Mr Rayhan Khan
“Allah makes the impossible possible”
তথাকথিত , চাঁদ রাত , আর , মেহেদী ফেস্ট এই নামগুলোর আড়ালে আজকাল আমরা আসলে কী দেখছি?
এগুলো কি সত্যিই আমাদের সংস্কৃতি , নাকি ধীরে ধীরে অশালীনতা আর নষ্টামির একটা নতুন রূপ হয়ে দাঁড়াচ্ছে?
একসময় চাঁদ রাত মানেই ছিল পরিবারের সাথে আনন্দ ভাগাভাগি , ঈদের প্রস্তুতি , ভালোবাসা আর সরল খুশির মুহূর্ত।
আর আজ চারপাশে শুধু অপ্রয়োজনীয় প্রদর্শন , জোর করে আধুনিক হওয়ার প্রতিযোগিতা , আর ছেলে মেয়েদের অবাধ ফ্রি-মিক্সিং।
আমরা কি কখনো ভেবে দেখেছি এইসব কাজ আমাদের মূল্যবোধ , আমাদের ধর্ম , আমাদের সংস্কৃতির সাথে কতটা যায়?
উৎসব মানে তো আনন্দ , কিন্তু সেই আনন্দ যদি শালীনতা হারিয়ে ফেলে , তাহলে সেটা আর সুন্দর থাকে না।
আজকের তরুণ সমাজ কোথায় যাচ্ছে , সেটা নিয়ে আমাদের সবাইকে ভাবা দরকার কারণ পরিবর্তনটা একদিনে হয়নি-ধীরে ধীরে আমরা নিজেরাই এই অবস্থার দিকে এগিয়ে যাচ্ছি আসুন , আমরা একটু সচেতন হই।
উৎসবকে নষ্টামি আর বেহায়াপনা থেকে দূরে রাখি চাঁদ রাত আর মেহেদী ফেস্ট হোক পবিত্রতা , শালীনতা আর সত্যিকারের আনন্দের প্রতীক না যে এটা শুধু দেখানোর বা সীমা অতিক্রম করার একটা উপলক্ষ।
নিজে বদলাই , সমাজ বদলাবে।
এটা খাদ্য বা ডায়েট নিয়ে কোনো লিখা না একটা সাধারণ জ্ঞাণ ফিল্ডের সাধারণ আলোচনা জানতে পারি , আমাদের পেটে প্রায় ৩৮ ট্রিলিয়ন মাইক্রোবায়োমের বসবাস।
এরা জিবিত , একদা জন্মগ্রহণ করে , কমিনিকেশন করে , কম্পিটিশন করে , এবং একসাথে একটি ডায়নামিক ইকোসিস্টেম তৈরি করে।
এই ব্যাপক পপুলেশনের চেইন আছে , সব একরকম না , ভাইরাস , বেক্টেরিয়া , ফাঙি , আর্কিয়া , ইত্যাদি সুন্দর সুন্দর নাম আছে তাদের।
আপনারা জানেন ভালো বেক্টেরিয়া , পুরো সিভিলাইজেশ্যনের ইকোসিস্টেমে সহযোগী , তেমনি খারাপ বেক্টেরিয়া পেটে গ্যাস , স্কিন সমস্যা ইত্যাদি তৈরি করে।
আমাদের ডায়েট ডিসিশন নির্ণয় করে আমরা কোন বেক্টেরিয়া পপুলেশনকে ফেভারেবল লিভিং কন্ডিশন তৈরি করে দিচ্ছি।
কিছু ব্যাকটেরিয়া চিনি ও প্রোসেসড খাবারে দ্রুত বাড়েতা কমিয়ে দেলে ধীরে ধীরে তাদের সক্ষমতা কমতে থাকে।
ক্যান্ডিডা নামের একটি ফাঙ্গাস যা আমাদের শরীরেই থাকে , যা বেশি চিনি ও রিফাইনড কার্ব পেলে অতিরিক্ত পপুলেশন জন্ম দেয় , ছাড়পোকা যেইভাবে ফেভারেবল জায়গা পেলে দ্রুত বংশবিস্তারে সক্ষম।
মাইক্রোবায়োম সম্রাজ্যে যখন এইসব খারাপ প্রজাতি ডমিনেইট শুরু করে , আপনার ব্রেইন তখন সিগনালটা পায় আমরা এটেনশন ধরে রাখতে স্ট্রাগল করি , ব্রেইন কোয়াশা ফিল
করি , মুড ড্রিভেন রিয়েকশন প্রবণ হই।
ভালো খবর হচ্ছে , ডায়েট আর সাপলিমেন্টের মাধ্যমে/ ভালো প্রজাতিকে দ্রুত এমপাওয়ার করা সম্ভব , স্টেবিলাইজড করা সম্ভব।
আগে বলছিলাম বেক্টেরিয়ারা কম্পিট করে ভালোরা যত ডাইভার্স হবে , ফাঙ্গীরা ইকোসিস্টেমে বেচে থাকার রিজোর্স কম পাবে।
বেক্টোরিয়োফেইজেস' নামে ভাইরাস আছে যারা খারাপ বেক্টেরিয়া টার্গেট করে মেরে ফেলে যাতে পুরো মাইক্রোবায়োম ইকোসিস্টেমে বেলেন্স ঠিক থাকে।
বণ জঙ্গলে যেমন প্রেডেটর ও প্রে , সব ধরণের প্রাণীদের ই একটা বেলেন্সড ইকোসিস্টেম আমরা দেখ।
আমাদের শারীরিক ফাংশন , ব্রেইনের ফাংশন , এবং আমাদের বেচে থাকা কন্ডিশন সাপোর্ট করবে , না দূর্বলতার দিকে প্রগ্রেস করাবে তা অনেকটাই ডিপেন্ড করে আমরা সেই ৩৮ ট্রিলিয়ন পপুলেশন নিয়ে কিভাবে ভাবছি।
মনে করেন কয়েক সাপ্তাহ ধরে আপনি সচেতন , ভাজাপোড়া এড়িয়ে খাচ্ছেন , মিষ্টি , সিগারেট এভয়েড করছেন।
এক বন্ধু খাওয়াইতে চাইলো , আপনি ভদ্রতার খাতিরে কয়েক ট্রিলিয়ন মাইক্রোবায়োমকে কনফিউজড করছেন।
চাম্পা কলা , দেশী মুরগীর ডিম খেয়ে যে ফেভারেবল মাইক্রোবায়োম লিভিং ইকোসিস্টেম তৈরি করছেন।
প্রতিসাপ্তাহ মিলিয়ন , বিলিয়ন , ট্রিলিয়ন মাইক্রোবায়োমের জিবন ট্রান্সফর্ম হচ্ছিলো ।
সে পরিবেশকে কনফিউজড করা বা এক দিন , দুই দিন , তিন দিন এবং সেই পুরো ইকোসিস্টেম সচেতনতা মাথা থেকে চলে যাওয়া ব্যাপক সমস্যা।
থেনক্স ফর রিডিং , মন্তব্য ওয়েলকাম।
আবারও সংসদ নামক রঙমঞ্চের শুরু।
যেখানে আবার দেখা যাবে বঙ্গবল্টুর চেতনা ,মুক্তিযুদ্ধের চেতনা।
মমতাজ না থাকলেও জাতীয় জুকার ফজা পাগলা আছে।
এবার তো আরো অনেক চেতনা না যুক্ত হইছে জুলাই এর চেতনা , জিয়ার চেতনা , খালেদা জিয়ার চেতনা ভ্লা ভ্লা।
আগামী আরো ৫ বছর বলদ জনগণকে চেতনা খাওয়াবে আর নিজেরা দেশটাকে গিলে খাবে।
এবং সবকিছুর শেষ হবে একদিন ঘর হারা পথশিশু , এতিম বাচ্চা গাজায় বোমে ধ্বংস হয়ে যাওয়া ক্ষতবিক্ষত নিষ্পাপ বাচ্চা।
দুনিয়ার আনাচে কানাচে নির্যাতিত মানুষের দু:খ একদিন শেষ হয়ে যাবে।
শেষ হয়ে যাবে হায়েনাদের দল , শেষ হবে শকুন যে অপেক্ষায় থাকে তার ভাই মরলে মাংস খাবে।
শেষ হবে সব পাপের পাহাড়, নারীবাদী সেই শূ*রের বাচ্চাগুলো যারা পলিটিক্যাল পার্টির গূ*দ্বার চাটে।
অথচ দেশে সংঘটিত ধর্ষণের বিচার এরা চায়না এরা বিচার চায় পলিটিক্যালি মুভড এজেন্ডার জন্য।
ধ্বংস হবে সব চামচা শূ*রের বাচ্চাগুলা যারা নেতার পদলেহন করতে করতে আল্লাহকে ভুলে যায়, যাদের মা-বাবার জায়গায় তার প্রিয় অভিভাবক থাকে।
ধ্বংস হবে যারা দূর্নীতিগ্রস্থে দূর্নীতির সাফাই গায় ধ্বংস হবে সব সব বিচার হবে।
ধ্বংস হবে সকল অন্যায়কারী সকল পেশার সকল দুর্নীতি গ্রস্থ মানুষ যারা তার দায়িত্বে অবহেলা করে।
যেদিন সূর্য পশ্চিম দিকে উঠবে
সবকিছুই হবে ধ্বংস।
04/03/2026
they are killing innocent girls and children 😔
21/07/2025
একদিন আগের পোস্ট???!!!
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Sylhet
Dhaka
