Recipe by Namirah's Mom
cooking is my hobby
ফ্রিজের ওপর যেসব জিনিস রাখা একদমই উচিত নয় ❌❌❌
ছোট ঘরের প্রতি ইঞ্চি জায়গাই গুরুত্বপূর্ণ। একটু বাড়তি জায়গা মানেই বাড়তি সুবিধা। তাই ফ্রিজের ওপর কিছু জিনিস রেখে জায়গা বাঁচানো অনেকের অভ্যাস। কিন্তু নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা বলছেন, এই অভ্যাস হতে পারে বিপজ্জনক।
👉কেন ঝুঁ'কিপূর্ণ⁉️
খাবার ঠান্ডা করতে গিয়ে ফ্রিজ নিজেই গরম হয়ে ওঠে। এই গরম বাতাস বেরিয়ে যায় ফ্রিজের পেছন বা ওপরের দিকে থাকা কনডেনসার দিয়ে। ফ্রিজের ওপর কিছু রেখে এই বায়ু চলাচল আটকে দিলে ফ্রিজ বেশি গরম হয়ে যায়। এতে যেমন ফ্রিজের আয়ু কমে, বিদ্যুৎ খরচও হয় বেশি। সবচেয়ে বড় কথা, তাপ সঞ্চালন ব্যাহত হয়। ফলে আগুন লাগার ঝুঁকি বাড়ে। এ ছাড়া ফ্রিজের ওপর রাখা খাবারও দ্রুত নষ্ট হয়। আবার বই, পানির গ্লাস বা ইলেকট্রিক জিনিস রাখা হলে তা পড়ে গিয়ে ঘটতে পারে বড় দুর্ঘটনা।
❌ফ্রিজের ওপর যেসব জিনিস রাখবেন না❌
১. রুটি ও বেকারি পণ্য: ফ্রিজের ওপর রুটি বা অন্যান্য বেকারি পণ্য রাখলে ওপরের গরম বাতাসের ফলে তা দ্রুত বাসি হয়ে যায় এবং ছত্রাক পড়ে। এসব পণ্য প্লাস্টিকের ব্যাগে থাকলে নষ্ট হওয়ার ঝুঁ'কি আরও বেশি। প্লাস্টিকের ব্যাগ বন্ধ থাকায় রুটির ভেতর অতিরিক্ত আর্দ্রতা জমে। ফ্রিজের গরম এবং রুটির আর্দ্রতা ছত্রাক জন্মানোর জন্য আদর্শ অবস্থা।
২. রান্নার বই ও কাগজপত্র: এসব দাহ্য পদার্থ। ফ্রিজের তাপের কারণে এসব বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারে। আবার কাগজ বা বই ফ্রিজের পেছনে পড়ে গিয়ে বাতাস চলাচল আটকে আরও বড় বিপত্তি ঘটাতে পারে।
৩. ছোট বৈদ্যুতিক যন্ত্র: কফি মেকার, টোস্টার বা রাইস কুকারের মতো ছোট কিন্তু ভারী জিনিস ফ্রিজের ওপর রাখা একেবারেই অনুচিত। এতে ফ্রিজ খোলা বা বন্ধ করার সময় নড়ে গিয়ে পড়ে যেতে পারে। হতে পারে আঘা'ত বা ক্ষ'তির কারণ।
৪. বিস্কুটের কৌটা বা মিষ্টান্নের পাত্র: এসব জিনিস অন্য কোথাও সাজিয়ে রাখুন। কোনোভাবেই ফ্রিজের ওপর রাখা যাবে না। এতে ঘরে শিশু থাকলে দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। শিশুরা খাবার লোভে ফ্রিজের ওপর ওঠার চেষ্টা করলে কৌটা বা কাচের পাত্র পড়ে ভেঙে গিয়ে আহত হতে পারে।
৫. ওষুধ: শিশুদের নাগালের বাইরে রাখার জন্য অনেকেই এটিকে নিরাপদ জায়গা ভাবতে পারেন। এই ভাবনা ভুল। ফ্রিজের ওপরের গরম ও আর্দ্র পরিবেশ ওষুধের কার্যকারিতা নষ্ট করে দিতে পারে। পাশাপাশি শিশুরা কোনোভাবে ওপরে উঠে ওষুধ খেয়ে ফেলতে পারে বা নষ্ট করতে পারে।
৬. সিরিয়াল বা শুকনো খাবার: এসব খাবার হালকা ধরনের হওয়ায় সহজেই নিচে পড়ে যেতে পারে। খোলা অবস্থায় রাখলে শুষ্ক খাবার ন'ষ্ট হয়, পোকামাকড়ও আকৃষ্ট হয়।
৭. ফল ও সবজি: ফ্রিজের তাপের কারণে তাজা ফল, টাটকা সবজি দ্রুত পচে যায়। মাছি বা অন্যান্য কীটপতঙ্গও আকৃষ্ট হয়।
৮. মসলা: সহজে খুঁজে পেতে অনেকেই ফ্রিজের ওপর মসলাপাতি রাখেন। এটি ঠিক নয়। এতে মসলার গুণ ন'ষ্ট হয়। সুগন্ধও হারিয়ে যায়।
মাইক্রোওভেনে অনেক কিছু করতে পারবেন নিয়ম মেনে ব্যবহার করলে :
✅ নরম হয়ে যাওয়া মুড়ি বা বিস্কুট মাইক্রোওভেনে ১ মিনিট গরম করে ফ্যানের বাতাসে ৫ মিনিট রাখলেই তাজা ও মুচমুচে হয়ে উঠবে। একবারে না হলে এই পদ্ধতি দুইবার করুন।
✅ যেকোনো ভর্তা বা সবজি রান্না করার জন্য আগে ভাপিয়ে নিতে হয়। ঝটপট সবজি ভাপাতে ব্যবহার করুন মাইক্রোওয়েভ। ঢাকনাযুক্ত কাচের বাটিতে সবজি নিয়ে ওভেনে দিন, ৩-৫ মিনিটে পেয়ে যাবেন পরিপূর্ণ পুষ্টিসমেত ভাপানো সবজি।
✅ যেকোনো ফলের জুস বানানোর আগে আস্ত অবস্থায় ওভেনে ১০ সেকেন্ডের জন্য গরম করে নিন। সহজেই ফলের সবটুকু রস পেয়ে যাবেন। লেবুর রস বের করতেও একই পদ্ধতি ব্যবহার করতে পারেন।
✅ যেকোনো মসলা গুঁড়া করার আগে কাচের প্লেটে করে ওভেনে এক মিনিট গরম করে নিন। তারপর ঠাণ্ডা করে গুঁড়া করুন, সহজেই মিহি গুঁড়া হবে। পাঁচফোড়নের সব মসলা এভাবে সহজেই গুঁড়া করে নিতে পারেন। যেকোনো বাদাম ভাজতে ওভেন ব্যবহার করুন, পেয়ে যাবেন তেল ছাড়া স্বাস্থ্যকর বাদাম ভাজা।
✅ পেঁয়াজ কাটার আগে ওভেনে আধা মিনিট গরম করে নিন। কাটার সময় চোখ জ্বলবে না। রসুনের খোসা ছাড়াতেও একই পদ্ধতি ব্যবহার করুন। গরম করে নিলে রসুনের খোসা ছাড়ানো যাবে সহজে।
✅ কোনো কাচের বোতলের মুখ শক্তভাবে আটকে গেলে অনেক সময় খুলতে বেশ বিপত্তিতে পড়তে হয়। এই অবস্থায় বোতলটি ৩০ সেকেন্ড ওভেনে গরম করে নিন। ঢাকনা সহজেই খুলে আসবে। কাচের বয়াম বা বোতলের লেবেল সুন্দর করে তুলে ফেলতেও এই টিপস কার্যকর।
🔸টিপসগুলো হারিয়ে যাওয়ার আগেই শেয়ার করে রাখুন🔸
আমার জীবনের ভালো খারাপ অভজ্ঞতা থেকেই শেয়ার করছি আপনার আশে পাশে, উপরে নিচে, ডানে বায়ে, পূর্বে পশ্চিমে, ঈশান নৈরতে, উ:দ্ধ অ:ধ তে যেমন নারীকে দেখবেন মেয়ে হিসেবে সম্মান করবেন। I have repeated again মেয়ে হিসেবে সম্মান করবেন
এক নারীকে খুশি করতে গিয়ে আরেক নারীকে এতোটা মর্মাহত করবেন না যে আল্লাহর আরশ কেঁপে উঠে I have repeated again আল্লাহর আরশ কেঁপে উঠে
এখন বলছি কেনো
# আশে পাশে অনেক নারী দেখবেন বয়স ৩০+। কোন কারণে বিয়ে হয়নি। চাকরি করে নিজেকে গোছানোর চেষ্টা করছে। দয়া করে পরিবার থেকে শুরূ করে সামাজিক সব জায়গায় এই মেয়ে গুলোকে বিয়ে নিয়ে কথা বলা থেকে বিরত থাকুন। আমরা মুসলিম রা জানি রাবেয়া বশরি রা: বিয়ে করেন নি। মরিয়াম আ: কে আল্লাহ সন্তান দান করেছেন। তিনি মহাপরক্রশালী। প্রতিটা ঘটনাই বান্দার উত্তমের জন্য তিনি নির্ধারণ করেছেন
# চাকরি জীবী এবং বেকার কোন মেয়েকেই তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করে কথা বলবেন না। পড়াশুনা করে বেকার রইলা এমন কথা ভুলেও দয়া করে বলবেন না। এটা একটা চয়েস। তার প্রয়োজন নেই বাবা রাজ কুমারী করে রাখসে আপনার কি
# চাকুরীজীবী মা এবং ফুল টাইম গৃহিণী মা কাউকেই কথা শোনাবেন না। দয়া করে শোনাবেন না।
নরমাল ডেলিভারী তে মিনিমাম ৫০০ গ্রামেয় মত রক্ত যায়, সন্তান জন্ম দেবার সময় যে ব্যাথা শরীরের হাড় ভাঙলেও কম ব্যাথা লাগে
আর সি সেকশনে সর্বনিম্ন ১ লিটার রক্ত ঝরে, শরীরের ৭ টা লেয়ার কেটে, কিছু কিছু সময় প্লাসেন্টা প্রিভিয়ার মতোন মৃত্যু ঝুঁকি নিয়ে জীবন মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করে আপনার সন্তান, বংশধরের জন্ম দেয়।
দয়া করে অসম্মান করবেন না। যদি বিরক্ত আসে, অসহ্য লাগে বাচ্চার দিকে তাকিয়ে ১০০০০ বার চিন্তা করুন।
এখন আসি আপনাদের কথায় মেয়েরা বেয়াদবী করে, পরোকিয়া করে, নানা বিধ ভুল করে জ্বি সঠিক ভুল করে। তার জন্য ইসলাম আছে, সমাজ আছে, আইন আছে সেভাবে ব্যবস্থা নেবেন। দয়া করে এমন কিছু করবেন না যা আপনি, আপনার পরিবার, সমাজ ও ধর্ম কে কলুষিত করে।
29/06/2024
আমি যখন আম্মুর বাসায় আসি
আম্মু আমার জন্য ভালো ফল , প্রিয় খাবার, সবজি, মাছ , মাংস কেমনে মানি প্রসেস করে রাখেন ।
১৫ দিন আগে ঢেউয়া ফল কিনে আমার জন্য রেখে দিয়েছেন। আজকে এই মাঝ রাতে ভর্তা করে দিলেন ।
আম্মুর এই রেসিপি টা শেয়ার দিলাম
উপকরণ
* পাকা ঢেউয়া ফল ১০০ গ্রাম
* লবণ ১/২ চা চামচ
* চিনি ১ চা চামচ
* শুকনো মরিচের গুঁড়া ১ চা চামচ
* বীট লবণ ২ চিমটি
রেসিপি:
ঢেউয়া ফল ভালো করে পরিষ্কার করে । খোসা ছাড়িয়ে বাকি সব উপকরণ দিয়ে ভালো করে পরিষ্কার হাতে মাখিয়ে নিতে হবে। । ঝাল , লবণ , চিনি স্বাদ অনুযায়ী বাড়িয়ে কমিয়ে নেয়া যাবে
আম্মুর হাতের মুরগি ঝুরা রেসিপি নিয়ে কোন এক দিন হাজির হবো।
27/06/2024
ঘরোয়া উপায়ে সফট বিফ স্টেক বানানোর অনেক প্রচেষ্টার পর আমি সফল হলাম। আজকে সেই রেসিপি শেয়ার করছি।
উপকরণ:
# চর্বি সহ গরুর মাংস। যতটা সম্ভব বড় টুকরো।
# গোল মরিচের গুঁড়া
# পরিমাণ মতো লবণ
# পাতি লেবুর রস ( যদি টক ভাব চান)
# বাটার
# আস্ত রসুন
# সতে ভেজিটেবলের জন্য আপনার পছন্দ মতো সবজি
# সেদ্ধ আলু ম্যাশড পটেটো করার জন্য ( অপশনাল)
রেসিপি:
# প্রথমে মাংস ভালো করে ধুয়ে পানি ঝরিয়ে নিতে হবে । সম্ভব হলে মিট হ্যামার দিয়ে একটু পিটিয়ে নিতে হবে। যাদের বাসায় হ্যামার নেই। তারা চাইলে মসলা বাটার শীল দিয়ে একটু পিটিয়ে নিতে পারেন।
# আমি সব মিলিয়ে ৩ টে গুরুর মাংসের স্টেক পিস ব্যবহার করেছি
# এক্ষেত্রে আমার ৩ চা চামচ গোল মরিচের গুঁড়া এবং ১ চা চামচ লবণ লেগেছে
# গোল মরিচের গুঁড়া এবং লবণ দিয়ে মাংস গুলো ভালো করে মেখে ৫/১০ মিনিট রেস্টে রেখেছি
# এবার একটা প্যান / খোলাতে একটু বাটার গলিয়ে ম্যারিনেটেড মাংস গুলো দিয়ে দিলাম।
# এক পাশের মাংস একটু ব্রাউন হয়ে উঠলে অন্য পাশের একটু উল্টে পাল্টে দিলাম
# এবারে কয়েক কোয়া রসুন এবং কিছু বাটার মাংসের উপর দিয়ে আবারো একটু ভাজা শুরু করলাম
# চুলার আগুন ছিল মিডিয়াম টু লো
# এবারে একটা গুরুত্বপূর্ণ কাজ । মাংস গুলো চুলা থেকে নামিয়ে। মাইক্রো ওভেনে ৫ মিনিট কুক করেছি।
# ঠিক এই সময়ে আমি পছন্দ মতন সবজি কিউব করে কেটে ঐ প্যানের যে অবশিষ্ট বাটার রসুন ছিল সেখানে সতে করে নিয়েছি।
# ওভেন থেকে নামিয়ে একটু লেবুর রস স্টেকের উপর ছিটিয়ে দিয়েছি।
# আর সেদ্ধ আলুতে একটু ফিস সস , শুকনো মরিচের গুঁড়া এবং টেস্টিং সল্ট দিয়ে ভর্তা করলেই ম্যাশড পটেটো রেডি
সর্বোপরি আমার বাসায় সবাই খুব পছন্দ করেছেন।
15/06/2024
অনেকেই শোকেস গাদাগাদি করে অনেক বছর ধরে জিনিস জমিয়ে রাখেন।
নিজেরা মেলামাইন ব্যবহার করেন।
মেহমান আসলে বের করেন আবার ধুয়ে তুলে রাখেন।
মেলামাইনে গরম জিনিস পড়লেই বিপদ। toxic হয়ে যায়।
বাসায় কাচের plate ব্যবহার করুন।
নতুন glass বা বাটিসেট কাপ এক সেট নিজেরা ব্যবহার করে ফেলুন।
সব সময় নিজেদের কে well treat করুন।
বাসা যদি চান ঝকঝকে থাকুক তাহলে জেট পাওডার দিয়ে একবার একটা রুম মুছুন। আবার পরিস্কার পানিতে মুছুন।
এভাবে সব রুম দুবার করে বেশি চাপ দিয়ে মুছুন।
ফ্যান ছেড়ে দিন। হাটলেই দেখবেন চিক করে শব্দ হচ্ছে।
আর আয়নার মত দেখাবে।
ফ্যান মুছলেও কালো একটা দাগ পরে থাকে, তাই ভিম পাউডার কাপরে নিয়ে মুছুন দেখবেন কালশিটে দাগ নাই।
ঝাড়বাতি ভিম লিকুউড দিয়ে মুছুন দেখবেন চকচক করবে।
ফুল মাসে একবার এক চিমটি জেট পাউডার এ চুবিয়ে ধুয়ে ফেলুন।
সাদা ফুল বেশি ময়লা ধরে।
বাসার লাইট এক একদিনে এক এক রুম মুছে ফেলুন।
জানালার grll ও ঝাড়পোছ করতে হয়।
টয়লেট দুদিন পর পর যদি ভিম পাউডার দিয়ে ঝাড়ু দিয়ে ধুয়ে ফেলেন ময়লা বসে না। তবে সপ্তাহে একবার হারপিক দিতে হয়।
মাসে একবার furniture সরিয়ে deep clean করুন।
যে বাচ্চার সারা বছর নাকে পানি থাকে সেখানে কার্পেট থাকলে তুলে ফেলুন। কমে যাবে। পোষ্য পালা যাবে না।
কৃমির সমস্যা লেগে থাকলেও পোষ্য না রাখলে ভালো।
রান্না ঘরের চিপায় ফিনিশ পাউডার দিয়ে রাখুন।
তেলাপোকার জন্য তেলাপোকার ছবিসমেত ফিনিশ পাউডার ভালো কাজ দেয়।
পলিথিন জমিয়ে রাখলে তেলাপোকা বেশি হয়।
শুটকি, চালের গুড়ি, বেসন, চনার ডাল, শুকনা মরিচ freeze এ রাখুন।
যাদের বোর্ডের আলমারি মাঝে মাঝে সরিয়ে পিছন দিকে নারকেল তেল তুলা দিয়ে লাগিয়ে দিন ঢেমপ্ হবে না। আবার ফিনিশও দিয়ে রাখতে হবে। নারকেল তেল পিপড়ার খুব পছন্দ।
বাংলা সাবান বা তিব্বত ৫৭০ দিয়ে ডেকচি মাজবেন চকচকে হবে।
ভিম লিকুইড বা জেড পাউডার দিয়ে plastic jug or glasses মাজবেন।
ভিম বার এ আয়নার মত হয়না।
মাংসের গন্ধ দূর করতে ঐ যে জেড পাউডার সাথে গরম পানি দিবেন।
একটা plastic cloth ব্যাবহার করবেন মাংস কুটার সময়।
দা বটি ছুড়ি সব বেসিনে পানি আটকিয়ে গরম পানি জেড পাউডার, ভিম লিকুউডে ভেজাতে দিবেন ১০ মিনিট পর নো কষ্ট।
মাংস রাতে জাল করলেও বাইরে রাখবেন না। ভেপসা গরমে টকে যাবে।
এখন থেকেই freeze clean করে ফেলুন।
এ কুরবানির মাংস ঐ কুরবানিতে খাবেন না। ২ মাসের বেশি মাংস রাখলেই toxic
খাবেন আর হাগবেন nutrition value zero
গাছ যাদের আছে টব গুলা মুছে ফেলুন, সপ্তাহে একবার গোসল দিন।
আর যেগুলা বাসায় রাখবেন কদিন যেনো বারান্দায়ও রাখেন তবেই সতেজ হবে।
মানি প্লান্ট ও snake plant সবচেয়ে বেশি টিকে ঘরে। পানি spray করবেন। বাড়ীতে গেলে বারান্দায় দিয়ে যান।
পর্দা ওয়াশিং মেশিনে ৬০ মিনিট অপশনে দিন।
বেডশীট চনমনে রাখতে দুদিন পর পর ই চেন্জ করে ফেলবেন।
একটু সাবান মাখিয়ে গরম পানিতে ভিজাবেন ১০ মিনিট তারপর ধুয়ে ফেলবেন। দেখবেন নতুনের মত। একটু হালকা মাড় দিতে পারেন।
ধূলা আমাদের অসুস্থতার অন্যতম কারন তাই পরিস্কার থাকুন।
পাপোস দু সেট রাখুন। সপ্তাহে একবার cleaning এ দিন।
সামনের দরজার পাপোশে সব জুতা রাখবেন না। জুতা নাকি দরজার সামনে রাখতে হয়না। রেক কিনুন। বাসায় জুতা রেকএ রাখার অভ্যাস করান।
বাসার সামনে ডাস্টবিন রাখবেন না।
ডাস্টবিন টা ময়লার তাই অনেকে ভালো করে ধুয়ে রাখেন না। গরম পানি জেড পাউডার দিয়ে ভিজায়ে রাখলেই তে হয় নিজেই পরিস্কার হয়ে যাবে।
একটা মানুষের রুচি তার পাকঘর, ডাস্টবিন আর টয়লেট দেখলেই বোঝা যায়॥
একদিনে সব কাজ নয় ভাগ ভাগ করে করুন। নিজেও এক্টিভ থাকবেন সাথে বাসাটাও চরম ফকফকা থাকবে।
মন ফুরফুরে থাকুক।
কিছু ভুল এর জন্য ফ্রিজে রাখা গোস্ত এ মাছ নষ্ট হয়ে যায় চলুন যেনে নেয়া যাক কারণ গুলো কি কি।
আমরা কোরবানির গোস্ত সারাবছর খাওয়ার জন্য কুল স্টোরেজ করে রাখি। তবুও মাঝে মাঝে দেখা যায় ডিপ এ রাখা গোস্ত বা মাছ সবুজ রং চলে এসেছে ও এগুলো রান্না করার পর এক ধরনের কলেস্টেরল তেল এর মতো গন্ধ হয়ে এসেছে।এর কারন সঠিক ভাবে গোস্ত/মাছ ফ্রিজিং না করা।
গোস্ত/মাছ সারাবছর ফ্রিজে সংরক্ষণ করার নিয়ম হচ্ছে।
ডিপ এ- গোস্ত/মাছ লোড দেয়ার মিনিমাম ১২ঘন্টা আগে ফ্রিজটি গন্ধ মুক্ত ভাবে পরিস্কার করতে হবে ও ভালো ভাবে কাপর দিয়ে পানিশূন্য করতে হবে ।
ডিপ এ- গোস্ত/মাছ রাখার মিনিমাম ১২ ঘন্টা আগে পরিস্কার ফ্রিজটিকে চালু করে ২ লিটার পানির বোতল বরফ করে রাখতে হবে।
ডিপ এ- ১২ ঘন্টা ফ্রিজ চলার পর গোস্ত/মাছ ফ্রিজে ঢুকাতে হবে। অবশ্যই ফ্রিজে রাখা গোস্ত/মাছ ভালো ভাবে পরিস্কার পানি দিয়ে রক্তশূন্য ও ময়লা শূন্য করে তারপর ফ্রিজে রাখতে হবে নয়তো এই রক্ত ও ময়লা থেকে ছত্রাক জন্ম নিবে আর ছত্রাক হলে বেশিদিন এ গোস্ত ফ্রিজিং করেও ভালো থাকবে না। সব থেকে ভালো হয় ডিপ এ গোস্ত/মাছ রাখার আগে লবন হলুদ গুরো মেশানো পানি দিয়ে গোস্ত/মাছ ভালো ভাবে ধুয়ে তারপর ফ্রিজিং করবেন এতে গোস্ত/মাছ এর স্বাদ সারাবছর অটুট থাকবে ও ছত্রাক হওয়ার আশংকা নেই। ডিপ এ অব্যশই গাদাগাদি করে চেপে গোস্ত/মাছ রাখা যাবে না।ফ্রিজ লোড করার ক্ষেত্রে অবশ্যই ফ্রিজের চার দিকে ও ওপর সাইটে মিনিমাম ২" করে ফাকা রাখতে হবে নয়তো ঠান্ডা বাতাস আসবে না ঠান্ডা বাতাস না আসলে বরফ ঠিকঠাক হবে না তখন ফ্রিজ ও গোস্ত/মাছ সব নষ্ট হয়ে যাওয়ার আশংকা থাকে।
এককথায় ফ্রিজে অপরিস্কার রক্ত ময়লা যুক্ত মাছ গোস্ত রাখা যাবেনা। ও ডিপ এ চর্বি রেখে খাওয়া হতে বিরত থাকুন। চর্বি হচ্ছে বরফ এর শত্রু যে কারণে ফ্রিজে চর্বি রাখলে সব কিছুতেই দুর্গন্ধ সৃষ্টি করবেই ও নষ্ট করবে সব কিছু..... মনে রাখবেন ফ্রিজে যতটা জিনিস রাখবেন পরিস্কার করে লবন হলুদ দিয়ে ভালো ভাবে প্যাক করে রাখবেন অব্যশই এয়ার ব্লক প্যাকিং করার চেষ্টা করবেন এতে সারাবছর জিনিস ভালো থাকবে।
ফ্রিজে খাবার সতেজ রাখার কিছু টিপসঃ—👇👇
🌹সবজি পলিথিনের ব্যাগে রাখবেন না। সবজি রাখুন কাগজের প্যাকেটে কিংবা খবরের কাগজ দিয়ে মুড়ে। অনেকদিন সতেজ থাকবে।
🌹মরিচের বোঁটা ফেলে রাখবেন, শাক কেটে না ধুয়ে রাখবেন, ধনে পাতা রাখবেন গোড়া ফেলে। শাকের পুষ্টিগুণ অক্ষুণ্ণ রাখার উপায় হচ্ছ একটু ভাপিয়ে রাখা। বেগুনের গায়ে মেখে রাখতে পারেন সামান্য একটু তেল।
🌹ফ্রিজের গায়ের সাথে লাগিয়ে কোন খাবার রাখবেন না। বিশেষ করে কোন রকমের তাজা ফলমূল বা সবজি তো একেবারেই না।
🌹মাখন তো ফ্রিজে রাখতেই হয়, ঘি-কেও ফ্রিজে রাখতে পারেন অনেকদিন ভালো রাখার জন্য। তবে দুটিই রাখবেন একদম এয়ার টাইট পাত্রে।
🌹গুঁড়ো দুধ কিংবা চানাচুর, বিস্কিটের মত খাবার ফ্রিজে একদম সতেজ ও মুচমুচে থাকে। এক্ষেত্রে সবচাইতে ভালো হবে প্লাস্টিকের পাত্রে সংরক্ষণ করলে।
🌹ফ্রিজে যাই রাখুন না কেন, প্লাস্টিকের এয়ার টাইট বাক্সে সংরক্ষন করুন। এবং ফ্রিজে সর্বদা এক টুকরো কাটা লেবু রাখুন। মাঝে মাঝে বেকিং সোডা মেশানো পানি দিয়ে ফ্রিজ মুছে নিন। এতে এক খাবারের গন্ধ অন্য খাবারে প্রবেশ করবে না। ফ্রিজেও দুর্গন্ধ হবে না।
🌹ফ্রিজে যেমন মাংসই রাখুন না কেন, সেগুলো অবশ্যই ভালো করে ধুয়ে একদম পরিষ্কার করে রাখুন। এতে মাংসে বাজে গন্ধ হবে না, অনেকদিন পর্যন্ত সতেজ থাকবে, স্বাদ থাকবে অক্ষুণ্ণ।
🌹মাছ ফ্রিজে রাখার আগে ভালো করে কেটে বেছে, লবণ পানি দিয়ে ধুয়ে তবেই রাখুন। এতে স্বাদে কোন হেরফের হবে না। আঁশটে গন্ধ ওয়ালা মাছে সামান্য একটু ভিনেগার মাখিয়ে রাখুন।
🌹ফ্রিজে কাটা পেঁয়াজ রাখতে চাইলে পেঁয়াজ একটি এয়ার টাইট বাক্সে রেখে সামান্য লবণ ছিটিয়ে দিন। তারপর বাক্সটি মুখ বন্ধ করে প্লাস্টিকের ব্যাগে ভরে নিন। ব্যাগটি সিল করে ফ্রিজে রাখুন।
🌹ফ্রিজে ডিম রাখার সময় মোটা অংশটি নিচের দিকে ও সরু অংশটি ওপরে রাখুন। ডিম হাতলে না রেখে বাটিতে করে ফ্রিজের ভেতরে রাখুন। অনেকদিন ভালো থাকবে।
🌹ফ্রিজের ভিতরের আঁশটে গন্ধ দূর করতে ফ্রিজে এক টুকরো কাঠ কয়লা রেখে দিন।
🌹মাছ কেটে ধুয়ে পানি ঝড়িয়ে তাতে লবন লেবুর রস এবং হলুদ গুড়ো মাখিয়ে প্যাকেট করে ফ্রিজে রাখলে মাছে একদম গন্ধ হবে না।
আমার দেওয়া পোস্ট গুলো যদি আপনাদের একটু ও উপকারে আশে তবে শেয়ার করে সবাই কে দেখার সুযোগ করে দিন সবার আগে আমার পোস্ট পেতে পোস্টে কমেন্ট করে সাথেই থাকুন আগামী দিনে আরও সুন্দর সুন্দর টিপস নিয়ে আসবো আপনাদের জন্য। সবার জন্য অনেক অনেক ভালোবাসা ও শুভকামনা 💕💕💕
©️
22/05/2024
আসসালামুয়ালাইকুম
রোজমেরি একরকমের হার্বস । পুদিনা, অরিগানো , বেসিল এই প্রজাতির অন্তর্ভুক্ত। খাবারের সুগন্ধির জন্য বসিকেলি ব্যবহার করা হয় । কিন্তু খাবার ছাড়াও রূপচর্চায় ও ব্যবহার হয় । রোজমেরি নিয়ে আজকে কিছু রেমিডি শেয়ার করবো সবার সাথে।
চুলের যত্নে রোজমেরি:
২ কাপ পানিতে ২ চা চামচ পরিমাণ ড্রাই রোজমেরি দিয়ে মিডিয়াম টু লো হিটে ১৫ থেকে ২০ মিনিট জ্বাল করুন। পানির রং পরিবর্তন হয়ে আসবে এবং সুন্দর সুগন্ধ চারপাশে ছড়িয়ে যাবে।
পানি কমে যখন দেড় কাপ সমপরিমাণ হবে। চুলা বন্ধ করে নামিয়ে ঠাণ্ডা করে নিন।
এবার একটি পাত্রে ২ টেবিল চামচ এলোভেরা জেল , ৬ চা চামচ নারকেল তেল এবং ঠাণ্ডা করা সেই রোজমেরি ওয়াটার একসাথে দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে নিন।
এবার একটি কটন বল দিয়ে আলতো করে মাথার স্কাল্পে লাগিয়ে ভালোভাবে ম্যাসাজ করুন।
রোজমেরি চুলপড়া প্রতিরোধে, খুশকি দূর করতে, স্কাল্পের ফাংগাল ইনফেকশন প্রতিরোধ সহ আরো অনেক কাজে ব্যবহৃত হয় ।
সবচেয়ে বেশি খুশির বিষয় হলো চুল থেকে সুন্দর একটা সুগন্ধ বের হয় ।
আমি ড্রাই রোজমেরি দারাজ থেকে অর্ডার করেছিলাম।
আজকের মতো এতটুকুই। শরীরের যত্নে রোজমেরি নিয়ে আরেক দিন আসবো।
13/05/2024
সবথেকে কম বাজার মূল্য বেস্ট কোয়ালিটির এমন একটি স্মার্ট এবং সুন্দর কেটলি যদি পেয়ে যান। কেমন হবে?
জ্বি চা প্রেমীদের কথা চিন্তা করেই মাত্র ১৫০০/ টাকায় দিয়ে দিচ্ছি
৬০০ মিলিলিটার পানি ধরবে এখানে।
আর ভেলিভারি চার্জ কিন্তু একদম ফ্রী।
এটাও প্রী অর্ডার ভিত্তিতে অর্ডার নিচ্ছি। এক্ষেত্রে ভেলিভারির সময় ২০ থেকে ২৫ দিন।
12/05/2024
আসসালামুয়ালাইকুম
শুভ সকাল
আমার খুব পছন্দের একটা হেলথী সালাদ রেসিপি নিয়ে হাজির হলাম।
আমি এর নাম দিয়েছি "সতেজ"
উপকরণ: *এক কাপ ছোলার ডাল
* হাফ কাপ টমেটো কিউব করে কাটা
*শসা এক কাপ কিউব করে কাটা
* গোল মরিচ, লবণ, বীট লবণ স্বাদ মত
*২ চা চামচ সরিষার তেল
রেসিপি:
* প্রথমে ছোলা গুলো কে ধুয়ে সর্বোনিম্ন ২ ঘন্টা ভিজিয়ে রাখতে হবে।
* কয়েক ঘন্টা ভেজার পর নরম হয়ে উঠলে ছোলা গুলো কে আবারো পরিষ্কার পানি দিয়ে কয়েক বার পালা করে ধুয়ে নিতে হবে ।
* এবার একটি পছন্দ মতন পাত্রে পরিষ্কার পানি ঝরানো ছোলা, কিউব করে কাটা শসা, টমেটো, স্বাদ অনুযায়ী লবণ, বীট লবণ, গোলমরিচ এবং সবশেষে সরিষার তেল দিয়ে ভালো করে মাখিয়ে নিতে হবে।
রেগুলার ডায়েট এবং শরীর কে ফিট রাখার জন্য এই কাঁচা ছোলা, শসা, টমেটো কতটা হেল্পফুল এটা তো সবার জানা।
আশা করছি সবার কাছে আমার এই "সতেজ" সালাদ টি সাদরে গ্রহণ যোগ্যতা পাবে।
ধন্যবাদ
জাজাকাল্লাহু খাইরান
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Gulshan Link Road, Dhaka
Dhaka
1214
