Moon Harbal Beauty Parlar
Moon Harbal Beauty Parlar is situated at 29 Maniknagar,Cumilla Potti Goli,2nd Floor,Mugda Thana,Dhak
# সিল্কি চুলের গোপন রহস্য #
প্রতিটি রমনির সবচেয়ে পছন্দের জিনিস হলো তার
চুল। চুল আমনি একটা জিনিস যা সারাজীবন থাকে না।
তাইতো চুলের এত খাতির। আর সেই চুল যদি সিল্কি
হয় তাহলে তো কথাই নেই। অনেক মেয়েরই
স্বপ্ন থাকে ঘনকালো সিল্কি চুলের। চাইলে আপনি
ঘরে বসেই অতি অল্প সময়ে পেতে পারেন
আরাধ্য সিল্কি চুল।
১) এর একটা সহজ উপায় হল, আপনি যে শ্যাম্পু ব্যাবহার
করেন সেই শ্যাম্পু দিয়ে প্রথমে আপনার মাথাআর
চুল ধুয়ে নিন। এর পর এক মগ পানিতে একটি লেবুর
রস বা ভিনেগার ভালো করে মিশিয়ে নিন। তারপর চুল
ভেজা অবস্থাতেই সমস্ত চুলে সেই লেবুর পানি
ধীরে ধীরে ঢালুন। আলতো করে চুলটা মুছে
নিন। চুল শুকিয়ে এলেই তফাতটা দেখতে পারবেন।
২) চুলের যত্নে টকদই এর কোন বিকল্প নেই।
টকদই এর সাথে লেবুর রস মিশিয়ে ব্যবহার করলে
মাথার খুশকি চলে যায় এবং আপনার চুল হয়ে উঠে
সিল্কি প্রাণবন্ত। এক কাপ টক দই এর সাথে একটি
লেবুর রস ও ২ টেবিল চামচ তেল মিশিয়ে প্যাক তৈরি
করুন। এবার গোসলের আগে সমস্ত চুলে এবং
চুলের গোঁড়ায় এই প্যাকটি ভাল করে ধীরে
ধীরে লাগান। এভাবে প্যাকটি মেখে ৩০-৪০ মিনিট
পর শ্যাম্পু করে খুব ভাল ভাবে ধুয়ে ফেলুন। চুলে
শুকিয়ে এলে পার্থক্যটা বুঝতে পারবেন। প্রতি
সপ্তাহে অন্তত দুইবার প্যাকটি চুলে ব্যবহার করতে
পারেন।
৩) যারা চুলের বিভিন্ন রকম সমস্যায় ভুগছেন তাদের
জন্য চুলে মেহেদী ব্যবহার করা জরুরি।
মেহেদী ব্যবহারে চুলের গোড়া শক্ত হয়,
চুলের পুষ্টি ফিরে আসে, খুশকি দূর হয়। সেই
সাথে চুলের ভাঙ্গন দূর হয় এবং চুল হয় স্বাস্থ্য সবল
ও প্রাণবন্ত!
.....Moon Harbal Beauty Parlar......
ঘরোয়া পদ্ধতিতে ব্রণ এবং
ব্রণের দাগ দূর করার সহজ
উপায়
বিভিন্ন কারনে মুখে ব্রন উঠতে
পারে।১৬ থেকে ২৫ বছর
বয়সীদের ব্রন উঠার হার
বেশি।
মুখে ব্রন উঠার অনেকগুলো
কারন আছে। যেমনঃ-
কোষ্ঠকাঠিন্য ,তেল জাতীয়
খাবার বেশী খাওয়া, পরিমিত
ঘুম্ না হওয়া,মুখের লোমকূপের
মুখ বন্ধ হয়ে যাওয়া, এবং
দুশ্চিন্তা। আর তাই
কোষ্ঠকাঠিন্য যাতে না সে জন্য
আঁশযুক্ত খাবার গ্রহন করা,যথা
সম্ভব তেল জাতীয় খাবার
এড়িয়ে চলা
,প্রতিদিন ফেসওয়াস দিয়ে মুখ
ভাল করে পরিস্কার
করা,দুশ্চিন্তা পরিহার করা
এবং প্রতিদিন পরিমিত
ঘুমানোর চেষ্টা করা। তার পর ও
ব্রন উঠলে নখ দিয়ে খোঁটাখুঁটি
না করা উচিত কারন তাতে
ব্রনের জায়গাটি কাল হয়ে
যায়।
মুখের কাল দাগের জন্য কমলার
ছোলা এবং শসা একসাথে পেস্ট
করে সপ্তাহে দুই দিন মুখে মেখে
২০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। রাতে
ঘুমানোর সময় ইউসুবগুলের ভুষি
খান এবং সকালে ঘুম থেকে উঠে
পেট ভরে পানি খান। আশাকরি
উপকার পাবেন। ভাল থাকুন।
......Moon Harbal Beauty Parlar........
সুন্দর হবার সাপ্তাহিক ফেসমাস্ক
=======================
এই ব্যস্ত জীবনে কার এত সময় আছে ত্বকের
যত্নে ব্যয় করার? কিন্তু তারপরও আমরা সবাই চাই
ব্রণহীন, উজ্জ্বল, মসৃণ ও ফর্সা ত্বক। হ্যাঁ, আপনি
চাইলেও কিন্তু পেতে পারেন তা। না, পার্লারে
যেতে হবে না। কিনতে হবে না দামী দামী
প্রসাধনীও। তাহলে উপায়?
খুবই সহজলভ্য উপাদানে তৈরি এই ফেসমাস্কটি
সপ্তাহে মাত্র একবার ব্যবহার করুন, আর তাতেই
আপনার ত্বকের সমস্ত সমস্যা দূরীভূত হয়ে
সৌন্দর্য থাকবে অটুট। ত্বকের বাড়তি তেল কমে
যাবে, ব্রণ ও ব্ল্যাকহেডসের থাকবে না, কালো
দাগছোপ মিলিয়ে যাবে, ত্বক হয়ে উঠবে নরম ও
মসৃণ। যে কোন রকমের ত্বকে বা যে কোন
বয়সের ত্বকেই কাজ করবে এই ফেসমাস্কটি।
আর সময় লাগবে মাত্র ১০ মিনিট। কী করবেন?
চলুন জেনে নিই।
যা লাগবে
১ চা চামচ অলিভ অয়েল
১/২ চা চামচ খাঁটি মধু
১ চা চামচ বেকিং সোডা (বেকিং পাউডার নয়, সোডা।
যে কোন সুপার শপে কিনতে পাবেন)
যা করবে
-প্রথমে মুখ খুব ভালো ভাবে পরিষ্কার করে নিন।
– এরপর সমস্ত উপাদান ভালো করে মিশিয়ে একটা
মসৃণ পেস্ট তৈরি করুন।
-এই পেস্ট পরিষ্কার ত্বকে মাখুন। তারপর ১০ মিনিট
অপেক্ষা করুন।
-১০ মিনিট পর উষ্ণ পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।
-প্রত্যেক সপ্তাহে মাত্র একবার ব্যবহার করলেই
আপনার ত্বক হয়ে উঠবে উজ্জ্বল, সমস্যাবিহীন
ও একেবারেই দাগছোপ মুক্ত।
কীভাবে কাজ করে?
এই মাস্কের মূল উপাদান মধু যা ত্বকে ত্বকে
ব্যাকটেরিয়ার প্রকোপ দূর করার মাধ্যমে ব্রণ
কমায়। এছাড়াও রোমকূপ সংকুচিত করে ফলে ব্ল্যাক
হেডসের সমস্যা দূর হয়। এছাড়াও মধু ত্বককে
টানটান ও সজীব করে তোলে। এছাড়াও এতে
আছে অলিভ অয়েল যা ত্বককে পুষ্টি যোগায়।
আছে বেকিং সোডা, যা ত্বকের মরা কোষ
কয়েক মিনিটের মাঝেই দূর করে দেয় এবং
ত্বকে রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি করে।
Please like and share our page.
04/01/2016
Please share it and like the page.
খুশকি হলে করনীয়
খুশকি হলে করনীয়
চুলে খুশকি থাকলে অস্বস্তিতে দিন কাটাতে
হয়। শ্যাম্পু করলেও চুলে সেই ঔজ্জ্বল্য ভাবটা
ফিরে আসে না। শীতে খুশকির সমস্যা প্রকট
আকার ধারণ করে। মাথা থেকে খুশকি দূর
করতে কিছু নিয়ম মেনে চলতে হবে। খুশকি দূর
করার ঘরোয়া উপায়:
শ্যাম্পু করার আগে চুল ভিজিয়ে নিন এবং
চুলে অল্প করে লবণ ঘষুন।
মেথি সারা রাত পানিতে ভিজিয়ে বেটে
চুলের গোড়ায় লাগিয়ে আধঘণ্টা শিককাই
শ্যাম্পু বা রিঠা দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন।
গোটা বিট সিদ্ধ করে সেই পানি দিয়ে
প্রতিদিন চুলের গোড়ায় ম্যাসাজ করুন।
রাতে শোয়ার আগে লেবুর রস ও আমলকীর রস
মিশিয়ে মাথায় লাগান, সকালে শ্যাম্পু করুন।
রাতে গরম নারিকেল তেল বা অলিভ অয়েল
চুলের গোড়ায় ঘষে লাগান। সকালে
পাতিলেবুর রসের সঙ্গে লবণ মিশিয়ে মাথায়
আরো খানিকটা ঘষুন। এক ঘণ্টা রেখে শ্যাম্পু
করে নিন।
টক দইয়ের সঙ্গে পাতিলেবুর রস ও নিমপাতার
রস মিশিয়ে মাথায় লাগান। আধঘণ্টা পর
শ্যাম্পু করুন। সপ্তাহে দুইবার করতে পারেন।
নারিকেল তেল ও কর্পূর গরম করে মাথায়
লাগান, এক ঘণ্টা পর শ্যাম্পু করুন।
খুশকি দূর করতে সালফার খুব ভালো।
পেঁয়াজে সালফার আছে। পেঁয়াজের রস
মাথায় লাগান। এক ঘণ্টা পর শ্যাম্পু করুন।
সালফারসমৃদ্ধ শ্যাম্পু দিয়ে সপ্তাহে একবার
মাথা পরিষ্কার করতে পারেন।
ডিমের সাদা অংশের সঙ্গে অর্ধেক
পাতিলেবুর রস, নিমপাতার রস ও আদার রস
মিশিয়ে চুলের গোড়ায় লাগান। আধঘণ্টা পর
শ্যাম্পু করুন।
ব্রণ এবং ব্রণের দাগ কিভাবে দূর করা যায়…
ব্রণ এবং ব্রণের দাগ কিভাবে দূর করা যায়…
আমাদের ত্বকের তৈল গ্রন্থি ব্যাটেরিয়া
দ্বারা আক্রান্ত হলে এর আকৃতি বৃদ্ধি পায়
তখন এর ভিতরে পুঁজ জমা হতে থাকে, যা
ধীরে ধীরে বর্ন পরিবর্তন করেব্রণের আকার
ধারণ করে। এটা বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই
বংশগত। ব্রণকে অনেকেই pimple, zit বা spot
বলে থাকে।
সাধারণত টিনেজাররাই সমস্যায় বেশি
ভোগে। বাজারে ব্রণ দূর করার জন্য
নানারকম কসমেটিক্স/ঔষধ পাওয়া যায়।
সেগুলো ব্যবহার করারআগে নিচের ঘরোয়া
পদ্ধতিগুলো অনুসরন করতে পারেন। ঘরোয়া
পদ্ধতি্তে ব্রণ এবং ব্রণেরদাগ দুর করার কিছু
সহজ উপায়ঃ
কাঁচা হলুদ এবং চন্দনকাঠের গুঁড়ো ব্রণের
জন্য খুবই কার্যকর দুটো উপাদান। সমপরিমাণ
বাটা কাঁচা হলুদ এবংচন্দন কাঠের গুঁড়ো
একত্রে নিয়ে এতে পরিমাণ মত পানি
মিশিয়ে পেষ্ট তৈরি করতে হবে।মিশ্রণটি
এরপর ব্রণ আক্রান্ত জায়গায় লাগিয়ে রেখে
কিছুক্ষন পর শুকিয়ে গেলে মুখঠান্ডা পানি
দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে।
এই মিশ্রণটি শুধুমাত্র ব্রণদূর করার কাজ করে
না বরং ব্রণের দাগ দূর করতেও সাহায্য করে।
আপেল এবং মুধ এর মিশ্রণহচ্ছে ব্রণের দাগ
দূর করার সবচেয়ে জনপ্রিয় ঘরোয়া পদ্ধতি।
প্রথমে আপেলের পেষ্ট তৈরিকরে তাতে ৪-৬
ফোঁটা মধু মিশাতে হবে। মিশ্রণটি মুখে
লাগিয়ে কিছুক্ষন অপেক্ষা করেএরপর মুখ
ঠান্ডা পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলতে হবে।
এটি ত্বকের টানটান ভাব বজায় রাখেএবং
কমপ্লেকশন হালকা করে।সপ্তাহে ৫-৬ বার
এটি ব্যবহার করা যেতে পারে।
আপনিকয়েকদিনের মধ্যে পরিবর্তনটা অনুভব
করতে পারবেন।
ব্রণের জন্য তুলসি পাতাররস খুব উপকারী।
কারণ তুলসি পাতায় আছে আয়ূরবেদিক গুণ।
শুধুমাত্র তুলসি পাতার রস ব্রণআক্রান্ত
অংশে লাগিয়ে রেখে শুকিয়ে যাওয়া পর্যন্ত
অপেক্ষা করতে হবে।এরপর কুসুম গরমপানি
দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলতে হবে।
প্রথমে চন্দন কাঠের গুড়োঁরসাথে গোলাপ জল
মিশিয়ে পেষ্ট তৈরি করুন। এরপর এতে ২-৩
ফোঁটা লেবুর রস মিশাণ। গোলাপজল অনেকের
ত্বকের সাথে এডজাষ্ট হয় না।তারা
সেইক্ষেত্রে গোলাপ জলের পরিবর্তে
মুধব্যবহার করতে পারেন।এই পেষ্ট আপনার
ব্রণের দাগ দূর করতে সাহায্য করবে।সপ্তাহে
৩-৪দিন ব্যবহার করতে পারলে ভাল ফল
পাওয়া যাবে।
এছাড়া রাতে শোয়ার আগেডিমের সাদা
অংশ ব্রণ আক্রান্ত জায়গায় মেসেজ করে
সারারাত রাখতে পারেন।এটি আপনারত্বকের
খসখসে ভাব দূর করে।সবচেয়ে ভাল হয় যদি এর
সাথে লেবুর রস যোগ করা যায়।আপনিএটি
সারারাতও রাখতে পারেন আবার আধ ঘন্টা
পরও ধুয়ে ফেলতে পারেন।
প্রতিদিন ৯-১০ গ্লাস পানিখান।
প্রতিদিন রাতের খাবারের পরযেকোন
ধরনের মৌসুমি ফল খান। এটি আপনার ত্বককে
সতেজ রাখবে।যতটা সম্ভব তেলযুক্ত বাফাষ্ট
ফুড জাতীয় খাবার পরিহার করুন।
সবসময় বাহির থেকে আসামাত্র মুখ
ফেসওয়াস দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এছাড়া হালকা
গরম পানির স্টীম নিতে পারেন।এতেকরে
ত্বকে জমে থাকা ধুলোবালি পরিষ্কার হয়ে
যাবে।
যারা বহুদিন যাবত ব্রণসমস্যায় ভুগছেন,কোন
কিছুতেই কাজ হচ্ছে না,তারা আর দেরি না
করে কোন অভিজ্ঞডাক্তারের শরণাপন্ন
হোন।
পেটের মেদ কমানোর সহজ উপায়
পেটের মেদ কমানোর সহজ উপায়
শরীর মোটা নয় কিন্তু পেটে অনেক মেদ কিংবা
দেহের কিছু কিছু স্থানে মেদ জমায় খুবই অস্বস্তি
বোধ করছি। এমন কথা অনেক বেশি শোনা যায়
আজকাল। এর কি কোন গতি নেই? আছে অবশ্যই
আছে। আসুন জেনে নিই কয়েকটি পদ্ধতি যা
আপনাকে শরীরের অবাঞ্ছিত মেদ থেকে
রক্ষা করবে।
১. প্রতিদিন সকালটা শুরু করুন লেবুর সরবত দিয়ে। এটা
হলো পেটের মেদ কমানোর সবচেয়ে
কার্যকরী ১টি পদ্ধতি। ১টি গ্লাসে হালকা গরম পানি
নিয়ে তাতে লেবু চিপে সরবত করে নিন। সাথে
একটু লবণ মিশিয়ে নিবেন। ইচ্ছে হলে একটু মধুও
মিশিয়ে নিতে পারেন। কিন্তু চিনি মিশাবেন না। প্রতিদিন
সকাল বেলা এই সরবতটি পান করুন। এই সরবত আপনার
বিপাক প্রক্রিয়া বাড়ায় এবং পেটের মেদ কমায়।
২. সাদা ভাত কম খান অথবা কিছুদিনের জন্য ছেড়ে
দিন সাদা চালের ভাত খাওয়া। সাদা চালের ভাতের বদলে
বিভিন্ন গম জাতীয় শস্য যুক্ত করে নিন আপনার
প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায়। তাছাড়া লাল চালের ভাত,
গমের রুটি , ওটস, অন্যান্য শস্য যুক্ত করে নিতে
পারেন।
৩. চিনি জাতীয় খাবার থেকে দূরেই থাকুন একটু।
অর্থাৎ চিনিকে না বলুন এবং মিষ্টি জাতীয় খাবার যেমন
মিষ্টি, চকলেট, আইসক্রিম, ফিরনী, সেমাই ইত্যাদি
থেকে কিছুদিন এর জন্য বিদায় নিয়ে নিন।
৪. উচ্চ তেল যুক্ত খাবার এবং কোল্ড ড্রিঙ্কস
গুলো শরীরের বিভিন্ন জায়গায় চর্বি জমিয়ে
রাখে। যেমন আমাদের পেট কিংবা উরু। সুতরাং
বুঝেই ফেলেছেন যে এই খাবার গুলো তালিকা
থেকে বাদ দিয়ে দিতে হবে।
৫. প্রচুর পরিমানে পানি পান করুন যদি আপনি আপনার
পেটের মেদ কাটিয়ে উঠতে চান তবে প্রতিদিন
পর্যাপ্ত পরিমানে পানি পান আপনার শরীরের
বিপাকের হার বাড়ানোর পাশাপাশি আপনার শরীরের
বিষাক্ত উপাদান গুলোকে দূর করে দিবে। তাই
পানিকে প্রাকৃতিক ক্লিঞ্জার বলা হয়।
৬. কাঁচা রসুনের কয়েক কোয়া সকাল বেলা চুষে
খান এবং তার পরে লেবুর সরবতটি খান। এই চিকিৎসাটি
আপনার ওজন কমানোর জন্য সাহায্য করবে এবং
শরীরের রক্ত প্রবাহ সহজ করবে।
৭. যতদিন পেটের মেদ না কমবে ততদিন নন-
ভেজ খাদ্য অর্থাৎ মাংস, মাছ, দিম, দুধ বাদ দিতে হবে।
তবে মাছের টুকরোর চামড়া ফেলে খাওয়া
যেতেই পারে। কিন্তু তুলনামূলক কম খাওয়া উচিত।
৮. খাদ্য তালিকাটি ফল আর সবজি দিয়ে পরিপূর্ণ করে
নিন। প্রতিদিন সকাল এবং বিকাল এই দুই সময় ফল ও সবজি
খান। তবে এক্ষেত্রে পানি জাতীয় ফল বাছাই
করুন। এই অভ্যাসটি আপনার দেহে এন্টিঅক্সিডেন্ট,
ভিটামিন এবং খনিজলবণ এর ঘাটতি পূরণ করবে।
৯. ঝাল খাবার খান। অবাক হচ্ছেন? অবাক হবেন না।
ঝাল খাবেন কিন্তু ঝাল গুলো আসবে দারচিনি, আদা,
গোলমরিচ এবং কাঁচামরিচ থেকে। এগুলো রান্নায়
ব্যবহার করুন। এই মশলা গুলো স্বাস্থ্যকর। এগুলো
শরীরের ইনসুলিন সরবরাহ বাড়ায় এবং রক্তের সুগার
লেভেল কমাতে সাহায্য করে। তাই এগুলো
ডায়াবেটিস রোগীর জন্যও বেশ উপকারী।
১০. সবকিছুর পরেও মেদ কমাতে ব্যায়ামের বিকল্প
নেই।
মনেমনে ভাবছেন সব খাবারই নিষিদ্ধ। কিন্তু সুন্দর
ও সুস্থ দেহ পেতে হলে কিছুটা তো সহ্য
করতেই হবে। কথায় আছে না “কিছু পেতে হলে
কিছু হাড়াতে হয়।
Moon Harbal Beauty Parlar.
ব্রণের দাগ দূরীকরণের প্রাকৃতিক উপায়
জীবনের বিভিন্ন ধাপ পার করার সময় সবাইকে
মুখোমুখি হতে হয় অনেক অনাকাঙ্ক্ষিত সমস্যার।
এগুলোর মধ্যে অন্যতম একটি সমস্যা হল ব্রণ। শুধু
কিশোর কিশোরীই নয়। আজকাল তরুন তরুণী,
মধ্যবয়সী নারীরাও এই সমস্যার সম্মুখীন
হচ্ছেন। বাজারের বিভিন্ন রং ফর্সাকারী ক্রিম ব্যবহার
করে ত্বকের ক্ষতিসাধন করছেন। কে চায় এত
সুন্দর মুখশ্রীর উপর ব্রণ বা এর দাগ!!
ব্রণ দূর করার চেয়ে ব্রণের দাগ দূর করা বেশ
কঠিন। প্রাকৃতিক উপাদান এবং ডাক্তারের সাহায্যে ব্রণ
দূর করা যায়। কিন্তু ব্রণের এই জেদি দাগগুলো
থেকেই যায়। কিছুতেই যেতে চায় না। তবে একটি
প্রবাদ আছে , “নাথিং ইজ ইম্পসিবল”। অসম্ভব বলে
কিছু নেই। যদিও সময় একটু বেশি লাগবে, কিন্তু
নিয়মিত চেষ্টায় কিছু প্রাকৃতিক উপাদানের সহায়তায় এই
দাগ ধীরে ধীরে দূর করা সম্ভব। এই
উপাদানগুলো প্রাকৃতিক ব্লিচিং হিসেবে কাজ করবে
এবং আপনার ত্বক থেকে স্থায়ীভাবে দাগ দূর
করবে।
প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধ ভালো। তাই আমি
অবশ্যই বলব ত্বকের জন্য নির্দিষ্ট কিছু অভ্যাস
ত্যাগ করা ও ভালো কিছু অভ্যাস তৈরি করা।
১। আপনার ব্রণ থেকে নখকে দূরে রাখুনঃ
আপনার ব্রণের সাথে খেলবেন না। একে একা
থাকতে দিন। ভুলেও নখ লাগাবেন না বা চাপ দিবেন
না। চুলকানি হলেও স্পর্শ করা থেকে নিজেকে
বিরত রাখবেন। আর যদি প্রতিকারের জন্য কোন
ওষুধ বা কোনও কিছু ব্যবহার করেন, তবে অবশ্যই
আলতোভাবে করতে হবে।
২। সূর্যের সংস্পর্শ থেকে দূরে থাকুনঃ
সূর্যের আলোতে ব্রণের দাগ বসে যায়। তাই
চেষ্টা করবেন সূর্যের সংস্পর্শ থেকে
নিজেকে দূরে রাখার। কিন্তু বাইরে না গিয়ে তো
উপায় নেই। তাই যখনই বাইরে যাবেন, তখন অবশ্যই
সানস্ক্রিন ক্রিম লাগিয়ে যাবেন। আর ছাতা, হ্যাট, ওড়না,
স্কার্ফ ইত্যাদি দিয়ে নিজের ত্বককে সূর্যের রশ্মি
থেকে বাঁচানোর চেষ্টা করবেন।
ব্রণের দাগ দূর করার প্রাকৃতিক প্রতিকারঃ
১।লেবুঃ
(ক) লেবু একটি প্রাকৃতিক ব্লিচ। লেবুর রসের
সাথে সামান্য পানি মিশিয়ে একটি তুলার বলের সাহায্যে
তা মুখে ৩-৪ মিনিট ঘষুন।
(খ)যদি সেনসিটিভ স্কিন হয় তাহলে এর সাথে
গোলাপ জল মিশিয়ে নিবেন। সম্ভব হলে ১ চামচ
লেবুর রসের সাথে ২ চামচ ই ক্যাপসুল মিশিয়ে
ত্বকে লাগাতে পারেন। ভিটামিন ই ক্যাপসুল ত্বকের
জন্য খুবই উপকারী। এছাড়া একটানা ৭-১০ দিন নিচের
ফেস প্যাক ব্যবহার করতে পারেন।
লেবুর ফেসপ্যাকঃ ১ টেবিল চামচ লেবুর রস, ১
টেবিল চামচ মধু, ১ টেবিল চামচ আমন্ড তেল, ২
টেবিল চামচ দুধ একসাথে মিশিয়ে মুখে লাগান।
শুকিয়ে গেলে ধুয়ে ফেলুন। ব্রণ থাকা অবস্থায়
দুধ ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন।
২।মধুঃ
(ক) রাতে ঘুমানোর আগে মুখ ভালো করে ধুয়ে
মধু লাগান। সারারাত তা রেখে সকালে ঘুম থেকে
উঠে তা ধুয়ে ফেলুন।
(খ) মধুর সাথে দারুচিনি গুঁড়া মিশিয়ে শুধুমাত্র দাগের
উপর লাগিয়ে ১ ঘণ্টা পর ধুয়ে ফেলুন। চাইলে
সারারাতও রাখতে পারেন।
মধুর ফেসপ্যাকঃ ২-৩ টি এস্পিরিন ট্যাবলেট এর সাথে
২ চামচ মধু ও ২-৩ ফোঁটা পানি মিশিয়ে ফেসপ্যাক তৈরি
করুন। এস্পিরিন এর স্যালিসাইলিক এসিড ব্রণের দাগ
দূরের জন্য খুবই সহায়ক।
৩। অ্যালোভেরা জেলঃ
দিনে দুইবার অ্যালোভেরা জেল মুখে লাগান এবং
৩০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। এটি শুধুমাত্র ব্রণের
দাগই দূর করবে না, বরং আপনার ত্বকের উজ্জ্বলতা
বৃদ্ধি পাবে এবং টানটান হবে।
৪। বেকিং সোডাঃ ২ টেবিল চামচ বেকিং সোডা ও
সামান্য পানি একসাথে মিশিয়ে মুখে ২-৩ মিনিট ঘষুন এবং
শুকানোর জন্য কয়েক মিনিট অপেক্ষা করুন। এরপর
মুখ ধুয়ে এর উপর কোনও ময়েশ্চারাইজার ক্রিম বা
অলিভ অয়েল লাগান।
৫।একটি লাল টমেটোর কিছু অংশ নিয়ে তার রস নিন।
এরপর তা শশার রসের সাথে মিশিয়ে নিন। এই মিশ্রণটি
মুখে লাগান। ১০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে ৩
বার এই প্যাকটি লাগান। ব্রণের দাগ দূর তো হবেই
সেই সাথে রোদে পোড়া দাগ দূর হয়ে
ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি পাবে।
উপরের সবগুলো উপাদান ত্বকের দাগ দূরের
জন্য বেশ উপকারী। আপনার ত্বকের ধরন
অনুযায়ী যে উপাদান বেশি ভালো তা ব্যবহার করুন
এবং আপনার মূল্যবান ত্বকের যত্ন নিন, বেশি করে
পানি পান করুন, সুস্থ থাকুন।
Moon Harbal Beauty Parlar.
শশার গুণাগুণ
শশা একটি উপকারি সবজি। শশা রান্না ছাড়াই সালাদ হিসেবে
বা এমনিই খাওয়া যায়। এই শশার ভেষজ গুনের শেষ
নেই। সৌন্দর্য পিপাসু নারী-পুরুষেরা শশা ত্বকের
যত্নে ব্যবহার করতে পারেন। এছাড়া পরিপাকতন্ত্র
সুস্থ রাখতে এবং শরীরের অতিরিক্ত মেদ ঝরাতে
শশার বিকল্প নেই। চলুন এবার জেনে নেয়া যাক
শশার গুণাগুণ।
পানিশূন্যতা দূর করে
সারাদিন কাজের ব্যস্ততার কারণে পর্যাপ্ত পানি পান
করা হয় না অনেকেরই। এই পানি ঘাটতি দূর করতে
শশার তুলনা হয় না। শশায় ৯০ ভাগ পানি থাকায় শরীরের
প্রয়োজনীয় পানির অভাব দূর করে শরীর সুস্থ
রাখে।
শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে
নিয়মিত শশা খেলে শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে
থাকে। এছাড়া যাদের গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা আছে
তাদের জন্য খুবই উপকারী শশা।
শরীরের ক্ষতিকর পদার্থ দূর করে
শরীরে জমে থাকা ক্ষতিকর পদার্থ দূর করে
শরীর ভালো রাখে, সেইসঙ্গে কিডনি থাকে
সুস্থ।
ভিটামিনের চাহিদা পূরণ করে
শশা শরীরের ভিটামিনের চাহিদা পূরণ করে। ভিটামিন
‘এ’ ‘বি’ এবং ‘সি’র চাহিদা পূরণ করে শরীরকে
শক্তিশালী করে তোলে। শশার সবচেয়ে
ভালো পুষ্টি পেতে হলে সবুজ শাক এবং গাজরের
সঙ্গে খাওয়া ভালো।
ত্বকের বন্ধু
শশায় উচ্চমানের পটাসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম এবং সিলিকন
রয়েছে, যা ত্বকের জন্য খুবই ভালো। শশা নখ ও
চুলের উজ্জ্বলতা বাড়িয়ে দেয়। চুল তাড়াতাড়ি
বৃদ্ধিতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে।
হজমে সহায়তা করে ও ওজন কমায়
শশাতে রয়েছে প্রচুর পানি এবং অল্প পরিমান
ক্যালরি। ফলে যারা ওজন কমাতে চান তাদের জন্য
শশা আদর্শ খাবার। শশা খেলে খাবার দ্রুত হজম হয়।
প্রতিদিন শশা খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হয়।
চোখ ভালো রাখবে
শশা গোল গোল করে কেটে চোখের ওপর
১০ থেকে ১৫ মিনিট দিয়ে রাখলে চোখের
ক্লান্তি দূর হয়, সেইসঙ্গে চোখের জ্বালাপোড়া
দূর করে চোখ ভালো রাখে।
মুখের দুর্গন্ধ দূর করে
শশা মুখের জীবানুর বিরুদ্ধে লড়াই করে। শশায়
বিদ্যমান ফাইটোক্যামিকেলস মুখের ভেতরের
জীবানুকে ধ্বংস করে মুখের দুর্গন্ধ দূর করে।
মাথাব্যথা দূর করে
যাদের সকাল বেলা মাথাব্যথা হয় তারা যদি সকালে
উঠেই কয়েক টুকরা শশা খান তাহলে তা দূর হতে
পারে।
শশার উপকারিতা :
শরীরকে ঠান্ডা রাখতে : ফাইবার ও ফ্লুইডে সমৃদ্ধ
শশা শরীরে ফাইবার ও ওয়াটার ইনটেক বাড়াতে
সাহায্য করে। গরমের দিনে শশার রসের সাথে
সেলেরিরি জুস মিশিয়ে খেতে পারেন। এটা
শরীরের তাপমাত্রা নরমাল রাখতে সাহায্য করবে।
ব্লাড প্রেশার নিয়ন্ত্রনে : ভিটামিন সি, সিলিকা, পটাশিয়াম,
ম্যাগনোশিয়াম ও ফাইবার হাই ব্লাড প্রেসার
নিয়ন্ত্রনে রাখতে সাহায্য করে শশা। তাছাড়া শশায়
রয়েছে স্টেরল নামের একধরণের উপাদান যা
কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রনে রাখতে সাহায্য করে।
স্টেরল মুটিয়ে যাওয়া রোধ করতেও সাহায্য করে।
কমে যায় অ্যাসিডিটি : হজম ও কনস্টিপেশনের
সমস্যার সমাধানে ডায়েটে শশা রাখতে পারেন।
কারণ শশাতে আছে এরেপসিন নামের আনজাইম।
আলসার গ্যাস্ট্রাইটিস, অ্যাসিডিটির ক্ষেত্রেও তাজা
শশার রস উপকারী। শরীরের পিএইচ সমতা বজায়
রাখে শশা।
সুস্থ থাকে বৃক্ক : বৃক্ক(কিডনি), ইউরিনারি ব্লাডার,
লিভার ও প্যানক্রিয়াসের সমস্যায় ডায়েটে শশা
রাখতে পারেন। শশা বা শশার রস ডায়াবেটিস
রোগীদের জন্যও উপকারী।
টিস্যুর উন্নয়নে : ত্বকের স্বাস্থ্যের জন্যও শশা
খুব ভাল কাজ করে। ত্বক পরিষ্কার রাখতে শশার
স্লাইস, জুস প্রভৃতি বেশ কাজে দেয়। শশায় উপস্থিত
সিলিকা মালস, কার্টিলেজ, লিগামেন্টের কানেকটিভ
টিস্যু গড়ে ওঠে। খনিজ উপাদান সমৃদ্ধ শশা নখ, দাঁত ও
মাড়ির জন্য ভাল।
Moon Harbal Beauty Parlar.
Please like the page.
দারুণ কার্যকরী ৪ টি উপায় ত্বকের বিচ্ছিরি
দাগ দূর করার.......
ত্বকে দাগ যেকোনো কারণেই হতে
পারে। কিন্তু সমস্যা হলো ত্বকের দাগ
অনেক যন্ত্রণাদায়ক তা সে যে ধরণের
দাগই হোক না কেন। ত্বকে দাগ
থাকলে তা আমাদের আত্মবিশ্বাসের
উপর বেশ প্রভাব ফেলে। না চাইলেও
ত্বকের দাগের কারণে অনেকে
নিজেকে আড়ালে লুকিয়ে রাখতে
চান। সব জায়গায় ও সবার সামনে
উপস্থিত হতে ইতস্ততবোধ করেন। আজকে
জেনে নিন এমনই কিছু দাগ দূর করার
পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াবিহীন দারুণ
কার্যকরী কিছু উপায়।
যে কারণে ত্বকে হতে পারে দাগ
১) কেটে যাওয়ার পর দাগ
২) এক্সিডেন্টে তৈরি হওয়া দাগ
৩) ব্রণের দাগ
৪) পোড়া দাগ
৫) কোনো কিছুর কামড়ের দাগ
দাগ দূর করার উপায়
১) কাঠবাদামের ব্যবহার
৩ টি কাঠবাদাম পুরো রাত পানিতে
ভিজিয়ে রাখুন। সকালে
কাঠবাদামের উপরের বাদামী
পাতলা খোসা ছাড়িয়ে পিষে নিন
ভালো করে। এরপর এতে গোলাপজল
মিশিয়ে পেস্টের মতো তৈরি করুন। এই
পেস্ট নিয়মিত লাগান দাগের উপরে।
খুব দ্রুত ফলাফল নজরে পড়বে।
২) বেকিং সোডার ব্যবহার
১ টেবিল চামচ বেকিং সোডায়
পরিমাণ মতো পানি মিশিয়ে
পেস্টের মতো তৈরি করে ফেলুন। এরপর
এই পেস্ট ত্বকের দাগের উপরে
লাগিয়ে রাখুন শুকিয়ে যাওয়া পর্যন্ত।
এরপর ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।
এই পদ্ধতি সপ্তাহে ৩ দিন ব্যবহারেই
দ্রুত দাগের সমস্যা থেকে রেহাই
পাবেন।
৩) মধুর ব্যবহার
মধু প্রাকৃতিক অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। মধু
ত্বকের দাগ দূর করতে বেশ কার্যকর।
প্রতিদিন প্রাকৃতিক ভালো মধু ত্বকের
দাগের উপরে ভালো করে ম্যাসেজ
করুন। তারপর ভালো করে ধুয়ে ফেলুন। এই
কাজটি নিয়মিত করবেন। মধু ব্যবহারের
পরপরই ত্বকে কোনো প্রসাধনী ব্যবহার
করবেন না। ৩-৪ ঘণ্টা পরে ব্যবহার করুন।
৪) টকদইয়ের ব্যবহার
সমপরিমাণ টকদই, বার্লি ও হলুদগুঁড়ো
একসাথে ভালো করে মিশিয়ে
পেস্টের মতো তৈরি করে নিন। এই
পেস্ট ত্বকের দাগের উপরে লাগিয়ে
রাখুন। শুকিয়ে গেলে ঠাণ্ডা পানি
দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। হলুদ সেই
প্রাচীনকাল থেকে ত্বকের দাগ দূর
করার কাজে ব্যবহার করা হয়। বেশ
ভালো ফলাফল পাবেন। হলুদের দাগ
নিয়ে চিন্তা করবেন না। মেকআপ
রিমুভার দিয়েই হলুদের হলদেটে দাগ
দূর করতে পারবেন।
Moon Harbal Beauty Parlar.
হাত পায়ের যত্নে প্রাকৃতিক উপাদান.....................
আমরা সবাই হাত এবং পায়ের
কথা ভুলে গিয়ে মুখের যত্ন নিয়ে সবসময়
ব্যস্ত থাকি। সুন্দর হাত পা মুখের মতই
সমানভাবে ইম্পরট্যান্ট। সূর্যরশ্মির
সরাসরি প্রভাবের কারণে মেলানিন
উৎপাদন বেড়ে যায়। ফলস্রুতিতে আমদের
ত্বকে কালচে ছোপ পড়ে।
যদি আপনি ফর্সা ত্বকের
অধিকারী হয়ে থাকেন কিন্তু হাত
পা কাল হয়ে থাকে তাহলে আর লজ্জায়
ভুগবেন না। কারন
নীচে দেয়া টিপসগুলোর প্রাত্যহিক
ব্যবহার আপনাকে সবার সামনে অপদস্ত
হওয়া থেকে বাঁচাবে।
01. কমলার
খোসা শুকিয়ে সেটা গুঁড়ো করে কাঁচা দুধের
সাথে মিশিয়ে নিয়মিত
হাতে পায়ে লাগান,অবশ্যই ভাল ফলাফল
পাবেন।
02. শশা, টমেটো এবং লেবুর রসের
সাথে চন্দন
গুঁড়ো মিশিয়ে হাতে পায়ে লাগান
আর ১৫ মিনিট পরেই দেখুন
কালচে পড়া হাত পায়ের উজ্জ্বলতা।
03. ২ টেবিল চামচ বেসন, ২
চিমটি কাঁচা হলুদ, ২-৩ ফোঁটা লেবুর রস
আর ১ চা চামচ দুধ দিয়ে প্যাক
বানিয়ে ফেলুন। হাতে এবং পায়ে ৫
মিনিট ভাল ভাবে ম্যাসাজ করুন এই
প্যাকটি। তারপর ২০ মিনিট
পরে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।
তবে মনে রাখবেন হলুদ কিন্তু
সবাইকে স্যুট করে না। তাই আগে একটু
টেস্ট করে নিবেন কাঁচা হলুদ আপনার বন্ধু
না শত্রু।
04. ঘৃত কুমারীর নাম আমরা সবাই শুনেছি।
এটির থকথকে জেলটা হাতে পায়ে রাব
করলে ভাল উপকার পাওয়া যায়।
05. ১ টেবিল চামচ গুড়োঁ দুধ, ১ টেবিল
চামচ মধু, ১ টেবিল চামচ লেবুর রস ভাল
ভাবে মিশিয়ে হাত পায়ে ১০-১৫
মিনিট লাগিয়ে রাখুন। তারপর
পরিষ্কার করুন। এই প্যাকটি শাইন
আনবে আর সানটান দূর করবে।
06. কাঁচা আলুর রস দিনে ২বার
করে ব্যবহার করলেও খুব দ্রুত উজ্জ্বল
লাবণ্যময় হাত পা দেখে নিজেই অবাক
হবেন।
07.এই প্যাকটি শুষ্ক ও স্বাভাবিক ত্বকের
জন্য ভীষণ উপকারী। সম পরিমাণ লেবুর রস
আর মধু মিশিয়ে হাতে পায়ে লাগান।
কিছুক্ষণ পর ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।
08. এক চা চামচ লেবুর রস, এক চা চামচ
শশার রসের সাথে এক চিমটি হলুদের
গুঁড়ো মিশিয়ে একটি পেস্ট
বানিয়ে হাতে পায়ে লাগিয়ে শুকানো
পর্যন্ত
অপেক্ষা করুন আর ২ সপ্তাহ পর সবার
প্রশংসা পাবার জন্য তৈরি থাকুন। এই
প্যাক প্রতিদিন ব্যবহার করবেন।
09. ফর্সা হাত পায়ের জন্য ৩ চামচ
বোরাক্স পাউডার, ২ চামচ গ্লিসারিন
আর ২ কাপ গোলাপ জলের পেস্ট
তৈরি করুন। হাত পায়ে লাগিয়ে ১৫-২০
মিনিট রেখে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।
10. ২ মগ পানিতে একটি লেবুর অর্ধেক রস
মিশিয়ে হাত পা ডুবিয়ে রাখুন।
এইভাবে দিনে ৩বার করুন।
11. আপনার
যদি টমেটোতে অ্যালার্জি না থেকে থাকে
তাহলে কয়েক
ফোঁটা লেবুর রসের সাথে টমেটোর
ক্লাথ মিশিয়ে হাতে এবং পায়ে ব্যবহার
করুন
আর ১৫ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন।
12. আমরা সবাই জানি দই সানটান
কমাতে খুবই উপকারী। প্লেন টক দই
হাতে পায়ে মেখে কিছুক্ষন
অপেক্ষা করুন তারপর ধুয়ে ফেলুন।
প্রত্যেকদিন ব্যবহার করলে ৭দিনের
মধ্যে সুফল পাবেন।
Moon Harbal Beauty Parlar.
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Telephone
Website
Address
29, Maniknagar, Dhaka-1203
Dhaka
29,MANIKNAGAR,DHAKA.
