MS creation
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from MS creation, Health/Beauty, Dhaka.
24/05/2025
আমাদের প্রায় অভিমান হতো , কিন্তু ভাবিনি এইটা যে শেষ অভিমান,হারিয়ে যাওয়ার অভিমান ছিলো!😅
08/05/2025
দোকানদারের কাছে ২ কেজি আদা চাইছিলাম। পরে বাসায় এসে দেখি ৫০০ গ্রাম আদা আর ১.৫ কেজি আদা কালারের কুতাবাসা।🥹🐈
08/05/2025
হীরালাল নামের এক মশলার ব্যবসায়ী ছিল, যে প্রতিদিন শহরে গিয়ে মশলা বিক্রি করত। একদিন হঠাৎ করে তার শরীর খুব খারাপ হয়ে যায়। তাই সে সেদিন শহরে যেতে পারে না।
তার ছোট ছেলে খেলা করে বাড়ি ফিরে এসে দেখে, বাবা বিছানায় শুয়ে আছেন। সে অবাক হয়ে জিজ্ঞাসা করে –
“বাবা, আপনি আজ শহরে গেলেন না কেন?”
বাবা উত্তর দেয় –
“আজ শরীরটা খুব খারাপ লাগছে রে, তাই আর শহরে মশলা বিক্রি করতে যাইনি।”
এই কথা শুনে ছেলে বলে –
“তাহলে আজ আমি শহরে গিয়ে মশলা বিক্রি করে আসব।”
বাবা তখন বলে –
“তুই তো এখনও খুব ছোট। শহরের দোকানদাররা তোকে বোকা বানিয়ে মশলা খুব সস্তায় কিনে নেবে।”
এ কথা শুনে ছেলে হাসি দিয়ে বলে –
“বাবা, শুধু নামটাই আমার ‘ভোলা’, আসলে আমি খুবই চালাক!”
এই বলে সে শহরে যাওয়ার জন্য জিদ করতে শুরু করে। বাবা তখন ছেলের মা-কে ডাকে এবং বলে –
“তাকে একটু বুঝিয়ে বলো, যেন শহরে না যায়।”
কিন্তু মা-র কথাও সে শোনে না। শেষ পর্যন্ত বাবা-মা দুজনে মিলে তাকে শহরে পাঠাতে রাজি হয়।
তবে যাওয়ার আগে বাবা তাকে তিনটি শর্ত দেয় এবং বলে –
“এই তিনটা কথা যদি তুই মানিস, তাহলেই তোকে শহরে যেতে দেব।”
ভোলা বলে –
“ঠিক আছে বাবা, আমি সব কথা মেনে চলব।”
বাবার তিনটি শর্ত ছিল:
তোর মা তোকে কিছু রুটি দিয়ে দেবে। যখন খিদে পাবে, খাস। কিন্তু খাওয়ার আগে বলতে হবে – ‘এক খাই, দুই খাই, তিন খাই, চার খাই’।
যদি কোথাও রাত কাটানোর দরকার হয়, তাহলে এমন ঘর নিতে হবে যাতে দরজায় কুণ্ডি থাকে। কুণ্ডি না থাকলে সেই ঘর নেবে না।
যদি কেউ মশলার দাম খুব কম দেয়, তাহলে বলবি – “বাবার সঙ্গে কথা বলে আসি।”
ভোলা সব শর্ত মেনে শহরের উদ্দেশ্যে রওনা দেয়।
শহরে ঢোকার পর, কিছু চোর তাকে দেখে ভাবে –
“ওর ঝোলায় নিশ্চয়ই কিছু দামি জিনিস আছে।”
তারা পরিকল্পনা করে ভোলাকে এক ফাঁকা জায়গায় নিয়ে গিয়ে তার জিনিসপত্র ছিনিয়ে নেবে।
এদিকে ভোলার খিদে পায়। সে একটা গাছের নিচে বসে মায়ের দেওয়া রুটি খেতে যায়। খাওয়ার আগে সে বাবার শেখানো মতো বলে –
“এক খাই, দুই খাই, তিন খাই, চার খাই।”
এই কথা শুনে চোররা ভয় পেয়ে পালিয়ে যায় এবং দূরে গিয়ে ভাবে –
“ও তো কোনো মানুষ না, নিশ্চয়ই ভূত! যদি আমাদের দেখে ফেলে, তাহলে সবাইকে খেয়ে ফেলবে!”
ভোলা তখন খাওয়া শেষ করে একটি সরাইখানায় যায় এবং বলে –
“একটা ঘর চাই।”
সরাইখানার মালিক বলে –
“ঘর আছে।”
ভোলা তখন জিজ্ঞেস করে –
“ঘরে কুণ্ডি আছে তো?”
এই কথা শুনে সরাইখানার মালিক ভাবে –
“এ ছেলে তো বুঝে-শুনে এসেছে, নিশ্চয়ই জানে যে চুরি-টুরি হয়।”
তাই মালিক তাকে ঘর না দিয়ে সরাইখানা থেকে বের করে দেয়।
এরপর ভোলা মশলা বিক্রি করতে যায়। একজন দোকানদার তাকে বলে –
“তুমি যে দাম বলছো, আমি তার অর্ধেক দেব।”
ভোলা তখন বলে –
“বাবার সঙ্গে কথা বলে আসি।”
এই কথা শুনে দোকানদার ভাবে –
“এর বাবা নিশ্চয়ই কাছেই আছে। যদি ও অন্য কোথাও বিক্রি করে ফেলে?”
এই চিন্তা করে দোকানদার পুরো দামেই ভোলার মশলা কিনে নেয়।
গল্পের শিক্ষা:
বাবা মা সবসময় আমাদের ভালো চায়। তাই তারা যা বলে, তা সবসময় কোনও না কোনও কারণেই বলে। তাই তাদের কথা মনোযোগ দিয়ে শোনা এবং মানা উচিত।
08/05/2025
আজ আমি সাবওয়েতে বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তিকে দেখেছি"🥺😇🥰😍
follow
08/05/2025
একজন আইনজীবী একজন শিক্ষকের কাছে একটি কূয়ো বিক্রি করলেন। দুই দিন পর, আইনজীবী সেই শিক্ষকের কাছে এসে বললেন,
“আমি তো আপনাকে কূয়ো বিক্রি করেছি, কিন্তু কূয়োর ভিতরের জল তো বিক্রি করিনি! আপনি যদি জল ব্যবহার করতে চান, তবে অতিরিক্ত টাকা দিতে হবে।”
শিক্ষক হেসে উত্তর দিলেন,
“হ্যাঁ, আমিও আপনাকে বলতে যাচ্ছিলাম—আপনার জল আমার কূয়ো থেকে নিয়ে যান, না হলে আগামীকাল থেকে আপনাকেই আমার কুয়োয় জল রাখার জন্য ভাড়া দিতে হবে।”
এটা শুনে আইনজীবী ঘাবড়ে গেলেন এবং বললেন,
“আরে না না, আমি তো মজা করছিলাম!”
শিক্ষক হেসে বললেন,“আমরাই আইনজীবী ও বিচারপতি তৈরি করি! শিক্ষকের সাথে একদম চালাকি নয়।
মুল গল্প আকবর এবং বিরবল থেকে সংগৃহীত এবং পরিমার্জিত।
03/05/2025
🖤🌸🍁
'রাত ২টা বাজে দোকান বন্ধ করে।
সেই ভয়ংকর কবর স্থানের পাশ দিয়ে বাসায় যাচ্ছিলাম।
'হঠাৎ দেখতে পেলাম একটি মহিলা রাস্তার পাশে বসে
কান্না করতেছে। কাছে গিয়ে সালাম দিলাম এবং জিঙ্গেস করলাম।
আপনি এতো রাতে এখানে কি করতেছেন।
'আমার সৎ মা আমাকে বাড়ি থেকে বের করে দিয়েছে।
তাই রাস্তার পাশে বসে কান্না করতেছি।
'ওহ।
আচ্ছা আপনার ভয় লাগতেছে না এখানে।
'কিসের ভয়।
আমি আল্লাহ্ ছাড় কাউকে ভয় করিনা।
'যাক শুনে খুশি হলাম।
শুনেন অনেক রাত হয়েছে এই জায়গাটি ভালো না।
আপনি আমার সঙ্গে বাসায় চলুন।
আজ আমাদের বাসায় থেকে কাল চলে যাইয়েন।
'নাহ।
আপনি যদি আমার সঙ্গে খারাপ কিছু করেন।
'আরে না।
আমি ওমন ছেলেনা। এছাড়া আমার বাড়িতে আমার বাবা - মাও আছে।
'সত্যি তো কিচ্ছু করবেন না।
'দেখুন যদি আপনার আমাকে বিশ্বাস হয় তাহলে চলুন।
না হলে এখানেই থাকুন।
'ঠিক আছে বিশ্বাস করলাম।
নিয়ে চলুন আমাকে।
'এইত এখন বুজতে পেরেছেন।
আমার পিছন-পিছন আসুন।
'আচ্ছা।
'এর পরে মেয়েটির সঙ্গে কথা বলতে বলতে বাড়ির সামনে চলে আসলাম।
এমন মুহূর্তে
পিছন থেকে মেয়েটী বলে উঠলো?
হাসিব তোর ভাগ্যটা আজকে খুবেই ভালো। আমার হাত থেকে বেছে গেলি শুধুমাত্র সালামটি দেয়ার জন্যে।
নাহলে আজকেই তোর শেষ দিন হতো।
'কথাটি শোনা মাত্রই পিছনে তাকিয়ে দেখি মেয়েটি
আর সেখানে নেই।
সঙ্গে-সঙ্গেই মা বলে চিৎকার করে উঠি।
আর সেখানেই অঙ্গান হয়ে যাই।
'ঙ্গান ফিরলে দেখতে পাই আমি অন্ধকার একটি ঘরের ভিতরে শুয়ে আছি।
যেইনা উঠতে যাবো এমন মুহূর্তে বুজলাম এইটা কোন ঘর-না এইটা হলো একটি কবর।
যার ভিতরে আমাকে রাখা হয়েছে।
'মুহূর্তেই আমার শরীর লোম দারিয়ে গেলো।
এবং শরীর টি থর-থর করে কম্পন দিতে লাগলো।
'ভয় না পেয়ে কোন রকমে কবর থেকে
মাথাটি বের করলাম
আর সঙ্গে- সঙ্গেই?
'প্রিয় পাঠক পাঠিকা।
গল্পটি ভালো লাগলে অবশ্যই কমেন্ট করুন। আপনাদের মন্তব্যের উপরে ভীত্তি করে পরবর্তী পর্ব আসবে।
#পরীর_প্রতিশোধ
পর্ব----১
#মি_হাসিব
18/03/2024
#গল্প_কবর_স্থানের_পরীটা
#মি_হাসিব
আসলে বাবা হয়েছে কি "মিম একটি ছেলেকে ভালোবাসতো তার নাম ছিলো অভ্র। বেশ ভালোই
দিন যাচ্ছিলো হঠাৎ একটি দমকা হাওয়া এসে
অভ্র মারা যায়।
তার পর থেকে আমার মেয়েটি পাগলের মতো হয়ে যায়
কারোর কথা শুনেনা।
মুখে শুধুমাত্র একটি কথা "আমার অভ্রকে ফিরিয়ে দাও
আমি অভ্রেকে অনেক ভালোবাসি।
ওকে ছাড়া বাচবোনা।
'এর পরে ওর মাথায় একটি ধান্ধা অভ্রকে সে ফিরে
আনবে '
'এইটা কি কখনো সম্ভব।
'হ্যাঁ আমাদের দুনিয়াতে সম্ভব। এর জন্যে কঠোর পরিশ্রম করতে হবে।
তাহলেই হবে।
'ওহ ' আচ্ছা মিম কি অভ্রকে ফিরিয়ে আনতে কতোদুর
পেরেছে যদি একটু বলতেন।
'অভ্র প্রায় অর্ধেক এসেছে।
কিন্তু কেউ তাকে দেখতে পারেনা। পরিপুর্ণতা পেলেই সম্পূর্ণ শরীর পাবে।
'ওহ। অভ্র যদি চায় কোন মেয়েকে' ধর্ষন করতে তাহলে কি পারবে।
তাকে কি কেউ দেখতে পারবেনা।
'হুমম পারবে।
কিন্তু কেউ বুজতে পারবেনা কে এমন খারপ কাজ তার সঙ্গে করতেছে বুজছো।
'হ্যাঁ।
(প্রিয় পাঠক পাঠীকা এইটা কিন্তু আবারো বলতেছি
কাল্পনিক বানোয়াট গল্প কেউ ভূল ভাবে নিবেননা)
'তুমি সব সময় সাবধান থাকবে।
কারন মিম কখন কি করে বসে বলা যায়না।
'ঠিক আছে ভালো থাকবেন আপনি ও।
আসি এখন।
'কথাটি বলে হাসিব যেইনা একটু এগোতে যাবে এমন
মুহূর্তে আবার মিমের বাবা বলে।
তোমাকে মিমকে মে'রে ফেলতে হবে।
'নিজের মেয়েকে নিজেই মেরে ফেলতে বলতেছেন। আপনি কেমন বাবা হ্যাঁ।
'আমি চাইনা আমার মেয়ের জন্যে
আর একটি মানুষ প্রান যাক। কারন তাদের ও সন্তান
আছে পরিবার আছে।
'আচ্ছা মিমকে ভালো পথে নিয়ে আসা যায়না।
বা এর কোন উপায় নেই।
'নাহ।
ওকে সোজা মেরে ফেলতে হবে।
'আমি এই কাজ করতে পারবোনা। সে যতোই খারাপ
হোকনা কেনো তার ক্ষতি আমার দারায় হবেনা।
আমি শুধুমাত্র চোখ গুলাকে রক্ষা করার জন্যে এতো
রিক্স নিচ্ছি।
'তোমার কথা শুনে ভালো লাগলো'
তুমি যদি এই সব চোখের আত্তাকে শান্তি দিতে চাও তাহলে আগে ৯টি কবর স্থানের শিমুল ফুল সংগ্রহ করতে হবে।
'আমি আজকে থেকেই কাজে লেগে যাবো।
আপনি চিন্তা করবেন না।
'বাবারে এই ৯টি ফুল সংগ্রহ করতে তুমি
মারাও যাইতে পারো।
কারন এই সব কবর স্থানে শিমুল ফুল তুলতে গেলে অনেক বাধার মুখে পরতে হবে।
'আপনি দোয়া করবেন।
আমি সব কিছুই সংগ্রহ করে নিয়ে আসবো।
'ইনশাআল্লাহ দোয়া রইলো।
'এর পরে হাসিব আর কথা না-বাড়িয়ে
অন্য পারার একটি কবর স্থানের দিকে রহনা দেয়।
যেখানে শিমুল ফুল পাওয়া যাবে।
'বেশ কিচ্ছুক্ষ পরে হাসিব অন্য পারার একট
18/03/2024
#গল্প_কবর_স্থানের_পরীটা
#মি_হাসিব
যে আমাদের কথা শুনতে পাচ্ছে।
কিন্তু আমরা দেখতে পাচ্ছিনা।
'হাহহাহা। হাহাহহা। হাহাহহা।
'বাবা হাসতেছো কেনো। বলোনা এখানে কি হচ্ছে।
'হ্যাঁ এখানে আমরা দুজন ছারা আরো একজন ব্যক্তি
আছে যে আমাদের কথা শুনতে পাচ্ছে।
আমাদের দেখতে পাচ্ছে।
এবং আমিও তাকে দেখতেছি।
'কিইইইই।
'হুমমম সেই লোকটি একদিন তোকে শেষ করে দিবে।
যদি তুই এই মৃত্যুর খেলা বন্ধ না করিশ।
'বলো এখানে কে আছে।
প্লিজজজ বাবা প্লিজজজজজ।
'এইটা আমি বলতে পারবোনা। তবে মাথায় রাখবি
একজন তোকে সব সময় ফলো করতেছে কিন্তু তুই তাকে ধরতে পারবিনা' দেখতেও পারবিনা।
'তোমার কথা বুজতে পেলাম তুমি তোমার মেয়ের
বিপক্ষে চলে গিয়েছো।
'তোর যেইটা ইচ্ছৈ সেইটা তুই ভাবতে পারিশ।
বাবা তুমি না বললেও আমি খুজে বের করবো কে সেই
মহান ব্যক্তি যে আমার পিছে লেগে আছে
বরং আমি দেখতে পাচ্ছিনা।
'কথাটি বলেই মিম অদৃশ্য হয়ে গেলো'
আর সঙ্গে-সঙ্গে মিমের বাবা বলে উঠলো "হাসিব তুমি
দারাও একটু ওখানেই বাবা।
'কথাটি শুনেই হাসিব সেখানে থমকে
যায় "কারন হাসিব লুকিয়ে থাকার পরেও মিমের বাবা কিভাবে বুঝলো আমি এখানে।
'শোন চিন্তার কীচ্ছু নেই।
মিম এখানে থেকে চলে গিয়েছে। এছাড়া ও তোমাকে
দেখতে পারবেনা।
'হাসিব জিঙ্গেস করলো'
আচ্ছা মিম আমাকে কেনো দেখতে পেলোনা।
'কারন নলকূপের ভিতরের চোখ গুলা তোমাকে কিছু
পাওয়া দিয়েছে।
খারাপ কিছু তোমাকে দেখতে পারেনা। কবর স্থানে বা
কোন খারাপ কাজ করার সময়।
'আশ্চর্য আমাকে ওরা কখন এমন পাওয়ার
দিলো আমি তো নিজেই বুজতে পাচ্ছিনা।
'কাল তুমি যখন এদের সঙ্গে দেখা করে যাচ্ছিলে
এমন মুহূর্তে ওই চোখ গুলা কি তোমার দিকে তাকিয়ে
ছিলো।
'হ্যাঁ।
'তাহলে ওই সময়ে দিয়েছে।
যেটা তুমি বুঝে পারোনি। আচ্ছা তুমি আমার দিকে তাকিয়ে কথা বলতেছো-না কেনো?
'কারন আপনার ওই বর-বর চোখ'' আবার লম্বা দারি'
আবার আপনি এতোটাই বড় যে আপনার দিকে
তাকাতেই পাচ্ছিনা ভয়ে।
'ভয়ের কোন কারন নেই। আমি তোমার কোন ক্ষতি করবোনা। এইটা বিশ্বাস রাখতে পারো।
'হুম বিশ্বাস করি।
কিন্তু আপনাকে একটি কথা জিঙ্গেস করতে চাই।
'বলো কি জানতে চাও।
'মিম আপনার মেয়ে' কিন্তু আপনার মতো একজন
বাবা থাকতে মিম এমন হলো কেনো।
'আসলে বাবা হয়েছে কি "মিম একটি ছেলেকে ভালোবাসতো তার নাম ছিলো অভ্র। বেশ ভালোই
দিন যাচ্ছিলো হঠাৎ একটি দমকা হাওয়া এসে
অভ্র মারা যায়।
তার পর থেকে আমার মেয়েটি পাগলের মতো হয়ে যায়
কারোর কথা শুনেনা।
18/03/2024
্থানের_পরীটা
পর্ব--৫
কাহিনী ও লেখনীতে: #মি_হাসিব
'কাশির শব্দ শোনার সঙ্গেই মিম সেই মৃ*ত লা*শটিকে ছেরে। হাসিবের দিকে চলে আসতে লাগে।
এইটা দেখা মাত্রই হাসিব নিশ্চুপ হয়ে
সেখানেই থাকে।
'এই দিকে মিম ওখানে এসে তন্ন তন্ন করে খুজতে লাগে
কিন্তু কাউকে পায়না।
বরং হাসিব সেখানেই ছিলো।
(দেখতে না পাওয়ার কারন একটু পরে বুঝতে পারবেন)
'খুজে না পাওয়ার করনে মিম সেই লা*শটির কাছে
গিয়ে তার চোখ দুটি তুলে নেয় এবং ক*বর স্থানের
দিকে রহনা দেয়।
'ক*বর স্থানে এসে আবার সেই নলকূপের কাছে গিয়ে
চোখ দুটি ভিতরে ফেলে দেয়।
এমনো মুহূর্তে নলকূপের ভিতর থেকে আওয়াজ আসলো।
'কুহেলিকা তোর ম*রন খুব শিগ্রই আসতেছে'
আমাদের কিচ্ছুটি করতে পারবিনা তুই।
কখনোই তোর মনের ইচ্ছে পুর্ণ হবেনা।
'আমার সঙ্গে পাঙ্গা নিবে এমন লোক
এই পযর্ন্ত পৃথিবীতে জ*ন্ম নেয়নি। একটু ধৈর্য্য ধর?
'হাহহা।হাহাহ। দেখা যাবে কি করতে
পারিস তুই।
'সেই চোখ গুলোর কথার কোন রিপ্লাই না দিয়ে মিম
সামনে আসতে লাগে।
তো একটু সামনে আসতেই হাসিব দেখতে পায় সেই বুড়োটা মিমের সামনে দারিয়েছে।
'মিম শোন।
'হ্যা বলো। কি বলবা।
'তুই যেই কাজটি করতেছিস এইটা কখনোই সম্ভব না।
আমি তোর বাবা বলতেছি এমন কাজ আর
করিশনা।
'আমি আমার ভালোবাসার মানুষ কে এই পৃথিবীতে
আবার মানুষ রুপে আনতে চাই।
এটাই আমার শেষ কথা।
(তো এদের দুজনের কথায় হাসিব বুঝে যায় এরা
বাবা এবং মেয়ে)
'বুজলাম কিন্তু হাসিবের জীবনটি ন*ষ্ট করতেছিস কেনো। ওর তো কোন অপ*রাধ নেই।
'বাবা ওর সঙ্গে থাকাটি বতর্মান আমার প্লাস পয়েন্ট।
কারন ওর বউয়ের ভ্যাসে থেকে আমাকে সম্পূর্ণ
করতে হবে।
'যদি হাসিব জানতে পারে এই সব কিছু।
তখন কী করবি।
'ওকে মে*রে ফেলবো।
'তোকে নিয়ে পরী লোকে আমি গর্ভ করতাম।
আমার মেয়ের মতো ভালো এবং স*ৎ মেয়ে পৃথিবীতে
নেই। আর সেই মেয়ে তুই?
'বাবা একটি কথা বলি।
'হ্যাঁ বল।
'আচ্ছা বাবা আমার কেনো জানি মনে হচ্ছে এখানে
আমরা দুজন ছারা আরো একজন ব্যক্তি আছে।
যে আমাদের কথা শুনতে পাচ্ছে।
কিন্তু আমরা দেখতে পাচ্ছিনা।
'হাহহাহা। হাহাহহা। হাহাহহা।
'বাবা হাসতেছো কেনো। বলোনা এখানে কি হচ্ছে।
'হ্যাঁ এখানে আমরা দুজন ছারা আরো একজন ব্যক্তি
আছে যে আমাদের কথা শুনতে পাচ্ছে।
আমাদের দেখতে পাচ্ছে।
এবং আমিও তাকে দেখতেছি।
'কিইইইই।
'হুমমম সেই লোকটি একদিন তোকে শে*ষ করে দিবে।
যদি তুই এই মৃ*ত্যুর খেলা বন্ধ না করিশ।
'বলো
14/03/2024
স্বামী তুমি এসেছো।
'হ্যা আসলাম এই নাও তোমার খাবার।
'আচ্ছা স্বামী তোমার কাছে একটি জিনিস চাইবো
আমাকে দিবে।
'কী জিনিস সেইটা বলো।
'তোমার চোখ দুটি আমার চাই। তোমার চোখ দুটি আমার ভিষণ পছন্দ হয়েছে।
'মানে।
'আরে কিছুনা এমনি বললাম। মানে তোমার চোখ দুটি অনেক সুন্দর।
এই জন্যে বলছিলাম তোমার চোখ দুটি আমাকে দিবা।
'এমন মুহূর্তে মা ডাকলো।
তাই রুম থেকে বের হয়ে মায়ের রুমে আসলাম।
'বলো মা।
'বাবা প্রতিদিন আমাদের এলাকায় একটি করে গরু এবং একটি করে মানুষ মারা যাচ্ছে।
তুই বাহিরে থাকিসনা।
তোকে নিয়ে আমার অনেক ভয় হয়।
'আচ্ছা মা ঠিক আছে।
তুমি চিন্তা করিওনা।
'কথাটি বলে আবার রুমে চলে আসলাম। রুমে আসা মত্রই দেখি মিম নেই।
তাই ওকে খুজার জন্যে বাহিরে চলে আসলাম।
'বাহিরে এসেই দেখি ও বাজারের দিকে যাচ্ছে।
তাই আমিও ওর পিছু পিছু যেতে লাগলাম।
'বেশ কিছুদুর যাওয়ার পরে মিমের সঙ্গে একটি
ছেলের দেখা হয়ে যায়।
ছেলেটিকে দেখা মাত্রই মিম বলতে থাকে।
তোকে আমার ভিষন পছন্দ হয়েছে।
এই মুহূর্তে তোর রক্ত পান করবো আমি।
'ছেলেটি মিমের এমন কথা শুনে ঠাস করে একটি থাপ্পড় দেয়।
'ঠাসসস! ঠাসস! পাগলি করার জায়গা পাওনা।
আমার সঙ্গে পাগলামি করতে এসেছো।
'এইটা দেখে মিম বেশ রাগান্বিত হয়। এবং সেখানেই পরীর রুপে চলে আসে।
যা দেখে ছেলেটি চিৎকারের করতে যাবে এমন সময় মিম তাকে একটি আছার মেরে ওখানেই মেরে ফেলে।
আর বলে '
আমাকে থাপ্পড় মারিশ।
'এই সব দেখে কি করবো বুজতে পাচ্ছিলাম না।
কারন এমন মৃত্যু কখনো দেখিনাই কারো।
'এর পরে মিম অদৃশ্য ভাবে একটি তরোয়াল নিয়ে আসল এবং ছেলেটির গলা কেটে ওর রক্ত পান করতে লাগলো।
বেশ কিছুক্ষন রক্ত পান করার পরে আবার কি যেনো
মনে করে ছেলেটির শরীর থেকে চামরা কেলাতে লাগে/যাকে বলে চামরা উঠাতে লাগে।
'এইটা দেখে শরীরের লোম ক্ষনিকের মধ্যেই
দারিয়ে গেলো।
কারন ভয় লাগা শুরূ হয়েছে আমার।
'তো শরীর থেকে চামরা আলাদা করার পরে
যেইনা কেটে ফেলা মাথাটি থেকে চোখ আলাদা
করতে যাবে এমন মুহূর্তে আমি একটু কাশি দেই আর
সঙ্গে-সঙ্গে মিম****
'পরবর্তীতে পর্বের জন্যে সবাই অপেক্ষা করুন বন্ধুরা
ভূল তূটি ক্ষমা করবেন
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Dhaka
