DR. KABIR

DR. KABIR

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from DR. KABIR, Health/Beauty, Road# 9, Dhaka.

10/08/2025

Dear Facebook team,
I am very excited to join Facebook Content monetization program. I believe that this tool will help me to connect more audience and generate more revenue. I committed that I will follow the monetization all rules, guideline and creating more real authentic and engaging video. Thank you for considering my application.

Thanks and regards
DR.KABIR

03/07/2025

ডায়াবেটিস রোগীদের কি কি করনীয়, এই বিষয়ে বিস্তারিত

14/05/2025

সুগার লেভেল না বাড়াতে চাইলে অবশ্যই ঠান্ডা খাবার বন্ধ করতে হবে ডায়াবেটিস রোগীদের

28/04/2025

প্রসাবে জ্বালাপোড়ার কারণ, লক্ষণ ও প্রতিকার
প্রসাবে জ্বালাপোড়া একটি অস্বস্তিকর অনুভূতি, যা বিভিন্ন কারণে হতে পারে। এর কারণ, লক্ষণ এবং প্রতিকার নিচে আলোচনা করা হলো:
কারণ:
* মূত্রনালীর সংক্রমণ (Urinary Tract Infection - UTI): এটি প্রসাবে জ্বালাপোড়ার সবচেয়ে সাধারণ কারণ। ব্যাকটেরিয়া মূত্রনালীতে প্রবেশ করে সংক্রমণ ঘটালে এই সমস্যা দেখা দেয়।
* যৌনবাহিত সংক্রমণ (Sexually Transmitted Infections - STIs): ক্ল্যামিডিয়া, গনোরিয়া এবং হার্পিসের মতো এসটিআই প্রসাবে জ্বালাপোড়ার কারণ হতে পারে।
* প্রোস্টেট গ্রন্থির সংক্রমণ (Prostatitis): পুরুষদের ক্ষেত্রে প্রোস্টেট গ্রন্থির প্রদাহ বা সংক্রমণ প্রস্রাবের সময় ব্যথা ও জ্বালাপোড়া সৃষ্টি করতে পারে।
* মূত্রাশয়ের প্রদাহ (Cystitis): মূত্রাশয়ের ভেতরের স্তরের প্রদাহের কারণে প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া হতে পারে।
* কিডনিতে পাথর (Kidney Stones): কিডনিতে পাথর তৈরি হলে এবং তা মূত্রনালীর দিকে অগ্রসর হলে প্রস্রাবের সময় তীব্র ব্যথা ও জ্বালাপোড়া হতে পারে।
* ইউরেথ্রাইটিস (Urethritis): মূত্রনালীর প্রদাহের কারণে এই সমস্যা হতে পারে।
* ভ্যাজাইনাল ইনফেকশন (Vaginal Infections): মহিলাদের ক্ষেত্রে yeast infection বা bacterial vaginosis এর কারণে প্রস্রাবের সময় জ্বালাপোড়া অনুভূত হতে পারে।
* রাসায়নিক irritants: সাবান, লোশন বা বাবল বাথের মতো কিছু পণ্য যৌনাঙ্গকে irritates করতে পারে এবং প্রস্রাবের সময় জ্বালাপোড়া সৃষ্টি করতে পারে।
* কিছু ঔষধ: কিছু ঔষধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হিসেবে প্রস্রাবে অস্বস্তি হতে পারে।
* ইন্টারস্টিশিয়াল সিস্টাইটিস (Interstitial Cystitis): এটি একটি দীর্ঘস্থায়ী অবস্থা যা মূত্রাশয়ে ব্যথা ও চাপের সৃষ্টি করে এবং প্রস্রাবের সময় অস্বস্তি হতে পারে।
লক্ষণ:
* প্রস্রাবের সময় ব্যথা বা জ্বালাপোড়া অনুভব করা।
* ঘন ঘন প্রস্রাবের বেগ অনুভব করা।
* প্রস্রাবের urgency (তাড়াতাড়ি প্রস্রাব করার প্রয়োজন)।
* প্রস্রাবের পরিমাণ কম হওয়া।
* মেঘলা বা ঘোলাটে প্রস্রাব।
* প্রস্রাবে রক্ত দেখা যাওয়া।
* দুর্গন্ধযুক্ত প্রস্রাব।
* তলপেটে বা পিঠে ব্যথা।
* জ্বর বা কাঁপুনি (যদি সংক্রমণ কিডনিতে ছড়িয়ে পড়ে)।
* মহিলাদের ক্ষেত্রে যোনিপথে চুলকানি বা অস্বাভাবিক স্রাব।
* পুরুষদের ক্ষেত্রে অণ্ডকোষে ব্যথা বা ফোলাভাব।
প্রতিকার:
* প্রচুর পরিমাণে জল পান করা: এটি মূত্রাশয় থেকে ব্যাকটেরিয়া বের করে দিতে সাহায্য করে এবং প্রস্রাবকে পাতলা করে জ্বালাপোড়া কমাতে পারে। প্রতিদিন ২-৩ লিটার জল পান করা উচিত।
* চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া: প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া অনুভব করলে দ্রুত ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া উচিত। কারণের উপর নির্ভর করে ডাক্তার উপযুক্ত চিকিৎসা দেবেন।
* অ্যান্টিবায়োটিক: যদি মূত্রনালীর সংক্রমণ বা ব্যাকটেরিয়াল প্রোস্টেটাইটিসের কারণে জ্বালাপোড়া হয়, তবে ডাক্তার অ্যান্টিবায়োটিক prescription করবেন। ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী পুরো কোর্সটি শেষ করা জরুরি।
* ব্যথানাশক ঔষধ: প্রস্রাবের সময় ব্যথা কমাতে ডাক্তার ওভার-দ্য-কাউন্টার বা prescription অনুযায়ী ব্যথানাশক ঔষধ দিতে পারেন।
* গরম সেঁক: তলপেটে গরম জলের ব্যাগ বা হিটিং প্যাড ব্যবহার করলে আরাম পাওয়া যেতে পারে।
* ক্ষতিকর পদার্থ এড়িয়ে চলা: ক্যাফেইন, অ্যালকোহল এবং মশলাদার খাবার মূত্রাশয়কে irritates করতে পারে, তাই এগুলো এড়িয়ে যাওয়া উচিত।
* বেকিং সোডা: এক গ্লাস জলে আধা চা চামচ বেকিং সোডা মিশিয়ে দিনে ২-৩ বার পান করলে প্রস্রাবের অ্যাসিড neutralized হতে পারে এবং জ্বালাপোড়া কম হতে পারে। তবে এটি ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া দীর্ঘ সময় ধরে ব্যবহার করা উচিত নয়।
* ক্র্যানবেরি জুস: কিছু গবেষণায় দেখা গেছে যে ক্র্যানবেরি জুস মূত্রনালীর সংক্রমণ প্রতিরোধে সাহায্য করতে পারে, কারণ এটি ব্যাকটেরিয়াকে মূত্রাশয়ের দেয়ালে আটকে থাকতে বাধা দেয়। তবে এটি জ্বালাপোড়ার তাৎক্ষণিক উপশম নাও দিতে পারে।
* পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকা: যৌনাঙ্গ পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখা এবং প্রস্রাবের পর সামনে থেকে পিছনের দিকে মোছা উচিত যাতে ব্যাকটেরিয়া মূত্রনালীতে প্রবেশ করতে না পারে।
* সহবাসের পর প্রস্রাব করা: সহবাসের পর প্রস্রাব করলে মূত্রনালীতে প্রবেশ করা ব্যাকটেরিয়া বেরিয়ে যেতে পারে।
* ঢিলেঢালা পোশাক পরা: টাইট পোশাকের পরিবর্তে ঢিলেঢালা এবং আরামদায়ক পোশাক পরা উচিত।
যদি প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া অব্যাহত থাকে বা অন্যান্য উপসর্গ দেখা দেয়, তবে অবশ্যই একজন ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করে সঠিক রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসা করানো উচিত।

19/04/2025

এমএসসি ইন নার্সি ভর্তি পরীক্ষার ফলালফ প্রকাশ

19/04/2025

হামদর্দ

ভৃঙ্গরাজ মহাভৃঙ্গরাজ তৈল

চুলকে লম্বা, মজবুত ও উজ্জ্বল করে এবং চুল গজাতে সাহায্য করে

বর্ণনা

হামদর্দ ভৃঙ্গরাজ বিশুদ্ধ ও কেমিকেলমুক্ত আয়ুর্বেদিক হেয়ার অয়েল, যা আয়ুর্বেদিক চিকিৎসাশাস্ত্রে কেশরাজ-চুলের রাজা' নামে পরিচিত ওষুধি উদ্ভিদ ভৃঙ্গরাজের রসসহ অন্যান্য কার্যকরী প্রাকৃতিক উপাদানের সমন্বয়ে প্রস্তুত যা চুল গজাতে সাহায্য করে এবং চুলকে মজবুত করে। মাথার তালুতে নিয়মিত আলতোভাবে এই তৈল ম্যাসাজে চুলকে লম্বা, মজবুত ও উজ্জ্বল করে, চুল পড়া ও খুশকি নিয়ন্ত্রণে রাখে এবং চুলের অকাল পক্কতা প্রতিরোধ করে। এছাড়াও এটি সকল ধরনের মাথাব্যথা ও অনিদ্রা দূরীকরণে কার্যকরী ভূমিকা রাখে।

উপাদান

প্রতি ৫ মিলি তৈলে আছে

তিল তৈল ৫.৬৩ গ্রাম, ভৃঙ্গরাজের রস ২২.৫৪ মিলি, মঞ্জিষ্ঠা 0.19 গ্রাম, পদ্মকাষ্ঠ ০.১৭ গ্রাম, লোধছাল ০.১৭ গ্রাম, রক্তচন্দন ০.১৭ গ্রাম, গৈরিক ০.১৭ গ্রাম, বেড়েলা ০.১৭ গ্রাম, হরিদ্রা ০.১৭ গ্রাম, প্রপৌন্ডরীক ০.১৭ গ্রাম এবং শ্যামালতা ০.১৭ গ্রাম দারুহরিদ্রা ০.১৭ গ্রাম, নাগেশ্বর ০.১৭ গ্রাম, প্রিয়ঙ্গু ০.১৭ গ্রাম,

সূত্র: বাংলাদেশ জাতীয় আয়ুর্বেদিক ফর্মুলারী।



পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া

নির্ধারিত মাত্রায় ব্যবহারে কোন পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া পরিলক্ষিত হয়নি।

প্রতি-নির্দেশ

কোন প্রতি-নির্দেশ নেই।

সতর্কতা

শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন। শুধুমাত্র বাহ্যিক ব্যবহারের জন্য।

সংরক্ষণ

আলো থেকে দূরে, ৩০° সে তাপমাত্রার নীচে এবং শুষ্ক স্থানে রাখুন ।

পরিবেশনা

প্রতিটি পিইটি বোতলে রয়েছে হামদর্দ ভৃঙ্গরাজ তৈল ১৩০ মিলি ।

হামদর্দ

19/04/2025

এলোপেসিয়া এরিয়াটা (Alopecia areata) একটি অটোইমিউন রোগ, যেখানে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা ভুল করে চুলের ফলিকল আক্রমণ করে, যার ফলে চুল পড়ে যায়। এই রোগ সাধারণত মাথার ত্বকে গোলাকার বা ডিম্বাকৃতির টাকের সৃষ্টি করে, তবে এটি দাড়ি, ভ্রু, চোখের পাতা এবং শরীরের অন্যান্য লোমশ অংশেও হতে পারে।

এলোপেসিয়া এরিয়াটার কিছু লক্ষণ:
* মাথার ত্বকে বা শরীরের অন্য অংশে ছোট, গোলাকার বা ডিম্বাকৃতির টাকের দাগ দেখা দেওয়া।
* কিছু ক্ষেত্রে, চুল পড়ার আগে ঐ স্থানে চুলকানি, জ্বালা বা অস্বস্তি অনুভব হতে পারে।
* নখের পরিবর্তন দেখা যেতে পারে, যেমন ছোট ছোট গর্ত (pitting) বা রুক্ষতা।
* পড়ে যাওয়া চুলের গোড়ায় exclamation mark-এর মতো সরু অংশ দেখা যেতে পারে।
* বিরল ক্ষেত্রে, মাথার সমস্ত চুল (alopecia totalis) বা শরীরের সমস্ত লোম (alopecia universalis) পড়ে যেতে পারে।
এলোপেসিয়া এরিয়াটা সাধারণত শারীরিক কষ্টের কারণ না হলেও, এটি মানসিক ও আবেগিক দিক থেকে ব্যক্তির উপর significant প্রভাব ফেলতে পারে।
যদি আপনি বা আপনার পরিচিত কেউ এই ধরনের লক্ষণ অনুভব করেন, তাহলে একজন চর্মরোগ বিশেষজ্ঞের (dermatologist) সাথে যোগাযোগ করা উচিত। তারা রোগ নির্ণয় করতে এবং উপযুক্ত চিকিৎসার পরামর্শ দিতে পারবেন।

10/04/2025

ফ্যাটি লিভার বর্তমান সময়ের একটি কমন রোগ।বিস্তারিত আসছে

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Telephone

Website

Address


Road# 9
Dhaka
1216