Stay Vigilant
The goal of the stay vigilant is to make people aware of how to live a healthy and beautiful life.
মেয়েদের জীবনটা খুবই তুচ্ছ, ক্ষণস্থায়ী এই দুনিয়ার জীবনে গুচ্ছ ভরা ফুল ফোটানোর স্বপ্ন দেখাটাই বৃথা। এখানে সবাই তোমাকে তাদের মত করে আপন/ প্রিয় হওয়ার অভিনয় করবে এবং সুযোগ পেলে মনে করিয়ে দিবে তাদের কাছে তোমার মূল্যায়ন । 💔💔
যদি তুমি কাউকে তিলে তিলে মারতে চাও, তাহলে তাকে মানসিকভাবে কথার কষ্ট দিয়ে যাও।
জীবনে চলার পথে এমন কিছু শব্দ আছে, যাদের সাথে আমরা কমবেশি সবাই পরিচিত যেমন, রাগ,হতাশা, দুশ্চিন্তা,মানসিক চাপ,ও ভয়। শব্দগুলো আকারে ছোট হলেও মানবদেহে এর বিরূপ নেতিবাচক প্রভাব রয়েছে। চলুন যেনে নেওয়া যাক, এগুলো আমাদের দেহে আমাদের অসচেতনতায় কিভাবে আমাদের ক্ষতি করে।
😡 রাগ, ➡️লিভারের ক্ষতি করে।
😱হতাশা ➡️ফুসফুসের ক্ষতি করে।
🤔দুশ্চিন্তা➡️ পাকস্থলীর ক্ষতি করে।
☹️মানসিক চাপ➡️ হার্ট ও ব্রেনের ক্ষতি করে।
😲ভয়➡️ কিডনির ক্ষতি করে
তাই আসুন, আমরা একে অপরকে এগুলো থেকে বিরত থাকতে সাহায্য করি,সবাই মিলে সুস্থ সুন্দর জীবন যাপন করি।
পরিশেষে, লেখাটি ভালো লাগলে একটা 👍দিবেন।
আর,এরকম নতুন নতুন টিপস পেতে পেজটি Follow দিয়ে সাথে থাকুন,
ধন্যবাদ সবাইকে।
৷৷৷৷৷৷৷ সকলের জানা উচিৎ➡️
▪️আপনার পাকস্থলী কখন ভীত; যখন আপনি সকালে ব্রেকফাস্ট করছেন না।
▪️আপনার কিডনি কখন আতঙ্কিত; যখন আপনি ২৪ ঘন্টায় ১০ গ্লাস পানি পান করতে ব্যর্থ হচ্ছেন।
▪️ আপনার গলব্লাডার কখন ভীত; যখন আপনি রাত ১১টার মধ্যে ঘুমাতে এবং সূর্যোদয়ের সাথে সাথে বিছানা ছাড়তে ব্যর্থ হচ্ছেন।
▪️ আপনার ক্ষুদ্রান্ত্র আতঙ্কিত; যখন আপনি ঠান্ডা এবং বাসী খাবার খাচ্ছেন।
▪️ বৃহদান্ত্র আতঙ্কিত; যখন আপনি ভাজা-পোড়া এবং ঝাল মশলাযুক্ত খাবার বেশি খাচ্ছেন।
▪️ফুসফুস তখন ভীত; যখন আপনি ধোঁয়া, ধুলা এবং বিড়ি ও সিগারেটের বিষাক্ত আবহাওয়ায় থাকছেন।
▪️লিভার ভীত; যখন আপনি অতিরিক্ত ভাজা, জাঙ্কফুড এবং ফাস্টফুড খাচ্ছেন।
▪️ হৃদপিন্ড ভীত; যখন আপনি বেশি লবণ এবং কোলেস্টরলযুক্ত খাবার খাচ্ছেন।
▪️প্যানক্রিয়াস আতঙ্কিত; যখন আপনি সহজলভ্য এবং সুস্বাদু বলে প্রচুর মিষ্টিজাত খাবার খাচ্ছেন।
▪️ আপনার চোখ আতঙ্কিত; যখন আপনি অন্ধকারে মোবাইলের আলো এবং কম্পিউটার স্ক্রীনের আলোয় কাজ করছেন।
▪️আপনার মস্তিষ্ক ভীত; যখন আপনি নেতিবাচক চিন্তাকে প্রশ্রয় দেয়া শুরু করেছেন।
সুতরাং আপনার শরীরের অঙ্গ প্রতঙ্গ সমূহের যত্ন নিন।
💗
হে আল্লাহ তুমি তো রহমানুর রহিম গফুরুর রহিম, তুমি আমাকে খমা করে দাও
ফুলবাগানের ফুল তখনই সুন্দর, যখন তাকে সুন্দর দৃষ্টিতে দেখা হয়
সুস্থতা আল্লাহর একটা বড় নিয়ামত, আলহামদুলিল্লাহ
আল্লাহুম্মাগফিরলী
লজ্জাশীলতা ঈমানের অঙ্গ, যখন লজ্জা কমে যায়, তখন ঈমান কমে যায়।
আপনি কি মেহমান বাড়ি বেড়াতে যাবেন বলে ভাবছেন? তাহলে লেখাটি শেষ পর্যন্ত পড়ুন।
🔶মেহমান বাড়ি যাওয়ার আগে যে বিষয়গুলো জানা সবার জন্য প্রয়োজন।
🔹 আমরা মাঝে মাঝেই প্রয়োজনে বা আত্মীয়-স্বজনদের খোঁজ নেয়ার জন্য অথবা ঘুরতে আত্মীয়-স্বজন অথবা বন্ধু বান্ধবীদের বাড়িতে মেহমান হয়ে বেড়াতে যাই। মেহমান হয়ে অন্যের বাড়ি যাওয়ার আগে নিজের কিছু করণীয় থাকে।
১/ মেহমান বাড়িতে যাওয়ার কমপকখে একদিন আগে তাদের জানানো , সুযোগ থাকলে আরো আগে জানানো ভালো। যাতে আপনার হঠাৎ আগমনে যেন তারা বিব্রত না হয়।
২/ জরুরী প্রয়োজন না হলে মাসের শেষের দিকে না যাওয়া।
৩/ লোকসংখ্যা সম্পর্কে তাদেরকে অবহিত করা।অতিরিক্ত লোক না নেওয়া।
৪/ কতদিন থাকবেন সেটা সম্পর্কে তাদেরকে অবহিত করা।
৫/ হযরত আবু শুরাইহ খুযাঈ (রা.)-এর বরাতে এ ব্যাপারে হাদিসে বর্ণনা আছে―মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) বললেন, মেহমানদারি তিনদিন, আর উত্তম মেহমানদারি একদিন-একরাত্রি। এটা কোনো মুসলমানের জন্য বৈধ নয় যে, সে তার ভাইয়ের কাছে থেকে তাকে দিয়ে পাপ করাবে।সাহাবারা তখন বললেন, হে আল্লাহর রাসুল, তাকে দিয়ে সে কীভাবে পাপ করাবে? জবাবে বিশ্বনবী (সা.) বললেন, সে (মেহমান) তার কাছে (বেশি দিন) থাকবে, অথচ তার (মেজবানের) এতটা সামর্থ্য নেই যে, যা দিয়ে মেহমানকে মেহমানদারি করবে। (মুসলিম, হাদিস: ৪৪০৬)
এ হাদিস অনুযায়ী মেহমান বাড়ি কমপক্ষে একদিন একরাত,এবং সর্বোচ্চ তিনদিন থাকা উত্তম।
৬/ একই জায়গায় অনেক আত্মীয় থাকলে, খাওয়ার বিষয়টি মেহমান নিজে সেট করবে।যেমন: বোন তার বাবার বাড়িতে গেল,তার তিনজন ভাই আছে, সে প্রথমে বড় ভাইয়ের বাড়িতে গিয়ে উঠলো, এখন খাওয়ার সময় দেখা গেল তিন ভাইই বোনের খাওয়ার ব্যাবস্হা করেছে, অথবা এর বিপরীত ও হতে পারে যে একভাই আরেকভাইয়ের অপেক্ষায় থাকলো। তখন কিন্তু মেহমান ও মেজবান উভয় লজ্জায় পড়ে যাবে। তাই এখেত্রে মেহমানের উচিত আগে যার বাড়ি যাবে তাকে আগে জানানো। এবং পরবর্তীতে খাওয়ার বিষয়টি সেট করে নেওয়া।
৭/ মেজবানের সামর্থের বাইরে কোন কিছু খেতে বা নিতে না চাওয়া।
৮/ মেহমান বাড়ি যেয়ে এমন কোন কথা বা কাজ না করা, যাতে তাদের পারিবারিক অশান্তি ও ঝগড়া র সৃষ্টি হয়।
৯/ সাথে ছোট বাচ্চা থাকলে, তাদেরকে সামলিয়ে রাখার চেষ্টা করা।
১০/ পরুষশূন্য বাড়িতে গায়রে মাহরাম পুরুষ না যাওয়া।
১১/ মেহমান বাড়িতে থাকার ইচ্ছে করলে নিজের প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র,কাপড়চোপড়, গামছা, বিরাশ এগুলো নিয়ে যাওয়া।
১২/ খাবার,পোশাক, আসবাবপত্র অথবা আনুষঙ্গিক এমন কোন বিষয়ে নিজের বড়ত্ব প্রকাশ করতে গিয়ে এমন কোন কথা না বলা যাতে মেজবান কষ্ট পায় ও লজ্জিত হয়, যেমন ধরুন,তোমাদের বাসায় এসি নায় না,আমি আবার এসি ছাড়া থাকতে পারি না।
১৩/ যাওয়ার সময় মেজবানদের জন্য সামর্থ অনুযায়ী কিছু উপহার সামগ্রী নিয়ে যাওয়া।
১৪/ মেয়েদেরকে বলছি, কিছু কিছু বিবাহিত বোন আছে তারা সামর্থবান হওয়ার পর ও বিশেষ করে ভাইদের বিয়ের পরে বাবার বাড়ি থেকে ভাইয়ের কাছ থেকে শুধু নেওয়ার জন্য চেষ্টা করে। এগুলো না করা। মনে রাখবেন,উপহার বা দান এগুলো না চেয়ে নেওয়া এবং খুশি মনে দেওয়ার মধ্যে একটা অন্যরকম তৃপ্তি পাওয়া যায়।
১৫/ খাবার খাওয়ার পর,খাবারের প্রশংসা করা।
১৬/ খাবার নষ্ট না করা
১৭/ বিদায়ের সময় মেজবানদের কাছে ভুল ত্রুটির খমা চাওয়া এবং তাদের কে বেড়াতে যাওয়ার জন্য দওয়াত দেওয়া।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Mirpur
Dhaka
