German Homeo Care
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from German Homeo Care, Health/Beauty, Dhaka.
18/04/2017
Cover art
মধুর উপকারিতা
মধুর গুন ও মধুর ব্যবহার সম্পর্কে আমরা অনেকেই পর্যাপ্ত জ্ঞান না থাকায় যথেষ্ট গুরূত্ব দেই না। অথচ রোগের চিকিৎসা ও রোগের ঔষধ হিসেবে প্রাচীনকাল থেকেই মধুর ব্যবহার হয়ে আসছে। পৃথিবীতে যত খাবার রয়েছে সব খাবারের পুষ্টিগুণ ও উপাদেয়তার দিকটি বিবেচনা করে যদি আমরা একটি তালিকা করি, তবে সে তালিকার প্রথম সারিতেই থাকবে ‘মধু’র নাম। মানবদেহের জন্য মধু অত্যন্ত উপকারী এবং নিয়মিত মধু সেবন করলে অসংখ্য রোগবালাই হতে পরিত্রান পাওয়া যায়। এটি বৈজ্ঞানিকভাবেই প্রমানিত। হাজার বছর পূর্বেও মধু ছিল সমান জনপ্রিয়। ইতিহাস পর্যালোচনা করে দেখা যায়, অনেক সভ্যতায় মধু ‘ঔষধ’ হিসেবেও ব্যবহৃত হত। এমনকি প্রতিটি পবিত্র ধর্মগ্রন্থেও মধু সেবনের উপকারিতা এবং কার্যকারিতার কথা উল্লেখ রয়েছে। রোগ থেকে মুক্তির দোয়া যেমন দরকার তেমনি রোগ মুক্তির দোয়ার পাশাপাশি ভেষজ হিসেবে মধুও রাখতে পারে কার্যকর ভূমিকা। ভেষজ চিকিৎসায় ভেষজ ঔষধ হিসেবে নানান ভেষজ উদ্ভিদ যেমন ব্যবহার হয়, তেমনি হারবাল ঔষধ হিসেবে মধুও একটি গুরুত্বপুর্ণ হারবাল। তাছাড়াও নবীর সুন্নতের মাঝে মধু-কালিজিরা একটি সুন্নত। হাদিসে শরীফে অনেক হাদিসে, হাদিসের গল্পে এর উল্লেখ আছে। যে কেউ বাংলা হাদিসের বই থেকে তা জেনে নিতে পারেন। শুধু আল হাদিস এই নয়, মধুর কথা বলা আছে কুরআন শরীফ এও। কুরআন তেলাওয়াত করবার সময় কুরআন বাংলা পড়লে আল কুরআন এর সূরা নাহলের অনুবাদ পড়লে মৌমাছি ও মধুর আয়াতটি পাওয়া যাবে। কোরান শরীফে উল্লেখ থাকায় স্পষ্টত বোঝা যাচ্ছে মধুর গুরুত্ব কতখানি।
আর শরবত খেতে কে না ভালবাসে? নানান শরবতের রেসিপিতেও আজকাল মধু ব্যবহার হচ্ছে।
12/04/2017
এই গরমে বেশি বেশি লেবু পানি
রকৃতিতে চলছে তীব্র তাপদাহ। বৈশাখের ছাতি ফাঁটা রোদে প্রাণ ওষ্ঠাগত প্রায়। তবু জীবিকা ও কাজের প্রয়োজনে আমাদের বাইরে বের হতেই হয়। গরমের প্রকোপ থেকে স্বস্তি পেতে অনেকেই এসময়ে নানা ধরনের কোমল পানীয়, জুস, বিভিন্ন ধরনের ফলের রস, শরবত পান করে থাকেন।
কিন্তু এখন রাস্তাঘাট, ফাস্টফুড কিংবা স্ন্যাকসের দোকানে ঠাণ্ডা পানীয় ও শরবতের নামে আমরা যা গলাধঃকরণ করছি সেসবের বেশিরভাগই প্রিজারভেটিভ এবং কার্বন ডাই অক্সাইডযুক্ত হওয়ায় শরীরের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর।...
See more
In this heat. More Lemon water
Running Rakr̥titē intense heat wave. Baiśākhēra sunburn chest phām̐ṭā ōṣṭhāgata life almost. Still, the sustenance and work needs to be out of our outside. Hot from the prakōpa get comfortable with most of the time in various types of soft drinks, juice, different types of fruit juice, Drink Juice.
But now roads, fast food or snacks in the shop and cold drink in the name of that which we passed round neck. Swallow their most of the people in the world is prijārabhēṭibha and carbon dioxide, United in the body to be fatal for your loss.
In this hot body and mind to keep fresh and healthy for him so need some of the natural dependence on.
Lemon juice can be in this case, the most effective. Hot drink in the rest of the way than to drink lemon juice. Lemon too much puṣṭiguṇa rich a fruit. A glass of lemon juice in hot water body ischemia away will bring us peace.
Is it harmful for any element. There is no opposite to keep healthy man with different disease preventing from round lemon is awesome.
Lemon juice is made of pain is not for you, if it is short time to make myself a drink. A glass of water from just two three piece made with lemon juice can juice. If you would like a sweet like sugar to mix You can.
Lemon is clear puṣṭiguṇa something special. That makes the body fresh vitamin Ghāṭati'ō to fill as well. Make sure the power to prevent disease.
Usually every 100 g lemon juice - kilōkyālari 12 calories, 96 % water, Fiber 1.8 g, SUGAR 3 Village, Vitamin C 40 mg, vitamin B 10.06 Ml Village, vitamin B 60.04 ml village and vitamin B-0.4 Ml Village.
Lemon is the name of various castes and lemon. All the same benefits of the human body, but not for the benefit of all lēbu'i. In Bangladesh in lemon is worth mentioning, kāgaji, Meyer, root, Zara, jhōṭā, China, seeds and zero śarabatī Chittagong the lemon.
12/04/2017
**সফট ড্রিংক্স বা কোমল পানীয় ওজন বৃদ্ধির অন্যতম প্রধান কারন।তাই কোমল পানীয় গ্রহন থেকে বিরত থাকুন।নিজে সচেতন হোন,অন্যকেও সচেতন করুন!
10/04/2017
অ্যালোভেরা বা ঘৃতকুমারী- এই
পাতাটি রূপচর্চায় ব্যবহার হয়ে আসছে
আদিকাল থেকে। বহুগুণী এই পাতাটি
শুধুমাত্র রূপ বা চুল পরিচর্যায় ব্যবহার হয়
না, এর ঔষধি গুণাবলিও অনেক। বহু
রোগের সমাধান করে থাকে ছোট এই
একটি পাতা। অ্যালোভেরার পাতার
ভিতরে থাকা জেলটি ব্রণ দূর করা
থেকে শুরু করে আগুণে পুড়ে যাওয়া
ত্বক সারাতে সাহায্য করে থাকে।
এমনকি অনেক ঔষুধ তৈরি করতেও ব্যবহৃত
হয়ে থাকে অ্যালোভেরা জেল।
রুপচর্চায় অ্যালোভেরার জেলের
ব্যবহার সম্পর্কে আমরা সবাই জানি,
আজ এর ঔষধি গুণাবলী সম্পর্কে জেনে
নেওয়া যাক।
১। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি
অ্যালোভেরা হল অ্যান্টি ফাঙ্গাল
এবং অ্যান্টি মাইক্রোবিয়াল
উপাদান সমৃদ্ধ একটি উদ্ভিদ। এটি রোগ
প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে এবং
দেহের টক্সিন উপাদান দূর করে
থাকে। অ্যালোভেরা জেলের জুস
নিয়মিত পান করতে পারেন।
২। মুখের দুর্গন্ধ দূর করতে
২০১৪ সালে এক গবেষণায় দেখা
গেছে অ্যালোভেরা জেল মাউথ
ওয়াশের বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করা
যায়। এতে ভিটামিন সি আছে যা
মুখের জীবাণু দূর করে মাড়ি ফোলা,
মাড়ি থেকে রক্তপাত বন্ধ করে দিয়ে
থাকে। এছাড়া মুখের দুর্গন্ধ দূর করতে
সাহায্য করে।
৩। ডায়াবেটিস প্রতিরোধে
অ্যালোভেরা রক্তে সুগার নিয়ন্ত্রণ
করতে সাহায্য করে। থাইল্যান্ডে এক
গবেষণায় দেখা গেছে যে প্রতিদিন
দুই টেবিল চামচ অ্যালোভেরা জুস
রক্তে চিনির মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে।
এবং ডায়াবেটিস রোগ হওয়ার
সম্ভাবনা হ্রাস করে থাকে।
৪। মুখের ঘা প্রতিরোধে
মুখের ঘা এবং দাঁতের পোকা রোধ
করতেও অ্যালোভেরা জেল
কার্যকরী। মুখের ঘায়ের স্থানে
অ্যালোভেরা জেল লাগিয়ে নিতে
পারেন, এটি ঘা ভাল করতে সাহায্য
করে।
৫। ক্যান্সার প্রতিরোধে
নতুন গবেষণা অনুসারে অ্যালো-
ইমোডিন নামক উপাদান
অ্যালোভেরা জেলে রয়েছে যা স্তন
ক্যান্সার ছড়ানো রোধ করে থাকে।
অন্যান্য ক্যান্সার প্রতিরোধেও
অ্যালোভেরা জেল বেশ কার্যকরী।
৬। ওজন কমাতে
অ্যালোভেরা জেলে
ম্যাগনেশিয়াম, কপার, পটাশিয়াম,
আয়রন, সোডিয়াম, জিঙ্ক, ক্যালসিয়াম
আরও অনেক মিনারেল রয়েছে যা ওজন
হ্রাস করতে সাহায্য করে থাকে।
এছাড়া অ্যালোভেরা জেলে প্রায়
২০ রকম অ্যামিনো অ্যাসিড আছে যা
ইনফ্লামেশন এবং ব্যাকটেরিয়া রোধ
করে হজম, বুক জ্বালাপোড়া রোধ করে
থাকে
ওজন বাড়ে যত ওষুধে.......
চিকিৎসার প্রয়োজনে অনেক ওষুধই আমাদের খেতে হয়। এর মধ্যে কিছু ওষুধ মোটা হওয়ার জন্য দায়ী। যাঁরা মোটা হচ্ছেন, দরকার হলে চিকিৎসকের সঙ্গে আলাপ করে জেনে নিন।
স্টেরয়েড ও হরমোন: সম্ভবত সবচেয়ে বেশি এ ঘটনাটি দেখা যায় স্টেরয়েড নিয়ে। স্টেরয়েড একটি ধন্বন্তরি ওষুধ। বিশেষ করে হাঁপানি বা অ্যালার্জি হঠাৎ বেশি বেড়ে গেলে, প্রচণ্ড ব্যথা-বেদনা কমাতে কিংবা ত্বকের ও হাড়সন্ধির নানা সমস্যায় চিকিৎসকেরা স্টেরয়েড দিয়ে থাকেন। বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই এ ওষুধ হয়তো কয়েক দিনের জন্য খেতে দেওয়া হয়। কিন্তু রোগীরা উপশম পেয়ে বারবার বা একটানা দীর্ঘদিন খেতে থাকেন। ফলে ওজন বাড়তে থাকে। বাজারে প্রচলিত অনেক হারবাল, টোটকা বা ভেষজ ওষুধ আসলে কিছুই নয়, এই স্টেরয়েড। তাই এসব থেকে সাবধান।
খেলোয়াড় ও অ্যাথলেটরা শক্তি বাড়ানোর জন্য টেস্টোস্টেরন বা নানা ধরনের হরমোন সেবন করেন, সেগুলো ওজন বাড়ায়। ওজন বাড়ায় জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়িও। তবে বর্তমানে যেসব স্বল্পমাত্রার বড়ি বা কেবল ইস্ট্রোজেন বড়ি পাওয়া যায়, তাতে এ ওজন বাড়ার হার কম।
ডায়াবেটিসের ওষুধ: সালফোনাইলইউরিয়া ও গ্লিটাজন গ্রুপের ডায়াবেটিসের ওষুধ রোগীর ওজন বাড়ায়। টাইপ ২ ডায়াবেটিসে এমনিতেই ওজনাধিক্য একটি বড় সমস্যা, তাই স্থূল রোগীদের এসব ওষুধের বিকল্প খোঁজা উচিত। কেননা, একই সঙ্গে ওজন কমায় ও কার্যকর নানা নতুন ওষুধ, যেমন মেটফরমিন, ডিপিপি ৪ ইনহিবিটর ইত্যাদি এখন বাজারে রয়েছে। ইনসুলিনও ওজন বাড়ানোর দায়ে অভিযুক্ত। এখানেও ওজন কম বাড়ায় এমন আধুনিক অ্যানালগ ইনসুলিনের কথা ভাবতে পারেন।
মানসিক রোগের ওষুধ: বিষণ্নতার নানা ওষুধ, মানসিক রোগ ও মৃগীরোগের বিভিন্ন ওষুধও ওজন বাড়ায়। যেমন অ্যান্টিডিপ্রেশেন্ট, সোডিয়াম ভ্যালপ্রোয়েট বা লিথিয়াম। কিন্তু প্রয়োজনে এ ধরনের ওষুধ আপনাকে খেতে হতে পারে। সে ক্ষেত্রে ওজন কমানোর জন্য অন্য দিকে সচেষ্ট হোন।
একটা ধারণা আছে যে ভিটামিন, ক্যালসিয়াম ইত্যাদি খেলে ওজন বাড়ে, কিন্তু আসলে তা নয়। এসব ওষুধের সঙ্গে ওজন বাড়ার সম্পর্ক নেই। সব ধরনের ঘুমের ওষুধেও ওজন বাড়ে না। আর ওজন বাড়ার জন্য হয়তো আপনার জীবনাচরণই বেশি দায়ী, সে দিকটাও লক্ষ করুন।
10/04/2017
কোমরে ব্যথা মানেই কিডনি সমস্যা?
কোমরের পেছন দিকে হালকা চিনচিনে ব্যথা—এমন উপসর্গ নিয়ে অনেকে আতঙ্কিত হয়ে ছোটেন চিকিৎসকের কাছে। আমার কিডনি কি খারাপ হয়ে গেল? শুনেছি কিডনির সমস্যায় পেছনে ব্যথা হয়? কোমর ব্যথার বেশির ভাগ রোগী মনে করেন, তাঁদের কিডনিতে সমস্যা হয়েছে। কিন্তু সত্যি বলতে কী, কিডনিতে পাথর বা খারাপ ধরনের সংক্রমণ না হলে ব্যথা করার কথা নয়। কোনো রকম ব্যথা-বেদনা ছাড়াও কিডনি খারাপ হতে পারে। কোমর ব্যথারও আছে নানা কারণ ও উৎস।
কিডনি রোগের উপসর্গ বা ব্যথা
* কিডনিজনিত ব্যথা সাধারণত মেরুদণ্ড থেকে একটু দূরে ডান বা বাম পাশে হয়। এটি পেছনের পাঁজরের নিচের অংশে অনুভূত হওয়ার কথা। এই ব্যথা নড়াচড়া করে এবং কোমরের দুই পাশেও যেতে পারে। এই ব্যথা থেকে থেকে আসে, শোয়া-বসা বা কোনো কিছুতেই আরাম মেলে না।
* কিডনির সমস্যায় ব্যথা মূল উপসর্গ নয়, এতে শরীরে পানি আসা, দুর্বলতা, অরুচি, বমির ভাব দেখা দেয়।
* সংক্রমণ হলে জ্বর হতে পারে এই ব্যথার সঙ্গে।
* প্রস্রাব ঘোলাটে হয়, দুর্গন্ধ বা রক্ত থাকতে পারে।
* প্রস্রাবের পরিমাণ কম-বেশি হয়। রক্তশূন্যতা থাকতে পারে। কিডনি খারাপ হওয়ার পেছনে দীর্ঘদিনের অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, সংক্রমণ, ব্যথানাশক বড়ি খাওয়া ইত্যাদির ইতিহাস থাকবে।
কোমর ব্যথা মানে কী?
* বেশির ভাগ কোমর ব্যথা সাধারণত মাংসপেশি, মেরুদণ্ডের হাড়, ডিস্ক, সন্ধি ও স্নায়ুসম্পর্কিত।
* এটি নির্দিষ্ট অংশ জুড়ে হয়।
* মেরুদণ্ডের নড়াচড়া যেমন ওঠাবসা, সামনে ঝোঁকা, হাঁটা বা দাঁড়ানো, অনেকক্ষণ ধরে কাজ করা বা শুয়ে থাকার সঙ্গে এই ব্যথা বাড়ে-কমে।
* সাধারণত জ্বর হয় না (তবে টিউমার, টিবি ইত্যাদি ছাড়া)। দুর্বলতা, রক্তশূন্যতা, অরুচি, বমির ভাব ইত্যাদি আনুষঙ্গিক সমস্যা সাধারণত থাকে না।
* সাধারণত বিশ্রাম ও ব্যথানাশক ওষুধ সেবনে ভালো হয়; বন্ধ করলে ব্যথা আবার ফিরে আসে।
10/04/2017
দ্রুত ঝরে যাবে বাড়তি মেদ, ৪টি কাজ করুন সন্ধ্যা ও রাতে.....
Weight-Lossসারাদিন ব্যস্ত থাকেন, ব্যায়াম কিংবা ডায়েট করার সময় নেই। ফলে হু হু করে বেড়ে চলেছে ওজন! আপনিও কি এই সমস্যায় আক্রান্ত? তাহলে জেনে রাখুন, সন্ধ্যা ও রাতের সময়টা মাত্র ৪টি সহজ কাজ করেই কমাতে পারবেন বাড়তি ওজন। বাড়তি কোন সময় লাগবে না, কাজের ক্ষতি হবে না।, কেবল রপ্ত করে নিন কিছু সহজ অভ্যাস। আর এগুলোই আপনাকে খুব সহজে করে দেবে স্লিম ও সুন্দর!
১. হালকা নাস্তার অভ্যাস :
আমরা অনেকেই ডায়েট করছি ঠিকই কিন্তু দেখা যায় সন্ধ্যার নাস্তার টেবিলে পেট ভর্তি করে আহার করে ফেলি। সন্ধ্যার নাস্তায় অনেক ভারী খাবার খেয়ে ফেলি। এই বাজে অভ্যাসটির কারণে আপনার ওজন আরও দ্বিগুণ বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাই যতটা সম্ভব চেষ্টা করবেন সন্ধ্যার নাস্তাটি হালকাভাবে সেরে নেয়ার। একেবারেই না হলেই না এমন খাবার খাওয়ার চেষ্টা করুন। এক্ষেত্রে আপনি যদি নাস্তা করার অভ্যাসটি বাদ দিতে পারলে স্বাস্থ্যের পক্ষে ভালো উপকার পাওয়া যাবে।
২. রাতের খাবারের পর অন্যকিছু না খাওয়া :
রাতের খাবারের পর অনেকের অভ্যাস থাকে আরও কিছু খেয়ে ফেলা। অনেকেই খাবারের পরপর মিষ্টি জাতীয় খাবার খেতে অনেক বেশি পছন্দ করেন। এই ধরনের অভ্যাস থেকে থাকলে তা থেকে যত শীঘ্রই সম্ভব নিজেকে মুক্ত করুন। রাতের খাবারের পর আর কিছুই খাবেন না। প্রয়োজনে পানি খেতে পারেন।
৩. হালকা শারীরিক ব্যায়াম :
রাতের খাবারের পর একটু সময় নিয়ে হালকা ধরনের শারীরিক ব্যায়াম করে নিতে পারেন। এক্ষেত্রে অবশ্যই খেয়াল রাখবেন একেবারে রাতের খাবারের পরপর ব্যায়াম না করে একটু সময় বিশ্রাম নিয়ে তারপর ব্যায়াম করুন। এভাবে প্রতিদিন রাতে হালকা ধরনের কয়েকটি ব্যায়ামের অভ্যাস গড়ে তুলুন। এর ফলে শরীরের অতিরিক্ত ওজন অনেকটা নিয়ন্ত্রণে আসবে।
৪. তাড়াতাড়ি ঘুমানোর অভ্যাস :
অনেকেই রাত জাগতে পছন্দ করেন। এতে করে রাতে ক্ষুধার প্রবণতা বাড়ে এবং অতিরিক্ত খাওয়া হয়ে থাকে। আবার রাত জাগার ফলে অযথা শরীর খারাপ হওয়ারও সম্ভাবনা থাকে। তাই রাত জাগার এই বদ অভ্যাসটি বাদ দেয়ার চেষ্টা করুন এবং একটি নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করুন। এতে শারীরিক সুস্থতা বজায় থাকবে এবং আপনার শরীরের অতিরিক্ত মেদ ঝরে যাবে।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Telephone
Website
Address
Dhaka
