখলে আপনি ফ্রেশক্রিম পাবেন। তবে সর অল্প পরিমাণ হলে ১ দিন রাখার দরকার নেই। কয়েক ঘণ্টাতেই হয়ে যাবে। সবশেষে টোনার লাগিয়ে নিতে ভুলবেননা। জেনে নিলেন কিভাবে পার্ল ফেসিয়াল করতে হয়। তবে আর দেরী কেন? এখন-ই করুন ঘরে বসে পার্ল ফেসিয়াল আর আপনার ত্বকে নিয়ে আনুন মাধুর্য।
বিঃদ্রঃ যাদের সেনসিটিভ ত্বক তাদের জন্য এই ফেসিয়াল উপযোগী নয়।
লিখেছেনঃ পাপিয়া সুলতানা
Click here to claim your Sponsored Listing.
Contact the business
Telephone
Website
Address
Badda
Dhaka
1212
