Taniya

Taniya

Share

Please support my page

21/04/2026

নাচবে নাকি কেউ আমার সাথে🤪

29/03/2026

কোন একদিন তোমাকে তোমার বন্ধুদের সামনে থেকে এভাবে তুলে নিয়ে চলে আসবো!🤪

08/11/2025

Aro koren nibbir sahte prem 😃

06/11/2025

এখন বুঝো পিনিকের মজা🤣

01/04/2025

22/10/2024

😆😆😆

এই রঙের দুনিয়ায় তোমার কি আর কোথায়ও মু*তার জায়গা হয় নাই?😬

17/10/2024

13/10/2024

28/09/2024

❐ নিষিদ্ধ পরিবার — Part 15 🔻

আমাকে পাশ করে শুইয়ে আমার এক পা কাঁধে তুলে নিলো অভি তারপর আমার গু*দে বা*ড়া ঢুকিয়ে আবার চু*দতে লাগলো, পায়ের জয়েন্টে প্রচন্ড ব্যথা পেতে লাগলাম আমি।

এই ব্যথা বেশিক্ষন সহ্য করতে হলো না, অভি নিজেও এভাবে সুবিধা করতে না পেরে আমার দুই পা কাঁধে তুলে নিলো আর আমার দুই থাই ওর পেটের সাথে চেপে ধরে চো*দা দিতে লাগলো। আমার বেশ মজা লাগছিলো এভাবে চো*দা খেতে।

আমি সুখে বলতে থাকি- অভি লক্ষি ভাই সুখে মরে যাচ্ছি রে! এভাবেই চু*দে যা!

অভিও বলল- আপু তোমার গু*দ এতো নরম গরম আমি পাগল হয়ে যাচ্ছি তোমাকে চু*দে!

আমি শুনে বলি- হ্যাঁ ভাই তোর বোনকে এভাবেই চু*দে যা আ*হঃ!

অভি ধীরে ধীরে চো*দার গতি বাড়িয়ে দিলো। আমার গু*দে আবার জল কাটতে শুরু করেছে, আমি দুই হাতে বিছানার চাদর আঁকড়ে ধরলাম দাঁত দিয়ে নিচের ঠোঁট কামড়ে ধরে নিজেকে নিয়ন্ত্রনে রাখার চেষ্টা করতে লাগলাম।

আর বললাম- অভি আরো জোরে কর ভাই, আমার হয়ে আসবে এবার!

অভি আমার দুই পা ছেড়ে দিয়ে আমার বুকের উপর এসে পড়লো আর আমি ওকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরলাম।

অভি বুলেটের বেগে আমার গু*দ ঠাপিয়ে চলেছে, অভির এমন লম্বা গোটা দশ ঠাপ খেয়ে জল খসানোর মুহুর্ত চলে এলো আমার। আমি অভিকে সর্ব শক্তি দিয়ে নিজের বুকের সাথে চেপে ধরলাম, জল খসানোর মুহুর্তে আমি পা দিয়ে অভির কোমড় জড়িয়ে ধরলাম।

আমার সারা দেহ কাঁপিয়ে মন শীতল করে জল খসলো, জল খসিয়ে আমি অভিকে ছেড়ে দিলাম তারপর সেভাবে কিছুক্ষন পড়ে রইলাম।

একটা পরিতৃপ্তি অনুভব করলাম।

নিচে থেকে মায়ের ডাক শোনা গেলো, খাবারের জন্য ডাকছে। অভি নড়াচড়া শুরু করলো। আমি তিনবার জল খসালেও অভির এখনো মা*ল আউট হয় নি, আগে কখনো এতো সময় নিয়ে অভি আমাকে চু*দেছে বলে মনে পড়ছে না।

অভি আমার গু*দে বা*ড়া গুঁজে রেখে আমাকে কোলে নিয়ে দাঁড়ালো তারপর ছাদের মাঝখানে দাঁড়িয়ে আমার গু*দে ধীরে ধীরে ঠাপের ছন্দ তুলতে লাগলো। আমি অভির কাঁধে ভর দিয়ে ওর চো*দা খাচ্ছি আর অভিকে ভালো করে ধরে রেখেছি পরে যাবার ভয়ে।

সর্বনাশ...!!!

অভির মুখে সর্বনাশ শুনে আমার গা হিম হয়ে গেলো, আমি অভিকে জিজ্ঞাস করলাম- কি হয়েছে রে?

অভি কোনো জবাব না দিয়ে আমাকে কোলে নিয়ে চিলেকোঠায় ঢুকে পড়লো।

তারপর অভি বলল- পরে বলছি, আগে চু*দে নিই।

অভি কোলে করে আমাকে চিলেকোঠায় নিয়ে ঘরের দেয়ালে আমাকে ঠেসে ধরে চু*দতে লাগলো। ধীরে ধীরে অভি চো*দার গতি বাড়াতে লাগলো, অভির প্রতি ঠাপের সাথে সাথে আমার মুখ থেকে আ*হ আ*হ শীৎকার বেরুতে লাগলো।

আমি বুঝতে পারছিলাম অভির মা*ল খসবে। সচরাচর অভি বাইরে মা*ল ফেলে নাহলে ক*ন্ডম ব্যবহার করে, মা প্রেগনেন্ট হবার পর থেকে অভির সতর্কতা বেড়ে গিয়েছে কিন্তু আমি চাই অভি আমার ভেতরে মা*ল ফেলুক এখন।

আমি শিতকার দিলাম- আ*হঃ উ*হঃ মাঃ মরে গেলাম! অভি।

অভি বলল- আ*হঃ বলো আপু!

আমি বললাম- ও*হঃ তুই আজ ভেতরে ফেল সোনা!

অভি বলল- আ*হঃ না আপু তোমার পেট বেঁধে যাবে!

আমি শুনে বলি- ভাই না করিস না, আমি পিল খেয়ে নেবো তুই ভেতরে ফেল।

আমি বুঝতে পারছিলাম অভি ভেতরে ফেলবে না।

উত্তজনার চুড়ান্ত মুহুর্তে অভি বা*ড়া বের করে নিতে যাবে তেমন সময় আমি পা দিয়ে অভিকে আমার গু*দের সাথে চেপে ধরি সেই সাথে নিজেও উত্তেজনার চুড়ান্ত সীমায় থাকায় গু*দ দিয়ে বা*ড়া কামড়াতে থাকি। আমার আবারো জল খসতে চলেছে, আমি অভির ঘাড়ে কামড় বসিয়ে দিয়ে ওর কোলেই জল খসায়।

অভি মোটেও প্রস্তত ছিলো না এর জন্য অগত্যা বা*ড়া আমার গু*দে রেখেই শেষ পর্যন্ত মা*ল আউট করে দেয়।

অভি থ হয়ে আমাকে কোলে নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকে ওদিকে অভির থকথকে গরম মা*ল আর আমার জল গু*দ থেকে অভির বা*ড়া বেয়ে পড়তে থাকে।

নিচে থেকে আবারো মায়ের ডাক শোনা গেলো, আমি অভির কোল থেকে নেমে পড়ি।

অভি বলে- তুমি কি করলে এটা?

আমি বলি- রাগ করে না ভাই, আমি পিল খেয়ে নেবো।

অভি আবার বলে- মায়ের মতো হয়ে গেলে কি বলবে সবাইকে!

আমি বললাম- আরে হবে না, এতো টেনশন করছিস কেনো?

অভি বলে- টেনশন করছি কারন তোমার বিয়ে হয়নি এখনো!

আমি প্রশ্ন করি- তাতে কি?

অভি বলে- বিয়ের আগে বাচ্চা হলে কে তোমাকে বিয়ে করতে চাইবে?

আমি বলে ফেলি- তুই করবি, করবি না?

অভি তখন বলে- আপু সামাজিক ভাবে থাকতে হলে.....!

অভির কথা শেষ হবার আগেই আমি বলি- অভি আমদের পরিবারের ঐতিহ্য ভুলে যাস না, আচ্ছা পরে কথা বলবো এ নিয়ে তুই ছাদ থেকে কাপড় নিয়ে আয়, যা।

অভি ছাদে গিয়ে নিজের কাপড় পড়ে নেয় আর আমার শাড়ী পেটিকোট পে*ন্টি আর ব্রা* নিয়ে আসে, আমি কাপড় পড়তে গিয়ে দেখি ব্লাউজ নেই।

আমি জিজ্ঞেস করি- ব্লাউজ কোথায় রে?

অভি তখন বলে- বাতাসে নিচে পড়ে গিয়েছে।

আমি এখন বুঝলাম অভি অই সময় সর্বনাশ বলেছিলো কেনো।

আমি শুনে বললাম- কি! এখনো দাঁড়িয়ে আছিস কেনো কেউ দেখে ফেলার আগে দ্রুত খুঁজে নিয়ে আয়।

অভি এক প্রকার দৌঁড় দিয়ে বেড়িয়ে গেলো ঘর থেকে।

অভিকে যতই পরিবারের ঐতিহ্যের কথা বলি না কেনো এটা ঠিক যে আমাদের পরিবারের ঐতিহ্য এ দেশে অপরাধের পর্যায়ে পড়ে। বাবা বর্তমানে সুবিধাজনক অবস্থায় নেই আবার অ*স্ত্র ব্যবসা নিয়ে একটা মামলা এসেছে মামলায় হারলে অনেক বড় ক্ষতি হয়ে যাবে।

আবারো মায়ের ডাক শুনতে পেলাম, আমি অভির জন্য অপেক্ষা না করে নিজেকে ঠিক ঠাক করে ব্রা*য়ের উপরে শাড়ি বুকে পেঁচিয়ে নিয়ে দ্রুত নিজের রুমে চলে যাই তারপর কাপড় বদলিয়ে খেতে আসি।

খাওয়ার টেবিলে দেখি অভি বসে আছে। ইশারায় জানতে চাইলাম ব্লাউজ পেয়েছে কি না, জবাবে অভি না বললো। আমি ব্লাউজ নিয়ে চিন্তা করা বাদ দিলাম কারন বিষয়টা মা ছাড়া কেউ খেয়াল করে নি।

খাওয়া শেষ করে আমি গোসল করি, নিজেকে ফ্রেস লাগছে এখন। রুমে শুয়ে থেকে মোবাইল চালাচ্ছিলাম এমন সময় দরজায় নক করে অভি আসে। দেখলাম ও গোসল করেছে, অভিকে ফ্রেস দেখালেও বোঝা যাচ্ছে ক্লান্ত।

আমি সরে গিয়ে শোওয়ার জন্য জায়গা দিলাম অভিকে, অভি আমার পাশে এসে শুয়ে পড়লো তারপর ছোট বাচ্চার মতো আমাকে জড়িয়ে ধরে রইলো। আমিও মোবাইল চালানো রেখে ওকে জড়িয়ে ধরে শুয়ে থাকি।

অভি জিজ্ঞাস করল- পিল খেয়েছো?

আমি মিথ্যা বলি- হ্যাঁ খেয়েছি।

আমি আবার অভিকে বললাম- অভি আমার ভয় হচ্ছে! আমাদের পরিবার টা ভেঙ্গে যাবে দেখিস!

অভি বলল- কেনো বলোতো!

আমি তখন বলি- অয়ন ভাইয়াকে দেখলি না কিভাবে বলদে গেলো! বুঝলাম না আগে ভাইয়া মা ছাড়া কিছু বুঝতোই না আর এখন দেখ বউ ছাড়া কিছু বোঝে না।

অভি শুনে বলল- ওহ এই নিয়ে ভয় পাচ্ছ! ভয়ের কিছু নেই এইসব কিছু বাবার প্লান।

আমি অবাক হলাম ছোট ভায়ের কথা শুনে! তারপর বললাম- মানে! কি প্লান?

অভি বলল- বাবা যে মামলা খেয়েছে সে বিষয়ে, এসব বড়দের বিষয় আমাদের মাথা না ঘামালেও চলবে।

এ কথা বলে অভি আমার একটা মা*ই নিয়ে খেলা করতে লাগলো। আমি অভিকে বাঁধা দিয়ে সম্পুর্ন ঘটনা জানাতে বললাম।

অভি এক প্রকার বিরক্ত নিয়েই ঘটনা বলতে লাগলো। সম্পুর্ন ঘটনা শুনে আমাদের ফ্যামিলি প*লিটিক্স এর ভয়াবহ খেলার ধারনা পেলাম, সেই সাথে আমার পারিবারিক ঐতিহ্যের বিশ্বাসের দেয়ালে ফাঁটল ধরতে থাকলো।

সমাপ্ত.....................📢

#মা #বাবা #ভাই #বোন
#পারিবারিক #চটিগল্প
#রোমান্টিক ❤️

28/09/2024

❐ নিষিদ্ধ পরিবার — Part 14 🔻

আমি উঠে বসতে নিলে অভির সাথে সমন্বয়ে ঝামেলা হওয়ায় দুজনেই আমরা মায়ের পায়ের কাছে একে অপরকে জড়িয়ে ধরে পড়ে যাই, অভি নিচে পড়ে যায় আর আমি অভির উপরে।

আমি ঝঁট করে দাঁড়িয়ে শাড়ির আঁচল ঠিক করে মাটির দিকে তাকিয়ে মাথার চুল সাজাতে থাকি আর অভি সেভাবেই নিচে বসে আছে।

মা বলে উঠে- কেউ দেখে ফেললে কি হতো জানিস?

আমি মাথা নিচু রেখেই বলি- সরি মা, মাথায় ছিলো না!

মা আমার সরে যাওয়া টিপ ঠিক করে দিয়ে অভির কান মলে দিতে দিতে বলল- বড় ভাইটার মতো হয়েছিস না! সময় জ্ঞান নেই কোনো, কখন কোথায় আছিস বেমালুম ভুলে যাস, শুধু খাই খাই স্বভাব।

মা আমাকে আরেক নজর দেখে নিয়ে আবার অভিকে বলতে লাগলো- বোনটাকে তো ছিঁড়ে খাচ্ছিস! দয়া মায়া নেই কিছু নাকি?

অভি ওদিকে উহুহু মা লাগছে বলে চেচাচ্ছে আর আমি মিট মিট করে হাসছি।

মা আমাকে উদ্দেশ্য করে বলল- এক ঘন্টা পর খাবার লাগাবো তাড়াতাড়ি চলে আসবি আর একটু রাখ ঢাক করে চল, খোলা ছাদে কেনো চিলেকোঠার ঘরে যেতে পারিস তো!

এই বলে মা রাগে গজগজ করতে করতে নেমে গেলেন, আমি আর অভি একে অপরের দিকে তাকিয়ে হাসতে লাগলাম।

আলো অন্ধকারের মাঝে আমি অভির দিকে এগিয়ে গেলাম আর অভির বাঁ হাতটা আমার বুকের উপর নিয়ে রাখলাম। অভি নিজে থেকে এগিয়ে এসে অন্য হাতে আমার পিঠ জড়িয়ে ধরলো তারপর ওর বুকের সাথে শক্ত করে চেপে ধরলো আমাকে, আমার ডান মা*ইটা একদম লেপ্টে গেলো অভির বুকের মাঝে।

অভি আমার শাড়ির আঁচল ফেলে দিলো ঘাড় থেকে আর আমি আবার অর্ধ ন*গ্ন হয়ে পড়লাম। আমার গভীর নাভীর খাজ যে কাউকে পাগলে করে ফেলবে, অভি ব্লাউজের উপর থেকে আমার ডান মা*ই টিপতে লাগলো আর এদিকে আমার কা*মনার আগুন ধিক ধিক করে জ্বলতে থাকলো আবারো।

আমি অভির প্যান্টের উপর থেকে ওর বা*ড়ায় হাত বুলাতে থাকলাম, মাঝে মাঝে একটু করে টিপে ধরছিলাম। অভি আমার ব্লাউজের ফিতা টান দিয়ে খুলে ফেললো আর ব্লাউজ টা আলগা হয়ে এলো। অভি আমার মা*ই ছেড়ে ওর দিক পেছন করে আমাকে ঘুরিয়ে দিলো তারপর আমার ঘাড়ে চুমু খেতে শুরু করলো। ঘাড় পিঠ হয়ে নিচে নামতে থাকলো আর আমার কোমড় পর্যন্ত এসে একটু থামলো তারপর আমার শাড়ির উপর দিয়ে আমার পা*ছার খাজে মুখ ঘষতে লাগলো। আমার গু*দের ভেতর তখন জলের বন্যা বয়ে যাচ্ছিলো তাতে দাঁড়িয়ে থাকা কষ্টকর হয়ে যায় আমার জন্য, পা কাঁপতে থাকে আমার।

অভি আমার পা*ছা ছেড়ে উঠে দাঁড়ালো তারপর পেছন থেকে আমার মা*ই দুটো টিপতে থাকলো। ফিতা খুলে ফেলায় ব্লাউজ আমার ঢিল হয়ে ছিলো আর অভির মা*ই টেপার অসুবিধা করছিলো তাই অভি বিরক্ত হয়ে আমার ব্লাউজ টা খুলে ছুঁড়ে ফেলে দিলো ছাদের কোনায় তারপর আবার মা*ই টেপায় মনযোগ দিলো। আমি নিশ্চিত আমার পেট বাঁধলে অভি গাভীর মতো আমার দু*ধ দোয়াবে। ভাইটা ছোট থেকেই আমার মা*ই ভীষন পছন্দ করে অন্তত ওর জন্য হলেও আমার পেট বাঁধানো দরকার।

এক জোড়া হাত পেছন থেকে আমার মা*ই দলাই মালাই করছে, কখনো মোলায়েম ভাবে আবার কখনো হিংস্র ভাবে। আমার পা*ছার খাজে অভির শক্ত হয়ে থাকা বা*ড়ার উপস্থিতি অনুভব করছিলাম আমি। নিজেকে যেনো আমার শরীরের সাথে মিশিয়ে ফেলতে চাইছে ছোট ভাইটা। আমার পা*ছার খাজে অভি নিজের কোমর নাড়াচাড়া করে বা*ড়া ঘষছে।

এক সময় আমাকে ঘুরিয়ে নিজের দিকে করে নেয় অভি তারপর আমার কালো ব্রা*য়ের উপর থেকেই আমার মা*ই চুষতে থাকে কখনো কামড়াতে চেষ্টা করে। ব্রা* আছে বলে একটু রক্ষা হচ্ছে নয়তো এতক্ষনে দাগ বসিয়ে ফেলতো। মায়ের প্রেগনেন্সির সময় মা*ইয়ে কামড়া কামড়ি করতে পারে নি কারন বাবা জেনে যেতে পারতো সেজন্য তাই এখন সুযোগ পেয়ে আমার মা*ই গুলো ইচ্ছামতো খুবলে খাচ্ছে, নিজের লালায় আমার ব্রা* ভিজিয়ে ফেলেছে এক প্রকার।

এক সময় অভি আমার মা*ই ছেড়ে হিংস্র হয়ে চুমু খেতে থাকে আমার গালে ঘাড়ে ঠোঁটের মতো সংবেদনশীল জায়গা গুলোতে। আমি আর অভি নিজেদের মধ্যে এতটাই হারিয়ে গেছি যে কা*মের আবেশে তাল রাখতে না পেরে পড়ে যাই নিচে বিছিয়ে রাখা নরম তোষকের উপর।

অভির শক্তিশালী বুকের নিচে আমার ডাসা মা*ই গুলো নিজেদের আশ্রয় খুঁজে পায়। আমার শাড়ি হাঁটুর উপরে উঠিয়ে ফেলে অভি তারপর আমার দু পায়ের মাঝে এসে মি*শনারি পজিশনে আমার মা*ই চুষতে থাকে। এ পর্যায়ে আমি নিজে থেকে ব্রা* খুলে দেই কারন পেছনের হুক ব্যথা দিচ্ছিলো বেশ, তুলতুলে মা*ই গুলো বোটা সমেত মুখে পুড়ে চুষতে থাকে অভি।

আমি মা*ই চোষনের আনন্দ উপভোগে এতটাই মগ্ন ছিলাম যে অভি কখন নিজের প্যান্ট খুলে ফেলেছে খেয়ালই করি নি। আগেই দেখেছিলাম অভি হিংস্র হয়ে উঠছে, অভি আমার চুলের মুঠি চেপে ধরে বিছানায় বসালো তারপর নিজের ঠাটিয়ে থাকা বা*ড়াটা আমার মুখের ভেতর পুড়ে দিয়ে ঠাপ দিতে লাগলো। অভির লম্বা বা*ড়া মুখে নিলে সবসময় কষ্ট হতো আমার আর এখন অভি এতো জোড়ে মুখে চো*দা দিচ্ছে যে আমার নাভিশ্বাস উঠে গেলো।

অভির বা*ড়া আমার মুখের লালায় চকচক করছে, আমার শাড়ি হাঁটুর উপর উঠে আছে। অভি আমাকে ধাক্কা দিয়ে শুইয়ে দিলো তারপর শাড়ি কোমড় পর্যন্ত তুলে দিলো তারপর অভি নিজের আঙ্গুলের মাথায় থুথু লাগিয়ে নিয়ে আমার গু*দে ঢলতে লাগলো।

অভির সে*নসুয়াল প্রি সে*ক্সুয়াল মোমেন্টে আমি দুইবার জল খসিয়ে বসে আছি আর আবারো গু*দ রসে থই থই করছে। আমার মনে তীব্র ইচ্ছা হচ্ছিলো অভির মাথা চেপে ধরি নিজের গু*দে কিন্তু অভির মনমানির কাছে অসহায় আমি।

অভি ওর বা*ড়াটা আমার গু*দের মুখে ঠেকিয়ে একটা ধাক্কা দিয়ে সম্পুর্ন বা*ড়া আমার গু*দে ঢুকাতে লাগলো। রোজ চো*দাচু*দি করায় আমার গু*দ ঢিল হয়ে যাচ্ছে কিছুটা তাই ভাবছি বন্ধ রাখবো চো*দাচু*দি কিছুদিনের জন্য, অন্তত পক্ষে বাবার কাছ থেকে, বাবার মোটা বা*ড়া গু*দে নিয়ে আজ এই অবস্থা।

অভি মি*শনারি পজিশন নিয়ে আমার উপর উঠে পড়েছে। এক হাতে আমার কাঁধ ধরে রেখে কোমড় দুলিয়ে ঠাপাচ্ছে। থাপ থাপ শব্দ গুলো যেনো প্রতিধ্বনি না করেই মিলিয়ে যাচ্ছিলো ছাদের শুন্যতার মাঝে।

অভি প্রতি ঠাপে ওর সম্পুর্ন বা*ড়া গেথে দিচ্ছিলো আমার গু*দে। আমি বুঝতে পারছিলাম কখনো কখনো বা*ড়া গিয়ে আমার জরায়ুর মুখে বাড়ি খাচ্ছিলো। ব্যাথা আর মাদকতার মিশ্রনে আমি মগ্ন হয়ে ছোট ভাইয়ের চো*দন খেতে লাগলাম। মনের অজান্তেই সাবলিল ভাবে মুখ থেকে আ*হঃ ও*হঃ উ*হঃ শব্দ বেরিয়ে আসছিলো আমার।

বেশ কিছুক্ষন চো*দার পর অভি আমার গু*দে বা*ড়া গুজে রেখে দম নিলো। টপ টপ করে অভির নাক বেয়ে আমার কপালে ওর ঘামের ফোটা পড়ছিলো। আমি ওকে কাছে টেনে নিয়ে একটা চুমু খাই তারপর অভি আমার গালে একটা ছোট্ট চুমু খেয়ে উঠে পরে আর গু*দ থেকে বা*ড়া বের করে নিয়ে আমকে কু*কুরের মতো বসায় তারপর আমার পেছনে পজিশন নিয়ে নিজেও বসে পরে। আমি উবু হয়ে বসে পা*ছা উচিয়ে দুই পা এক করে রেখেছি, এভাবে ব্যালেন্স রাখা কষ্টকর কিন্তু চাপ পড়ায় গু*দ কিছুটা টাইট মনে হয়।

অভি আমার পা*ছায় দুটো চড় বসিয়ে দেয় তারপর গু*দে বা*ড়া ঠেকিয়ে আমার কোমড় ধরে লম্বা একটা টান দিয়ে নিজের দিকে টেনে নেয়। ঘটনার দ্রুততায় মনে হলো একটা লোহার গরম রড আমার গু*দ এফোড় ওফোড় করে দিলো। কিছুটা ব্যাথা পেয়ে আমি আ*হঃ করে উঠলাম তাতে অবশ্য অভি কোনো প্রকার কর্নপাত না করে আমার গু*দে শাবল চালাতে লাগলো, থাপ থাপ শব্দে ভরে উঠলো সারা ছাদ।

অভির প্রতি ঠাপে আমার মা*ই গুলো সামনে পেছনে দোলা খাচ্ছিলো। অভি এক পর্যায়ে আমার কোমড় জড়িয়ে ধরে আমার পিঠে মুখ ঘষতে লাগলো তারপর কয়েকটা ছোট ঠাপ দিয়ে থেমে আমার ঘাড়ে মুখ ঘষতে লাগলো।

কিছুক্ষন এভাবে করে গু*দ থেকে বা*ড়া বের করে নিলো অভি।

চলবে.....................📢

#মা #বাবা #ভাই #বোন
#পারিবারিক #চটিগল্প
#রোমান্টিক ❤️

28/09/2024

❐ নিষিদ্ধ পরিবার — Part 13 🔻

আমি বসে বসে এসব ভাবছি হঠাৎ পেছন থেকে একজোড়া শক্তিশালী হাত এসে আমার কোমড় জড়িয়ে ধরলো তারপর মুখ ডুবিয়ে দিলো আমার ঘাড়ে। আমি অনুভব করতে পারছি উন্মাদ হয়ে উঠছে অজানা সে আগন্তুক। ঘন ঘন নিশ্বাসের সাথে আমার সারা ঘাড়ে চুমু খেতে লাগলো সে। আমি ঘাড়ের উপর পড়ে থাকা আমার চুল গুলো সরিয়ে সামনে নিয়ে এলাম।

অভি বলল- চিনলে কি করে?

আমি বললাম- তোর পারফিউমের গন্ধে।

অভি আমার পাশে এসে বসে পড়লো তারপর নিজের বাঁ হাতে আমার কোমড় জড়িয়ে ধরে আমার কাঁধে মাথা রাখলো আর কিছুক্ষন পর আকাশের দিকে আঙ্গুল তুলে বললো ওইযে তারা গুলো দেখছো ওগুলোকে একত্রে কালপুরুষ বলে, খেয়াল করলে দেখবে মনে হবে কোনো শিকারী ধনুক উচিয়ে দাঁড়িয়ে আছে।

আমি অভির আঙ্গুল অনুসরন করে সেদিকে তাকালাম আমার তেমন কোনো পুরুষ চোখে পড়লো না তবে সামনে থাকা তারা গুলো কে সাজালে কানের দুলের মতো কিছু একটা বোঝা গেলো।

অভি আমকে শক্ত করে দুই হাতে জড়িয়ে ধরে আমার গালে গাল ঠেকিয়ে বলে যেতে লাগলো- এই তারা গুলো এখান থেকে সবসময় দেখতে পাবে কিন্তু যদি ধরে নাও আমরা উত্তর গোলার্ধে আছি তবে শুধু বসন্তের শুরুতে আর শীতের শেষে দেখতে পাবে। আমরা লাকি তাই না!

একগুচ্ছ তারা দেখতে পাওয়া বা না পাওয়ার সাথে ভাগ্যবান হবার কি সম্পর্ক থাকতে পারে মাথায় এলো না আমার। আরো গভীর করে চিন্তা করতে যাবো তখনই আমাকে মাদুরে ফেলে দিয়ে আমার উপর উঠে বসলো অভি। আজ শখ করে শাড়ি পড়েছিলাম আমি, শাড়ি পড়া ঝামেলার তাই খুব কম শাড়ি পড়ি। আজ দুই ঘন্টা সময় নিয়ে শাড়ি পড়েছি সাজগোজ করেছি কিন্তু অভি সেসবের কোনো তোয়াক্কাই করলো না। আমি অভিকে বাঁধা দিতে যাবো তখন ওর নিষ্পাপ চোখ গুলো নজরে আসলো আমার।

ছোট বাচ্চারা যেভাবে নতুন খেলনা পেলে আনন্দে খেলতে বসে পরে অভি তেমনি আনন্দে আমার শাড়ি খুলছে। লাল বর্ডারের সাদা শাড়িটার আঁচল আগেই সরে গেছে। অভি আমার ছিপছিপে দেহের হালকা মেদ জমতে থাকা কোমড়টা দুই হাতে ধরে আমার নভীর উপরে মুখ নামিয়ে আনলো তারপরেই আমার সারাদেহে শিহরন জাগিয়ে জিভ দিয়ে আমার নাভীর চারপাশ চাটতে থাকলো। অভি সচরাচর এমন করে না কিন্তু আজ কি মনে করে এমন করছে বুঝলাম না তবে আমি ওসব চিন্তা করার সক্ষমতা হারাতে থাকলাম দ্রুত।

আমার সারাদেহে কা*মের দোলা বয়ে যেতে লাগলো, শরীর ভেতর থেকে মোচড় দিয়ে উঠছিলো। আমি মাদুরে বিছিয়ে রাখা তোষকের চাদর খাঁমচে ধরলাম। চোখের সামনে সবকিছু ঝাপসা হয়ে আসছিলো আমার, বিশাল আকাশের নিচে মনে হচ্ছিলো হারিয়ে যাচ্ছি কোনো সুখের অতল গহব্বরে, তখন খেয়াল করলাম সত্যি ধনুক হাতে এক বলীষ্ঠ সুদর্শন পুরুষ আকাশের বুকে দাঁড়িয়ে আছে, মনে হলো এই বিশাল আকাশ পাহারা দিচ্ছে নির্ভিক একাগ্রচিত্তে।

আমার চোখ বন্ধ করে অভির দুষ্ট মিষ্টি অত্যাচার সহ্য করা ছাড়া আর কিছু করার থাকলো না, বুঝতে পারছি অভি চুমু খেতে খেতে উপরে উঠছে।

আর বলছে- আপু তুমি দিন দিন সুন্দর হয়ে যাচ্ছো।

অভির কথা শুনে আমার তন্দ্রা ভাব কেটে গেলো কিন্ত কা*মের তীব্রতায় চোখ খুলতে পারছিলাম না আমি তারপরেও খোলার চেষ্টা করলাম। ছোট ছোট চোখ নিয়ে তাকিয়ে দেখি অভি ওর শার্ট খুলে ফেলছে, রাতের অল্প আলোতে মোহময় এক যুবক হয়ে উঠেছে অভি। অভি ঠিক আমার তলপেটের উপর বসে আছে, আমার উপরে দু পা দিয়ে চেপে বসে থাকায় হোক আর অন্য কারনে বলতে পারবো না! আমি অনুভব করলাম আমার পে*ন্টি একদম ভিজে একাকার হয়ে আছে। অভি নিশ্চই কোনো না কোনো সময় আমার গু*দে মুখ নিতে চাইবে তখন এমন ভেজা পে*ন্টি দেখলে বিষয়টা ভীষন লজ্জার হবে আমার কাছে, আমি কখনো এতো দ্রুত জল খসাই নি আগে।

ওদিকে অভি আমার উপর ঝুঁকে এসে আমার উপরের ঠোঁটে একটা চুমু খেলো তারপর নিচের ঠোঁটে একটা চুমু খেয়ে মাথা উঠিয়ে ফেললো। আমি তৃতীয় চুমু খাওয়ার জন্য মাথা উঁচু করতেই বুঝলাম অভি আমার সাথে খেলছে, ওর মুখে একটা বাঁকা হাসি। আমি কপট রাগে অভির দিকে তাকালাম তারপর ওকে ধরার জন্য উঠতে চাইলে অভি আমার দুই হাত বিছানার সাথে ঠেসে ধরে আমাকে কোনঠাসা করে ফেললো, আমার নড়াচড়ার সুযোগটাও রাখলো না।

অভি আমার মুখের উপর ঝুঁকে আসলো তারপর আমার কপালের উপর পড়ে থাকা এলোমেলো চুল গুলো কয়েকটা ফু দিয়ে সরিয়ে দিলো। আমি অপলক নয়নে অভির দিকে তাকিয়ে আছি, এবার অভি কোনো দুষ্টামো না করে আমার ঠোঁটে ওর ঠোঁট ডুবিয়ে দিলো। আমি অমৃত পানের মতো ওর পুরুষ্ঠ ঠোঁট চুষতে লাগলাম, অভিও আমার ঠোঁট চুষছে। কখনো উপরের ঠোঁট আবার কখনো নিচের ঠোঁট কখনো আলতো করে বাড়িয়ে দেওয়া জিভটাও বাদ যাচ্ছে না। এমন এক সময় এলো যে চুমু খেতে খেতে দম বন্ধ হয়ে আসার জোগাড় কিন্ত কেউ কাউকে ছাড়ছি না যেনো এটাই আমাদের শেষ চুম্বন।

এক সময় চুম্বন পর্বের সমাপ্তি হয়, দুজনে লম্বা লম্বা নিশ্বাস নিতে থাকলাম। প্রতি শ্বাসের সাথে আমার আঁচল বিহীন অর্ধ ন*গ্ন স্ত*ন দুটো তাদের সর্বোচ্চ চূড়ায় উঠছে আবার নেমে আসছে নিজেদের ঠিকানায়। অভি আমার তলপেটের উপর সোজা হয়ে বসলো তারপর আকাশের দিকে তাকিয়ে চোখ বন্ধ করে কয়েকটা দম নিলো তারপর আমার দিকে তাকালো।

আমি দেখলাম অভির চেহারায় পরিতৃপ্তির হাসি, অভি মুখ খোলা রেখে শ্বাস নিতে গেলে মশা বা সে জাতীয় কোনো পোকা মুখে ঢুকে পরে আর অভি সাথে সাথে ওয়াক থু করতে লাগলো। অভির প্রতিক্রিয়া দেখে আমি খিল করে হাসতে লাগলাম, অভি নিজেকে সামলে নিয়ে আমার হাসি দেখে কিছুটা লজ্জা পেয়ে গেলো কিন্ত ছোট ভাই যেমন হয় নিজের কতৃত্ব দেখানোর জন্য আমাকে চুপ করানোর নানা পায়তারা করতে লাগলো।

কখনো আমার মুখে হাত চাপা দিয়ে আবার কখনো কপট রাগ দেখিয়ে। কোনটাতেই যখন কিছু হচ্ছিলো না তখন অভি আমায় কাতুকুতু দিতে লাগলো। আমার কোমরে ভীষন কাতুকুতু আর অভি সেখানেই সুরসুরি দিতে লাগলো। হাসতে হাসতে আমার দম বেড়িয়ে যায় অবস্থা অগত্যা ক্ষমা চাইতে হলো ছোট ভাইয়ের কাছে কিন্তু এর মাঝে একটা কান্ড হয়ে গেছে!

আমাদের খোঁজ করার জন্য মা ছাদে চলে এসেছেন। হাসি থামিয়ে আমি অভির দিকে তাকাতেই দেখলাম মা অভির পেছনে মুর্তির মতো দাঁড়িয়ে আছে। আমি ভয়ে শুঁটিয়ে গেলাম, অভি আমার চেহারার আকস্মিক পরিবর্তন দেখে ঝট করে পেছনে ঘুরে তাকালো, মাকে দেখে অভি নিজেও হতচকিয়ে গেলো।

আমার বুকের উপর আঁচল নেই চুল গুলো এলোমেলো হয়ে আছে ঠোঁটের কোনে ঘাম আর লালা লেগে আছে এখনো। অভির ঠোঁট আমার লিপস্টিকে লাল হয়ে আছে অভির শার্ট বিছানার কোনায় পড়ে আছে। আমাদের দুজনের শরীর ঘামে ভিজে আছে।

আমরা দুই ভাই বোনই মায়ের সামনে ভীষন লজ্জায় পড়ে গেলাম।

চলবে.....................📢

#মা #বাবা #ভাই #বোন
#পারিবারিক #চটিগল্প
#রোমান্টিক ❤️

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Website

Address


Dhaka