Bangla Health Tips
Bangla Health Tips এর পক্ষ থেকে আপনাদের স্বাগতম।
03/10/2024
বিবাহিতদের খাবার! ❤️
প্রতিদিন সকালের খাদ্য তালিকায় রাখতে পারেন💕
উচ্চতা বাড়াতে যে বিষয়গুলো গুরুত্বপূর্ণ—
একটা নির্দিষ্ট বয়সের পর উচ্চতা বাড়ানো সম্ভব হয় না। ছেলেদের ক্ষেত্রে এই বয়সের সীমা ১৬-১৮ বছর আর মেয়েদের ১৪-১৬ বছর।
১. ডায়েট: খাবারে প্রোটিন (মাছ, মাংস, ডিম, দুধ, ডাল, বাদামজাতীয় খাবার) বেশি থাকবে। পাশাপাশি ওজন কমাতে ক্যালরি কম, এমন খাবার খেতে হবে। ক্যালরি কীভাবে কমানো যায়, শিখে নিতে হবে। রান্নায় তেল কম হবে। শরীরের চাহিদা অনুযায়ী প্রতিদিন পরিমাণ মতো ভাগ করে করে খেতে হবে। কোনো পুষ্টি যেন বাদ না যায়।
২. ব্যায়াম: উচ্চতা বাড়াতে বাস্কেটবল, ভলিবল, সাঁতার, দড়ি লাফানো, সাইকেল চালানো, রিং ঝোলা ইত্যাদি ব্যায়ামগুলো বেশি ভালো। পাশাপাশি বাড়তি ওজন কমাতে দ্রুত হাঁটা, জগিং, দৌড়ানো ভালো। জিমে গিয়ে অ্যারোবিক এক্সারসাইজও করতে পারো।
৩. ঘুম: ওজন কমাতে বা উচ্চতা বাড়াতে রাতে পর্যাপ্ত (৬-৮ ঘণ্টা) ঘুম অত্যন্ত জরুরি। কারণ, রাতে ঘুমালে শরীরের গ্রোথ হরমোন (জিএইচ) হাড় ঘন ও লম্বা করার কাজ করে। এটাকে প্রাকৃতিকভাবে উচ্চতা বৃদ্ধির ওষুধ হিসেবেও বিবেচনা করা হয়। পর্যাপ্ত ঘুম শরীরের সামগ্রিক বৃদ্ধির জন্যও গুরুত্বপূর্ণ। অন্যদিকে রাত জেগে দিনে অনেকটা সময় ধরে ঘুমালে ওজন বাড়ার ঝুঁকি তৈরি হয়।
৪. শারীরিক পরিশ্রম: দ্রুত ওজন কমানোর সবচেয়ে ভালো পথ হলো শরীরে জমা বাড়তি ক্যালরি ঝরিয়ে ফেলা। তার জন্য শুয়ে-বসে থাকা কমিয়ে যতটা সম্ভব হাঁটাচলা করতে হবে। শারীরিক পরিশ্রম বাড়াতে হবে। এতে ওজন তো কমেই, শারীরিক বৃদ্ধিও ঘটে।
তোমার প্রতিদিনের জীবনযাপনের সঙ্গে মিল রেখে একজন পুষ্টিবিদের পরামর্শমতো ডায়েট চার্ট তৈরি করে নেওয়া জরুরি। তিনি একই সঙ্গে তোমাকে স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে ওজন কমানো ও উচ্চতা বাড়ানোর আরও পরামর্শ দিতে পারবেন, যা তোমার উপযোগী।
খুশখুশে কাশিতে ভুগছেন?
সমাধানঃ ১ টেবিল চামচ হলুদ এর সঙ্গে ১/৮ টেবিল চামচ গোলমরিচ গুঁড়ো নিয়ে সেটি চা, দুধ কিংবা অন্য কোন পানীয় যেমন কোনো জুসে্র সঙ্গে মিশিয়ে খেতে পারেন। সর্দি-কাশির ক্ষেত্রে খুব ভালো কাজ দেয় হলুদ। কাশি কমাতে হলে হলুদের রস খেয়ে নিন কয়েক চামচ, কিংবা এক টুকরো হলুদের সাথে মধু মাখিয়ে তা মুখের মাঝে রেখে আস্তে আস্তে চুষতে পারেন।
ত্বকের যত্নে ঘরোয়া ময়শ্চারাইজ়ার!
গরমকাল মানেই রোদ, ঘাম আর চিটচিটে ত্বক। রোজকার রূপরুটিনের এমনিতেই বারোটা বাজে তখন। ত্বক বেশি তৈলাক্ত হলে স্বাভাবিক ভাবেই গরমকালে ময়শ্চারাইজ়ার লাগানো এড়িয়ে যান অনেকে। কিন্তু ময়শ্চারাইজ়ার শুধু শীতে নয়, গরমেও লাগানো দরকার। ত্বকের ধরন বুঝে সব ঋতুতেই উপযুক্ত ময়শ্চারাইজ়ার ব্যবহার করতে পারলে ত্বক থাকবে কোমল। আর্দ্রতার অভাবে ত্বকে বিভিন্ন ধরনের সমস্যা দেখা দেয়। ত্বক উজ্জ্বলতা হারাতে থাকে। তবে হ্যাঁ, শীতে যে প্রডাক্ট ব্যবহার করতে পারেন, গরমে সেগুলো ব্যবহার না করাই ভাল। তাই প্রাকৃতিক ময়শ্চারাইজ়ার বেছে নিলে ত্বকের আর্দ্রতা বজায় থাকবে, কিন্তু ত্বক তৈলাক্তও হবে না।
প্রাকৃতিক ময়শ্চারাইজ়ার
কাঠবাদাম ও মধুর প্যাকের কার্যকারিতা অনেক। কাঠবাদাম সারারাত ভিজিয়ে, পরদিন বেটে নিয়ে তাতে কয়েক ফোঁটা মধু এবং সামান্য গরম জল মিশিয়ে নিন। মিশ্রণটি ঠান্ডা হলে ত্বকে ব্যবহার করুন।
একটি পাত্রে গরম জল নিন। তার উপরে একটা বাটিতে আধ কাপ নারকেল তেল ঢেলে, ওই অবস্থায় তিনটে ভিটামিন ই ক্যাপসুল, ১২ ফোঁটা ল্যাভেন্ডার এসেনশিয়াল অয়েল মেশান। মিশ্রণটি ঠান্ডা হলে কাচের পাত্রে রেখে ব্যবহার করুন।
এক চামচ আমন্ড অয়েল আর বিওয়াক্স মিশিয়ে গরম করুন। ঠান্ডা হলে এক চামচ গ্রিন টি এসেন্স, এসেনশিয়াল অয়েল, অ্যালো ভেরা জুস, গোলাপ জল মিশিয়ে নিন। ফ্রিজে রাখলেই তৈরি ময়শ্চারাইজ়ার। দূষণ থেকে বাঁচতে, ত্বকের দাগছোপ দূর করতে এবং সংবেদনশীল ত্বকের জন্য এটি খুবই ভাল।
দু’টি আপেলের বীজ বার করে সিদ্ধ করে মিক্সিতে মিহি পেস্ট বানান। মিশ্রণে এক চা চামচ অলিভ অয়েল দিন। ঠান্ডা হলে গোলাপ জল মিশিয়ে ব্যবহার করুন। শুষ্ক ত্বকের জন্য খুবই ভাল ময়শ্চারাইজ়ার।
এক চা চামচ কোকো বাটার আর আমন্ড অয়েল মেশান। একটা পাত্রে গরম জল নিয়ে তার উপরে অন্য একটি বাটি বসিয়ে কোকো বাটারের মিশ্রণটি ঢালুন। একটু ঠান্ডা করে এক চামচ মধু আর অল্প গোলাপ জল মেশান। ঠান্ডা হলে কাচের শিশিতে রাখুন। সংবেদনশীল ত্বকের এটি জন্য ময়শ্চারাইজ়ার হিসেবে দারুণ।
পরিষ্কার পাত্রে চার চামচ অ্যালো ভেরা জেলের সঙ্গে দুই চামচ নারকেল তেল মেশান। ভাল করে মিশলে এক চামচ ভিটামিন ই ও আমন্ড অয়েল দিন। এটি রোজ স্নানের পরে ব্যবহার করুন। শুষ্ক ত্বক, দাগছোপ ইত্যাদি সমস্যায় বেশ ভাল কাজে দেয় এই ময়শ্চারাইজ়ার।
চটজলদি সমাধান...
তৈলাক্ত ত্বকে টম্যাটোর রস খুব ভাল ময়শ্চারাইজ়ারের কাজ করে।
ভিটামিন এ ভরপুর পাকা পেঁপের মধ্যে থাকা ফ্রুট এনজ়াইম ত্বকের জন্য দারুণ উপকারী। এক টুকরো মুখে মেখে ১০ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন।
ময়শ্চাইজ়ারের সঙ্গে দু’-তিন কোয়া কমলালেবুর রস লাগালে ত্বকের কমনীয়তাও ফেরে।
শুষ্ক ত্বকের জন্য মধু এবং ডিমের কুসুম খুব ভাল প্রাকৃতিক ময়শ্চারাইজ়ার। সমপরিমাণে মধু এবং ডিমের কুসুম মিশিয়ে মুখে ও ঘাড়ে লাগিয়ে জলে ধুয়ে ফেলুন।
অ্যালো ভেরা জেলের সঙ্গে দুই টেবিল চামচ গুঁড়ো দুধ মিশিয়ে মুখ এবং ঘাড়ে লাগান। ১০-১৫ মিনিট পর শুকিয়ে গেলে ধুয়ে ফেলুন।
অর্ধেক কলা এবং চার টেবিল চামচ টক দই মিশিয়ে ত্বকে লাগিয়ে মিনিট ২০ রেখে ধুয়ে ফেলুন। ত্বক ময়শ্চারাইজ় করার সঙ্গে সঙ্গে উজ্জ্বলতাও বাড়ে।
দুই টেবিল চামচ মধু এবং কাঁচা দুধ মিশিয়ে মুখে লাগিয়ে কিছুক্ষণ রেখে ধুয়ে ফেলুন। এটি ময়শ্চারাইজ়ারের সঙ্গে টোনার হিসেবেও কাজ করে।
জবা ফুলের গুঁড়োর সঙ্গে এসেনশিয়াল অয়েল মিশিয়ে ব্যবহার করুন।
শোয়ার আগে সমপরিমাণ গ্লিসারিন, গোলাপজল মিশিয়ে হাত, পা, ঠোঁট ও ত্বকে লাগান। এটি ন্যাচারাল ময়শ্চারাইজ়ার।
মুখ ধোয়ার পরে, স্নানের পরে এবং ঘুমোতে যাওয়ার আগে ত্বক পরিষ্কার করে নিয়মিত হালকা ময়শ্চারাইজ়ার ব্যবহার করলে আপনার ত্বক থাকবে উজ্জ্বল ও কোমল।
পেটের অতিরিক্ত চর্বি কমাবেন যে ভাবে।
স্বাভাবিক উপায়ে হজমশক্তি বাড়াবেন কী করে? কী করে কমাবেন মেদ?
হজমশক্তি বা মেটাবলিজমের সঙ্গে ওজনের সম্পর্ক আছে। যাঁদের হজমশক্তি কম, তাঁদের শরীরে খুব তাড়াতাড়ি মেদ জমে। নানা ভাবে মেটাবলিজম বাড়ানো যায়। এর মধ্যে বেশ কয়েকটি প্রক্রিয়া অত্যন্ত সহজ সরল।
কী ভাবে স্বাভাবিক উপায়ে হজমশক্তি বাড়াবেন? রইল সন্ধান।
প্রোটিন খান: প্রতি বার খাবারে কিছুটা প্রোটিন রাখুন। ডিম, মাছ বা অল্প মাংস। প্রোটিন হজমশক্তি বাড়িয়ে দেয়। প্রতি বার অল্প করে প্রোটিন খেলে হজমশক্তি প্রায় ৩০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে।
পেশির গঠন: মনে রাখবেন শুধু মাত্র দৌড় বা ‘ফ্রিহ্যান্ড’ শরীরচর্চায় হজমশক্তি বাড়ে না। বরং যদি এমন শরীরচর্চায় নজর দেন, যেগুলিতে পেশির গড়ন ভাল হবে— তা হলে হজমশক্তি বাড়বে।
ঠান্ডা জল: বারবার জল খান। এতেও হজমশক্তি বাড়বে। মেদও কমবে। ঘরের তাপমাত্রার জল হজমশক্তি বাড়িয়ে দিতে পারে।
অল্প খান, বারবার খান: এ ভাবে খেলে হজমশক্তি বাড়বে। একই সঙ্গে ক্যালোরিও কমবে তাড়াতাড়ি। অল্প করে খেলে শরীর সেই খাবারটাও সহজে হজম করে তাকে পেশি গঠনের কাজে লাগাতে পারে।
মশলা: রান্নায় কিছু মশলা দিন। গবেষণা বলছে, মশলা থেকে এমন কিছু উপাদান খাবারে মেশে, যা হজমশক্তি বাড়িয়ে দেয়।
কালো কফি: দীর্ঘমেয়াদি নয়, কিন্তু অল্প সময়ের জন্য নিজের হজমশক্তি বাড়াতে চাইলে দুধ-চিনি ছাড়া কালো কফি খেতে পারেন।
ভাল ঘুম: রাতে ৭-৮ ঘণ্টার ঘুম হজমশক্তি অনেকটাই বাড়িতে দিতে পারে। রোজ ভাল করে ঘুমালে এই কারণেই ওজন কমে অনেকটাই।
17/05/2021
দীর্ঘ কর্মঘণ্টা মৃত্যুর কারণ : বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার গবেষণা
দীর্ঘ কর্মঘণ্টার কারণে বিশ্বে প্রতিবছর লাখ লাখ মানুষের মৃত্যু হচ্ছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নতুন এক গবেষণায় এ তথ্য উঠে এসেছে। খবর রয়টার্সের।
ইনভায়রনমেন্ট ইন্টারন্যাশনাল জার্নালে প্রকাশিত এই গবেষণা নিবন্ধটি দীর্ঘ কর্মঘণ্টা নিয়ে প্রথম কোনো বৈশ্বিক গবেষণা। এতে দেখা যায়, ২০১৬ সালে ৭ লাখ ৪৫ হাজার মানুষ দীর্ঘ কর্মঘণ্টা জনিত কারণে স্ট্রোক বা হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন। ২০০০ সাল থেকে এই হার অন্তত ৩০ শতাংশ বেড়েছে।
এ প্রসঙ্গে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পরিবেশ, জলবায়ু পরিবর্তন ও স্বাস্থ্য বিভাগের পরিচালক মারিয়া নিরা বলেন, ‘সপ্তাহে ৫৫ ঘণ্টার কর্মঘণ্টা স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ।’
তিনি বলেন, ‘আমরা এ তথ্যের মাধ্যমে যা করতে চাই তা হলো কর্মীদের সুরক্ষায় আরও পদক্ষেপ নেয়ার জন্য প্রচারণা চালানো।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত এ গবেষণায় দেখা গেছে, দীর্ঘ কর্মঘণ্টার কারণে ক্ষতিগ্রস্ত ৭২ শতাংশই পুরুষ এবং তারা মধ্যবয়সী অথবা আরও বয়স্ক। অনেক সময় তাৎক্ষণিক সময়ের চেয়ে এই মৃত্যু ঘটে অনেক পরে, হয়তো কয়েক দশক পরে।
এতে আরও দেখা গেছে, দক্ষিণ পূর্ব ও পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে দীর্ঘ কর্মঘণ্টার কারণে ক্ষতিগ্রস্তের হার সবচেয়ে বেশি। এই অঞ্চলের মধ্যে চীন, জাপান ও অস্ট্রেলিয়াও রয়েছে।
এই গবেষণায় ১৯৪ টি দেশকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। সামগ্রিক ফলাফলে দেখা গেছে, সপ্তাহে ৩৫ থেকে ৪০ কর্মঘণ্টার চেয়ে ৫৫ বা তার বেশি কর্মঘণ্টার ফলে স্ট্রোকের ঝুঁকি ৩৫ শতাংশ ও হৃদরোগের ঝুঁকি ১৭ শতাংশ বৃদ্ধি পায়।
এই গবেষণায় ২০০০ সালে থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত সময় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। তাই মহামারির বছর এতে যুক্ত করা হয়নি। কিন্তু বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার কর্মকর্তারা বলছেন, করোনাভাইরাসের কারণে বাসায় বসে কাজ করা এবং বৈশ্বিকভাবে অর্থনীতির গতি ধীর হয়ে যাওয়ার ফলে এই ঝুঁকি আরও বৃদ্ধি পেয়েছে।
সংস্থাটির পক্ষ থেকে বলা হয়, ‘মহামারি এমন বিষয়গুলোকে ত্বরান্বিত করছে যা কাজের সময় বাড়ার প্রবণতা বাড়িয়ে দিতে পারে।’ ধারণা করা হচ্ছে, মহামারির সময় অন্তত ৯ শতাংশ মানুষ আগের চেয়ে বেশি সময় ধরে কাজ করছে।
বিশ্ব সংস্থার প্রধান তেদ্রোস আধানম গেব্রেয়েসুসসহ সংস্থাটির কর্মকর্তারা বলছেন, তারা নিজেরাও মহামারির সময় আগের চেয়ে বেশি সময় কাজ করছেন। মারিয়া নিরা বলেন, এই গবেষণার আলোকে তারা সংস্থাটির কাজের নীতি আরও উন্নত করবেন।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার টেকনিক্যাল কর্মকর্তা ফ্র্যাঙ্ক পেগা বলেন, দীর্ঘ কর্মঘণ্টা নিয়োগকর্তার জন্য উপকারী হতে পারে কারণ এর ফলে কর্মীর কাজের উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি পায়।
তিনি বলেন, ‘অর্থনীতির সঙ্কটের মধ্যে কর্মঘণ্টা না বাড়ানোটাই আসলে বুদ্ধিমত্তার পরিচায়ক।
"রমজানে শরীরের পুষ্টি গুণ ঠিক রাখতে আপনারা পুষ্টিকর খাবার খান। সেহরি & ইফতারে প্রচুর পরিমানে পানি প্রাণ করুন।"
ঘাম হওয়ার কারণ ও করণীয়
গরমের সময় ঘাম হওয়া স্বাভাবিক। তবে বেশি ঘাম হলে নানারকম সমস্যা হতে পারে।
ঘাম শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণের পদ্ধতি। গরমে শরীরের তাপমাত্রা বেড়ে গেলে তা স্বাভাবিক রাখতে ঘাম হয়। এছাড়াও ঘামের সঙ্গে শরীরের বিভিন্ন বর্জ্য পদার্থ বেরিয়ে যায়। গরমের দিনে ঘাম হওয়া অতি সাধারণ একটি বিষয়। তবে অতিরিক্ত ঘামের কারণে বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা দেখা দিতে পারে।
ঘামের কারণ এবং এর বিভিন্ন ক্ষতিকর প্রভাব থেকে বাঁচার উপায় জানালেন কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালের মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডা. মোহাম্মদ কামরুল হাসান।
তিনি বলেন, “মানুষের শরীরে অ্যাক্রিন ও অ্যাপোক্রিন গ্ল্যান্ড নামক দুইধরনের ঘামগ্রন্থি থাকে। রোদের কারণে শরীরের তামপাত্রা বেড়ে যায়। তাই তাপমাত্রা স্বাভাবিক করে আনার জন্য ঘাম হয়। পাশাপাশি বিভিন্ন বিষাক্ত উপাদান বের করে দেওয়ার মাধ্যমে শরীরের ‘প্রটেকটিভ মেকানিজম’ হিসেবেও কাজ করে ঘাম।”
ঘাম হওয়ার আরও কারণ সম্পর্কে ডা. কামরুল হাসান বলেন, “গরম ছাড়াও পরিশ্রম, উত্তেজনা, দুশ্চিন্তা, ভয়, রাগ ইত্যাদি কারণেও ঘাম হতে পারে। ঠাণ্ডা পরিবেশেও অনেকের হাত ও পায়ের তালু ঘামার সমস্যা দেখা যায়। এ ধরণের রোগীদের মধ্যে বেশিরভাগই থাইরয়েড গ্রন্থি কিংবা বিভিন্ন হরমোনজনিত সমস্যায় আক্রান্ত। এক্ষেত্রে ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ হবে।”
“নিউরোলজিকাল ও ঘুমের ওষুধ সেবন করলে কিংবা রক্তে শর্করার পরিমাণ কমে যাওয়ার কারণেও ঘাম হতে পারে।” বলেন ডা. কামরুল।
ঘামের অপকারীতা সম্পর্কে তিনি জানান, শরীরে ব্যাকটেরিয়া ছড়ানোর অন্যতম মাধ্যম হল ঘাম। ঘামাচি, চুলকানি, ব্রণ ইত্যাদি তো আছেই। তাছাড়া শরীরের ক্ষতস্থানেও ঘামের মাধ্যমে ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ হতে পারে।
এছাড়া অতিরিক্ত ঘামের কারণে শরীর থেকে প্রচুর পানি বেরিয়ে যায়, ফলে পানিশূন্যতায় আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
ঘামে ভেজা পোশাক দীর্ঘ সময় পরে থাকার কারণে ছত্রাকের সংক্রমণ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। শরীর ঘামে ভেজা থাকলে ত্বকে ধুলাবালি আটকে থাকার পরিমাণও বেড়ে যায়।
ঘামের কিছু উপকারী দিকও আছে। এ সম্পর্কে ডা. কামরুল হাসান বলেন, “ঘামে শরীর ভেজা থাকার কারণে হিট স্ট্রোকের সম্ভাবনা কমে যায়। পাশাপাশি শরীর থেকে অতিরিক্ত লবণ বের করে দিয়ে লবণের ভারসাম্য বজায় রাখে। পরিষ্কার রাখে ত্বকের লোপকুপগুলো।”
অতিরিক্ত ঘাম নিয়ন্ত্রণে করণীয়
অতিরিক্ত ঘাম হলে প্রচুর পানি পান করতে হবে। ফলের শরবত, গ্লুকোজ, স্যালাইন ইত্যাদি পান করাও বেশ উপকারী। তাছাড়া বাইরের গরম থেকে ঘরে ফিরে ঠাণ্ডা পানি না খেয়ে স্যালাইন বা গ্লুকোজ খাওয়ার পরামর্শ দিলেন ডা. কামরুল হাসান।
চা-কফি, ভাজাপোড়া-জাতীয় খাবার যতটা সম্ভব কম খাওয়াই ভালো।
গরমের মৌসুমে পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার উপর বিশেষ নজর দিতে হবে। এক্ষেত্রে একাধিকবার গোসল করা যেতে পারে। তবে ঠাণ্ডা লেগে যাওয়ার ভয় থাকলে ভেজা কাপড় দিয়ে শরীর মুছে নেওয়া যেতে পারে।
গরমে বাইরে থেকে ফিরেই অতিরিক্ত ঠাণ্ডা স্থানে বসা, অতিরিক্ত ঠাণ্ডা পানীয় পান করা বা গোসল না করার পরামর্শ দেন ডা. কামরুল।
তিনি বলেন, “বাইরে থেকে এসে কিছুটা সময় জিরিয়ে নিতে হবে। এতে শরীরের তাপমাত্রা স্বাভাবিক হওয়ার সুযোগ পাবে। অন্যথায় ঠাণ্ডা লেগে যেতে পারে।”
এছাড়া ঘামে ভেজা জামাকাপড় বেশিক্ষন পরে থাকা উচিত নয়। গরমের দিনে হালকা রংয়ের পোশাক বেশি আরামদায়ক। ঘামের দুর্গন্ধ এড়াতে পারফিউম ব্যবহার করা যেতে পারে। আর ঘামাচি থেকে বাঁচতে ট্যালকম পাউডার ব্যবহার করা যেতে পারে।
সারাক্ষণ শরীর দুর্বল, সমাধান কি?
আমাদের জীবনের বিভিন্ন সময়েই কাজের মাঝে কিংবা অযথাই শরীরে ভর করে রাজ্যের ক্লান্তি এবং দুর্বলতা। শরীর নাড়াতেও কষ্ট হয়, চোখ মেলে তাকানোও যায় না। মাথা খাটানো জাতীয় কোনো কাজই করা সম্ভব হয়ে উঠে না। অনেকে এই সমস্যায় পড়ে অজ্ঞানও হয়ে যান। শারীরিক দুর্বলতা কাজের উৎসাহ একেবারে নষ্ট করে দেয়। কিন্ত এই ধরনের শারীরিক দুর্বলতা কাটাতে প্রয়োজন আমাদের একটু সতর্কতা।
কেন লাগে দুর্বল
রক্তস্বল্পতার কারণে হতে পারে দুর্বলতা
রক্তস্বল্পতা অর্থাৎ রক্তে হিমোগ্লবিন কমে যাওয়ার সমস্যায় ভোগেন অনেকেই। কিন্তু সঠিকভাবে ধরতে পারেন না। যদি আপনি সবসময়েই বেশ দুর্বলতা অনুভব করতে থাকেন তাহলে এটি আপনার রক্তস্বল্পতা রোগের লক্ষণ। রক্ত পরীক্ষা করিয়ে নিশ্চিত হয়ে নিন এবং প্রয়োজনে চিকিৎসা করান।
ডায়বেটিসের কারণে দুর্বলতা
রক্তে সুগারের মাত্রা বেড়ে যাওয়া এবং ঘন ঘন প্রস্রাব পাওয়ার পাশাপাশি অনেক বেশি দুর্বল অনুভব করাও ডায়বেটিসের লক্ষণ। কারণ রক্তে সুগারের মাত্রা বেড়ে গেলে স্বাভাবিক দেহের কর্মকাণ্ডে সমস্যা তৈরি হয়, যার ফলে অল্পতেই হাঁপিয়ে উঠা এবং দুর্বলতা অনুভব করে থাকেন রোগীরা।
বিষণ্ণতায় ভোগার কারণে
মানসিক চাপের কারণে যে বিষণ্ণতার সৃষ্টি হয় তার মাধ্যমে শরীরে আসে দুর্বলতা। অনেক বেশি মানসিক চাপে থাকলে আমাদের মস্তিস্কের অনেক বেশি পরিমাণে কাজ হয়। বিষণ্ণ থাকলে আমরা খুব বেশি চিন্তা করতে থাকি। এতে করে মস্তিষ্কের ওপর অনেক চাপ পড়ে। ফলে মস্তিষ্ক অবসাদগ্রস্থ হয় এবং আমাদের দেহও দুর্বলতা অনুভব করে।
শারীরিক পরিশ্রম না করার কারণে
বেশি পরিমাণে কাজের চাপ ও মানসিক চাপে যেমন দুর্বলতা আসে, তেমনই আশ্চর্যজনক হলেও সত্যি যে অলসতাতেও দুর্বলতা ভর করে দেহে। আপনি যতো বেশি নিজেকে অলস করবেন ততো আপনার দেহ দুর্বল হতে থাকবে। কিছুটা কাজ করা এবং সামান্য মানসিক চাপ নেওয়া আপনার দেহের ইমিউন সিস্টেম উন্নত করবে।
প্রয়োজনের তুলনায় অনেক অল্প খাবার খাওয়া
যখনই দুর্বলতা অনুভব করবেন তখনই নিজের খাবারের তালিকার দিকে নজর দিন। যদি আপনার খাবারের তালিকায় সুষম খাবার না থাকে যা আপনার দেহের জন্য বেশ প্রয়োজনীয় তবে আপনার দেহ দুর্বল হয়ে পড়ে আপনাআপনিই। তাই সুষম খাবার খান এবং একবারে না পারলে প্রতি ৩/৪ ঘণ্টা অন্তর অন্তর সামান্য কিছু হলেও খাবার খান।
পানিশূন্যতার কারণে দুর্বলতা
পানিশূন্যতা শরীরে রক্তের পরিমাণ একেবারেই কমিয়ে দেয়। এতে করে শরীর দুর্বল হয়ে পড়ে। এতে করে শরীর দুর্বল লাগে। তাই পানি পানের অভ্যাসে আনুন পরিবর্তন। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, দিনে ৬-৮ গ্লাস পানি পান করা উচিৎ সকলের।
আপনি চাইলেই দুর্বলতাভাব কাটিয়ে উঠতে পারেন। তেমন কিছু টিপস থাকছে আপনার জন্য-
সকালের সূর্যের আলো গ্রহণ করুন
সকাল ৮টা থেকে ৯ টায় সূর্যের আলোর মধ্যে যাওয়ার চেষ্টা করুন। এতে করে দেহে ভিটামিন ডি পৌছায় যা আমাদের দেহের হাড়ের গঠন সুগঠিত করার পাশাপাশি আমাদের শারীরিক দুর্বলতা কাটাতে সহায়তা করে। মাথা ঘোরানো কিংবা শরীরে শক্তি না পাওয়ার সমস্যা সমাধান করে।
চা-কফি পান কমিয়ে দিন
চা বা কফির ক্যাফেইন আমাদের শারীরিকভাবে দুর্বল করে তোলে। চা-কফি চা করলে তাৎক্ষণিকভাবে দেহে চাঙাভাব এলেও এটি আমাদের দেহ পানিশূন্য করে ফেলে যার ফলে আমাদের দেহে পানির চাহিদা বৃদ্ধি পায় ও আমরা দুর্বলতা অনুভব করি। তাই চা-কফি পানের মাত্রা কমিয়ে দিন।
কাজের ফাঁকে খানিকক্ষণ বিশ্রাম নিন
কাজের ফাঁকে খানিকটা সময় পাওয়ার ন্যাপ অর্থাৎ মাত্র ১০ মিনিটের ঘুম দেহের কোষগুলোকে তরতাজা কর তোলে ফলে আমরা কাজের মাধ্যমে যে শক্তি হারাই এবং দুর্বলতা অনুভব করি তা পুনরায় ফিরে আসে। এবং আমাদের শারীরিক দুর্বলতা কেটে যায়।
পর্যাপ্ত পানি পান করুন
আমাদের দেহ পানিশূন্য হলে আমরা শারীরিকভাবে প্রচণ্ড দুর্বল হয়ে পরি। তাই নিয়মিত পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করা উচিৎ সকলের। দেহ হাইড্রাইট থাকলে শারীরিক দুর্বলতার সমস্যা কেটে যায় একেবারে।
এনার্জি সমৃদ্ধ কিছু খাবার রাখুন হাতের কাছে
যখনই শারীরিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়বেন তখন তাৎক্ষণিক ভাবে এমন কিছু খাওয়া উচিৎ যা দেহে শক্তি ফিরিয়ে দেবে। বাদাম, কমলা এবং মিষ্টি জাতীয় খাবার হাতের কাছে রাখবেন সব সময়। এতে করে শারীরিক দুর্বলতাকে কাটিয়ে ওঠা সম্ভব।
পর্যাপ্ত পরিমাণে ঘুমান
ঘুমের পরিমাণ কম হলেও আমরা শারীরিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়ি। কারণ ঘুমের মাধ্যমে আমাদের দেহের ও মস্তিষ্কের কোষ নতুন করে শক্তি অর্জন করে। যখন ঘুম কম হয় তখন মাথা ঘোরানো এবং দুর্বলতা অনুভব করার পরিমাণ বেড়ে যায়। তাই পর্যাপ্ত ঘুমই দূর করতে পারবে শারীরিক দুর্বলতা।
ঘাড়ে অসহ্য যন্ত্রণা? দেখুন এর থেকে মুক্তি পাওয়ার দুর্দান্ত ঘরোয়া উপায়
বর্তমান সময়ে দাঁড়িয়ে ঘাড় ব্যথার সমস্যায় ভোগেননি এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া অসম্ভব। যেকোনও বয়সেই এই সমস্যা দেখা দিতে পারে। তার কারণ, বেশি সময় ধরে মোবাইল, কম্পিউটার বা ল্যাপটপের সামনে বসে থাকা। আবার ঘাড়ের মাংসপেশিতে টান ধরা, শিরদাঁড়ায় হাড়ের অসুখ, আর্থ্রাইটিস, সারভাইকাল স্পন্ডিলসিস, ইত্যাদি অসুখ থেকেও ঘাড়ের ব্যথা হতে পারে।
ঘাড় ব্যথা এতটাই অস্বস্তিকর যে, একবার শুরু হলে গোটা দিনটাই নষ্ট হয়ে যায়। কিছুতেই কাজে মন বসানো সম্ভব হয়ে ওঠে না। তাই অল্প ব্যথা দেখা দিলেই আমরা ছুটে যাই চিকিৎসকের কাছে। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, ঘাড় ব্যথা চিকিৎসার মূল কৌশল হল ব্যায়াম, ধ্যান এবং সঠিক শারীরিক অঙ্গবিন্যাস। এই সমস্ত বিকল্প ব্যর্থ হলে তারপরই একজন ডাক্তার বিভিন্নভাবে চিকিৎসার কথা ভাবে। তাই, আজ আমরা এই ঘাড় ব্যথা থেকে কীভাবে ঘরোয়া উপায়ে মুক্তি পাবেন সে সম্পর্কে উল্লেখ করব। যাদের হালকা ঘাড় ব্যথার সমস্যা থাকে, তারা এই ঘরোয়া টোটকাগুলি প্রয়োগ করতে পারেন।
১) ম্যাসাজ করুন
ঘাড়ের ব্যথা কমাতে ম্যাসাজ একটি চমৎকার ঘরোয়া উপায়। ব্যথা দেখা দিলেই নারকেল তেল অথবা অলিভ অয়েল হালকা গরম করে ঘাড় ও কাঁধে মেখে নিন। এবার ম্যাসাজ করুন। এভাবে ১০ মিনিট ম্যাসাজ করুন। ব্যথা থেকে নিমেষের মধ্যে মুক্তি পেতে পারবেন।
২) আইস প্যাক
ঘাড়ে ব্যথা দেখা দিলেই লাগাতে পারেন আইস প্যাক। কারণ শীতল তাপমাত্রা প্রদাহ হ্রাস করতে এবং ব্যথা উপশম করতে সহায়তা করে।
বরফের টুকরো গ্লাসে বা প্যাকেটে ভরে ব্যথা জায়গায় দিতে পারেন। আবার তোয়ালেতে কিছু বরফের কিউব রাখুন এবং এই বরফ কিউব যুক্ত তোয়ালে ব্যথার জায়গায় ঘষতে থাকুন। এভাবে সারাদিনে দুই থেকে তিন বার করে ১৫ মিনিটের জন্য দিতে থাকুন। এর ফলে আস্তে আস্তে ব্যথা কমবে।
৩) নুন জলে স্নান করুন
মাংসপেশি টান ধরা থেকে যদি ঘাড়ের ব্যথা হয়ে থাকে, তবে গরম জলে 'এপসম সল্ট' মিশিয়ে স্নান করতে পারেন। এই 'এপসম সল্ট'-এ থাকা সালফেট ম্যাগনেসিয়াম মাংসপেশীকে শিথিল করে ফোলা এবং ব্যথা কমাতে সহায়তা করে। এছাড়াও স্ট্রেস কমাতে এবং রক্ত সঞ্চালন ভালো করতেও সাহায্য করে।
৪) হাইড্রোথেরাপি
হাইড্রোথেরাপি ঘাড়ের ব্যথার জন্য খুবই কার্যকর ঘরোয়া প্রতিকার। বাথরুমের শাওয়ার বা ট্যাপ কলের তলায় এই পদ্ধতি খুব সহজেই করা যায়। সাওয়ারের হালকা গরম জল দিয়ে ঘাড়ের ব্যথার জায়গায় ৩ থেকে ৪ মিনিটের জন্য দিতে থাকুন। এরপর ৩০-৬০ সেকেন্ড ওই একই জায়গায় ঠান্ডা জল ঢালতে থাকুন। এই পদ্ধতিটি পুনরাবৃত্তি করুন ১৫ মিনিটের জন্য। দেখবেন ধীরে ধীরে ব্যথা কমবে।
৫) অ্যাপেল সিডার ভিনেগার
অ্যাপেল সিডার ভিনেগারে শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি বৈশিষ্ট্য রয়েছে যা কাঁধ ও ঘাড়ের ব্যথাসহ শরীরের যেকোনও ব্যথা থেকে দ্রুত মুক্তি দিতে পারে। গরম জলে ভিনেগার মিশিয়ে ব্যথা যুক্ত অঞ্চলে মালিশ করুন অথবা এই ভিনেগারে একটি তোয়ালে ভিজিয়ে ব্যথার জায়গায় রাখুন। আবার ভিনেগার ও মধু জলে মিশিয়ে খেলেও উপকার পাবেন। দিনে দু'বার পুনরাবৃত্তি করুন। ফল আপনি পাবেনই।
ফেলে দাওয়া বীজেই লুকিয়ে সুস্থ থাকার দাওয়াই!
৬) হলুদ
হলুদে অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি বৈশিষ্ট্য রয়েছে যা আপনার ঘাড়ের ব্যথা কমাতে সহায়তা করতে পারে। এছাড়াও, হলুদ রক্ত সঞ্চালন উন্নত করতেও সহায়তা করে। তাই নারকেল তেলের সঙ্গে হলুদ মিশিয়ে সেই প্রলেপ ব্যথার জায়গায় লাগান। আবার এক গ্লাস দুধে এক চা চামচ হলুদ গুঁড়ো মিশিয়ে গরম করে নিন এবং অল্প পরিমাণে মধু যোগ করে এই মিশ্রণটি দিনে দু'বার পান করুন। কয়েকদিনের মধ্যেই ফল পাবেন।
৭) ঘাড়ের ব্যায়াম
এমন কিছু ব্যায়াম রয়েছে যা ঘাড়ের ব্যথা হ্রাস করতে সহায়তা করে। ঘাড়ের ব্যায়াম করার আগে মাংসপেশীকে প্রসারিত করতে গরম সেঁক দিয়ে দিন। এরপর আপনার ঘাড়টি বৃত্তাকার গতিতে একবার ক্লক ওয়াইজ এবং আবার অ্যান্টি ক্লক ওয়াইজ ঘোরান। এবার আপনি আপনার ঘাড়টি আস্তে আস্তে পিছনে এবং সামনে, আবার একবার ডান পাশ ও একবার বাম পশে ঘোরান। এভাবে ১৫ মিনিট করে দিনে ৩-৪ বার করুন। ব্যথা কমবে।
হোম কোয়ারেন্টে অবসর থেকে অতিরিক্ত ফেড খাবার খাবেন না। ফেড খাবার আপনার শরীরে চর্বি তৈরী করবে, যা শরীরের জন্য ক্ষতিকর।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Website
Address
Dhaka
1230
