Falaq Fest
"আমি বাবা মায়ের শত আদরের মেয়ে"
29/04/2025
DIY fine motor activity for toddlers.
Seeds stick on the Watermelon 🍉
27/04/2025
১ বছর বয়স থেকে শিশুকে ইচ্ছামত আঁকিবুঁকি করতে দেয়া উচিত।এটা একটি খুব ইফেকটিভ ফাইন মোটর স্কিল একটিভিটি ডেভেলাপমেন্ট এক্সারসাইজ।
অনেকের কমপ্ল্যান থাকে বাচ্চা দেয়াল কিংবা আসবাবপত্র নষ্ট করে ফেলে।
এক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞদের মতে আপনি কিছু কাজ করতে পারেন -
১.বাসা চাইল্ড প্রুফ করুন।অর্থাৎ খুব দরকারী কিছু শিশুর নাগালের বাইরে রাখুন।
২.আঁকিবুঁকি এর জন্য এক বা একাধিক নির্দিষ্ট জায়গা করে দিন ।
৩.শিশুকে বারবার হাসি মুখে মনে করিয়ে দিন কোথায় কোথায় দাগ দেয়া যাবে।
৪.নির্দিষ্ট খাতা - পেন্সিল দিয়ে পারেন ।তবে সে বেশিক্ষন এটাতে সময় না দিলে জোর করবেন না।
- অবশ্যই রাগারাগি করে বোঝতে যাবেন না...এতে হিতে বিপরীত হতে পারে।
- কোথায় কোথায় দাগ দেয়া যাবে না এটা বারবার বলার দরকার নেই।পজিটিভ টা বলুন,শিশু ও এটা ভালো ভাবে নিবে এবং নিজেকে স্বাধীন ভাবতে শিখবে।
26/04/2025
ফাইন মোটর স্কিল বাড়ানোর জন্য অর্থাৎ বাচ্চার সূক্ষ্ম কাজ গুলো করতে পারার দক্ষতা বাড়ানোর জন্য কিছু একটিভিটি প্রেকটিস করা যেতে পারে।
যেমন -
ক্লে দিয়ে খেলা
আর্ট বা রং করা,পেন্সিল - তুলির ব্যবহার করা।
স্টিকার লাগানো
পানি,বালি,মাটি,চাল,ডাল, মুড়ি ইত্যাদি দিয়ে খেলা অর্থাৎ সেন্সরি একটিভিটি
খাবার ক্ষেত্রে চামচ এর ব্যবহার শেখা
বল্ক দিয়ে খেলা
ইত্যাদি অর্থাৎ যা দিয়ে ছোট পেশী গুলোর কর্ম দক্ষতা বাড়বে।
25/04/2025
১-৩ বছর বয়স কালকে ইংরেজি তে টডলার বলা হয়।
এই সময়টা শিশুর শারীরিক এবং মানসিক বিকাশের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ সময়।
শারীরিক বিকাশের খুব গুরুত্ব পূর্ন একটি বিষয় "মোটর স্কিল" নিয়ে কিছুটা লেখার চেষ্টা করছি।
মোটর স্কিল মানে হলো কোন কাজ করার জন্য শরীরের পেশী গুলোর দক্ষতাকে বোঝায়।
মোটর স্কিল ২ রকম।
গ্রস মোটর স্কিল
ফাইন মোটর স্কিল
হাত পা নড়াচড়া করা, হাটা ইত্যাদি মানে শরীরের বড় পেশী গুলোর দ্বারা যে কাজ গুলো হয় এগুলো গ্রস মোটর স্কিল।
আর ফাইন মোটর স্কিল হলো ছোট পেশী দ্বারা কাজ যেমন - জুতোর ফিতে বাঁধা,বোতাম লাগানো,কলম দিয়ে লিখা,চেইন লাগানো ইত্যাদি।
শিশুরা জন্মের কিছুদিন পর থেকেই সাধারণত পা ছোড়াছুড়ি দিয়ে গ্রস মোটর স্কিল এর প্রাকটিস শুরু করলেও ছোট বিষয় গুলোতে জড়তা দেখা যায় অর্থাৎ ফাইন মোটর স্কিল এর সমস্যা দেখা যায়।
তাই টডলার দের বিভিন্ন একটিভিটি বা খেলার মাধ্যমে এ দক্ষতা বাড়ানো যেতে পারে।
24/04/2025
ফালাকের বয়স এখন ২ বছর।
ইংরেজিতে একটা টার্ম আছে ,টেরিবল টু।
১৮-৩০ মাস বয়স এর সময়কালকে টেরিবল টু বলা হয়
খেয়াল করবেন ,এ সময় শিশুর "না" বলার প্রবণতা খুব বেড়ে যায়।সব কিছুতেই সে না বলে।
হাসতে হাসতে কান্না কিংবা কান্না করতে করতে হাসতে খুব বেশি সময় লাগে না, অর্থাৎ খুব বেশি মুড সুইং করে।
আন ওয়ান্টেড বিহেভিয়ার বা যেসব ব্যবহার আশা করা হয় না সেগুলো করতে দেখা যায় ।যেমন ধরেন চিৎকার ,নিজেকে বা অন্যকে আঘাত করা ইত্যাদি।
এর কারণ হিসেবে গবেষণা বলছে -
এ সময় শিশুর মানসিক বিকাশ ঘটে,ভাষাগত বিকাশ ঘটে,স্বাধীন চেতা হয়ে ওঠে।
কিন্তু ভালোভাবে যোগাযোগ করতে সে ব্যর্থ হয়।সে যা বোঝাতে চায় তা বোঝাতে পারে না।তাই এক রকম হতাশা কাজ করে।
23/04/2025
আসসালামু আলইকুম।
প্রায় এক বছর পর পেইজে পোস্ট করছি।
মূলত আমি এক রকম হতাশা থেকে পেইজে একটিভিটি বন্ধ করে দিয়েছিলাম।
প্রথম বার মা হয়েছি বলে আসলে 'নানা জনের নানা মত' এর উপর ভরসা করে বাচ্চা লালন পালন শুরু করেছিলাম।
ইউটিউবে কয়েকজন ডাক্তারের ভিডিও দেখে(এখনো দেখি),মুরুব্বিদের কথা শুনে(কুসংস্কার বাদে) এবং বাস্তবে ফালাককে সামলিয়ে দিন কাটছিল।
শুধুমাত্র ব্রেস্টফিডিং করানোর জন্য ৬ মাস পর্যন্ত বাড়তি ঝামেলা ছিল না।
ঘুম না হওয়ার জন্য ক্লান্তি,ঢেঁকুর তোলা,যতক্ষন ডায়পার ছাড়া রাখতাম ওই সময় পটি করে দিলে সেটা ম্যানেজ করা নিয়েই যুদ্ধ ছিল ওই সময় পর্যন্ত।
কিন্ত আসল যুদ্ধ তো শুরু হয়েছে ৬ মাসের পর।
প্রথম সলিড দেয়া শুরু করলাম,সাথে কিছু বই (সফট ক্লথিং বুক)কিনে দিলাম।
বই নিয়ে খুব আগ্রহ থাকলেও খাবারের প্রতি কোন রকম আগ্রহ ছিল না।
প্রথমে তো পিউরি দিয়ে শুরু করেছিলাম এবং পরে বিভিন্ন রেসিপি ট্রাই করে করে দিন যাচ্ছিল ।আমার আম্মু আমাকে একটা রেসিপি বই দিয়েছিল যেটা ছিল ৬-২৩ মাসের বাচ্চাদের খাবার এর বই।সেটার সব রেসিপি,ইউটিউবের রেসিপি সব ট্রাই করে ফেললাম কিন্তু বেবী শুধু মাত্র ব্রেস্টমিল্ক ছাড়া আর কিছুই খেতে
আগ্রহী না।
কিছু না মানে কিছুই না।এক্সট্রা মিল্ক ও না।
ওর বয়স যখন ১.৫ বছর তখন হঠাত করে ওর ' এনিমিয়া ' ধরা পড়লে আকাশ ভেঙে মাথায় পড়ল।
এদিকে ওকে কোন খাবার,ওষুধ কিছুই খাওয়াতে পারি না।
সময় যাচ্ছিল।অনেক ধরনের অনেক জন ডাক্তার এর সাথে কনসাল্ট করে ও কোন উপায় বের করতে পারছিলাম না কিভাবে কি করব। এর মধ্যে একজন সাইকোলজিস্ট এর সাথে কনসালটেশন হল,উনি কিছু টিপস দিলেন এবং সাথে একটা ইউনানী ওষুধ দিলেন ।এত এত ওষুধের ভিড়ে এবার একটা ওষুধ পেয়ে এটা রেগুলার ট্রাই করব ভাবলাম।আর আমি এবং ওর বাবা নিজেরা রিসার্চ শুরু করলাম কিভাবে কি করা যায়।
সময় যাচ্ছে ,জ্ঞান বাড়ছে যদিও এখনো এনিমিয়ার সাথে ফাইট করছি কিন্তু আগের চেয়ে এখন ভালোর দিকে আছি,আলহামদুলিল্লাহ।
আমার কাছে মনে হয়,বাচ্চাদেরকে যা শেখানো যায়,যেভাবে অভ্যস্ত করা যায় ওরা আসলেই ওভাবেই অভ্যস্ত হয়ে ওঠে।কিন্তু কিছু ছোট খাটো ট্রিকস ফলো করতে হয়।আসলে প্রত্যেকটা বাচ্চা আলাদা ।
কিছুটা মিল হয়তো থাকতে পারে,কিন্তু আমার বাচ্চার ক্ষেত্রে যা ওয়ার্ক করেছে তা আপনার ক্ষেত্রে না ও করতে পারে।
আমার এখন আফসোস হয় ,আমি এগুলো কেন আরো আগে বুঝি নি।
প্রেগন্যান্সি পিরিয়ড থেকেই আসলে এসব বিষয়ে জানতে শুরু করা উচিত।
বাচ্চার ১-৩ বছর বয়স টা খুব গুরুত্বপূর্ন সময়।কিন্তু এখনো প্যারেন্টস এর গাইড লাইন এর অভাবে বাচ্চারা পিছিয়ে পড়ছে ।
আমাদের আগের জেনারেশনের একটা কথা প্রচলিত আছে - " আমরাও বাচ্চা পালসি,তোমাদের দেখে মনে হয় আমরা কিছুই বুঝি না"
সব উন্নতির যুগে পেরেন্টিং এর ও যে গাইডলাইন থাকতে পারে এখনো এটাই খুব বেশি প্রচলিত হয় নি।
তবে ইদানীং সোশ্যাল মিডিয়াতে মোটামুটি প্যারেন্টিং নিয়ে আলোচনা বেশ চোখে পড়ছে।
যাই হোক,আমার ভুল কিংবা সীমাবদ্ধতা থেকে অন্তত আর এক জন প্যারেন্ট সঠিক দিকে এগিয়ে যাক এই প্রত্যাশা।
05/05/2024
চিড়া,টক দই,তরমুজ,খুরমা পাউডার।
শিশুকে আকর্ষন করার জন্য উপরে কয়েকটি মুড়ি দেয়া।😂
05/05/2024
শিশুর বেড়ে ওঠা এবং ত্বকের বিভিন্ন সমস্যা দূর করতে জিংক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
জিংক সম্বৃদ্ধ হাতের নালাগে থাকা কিছু খাবার-
পালং শাক
ডিম
দই
মসুর ডাল
04/05/2024
ডুবো তেলে ভাজা খাবার শিশুকে দেয়া উচিত নয়।তবে প্যাকেটজাত পণ্য না দিয়ে ঘরে তৈরি খাবার মাঝে মাঝে দেয়া যায় স্বাদ পরিবর্তন এর জন্য।
আলুর চিপস -
আলু ছিলে ধুয়ে ছবিতে দেয়া আকারে কেটে নিন।
কাটা আলু গুলো ভালো করে ধুয়ে পানি নিংড়ে ১০/১৫ মিনিট বাতাসে শুকানোর জন্য ছড়িয়ে দিন।
এবার একটি পাত্রে সাদা তেল গরম করে আলু গুলো ভেজে নিন।
আপনার শিশুর খাবারের স্বাদ এর উপর নির্ভর করবে চিপস গুলো কতটা মুচমুচে হবে।হয়ে এলে নামিয়ে বাতাসে কিছুক্ষণ ঠান্ডা করে,চিপসের গায়ে লেগে থাকা বাড়তি তেল গুলো টিস্যু পেপার এর সাহায্যে মুছে নিন এবং শিশুকে খেতে দিন।
যেহেতু ফিংার ফুড হিসেবে শিশুকে এটি নিজে খেতে দেয়া যায় তাই একবার এর নাস্তা এর জন্য একটি মাঝারি আকারের আলু যথেষ্ট।
৮ মাস থেকে নাস্তা হিসেবে আলুর চিপস দেয়া যায়।
শিশুর খাদ্যে অরুচি হবার সম্ভাব্য কারণ হতে পারে-
১.ভিটামিন-বি কমপ্লেক্স,সি,ডিএর অভাব-
এক্ষেত্রে মাছ,মাংস,ডিম,দুধ,সবুজ শাক সবজি খাওয়ানোর চেষ্টা করতে হবে।
ভিটামিন-সি (টক জাতীয় ফল,কাচা মরিচ)সমৃদ্ধ খাবার দিতে হবে।
সপ্তাহে কমপক্ষে ৫ দিন ১৫ মিনিট করে শিশুকে রোদে রাখলে ভিটামিন ডি এর চাহিদা পূরণ হয়।
২.জিংক এর অভাব-
মাছ,মাংস,ডিম,দুধ,কলিজা,বাদাম জাতীয় খাবার দিতে হবে।
৩.কৃমির আক্রমন-
বয়স অনুযায়ী কৃমিনাশক ওষুধ দিতে হবে এবং খাবার আগে পরে হাত ধোঁয়ার অভ্যাস করতে হবে।বাসি পচা খাবার দেয়া যাবে না।
৪.পাকস্থলীতে ভালো ব্যাকটেরিয়ার অভাব-
পাকস্থলীর ভালো ব্যাকটেরিয়া খাবার হজম করতে সাহায্য করে।প্রোবায়োটিকসমৃদ্ধ খাবার যেমন-টক দই ইত্যাদি খাওয়ার অভ্যাস করতে হবে।
৫.বদ-অভ্যাস-
৬ মাস বা ১৮১ তম দিন থেকে সলিড দিতে হবে।প্রথমে খেতে চাইবে না।তাই বলে হাল ছেড়ে দেয়া যাবে না।চেষ্টা করতে করতে ধীরে ধীরে খাবার খাওয়া শিখে যাবে।এ বয়স থেকে অভ্যাস গড়ে তুলতে না পারলে ভবিষ্যতে খাবার এ অনিহা সহ অনেক সমস্যার সম্মুখীন হতে হবে।
বেশিরভাগ ক্ষেত্রে, আমাদের দেশে প্রয়োজনীয় জ্ঞান এবং পদক্ষেপ এর অভাবে বাচ্চাকে সঠিক খাবার দেয়া সম্ভব হয়ে ওঠে না।এক্ষেত্রে ভিটামিন এবং জিংক এর ঘাটতি পূরণ এর জন্য আমাদের ওষুধ এর সাহায্য নিতে হয়,যা বাজারে রুচিবর্ধক ওষুধ হিসেবে পরিচিত।তবে রেজিস্ট্রার্ড চিকিৎসক এর পরামর্শ ছাড়া বাচ্চাকে এ ধরনের ওষুধ দিবেন না।
15/03/2024
টক দই
প্রয়োজনীয় উপকরণ -
১.দুধ-৪০০ মিলি
২.দই বীজ(আগের দই) -১ টেবিল চামচ
৩.খুরমা পাউডার -১ চা চামচ(এটা না দিলেও সমস্যা নেই)
দুধ ভালো করে জাল দিয়ে খানিকটা কমিয়ে ফেলুন।
ঠান্ডা হতে দিন।
কুসুম কুসুম গরম অর্থাৎ একটি আঙুল চুবিয়ে রেখে সহ্য করা যায় এমন গরম থাকা অবস্থায় যে পাত্রে দই বানাবেন সেটাতে ঢালুন।
দই বীজ এবং খুরমা পাউডার ভালো ভাবে মিশিয়ে একটি ঢাকনা দিয়ে পাত্রটি ঢেকে দিন।
এ পর্যায়ে এটিকে গরম স্থানে রাখুন।
মোটা তোয়ালে,উলের কাপড় বা সোয়েটার,কাথা,কম্বল ইত্যাদির যে কোন কিছু দিয়ে পেচিয়ে রাখুন কমপক্ষে ৬ ঘন্টা।এমন ভাবে রাখুন পাত্রটি যেন নড়াচড়া না করা হয়।
৬ ঘন্টা পর রেজাল্ট দেখুন ছবির মত।❤️
৮ মাস থেকে আপনার শিশুর খাবারে একটু করে টকদই যুক্ত করতে পারেন।যেসব শিশুদের বদহজম,বমি,গ্যাস্ট্রিক এর সমস্যা আছে তাদের ক্ষেত্রে টকদই খুব প্রয়োজন।
টকদই তে আছে প্রবায়োটিক যা পেটের এসব সমস্যা সমাধান করে।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Telephone
Website
Address
Amin Model Town, Thana Road
Dhaka
1350
