Arttina Akter
আমি খুব সাধারন একটা মেয়ে আমি সব সময় অল্পতে খুশি হয় আমি আমার বাবার এক মাএ মেয়ে আমি পরিবারের ছোট মেয়ে
🫣🥰🥀
আমি আপনাকে ভালোবাসি রুদ্ধ ভাইয়া।
রাত! এবার কিন্তু সবটা বেশি বেশি হচ্ছে। নিজের পড়াশোনায় মন দাও।মাথা থেকে উল্টোপাল্টা চিন্তা বাদ দিয়ে এটা মাথায় ঢোকাও যে তোমাকে একটা ভালো জায়গায় চান্স পেতে হবে।
---- কিন্তু আমি তো আপনাকে,,
---- আমি হসপিটাল যাচ্ছি। তুমি বাসায় থাকবা।আম্মু একটু পরই চলে আসবে।
---- হুম।
" চলে গেলো রুদ্ধ ভাইয়া।আমি আরাত্রি রহমান।সবাই রাত বলে ডাকে।আমি এবার এডমিশন দিব।আমাদের বাড়ি গ্রামে হওয়ায় আমি ঢাকায় বাবার এক বন্ধু রাহাত আংকেলের বাড়িতে থেকে কোচিং করি।রুদ্ধ ভাইয়া হলো রাহাত আংকেলের বড় ছেলে। তার একটা ভাইও আছে।যদিও তাকে আমি কখনো দেখিনি।
রুদ্ধ ভাইয়ার মাও খুব ভালো।সেই এসে থেকে রুদ্ধ ভাইয়ার পিছনে পড়ে আছি আমি।কেন জানি খুব ভালোলাগে আমার উনাকে কিন্তু উনি আমাকে একদম পাত্তা দেয়না।"
---- আরে রাত,কী ভাবছিস।
---- না কিছু না, মামনি।( মামনি হলো রুদ্ধ ভাইয়ার মা।)
---- ওহ! তুই ফ্রেশ হয়ে আয়, আমি খেতে দিচ্ছি।
---- আচ্ছা।
খাওয়া দাওয়া করে কোচিং এর জন্য বেরিয়ে গেলাম।রুদ্ধ ভাইয়াদের বাড়ি থেকে কোচিং বেশ দূরেই হয়।বেশির ভাগ দিন রুদ্ধ ভাইয়া আমাকে ড্রপ করে দিয়ে যায়। আজ সে একটু আগেই বেরিয়ে গেছে।রুদ্ধ ভাইয়া ঢাকা মেডিকেল থেকে পড়েছেন।আপাতত উনি ইনর্টান করছে।ভাইয়াদের নিজের হাসপাতাল আছে।
আমি এই বাসায় এসেছি তাও মাসখানের কিন্তু রুদ্ধ ভাইয়ার ছোট ভাইকে দেখিনি সেও আমার মতো এডমিশন দিবে এবার।তবে সে নাকি এক্সাম শেষে বন্ধুদের সাথে ঘুরতে গেছে।
আজ হাতে অনেক টাইম আছে তাই রিক্সা না নিয়ে হেঁটেই যাচ্ছিলাম।আর অনমনে এসব ভাবতে ভাবতে কারো সাথে ধাক্কা খেয়ে নিচে পড়ে গেলাম।প্রচন্ড বিরক্ত নিয়ে সামনে তাকিয়ে দেখি একটা ছেলে।তারর সাথে বিশাল ব্যাগ।চোখে সানগ্লাস।অথচ এখন সকাল সাড়ে আটটা বাজে।রোদ নেই বললেই চলে।তাও সানগ্লাস!
ছেলেটা প্রচন্ড বিরক্তি নিয়ে চোখ মুখ কুচকে আমার দিকে তাকিয়ে বললেন
---- এই যে রাতপাখি, একটু দেখে চলতে পারো না।
" আজব তো লোকটা আমার নাম জানল কী করে।তাও আবার রাতের সাথে পাখি।"
---- সরি,বাট আপনি আমায় কী নামে ডাকলেন।
---- উফ! সরি,সরি। তুমি আরাত্রি, রাইট।আমি দীপ্ত।
---- আপনি আমাকে চিনতে পারেন কিন্তু আমি তো আপনাকে চিনি না।
---- হোয়াট! তুমি আমাকে চিনো না।এই এলাকার ক্রাশ বয় আমি।
---- সো হোয়াট,,আমি এত ক্রাশ টাসের খবর রাখিনা।বাই দ্যা ওয়ে, আমার লেট হচ্ছে আমায় যেতে হবে।সো সাইড প্লিজ,,,এন্ড সরি ফর এভরিথ
মানুষ কি মনে করে যে, তাকে এমনি ছেড়ে দেয়া হবে?
[সূরা আল-ক্বিয়ামাহ, ৩৬]
❝কবরের বাহিরটা শুধুই পৃথিবী, কিন্তু ভিতরটা শুধুই আফসোস আর আযাব!❞
يَوْمَ تُقَلَّبُ وُجُوهُهُمْ فِى ٱلنَّارِ يَقُولُونَ يَٰلَيْتَنَآ أَطَعْنَا ٱللَّهَ وَأَطَعْنَا ٱلرَّسُولَا۠
“যেদিন তাদের চেহারাগুলো আগুনে উপুড় করে দেয়া হবে, তারা বলবে, ‘হায়, আমরা যদি আল্লাহর আনুগত্য করতাম এবং রাসূলের আনুগত্য করতাম’!”
[সূরা আল-আহযাব, আয়াত ৬৬]
😔💔
প্রতিটা মেয়েকে জীবনে তিনটা গুরুত্বপূর্ণ
ঘটনার মধ্য দিয়ে যেতে হয়.. প্রথমটা হচ্ছে
'পিরিয়ড'.. সদ্য যৌবনপ্রাপ্ত মেয়েটা হঠাৎ
খেয়াল করে তার শরীরে কিছু একটা
পরিবর্তন হচ্ছে.. সে ভাবে তার বুঝি কোনো
মরণব্যধি রোগ হয়েছে, সে হয়তো আর
বাঁচবেনা.. কিন্তু তারপর মেয়েটা তার
মায়ের কাছে জানতে পারে এটাই তার
নারীত্বের আসল বহিঃপ্রকাশ..তার ভয়টা
তখন কেটে যায়.. প্রতিমাসের কিছু নির্দিষ্ট
দিনে কতোটা অসহনীয় ব্যথা তাদের সহ্য
করতে হয় জানেন? এই ব্যথা নিয়েই সে ঘরের
সকল কাজ করে, পড়াশোনা করে, স্কুল-
কলেজে যায়.. দ্বিতীয় ঘটনাটি 'বিয়ে'...!!!
একটা মেয়ে জন্মের পর থেকে যেই
পরিবেশে বেড়ে উঠে, যে পরিবারের
মানুষগুলো ছাড়া সে একদিনও কল্পনা করতে
পারেনা, হঠাৎ তাদেরকে ছেড়ে সম্পূর্ণ
অচেনা এক পরিবারে তাকে যেতে হয়..
নিজের আপন স্বত্বা কে সম্পূর্ণ ভুলে গিয়ে
সেই অজানা মানুষগুলোকে আপন করে নিতে
হয়.. এজন্যই মেয়েরা তাড়াতাড়ি বিয়ে করতে
চায়না..
বাবা মা বিয়ের কথা বললেই এড়িয়ে যায়..
তৃতীয় ঘটনাটি হলো "মা" হওয়া.. মা হওয়া
মেয়েদের জন্য নিঃসন্দেহে আনন্দের ঘটনা..
কিন্তু এই প্রক্রিয়া টা তারচেয়েও অনেক
কষ্টের.. নিজের আরাম-আয়েশ, ঘুম, শান্তি
বিসর্জন দিয়ে কী কষ্টের সাথে সেই ১০টা
মাস অতিক্রম করতে হয়, তারপর মৃত্যুর ঝুঁকি
নেয়া সন্তান জন্ম দেওয়াটা কতোটা
বেদনাদায়ক ঘটনা সেটা পুরুষদের বোঝবার
কথা নয়..
মাঝে মাঝে মনে হয় ছেলেরা খুব ভাগ্যবান
কেনো জানেন?
কারণ ছেলেদের জীবনে তো আর কিছুই ত্যাগ
করতে হয়না..
অথচ একটা মেয়েকে জন্মের পর থেকে কষ্ট
যন্ত্রণা মেনে নিয়ে শুধু ত্যাগই করতে হয়..
ছেলেদের জীবনে পিরিয়ড হয়না..যদি হতো
তাহলে তারা কতোটা অধৈর্য্য হয়ে যেতো
ভাবতে অবাক লাগে!! সামান্য হোস্টেল বা
মেস এ থাকা যেখানে ছেলেদের জন্য
অসহ্যকর, সেখানে নিজের পরিবার ছেড়ে
অজানা পরিবারের সাথে নিজেকে মানিয়ে
নেওয়া ছেলেদের জন্য অকল্পনীয়!! একটু
মাথা ব্যথা হলে আমরা পড়াশোনা
খাওয়া'দাওয়া ছেড়ে দিয়ে অস্থির হয়ে যাই,
সেখানে অসহনীয় ব্যথা সহ্য করে বাচ্চা জন্ম
দেওয়া ছেলেদের জন্য কল্পনাতীত...!!
তারপরও ছেলেদের বোঝা উচিত,
☞ একটা মেয়ে বিয়ের সময় পিতৃভূমি ত্যাগ
করে, নিজের পরিবার ত্যাগ করে তোমার
জন্য..
☞ বিয়ের পর নিজের নামের শেষে তোমার
নাম যোগ করে সেটাও তোমার জন্য
☞ তোমার সাথে শশুর বাড়িতে আসে, তোমার
সাথে সংসার শুরু করে
☞ তোমার জন্যই
কয়েকমাস মাস হলো বিয়ে করেছি।বিয়ের পরে আমার বউ সবার কাছে ভালো ছিলো।যখন ভাইদের নিয়ে একসাথে খেতাম।তারা কিছুমাস আগে আমাদের আলাদা করে দিলো।মাঝে মধ্যেই আমার ওয়াইফ সবার জন্য নাস্তা,বিরিয়ানি এসব বানিয়ে সবাইকে খাওয়ায়।
আমার আম্মা বেচে নেই আমার ২য় মা আছে তিনি আমাদের সাথে খান।
তো আজ ২-৩ মাসের মত হবে উঠতে বসতে আমার ওয়াইফ কে আমার মা উনি আর ভাবিরা কথা শুনায় যে কেউ নুন থেকে চুন খোসলেই কথা শুনায়।
সে আমার কাছে বিচার দিয়েছে এমন না আমি নিজেই চোখে দেখেছি ইনফ্যাক্ট বাবা কেও দেখছি আজকাল ওকে কথা শুনায়।
সারাদিন চুলার কাছে থেকেও মেয়েটা কেমন কারো কাছে এখন আর দাম পায় না।জায়গায় জায়গায় ভুল ধরবে আর সবাই টিটকারি করবে।মানে ৭ দিন আগে সে কোন ভুল করেছে এগুলা বাহিরের মানুষের কাছে তার সামনে হেসে হেসে অপমান করবে।মেয়েটার চেহারার দিকে তাকানো যায় না,ছোট হওয়ায় কাউকে কিছু বলতে পারছি না।
ভদ্র ভাষায় কোন উপায় থাকলে প্লিজ জানাবেন।?????
এক আপুর বাস্তব জীবন থেকে নেওয়া
09/07/2024
ছেলেদের যেভাবে বউদেরকে ভালোবাসা উচিত-
💓 প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে ১০ মিনিট জড়িয়ে ধরে বসে থাকবেন।
💓 প্রতিদিন তিনবেলা তিনবার করে I Love You বলবেন।
💓 প্রতিদিন তিনবেলা করে কপালে Kiss করবেন।
💓 প্রতিদিন তিনবেলা তিনবার করে Lip Kiss করবেন।
💓 প্রতিমাসে ৫-৭ বার করে বাহিরে ঘুরতে নিয়ে যাবেন।
💓 রাগ করে দাঁড়িয়ে থাকলে পিছন থেকে জড়িয়ে ধরা, যতক্ষণ রাগ না কমবে।
💓 সে বাপের বাড়ি যেতে চাইলে অনেক আভিমান করবেন! কারণ তাকে ছাড়া থাকতে পারবেন না।
💓 রান্না খারাপ হলে হাসি মুখে খেয়ে নিবেন, তাকে বুঝতেই দিবন না।
💓 দরজা খুলতে দেরি হলে, Kiss দিবেন।
💓 একটা চাইলে দুইটা দিবেন। যেমন -সন্তান।
💓 রাতে জড়িয়ে না ধরলে ঘুমাবেন না, বউকেও ঘুমাতে দিবেন না।
💓 মাঝেমধ্যে সারা রাত দুজনে গল্প করে কাটিয়ে দিবেন।
💓 মাঝেমধ্যে বউকে কোলে তুলে নিবেন, আর কপালে Kiss করবেন।
💓 মাঝেমধ্যে বউয়ের চুলে বেনি বেদে দিবেন।
বউয়ের এর জন্য ভালোবাসা আভিরাম।
💓 বউকে শাড়ি পড়ানোর দায়িত্ব আপনার-ই।
💓 মাথায় তেল দিয়ে চুল বেনী কেটে দিবেন রাতের বেলায়।
💓 প্রতিদিন কম করে হলেও কপালে ২০টা চুমু একে দিবেন।
💓 অফিস থেকে আসতে দেরি হলে, আর বউ রাগ করে বসে থাকলে বুকের সাথে শক্ত করে জড়িয়ে ধরে এবং চুমু দিয়ে রাগ ভাঙ্গাবেন।
💓 অভিমান করে বসে থাকলে রোমান্টিক গান শোনাবেন আর উরাধুরা ডান্স দিবেন, যদিও পারেন না তারপরও। আর মজার মজার কৌতুক শুনাবেন আর অভিমান ভাঙ্গাবেন।
💓 অফিস থেকে বাসায় আসার সময় প্রেত্যেক দিন আইসক্রিম, ফুচকা, ঝালমুড়ি, চকলেট নিয়ে আসবেন।
💓 শনিবার এবং রবিবার সপ্তাহের ছুটির দিন পুরা সপ্তাহের কাজ দুইজন একসাথে করবো আর রান্না টাও একসাথেই করে দুইজন এক প্লেটে খেয়ে বিছানায় হালকা গা এলিয়ে, বিকেল টাইমে ফুটপাতের কোন দোকানে তার প্রিয় খাবার গুলি দুইজন শেয়ার করবেন।
সেখান থেকে কোন একটা লেকের ধারে তার মাথাটা কাঁধে নিয়া কিছুক্ষণ বসে থেকে বাসায় এসে রাতের বেলায় দুইকাপ চা নিয়ে বসে চা খাবেন। আর সে আকাশের চাঁদ দেখবে আর আপনি আপনার চাঁদ দেখবেন।
💓 পাগলি টাকে অনেক অনেক অনেক বেশি ভালোবাসবেন যে ভালোবাসার কোন দিন ও কমতি থাকবে না।
👍 ভালো লাগলে অবশ্যই শেয়ার-ফলো করবেন 🥰
স্বামীর প্রতি স্ত্রী করনীয় -
ছেলে: এই পাগলি তোমাকে না খুব দেখতে ইচ্ছে করতেছে।
মেয়ে: কিভাবে দেখবে বল এখন তো রাত সাড়ে বারোটা বাজে এখন তো কোনভাবেই দেখা করা সম্ভব না।
ছেলে: তোমার একটা ছবি দাও না প্লিজ।
মেয়ে: আচ্ছা ঠিক আছে দিতেছি।
মেয়েটা পাঁচ মিনিটের মাথায় একটা ছবি দিলে ছেলেটা কে......
ছেলে: এটা কি দিয়েছো তুমি
মেয়ে: কেন ভালো লাগছে না
ছেলে: এত রাতে এরকম ছবি দেখতে কার ভালো লাগে বলো।
মেয়ে: তাহলে কেমন ছবি চাই তোমার?
ছেলে: একটু হট ছবি?
মেয়ে:হ ছবি মানে?
ছেলে: তোমার জামাটা খুলে একটা ছবি তুলে দাও না
মেয়ে: তুমি কি পাগল হয়ে গেছো নাকি কি সব আজেবাজে কথা বলছো
ছেলে :প্লিজসোনা একটা মাত্র ছবি আমি দেখেই ডিলিট করে দেবো প্লিজ।
মেয়ে: না আমার এখন ঘুম পাচ্ছে বাই, কালকে আবার কথা হবে।
ছেলে: প্লিজ সোনা দাও না।
মেয়ে: তাহলে এই ভুলভাল কথা বলা বন্ধ করো।
ছেলে: বুঝতেপেরেছি তুমি আমাকে একটুও বিশ্বাস করো না।
মেয়ে :দেখো এখানে বিশ্বাস-অবিশ্বাসের কথা না আমি এরকম ছবি দিতে পারবো না প্লিজ।
ছেলে : থাক আর বলতে হবে না আমি বুঝতে পেরেছি,
তুমি আমাকে কতটা ভালোবাসো আর কতটা বিশ্বাস করো।
মেয়ে: কি বলছো তুমি?
ছেলে: আসলে তুমি আমাকে একটুও বিশ্বাস করো না বিশ্বাস করলে ছবি দিতে।
ছেলে: পিকচার দিলেই প্রমাণ হয়ে যাবে যে আমি তোমাকে বিশ্বাস করি।
হ্যাঁ
আচ্ছা দিতেছি।
মেটা ভালোবাসার তার বিশ্বাসের প্রমাণ দিতে তার অনিচ্ছা থাকা সত্ত্বেও একটা ছবি তুলে দিলো ছেলেটাকে যাতে তার ভালোবাসার মানুষটা তাকে অবিশ্বাস না করে।
এর প্রায় অনেক দিন পরের কথা...
বাবু কই তুমি?
কি হয়েছে কাঁদছো কেন তুমি!
সেদিন আমি তোমাকে আমার যেই ছবিটা দিয়েছি মনে আছে তোমার।
হ্যাঁ মনে আছে সেটা ভুলবো কি করে।
আমার ছবিটা ফেসবুকে ভাইরাল হয়ে গেছে।
কি বলছ তুমি এগুলো?
হ্যাঁ আমি তোমাকে বিশ্বাস করে তোমাকে আমার ভালোবেসে ছবিটা দিয়েছিলাম কিন্তু তুমি আমার বিশ্বাসের এই প্রতিদান দিলে??
ছেলে : কিন্তু আমিতো কিছুই করিনি আর আমি ছাড়া কেউ জানেও না এই ছবিটার ব্যাপারে।
মেয়ে: একদম মিথ্যা কথা বলবে না আমার বাসার সবাই জেনে গেছে আমি এখন কি করবো???
ছেলে:কিভাবে বিশ্বাস করবো আমি এরকম কিছুই করিনি।
মেয়ে: আমি বিশ্বাস করেই তোমাকে ছবিটা দিয়েছিলাম কিন্তু তুমি আমার বিশ্বাসের এই প্রতিদান দিলে??
আমি তোমাকে কোনদিনও ক্ষমা করতে পারব না এই বলে দিলাম। আর কোনদিনও আমার সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা কর
ছেলেদের সত্যিকারের ভালোবাসা চেনার উপায় কি?
কিভাবে বুঝবেন যে একটি ছেলে সত্যিই আপনাকে অনেক বেশি ভালোবাসে কিনা?
১. বিশ্বাস এবং ভরসা: কোনো ছেলে যদি মন থেকে আপনাকে ভালোবেসে ফেলে, তবে সে আপনাকে বিশ্বাস এর উর্দ্ধে স্থান দেবে। অর্থাৎ সে আপনার উপরে ভরসা করবে, আপনার প্রতি তার অটুট বিশ্বাস থাকবে। আর তার আপনার প্রতি কতটা বিশ্বাস সেটা আপনি তার ব্যবহারে আপনি বুঝতে পারবেন।
২. মিস করা: একটি ছেলে যখন সত্যি সত্যি আপনাকে অনেক বেশি ভালোবাসে তখন প্রতি মুহৃতে তার আপনার কথা মনে পড়বে। আসলে, প্রকৃত ভালোবাসাগুলো এমনই হয়, দুজনে যেখানে থাকুক না কেন একে অপরের কথা সারাক্ষণ ভাববে। বন্ধুদের সাথে আড্ডায় থাকলেও যে আপনার মেসেজের অপেক্ষায় বার বার ফোন চেক করবে। আপনার একটি মিস কলের অপেক্ষায় যে থাকবে।
৩. দুর্বলতা: একটি ছেলের সত্যিকারের ভালোবাসা বুঝার উপায় হচ্ছে তার দুর্বলতা সম্পর্কে বুঝা। সে যদি আপনাকে অনেক ভালোবাসে তবে সে আপনার প্রতি দূর্বল থাকবে, এটাই স্বাভাবিক।
৪. গুরুত্ব বেড়ে যাওয়া: মানুষ সাধারণত শুনার চেয়ে বলতে বেশি পছন্দ করে। কোনো ছেলে আপনাকে মন থেকে ভালোবাসলে সে আপনার কথা বেশি শুনবে, এবং নিজে কম বলবে। সে আপনার সব কথা মনোযোগ দিয়ে শুনে, আপনার কথার গুরুত্ব দিবে।
৫. পরিবর্তন লক্ষ করা: একটি ছেলে মন থেকে কাউকে ভালোবাসলে সে তার ভালোবাসার মানুষের জন্য নিজের সব খারাপ কাজ গুলো বাদ দিয়ে দিবে। হতে পারে, সে মেয়েটিকে কিছু বলবে না বা বুঝতেও দিবে না। কিন্তু মেয়েটিকে হারানোর ভয়ে সে তার সব খারাপ কাজগুলো থেকে দূরে সরে যাবে।
৬. অস্থিরতা লক্ষ করা: প্রথম প্রথম প্রেমে পড়লে যেকেউ অনেক অস্থির থাকে। তেমনি ছেলেরা কাউকে মন থেকে ভালোবাসলে তার ভালোবাসার মানুষটিকে নিজের ছোট ছোট কথাগুলো শেয়ার করার জন্য অস্থির হয়ে থাকবে। তার সব সিক্রেটস যতক্ষণ পর্যন্ত আপনার সাথে শেয়ার করবে ততক্ষণ সে অস্থির থাকবে।
৭. খারাপদিক গুলো সম্পর্কে বলা: আমরা কেউ নিজেদের খারাপ দিকগুলো বাহিরে আসতে দেইনা। একটি সম্পর্কে অনেকসময় এই খারাপ দিক লুকানোর জন্য ভাঙন ধরে। যখন একটি ছেলে তার ভালোদিকের পাশাপাশি আপনাকে তার খারাপ দিক গুলোর ব্যাপারেও বলছে তখন সে আপনাকে সত্যিকারের ভালোবাসে। কারণ সে জানে পরবর্তীতে আপনি তার খারাপ দিক গুলো জানলে কষ্ট পাবেন। আর তাই সে আপনাকে শুরুতে তার প্রত্যেক ভালো দিকের পাশাপাশি খারাপ দিক সম্পর্কে বলবে।
৮. ব্যস্ততা
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Dhaka
