It's Emran bro
like করলে
লাইক পাবেন। আমরা নতুন কিছু করার চেষ্টা করছি সব সময়। মূলত আমরা এখন ভ্রমণের ভিডিও করে থাকি
চলেন আজকে থেকে ভূত fm suni প্রতিদিন বাংলাদেশ সময় রাত ১২টায়
Big shout out to my newest top fans! ইমরান হোসেন রাজু মিয়া
02/10/2025
Big thanks to
ইমরান হোসেন রাজু মিয়া
for all your support! Congrats for being top fans on a streak 🔥!
24/07/2025
#ডুবেডুবে ভালোবাসি
পর্ব ১
#মোঃরাজুহোসেন
রাত ২ টা বাজে। ঘুমের ঘোরে মনে হচ্ছে কেউ একজন আমার খুব কাছে তার নি:শ্বাস আমার মুখে পড়ছে।আমার কপালে কারো ঠোঁটের ছোঁয়া পেলাম।বুঝতে পারছি না কি হচ্ছে আমার সাথে।কে আসবে এত রাতে আমার রুমে,,,, আম্মু, আব্বু, নাকি ভাইয়া কিন্তু দরজা তো ভিতর থেকে লক করা।তাহলে কে আসবে, কি করেই বা আসবে।
ঘুমের ঘোরে চোখ খুলতেই পারছি না।অনেক কষ্টে চোখ খুলতেই দেখলাম একজন লোক আমার উপর ঝোকে আছে।ড্রিম লাইটের আলোয় আবচা আবচা দেখা যাচ্ছে। ভয়ে চিংকার করতে যাবো তখনি আমার ঠোঁট চেপে ধরে অনবরত কিস করতে থাকে।শুধু কিস বললে ভুল সাথে কামড় ও দিচ্ছে।হাত পা ঠান্ডা হয়ে জমে গেছে। শরীর অবশ হয়ে গেছে।সব কিছু মাথার উপর দিয়ে যাচ্ছে।হাত দিয়ে জোরে জোরে ধা*ক্কা দিচ্ছি তারপর ও একচুল ও নাড়াতে পারছি না।পিঠে মাথায় খামছি দিচ্ছি তাতেও লোকটার হেলদোল নেই।ব্যথায় চোখ দিয়ে অনবরত জল গড়িয়ে পড়ছে।আর নিতে পারছি না ভয়ে অঙ্গান হয়ে গেলাম।
'' সকালে দরজা খরা নাড়া শব্দে ঘুম ভাঙলো।
---" রিম -- এই রিম এখনো উঠিস নি কটা বাজে কলেজ যাবি না।
উঠে গিয়ে দরজা খোলে দিলাম।আম্মু আমার দিখে চেয়ে বলল,,,,
----" তোর ঠোঁটে কি হয়েছে এরকম ফোলে আছে কেন?
তখনি ঠোঁটে হাত দিতেই ব্যাথা অনুভব করলাম,, কালকের ঘটনা গুলো মনে পড়তেই গলা শুকিয়ে গেল বুঝতে পারলাম না সপ্ন নাকি সত্যি ছিলো।কিন্তু এতটা ভুল হবে।কে লোকটা ছিল। এরপর কি হলো কিছুই তো মনে নেই। না না আর কিছুই ভাবতেই পারছি না।আম্মু আমার উত্তর না পেয়ে,,,
----কিরে কি হইছে,,
-----কই কিছু না তো।কিছুই হয়নি তুমি যাও আমি ফ্রেশ হয়ে নিচে যাচ্ছি।
---" আম্মুকে কিছু না বলেই রুমে চলে আসলাম এসে ভাবতে লাগলাম কে আমার সাথে এমন টা করল।কি করেই বা রুমে ডুকল,, ব্যালকনি দিয়ে। হয়ত তাই কারন আমি কখনো ব্যালকনির দরজা লাগিয়ে ঘুমাই না নিজেই নিজেকে প্রশ্ন করতে লাগলাম।মনের ভিতর হাজারো প্রশ্ন। কোনো কিছুই মাথায় ডুকছে না ভাবতে ভাবতে ওয়াশরুমের গিয়ে ফ্রেশ হয়ে এলাম।তোয়ালে দিয়ে মুখ মুছে আয়নায় দিকে তাকাতেই দেখলাম ঠোঁট অনেকটাই ফুলে গেছে।কালকের কথা মনে পড়লেই শরীর কাটা দিয়ে উঠে।হঠাৎ ড্রেসিং টেবিলের সামনের একটা কাগজ চোখে পড়ল।কাগজটা নিয়ে পড়তে লাগলাম,,,,,
এইটুকুতে এই অবস্থা জানেমান তাহলে আমাদের বাসর ঘরে কি হবে। এটা ছিলো তোমার শাস্তি,,,আমাকে কষ্ট দেওয়ার শাস্তি আমার থেকে দুরে থাকার শাস্তি।এই দুইটা মাস আমি ঘুমোতে পারিনি।তুমি আমাকে ঘুমোতে দাও নি।আমাকে কষ্ট দিয়ে তুমি শান্তিতে ঘুমোচ্ছো।আমার থেকে আর দুরে থাকতে দিব না তোমায়। খুব তারাতারি আমার কাছে নিয়ে আসব।লাভ ইউ মাই সুইটহার্ট।
---চিটিটা পড়ে মুখ হা হয়ে গেছে।সবকিছু যেনো ঘুলিয়ে যাচ্ছে কি হচ্ছে আমার সাথে কিছুই বুঝতে পারছি না। কে এই লোক কি চায় আমার কাছে।সব কিছু মাথার উপর দিয়ে যাচ্ছে।রাগে মাথাটা পেটে যাচ্ছে উনার ঘুমে কি মই দিয়ে এসছি নাকি। কতোবড়ো সাহস আমার রুমে এসে আমাকে ইয়ে করে ওকে তো আমি সামনে ফেলে চিবিয়ে খাবো।কিন্তু বুঝতে পারছি না লোকটা কে আমার তো তেমন কারো সাথে দেখা হয়নি।ভাবতে ভাবতে আম্মু আবার ডাকছে নাস্তা করার জন্য।
--- নিচে ডাইনিংয়ে গিয়ে দেখলাম আব্বু, ভাইয়া নাস্তা করছে আর আম্মু খাবার সার্ভ করছে।(আমার পরিচয়টা দিয়ে দেই আমার নাম রিম।আমি ইন্টার সেকেন্ড ইয়ার পড়ছি।আমি খুবি শান্ত একটা মেয়ে বললে ভুল হবে একটু আকটু দুষ্টুমি করি।আমাদের সিঙ্গেল পরিবার বাবা মা, ভাইয়া( রিয়াদ) আর আমি।আমাদের ব্যবসা আছে ওইটা আব্বু আর ভাইয়া দেখাশুনা করে)
---" যাই হোক গিয়ে বসলাম নাস্তা
করতে।বুঝতে পারছি না ঘটনা টা সবাইকে বলব কি না।বললে অযতা টেনশন করবে থাক বলি না হয়ত কেউ মজা করছে।কিন্তু কালকের ঘটনা তো মজা হতে পারে না।এসব ভাবছি ভাইয়ার ডাকে ঘোর কাটে,,
-----কি হয়েছে না খেয়ে খাবার নাড়ছিস কেন?আর কি এত ভাবছিস?
----না কিছু হই নি।
বলে খাবার খেতে শুরু করলাম।
পাশ থেকে আব্বু বললেন,,,
-----জ্বর এসছে নাকি মামনি।এরকম দেখাচ্ছে কেন?
-"ভাইয়া কপালে হাত দিয়ে দেখে বলে,,
---- না জ্বর তো না।
--"সবাই সন্দেহের চোখে তাকিয়ে থাকে।ওদের তাকানো দেখে ঘাবড়ে গেলাম।
--" আরে আজব জ্বর আসবে কেন। ঘুম থেকে উঠছি তো তাই এমন দেখাচ্ছে।কথাগুলো বলে দ্রুত খেয়ে চলে আসলাম।
রেডি হয়ে কলেজে চলে আসলাম ভাইয়া ড্রপ করে দিল।কলেজে গিয়ে আমার বেস্টু নিশি আর রাই এর সাথে দেখা হলো,,কালকের ঘটে যাওয়া ঘটনা সব কিছু খুলে বললাম।আমার কথা শুনে হেসে বলে,,,হয়ত সপ্নে দেখেছি কিন্তু সেই চিটিটা আর ঠোঁট দেখে বিশ্বাস না করার কোনো উপায় নেই।ওরাও অবাক হয়ে ভাবছে কে এই লোকটা। নিশি খুব মনোযোগ সহকারে কয়েকবার চিটিটা পড়ল।তারপর একটা গোয়েন্দা ভাব নিয়ে বলল,,,
--" আচ্ছা রিম এখানে দুইমাসের কথা বলছে মানে দুইমাস আগে তর সাথে দেখা হইছে বা কিছু তো হইছে। তুই মনে করে দেখতো দুই মাস আগের কথা বিশেষ কারো সাথে দেখা হইছে কিনা৷
---" নিশির কথাগুলো শেষ না হতেই ঘন্টা বাজলো। ক্লাসের সময় হয়ে গেছে।তারপর আর কথা না বাড়িয়র ক্লাসে চলে এলাম।ক্লাস শেষ করে আসতেই রাই বলল,,
----'' আরে বইন এত চাপ নিস না তো চল ফুচকা খেয়ে আসি।
ফুচকা খাচ্ছিলাম তখন কয়েকজনের কথা শুনে তো অবাক।কারন কাল যে ছেলেটা আমাদের রেগিং করছিল সে নাকি হসপিটালে কে যেনো মেরে হা পা ভেঙ্গে দিছে।আসলে ছেলেটা আমাদের সিনিয়র ছিলো। শুনে মনে মনে খুব খুশি হলাম।তারপর ফুচকা খেয়ে রাই আর নিশি ওদের বাসায় চলে গেলো আর বলল এত চিন্তা না করতে।আমিও বাসায় রওনা দিলাম,,,,,,
---ইদানিং আমার মনে হলো কেউ যেনো আমাকে ফলো করছে কিন্তু তাকালে কাউকেই দেখিনা।সেদিনেরপর থেকে ব্যালকনির দরজা আটকে ঘুমাই।এভাবে দুদিন কেটে যায়।
--" কলেজের ক্যাম্পাসে নিশি আর রাই এর সাথে বসে গল্প করছিলাম। তখন আমাদের সিনিয়র রোহান ভাইয়া এসে আমার পাশে বসে বললেন,,,,
---" হেই গার্লস কেমন আছো,
আমরা হেসে প্রতিউত্তরে বললাম,,
---" ভালো ভাইয়া,,
তারপর ঠোকঠাক অনেক কথাই হলো।আমরা অনেক সময় আড্ডা দিলাম।ভাইয়া অনেক মজার এবং খুবি ভালো একজন মানুষ। দেখতে খুবি হেন্ডসাম।কলেজের অনেক মেয়ে লাইন দিয়ে পড়ে আছে ভাইয়ার পিছে কিন্তু ভাইয়া কাউকে পাত্তা দেন না।উনি ভাইয়ার ফ্রেন্ডের ভাই।ভাইয়াই বলছিল দেখে শুনে রাখতে।কিন্তু আমিই তেমন কথা বলি না।রাফি ভাইয়ার কথা উনাকে বলি নি বললেই একট ঝামেলা হবে।আমি ঝামেলা পছন্দ করি না।তারপর উনার সাথে কথা বলতে বলতে আমি উঠে বললাম,,,
--" গাইজ তোমরা কথা বল আমি একটু পানি খেয়ে আসি।
বলে চলে আসলাম।পানি খেয়ে চলে আসতে যাব তখন কেউ একজন হাত ধরে টেনে একটা রুমে নিয়ে যায়।লোকটা দেয়ালের সাথে চেপে ধরে। আকস্মিকভাবে এমন হওয়াই ঘাবড়ে যাই।কি হচ্ছে বুঝতে পারলাম না যখন বুঝলাম তখন হাত ছাড়াবার চেস্টা করলাম আর বললাম,,,,
---" কে আপনি আমাকে এভাবে টেনে এনেছেন ছাড়ুন আমাকে।
"কিন্তু এত শক্ত করে চেপে ধরেছে ছাড়াতেই পারছি না। লোকটার খুব রেগে বলল,,,
---" তোমার সাহস কি করে হয় তুমি ওই ছেলের সাথে হেসে হেসে কথা বল,,,
আমি কিছুই বুঝতে পারলাম না। বললাম,,
---"আমি যার সাথে ইচ্ছা তার সাথে কথা বলব আপনার কি সমস্যা। আপনে কে বলার। সাহস তো কম না আমাকে ছাড়ুন,,ছাড়ুন বলছি।
লোকটার মুখে মাস্ক পড়া, খুবি চেনা চেনা লাগছে।লোকটার শরীরের স্মেল আমার খুব পরিচিত লাগছে।কি সুন্দর ঘ্রান,, হঠাৎ মনে পড়লো ওই রাতে লোকটির স্মেল আর এই লোকটির স্মেল একই তারমানে এই লোকটি সেই লোক।
---" আপনি সেদিন আমাররুমে
-আমার কথা শুনে লোকটি আরো রেগে যায়।মুখ থেকে মাস্কটা খুলতেই আমি ভয় পেয়ে যাই।কারন লোকটা হলো শহরের বড় গুন্ডা( আরুশ খান)। সবাই তাকে জমের মতো ভয় পায়,ভয়ে গলা শুকিয়ে গেল মুখ থেকে আপনা আপনি বের হয়ে যায়,,,
--" আপপনি,,,
--'" আরুশ বললো,,,
--- হে আমি। কেন জান ভয় পাচ্ছো কেন,,,,,অনেক কস্টে তোমাায় খুজে পেয়েছি আর হাড়াতে দিব না।
উনার কথা শুনে ভয় করছে আবার রাগ ও লাগছে।
------আপনি এখানেও চলে আসছেন আমাকে মাররতে। তার মানে সেদিন রাতে আপনি আমার রুমে এসেছিলেন আমাকে মারতে।তো না মেরে আমাকে ইয়ে করার সাহস হয় কি করে। বজ্জাত ছেলে, ইডিয়েট, শয়তান, উগান্ডা নাইজেরিয়ায়াা কোথাকার।মেয়েদের দেখলেই ইয়ে করতে মন চায়। আর করবেন নাই বা কেন মানুষকে মেরে ফেলাই তো আপনার কাজ এটা আর কি এমন বিষয়।তো মেরে ফেলেন আমাকে এখনি মারুন এভাবে পিছু করার তো কোনো মানেই হয় না।
"চোখ বন্ধ করে কথাগুলো একদমে বলে ফেললাম। চোখ খুলতেই উনার চোখের দিকে তাকিয়ে আতকে উঠলাম।চোখ দুটো রাগে লাল হয়ে আছে।এখনি বুঝি আমাকে গিলে খাবে।আর কিছু বলতে পারলাম না তখনি আমার মুখ বন্ধ হয়ে যায়,,,,ঠোঁট দিয়ে চেপে ধরে কিস করতে থাকে।সাথে কামড় ও দিচ্ছে যেনো সব রাগ ঠোঁট এর উপর দিয়ে যাচ্ছে। হাত পা বরফ হয়ে গেছে।শরীর অবশ হয়ে যাচ্ছে আর দাড়িয়ে থাকতে পারছি না। উনার এক হাত আমার কোমড় জড়িয়ে রেখেছে।আমি দু হাত দিয়ে ধাক্কা দিচ্ছি কিন্তু নাড়াতে পাড়লাম না পিঠে অসংখ্য খামচি দিচ্ছি। ব্যাথায় চোখ দিয়ে জল গড়িয়ে পড়ছে। তখন লোকটা কামড় না দিয়ে স্মোথলি কিস করতে শুরু করে।কয়েক মিনিট পড়ে আমাকে ছেড়ে দিয়ে আমাকে শক্ত করে বুকে জড়িয়ে নিলেন। আর বলল,,,
----"।তুমি শুধু আমার জান।আর কারো না।আর যেনো কোনো ছেলের সাথে কথা বলতে না দেখি।যে তোমার দিখে চোখ তুলে তাকাবে তার অবস্থা রাফির মতো করব।আমার কথা না শুনলে এইরখম শাস্তি পাইবা। তোমায় প্রথম দেখেই আমার ঘুম হারাম হয়ে গেছে।বিশ্বাস করো তোমাকে না দেখে এই দুই মাস আমি কিভাবে কাটিয়েছি সেটা শুধু আমিই জানি।তুই শুধু আমার । আর যেনো কোনো ছেলের সাথে হেসে হেসে কথা বলতে না দেখি। কপালে একটা কিস করে চলে যায়। এতক্ষণ উনার কথাগুলো শুনছিলাম ভয়ে কিছু বলতে পারিনি। উনি চলে যেতেই মাটিতে বসে কান্না করতে শুরু করি।চোখের সামনে দুইমাস আগের ঘটনা ভেসে উঠে।
----------------দুই মাস আগে-------------
কলেজ ট্যুরে ২ দিনের জন্য বান্দরবান গিয়েছিলাম।ওইখানে গিয়ে প্রথম দিন ভালোই কাটে। কিন্তু বিপত্তি ঘটলো দ্বিতীয় দিন সবাই পাহাড় ঘুরে ঘুরে দেখছে।আমি নিশি রাই আমরা গল্প করছি আর ঘুরছি। তখন নিশি আর রাই ছবি তুলতে ব্যস্ত পাহাড়ে ঘুরতে ঘুরতে এক পর্যায় ওদের থেকে অনেক দুরে চলে আসি।একটা জায়গায় আসতেই যা দেখলাম তাতে শরীরের লোম দাড়িয়ে যায়,,,, একটা ছেলে হাতে বন্ধুক তাক করে আছে সামনে একটা হাত বাধা লোকের দিকে।ছেলেটার সাথে আরো অনেক ছেলে তাদের হাতে লাঠি দা ইত্যাদি এসব দেখে ঘাবড়ে যাই।ছেলেটা গুলি ছুড়ল মুহূর্তে লোকটা রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়ে।চোখের সামনে এমন ভয়ংকর দৃশ্য দেখে জোরে চিংকার দিয়ে উঠি।তাতে লোকগুলো আমায় দেখতে পেয়ে যায়।কিছু না ভেবেই ভয়ে দৌড় শুরু করি।ওই ছেলেটি বাকি ছেলে গুলোকে বলা কথা কানে বাজলো,,
---" লাশটা পুতে ফেল মেয়েটাকে আমি দেখছি।
বলে বন্ধুকটা কোমড়ে গুজে আমার পিছনে ছুটতে লাগলো আর বললো,,,,
--- এই মেয়ে দাড়াও বলছি,, দাড়াও।
আমি কোনো কথা না শুনে দৌড়তে লাগলাম।হঠাৎ আমার পা থেমে গেল কারন আমার সামনে একটা ইয়া বড় সাপ ফনা তুলে দাড়িয়ে আছে।এদিকে পিছনে ছেলেটিও আমার কাছে চলে আসছে।এখন কোন দিকে যাব বুঝছি না আমার দুপাশে খাল রয়েছি।সাপ আমি খুব ভয় পাই সাপটা আমার দিখে তেড়ে আসতেই চিংকার করে পিছনে ছেলেটিকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরে বলতে লাগলাম,,,,
----- সাপ, সাপ প্লীজ বাচাঁন সাপ আমার খুব ভয় করে।আপনার মার্ডার এর কথা আমি কাউকে বলবনা।তারপর ও যদি আমাকে মারেন তাহলে মেরে পেলেন কিন্তু এই সাপটাকে তাড়ান।
-"" এদিকে রিমের আচমকা জড়িয়ে ধরায় ছেলেটি শক্ড। ওর শরীর দিয়ে যেন কারেন্ট বয়ে যাচ্ছে।প্রথম কোনো মেয়ের ছোয়া পেয়েছে সে তার হার্ডবির্ড বেড়ে যায়।রিমের কথাশুনে ছেলেটি ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে গেছে,,,,
তারপর কোমড় থেকে বন্দুক বের করে সাপটিকে গুলি করতেই সাপটি চলে যায়। কিন্তু রিম ভয়ে এভাবেই ছেলেটিকে জড়িয়ে ধরে রাখে।ছেলেটিতো অবাক ভাবে কি অদ্ভুত মেয়ে একটা সাপকে এতো ভয় পায় যে ও আমার কাছে মরতে ও রাজি।যে ওকে মারতে আসে তাকেই জড়িয়ে ধরে।মুখ দিয়ে আপনা আপনি হাসি চলে আসে।তারপর গম্ভীর ভাব করে বলে উঠে,,,
---" সাপ চলে গেছে। ছাড়ুন এবার।
লোকটার কথাশুনে লোকটিকে ছেড়ে উনার বুক থেকে উঠতেই চোখ যায় লোকটির দিখে কি হ্যন্ডসাম ছেলে মুখটা হা হয়ে যায়।দাড়ি গুলো সেই,, শার্টের বোতাম খোলা ভিতরে সাদা টিশার্ট পড়া। কিন্তু একটু আগের কথাগুলো মনে পড়তেই ভয়ে কুকড়ে যাই।থ্যংক ইউ বলে দিলাম এক দৌড়।মুহুুর্তেই উদাও আমার এমন কান্ডে লোকটি ওখানে হা করে দাড়িয়ে আছে।আর ভাবে যাকে সারা শহরের মানুষ ভয় পায় সে কিনা একটা পিচ্চি মেয়েকে ধরতে পারল না।আনমনে হেসে দেয়।কিন্তু কেন হাসল নিজেও জানে না।
এদিকে দৌড়াতে দৌড়াতে হাঁপাতে থাকি তখনি রাই আর নিশি এসে বলে কিরে তুই কই হাড়িয়ে গেছিলি। এতসময় ধরে খুজছি।আমি সব কথা ওদের খুলে বললাম।ওরা শুনে ভয় পেয়ে যায়।সব স্যারকে বলার জন্য বললে ভয়ে বলতে না করে। আর রাতেই তো এখান থেকে চলে যাবো। তারপর সবাই হোটেলে গিয়ে ফ্রেশ হয়ে খেয়ে নিলাম কিন্ত এই দৃশ্যটা আমার চোখের সামনে ভাসছে। একটা লোক কতোটা খারাপ একজন মানুষকে মেরে ফেলে।সেদিন রাতেই বাস বাড়ির উদ্দেশ্য রওনা দেয়।
এদিকে ছেলেটি রাতে ঘুমোতে পারছেনা রিমের কথাগুলো মনে পড়তেই আনমনেই হেসে ফেলে।ছেলেটি আর কেউ না শহরের মাফিয়া আরুশ খান সবাই তাকে চেনে।
সবাই ভয় পায় তাকে।কেউ তার পেছনে লাগলে সোজা পৃথিবী থেকে সরিয়ে দেয়।আরুশ একজন বিজনেসম্যান।বাবা মা কেউ নেউ চাচার কাছে বড় হয়েছে।ছোটবেলা থেকেই খুব রাগী জেদি ও বদমেজাজি ওর যেটা পছন্দ সেটা যে করেই হোক পাবে।আরুশ এর চোখে রিম এর ভয়ার্ত মুখটি ভাসছে।এই মুখে কি মায়া।এসব ভাবছে আর মুচকি মুচকি হাসছে।
এদিকে তাদের রাগী গম্ভীর বসের মুচকি হাসা দেখে সবাই তো অবাক একজন আরেকজনের দিকে তাকাচ্ছে যে ছেলেটা এত রাগী এত ভয়ানক যাকে কখনো হাসতে কি ভালো করে নরমাল কারো সাথে কথা বলতে দেখেনি সে কি না হাসছে ভাবা যায় না।তাদের বস কি পাগল হয়ে গেল নাকি।সবার এভাবে হা করে তাকিয়ে থাকা দেখে একটু অপ্রস্তুত হয়ে যায় আরুশ। মুখে আগের সেই গম্ভীর ভাবটা এনে বলে,,,
--- কি হয়েছে সবাই এভাবে হা করে তাকিয়ে আছ কেন কাজ শেষ করেছ,,
সবাই একসাথে,,,
--- জি বস
ওকে যাও এখন। তখনি একটা গার্ড বললো,,
---- স্যার মেয়েটাকে খুজে কি মেরে দিব।
এই কথাটা শুনতেই রাগে লাল হয়ে যায় আরুশ,,,
---" সাটটটআপ। হাউ ডেয়ার ইউ , তোমার সাহস কি করে হয় ওর গায়ে হাত দিবার কথা বল, গেট লস্ট বলে সোফায় একটা লাথি মারে।
আরুশের এই কথাশুনে সবাইতো অবাক। দ্রুত সবাই ওখান থেকে চলে যায়,,,
ওরা চলে যেতেই আরুশ ভাবে এটা ও কেন করল । ওই মেয়েটাকে মারার কথা বলতে এত রাগ হলো কেন কিছুই বুঝতে পারল না।সারারাত শুধু ওর কথায় ভাবছে কিছুতেই মাথা থেকে সরাতে পারল না। এক নজর দেখতে ইচ্ছা করছে।এমনটা ওর কেন হচ্ছে নিজে ও জানে না তাহলে কি প্রেমে পড়েছে সে নাকি মায়ায় কিছুই সে জানে শুধু জানে ওকে ছাড়া বাচা যাবে না।ওকে না ফেলে তার হার্ডবির্ড থেমে যাবে তার নি:শ্বাস নিতে কস্ট হবে।
গার্ডদের ফোন দিয়ে বলে ওর সব ডিটেইল খুজে বের করতে।কিন্তু ততক্ষণে রিম সেখান থেকে চলে আসে।হোটেলে গিয়ে শুধু এতটুকুই জানতে পারে ওরা ঢাকা থেকে কলেজ টুরে এসেছে।এরপরে আরুশ ও চলে আসে ঢাকায় ও সেখানে বিজনেসের কাজে গেছিলো।এসেই পুরো শহর তন্ন তন্ন করে কিন্তু তার প্রিয়তমাকে খুজে পায় না।এদিকে রিম পরে জানতে পারে ছেলেটি একজন বড় মাপিয়া কিন্তু বাসায় গিয়ে কাউকে কিছুই বলে নি।অনেক খোজে আরুশ দুই মাস পর তার প্রিয়তমার খোজ পায়।এই দুইমাসে ঘটনাটা রিম প্রথমে ভয়ে ভয়ে থাকলেও পরে তা প্রায় ভুলে যায়।
---------------------- বর্তমান-------------------
রিম উঠে চোখ মুছে বাইরে চলে আসে।তখনি নিশি আর রাই এসে বলে,,,
--- তুই এতসময় কই ছিলে। আর তোর চোখ মুখ এরখম লাগছে কেন? কি হয়েছে?
To be continue ----------------------
Garena Free Fire Shakib Khan Free Fire
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Address
Dhaka
