Loose Weight & Stay Fit
welcome to the official page of health tips for more information visit our website
http://ad9ea7g94jgtdlegxixlu5ck6l.hop.clickbank.net/?tid=SHYOUNG
Learn More, Study Less: The Video Course What if I told you everything you know about howto learn, study and succeed in school was wrong?If you learn like most people, it probably is.
Loose Weight & Stay Fit welcome to the official page of health tips for more information visit our website
Click Here!
Click Here!
ত্বকের কালচে ভাব খুবই সাধারণ একটি সমস্যা। এই কালচে দাগের কারণে ত্বক রুক্ষ ও মলিন মনে হয়। সূর্যের ক্ষতিকর রশ্মি, ভিটামিনের অভাব, রাসায়নিক দ্রব্যসমৃদ্ধ ক্রিম, দুশ্চিন্তা ও কম ঘুমানোর কারণে ত্বকের উজ্জ্বলতা নষ্ট হয়। ত্বকের এই কালচে ভাব সহজেই দূর করতে পারেন ঘরোয়া কিছু উপায়ে।
অ্যালোভেরার প্যাক
গোলাপজলের সঙ্গে অ্যালোভেরার রস মিশিয়ে ঘন মিশ্রণ তৈরি করুন। এবার মুখে লাগিয়ে ২০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। এটি মুখের কালচে ভাব দূর করার পাশাপাশি ত্বক নরম করে।
পেঁয়াজ ও রসুনের প্যাক
পেঁয়াজের রস ত্বকের জন্য উপকারী। তবে এর সঙ্গে যখন রসুনের রস মেশানো হয়, তখন এর কার্যক্ষমতা কয়েক গুণ বেড়ে যায়। এই প্যাক মুখে লাগিয়ে ১৫ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। পরিবর্তনটা নিজেই বুঝতে পারবেন।
লেবুর প্যাক
এক চা চামচ মধুর সঙ্গে আধা চা চামচ লেবুর রস মিশিয়ে মুখে লাগান। ১৫ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। এটি ত্বকের কালচে ভাব দূর করে ত্বককে উজ্জ্বল করে।
টক দইয়ের প্যাক
ডিমের সাদা অংশের সঙ্গে টক দই মিশিয়ে মুখে লাগান। শুকিয়ে গেলে ধুয়ে ফেলুন। এটি মুখের কালচে ভাব দূর করার পাশাপাশি ত্বক টানটান করে।
মেথি পাতার প্যাক
মেথি পাতা বেটে ঘন মিশ্রণ তৈরি করুন। এবার মুখে লাগিয়ে ৩০ মিনিট অপেক্ষা করুন। শুকিয়ে গেলে ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এটি ত্বকের কালচে ভাব কমায় এবং সংক্রমণজাতীয় সমস্যা দূর করে।
দুধ ও মধুর প্যাক
সমান পরিমাণে দুধ ও মধু একসঙ্গে মিশিয়ে মুখে লাগান। ১৫ মিনিট পর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এটি ত্বক উজ্জ্বল করার পাশাপাশি নরম করে।
চন্দনের প্যাক
লেবুর রস ও গোলাপজলের সঙ্গে চন্দেনের গুঁড়া মিশিয়ে মুখে লাগান। শুকিয়ে গেলে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। দেখবেন, ত্বকের কালচে ভাব সহজেই দূর হবে।
23/02/2016
স্বাস্থ্যই সকল সুখের মূল কথাটি মিথ্যে নয়।স্বাস্থ্যসচেতনতায় আরো একটু বেশি সক্রিয় হওয়া সব সময়ই উচিত। তাই নজর রাখুন সাস্থ্যের প্রতি। মেনে চলুন সাস্থ্য রক্ষায় উপকারী নিয়মগুলো।
মাথাব্যথা হলে প্রচুর মাছ খান। মাছের তেল মাথাব্যথা প্রতিরোধে দারুণ কার্যকর। খাওয়া যেতে পারে আদা। প্রদাহ এবং ব্যথা নিরাময়ে তা বিশেষভাবে কার্যকর।
জ্বর হলে খেতে পারেন ইয়োগার্ট। মধুও খাওয়া যেতে পারে।
স্ট্রোক প্রতিরোধ চা পান করতে হবে। বিভিন্ন সমীক্ষায় দেখা গেছে, নিয়মিত চা খেলে ধমনীর গাত্রে ফ্যাট জমতে পারে না। ফলে ঝুঁকি কমে আসে অনেকখানি।
অনিদ্রার সমস্যায় মধু কার্যকর।
পেঁয়াজ হাঁপানিতে রোগীদের শ্বাসনালীর সংকোচন রোধে ইতিবাচক ভূমিকা রাখে।
পেটের পীড়ায় খাওয়া যেতে পারে কলা ও আদা। আদা মর্নিং সিকনেস এবং বমি বমিভাব দূর করে।
ঠাণ্ডয় রসুন খেলে অনেকটা উপশম পাওয়া যায়।
স্তন ক্যান্সার (Breast Cancer) প্রতিরোধে গমজাত খাদ্য ও বাঁধাকপি কার্যকর।
আলসারের সমস্যায় বাঁধাকপি বিশেষভাবে উপযোগী। এতে থাকা খাদ্যোপাদান গ্যাস্ট্রিক এবং ডিওডেনাল আলসার হিল করতে সাহায্য করে।
নানাগুণের অধিকারী মধু। অসাড়তা, গলাব্যথা, মানসিক চাপ, রক্তস্বল্পতা, অস্টিও পোরেসিস, মাইগ্রেনসহ নানা শারীরিক সমস্যায় মধু বিশেষভাবে কার্যকর।
প্রয়োজনীয় Health Tips in Bangla - Healthbangla.com প্রয়োজনীয় Health Tips in Banglaস্বাস্থ্যই সকল সুখের মূল কথাটি মিথ্যে নয়।স্বাস্থ্যসচেতনতায় আরো একটু বেশি সক্রিয় হওয়া সব সময়ই উচিত। তাই নজর রাখুন সাস
20/02/2016
অনেকদিন ধরেই সিগারেট ছাড়তে চাইছেন? অথচ কিছুতেই পেরে উঠছেন না তাই তো? বহুবার রেজলিউশন নিয়েছেন। কিন্তু এক সপ্তাহ যেতে না যেতেই যেই কে সেই। সিগারেট ধরা যতটা সহজ, ছাড়া ঠিক ততটাই কঠিন। তবে যদি সত্যিই সিগারেট ছাড়তে চান, তাহলে আপনাকে সাহায্য করতে পারে এই খাবারগুলো।
ধূমপান ছাড়তে যা করবেন How to Get Rid of Smoking?
১। দুধ– দুধের পুষ্টিগুণের কথা কারও অজানা নয়। শরীরের অত্যন্ত প্রয়োজনীয় ভিটামিন, খনিজ ও প্রোটিন জোগায় দুধ। তবে জানেন কি এই দুধ ধূমপান ছাড়াতেও কার্যকরী? ডিউক ইউনিভার্সিটির গবেষকরা জানাচ্ছেন ধূমপানের আগে এক গ্লাস দুধ খেলে সিগারেটের স্বাদ ভাল লাগবে না। দুধের পর সিগারেট খেলে মুখ তেতো হয়ে যাবে। ধূমপান ছাড়তে চাইলে সিগারেট খাওয়ার আগে দুধে ডুবিয়ে নিন। তিতকুটে স্বাদের চোটে খেতেই পারবেন না। সেই স্বাদ এক বার মনে থাকলে ধীরে ধীরে সিগারেট খাওয়ার ইচ্ছা চলে যাবে।
Smoking
Smoking
২। গাজর- দুধের মতোই শশা, গাজর, বেগুন, সেলারি পাতা খেলেও সিগারেটের স্বাদ তেতো লাগে। চিকিত্সকরা বলেন ডায়েটে বেশি পরিমাণ শাক-সবজি থাকলে সিগারেটের উপর নির্ভরশরীলতা কমে। তবে ভূট্টা বা কড়াইশুঁটি জাতীয় মিষ্টি সবজি থেকে দূরে থাকুন। এই সব খাবারে থাকা গ্লুকোজ সিগারেট খাওয়ার ইচ্ছা বাড়িয়ে দেয়।
৩। কমলালেবু- সিগারেট শরীর থেকে ভিটামিন সি শুষে নেয়। ফলে সিগারেটের নেশা বাড়ে। যদি ধূমপান ছাড়তে চান তবে নিয়মিত কমলালেবু, মোসাম্বি বা বেদানা জাতীয় ফল খান। রোজ ফলের রসও খেতে পারেন। এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন সি। যা সিগারেটের নেশা কমাতে সাহায্য করবে।
৪। নোনতা খাবার- যখনই সিগারেট খেতে ইচ্ছা হবে তখনই নোনতা কিছু খেয়ে নিন। নোনতা চিপস, বিস্কিট বা জিভে সামান্য নুন লাগিয়ে নিলেও সিগারেট খাওয়ার ইচ্ছা চলে যাবে। নেশা কমবে।
৫। আদা- সিগারেট খেতে ইচ্ছা হলে মুখে এক কুচি আদা রেখে চিবোতে থাকুন। অবিলম্বে সিগারেট খাওয়ার ইচ্ছা চলে যাবে।
৬। বাদাম- প্রতি দিন একমুঠো বাদাম খেলে শরীরে প্রোটিন, প্রয়োজনীয় খনিজের ঘাটতি মেটে। নিয়মিত খেলে ধীরে ধীরে সিগারেটের নেশা কেটে যায়।
৭। ইয়োগার্ট- দুধ খেতে ইচ্ছা না হলে ইয়োগার্ট খেতে পারেন। মনে রাখবেন দুগ্ধজাত খাবার কিন্তু সিগারেটের স্বাদ তেতো করে দেয়। নিয়মিত ইয়োগার্ট খাওয়া শরীরের জন্য যেমন উপকারী তেমনই সিগারেটের নেশা কাটাতেও কার্যকরী।
৮। সুগার ফ্রি গাম- সিগারেটের নেশা কাটাতে মুখে রাখুন সুগার ফ্রি গাম। এতে সিগারেটের নেশা চলে যাবে। তবে মিষ্টি চিউইং গাম কিন্তু নেশা বাড়িয়ে দেবে। তাই অবশ্যই সুগার ফ্রি চিউইং গাম চিবোতে থাকুন।
Read more: http://healthbangla.com/archives/1227
Follow us: on Twitter | healthbangla on Facebook
ধূমপান ছাড়তে যা করবেন - Healthbangla.com অনেকদিন ধরেই সিগারেট ছাড়তে চাইছেন? অথচ কিছুতেই পেরে উঠছেন না তাই তো? বহুবার রেজলিউশন নিয়েছেন। কিন্তু এক সপ্তাহ যেতে না যেতেই যেই কে সেই। সিগারেট ধরা যতটা
20/02/2016
Liver আমাদের দেহের দ্বিতীয় বৃহত্তম অঙ্গ এবং আমাদের স্বাস্থ্যগত কোন সমস্যা সৃষ্টি না হলে আমরা একে নিয়ে কোন চিন্তাই করিনা। Liver প্রায়ই আমাদের শরীরের দ্বাররক্ষী হিসেবে কাজ করে। একজন হাউজ কিপারের মতোই আমাদের শরীরে যা কিছু ঢুকছে তা পরিষ্কার করা এবং শরীর থেকে বেরিয়ে যেতে সহযোগিতা করে লিভার। আমাদেরকে সুস্থ রাখার জন্য কাজ করে যে লিভার তাকে সুস্থ রাখাটা প্রয়োজনীয়। আসুন তাহলে জেনে নেই এমন কিছু খাবারের কথা, যেগুলো খেলে লিভার সুস্থ থাকার পাশাপাশি আমাদের সার্বিক স্বাস্থ্য ও ভালো থাকবে।
Liver পরিষ্কার রাখতে যা খাবেন
Liver Cleanse
Liver Cleanse
রসুন
রসুন অত্যন্ত কার্যকরী লিভার পরিষ্কারক যার মধ্যে প্রচুর এনজাইম থাকে এবং এই এনজাইম লিভার থেকে টক্সিন বাহির হতে সাহায্য। এছাড়াও রসুনে সেলেনিয়াম ও এলিসিন নামক উপাদান থাকে এবং এরাও লিভার থেকে টক্সিন বাহির হতে কার্যকরী ভূমিকা রাখে।
জাম্বুরা
জাম্বুরাতে উচ্চমাত্রার ভিটামিন সি এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে যা লিভারের ন্যাচারাল ক্লিঞ্জিং প্রসেসকে বৃদ্ধি করে। ছোট সাইজের এক গ্লাস জাম্বুরার জুস লিভারের ডিটক্সিফিকেশন এনজাইমের উৎপাদন বৃদ্ধি করে যা কার্সিনোজেন এবং অন্যান্য টক্সিনকে পরিপূর্ণ ভাবে বাহির হয়ে যেতে সাহায্য করে।
বিট ও গাজর
গাজর গ্লুটাথায়ন নামক প্রোটিনে সমৃদ্ধ যা লিভারকে বিষ মুক্ত হতে সাহায্য করে। গাজর ও বিট উভয়ের মধ্যেই উচ্চমাত্রার উদ্ভিজ ফ্লেভনয়েড ও বিটা ক্যারোটিন থাকে। বিট ও গাজর খেলে লিভারের কার্যকারিতা উদ্দীপিত হয় এবং লিভারের সার্বিক কাজের জন্য উপকারি।
গ্রিনটি (Green Tea)
গ্রিনটি হচ্ছে লিভার লাভিং বেভারেজ বা যকৃৎ প্রেমী পানীয়। গ্রিনটি উদ্ভিজ অ্যান্টি অক্সিডেন্ট ক্যাটেচিন সমৃদ্ধ যা লিভারের কাজে সহযোগিতা করে। সুপেয় গ্রিনটি সার্বিক স্বাস্থ্যের জন্যই উপকারি।
সবুজ শাক সবজি
সবুজ শাক সবজি শক্তিশালী লিভার পরিষ্কারক। সবুজ শাক সবজি কাঁচা, রান্না করে বা জুস হিসেবে খাওয়া যায়। সবুজ শাক সবজিতে অত্যন্ত উচ্চ মাত্রার ক্লোরোফিল থাকে এবং এরা রক্ত প্রবাহ থেকে পরিবেশগত বিষ শোষণ করে নেয়। সবুজ শাক সবজির সহজাত প্রবণতা আছে ভারী ধাতু, রাসায়নিক ও কীটনাশককে নিস্ক্রিয় করার। সবুজ শাক সবজি লিভারের জন্য শক্তিশালী প্রতিরক্ষা প্রদান করে।
এছাড়াও আপেল, অ্যাভোকাডো, ওলিভ অয়েল, লেবু, হলুদ, আখরোট, বাঁধাকপি, পেঁয়াজ, মসুর ডাল, মিষ্টি আলু, ব্রোকলি, টম্যাটো ইত্যাদি খাবার নিয়মিত খেলে লিভার পরিষ্কার থাকবে।
Read more: http://healthbangla.com/archives/1146
Follow us: on Twitter | healthbangla on Facebook
Read more: http://healthbangla.com/archives/1146
Follow us: on Twitter | healthbangla on Facebook
Liver পরিষ্কার রাখতে যা খাবেন - Healthbangla.com আমাদেরকে সুস্থ রাখার জন্য কাজ করে যে লিভার তাকে সুস্থ রাখাটা প্রয়োজনীয়। আসুন তাহলে জেনে নেই এমন কিছু খাবারের কথা, যেগুলো খেলে লিভার সুস্থ থাকবে।
20/02/2016
শীতে অনেকেরই টনসিলে ব্যথার সমস্যা হয়। শিশু থেকে বড় মানুষ সবারই এ সমস্যা হতে পারে। সাধারণত টনসিলাইটিস বা টনসিলের প্রদাহের কারণেই এ ব্যথা হয়ে থাকে। অনেকের ক্ষেত্রে টনসিলাইটিন হলে অল্প জ্বর বা গা ব্যথা হতে পারে। টনসিল ফুলে গিয়ে লালও হয়ে যেতে পারে।
টনসিলের ব্যথা Tonsil Pain দূর করার সহজ সমাধান
Tonsil Pain
বারবার এ রকম প্রদাহ হলে চিকিৎসকরা অনেক সময় অস্ত্রোপচারের পরামর্শ দেন। তবে প্রাথমিক পর্যায়ে ব্যথা কমাতে কিছু ঘরোয়া চিকিৎসা করা যেতে পারে। জীবনধারা বিষয়ক ভারতীয় ওয়েবসাইট বোল্ডস্কাইয়ের স্বাস্থ্য বিভাগে জানানো হয়েছে টনসিলের ব্যথা দূর করার কিছু ঘরোয়া উপায়।
পুদিনা
পুদিনা খুব চমৎকার ঘরোয়া উপাদান টনসিলাইটিস সারানোর ক্ষেত্রে। পুদিনার মধ্যে থাকা মেনথল (Menthol)গলা ব্যথাকে প্রশমিত করে। টনসিলের ব্যথা কমাতে দিনে কয়েকবার পুদিনার চা খেতে পারেন।
দারুচিনি
দারুচিনির মধ্যে রয়েছে অ্যান্টিমায়োবিয়াল উপাদান। এটি দ্রুত টনসিলের ব্যথা রোধে কার্যকর। এটি ব্যাকটেরিয়া প্রতিরোধ করে এবং প্রদাহ দূর করে। সামান্য দারুচিনির গুঁড়া ও এক চা চামচ মধু এক গ্লাস গরম পানিতে মেশান। টনসিলে ব্যথার সময় এটি খেতে পারেন।
হলুদ
হলুে দর মধ্যে রয়েছে অনেক গুণ। এর মধ্যে থাকা অ্যান্টিসেপটিক উপাদান টনসিলের ব্যথা সহজে দূর করতে সাহায্য করে। এক গ্লাস গরম পানিতে এক চা চামচ হলুদ গুঁড়া মেশান। এই পানীয় দিয়ে গারগেল করলে টনসিলে ব্যথা থেকে রেহাই পাওয়া যাবে।
এ ছাড়া এই সময়ে তরল খাবার বেশি করে খান এবং ভিটামিন-সি সমৃদ্ধ খাবার খান।
পাশাপাশি গরম পানিতে মধু ও লেবু মিশিয়ে খেতে পারেন।
টনসিলের ব্যথা দূর করার সহজ সমাধান - Healthbangla.com শীতে অনেকেরই টনসিলে ব্যথার সমস্যা হয়। শিশু থেকে বড় মানুষ সবারই এ সমস্যা হতে পারে। সাধারণত টনসিলাইটিস বা টনসিলের প্রদাহের কারণেই এ ব্যথা হয়ে থাকে। অনেকের ক্
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Website
Address
Dhaka
1000
