Joya paul
কষ্টের কোনো ওজন নেই তবুও তা বহন করা অনেক কষ্টের.
🚩আপনি কি গরমে ঘেমে গেলে ওরস্যালাইন খান?
-ওরস্যালাইন বা ORS - ওরাল রিহাইড্রেশন স্যালাইন নিয়ে সচেতনতা গড়ে তোলা জরুরী বলে মনে হচ্ছে। ডায়রিয়া আর লো প্রেসার ছাড়া এমনিতে সুস্থ অবস্থায় কখনো স্যালাইন খাওয়া যায় এটা আমার জানাই ছিল না।
হঠাৎ দেখছি আবহাওয়া বেশি গরম হওয়ায় অনেকেই শরবতের মত স্যালাইন খাওয়া শুরু করেছে।
স্যালাইনে থাকে সোডিয়াম, পটাশিয়াম, গ্লুকোজ সহ আরো নানা ইলেক্ট্রোলাইট বা লবণ।
ডায়রিয়া হলে শরীরে প্রচুর ইলেক্ট্রোলাইট ঘাটতি হয়, তখন ডিহাইড্রেশনের চিকিৎসা করতে ওরস্যালাইন দেয়া হয়। যেহেতু ডায়রিয়া খুব কমন ও মারাত্মক রোগ, তাই প্রেসক্রিপশন ছাড়াও এটা বাজারে সহজেই পাওয়া যায়। চারবার পাতলা পায়খানা করার পর স্যালাইন খেতে বলা হয়।
এছাড়া স্যালাইন রিহাইড্রেট করার পাশাপাশি ব্লাড প্রেশার বাড়ায়। তাই কখনো কখনো লো প্রেশারের রোগীকেও স্যালাইন দেয়া হয়।
স্যালাইনকে একটা সল্ট সাপ্লিমেন্ট বলতে পারেন। এটা ইমার্জেন্সিভাবে ডিহাইড্রেশনের সময় ব্যবহারের জিনিস। প্রতিদিন একজন সুস্থ মানুষ গরম লাগলে / একটু আধটু ঘামলেই যদি স্যালাইন খায়, এটা তার শরীরের জন্য মারাত্মক ক্ষতির কারণ হতে পারে।
প্রতিদিন স্যালাইন খেলে শরীরের লবণের মাত্রা অনেক বেড়ে যেতে পারে যা কিডনীর জন্য হুমকিস্বরূপ। এটা ভবিষ্যতে হাই ব্লাড প্রেশারের কারণ ও হতে পারে।
স্যালাইন গ্রহণের ক্ষেত্রে একটা জরুরি বিষয় হলো - স্যালাইনের পাউডারটা প্যাকেটের গায়ে লেখা সঠিক নিয়মেই গুলাতে হবে। পানি ও পাউডার কমবেশি করে গুলিয়ে খেলে শরীরের লবণ পানির অনুপাত গরমিল হয়ে আপনাকে ইন্সট্যান্ট হসপিটালাইজড হওয়া লাগতে পারে। এর আগে ভুলভাবে স্যালাইন গুলিয়ে খাওয়ানোয় কিছু শিশুর মৃত্যু সংবাদ ও দেখেছি এদেশে।
আপনি যদি প্রচুর কায়িক পরিশ্রম করেন বা এথলেট হন বা জিমে গিয়ে প্রচুর ঘাম ঝরিয়েছেন- তাহলে মাঝেমধ্যে স্যালাইন খেতে পারেন।
এছাড়া স্বাভাবিক অবস্থায় একটু ঘামলেই স্যালাইন খাওয়ার কোন প্রয়োজন নেই। পানি, লেবু পানি, পানিযুক্ত ফল- শশা, তরমুজ, বাঙ্গি- এসব খেতে পারেন গরমে স্বস্তি পেতে।
তবে অবশ্য ই প্রতিদিন ওরস্যালাইন নয়
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Website
Address
Dhaka
