Fouji Beauty World
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Fouji Beauty World, Skin Care Service, JURAIN MAZAR GATE HAZI TOWER ( 3RD FLOOR ), Dhaka.
10/04/2018
ত্বকের যত্নে মসুর ডালের ফেসপ্যাক
মসুর ডালে থাকা প্রোটিন এবং অন্যান্য উপকারি উপাদান যখন স্কিনে প্রবেশ করে, তখন স্কিন টোন বদলে যেতে শুরু করে। সেই সঙ্গে ত্বকের উজ্জলতা বাড়তে থাকে।। তাই আজ মসুর ডাল(Lentils) লাগিয়ে কিভাবে নানা ধরনের ফেসপ্যাক বানাতে হয়, সে সম্পর্কে জেনে নিন। মসুর ডাল দিয়ে ফেসপ্যাক বানাতে গেলে প্রথমে ডালটি গুঁড়ো করে পাউডার বানিয়ে নিতে হবে। তারপর সেই পাইডারের সঙ্গে মেলাতে হবে অন্যান্য উপাদান।
১. মসুর ডাল এবং মধু:
আপনার ত্বক কি খুব ড্রাই। সেই সঙ্গে বলি রেখাও দেখা দিতে শুরু করেছে নাকি? তাহলে আর সময় নষ্ট না করে মসুর ডালের পাউডারের সঙ্গে পরিমাণ মতো মধু মিশিয়ে নিয়ে নিয়মিত মুখে লাগাতে শুরু করুন। তাহলেই দেখবেন ধীরে ধীরে বলি রেখা কমতে শুরু করেছে। সেই সঙ্গে ত্বকের (Skin) ড্রাইনেসও কমে যাবে। এক্ষেত্রে প্রথমে ১ চা চামচ মসুর ডাল পাউডারের সঙ্গে ১ চা চামচ মধু মেশাতে হবে। এরপর ভাল করে দুটি উপাদান মিশিয়ে নিয়ে মিশ্রনটি মুখে লাগাতে হবে। ১৫ মিনিট পেস্টটি মুখে ঘষার পর হালকা গরম পানি দিয়ে মুখটা দুয়ে নিলেই দেখুন ত্বকের জেল্লা!
২. মসুর ডাল, বেসন এবং দই:
ত্বকের সৌন্দর্য বাড়াতে বেসন এবং দইয়ের কোনোও বিকল্প নেই বললেই চলে। তার ওপর যদি এই মিশ্রনে অল্প করে মসুর ডাল মিশিয়ে দিতে পারেন, তাহলে তে কথাই নেই! কারণ এই তিনটি উপাদান একসঙ্গে মিশিয়ে বানানো পেস্টটি এত মাত্রায় পুষ্টিকর উপাদানে ভরপুর হয় যে ত্বক সুন্দর হয়ে উঠতে সময়ই লাগে না। এই পেস্টটি বানাতে প্রথমে ১ চা চামচ মসুর ডাল পাউডারের সঙ্গে সম পরিমাণ বেসন(Beans) এবং দই মেশাতে হবে। সঙ্গে যোগ করতে পারেন অল্প করে হলুদও। এবার সবকটি উপাদান ভাল করে মিশিয়ে মুখে লাগাতে হবে। কিছু সময় অপেক্ষা করার পর মুখ ধুয়ে নিতে হবে।
৩. মসুর ডাল এবং গাঁদা ফুল:
পরিমাণ মতো মসুর ডাল পাউডারের সঙ্গে সম পরিমাণ গাঁদা ফুল মিশিয়ে ভাল করে বেটে নিয়ে এই পেস্টটি বানাতে হবে। তারপর সেটি কম করে ১৫ মিনিট মুখে লাগিয়ে রাখার পর ধুয়ে ফেলতে হবে। প্রসঙ্গত, ড্রাই স্কিনের সমস্যা দূর করার পাশাপাশি ব্রণর প্রকোপ কমাতে এবং ত্বককে নরম তুলতুলে করে তুলতেও এই ফেস মাস্কটি বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।
৪. মসুর ডাল আর দুধ:
ত্বকের উপরিঅংশে জমে থাকা মৃত কোষের স্থর সরিয়ে স্কিনকে প্রাণবন্ত করে তুলতে এই ফেসপ্যাকটির কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। এক্ষেত্রে সপ্তাহে দুবার পরিমাণ মতো মসুর ডালের পাউডারের সঙ্গে অল্প করে দুধ মিশিয়ে যদি মুখে লাগানো যায়, তাহলে ত্বকের সৌন্দর্য হারিয়ে ফেলা বা স্কিন বুড়িয়ে যাওয়ার মতো দুশ্চিন্তা একেবারে দূরে পালায়।
৫. মুখের চুল পরিষ্কার করে:
অনেক নারীই আছেন যাদের মুখে অযাচিত চুল থাকে। এমন সমস্যা থেকে নিস্তার পেতে ১ চামচ মসুর ডাল পাউডারের সঙ্গে ১ চামচ চালের পাউডার মিশিয়ে একটি পেস্ট বানিয়ে নিতে হবে। সঙ্গে যোগ করতে হবে ১ চামচ দুধ এবং বাদাম তেল(Almond oil)। সবকটি উপাদান মেশানোর পর মিশ্রনটি মুখে লাগিয়ে ৫ মিনিট রেখে দিতে হবে। সময় হয়ে গেলে ধুয়ে ফেলতে হবে।
আপনার যদি
কমেন্ট করতে কষ্ট হয়,
তাহলে সংক্ষেপে কমেন্ট করুন..
T= (Thanks)
N= (Nice)
E= (Excellent)
V= (very fine)
B= (Bad)
O= (Osthir)..
আপনাদের কমেন্ট দেখলে আমরা
ভাল ভাল পোষ্ট দিতে সাহস পাই।........ধন্যবাদ
08/04/2018
বয়সভেদে নানা ফেসিয়াল
ত্বকের ধরন ও বয়সভেদে ফেসিয়াল করুন। ছবি : সংগৃহীত
ত্বক পরিষ্কার রাখা ফেসিয়াল করার মূল কারণ। সব বয়সে ত্বক পরিষ্কার করার কাজটি করা প্রয়োজন। তাই আপনার ত্বকের ধরন ও বয়সভেদে ফেসিয়াল করুন।
বয়সভেদে ফেসিয়াল করার নিয়ম জানিয়েছে জীবনধারাবিষয়ক ওয়েবসাইট বোল্ডস্কাই। আর দেরি না করে দেখে নিন কোন বয়সে আপনার ত্বকের জন্য কোন ফেসিয়াল দরকার।
১৭-২০ বছর
এ বয়সে ত্বকে তৈলাক্ত ভাব বেশি থাকে। তাই ব্রণ ওঠার প্রবণতা দেখা যায়। এ সময় হারবাল ফেসিয়াল করা সবচেয়ে ভালো। হলুদ, পুদিনা পাতা, শসা, মধু এই উপাদান সমৃদ্ধ ফেসিয়াল করা যেতে পারে। এ ক্ষেত্রে বেছে নিতে পারেন হানি, কিউকাম্বার, অরেঞ্জ ফেসিয়াল।
২১-৩০ বছর
ত্বকে তেমন কোনো সমস্যা না থাকলে ত্বকভেদে হারবাল ফেসিয়াল করাই ভালো। এ ছাড়া পাল ফেসিয়াল সব ধরনের ত্বকের জন্য উপকারী। তবে সেনসেটিভ ত্বকে এই ফেসিয়াল করবেন না। বিয়ের কনের জন্য গোল্ড ফেসিয়াল খুব ভালো কাজ দেয়। এটা ত্বকে সোনালি আভা আনতে সাহায্য করে।
৩১-৪০ বছর
এ বয়সে এমন ফেসিয়াল করতে হবে, যেটি ত্বকে হাইড্রেড ও ময়েশ্চারাইজ করে। তাই এ সময় হালকা ম্যাসাজ দিয়ে ফেসিয়াল শুরু করতে হবে। তারপর স্ক্রাবিংয়ের সাহায্যে মরা কোষ দূর করতে হবে। সবশেষে হাইড্রেটিং মাস্ক লাগিয়ে ফেসিয়াল শেষ করতে হবে। তাই এ সময় স্টিম ফেসিয়াল, অ্যান্টিরিঙ্গেল ফেসিয়াল উপকারী।
এ সময় ফ্রুট ফেসিয়ালও বেশ কার্যকর। ফ্রুট ফেসিয়াল গভীর থেকে ময়লা পরিষ্কার করে ত্বক টানটান রাখতে সাহায্য করে। এটি সেনসেটিভ ত্বকের জন্য খুব উপকারী।
৪১-৫০ বছর
এ সময় চেহারায় বয়সের ছাপ পড়তে শুরু করে। সাধারণত ৪৫ বছর পর থেকে এ সমস্যা শুরু হয়। অনেক ক্ষেত্রে এ সমস্যা আগেই দেখা দিতে পারে। তাই এ সমস্যা দূর করতে ভেজিটেবল পিলিং ফেসিয়াল করা প্রয়োজন। এতে ত্বকের কালো ভাব দূর হবে ও ত্বক উজ্জ্বল হবে।
এ ছাড়া অ্যান্টিরিঙ্কেল, চকলেট ফেসিয়াল এ বয়সের জন্য উপযুক্ত।
আপনার যদি
কমেন্ট করতে কষ্ট হয়,
তাহলে সংক্ষেপে কমেন্ট করুন..
T= (Thanks)
N= (Nice)
E= (Excellent)
V= (very fine)
B= (Bad)
O= (Osthir)..
আপনাদের কমেন্ট দেখলে আমরা
ভাল ভাল পোষ্ট দিতে সাহস পাই।........ধন্যবাদ
08/04/2018
মাত্র তিনটি উপাদানেই লম্বা চুল
লম্বা চুলের শখ নেই এমন মেয়ে খুঁজে পাওয়া দুষ্কর। যদিও আমাদের ব্যস্ত জীবনে লম্বা চুল মেইনটেইন করতে গিয়ে সবাইকেই কমবেশি হিমশিম খেতে হয়, তবুও “চুলটা যদি আর একটু যদি লম্বা করা যেতো” এই শখটা কিন্তু সবারই থাকে। এই চুল লম্বা করতে আমরা কত কি-ই না করি। প্রেসক্রিপশন ছাড়া এই ভিটামিন সেই ভিটামিন গিলে বসে থাকি! দেশ বিদেশের দামি দামি হেয়ার রিগ্রোথ লেবেলওয়ালা প্রোডাক্ট দেখলে লাফাতে লাফাতে কিনতে চলে যাই! এই হার্বাল তেল ঐ ম্যাজিকাল তেল দেখলেই চোখের সামনে স্বপ্ন দেখে ফেলি যে আজকে রাতে মেখে আগামীকালই দুই-চার ইঞ্চি চুল লম্বা হয়ে যাবে! আখেরে কি হয় বলেন তো? চুল লম্বা হয়? ঘন হয়? চুল পড়া বন্ধ হয়?
-না
টাকাও জলে যায়, আর অত্যধিক কেমিক্যাল সমৃদ্ধ প্রোডাক্ট ব্যবহার করার কারণে চুল যদি এক আধটু লম্বা হয়েও যায়, তারপরে কিন্তু লং রানে ড্রাই হেয়ার , রাফ হেয়ার , ড্যামেজড হেয়ার নিয়ে হায়হুতাশ করতে বসা লাগে।
তাহলে উপায়? চুল লম্বা কীভাবে করা যায়? মাত্র ৩টি উপাদান দিয়েই কিন্তু চুল লম্বা করা সম্ভব। শুধু প্রয়োজন একটু ধৈর্য আর নিয়মিত পরিচর্যা, কারণ ভালো সব জিনিসই কিন্তু চট করে আসে না। চলুন তাহলে দেখে নেয়া যাক –
৩ টেবিল চামচ খাঁটি নারকেল তেল
২ টেবিল চামচ পেঁয়াজের রস
২ চা চামচ কালিজিরা গুঁড়ো
একটা ছোট বাটিতে ৩ টেবিল চামচ খাঁটি নারকেল তেল নিয়ে তাতে ২ চা চামচ কালিজিরার গুঁড়ো দিয়ে হালকা গরম করে নিন। একটা বড় বাটিতে ফুটন্ত গরম পানি ঢেলে তার উপরে তেলের বাটিটা মিনিট পাঁচেক বসিয়ে রাখলেই তেল গরম হয়ে যাবে। এবার এই তেলে ২ টেবিল চামচ পেঁয়াজের রস মিশিয়ে নিন। ব্যস আপনার তেল তৈরি!
পুরো মাথার চুলকে ছোট ছোট সেকশনে ভাগ করে নিন। এবার বিলি কেটে কেটে পুরো মাথার স্ক্যাল্পে ধীরে ধীরে তেলটা লাগিয়ে নিন। সার্কুলার মোশনে ম্যাসাজ করতে থাকুন। চুল লম্বা করার প্রথম টেকনিক-টাই কিন্তু হলো স্ক্যাল্প ম্যাসাজিং। আপনি যত ভালোভাবে স্ক্যাল্পে অয়েল ম্যাসাজ করবেন তত আপনার স্ক্যাল্পে রক্ত সঞ্চালন ভালোভাবে হবে, ডেডসেলসগুলো দূর হবে, আর নতুন চুল গজাবে। ফলে চুল লম্বা হবে। সবশেষে চুলেও তেল লাগিয়ে নিন। এবার চল্লিশ মিনিট পর গরম পানিতে তোয়ালে ভিজিয়ে নিঙরে নিন, আর পুরো মাথার চুলে তোয়ালেটা মুড়িয়ে ১৫ মিনিট রেখে দিন। এটাকে বলা হয় স্টিম নেয়া। স্টিম নেয়ার ফলে তেলটা ভালোভাবে স্ক্যাল্পে অ্যাবসর্ব হয়ে যায়। আর চুল তার প্রয়োজনীয় পুষ্টি পেয়ে ঘন আর লম্বা হয়।
(১) নারকেল তেল
চুলের সার্বিক যত্নের জন্য সবার আগে কোন জিনিসটার নাম মাথায় আসে বলুন তো? আপনার মা অথবা দাদী/নানীকে যদি প্রশ্ন করেন যে তারা তাদের চুলের যত্নে কী ব্যবহার করতেন, উনারা কী উত্তর দিবেন বলেন তো? শতকরা ৮০% মানুষ কিন্তু উত্তর দিবেন – নারকেল তেল! নারকেল তেলে কি নেই! এতে থাকা মনোস্যাচুরেটেড এসেন্সিয়াল ফ্যাট আর প্রোটিন চুলকে ভেতর থেকে পুষ্টি জোগায়, চুলকে গোঁড়া থেকে মজবুত করে। এতে আছে লরিক এসিড যা চুলের সাথে প্রোটিনের বন্ধনটাকে দৃঢ় করে। এর ন্যাচারাল অ্যান্টিব্যাক্টেরিয়াল আর অ্যান্টিফাঙ্গাল উপাদান চুলের গ্রোথ রোধের জন্য দায়ী ব্যাকটেরিয়া আর ফাঙ্গাসের গ্রোথ হতে দেয় না। ফলে চুল হয়ে ওঠে ঘন, মজবুত আর লম্বা।
(২) পেঁয়াজের রস
চুলের গ্রোথ বাড়াতে, চুলের অকালপক্বতা রোধ করতে পেঁয়াজের রস খুবই কার্যকরি ভূমিকা পালন করে। অনেকেই পেঁয়াজের রসের গন্ধ সহজ করতে পারেন না। তাদের উদ্দেশ্যে বলছি – করলা ও কিন্তু খেতে তেতো, কিন্তু শরীরের জন্য ভীষণ উপকারী। কাজেই যদি চুল লম্বা হয়, একটা ঘণ্টার জন্য না হয় একটু উৎকট ঘন্ধটুকু সহ্যই করলেন!
(৩) কালিজিরার গুঁড়ো
কালিজিরার গুণের কথা কি আর লিখে শেষ করা যায়? কালিজিরাতে থাকা ন্যাচারাল অ্যান্টি অক্সিডেন্টস চুল পড়া কমিয়ে চুল ঘন আর লম্বা হতে সাহায্য করে।
আচ্ছা, এই তেল দেয়ার পাশাপাশি আর যে জিনিসগুলো করতে হবে সেটা হলো নিয়মিত, প্রতি এক-তিন মাস অন্তর চুলের আগা ছেঁটে ফেলতে হবে। অনেকেই আমরা এই জিনিসটা করি না। ফলে চুল লম্বা হতে থাকলেও আগাটা পাতলা হতে থাকে, আর আগা ফাটা চুলের কারণে চুল যে আসলেই কতটুকু লম্বা হয়েছে সেটা বোঝা যায় না। রাতে চুল হালকা করে বেঁধে ঘুমাবেন, কখনোই টাইট করে বাঁধবেন না। আর চুলের আগাটা কোন সিল্কের কাপড়ের টুকরো দিয়ে মুড়িয়ে রাবারব্যান্ড দিয়ে বেঁধে ঘুমোবেন। অথবা সিল্কের কাপড়ের তৈরি বালিশের কভার ব্যবহারে চেষ্টা করুন, এতে করে চুলটা বালিশের কভারে ঘষা লেগে ড্যামেজ হবার সম্ভাবনা অনেকটাই কমে যাবে। সেই সাথে প্রয়োজন একটা ব্যালান্সড প্রোটিন আর ভিটামিন রিচ ডায়েট, নিয়মিত হালকা ব্যায়াম, ৮ ঘণ্টার ঘুম আর দিনে কমপক্ষে ২-৩ লিটার পানি পান।
পোষ্ট টা কেমন লেগেছে কমেন্টে জানাবেন।
আপনার যদি
কমেন্ট করতে কষ্ট হয়,
তাহলে সংক্ষেপে কমেন্ট করুন..
T= (Thanks)
N= (Nice)
E= (Excellent)
V= (very fine)
B= (Bad)
O= (Osthir)..
আপনাদের কমেন্ট দেখলে আমরা
ভাল ভাল পোষ্ট দিতে সাহস পাই।........ধন্যবাদ
16/02/2018
Short hair: 2500
Medium hair: 3500
Long hair: 4500
For more information inbox me hurry up 😊
04/08/2017
18/07/2017
Hair color
08/07/2017
Party makeup only 1000
Rebonding........
06/06/2017
Eid especially offer💅💅
So joldi korun. Mehedi 200-1000tk..
Price design er upor depend korbe..👭 small bby der jonno 50-200tk.....so knock me 01977196465 🚪
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Telephone
Website
Address
JURAIN MAZAR GATE HAZI TOWER ( 3RD FLOOR )
Dhaka
DHAKA
