Original Piles Care
"আমাদের পেজে আপনাকে স্বাগতম"
অরিজিনাল এবং অথেনটিক মেডিসিন দিয়ে আপনাদের সেবা করাই আমাদের মূল উদ্দেশ্য
📞হ্যালো বলুন: 01648309491
অরিজিনাল পাইলস কেয়ার
🌿 আপনার স্বাস্থ্য আমাদের অগ্রাধিকার! 🌿
স্বাগতম অরিজিনাল পাইলস কেয়ার-এ, যেখানে আপনি পাবেন পাইলসের উন্নত চিকিৎসা ও সমাধান। আমাদের লক্ষ্য আপনাকে সাশ্রয়ী মূল্যে সর্বোত্তম সেবা প্রদান করা।
🕒 খোলার সময় – আমরা প্রতিদিন সব সময় খোলা আছি। 🌟
💲 মূল্য পরিসর – সাশ্রয়ী মূল্যে চিকিৎসা সেবা পাওয়া যায়। 💰
📍 ঠিকানা – ৪৫ নিউ মার্কেট রোড, ঢাকা 📌
📞 যোগাযোগের তথ্য:
📱 ফোন: ০১৭৫৪-২৮৫২৫৮ (
02/06/2025
28/05/2025
শশার উপকারিতা :-
শসা একটি উপকারি খাবার। এতে রয়েছে পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম ও ফাইবার। এখন সারা বছর বাজারে শসা পাওয়া যায়। শসা শরীরের জন্য খুব ভালো। বেশির ভাগ রোগের ক্ষেত্রেই রোগীরা শশা খেতে পারেন, তার কারণ শশার খাদ্য ও পুষ্টিগুণ। শুধু রূপচর্চায় নয়, শরীরকে ভেতর থেকে ঠিক রাখতে শশা নিয়মিত খাওয়া দরকার।
কেন খাবেন শশা?
১) কিডনির পাথর-
শশার জলীয় অংশ দেহের বর্জ্য ও দূষিত পদার্থ বের করতে দারুণ কাজ করে। নিয়মিত শশা খেলে কিডনিতে সৃষ্ট পাথর গলে যেতে সহায়তা হয়। ইউরিনারি, ব্লাডার, লিভার ও প্যানক্রিয়াসের সমস্যার সমাধানে বেশ সাহায্য করে শশা।
২) জল শূন্যতায়-
শরীরে জলের চাহিদা মেটাতে শশা খুবই উপকারী। একটি শশায় প্রায় ৯৫ শতাংশ জল থাকে। দুর্বলতা কাটিয়ে দ্রুত সতেজ করে তোলে।
৩) রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে-
শশায় আছে প্রচুর ভিটামিন সি, ম্যাগনিসিয়াম, সিলিকা, পটাসিয়াম ও আঁশপদার্থ। এগুলি শরীরের রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে। শশার উপাদান উচ্চ এবং নিম্ন রক্তচাপ দু’ই নিয়ন্ত্রণ করে। হার্ট ও ফুসফুসের সমস্যায় উপকার করে।
৪) ওজন হ্রাসে-
এতে উচ্চমাত্রায় জল থাকে। নিম্নমাত্রায় ক্যালরি থাকে। ফলে দেহের ওজন কমাতে আদর্শ এটি।
৫) হজমে-
কাঁচা শশা চিবিয়ে খেলে ভালো হজম হয়। এরেপসিন নামক অ্যানজাইমের জন্য দীর্ঘমেয়াদি কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হয়। আলসার, গ্যাস্ট্রাইটিস, অ্যাসিডিটির ক্ষেত্রেও উপকারী।
৬) রূপচর্চায়-
স্বাস্থ্য রক্ষার সঙ্গে ত্বক এবং চুলের জন্যও সমানভাবে উপকারী। এগজিমা সারাতে ও আটকাতেও বিশেষ উপকারী শশা।
৭) চোখের যত্নে-
শশা গোল করে কেটে চোখের পাতার ওপর রাখলে যেমন চোখের পাতায় জমে থাকা ময়লা অপসারিত হয়, তেমনি চোখের জ্যোতি বাড়ায়। এমনকি চোখের প্রদাহ প্রতিরোধক উপাদানও থাকে এতে। ছানি পড়া আটকায়।
৮) চুল ও নখের জন্য-
শশায় থাকা খনিজ চুল ও নখকে সতেজ ও শক্তিশালী করে। এ ছাড়া সালফার ও সিলিকা চুল বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।
৯) মাথাব্যথায়-
সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর যে মাথাব্যথা হয়, শরীরে অবসাদ আসে তা শশার উপাদান সমূহ যেমন – ভিটামিন বি ও সুগার এ সব দূর করে। ঘুমাতে যাওয়ার আগে কয়েক টুকরো শশা খেলে ঘুম থেকে ওঠার পরের এই সমস্যা দূর হয়।
১০) গেঁটেবাত-
প্রচুর পরিমাণে সিলিকা থাকে এতে। গাজরের রসের সঙ্গে শশা রস মিশিয়ে খেলে দেহের ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা কমে। গেঁটেবাতের ব্যথা কমে। আর্থ্রাইটিসের ব্যথাও উপশম করে।
26/05/2025
কাঠবাদাম এর উপকারিতা।
উচ্চ রক্তচাপে আক্রান্ত ব্যক্তিদের জন্য কাঠবাদাম উপকারী। গবেষণা বলছে, বাদাম শরীরের এলডিএল (ক্ষতিকর কোলেস্টেরল)- এর মাত্রা কমিয়ে দেয় এবং ভিটামিন ই, ম্যাগনেসিয়াম এবং পটাসিয়ামের পরিমাণ বাড়ায়। এটি রক্তপ্রবাহকে সক্রিয় রাখতে সাহায্য করে। আর সুস্বাস্থ্যের জন্য রক্ত প্রবাহের বিকল্প নেই।
26/05/2025
ব্ল্যাকবেরি বা কালোজাম অধিক জনপ্রিয় একটি ফল। গ্রীষ্মকালে আম এর মতই এর জনপ্রিয়তা। কালচে বেগুনি রঙের এই ফলটি খেতেও যেমন সুস্বাদু, তেমনই পুষ্টিগুণে ভরপুর । ছোট বড়ো সকলেরই এই ফল বেশ পছন্দের। আর যদি আপনি এই ফল পছন্দ না করেন তবে এর উপকারিতা জানলে আপনি নিজেও এই ফল পছন্দ করবেন। তাই আজকের আমাদের আলোচনার বিষয় হলো কালোজাম।
আলোচনার শুরুতেই জেনে নেব কালোজামএ কি কি আছে?এতে প্রচুর পরিমানে বিভিন্ন উপকারি উপাদান যেমন, ক্যালসিয়াম, আয়রন, ফসফরাস, সোডিয়াম, এছাড়াও ভিটামিন এ, সি, বি-৬, ও আরও আনেক উপকারী উপাদান থাকে। যা শরীরকে ভালো রাখার জন্য প্রতিদিন দরকার। হয়তো জানলে অবাক হবেন শুধু ফলই নয়, এর পাতা ও বীজ বিভিন্ন চিকিত্সার কাজে ব্যবহার করা হয়।
চলুন এবার এই কালো জামের গুনাগুন সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নি -
ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করে -
অনেকেই হয়তো জানেন না কালো জাম অনেকদিন ধরেই ডায়াবেটিসের চিকিত্সার জন্য ব্যবহৃত হয়। কালো জামের মধ্যে আছে এমন কিছু উপাদান যা ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে ভীষণ ভাবে সাহায্য করে। বিশেষ করে এর বীজ রক্তের সুগার লেবেল কমানোতে একটি প্রমাণিত সমাধান। আর তাই কালো জামকে ডায়াবেটিস বিরোধী বলা হয়। সুতরাং ডায়াবেটিস মুক্ত থাকতে আপনি কিন্তু প্রতিদিন আপনার খাদ্যাভ্যাসে কালোজাম কে স্থান দিতেই পারেন।
অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট তৈরী
কালো জাম হল অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের ভাণ্ডার। তাই শরীরে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট তৈরি করার জন্য কালোজামের জুড়ি মেলা ভার। অন্যান্য যেকোনো ফল বা সব্জি যেগুলি সাধারণত আমরা রোজ খেয়ে থাকি সেগুলির থেকে কালো জামে সবথেকে বেশি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে। আর আমাদের রোজকার জীবনে এই অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট খুবই প্রয়োজনীয়। কারন অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট আমাদের শরীরকে ভেতর থেকে ফিট রাখে।
তাই ভালবেশে খান কালোজাম।
হজমে সহায়ক-
কালো জাম হজম করতে সাহায্য করে। হজমের কারণে হওয়া অ্যালসার প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। তাই নিয়মিত কালো জাম খেলে পেটের গোলমাল থেকেও রক্ষা পাবেন আপনি।
দাঁত ভালো রাখে
কালোজাম দাঁত ভালো রাখতে সাহায্য করে। হ্যাঁ এটা খাওয়ার সময় হয়তো আপনার দাঁত কালো হয়ে যেতেও পারে কিন্তু আপনার দাঁতের গোড়া মজবুত করতে এর বিকল্প নেই।সাথে সাথে স্পাইরিয়ার সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে সাহায্য করে।
ত্বককেও ভালো রাখে
কালোজাম ত্বকের জন্য অত্যন্ত উপকারী। ত্বকের বিভিন্ন সমস্যা যেমন বার্ধক্য জনিত সমস্যা
19/05/2025
কলার উপকারিতা:
1. পুষ্টিগুণে ভরপুর: কলায় রয়েছে পটাশিয়াম, ভিটামিন B6, ভিটামিন C, ফাইবার এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট।
2. শক্তি বাড়ায়: এটি প্রাকৃতিক চিনি (গ্লুকোজ, ফ্রুক্টোজ, সুক্রোজ) সরবরাহ করে, যা দ্রুত শক্তি জোগায়।
3. হজমে সহায়ক: কলায় থাকা ফাইবার হজম প্রক্রিয়া ভালো রাখে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য কমায়।
4. রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে: পটাশিয়াম রক্তচাপ স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে।
5. হৃদযন্ত্রের জন্য উপকারী: পটাশিয়াম ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়।
কিছু মজার তথ্য:
কলা একটি বীজবিহীন ফল।
কলাগাছ আসলে একটি গাছ না; এটি একটি বড় ঘাসজাত উদ্ভিদ।
সবুজ কাঁচা কলা রান্না করে খাওয়া যায় (ভাজি, ভর্তা ইত্যাদি), আর পাকা কলা কাঁচা খাওয়া যায়।
ঈদ এর আগেই নিজেকে ফিট করে গড়ে তুলুন।
সুস্থ স্বাভাবিক জীবন যাপন করুন।
Original Piles Care
17/05/2025
কাঁঠাল এর উপকারিতা
১। কাঁঠালে চর্বির পরিমাণ নিতান্ত কম। এই ফল খাওয়ার কারণে ওজন বৃদ্ধির আশংকা কম।
২। কাঁঠাল পটাশিয়ামের উৎকৃষ্ট উৎস। ১০০ গ্রাম কাঁঠালে পটাশিয়ামের পরিমাণ ৩০৩ মিলিগ্রাম। পটাশিয়াম উচ্চ রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে। এ জন্যে কাঁঠালে উচ্চ রক্ত চাপের উপশম হয়।
৩। কাঁঠালে প্রচুর ভিটামিন এ আছে, যা রাতকানা রোগ প্রতিরোধ করে।
৪। কাঁঠালের অন্যতম উপযোগিতা হল ভিটামিন সি। প্রাকৃতিকভাবে মানবদেহে ভিটামিন “সি” তৈরি হয় না। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধির পাশাপাশি দাঁতের মাড়িকে শক্তিশালী করে ভিটামিন “সি”।
৫। কাঁঠালে বিদ্যমান ফাইটোনিউট্রিয়েন্টস- আলসার, ক্যান্সার, উচ্চ রক্তচাপ এবং বার্ধক্য প্রতিরোধে সক্ষম।
৬। কাঁঠালে আছে শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা আমাদের দেহকে ক্ষতিকর ফ্রির্যাডিকেলস থেকে রক্ষা করে। এছাড়াও আমাদেরকে সর্দি-কাশি রোগের সংক্রমণ থেকে রক্ষা করে।
৭। টেনশন এবং নার্ভাসনেস কমাতে কাঁঠাল বেশ কার্যকরী।
৮। বদহজম রোধ করে কাঁঠাল।
৯। কাঁঠাল গাছের শেকড় হাঁপানী উপশম করে। শেকড় সেদ্ধ করলে যে উৎকৃষ্ট পুষ্টি উপাদান নিষ্কাশিত হয় তা হাঁপানীর প্রকোপ নিয়ন্ত্রণে সক্ষম।
১০। চর্মরোগের সমস্যা সমাধানেও কাঁঠালের শেকড় কার্যকরী। জ্বর এবং ডায়রিয়া নিরাময় করে কাঁঠালের শেকড়।
১১। কাঁঠালে আছে বিপুল পরিমাণে খনিজ উপাদান ম্যাঙ্গানিজ যা রক্তে শর্করা বা চিনির পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।
১২। কাঁঠালে বিদ্যমান ম্যাগনেসিয়াম, ক্যালসিয়ামের মত হাড়ের গঠন ও হাড় শক্তিশালী করণে ভূমিকা পালন করে।
১৩। কাঁঠালে আছে ভিটামিন বি৬ যা হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়।
১৪। কাঁঠালে বিদ্যমান ক্যালসিয়াম কেবল হাড়ের জন্য উপকারী নয় রক্ত সংকোচন প্রক্রিয়া সমাধানেও ভূমিকা রাখে।
১৫। ছয় মাস বয়সের পর থেকে মায়ের দুধের পাশাপাশি শিশুকে কাঁঠালের রস খাওয়ালে শিশুর ক্ষুধা নিবারণ হয়। অন্যদিকে তার প্রয়োজনীয় ভিটামিনের অভাব পূরণ হয়।
১৬। চিকিৎৎসা শাস্ত্র মতে প্রতিদিন ২০০ গ্রাম তাজা পাকা কাঁঠাল খেলে গর্ভবতী মহিলা ও তার গর্ভধারণকৃত শিশুর সব ধরনের পুষ্টির অভাব দূর হয়।
১৭। গর্ভবতী মহিলারা কাঁঠাল খেলে তার স্বাস্থ্য স্বাভাবিক থাকে এবং গর্ভস্থসন্তানের বৃদ্ধি স্বাভাবিক হয়।
১৮। দুগ্ধদানকারী মা তাজা পাকা কাঁঠাল খেলে দুধের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়।
১৯। এই ফল আঁশালো বিধায় কোষ্ঠকাঠিণ্য দূর করে।
14/05/2025
জাম বা কালোজাম একটি পুষ্টিকর ফল যা বিভিন্ন স্বাস্থ্য উপকারিতার জন্য পরিচিত। এর কিছু প্রধান উপকারিতা হলো:
1. উচ্চ পুষ্টিগুণ: জামে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি, ভিটামিন এ, ক্যালসিয়াম, আয়রন এবং অন্যান্য খনিজ উপাদান রয়েছে।
2. অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ: জামে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট থাকে যা শরীরের ফ্রি র্যাডিক্যালের বিরুদ্ধে লড়াই করে এবং ক্যান্সারসহ অন্যান্য রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে।
3. ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ: জামে গ্লুকোজ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে, তাই এটি ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য উপকারী।
4. হৃদরোগ প্রতিরোধ: জামে থাকা পটাসিয়াম এবং অন্যান্য খনিজ উপাদান হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে।
5. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি: জামের ভিটামিন সি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং ঠান্ডা, কাশি এবং অন্যান্য সংক্রমণ প্রতিরোধে সহায়ক।
6. হজমশক্তি উন্নতি: জামের ফাইবার হজমশক্তি উন্নত করে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য কমাতে সাহায্য করে।
7. ত্বকের যত্ন: জাম ত্বকের জন্যও উপকারী। এটি ত্বককে উজ্জ্বল করে এবং ব্রণ, দাগ ও অন্যান্য ত্বকের সমস্যা কমাতে সাহায্য করে।
8. রক্তস্বল্পতা প্রতিরোধ: জামে থাকা আয়রন রক্তস্বল্পতা প্রতিরোধে সহায়ক।
জামের নিয়মিত সেবনে এই সকল স্বাস্থ্য উপকারিতা পাওয়া সম্ভব। তবে, অতিরিক্ত না খাওয়াই ভালো, কারণ কিছু মানুষের ক্ষেত্রে এটি অ্যালার্জি বা অন্যান্য সমস্যার কারণ হতে পারে।
14/05/2025
কালো জাম এর উপকারিতা
কালোজাম ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য খুব ভালো। কালোজামের গ্লাইসেমিক ইনডেক্স কম। ক্যালশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, ফসফরাস, ভিটামিন সি, থিয়ামিন, রাইবোফ্লাভিন সমৃদ্ধ কালোজাম খেলে পেট ভালো থাকে। দাঁত আর মুখের স্বাস্থ্য ভালো রাখতেও কালোজাম অপরিহার্য।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Telephone
Website
Address
45 New Market Road
Dhaka
1216
