Elite super shop

Elite super shop

Share

Business

05/10/2021
14/09/2021

কেন খাবেন শশা?
১। জল শূন্যতায়
শরীরে জলের চাহিদা মেটাতে শশা খুবই উপকারী। একটি শশায় প্রায় ৯৫ শতাংশ জল থাকে। দুর্বলতা কাটিয়ে দ্রুত সতেজ করে তোলে।

২। ভিটামিনের চাহিদায়
প্রতিদিন শরীরে যে সমস্ত ভিটামিনের প্রয়োজন বেশির ভাগই শশায় আছে। ভিটামিন এ, বি ও সি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।

৩। ডায়াবেটিস প্রতিরোধে
শশা ডায়াবেটিস বা সুগারের সমস্যা প্রতিরোধ করে। শশায় থাকা বিশেষ উপাদান রক্তের কোলেস্টরলের মাত্রা কমাতে পারে।

৪। কিডনির পাথর
শশার জলীয় অংশ দেহের বর্জ্য ও দূষিত পদার্থ বের করতে দারুণ কাজ করে। নিয়মিত শশা খেলে কিডনিতে সৃষ্ট পাথর গলে যেতে সহায়তা হয়। ইউরিনারি, ব্লাডার, লিভার ও প্যানক্রিয়াসের সমস্যার সমাধানে বেশ সাহায্য করে শশা।

৫। কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে
১০০ গ্রাম শশার রস খালি পেটে রোজ সকালে খালি পেটে খেলে কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে আসে। সকালের খাবার ১৫ থেকে ২০ মিনিট আগে খেতে হবে। মাসখানেক এই ভাবে খেলে উপকার পাবেন।

৬। স্মৃতিশক্তিতে
শশার রস নিয়মিত খাওয়ার ফলে মস্তিস্কে ও ধমনীতে জমে থাকা প্রচুর এলডিএল হ্রাস করে। ফলে স্মৃতিশক্তিও বৃদ্ধি পায়।

৭। রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে
শশায় আছে প্রচুর ভিটামিন সি, ম্যাগনিসিয়াম, সিলিকা, পটাসিয়াম ও আঁশপদার্থ। এগুলি শরীরের রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে। শশার উপাদান উচ্চ এবং নিম্ন রক্তচাপ দু’ই নিয়ন্ত্রণ করে। হার্ট ও ফুসফুসের সমস্যায় উপকার করে।



৮। ওজন হ্রাসে
এতে উচ্চমাত্রায় জল থাকে। নিম্নমাত্রায় ক্যালরি থাকে। ফলে দেহের ওজন কমাতে আদর্শ এটি।

৯। হজমে
কাঁচা শশা চিবিয়ে খেলে ভালো হজম হয়। এরেপসিন নামক অ্যানজাইমের জন্য দীর্ঘমেয়াদি কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হয়। আলসার, গ্যাস্ট্রাইটিস, অ্যাসিডিটির ক্ষেত্রেও উপকারী।

১০। গেঁটেবাত
প্রচুর পরিমাণে সিলিকা থাকে এতে। গাজরের রসের সঙ্গে শশা রস মিশিয়ে খেলে দেহের ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা কমে। গেঁটেবাতের ব্যথা কমে। আর্থ্রাইটিসের ব্যথাও উপশম করে।



১১। মাথাব্যথায়
সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর যে মাথাব্যথা হয়, শরীরে অবসাদ আসে তা শশার উপাদান সমূহ যেমন – ভিটামিন বি ও সুগার এ সব দূর করে। ঘুমাতে যাওয়ার আগে কয়েক টুকরো শশা খেলে ঘুম থেকে ওঠার পরের এই সমস্যা দূর হয়।

১২। ক্যানসারে
শশায় বিশেষ তিনটি আয়ুর্বেদিক উপাদান থাকে। এটি জরায়ু, স্তন ও মূত্রগ্রন্থিসহ বিভিন্ন স্থানে ক্যানসারের ঝুঁকি কমায়।

১৩। চোখের যত্নে
শশা

14/09/2021

শশা শরীর সুস্থ রাখতে খুব উপকারী ও দরকারী একটি নাম। শশার উপকারিতা অনেক। বেশির ভাগ রোগের ক্ষেত্রেই রোগীরা শশা খেতে পারেন, তার কারণ শশার খাদ্য ও পুষ্টিগুণ। শুধু রূপচর্চায় নয়, শরীরকে ভেতর থেকে ঠিক রাখতে শশা নিয়মিত খাওয়া দরকার।

শশায় ভিটামিন বি, থিয়ামিন (বি১), রাইবোফ্লাবিন (বি২), নিয়াসিন (বি৪), প্যানটোথেনিক, বি৫, বি৬, ফোলেট (বি৯), ভিটামিন সি, ভিটামিন কে, গ্লুকোজ, স্নেহপদার্থ, ফাইবার, প্রোটিন, বিভিন্ন ধরনের খনিজ পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, ম্যাগনেশিয়াম, লোহা, সোডিয়াম, দস্তা, ক্যালোরি, সব থেকে বেশি থাকে জলীয় পদার্থ।

02/09/2021

মুখে হঠাৎই একদিন একগাদা ছোট ছোট লালচে দানা বেরোতে দেখলেন। তার পর বুঝতে পারলেন যে অতি বিরক্তিকর সেই দানাগুলি কিছুতেই পিছু ছাড়ছে না – বরং ক্রমশ ছড়িয়ে পড়ছে নাকের উপরে, গালের দু’পাশে, কপালে? এমন সমস্যায় আমাদের মধ্যে অনেককেই ভুগতে হয়। আসলে মুখে র‍্যাশ বেরনোর নানা কারণ থাকতে পারে, তার চিকিৎসাও বিবিধ প্রকারের হয়। তবে খুব সাধারণ কতগুলি কারণ অবশ্যই আছে। সেগুলি থেকে সাবধানতা অবলম্বন করে দেখতে পারেন সুরাহা হচ্ছে কিনা।

নতুন কেনা প্রসাধনীটি সম্ভবত আপনার সহ্য হচ্ছে না: নতুন কোনও ময়েশ্চরাইজ়ার, সানস্ক্রিন, কাজল কিনেছেন এবং তা রোজ ব্যবহার করছেন? তারই উপাদানে এমন একটা কিছু থাকতে পারে যা আপনার র‍্যাশ বেরনোর মূল কারণ। যত শিগগির সম্ভব সেটির ব্যবহার বন্ধ করুন ও ফারাকটা দেখুন।

আপনার শরীরে ইনফ্লামেশন বা প্রদাহ হচ্ছে: শরীরের তাপমাত্রা বেড়ে থাকার কারণেও মুখে র‍্যাশ বেরোতে পারে। ইনফ্লামেশন কমানোর জন্য আদা, গোলমরিচ, কাঁচা হলুদ, দারচিনি আর মেথি খুব ভালো করে ফুটিয়ে একটা মিশ্রণ তৈরি করে নিন। তার পর একটু ঠান্ডা করে আধখানা লেবুর রস মিশিয়ে খেতে পারেন। সেই সঙ্গে কিছুদিনের জন্য আমিষ খাওয়া বন্ধ রাখুন, ছাড়তে হবে প্রসেসড ফুড, নরম পানীয়, দুধ, গ্লুটেন বা অতিরিক্ত মিষ্টি খাওয়াও। খাওয়াদাওয়া নিয়ন্ত্রণে আসার পর র‍্যাশের চরিত্রে বদল এলে কারণটা চট করে ধরে ফেলতে পারবেন।

সুগন্ধি এড়িয়ে চলুন: কোনও সুগন্ধি ক্রিম, ময়েশ্চরাইজ়ার, সাবান ব্যবহার করবেন না। এমন কিছু বেছে নিন যা প্রাকৃতিক, কোমল ও গন্ধহীন। সেই সঙ্গে ত্বকের আর্দ্রতা বজায় রাখাটাও একইরকম জরুরি। ময়েশ্চরাইজ়ার হিসেবে কোল্ড প্রেসড নারকেল তেল বেছে নিতে পারেন। কোল্ড প্রেসড আমন্ড অয়েলও খুব ভালো হয়।

জামাকাপড় বা চুল রং করার জন্য ব্যবহৃত ডাইও কালপ্রিট হতে পারে: জামাকাপড় রং করার জন্য বা চুল রং করার জন্য আপনি যে ডাইটি বেছে নিচ্ছেন, তার কোনও উপাদান থেকেও র‍্যাশ হওয়ার আশঙ্কা থেকে যায়। কিছুদিনের জন্য সেগুলির ব্যবহার বন্ধ করে দেখুন কোনও লাভ হচ্ছে কিনা। হেয়ার ডাই ব্যবহারের আগে অবশ্যই একবার প্যাচ টেস্ট করিয়ে নেওয়া উচিত।

খুশকি বা ওই জাতীয় কোনও ফাঙ্গাল ইনফেকশন থেকেও মুখে র‍্যাশ বেরোতে পারে: মাথায় খুশকি থাকলে বা ভুরু বা চোখের পাতায় কোনও ইনফেকশন হলেও কিন্ত র‍্যাশ বেরনোর আশঙ্কা থাকে। কোনও ওষুধপত্র ব্যবহারের আগে অবশ্যই ডাক্তারকে একবার দেখিয়ে নিশ্চিত হয়ে নিন।

কী ব্যবহা

02/09/2021

: নারী বা পুরুষ— উভয়ের জন্যই চুলের সৌন্দর্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, স্বাস্থ্যজ্জ্বল সুন্দর চুল সৌন্দর্য বৃদ্ধির পাশাপাশি আমাদের ব্যক্তিত্বের ওপরেও প্রভাব ফেলে। চুল ঝরার সমস্যা সকলের ক্ষেত্রেই খুবই বিব্রতকর এবং যন্ত্রণায়দায়ক একটি সমস্যা। বর্ষাকালে বাতাসে জলীয় বাষ্প এবং আর্দ্রতার পরিমাণ বেড়ে যাওয়ায় ভিজে চুল সহজে শুকতে চায় না। দীর্ঘক্ষণ চুলের গোড়া ভিজে থাকায় আলগা হয়ে চুল ঝরে যেতে থাকে। একটি সাধারণ ঘরোয়া পদ্ধতি কাজে লাগিয়ে সহজেই বর্ষাকালে অতিরিক্ত চুল ঝরার হাত থেকে রেহাই পাওয়া সম্ভব। এর জন্য চাই মাত্র কয়েকটা পেয়ারা পাতা। ভাবছেন কী ভাবে পেয়ারা পাতা দিয়ে অতিরিক্ত চুল ঝরা ঠেকাবেন? আসুন এ জেনে নেওয়া যাক...

ব্যবহার পদ্ধতি:

৫-৬টি পেয়ারা পাতা একটি পাত্রে ৩-৪ কাপ পরিষ্কার জল দিয়ে অন্তত ২০ মিনিট সেদ্ধ করে নিন। এর পর এই গরম জলের সঙ্গে ২ কাপ ঠাণ্ডা জল মিশিয়ে নিন। এরপর এই উষ্ণ জল মাথার ত্বকে বা স্ক্যাল্পে দিয়ে ভাল করে মাখিয়ে দিয়ে ১ ঘণ্টা রেখে দিন। এক ঘণ্টা পরে মাথা ভাল করে ধুয়ে ফেলুন। ভাল ফল পাওয়ার জন্য রাতে ঘুমানোর আগে এই পদ্ধতিতে চুলের যত্ন নিন। সপ্তাহে অন্তত তিন দিন এই পদ্ধতি কাজে লাগিয়ে চুলের যত্ন নিতে পারলে অতিরিক্ত চুল ঝরার সমস্যা অনেকটাই কমে যাবে, সেই সঙ্গে গজাবে নতুন চুলও।

পেয়ারা পাতায় রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন যা চুলের স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারি। পেয়ারা পাতা অবশ্যই অকালে মাথার চুল ঝরে যাওয়া কমাতে সাহায্য করবে। সেইসঙ্গে নতুন চুল গজাতেও সাহায্য করবে। পেয়ারা পাতার রস চুলের গোড়া মজবুত করতে সাহায্য করে।

02/09/2021

ডায়েট
ফিটনেস
নারীস্বাস্থ্য
শিশুস্বাস্থ্য
প্রবীণ
মন
ভেষজ
স্বাস্থ্যকথা
রোগব্যাধি
প্রতিকার চাই
অন্যান্য
খাবারের গুণাগুণ
স্বাস্থ্য
কলার ১০ গুণ
শাশ্বতী মাথিন
০৪ এপ্রিল, ২০১৫, ১৪:৫৫
আপডেট: ০৪ এপ্রিল, ২০১৫, ১৫:১০



Subscribe to Notifications


কলা খেলে বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধ হয়।ছবি : অরগানিক ফ্যাক্টস
শুনতে কিছুটা অদ্ভুত হলেও, দেহের এমন কিছু সমস্যা রয়েছে যা রোধে ওষুধের থেকে কলা অনেক কার্যকরী। কলার মধ্যে রয়েছে প্রোটিন, প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন এবং অন্যান্য পুষ্টিগুণ; এটি খেতেও বেশ মাজাদার। সম্প্রতি একটি গবেষণায় বলা হয়, এই ফল নারীর ঋতুস্রাবের সমস্যা সমাধান করে এবং দেহে শক্তি জোগায়। কলায় থাকা প্রচুর পরিমাণ ফাইবার বিভিন্ন রোগ থেকে দেহকে রক্ষা করে।

স্বাস্থ্যবিষয়ক ওয়েব সাইট হেলদি ফুড টিম জানিয়েছে দেহের ১০ টি সমস্যার কথা যা রোধে কলা খাওয়া বেশ উপকারী।

১. কলা শক্তির (এনার্জি) অত্যন্ত ভালো উৎস। এর ফলে অনেক খেলোয়াড়কেই বেশি পরিমাণ কলা খেতে দেখা যায়।

২. কলার মধ্যে রয়েছে এমাইনো এসিড, যেটি মানসিক চাপ রোধক হিসেবে কাজ করে। এর মধ্যে রয়েছে ম্যাগনেসিয়াম ও ক্যালসিয়াম- যা বিষণ্ণতা রোধে কাজ করে।

৩. কলার মধ্যে রয়েছে উচ্চ পরিমাণে ক্যালসিয়াম এবং সামান্য পরিমাণ লবণ যা হৃদপিণ্ড ভালো রাখতে সাহায্য করে; এটি উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণেও কাজ করে।

৪. প্রতিদিন একটি করে কলা খাওয়া স্মৃতিশক্তি বাড়ায়।

৫. এর মধ্যে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ আয়রন, যা রক্তে হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ বাড়ায় এবং যেসব রোগীর রক্তস্বল্পতা বা এনিমিয়া রোগ রয়েছে তাদের জন্য এটি বেশ উপাদেয়।

৬. কলা দেহের হরমোনের ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে।

৭. সন্তানসম্ভবা নারীর জন্য কলা খাওয়া খুবই উপকারী। কেননা এটি সকালেবেলার দুর্বলতা কাটাতে কাজ করে এবং রক্তের শর্করার সামঞ্জস্য বজায় রাখে।

৮. কলা পাকস্থলির এসিডকে নিয়ন্ত্রণ করে এবং পাকস্থলির আলসার রোধে কাজ করে।

৯. এর মধ্যে ছয় ধরনের ভিটামিন রয়েছে, যা রক্তে শর্করা গঠনে কাজ করে।

১০.এর মধ্যে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ ফাইবার। রোজ সকালে এটি পাকা কলা খাওয়া আপনার কোষ্টকাঠিন্য দূর করে শরীরকে সুস্থ রাখবে

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Website

Address


Rajbari
Dhaka