Healthy Life
যত্নে থাকুক আমাদের মানসিক স্বাস্থ্য❤️
31/08/2025
কিছুদিন আগে একজন ফার্মাসিস্ট আমাকে কল দিলেন। ছবিটা হোয়াটসঅ্যাপে পাঠিয়ে বললেন উনার মেয়ের শরীরে এরকম সমস্যা। বললাম impetigo হতে পারে। এটা এক ধরনের ব্যাকটেরিয়া জনিত রোগ, যা বাচ্চাদের কমনলি হয়।
একটা ক্রিম দিলাম ব্যবহার করার জন্য। ভালো না হলে সরাসরি সাক্ষাৎ করতে বললাম।
আজকে নিয়ে আসলো। ভালো হয়নি, ঔষধ ব্যবহারের পর আগের মতোই আছে।
একটা প্রশ্ন করলাম-আপনার বাসায় বিড়াল আছে, আপনার মেয়ে বিড়াল পোষে? বললো হ্যা।
ডায়াগনোসিস হয়ে গেলো। রোগটা Cat Scratch Disease. বিড়ালের আচরে/সংস্পর্শে হয়। এজন্যই impetigo'র চিকিৎসায় ভালো হয়নি। আশা করি এখন ঠিক হয়ে যাবে। মূলকথা-যেকোন সমস্যায় সরাসরি চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
ডা. মোঃ ফারুক প্রধান
এমবিবিএস, বিসিএস, এফসিপিএস(কোর্স)
বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়(পিজি হাসপাতাল)
©ডাঃ মোঃ ফারুক প্রধান
"মুমিন কখনো খোটাদানকারী, অভিশাপকারী,নির্লজ্জ ও অশ্লীলভাষী হয়না।"
(তিরমিযী : ১৯৭৭)
20/08/2025
#গর্ভাবস্থায় ডাবের পানি পান করা কি নিরাপদ?
হ্যাঁ, গর্ভাবস্থায় ডাবের পানি পান করা সম্পূর্ণ নিরাপদ এবং খুবই উপকারী।
গর্ভাবস্থায় ডাব খাওয়ার কিছু উল্লেখযোগ্য উপকারিতা ও সতর্কতা নিচে দেওয়া হল:
উপকারিতাগুলো:
১. ইলেক্ট্রোলাইটের ভারসাম্য রক্ষা: ডাবের পানিতে প্রাকৃতিকভাবে ইলেক্ট্রোলাইট (যেমন: পটাশিয়াম, সোডিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম) থাকে যা গর্ভাবস্থায় ডিহাইড্রেশন রোধ করে এবং শক্তি বাড়ায়। মর্নিং সিকনেস বা বমি বমি ভাব হলে এটি খুব উপকারী।
২. পুষ্টির উৎস: এতে ভিটামিন সি, বি ভিটামিন, ক্যালসিয়াম, রিবোফ্লেভিন ও ফাইবার থাকে।
৩. হজমশক্তি উন্নত করে: ডাবের পানি হজমে সহায়তা করে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে helps করে, যা গর্ভাবস্থায় একটি সাধারণ সমস্যা।
৪. ইউটিআই প্রতিরোধে helps: ডাবের পানি প্রাকৃতিক মূত্রবর্ধক হিসেবে কাজ করে, যা মূত্রনালীর সংক্রমণ (UTI) প্রতিরোধে helps করে এবং শরীর থেকে টক্সিন বের করতে সাহায্য করে।
৫. অ্যামনিওটিক ফ্লুইড বৃদ্ধি: কিছু বিশেষজ্ঞের মতে, ডিহাইড্রেশন দূর করে ডাবের পানি অ্যামনিওটিক ফ্লুইডের মাত্রা ঠিক রাখতে সাহায্য করতে পারে।
সতর্কতাগুলো:
১. পরিমিত পরিমাণে খান: যেকোনো জিনিসের মতোই ডাবের পানিও পরিমিত পরিমাণে পান করা উচিত। দিনে একটি মাঝারি আকারের ডাবের পানি যথেষ্ট।
২. গর্ভাবস্থার প্রথম দিকে: কারো কারো ক্ষেত্রে গর্ভাবস্থার প্রথম তিন মাসে (ফার্স্ট ট্রাইমেস্টারে) ডাবের পানি ঠান্ডা প্রকৃতির হওয়ায় তা সামান্য discomfort করতে পারে। তবে এটি সবার ক্ষেত্রে হয় না। যদি কোনো সমস্যা মনে হয়, তবে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
৩. জেস্টেশনাল ডায়াবেটিস: ডাবের পানিতে প্রাকৃতিক চিনি থাকে। তাই যদি আপনার জেস্টেশনাল ডায়াবেটিস থাকে, তবে এটি খাওয়ার আগে ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করুন।
৪. তাজা ডাব বেছে নিন: সব সময় তাজা, স্বাস্থ্যকর ও পরিচ্ছন্নভাবে ডাব খাওয়া উচিত।
সারাংশ: গর্ভাবস্থায় ডাবের পানি একটি প্রাকৃতিক ও পুষ্টিকর পানীয়। তবে আপনার ব্যক্তিগত স্বাস্থ্য (যেমন জেস্টেশনাল ডায়াবেটিস বা অন্য কোনো সমস্যা) বিবেচনা করে এবং আপনার ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে এটি পান করা উচিত।
19/08/2025
✍️ড্রাগন ফল কয়েক রকম হতে পারে। ফলের ভেতর দিকটা হতে পারে সাদা অথবা ম্যাজেন্টা–জাতীয় রঙের। সব ধরনের ড্রাগন ফলই উপকারী। ড্রাগন ফলে আছে কয়েক ধরনের অ্যান্টি–অক্সিডেন্ট উপাদান। আঁশও থাকে বেশ।
✔️কী আছে ড্রাগন ফলে⁉️
☑️প্রতি ১০০ গ্রাম ড্রাগন ফলে আছে ১৫ গ্রাম কার্বোহাইড্রেট এবং ৩ গ্রাম আঁশ।
☑️এই কার্বোহাইড্রেট হলো ফ্রুক্টোজ, অর্থাৎ ফলজ শর্করা। এটি ক্ষতিকর নয়।
☑️১০০ গ্রাম ড্রাগন ফল খেলে আপনি পাবেন ৫০-৬০ ক্যালরি।
☑️একজন প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তির রোজকার চাহিদার ৫ শতাংশ ভিটামিন সি এবং ২ শতাংশ ম্যাগনেশিয়াম পাওয়া যায় ১০০ গ্রাম ড্রাগন ফল থেকে।
☑️এতে আরও থাকে ভিটামিন এ।
☑️ফ্ল্যাভোনয়েডস এবং অন্যান্য অ্যান্টি–অক্সিডেন্টও আছে এতে।
☑️খানিকটা আয়রন আর ক্যালসিয়ামও পাবেন।
19/08/2025
রাতে দাঁত ব্রাশ না করা আপনার ধারণার চেয়ে অনেক বেশি বিপজ্জনক হতে পারে।
১৫০০-র বেশি হাসপাতালে ভর্তি রোগীর উপর করা এক যুগান্তকারী গবেষণায় দেখা গেছে, ঘুমানোর আগে দাঁত ব্রাশ না করলে হৃদরোগ এবং এমনকি অকাল মৃত্যুর ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায়।
গবেষকরা দেখেছেন, শুধু সকালে দাঁত ব্রাশ করা অনেক কম সুরক্ষা দেয়। বরং যারা রাতে দাঁত ব্রাশ করতেন, তাদের হৃদরোগজনিত সমস্যার ঝুঁকি ব্রাশ না করা ব্যক্তিদের তুলনায় প্রায় ৪৫ শতাংশ কম ছিল। শুধু রাতে দাঁত ব্রাশ করা ব্যক্তিদের সামগ্রিক স্বাস্থ্য ছিল সেরা, যাদের বেঁচে থাকার সম্ভাবনার হার ছিল ০.৫৫ থেকে ০.৫৯ এর মধ্যে।
এত গুরুত্বপূর্ণ কেন? কারণ ঘুমের সময় দাঁত না ব্রাশ করলে মুখের ব্যাকটেরিয়া দ্রুত বৃদ্ধি পায় এবং রক্তে প্রবেশ করে, যা সারা শরীরে প্রদাহ সৃষ্টি করে। এই দীর্ঘমেয়াদি প্রদাহ নীরবে রক্তনালী ক্ষতিগ্রস্ত করে এবং হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোকসহ অন্যান্য প্রাণঘাতী রোগের ঝুঁকি বাড়ায়।
ধূমপান এই ঝুঁকিকে আরও বাড়িয়ে দেয়, বিশেষ করে যখন রাতে দাঁত ব্রাশ বাদ দেওয়া হয়।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শোবার আগে দাঁত ব্রাশ করা শুধু প্লাক দূর করা বা মুখের দুর্গন্ধ এড়ানোর জন্য নয়। এটি এক শক্তিশালী প্রতিরোধমূলক অভ্যাস, যা আপনার জীবনকাল বাড়াতে পারে।
তাই পরের বার যখন দাঁত ব্রাশ না করেই শুয়ে পড়ার ইচ্ছে হবে, মনে রাখবেন—আপনার টুথব্রাশই হতে পারে আপনার হৃদয়ের সবচেয়ে বড় রক্ষাকবচ।
©
01/08/2025
হাজার গুণের এক পাতা
মানবদেহে যেসব উপাদানের নিয়মিত প্রয়োজন, তার সবই শজনেপাতায় আছে। এ পাতায় প্ল্যান্ট প্রোটিন ও আয়রনের উপস্থিতি বেশি। এটিকে শুকিয়ে গুঁড়া করে খাওয়া হলে পুষ্টিগুণ ঠিক থাকবে, একদম নষ্ট হবে না।
শজনেপাতা শরীরে সুগারের মাত্রা নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে ডায়াবেটিসের মতো কঠিন রোগের বিরুদ্ধে কাজ করে। নিয়ম করে দৈনিক শজনেপাতার গুঁড়া সেবন করলে শরীরের প্রতিরক্ষাব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করে এবং ‘ইমিউনিটি স্টিমুল্যান্ট’ হিসেবে কাজ করে। এটি শরীরের হজমক্ষমতা বৃদ্ধিতে বিশেষ ভূমিকা রাখে। শরীরের ওজন কমাতে ব্যায়ামের পাশাপাশি নিয়মিত শজনেপাতার গুঁড়া খেলে কার্যকরী ফল মেলে। শজনেপাতা মায়ের বুকের দুধ বৃদ্ধিতে সহায়তা করে কোনো ধরনের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ছাড়াই। ১ টেবিল চামচ শজনেপাতার গুঁড়ায় ১৪ শতাংশ প্রোটিন, ৪০ শতাংশ ক্যালসিয়াম, ২৩ শতাংশ আয়রন বিদ্যমান। ৬ টেবিল চামচ মরিঙ্গা পাউডার একজন অন্তঃসত্ত্বা এবং স্তন্যদায়ী মায়ের প্রতিদিনের আয়রন এবং ক্যালসিয়ামের চাহিদা পূরণ করে। শজনেপাতার গুঁড়ায় অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান। এটি যকৃৎ ও কিডনি সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। সৌন্দর্যবর্ধক হিসেবেও কাজ করে শজনেপাতা। শজনেতে ৯০টিরও বেশি এবং ৪৬ রকমের অ্যান্টি–অক্সিডেন্ট বিদ্যমান। এতে ৩৬টির মতো অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি বৈশিষ্ট্য আছে। এ ছাড়া এটি অকালবার্ধক্যজনিত সমস্যা দূর করে, ক্যানসারের বিরুদ্ধে লড়াই করতে দারুণ কার্যকর।
এখানেই শেষ নয়, শজনেপাতায় রয়েছে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল, অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি এবং অ্যান্টি–অক্সিডেন্ট, যা আপনার কর্মদক্ষতা বৃদ্ধি ও শরীরের বিভিন্ন রোগের বিরুদ্ধে আপনার দেহকে শক্তিশালী করতে সহায়তা করে। নিয়মিত শজনেপাতার পাউডার খেলে আপনার শরীরের রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে। করোনা প্রতিরোধে শজনেপাতা ও ফল উভয় খুব গুরুত্বপূর্ণ।
😞😞
চোখের সামনে কিভাবে সহ্য হবে নিজ সন্তানের এই অবস্থা! একবার নিজের সন্তানকে সেই জায়গায় কল্পনা করলেও তো বুকে ব্যথা হয়।আর ঐসব সন্তান হারানো বাবা মায়ের না জানি কি অবস্থা এখন। 😞
20/07/2025
তেলমশলা ছেড়েও পেটের সমস্যা কমছে না? খাওয়ার পর ৫ অভ্যাসে বদল আনলেই হবে মুশকিল আসান
কেবল স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়াই কিন্তু সব নয়। খাবার খাওয়ার পরে কিছু অভ্যাসের কারণেও কিন্তু হতে পারে বদহজম। জেনে নিন, খাওয়ার পর কোন অভ্যাসগুলি এড়িয়ে চললে মুক্তি পেতে পারেন বদহজমের সমস্যা থেকে?
🌹ধূমপানের অভ্যাস: অফিসের টিফিন সেরেই নিয়মিত নীচে নামেন ধূমপান করতে? এই অভ্যাস কিন্তু খুব খারাপ। এতে হজম ক্ষমতার বারোটা বাজে। অন্ত্রের ক্ষতি হয়। এই অভ্যাসের ফলে পাকস্থলীতে ক্যানসার হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে।
🌹ফল খাওয়ার অভ্যাস: দুপুরের খাবার সেরেই অনেকে ফল খান। এর কারণেও কিন্তু বদহজম হতে পারে। লেবুজাতীয় ফল খেলে এই সমস্যা আরও বেড়ে যায়। বদহজম, বুকে জ্বালা, পেটের গোলমাল হতে পারে।
🌹চা খাওয়া: রাতে কিংবা দুপুরে, ভারী খাবার খাওয়ার পর চা পান করা কিন্তু পেটের স্বাস্থ্যের জন্য একেবারেই ভাল নয়। উচ্চ প্রোটিনযুক্ত খাবার খাওয়ার ঠিক পরেই চা পান করলে হজমে নানা সমস্যা দেখা দিতে পারে। চায়ের মধ্যে প্রচুর মাত্রায় ট্যানিন থাকে, যা খাবারের প্রোটিনের সঙ্গে রাসায়নিক বিক্রিয়া করে এক ধরনের জটিল রাসায়নিক যৌগ তৈরি করে। এই রাসায়নিক যৌগ হজমে সমস্যার সৃষ্টি করে এবং শরীরে আয়রন শোষণে বাধা দেয়।
🌹ঘুম: দুপুরে হোক কিংবা রাতে, খাওয়া সেরেই ঘুমোতে যাওয়ার অভ্যাস থাকলে অবিলম্বে সেটি ত্যাগ করুন। খাওয়ার পর খাবার হজম হওয়ার সময় দিতে হবে। ঘুমিয়ে পড়লে হজমের কাজে ব্যাঘাত ঘটে, পেটের অস্বস্তিও বাড়ে।
🌹স্নান করা: অনেকে রাতে খাওয়াদাওয়ার পর স্নান করে ঘুমোতে পছন্দ করেন। তাতে নাকি ঘুম ভাল আসে। তবে এই অভ্যাসের কারণে কিন্তু ক্ষতি হয়। এর ফলে পেটব্যথা, বদহজম, গ্যাসের সমস্যা হতে পারে। এই অভ্যাসের ফলে বিপাকের হার কমে যায়। আর তাতেই তৈরি হয় সমস্যা। বিশেষ করে ফ্যাট বা রিফাইন করা কার্বোহাইড্রেট বা অতিরিক্ত ফাইবারযুক্ত খাবার খাওয়ার পর স্নান করলে হজম প্রক্রিয়া আরও ধীর হয়ে যায়। তাই পেটের গন্ডগোল হওয়ার সম্ভাবনা অনেকটাই বেড়ে যায়।
Healthy Life
20/07/2025
Healthy Life
আসসালামু আলাইকুম।
শুভ সকাল ❤️
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Dhaka
