Online Homeopathy

Online Homeopathy

Share

Online homeopathy will discuss various health problems and their homeopathic solutions.

Stay with the page, learn yourself and like, make a comment and share it with others.

27/09/2025

হাত-পায়ে জ্বালাপোড়া একটি অত্যন্ত সাধারণ কিন্তু কষ্টদায়ক সমস্যা, যা প্রায়শই স্নায়ুবিক ক্ষতির কারণে হয়ে থাকে। হাত-পায়ের জ্বালাপোড়ার হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসায় রোগীর সমস্ত লক্ষণের ভিত্তিতে ওষুধ নির্বাচন করা হয়। নিচে কিছু সম্ভাব্য ওষুধের তালিকা দেওয়া হলো, তবে এগুলো শুধুমাত্র একজন দক্ষ হোমিওপ্যাথিক ডাক্তারের পরামর্শক্রমেই ব্যবহার করা উচিত।

হাত-পায়ের জ্বালাপোড়ায় ব্যবহৃত কিছু হোমিওপ্যাথিক ওষুধ:

১. আর্সেনিকাম অ্যালবাম (Arsenicum Album):
* প্রধান লক্ষণ:অত্যন্ত তীব্র জ্বালাপোড়া, মনে হবে যেন আগুনে পুড়ছে। এই অনুভূতি সাধারণত মধ্যরাতের পর তীব্রতর হয়। রোগী প্রচণ্ড উদ্বিগ্ন ও দুর্বল বোধ করতে পারেন।
* প্রযোজ্যতা:যখন জ্বালাপোড়া খুবই তীব্র হয় এবং অস্থিরতা ও উদ্বেগভাব বৃদ্ধি পায়।

২. সালফার (Sulphur):
* প্রধান লক্ষণ:পায়ের তলায় জ্বালাপোড়া, যা রাতে বৃদ্ধি হতে পারে। রোগী ঘন ঘন পা বিছানা থেকে বাইরে বের করে ঠান্ডা রাখতে চান।
* প্রযোজ্যতা:যখন জ্বালাপোড়ার সাথে পা ঠান্ডা পরিবেশ রাখার ইচ্ছা বৃদ্ধি পায়।

৩. লাইকোপোডিয়াম (Lycopodium):
* প্রধান লক্ষণ:পায়ে জ্বালাপোড়া বা ঠান্ডাভাব- উভয়ই অনুভূত হতে পারে। প্রায়শই হজমের গোলমাল (পেট ফাঁপা) থাকে। বিকেল ৪টা থেকে ৮টার মধ্যে লক্ষণাবলি বৃদ্ধি পায়।
* প্রযোজ্যতা:যখন জ্বালাপোড়া, ঠান্ডাভাব এবং হজমের সমস্যা একসাথে থাকে।

৪. ফসফরিক অ্যাসিড (Phosphoric Acid):
* প্রধান লক্ষণ:দীর্ঘস্থায়ী রোগ বা মানসিক আঘাতের ফলে সৃষ্ট দুর্বলতা ও স্নায়ুবিক সমস্যা। হাত-পায়ে জ্বালাপোড়া বা অসাড়তা থাকতে পারে। রোগী সাধারণত নিষ্ক্রিয় ও নিরুদ্যম বোধ করেন।
* প্রযোজ্যতা:যখন স্নায়ুবিক সমস্যার সাথে প্রচন্ড দুর্বলতা ও অবসাদ থাকে।

৫. প্লাম্বাম মেটালিকাম (Plumbum Metallicum):
* প্রধান লক্ষণ: স্নায়ুর ক্ষতি অনেক বেশি গভীর হলে এই ওষুধ বিবেচনা করা হয়। তীব্র ব্যথা, অসাড়তা, জ্বালাপোড়া এবং পেশীর দুর্বলতা থাকতে পারে।
* প্রযোজ্যতা:যখন স্নায়ুর ক্ষতি অনেক বেশি গুরুতর হয়।

সতর্কতা এবং গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ

১. কখনোই নিজে থেকে ওষুধ সেবন করা উচিত নয়: উপরের বর্ণনাগুলো শুধুমাত্র সাধারণ ধারণা দেওয়ার জন্য। ভুল ওষুধ নির্বাচন করা অকার্যকর এমনকি ক্ষতিকরও হতে পারে।

২. জীবনযাপন পদ্ধতি পরিবর্তন করুন:
* নিয়মিত শারীরিক ব্যয়াম করুন:এটি রক্তসংবহন ও শর্করা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।
* ধূমপান ও অ্যালকোহল সম্পূর্ণরূপে পরিত্যাগ করুন: এগুলো স্নায়ু এবং রক্তনালীর ক্ষতি ত্বরান্বিত করে।

৩. একজন দক্ষ ও অভিজ্ঞ হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকের নির্দেশিত চিকিৎসা নিন: তিনি আপনার সম্পূর্ণ লক্ষণ ও medical ইতিহাস বিবেচনা করে সঠিক ওষুধ ও potency নির্বাচন করবেন।

25/09/2025

অর্শ্ব রোগ বা পাইলস (Piles/Hemorrhoids) একটি অত্যন্ত সাধারণ রোগ যা মলদ্বার (A**s) এবং মলদ্বারের নিচের অংশে (Re**um) অবস্থিত রক্তনালীগুলির সাথে সম্পর্কিত।

অর্শ্ব রোগ কী:

আমাদের মলদ্বারের ভিতরে এবং চারপাশে কিছু শিরা বা রক্তনালীর গুচ্ছ (Cushion of tissue) থাকে, যা মল নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। যখন এই রক্তনালীগুলি ফুলে যায়, প্রসারিত হয় বা স্ফীত হয়ে রক্তপিণ্ডের মতো হয়ে যায়, তখন তাকেই অর্শ্ব বা পাইলস বলে।

অর্শ্ব প্রধানত দুই প্রকার:

১. অভ্যন্তরীণ অর্শ্ব (Internal Hemorrhoids): এগুলি মলদ্বারের ভিতরে থাকে, সাধারণত ব্যথাহীন। লক্ষণ হিসেবে মূলত মলের সাথে উজ্জ্বল লাল রক্ত পড়ে।
২. বাহ্যিক অর্শ্ব (External Hemorrhoids): এগুলি মলদ্বারের বাইরের চামড়ার নিচে হয়। এগুলি সাধারণত ব্যথাযুক্ত হয়, চুলকানি বা জ্বালাপোড়া করতে পারে এবং কখনও কখনও স্পর্শ করলে শক্ত পিণ্ডের মতো অনুভূত হয়।

প্রধান লক্ষণসমুহ:

• মলের সাথে রক্তপাত: টয়লেট পেপার বা প্যানে উজ্জ্বল লাল রক্ত দেখা দেওয়া।
• মলদ্বারে ব্যথা বা অস্বস্তি: বিশেষ করে বসলে বা মলত্যাগের সময়।
• মলদ্বার থেকে কিছু বেরিয়ে আসা বা ফুলে যাওয়া।
• চুলকানি বা জ্বালাপোড়া।

কারণসমূহ:

• কোষ্ঠকাঠিন্য (Constipation): শক্ত মল ত্যাগ করার সময় অতিরিক্ত চাপ দেওয়া।
• দীর্ঘক্ষণ টয়লেটে বসে থাকা।
• গর্ভাবস্থা: জরায়ুর চাপের কারণে।
• স্থূলতা।
• কম আঁশযুক্ত খাবার (ফাইবার) খাওয়া।
• ভারী জিনিস তোলা।
• বংশগত predisposition.

হোমিওপ্যাথিক পদ্ধতিতে অর্শ্ব রোগের চিকিৎসা করা হয়। হোমিওপ্যাথির মূল নীতি হলো "লক্ষণ সাদৃশ্য" – অর্থাৎ, কোনও ওষুধ যদি একজন সুস্থ ব্যক্তির দেহে প্রয়োগ করলে যে লক্ষণগুলি সৃষ্টি করে, অসুস্থ ব্যক্তির শরীরে সেই একই লক্ষণ দেখা দিলে সেই ওষুধই অসুস্থ ব্যক্তিকে আরোগ্য করতে পারে।

হোমিওপ্যাথিতে অর্শ্বের চিকিৎসা করার সময় শুধু মলদ্বারের লক্ষণই নয়, রোগীর সম্পূর্ণ শারীরিক ও মানসিক অবস্থা বিবেচনা করে ব্যক্তিগত ওষুধ নির্বাচন করা হয়।

অর্শ্বের রোগের চিকিৎসায় ব্যবহৃত কিছু গুরুত্বপূর্ণ হোমিওপ্যাথিক ওষুধ:

Aesculus Hippocastanum: ব্যথা এবং শুষ্কতা: মলদ্বারে তীব্র, ছুরিকাঘাতের মতো ব্যথা, শুষ্ক ও রুক্ষ অনুভূতি। ব্যথা কোমর পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়তে পারে। কোষ্ঠকাঠিন্য থাকতে পারে।

Hamamelis Virginica: রক্তপাত ও ভেনাস কনজেশন: নরম, রক্তাক্ত অর্শ্ব। রক্তপাত সহজে ও বেশি হয়। মলদ্বারে শিরা ফুলে যাওয়ার মতো অনুভূতি, জ্বালাপোড়া।

Nux Vomica: কোষ্ঠকাঠিন্য ও বিরক্তিবোধ: কোষ্ঠকাঠিন্য, অসম্পূর্ণ মলত্যাগের অনুভূতি। মসলাদার খাবার, কফি, অ্যালকোহল খাওয়ার পর লক্ষণ বেড়ে যায়। রোগী খুব বেশি কাজের চাপে থাকতে পারেন এবং সহজে রেগে যান।

Pulsatilla: পরিবর্তনশীল লক্ষণ: লক্ষণগুলি স্থির না হয়ে পরিবর্তনশীল। রক্তপাত হতে পারে আবার নাও হতে পারে। রোগীর মনোভাব নরম, কান্নাকাটি করতে পারেন এবং খোলা বাতাসে ভালো বোধ করেন।

Sulphur: জ্বালাপোড়া ও চুলকানি: মলদ্বারে তীব্র জ্বালাপোড়া ও চুলকানি। রাতের বেলা এবং গরম পানিতে ধোয়ার পর লক্ষণ বেড়ে যায়। রোগীর দেহে গরম লাগতে পারে।

Aloe Socotrina: বেরিয়ে আসা অর্শ্ব: মলত্যাগের পর অর্শ্ব বেরিয়ে আসে আঙ্গুরের গুচ্ছের মতো। ঠাণ্ডা পানিতে ধুলে বা শুয়ে থাকলে আরাম বোধ হয়।

Collinsonia Canadensis: গর্ভাবস্থার অর্শ্ব: গর্ভাবস্থায় অর্শ্বের জন্য বিশেষভাবে কার্যকর। কোষ্ঠকাঠিন্য, মল শক্ত ও শুষ্ক হওয়া সত্ত্বেও মলত্যাগে কষ্ট হয় না।

Graphites: চুলকানি ও আঠালো রস: মলদ্বারে তীব্র চুলকানি সাথে আঠার মতো স্রাব হতে পারে। সাধারণত ত্বকের অন্যান্য সমস্যা (একজিমা) থাকলে।

অর্শ্বের মূল কারণ (কোষ্ঠকাঠিন্য) দূর না করলে সমস্যা আবার ফিরে আসবে।
তাই অবশ্যই-
• আঁশযুক্ত খাবার (শাকসবজি, ফল, গোটা শস্য) বেশি খান।
• প্রচুর পানি পান করুন।
• নিয়মিত ব্যায়াম করুন।
• টয়লেটে দীর্ঘক্ষণ বসে থাকবেন না এবং চাপ দেবেন না।

সঠিক রোগ নির্ণয় জরুরি: মলদ্বারে রক্তপাত বা পিণ্ড শুধু অর্শ্বেরই লক্ষণ নয়, এটি পলিপ বা কোলন ক্যান্সারের মতো গুরুতর রোগেরও ইঙ্গিত হতে পারে। তাই একজন অভিজ্ঞ চিকিৎসকের মাধ্যমে সঠিক রোগ নির্ণয় (Diagnosis) করে তাঁর তত্ত্বাবধানে চিকিৎসা নেওয়াই উত্তম পন্থা।

09/04/2025

ডঃ মোহাম্মদ ইউনুস এর অনুরোধে ৯০ দিনের জন্য বর্ধিত শুল্ক স্থগিত করলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।

11/04/2023

গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা, বীর মুক্তিযোদ্ধা ডা.জাফরুল্লাহ চৌধুরী পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করে চির বিদায় নিয়েছেন। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
কিংবদন্তি এই বীর বাংলাদেশীর মৃত্যুতে গভীর শোক ও সমবেদনা জ্ঞাপন করছি।

23/05/2022

প্রস্টেট গ্লান্ডের বৃদ্ধিজনিত সমস্যার হোমিও চিকিৎসাঃ

প্রস্টেট গ্লান্ডের বৃদ্ধিজনিত সমস্যার কথা আজকাল হরহামেশাই শুনা যায়। প্রস্টেট একটি সুপারির মতো মাংস পিণ্ড, যা পুরুষের মূত্রথলির গ্রিবার নিচে মূত্রনালিকে ঘিরে থাকে। এর প্রধান কাজ বীর্যের তরল অংশ তৈরি করে শুক্রাণুর খাদ্যের জোগান দেওয়া।

বৃদ্ধির কারণ : বয়স বৃদ্ধির (৫০ বছরের অধিক) সঙ্গে সঙ্গে দেহের হরমোনেও কিছু কিছু পরিবর্তন হয়ে থাকে। হরমোনের এ পরিবর্তনকেই প্রস্টেট গ্রন্থির বৃদ্ধির (বিনাইন এনলার্জমেন্ট অফ প্রস্টেট) কারণ হিসেবে গণ্য করা হয়।

বৃদ্ধির ফলাফল : প্রথমত : মূত্রনালির চারদিকে প্রস্টেটের কোষ সংখ্যা বেড়ে মূত্রনালিকে চেপে ধরে। দ্বিতীয়ত : প্রস্টেট গ্রন্থির মধ্যভাগ বৃদ্ধি পেয়ে মূত্রনালির বাইরের পথকে আটকে দেয়। ফলে মূত্রথলি থেকে সহজে প্রস্রাব বের হতে পারে না।

রোগের উপসর্গসমূহ : ঘন ঘন প্রস্রাব হওয়া, ফোঁটা ফোঁটা প্রস্রাব হওয়া, প্রস্রাব করার পরও প্রস্রাবের থলি খালি না হওয়া, প্রস্রাবের বেগ আটকিয়ে রাখা অসম্ভব হওয়া, প্রস্রাবের গতি দুর্বল হওয়া ও মাঝপথে বন্ধ হওয়া, প্রস্রাবের থলি বেশি ভরে গিয়ে ফোঁটা ফোঁটা প্রস্রাব ও প্রস্রাবের সঙ্গে রক্ত যাওয়া।

রোগ নির্ণয় : রোগের ইতিহাস, শারীরিক পরীক্ষা এবং রোগীর লক্ষণ পর্যালোচনা করে এ রোগ নির্ণয় করা যায়। শারীরিক পরীক্ষার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো DRE (পায়ুপথে আঙ্গুল দিয়ে প্রস্টেট পরীক্ষা করে প্রস্টেট গ্রন্থির আকার, প্রকৃতি, ধরন এবং কাঠামো সম্পর্কে ধারণা লাভ করা)।
প্রস্টেট এর স্ফীতি ছাড়া অন্যান্য যেসব রোগের কারণে উপরের উপসর্গ হতে পারে তা হলো- মূত্রথলির পাথর, মূত্রতন্ত্রের প্রদাহ, ডায়াবেটিস, স্নায়ু রোগ, প্রস্টেট গ্রন্থির ক্যান্সার, স্ট্রোক, আঘাত/গনোরিয়াজনিত মূত্রনালির সরু (Stricture) হওয়া।

প্রস্টেট গ্রন্থির হোমিও চিকিৎসা : রোগের লক্ষণের মাত্রার ওপর ভিত্তি করে প্রস্টেট গ্রন্থির চিকিৎসায় ব্যবহৃত কিছু গুরুত্বপূর্ণ হোমিওপ্যাথিক মেডিসিন হচ্ছে Sabal Serrulata (সেবাল সেরুলেটা), Thuja occidentalis (থুজা অক্সিডেন্টালিস), Petroselinum (পেট্রোসেলিনাম), Ferrum picrate (ফেরাম পিক্রেট), Cantharis (ক্যানথারিজ),Staphysagria (স্ট্যাফিস্যাগ্রিয়া),Arnica Montana (আর্নিকা মন্টানা), Hydrangea (হাইড্রানজিয়া), Conium (কোনিয়াম), Digitalis (ডিজিটালিস) ইত্যাদি।

সাবধানতা : প্রস্টেট গ্রন্থির বৃদ্ধিজনিত সমস্যার ক্ষেত্রে চা, কফি, অ্যালকোহল পান থেকে বিরত থাকতে হবে। ক্যাফেইন ও অ্যালকোহল মূত্রথলিকে চেতিয়ে তুলে বা উদ্দীপিত করে এবং ইউরিনারি ফ্রিকোয়েন্সি বা প্রস্রাবের পুনরাবৃত্তি বৃদ্ধি করে, যা প্রস্টেটে চাপ সৃষ্টি করতে পারে। এছাড়াও রাতে পানীয় গ্রহণ সীমিত করা উচিত।

04/03/2022

ব্রণ থেকে মুক্তির উপায় হোমিওপ্যাথিক ঔষধ বারবারিস একুইফুলিয়াম

02/03/2022

যারা বডি বিল্ডআপ করতে চান তাদের জন্য আলফালফা টনিক চমৎকার সহায়তাকারী ঔষধ।

#বডিবিল্ডার #জিম

01/03/2022

বিশেষ অঙ্গ ছোট হয়ে গেলে নুফার লুটিয়া একটি দারুন কার্যকরী ঔষধ

দ্রুত বীর্যপাত কি? কেন হয় দ্রুত বীর্যপাত? দ্রুত বীর্যপাতরোধে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসায় ব্যবহৃত গ 09/01/2022

দ্রুত বীর্যপাত কি? কেন হয় দ্রুত বীর্যপাত? দ্রুত বীর্যপাতরোধে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসায় ব্যবহৃত গুরুত্বপূর্ণ ঔষধ সমূহ।

দ্রুত বীর্যপাত বলতে চিকিৎসা বিজ্ঞানে প্রি-ম্যাচিউর ইজাকুলেশনকে বুঝানো হয়ে থাকে। যদি নিয়মিত নারী-পুরুষের মধ্যে ইচ্ছার চেয়ে দ্রুত বীর্যপাত হয়, অর্থাৎ যৌন সঙ্গম শুরু করার আগেই কিংবা যৌন সঙ্গম শুরুর একটু পরেই বীর্যপাত হয়ে যায় তাহলে যে সমস্যাটি হয় তার নাম দ্রুত বীর্যপাত বা প্রি-ম্যাচিউর ইজাকুলেশন। প্রি-ম্যাচিউর ইজাকুলেশন একটি সাধারণ যৌন সমস্যা, প্রায় মানুষের মাঝেই এ সমস্যাটি খুঁজে পাওয়া যায়। তবে সঠিক হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসার মাধ্যমে এ সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব।

উপসর্গঃ পুরুষের বীর্যপাত হতে কতটা সময় নেবে সে ব্যাপারে চিকিৎসা বিজ্ঞানে আদর্শ মাপকাঠি বলতে কিছু নেই। দ্রুত বীর্যপাতের প্রাথমিক লক্ষণ হচ্ছে নারী-পুরুষ উভয়ের চরম পুলক লাভের আগেই পুরুষটির বীর্যপাত হয়ে যাওয়া। এ সমস্যা সব ধরনের যৌনতার ক্ষেত্রেই হতে পারে। যেমন হস্তমৈথুন কিংবা যৌন মিলনের সময়।

কারণঃ ঠিক কি কারণে দ্রুত বীর্যপাত হচ্ছে তা খুঁজে বের করতে বিশেষজ্ঞগণ এখনো চেষ্টা করে যাচ্ছেন। একসময় ধারণা করা হতো, এটি সম্পূর্ন মানসিক ব্যাপার। কিন্তু বর্তমানে জানা যায় যে, দ্রুত বীর্যপাত হওয়া একটি জটিল বিষয় এবং যার সংগে মানসিক এবং জৈবিক দুটোরই সম্পর্ক রয়েছে।

মানসিক কারণঃ কিছু চিকিৎসক মনে করেন যে, প্রথম বয়সে যৌন অভিজ্ঞতা ঘটলে তা এমন একটি অবস্থায় পৌঁছে যে, পরবর্তী যৌন জীবনে সেটি পরিবর্তন করা কঠিন হতে পারে। যেমন-

১। লোকজনের দৃষ্টিকে এড়ানোর জন্য তড়িঘড়ি করে চরম পুলক লাভ করার চেষ্টা।

২। অপরাধবোধ, যার কারণে যৌনক্রিয়ার সময় হঠাৎ করেই বীর্যপাত ঘটে যাওয়া। অন্য আরও কিছু বিষয় দ্রুত বীর্যপাত ঘটাতে পারে। এসবের মধ্যে আছে-

পুরুষাঙ্গের শিথিলতাঃ যেসব পুরুষ যৌনমিলনের সময় তাদের লিঙ্গের উত্থান ঠিকমত হবে কিনা কিংবা কতক্ষণ লিঙ্গ উত্থিত অবস্থায় থাকবে এসব বিষয় নিয়ে চিন্তা-ভাবনা করলেও দ্রুত বীর্যপাত ঘটে।

বিস্তারিত জানতে

দ্রুত বীর্যপাত কি? কেন হয় দ্রুত বীর্যপাত? দ্রুত বীর্যপাতরোধে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসায় ব্যবহৃত গ দ্রুত বীর্যপাত বলতে চিকিৎসা বিজ্ঞানে প্রি-ম্যাচিউর ইজাকুলেশনকে বুঝানো হয়ে থাকে। যদি নিয়মিত নারী-পুরুষের মধ্যে ...

পুরুষের পরম বন্ধু জার্মান হোমিওপ্যাথিক ঔষধ: R-41 06/11/2021

পুরুষের পরম বন্ধু জার্মান হোমিওপ্যাথিক ঔষধ: R-41


বিশ্বখ্যাত জার্মান হোমিওপ্যাথিক ঔষধ প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান ডাঃ রেকওয়েগ কর্তৃক প্রস্তুতকৃত R-41 ঔষধটি পুরুষের জন্য একটি আদর্শ টনিক। জীবনীশক্তির অভাব, ধ্বজ ভঙ্গ, ধাতু দূর্বলতা, বিশেষত পুরুষদের মধ্যে সাধারণ দুর্বলতা, রোগভোগজনিত দূর্বলতা, অতিরিক্ত শারীরিক বা মানসিক পরিশ্রমজনিত দূর্বলতা, অতিরিক্ত উত্তেজনা, স্নায়বিক ক্লান্তি এবং বার্ধক্যজনিত নানা রোগের বিরুদ্ধে R-41 অত্যান্ত ফল প্রদেয়।

পুরুষের পরম বন্ধু জার্মান হোমিওপ্যাথিক ঔষধ: R-41 বিশ্বখ্যাত জার্মান হোমিওপ্যাথিক ঔষধ প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান ডাঃ রেকওয়েগ কর্তৃক প্রস্তুতকৃত R-41 ঔষধটি পুরুষের .....

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Telephone

Address


Khilkhet
Dhaka
1229