Xebec Health & Beauty

Xebec Health & Beauty

Share

This page help you to collect information in present situation of weather.It also help you to solve some common problem that you facing every day .

18/07/2017

দুধের অদ্ভুত কিছু ব্যবহার
==================

পুষ্টিকর খাবারগুলোর মধ্যে দুধ অন্যতম। যে কোন বয়সে সুস্বাস্থ্য ধরে রাখার জন্য দুধের ভূমিকা অপরসীম। দুধ কি শুধু শরীরের পুষ্টি দিয়ে থাকে, নাকি এর অন্য কোনো ব্যবহারও আছে। পান করা বা মজাদার খাবার তৈরি করা ছাড়াও দুধের রয়েছে আরো কিছু ভিন্ন ব্যবহার। মাছের স্বাদ বৃদ্ধি করা থেকে শুরু করে কাপড়ের কালি দূর করতে পারবেন এই দুধ দিয়ে!

দুধের অদ্ভুত কিছু ব্যবহার সম্পর্কে জানতে পারবেন আজকের ফিচার থেকে।

১. পোকার কামড় সারিয়ে তুলতেঃ
যে কোনো পোকার কামড় ব্যথাময়। পোকার এই ব্যথা জ্বালাপোড়া সারিয়ে তুলতে পারবেন দুধ দিয়ে। দুধ এবং লবণ দিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। এই পেস্টটি পোকার কামড়ের স্থানে লাগান। এই মিশ্রণটি ত্বকের চুলকানি কমানোর পাশাপাশি ফোলাভাব কমিয়ে দেবে।

২. মরিচা দূর করতেঃ
অনেক সময় ব্যবহার্য ধাতব জিনিসের ওপর মরিচা পড়ে যায়। দেখতে বিশ্রী দেখায় বলে অনেকেই জিনিষটি ব্যবহার করেন না। কিন্তু এই মরিচা সহজেই দূর করা যায় দুধের সাহায্যে। অর্ধেক কাপ দুধ নিয়ে এতে সামান্য ভিনেগার বা লেবুর রস দিয়ে টক করে নিন। এরপর একটি কাপড় এই দুধে ভিজিয়ে মরিচা পড়া জিনিষ ঘষে নিন। দেখবেন মরিচা দূর হয়ে গেছে।

৩. চিনামাটির পাত্রের ফাটা বন্ধ করতেঃ
শখের চিনামাটির কাপ বা পাত্রটিতে চিড় ধরেছে? ফাটা দাগের জন্য ফেলে দিতে যাচ্ছেন পাত্র বা কাপটি? ভুলেও এই কাজ করবেন না। কাপ বা পাত্রটি একটি বড় পাত্রে রেখে দুধ দিয়ে ডুবিয়ে দিন। এরপর কাপ সহ দুধ চুলায় জ্বাল দিতে থাকুন। দুধ ফুটে উঠলে চুলা থেকে নামিয়ে ঠান্ডা হতে দিন। পরে কাপ বা পাত্রটি দুধ থেকে তুলে দেখবেন ফাটা দাগ বা চিড় দূর হয়ে নতুনের মত হয়ে গেছে। দুধের প্রোটিন চিনামাটির সাথে মিশে যেয়ে এই ফাটা অংশ জোড়া লাগতে সাহায্য করে।

৪. চামড়ার জিনিস চকচকে করতেঃ
চামড়ার জিনিসপত্র দ্রুত উজ্জ্বলতা হারিয়ে ফেলে। এই উজ্জ্বলতা ফিরে আনতে দুধের জুড়ি নেই। একটি কাপড় দুধে ভিজিয়ে সেটি দিয়ে চামড়ার জিনিসপত্র মুছে ফেলুন। এরপর কিছুক্ষণ অপেক্ষা করুন। শুকিয়ে গেল দেখবেন আগের মত সাইন করছে।

৫. শেভিং ক্রিমের বিকল্প হিসেবে দুধঃ
শেভ করতে গিয়ে দেখলেন শেভিং ক্রিম শেষ। এখন কী করবেন? চলে যান রান্নাঘরে, গুঁড়ো দুধ এবং পানি মিশিয়ে ক্রিমের মতো পেস্ট তৈরি করুন।এই পেস্টটি দিয়ে শেভ করুন।

৬. বাগানের মাটি উর্বর করতেঃ
শখের বাগানের মাটি অনেক বেশি শুষ্ক হয়ে গেছে? এই সমস্যা সমাধান করবে দুধ। ১:৪ অনুপাতে দুধ আর পানি মিশিয়ে বাগানের মাটিতে ছিটিয়ে দিন। মাটির উর্বরতা বৃদ্ধি পাবে।

৭. কাপড় থেকে দাগ তুলতেঃ
কাপড় থেকে দাগ তুলতে ব্যবহার করতে পারেন দুধ। কিছুটা অদ্ভুত শোনালেও দুধ দাগ দূর করতে বেশ কার্যকর। কলমের কালি দাগের উপর কিছুটা দুধ দিয়ে দিন কিছুক্ষণ ঘষুন। এই দুধে কাপড়টি সারা রাত ভিজিয়ে রাখুন। পরের দিন সকালে ধুয়ে ফেলুন।

৮. ফ্রিজে রাখা মাছের স্বাদ ফিরিয়ে আনতেঃ
অনেক সময় ডীপ ফ্রিজে কাঁচা মাছ রয়ে যায়। বেশিদিন ফ্রিজে থাকার ফলে মাছের স্বাদ পুরোপুরি নষ্ট হয়ে যায়। এই সমস্যা দূর করে দেবে দুধ। ফ্রিজ থেকে মাছ বের করে ঠান্ডা ছাড়িয়ে মাছ দুধ মিশ্রিত পানিতে ভিজিয়ে রাখুন ৩০ মিনিট। তারপর রান্না করুন। দেখবেন মাছের স্বাদ ফিরে এসেছে এবং গন্ধও নেই একেবারে।

৯. আসবাবপত্র পরিষ্কার করতেঃ
স্প্রে বোতলে দুধ এবং লেবুর রস একসাথে মিশিয়ে মিশ্রণ তৈরি করুন। কাঠের আসবাবপত্রের উপরে স্প্রে করুন। দুধ আসবাবপত্র থেকে ধুলাবালি ময়লা দূর করে আসবাবপত্রে উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করে।

পোষ্ট টা কেমন লেগেছে কমেন্টে জানাবেন। আপনার যদি কমেন্ট করতে কষ্ট হয়,
তাহলে সংক্ষেপে কমেন্ট করুন..
T= (Thanks)
N= (Nice)
E= (Excellent)
V= (very fine)
B= (Bad)
O= (Osthir)..
আপনাদের কমেন্ট দেখলে,,
ভাল ভাল পোষ্ট দিতে সাহস পাই ।........ধন্যবাদ

Photos 06/07/2017
Photos 07/06/2017

প্রেগনেন্সির সময় কসমেটিক্স ব্যবহারে সাবধানতা

আজকাল সবই কম বেশি রূপ সচেতন। বিশেষ করে মেয়েরা কম বেশি প্রতিদিন ক্রিম, ফাউন্ডেশন, লিপস্টিক, নেইলপলিশ লাগায়। আজকাল আবার ক্রিম এর মধ্যে বিভিন্ন রকম ভেদ আছে। যেমন – বলিরাখার ক্রিম, ব্রণ দূর করার ক্রিম, রঙ ফর্সা করার ক্রিম। আর আছে দাঁত সাদা করার পেস্ট, হেয়ার রিমুভাল ক্রিম। কিন্তু আপনি কি জানেন প্রেগনেন্সির সময় এসব বিশেষায়িত কস্মেটিক্স ব্যবহার করলে আপনার অনাগত বাচ্চার উপর কি প্রভাব ফেলবে? একটি জরিপে দেখা গিয়েছে একজন মেয়ে প্রতিদিন ১২ রকমের কস্মেটিকস ব্যবহার করে। প্রেগনেন্সির সময় কিছু কস্মেটিকস পরিহার করা ভালো। আমাদের দেশের ডাক্তাররা এখনও সেইভাবে প্রেগনেন্সিতে নারীকে সতর্ক করে না। গবেষণায় দেখা গিয়েছে যে Retinoids, Lead, Parabens আছে এরকম কস্মেটিকস ব্যবহার করেলে দেহে হরমোনাল পরিবর্তন আসে যা অনগত বাচ্চাকে বিকলাঙ্গ, মানসিক ভাবে ভারসম্যহীন করতে পারে। তাই প্রেগনেন্সিতে নারীদের কিছু প্রসাধনী সামগ্রী পরিহার করা উচিত অথবা সাবধানতা অবলম্বন করা উচিত।

০১. Parabens:

মোটামুটি বলতে গেলে সকল কস্মেটিকস এ এই উপাদান টি আছে, লোশান, ক্রিম, টোনার, ফাউন্ডেশন। Parabens অনেক ধরেনের হয়, যেমন propyl paraben, methylparaben ইত্যাদি। সকল paraben -ই পরিহার যোগ্য। কস্মেটিকস এর গায়ে উপাদানে paraben লেখা থাকলে সেটা ব্যবহার না করাই ভালো। আমাদের দেশে paraben ছাড়া লোশান, ক্রিম কম -ই দেখা যায়। কিছু আছে যেমন Nivea soft cream, J&j lotion(made in Italy) , lotus herbal cream, Himalaya, Biotique Botanicals ইত্যাদি।

০২. Salicylic Acid( BHA or beta hydroxyl Acid) :

এই উপাদানটি মূলত থাকে ব্রণ নির্মূল ক্রিম , বলিরেখা দূর করার ক্রিমে যা মুখ পরিষ্কার করতে সাহায্য করে। Asprin এ যেহেতু Salicylic Acid আছে, তাই এইসময় এটা পরিহার করা উচিত। অতিরিক্ত Asprin গ্রহণে অনেক বড় সমস্যা দেখা দিতে পারে। ব্ল্যাকহেডস দূর করার Scrub এ Salicylic Acid থাকে, তাই scrub ব্যবহার না করে ১ চামচ চিনি আর ১ চামচ মধু দিয়ে Scrub বানিয়ে ব্যবহার করুন।

০৩. Retinol:

Retinol হলো একধরনের ভিটামিন এ , যেটা বলিরখা, ব্রণ দূর করে, স্কিন এর কোলাজেন এর সমতা রাখে। অতিরিক্ত ভিটামিন এ গ্রহণ বাচ্চার উপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলতে পারে, তা প্রমানিত হয়েছে। ভিটামিন এ যুক্ত যেকোন ক্রিম পরিহার করা ভালো।

০৪. Phthalates:

এই উপাদানটি ব্যবহার করা হয় নেইলপলিস তৈরীতে। আর ব্যবহার করা হয় পারফিউম, বডি স্প্রে , হেয়ার স্প্রে ইত্যাদিতে। ২০০৫ এর একটি পরীক্ষাতে দেখা গিয়েছে যে Phthalates যারা বেশি গ্রহণ করে, তাদের অনাগত ছেলে সন্তানের জেনিটল এর ক্ষতিকর পরিবর্তন সাধিত হওয়ায় খুব বড় সম্পর্ক পাওয়া গিয়েছে।

(বিঃদ্রঃ Phthalates বাচ্চা জন্মগ্রহণে কোন ক্ষতি সাধন করে না, শুধু ছেলে বাচ্চার জেনিটল ডেভেলপমেন্ট এ বাঁধা সৃষ্টি করে)

০৫. হেয়ার রিমুভাল ক্রিমঃ

প্রেগনেন্সির সময় এমন কিছু কস্মেটিক্স ব্যবহার করা উচিত না যেটা দেহে তাড়াতাড়ি Absorb করে এবং রক্তের সাথে মিশে যায়। প্রেগন্যান্ট নারীদের জন্য বেশি নিরাপদ হলো হেয়ার রিমুভাল ক্রিম, পারফিউম পরিহার করা। অনেক মেয়েদের-ই গায়ে বেশি লোম থাকে, তারা প্রাকৃতিকভাবে ওয়াক্সিং করাতে পারেন।

০৬. হোয়াইটেনিং টুথ ব্রাশঃ

Peroxide হলো দাঁত ফর্সাকারি পেস্ট এর মুল উপাদান। এটা যেহেতু ব্লিচিং প্রসেস তাই এটা পরিহার করাই ভালো। কিন্তু হোয়াইটেনিং টুথ ব্রাশ অনাগত বাচ্চার উপর কতো টুকু বিরূপ প্রভাব ফেলবে সেটা নিয়ে এখনও ডেন্টিস্টরা সন্ধিহান, কিন্তু পরিহার করার পরামর্শই দিয়েছেন। খুব ভালো হয় রেগুলার নরমাল পেস্ট দিয়ে দাঁত ব্রাশ করা, আর রেগুলার ডেন্টিস্ট এর সাথে চেক আপ করানো।

০৭. সানস্ক্রিন লোশানঃ

সানস্ক্রিন লোশান এ oxybenzone থাকে। একটি পরীক্ষায় দেখা গিয়েছে যে যারা oxybenzone যুক্ত সানস্ক্রিন লোশান মাখে তাদের বাচ্চার ওজন কম হতে পারে। তাছাড়া এই উপাদান প্রেগনেন্সিতে হরমোন কে আরও সেন্সসেটিভ বানাতে পারে নরমাল এর থেকে। সানস্ক্রিন লোশান্‌ ব্যবহার না করে এমন কাপড় পরিধান করুন যেটা পুরো গা ঢেকে রাখে অথবা সকাল ১০ টা থেকে দুপুর ২ টা র মধ্যে ঘরের বাইরে যাওয়া পরিহার করুন। যদি যেতে হয় তাহলে zinc oxide এবং titanium dioxide যুক্ত সানস্ক্রিন লোশান্‌ ব্যবহার করুন, এটি সূর্যের বেগুনী রশ্মি থেকে রক্ষা করবে, আর এই উপাদানটি শরীরে অথবা রক্তে মিশে যায় না।

০৮. Lead:

Lead যেটা লিপস্টিক তৈরীতে ব্যবহার করা হয়। খুব রিসেন্ট পরীক্ষায় দেখা গিয়েছে যে Lead দ্বারা cancer, বাচ্চা বিকলাঙ্গ হতে পারে । কিন্তু দুঃখের বিষয় খারাপ থেকে শুরু করে ভালো অনেক লিপস্টিক কোম্পানির লিপস্টিক এ Lead পাওয়া গিয়েছে, কোম্পানি হার ৬১%। Maybelline color sensational range এর pink petal এ সব চাইতে বেশি Lead পাওয়া গিয়েছে, এই লিপস্টিকটি আমাদের দেশে অনেক জনপ্রিয়। কোন লিপস্টিক এ Lead আছে সেটা জানতে হলে , হাতে লিপস্টিক দিয়ে গোল্ডেন কয়েন দিয়ে ঘষে যদি দেখেন লিপস্টিক এর রঙ কালো হয়ে গিয়েছে, তাহলে বুঝবেন এটায় Lead আছে। আমাদের দেশে পাওয়া যায় মোটামুটি সব লিপস্টিক এ Lead আছে, যেমন Revlon, Loreal , Maybelline । একটু দাম দিয়ে কিনতে পারলে MAC লিপস্টিক কেনা ভালো।

lipstick

প্রেগনেন্সির সময় কস্মেটিক্স ব্যবহার কিছু সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত। সব প্রোডাক্ট এ খারাপ উপাদান থাকে না, খুব ভালো হয় যদি প্রাকৃতিক উপাদান আছে এমন প্রোডাক্ট ব্যবহার করা, আর নতুন কিছু অথবা কোন কস্মেটিক্স ব্যবহার করার আগে সেই প্রোডাক্ট সম্পর্কে ভালো করে জেনে নেওয়া। Parabens যুক্ত প্রোডাক্ট বানাতে ইউরোপ এ নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। আমাদের দেশের মেয়েরাও অনেক সচেতন হয়েছে এই ব্যাপারে।

কিছু ছোট টিপসঃ

প্রেগনেন্সির সময় হরমোনাল পরিবর্তন আসে, এই কারণে অনেকের মুখে ব্রণ উঠে, তখন Accutane (isotretinoin), Retin-A (tretinoin), and tetracyclines ব্যবহারে বাচ্চার জন্মগত কিছু সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই তখন কোন মেডিসিন না খেয়ে ঘরে বসে প্রাকৃতিক ভাবে নিমপাতা, হলুদ বাটা দিতে পারেন। অনেক সময় প্রেগন্যান্ট নারীরা এণ্টি-রিঙ্কেল ক্রিম দিয়ে পেট মালিশ করে, সেটা না করাই ভালো, সেক্ষেত্রে অলিভ অয়েল ব্যবহার অনেক বেশি কাজে দেয়। প্রেগন্যান্ট নারীদের চুলে হাইলাইটস করা থেকে বিরত থাকাটাই বুদ্ধিমানের কাজ। প্রেগনেন্সির সময় ঘাড় কালো হয়ে গেলে ১ চামচ উপ্টান, ১ চামচ হলুদ বাটা, ১ টা এলাচি গুঁড়ো, ১ চামচ ঘি মিক্সড করে ঘাড়ে লাগান ঠিক হয়ে যাবে। রেগুলার ভিটামিন বি কমপ্লেক্স খাবেন।

একটু সচেতন হলে ক্ষতি কি? আশা করি পোস্ট টি আপনাদের ভালো লাগবে।

29/05/2017

চিকুনগুনিয়ার জ্বর অনেকটা ডেঙ্গুজ্বরের মতোই। শরীরের তাপমাত্রা অনেক বেড়ে যায়, ১০৫ ডিগ্রি পর্যন্ত জ্বর উঠতে পারে। তবে কাঁপুনি বা ঘাম হয় না। এটা এক ধরনের ভাইরাসজনিত অসুখ। মশার কামড়ের মাধ্যমে ছড়িয়ে থাকে। মজার ব্যাপার হচ্ছে ডেঙ্গুজ্বরের যে বাহক এডিস মশা, চিকুনগুনিয়ার বাহকও এডিস মশাই। ১৯৫২ সালে পূর্ব আফ্রিকার তানজানিয়ায় চিকনগুনিয়া জ্বরের ভাইরাস প্রথম ধরা পড়ে।

এ রোগের মূল লক্ষণ হচ্ছে
জ্বর: চিকুনগুনিয়ার জ্বর অনেকটা ডেঙ্গুজ্বরের মতোই। শরীরের তাপমাত্রা অনেক বেড়ে যায়, ১০৫ ডিগ্রি পর্যন্ত জ্বর উঠতে পারে। তবে কাঁপুনি বা ঘাম হয় না। এ জ্বর সাধারণত ২-৫ দিন স্থায়ী হয়, এরপর নিজ থেকেই ভালো হয়ে যায়। এবং

গিরায় গিরায় ব্যথা (জয়েন্ট পেইন) এবং ফুলে যাওয়া

সাধারণত অনেকগুলো জয়েন্ট একসাথে আক্রান্ত হয়। হাত পায়ের ছোট ছোট গিরা বা জয়েন্টগুলো প্রধানত আক্রান্ত হয়। সকালবেলা ব্যথা সাধারণত বাড়ে, কাজকর্ম করার সাথে সাথে ব্যথা কমে আসে।

এছাড়াও আরও থাকে:

– মাথাব্যথা

– চোখ জ্বালা করা, চোখের পেছনে ব্যথা হওয়া

– গায়ে লাল লাল দানার মতো র্যাশ

– অবসাদ

– অনিদ্রা

– বমি বমি ভাব

– গলাব্যথা

– পেটে ব্যথা

– কোষ্ঠকাঠিন্য

এছাড়াও রোগীকে পরীক্ষা করার সময় গলার ভেতর প্রদাহ, চোখে প্রদাহ, এবং গলার কাছে লসিকাগ্রন্থিগুলো ফুলে উঠতে দেখা যায়। তবে সব রোগীর ক্ষেত্রেই যে উপরের সবগুলো বৈশিষ্ট্য পাওয়া যাবে তা না। চিকুনগুনিয়ার জ্বর অনেকটা ডেঙ্গুজ্বরের মতোই। শরীরের তাপমাত্রা অনেক বেড়ে যায়, ১০৫ ডিগ্রি পর্যন্ত জ্বর উঠতে পারে। তবে কাঁপুনি বা ঘাম হয় না। এ জ্বর সাধারণত ২-৫ দিন স্থায়ী হয়, এরপর নিজ থেকেই ভালো হয়ে যায়।

চিকিৎসা :
– এ রোগের স্পেসিফিক কোনো চিকিৎসা নেই। চিকিৎসা দেওয়া হয় উপশম নিরাময়ের জন্যে।

– রোগীকে সম্পূর্ণ বিশ্রামে রাখতে হবে।

– প্রচুর পরিমাণে পানি এবং তরলজাতীয় খাবার খেতে হবে।

– কুসুম গরম পানি দিয়ে সারা শরীর মুছে দিতে হবে।

– জ্বরের জন্যে প্যারাসিটামলই যথেষ্ট।

– গিরায় গিরায় তীব্র ব্যথার জন্য নন স্টেরয়ডাল এন্টি ইনফ্ল্যামেটরি ড্রাগস ব্যবহার করা যেতে পারে। তবে এসপিরিন ব্যবহার না করাই শ্রেয়।

– রোগীকে মশারির ভেতর রাখা উচিত। মশার কামড়ে এ রোগ রোগীর কাছ থেকে সুস্থ মানুষে ছড়াতে পারে।

বি.দ্র: এ রোগের কোনো ভ্যাক্সিন বা টিকা নেই। এক্ষেত্রে এন্টিবায়োটিকের কোনো ভূমিকা নেই।

চিকুনগুনিয়া এবং ডেঙ্গুর মধ্যে কিছু পার্থক্য :

এ দুটো রোগের মাঝে পার্থক্য করা অনেকসময়েই মুশকিল হয়ে পড়ে। তবে

১. চিকুনগুনিয়া জীবনে সাধারণত একবারই হয়ে থাকে, তবে ডেঙ্গু একাধিকবার হতে পারে।

২. ডেঙ্গুজ্বরে রোগী সাধারণত ৫-৭ দিনের মধ্যে সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে যায়। তবে চিকুনগুনিয়ায় জ্বর ভালো হয়ে যাবার পরেও রোগী অনেকদিন অসুস্থ ও দুর্বল বোধ করে। বিশেষত গিরায় গিরায় ব্যথাটা বেশ কিছুদিন থাকে।

৩. ডেঙ্গুতে গিরা বা জয়েন্টগুলো ফোলে যায় না, তবে চিকুনগুনিয়ায় এটা থাকে সাধারণত।

৪. চিকুনগুনিয়া জ্বরে রক্তক্ষরণ হয় না এবং প্লেটিলেট বা অণুচক্রিকার পরিমাণ খুব একটা কমে না। তবে ডেঙ্গুতে রক্তক্ষরণ হতে পারে এবং প্লেটিলেটের পরিমাণ বেশ কমে যেতে পারে।

Photos 08/05/2017

ফেরি ওয়ালাদের কাছ থেকে শশা,আমড়া খাবেন না, কারন এগুলোতে ফরমালিন+বিষাক্ত সবুজ রঙ মেশায়,
দেখতে কচি দেখাবার জন্য।
পোস্টটি শেয়ার করে সবাইকে দেখার সুযোগ করে দিন...

Photos 12/03/2016

Surprising Benefits of Aerial Yoga
Aerial yoga delivers heart-healthy benefits, including improved blood pressure, cholesterol, and cardiovascular fitness—enough to reduce risk for heart disease by 10 percent after a six-week program. In a study for the American Council on Exercise, researchers were pleasantly surprised to discover these results, because the practice does not include high-intensity movements. Rather, it follows Hatha yoga principles with an innovation: circus hammocks to lift all or part of the body off the floor.

An earlier study of traditional Hatha yoga found that while it improved strength, flexibility, balance, and relaxation, it did not burn a significant number of calories or have a marked effect on the heart, because of its low intensity. In studies, traditional Hatha yoga burned 144 calories per 50-minute workout, while aerial yoga burned 320.Aerial yoga delivers heart-healthy benefits, including improved blood pressure, cholesterol, and cardiovascular fitness—enough to reduce risk for heart disease by 10 percent after a six-week program. In a study for the American Council on Exercise, researchers were pleasantly surprised to discover these results, because the practice does not include high-intensity movements. Rather, it follows Hatha yoga principles with an innovation: circus hammocks to lift all or part of the body off the floor.

An earlier study of traditional Hatha yoga found that while it improved strength, flexibility, balance, and relaxation, it did not burn a significant number of calories or have a marked effect on the heart, because of its low intensity. In studies, traditional Hatha yoga burned 144 calories per 50-minute workout, while aerial yoga burned 320.

27/02/2016

দৈনন্দিন রূপচর্চায় জাদুকরী টিপস!
প্রতিদিন কাজে বাইরে গেলে অথবা বাসায় বিভিন্ন কাজে আমরা ব্যস্ত থাকি। আর এইসব কাজের মধ্যেই আমাদের অনেক রকমের সমস্যা হতে পারে যা আমরা অনেক সময় সহজে প্রতিকার করতে পারি।

আবার রূপচর্চার কিছু ছোট ছোট সমস্যার সমাধান অনেক কম সময়ে করতে পারি। ব্যস্ততায় নিজের শরীর স্বাস্থ্যের খেয়াল আমরা নিয়মিত রাখতে পারিনা বলে অনেক সমস্যাই হয়। এসবের সমাধানও আমরা চাইলে অল্প কিছু টিপস ফলো করলে প্রতিকার পেতে পারি।

নিচে এমন কিছু টিপস দেয়া হলো-

ত্বকের রং আরও ফর্সা করার জন্য টক দই লাগান মুখে। যাদের ত্বক শুষ্ক তাঁরা মধু ও দই মিশিয়ে নিন। মিনিট বিশেক রাখুন মুখে, তারপরে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে অন্তত তিন দিন এরকম লাগাতে হবে।
প্রাণখোলা হাসি শারীরিক চাপ এবং স্ট্রেস মুক্ত হতে সাহায্য করে। একটি ভালো হাসির পরে ৪০ মিনিট পর্যন্ত শরীরের পেশী শিথিল থাকে।
কাঁচা দুধে তুলা ভিজিয়ে কয়েকদিন ঠোটে ঘষুন ,কালো দাগ উঠে যাবে।
রসুন, পিয়াজ, আমলকী আর কোকোনাট অয়েল একসাথে মিশিয়ে হাল্কা গরম করে মাথায় দিয়ে শ্যাম্পু করুন। এটি চুল বৃদ্ধি করবে আর চুল পরা বন্ধ করবে।
একটি হট ওয়াটার ব্যাগে গরম পানি ভরে আপনার কপালে ও ঘাড়ে লাগান। এর ফলে ওই স্থানের মাসেলগুলো রিলেক্স হবে এবং মাথা ব্যথা ও টেনশন কমবে।


কয়েকটি পেয়ারা পাতা নিন। তারপর এক গ্লাস পানিতে সিদ্ধ করুন। এবার ওই পানি দিয়ে কুলকুচি করুন। দাঁত ব্যাথা কমে যাবে।
তরমুজের বীচি বেটে ত্বকে লাগালে ত্বক ভালো থাকে। এ ছাড়া ত্বকে সরাসরি তরমুজের বীচির তেল লাগালে ব্রণের সমস্যা দূর হয়ে যায়।
খালি পেটে ফলের রস পান করা, কিংবা ফল খাওয়া ডায়াবেটিস রোধে খুবই কার্যকর। তবে দেখা গেছে, স্বাদে তিতা ফলের রস খেলে ভালো ফলাফল পাওয়া যায়। এক্ষেত্রে করোল্লা বা উচ্ছা জাতীয় খাবার সাস্থ্যের জন্য বেশ উপকারী। এগুলো জুস বা ভাঁজি করে খাওয়া যেতে পারে। এজন্য অবশ্য আপনার নিয়মিত খাবারের তালিকা পরিবর্তনের দরকার হবে না।
ঘাড়, গলায় ও মুখে পাউডার লাগানোর সময় হালকা ভেজা স্পঞ্জ ব্যবহার করুন। কমপ্যাক্ট পাউডার সহজে সেট করবে এবং বেশিক্ষণ মেকআপটিকে থাকবে।
নিয়মিত সাইকেল চালালে ওজন কমে। সাইকেল চালালে ক্যালোরি খরচ বৃদ্ধি পায় এবং মেটাবলিজম বা বিপাকের হার বৃদ্ধি করে, যার ফলে ওজন কমতে সাহায্য করে।
নেল পলিশ ব্যবহারের আগে স্বচ্ছ নেল পলিশ লাগান। এতে নখ হলুদ হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়।

Photos 01/02/2016

প্যারাসিটামল খাবেন, নাকি খাবেন না
সাধারণত জ্বর হলেই আমরা প্যারাসিটামলের শরণাপন্ন হই। কিংবা যে কোনো ধরনের ব্যাথায় প্যারাসিটামলই আমাদের একমাত্র ভরসা। কোনো চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়াই আমারা খুব সহজে ফার্মেসি থেকে প্যারাসিটামল কিনে ফেলতে পারি। তবে প্রশ্ন হচ্ছে, সব ধরনের প্যারাসিটামলই কি খাওয়া ঠিক?
দেশে গত জুলাই মাসে জাতীয় ওষুধ নিয়ন্ত্রণ কমিটির ২৪৪তম সভায় এক ধরনের প্যারাসিটামলে অনুমোদন বাতিল করা হয়েছে। সাধারণ অনেকেই মনে করছেন, প্যারাসিটামলই বুঝি নিষিদ্ধ হয়ে গেছে। কিন্তু বাস্তবতা আসলে তা নয়।
প্যারাসিটামল ৫০০ মিলিগ্রাম ও ডি-এল মেথিওনিন ১০০ মিলিগ্রামের যৌগ হয়ে যে প্যারাসিটামল তৈরি হয়, সেটিই ওই ওষুধ নিয়ন্ত্রণ কমিটির সভায় নিষিদ্ধ করা হয়।
প্যারাসিটামল হলো এসিটামিনোফেন নামক এক ধরনের প্রদাহবিরোধী রাসায়নিক পদার্থ। প্রাথমিক পর্যায়ের জ্বর ও ব্যথা-বেদনা কমাতে এটি সাহায্য করে। জ্বর ও ব্যথা-বেদনার সাথে সংশ্লিষ্ট রোগটি কমাতে পরবর্তীতে এটির সাথে বিভিন্ন উপাদান ব্যবহার করা হয়, যেমন ক্যাফেইন, ডি-এল মেথিওনিন ইত্যাদি।
কিন্তু এক সময় প্রমাণিত হলো যে, ডি-এল মেথিওনিন ব্যবহার করলে তা উপকারের পরিবর্তে বরং ক্ষতিই করে। কারণ ডি-এল মেথিওনিনে থাকা মেথিওনিন হৃদরোগ, ক্যানসার, যকৃতের সমস্যা, মস্তিষ্কের ক্ষতি ও রক্তের অম্লতা বৃদ্ধির ঝুঁকি তৈরি করে। এছাড়া ১২ বছরের কম বয়সী শিশুদের জন্য মেথিওনিনযুক্ত প্যারাসিটামল সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
জাতীয় ওষুধ নিয়ন্ত্রণ কমিটির ডি-এল মেথিওনিন যুক্ত প্যারাসিটামলই নিষিদ্ধ করা হয়েছে। তাই ওষুধ কেনার আগে ওষুধের প্যাকেটে এর উপকরণের নাম দেখে তবেই কিনুন। মনে রাখবেন, শুধু প্যারাসিটামল কখনোই নিষিদ্ধ নয়।

Photos 27/01/2016

মাত্র এক মিনিটেই ঘুমিয়ে পড়ার দারুণ কৌশল দিলো আমেরিকান সাইকোলজিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন

• প্রথমে জিভের ডগাটা রাখুন সামনের দাঁতের সারির মাংসল জায়গায়। পুরো ব্যায়ামের সময় জিভ সেখানেই থাকবে।

• এ বার বেশ জোরে ‘হুশশশ’ শব্দ করে মুখ দিয়ে নিঃশ্বাস ছাড়ুন।

• এ বার মুখ বন্ধ করে আস্তে আস্তে নাক দিয়ে নিঃশ্বাস নিন। এ সময় মনে মনে এক থেকে চার গুনুন।

• শ্বাস ধরে রেখে এক থেকে সাত গুনতে শুরু করুন।

• আট গুনে শ্বাস পুরোপুরি ছেড়ে দিন। একই ভাবে ‘হুশশশ’ শব্দ করে শ্বাস ছাড়তে থাকুন।

• এটা হল প্রথম বারের ব্যায়াম। এ ভাবেই মোট চার বার ব্যায়ামটা করুন।

গবেষকদের দাবি, এতে স্ট্রেস কমবে। ফলে ঘুমও আসবে তাড়াতাড়ি। মাত্র এক মিনিটেই!

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Telephone

Website

Address


Al-Haz Samsuddin Mansion 17 Boro Moghbazar New Iskaton Road
Dhaka