Venus Beauty Salon and Spa

Venus Beauty Salon and Spa

Share

Be beautiful

17/05/2016

Venus er 7din er package. Venus er shokol shebay 40% discount. For details - 01819143188

08/03/2016

প্রায় সব মেয়েদের অভিযোগ থাকে চুলের রুক্ষতা নিয়ে। সিল্কি, শাইনি চুল প্রতিটি মেয়ের কাম্য। আর এই চুল সিল্কি করার জন্য কত কিছুই না করতে হয়! কাঁড়ি কাঁড়ি টাকা খরচ করতে হয় পার্লারে গিয়ে। কিন্তু হঠাৎ করে কোন উৎসব এসে পড়লে তখন পার্লারে যাওয়ার সময় হয়ে উঠে না। আবার এই রুক্ষ, এলোমেলো চুল নিয়ে ঘুরতে যাওয়াও সম্ভব হয় না। ফাল্গুনে চুলের খোঁপা, বেনী করে অনেকেরই চুল ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে গেছে। হারিয়ে ফেলেছে তার উজ্জ্বলতা। তাহলে কি ভালোবাসা দিবসে এই এলোমেলো চুল নিয়ে ঘুরতে যেতে হবে? একদমই না, এই রক্ষ, এলোমেলো চুল সিল্কি ঝলমলে করে তুলুন সহজ একটি উপায়ে।
যা লাগবে:
কফি
স্প্রে বোতল
যেভাবে ব্যবহার করবেন:

১। প্রথমে চুল শ্যাম্পু করে নিন।
২। এবার কফি তৈরি করে নিন। ইন্স্যট্যান্ট কফি ব্যবহার করবেন না। রেগুলার কফি ব্যবহার করুন।
৩। কফিটি ঠান্ডা করে নিন।
৪। এবার একটি স্প্রে বোতলে কফি ঢেলে নিন।
৫। কফি দিয়ে চুলের আগা থেকে গোড়া পর্যন্ত ভাল করে স্প্রে করুন।
৬। কমপক্ষে ৫ মিনিট এভাবে রাখুন।
৭। তারপর পানি দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন।
৮। আর পেয়ে যান ঝলমলে সিল্কি চুল।
সতর্কতা:
১। ডাই করা চুলে কফি ব্যবহার করবেন না।
২। কফি ব্যবহার করার পর শ্যাম্পু করবেন না। তার আগে শ্যাম্পু করে নিবেন।
৩। এটি প্রতিদিন ব্যবহার করবেন না। বিশেষ কোন উৎসবের আগে করে এটি ব্যবহার করতে পারেন।

08/03/2016

ত্বকের সবচেয়ে বিরক্তিকর সমস্যাটি হল কালো দাগ বা ব্লেমিশ। ব্রণ, সা্নবার্ন বিভিন্ন কারণে ত্বকে কালো দাগ পড়তে পারে। মুখের কালো দাগ ত্বকের সৌন্দর্য হানি করে দেওয়ার জন্য দায়ী। বাজার ঘুরলে অনেক নামী দামী ক্রিম পাওয়া যাবে যা ত্বকের কালো দাগ দূর করে থাকে। কিন্তু খুব বেশি ক্রিম ব্যবহারে ত্বকের উপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে দিয়ে থাকে। ঘরোয়া উপায়ে ত্বকের কালো দাগ দূর করা সম্ভব। সহজ একটি ফেসপ্যাক ব্যবহার করে দূর করে ফেলুন ত্বকের কালো দাগ।
যা যা লাগবে:

১ চা চামচ টমেটোর পেস্ট
১ টেবিল চামচ মধু
১/২ চা চামচ লেবুর রস
যেভাবে তৈরি করবেন:

১। প্রথমে মুখটি পরিষ্কার করে নিন। তারপর একটি তোয়ালে দিয়ে মুখটি মুছে নিন।
২। টমেটোর পেস্ট, লেবুর রস এবং মধু ভাল করে মিশিয়ে নিন।
৩। এবার এই প্যাকটি আঙুল দিয়ে ম্যাসাজ করে ত্বকে লাগিয়ে নিন।
৪। ১০ মিনিট অপেক্ষা করুন।
৫। ১০ মিনিট পর শুকিয়ে গেলে কুসুম গরম পানি দিয়ে মুখটি হালকাভাবে ধুয়ে ফেলুন তারপর ঠান্ডা পানি দিয়ে মুখ ভাল করে ধুয়ে নিন।
কার্যকারিতার কারণ:

টমেটো:
টমেটোতে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান আছে যা ত্বকের বলিরেখা পড়া থেকে রক্ষা করে। এমনকি এটি ত্বকের কালো দাগ দূর করে উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করে থাকে।
মধু:
মধুর অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল এবং অ্যান্টিসেপটিক উপাদান ত্বকের কোষগুলো ময়োশ্চারাইজ করে ত্বক নরম কোমল করে তোলে।
লেবুর রস:

লেবুতে প্রাকৃতিক ব্লিচিং উপাদান রয়েছে যা ত্বকের কালো দাগ দূর করে ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করে থাকে।
টিপস:
১। এই প্যাকটি যখন ব্যবহার করবেন তখন তৈরি করে নেওয়া ভাল। তবে আপনি চাইলে বেশি করে তৈরি করে ফ্রিজে রেখে দিতে পারেন। তবে এক সপ্তাহের বেশি ফ্রিজে রাখা ভাল নয়।
২। এই প্যাক ব্যবহারের আগে ত্বকের পোরগুলো স্টিম করে খুলে নিন।

08/03/2016

কথায় আছে “কুড়িতে বুড়ি”। কেউ কি কুড়িতে বুড়ি হতে চায়? কেউ চায় না। এই বয়স ধরে রাখার জন্য কত শত চেষ্টা। অথচ চুল সব চেষ্টাকে বৃথা করে দিচ্ছে। বয়স হওয়ার আগেই চুলগুলো পেকে যাচ্ছে। অকালে চুল পাকা সমস্যা আজকাল ছেলে-মেয়ে সবারই হয়ে থাকে। ছেলেরা কাঁচা-পাকা চুল নিয়ে বয়সের তুলনায় ভারিক্কি একটা ভাব নিয়ে ঘুরে বেড়ালেও মেয়েদের জন্য এটা বিড়ম্বনা ছাড়া আর কিছুই না! আর এই পাকা চুলের হাত থেকে রেহাই পাওয়ার জন্য কলপের সাহায্য নিয়ে থাকেন অনেকেই।
চুলের রং নির্ভর করে হরমোন মেলানিনের ওপর। বয়স বাড়ার সাথে সাথে শরীরের মেলানিন তৈরির ক্ষমতা কমে আসে বলেই বৃদ্ধ বয়সে চুল পেকে থাকে। আর কম বয়সে চুল পাকার অন্যতম কারণ হল জিন বা বংশগতির প্রভাব। কারণ যেটাই হোক, অকালে চুল পাকার সমস্যা কি আপনারও হচ্ছে? তাহলে কলপ বা হেয়ার ড্রাই ব্যবহার না করে প্রাকৃতিকভাবে সাদা চুল কালো করে ফেলুন। জেনে নিন উপায় আজকের ফিচারে।
১। আমলকি
একটি পাত্রে নারকেল তেল নিন। এরসাথে শুকনো আমলকি বা আমলকির গুঁড়ো দিয়ে জ্বাল দিন। ঠাণ্ডা হয়ে গেলে এই তেলটি চুলে ব্যবহার করুন। সারা রাত এভাবে রাখুন। এটি সপ্তাহে একবার বা দুইবার ব্যবহার করুন। এছাড়া এক টেবিল চামচ আমলকির পেস্ট এবং লেবুর রস মিশিয়ে প্যাক তৈরি করে নিন। এটি চুলে ভাল করে ম্যাসাজ করুন। এভাবে সারা রাত রাখুন। পরের দিন শ্যাম্পু করে ফেলুন।
২। পেঁয়াজ এবং লেবুর রস
তিন চা চামচ পেঁয়াজের রস এবং দুই চা চামচ লেবুর রস মিশিয়ে নিন। এটি চুলের তালুতে ভাল করে লাগান। ৩০ মিনিট পর শ্যাম্পু করে ফেলুন। এটি সপ্তাহে ৩ থেকে ৪ বার ব্যবহার করুন।
৩। তিল এবং বাদামের তেল
তিলের তেল এবং বাদামের তেলের মিশ্রণ চুল পাকা রোধ করে থাকে। বাদামের তেলের সাথে তিলের বীজ দিয়ে পাঁচ-সাত মিনিট ধরে গরম করুন। চুলা থেকে নামিয়ে তেলটা ঠান্ডা হতে দিন। তেল ঠাণ্ডা হলে চুলের গোড়ায় ঘষে ঘষে সারা মাথায় মাখুন। আধা ঘণ্টা রেখে দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এমনকি চাইলে এই তেল সারা রাতও রেখে দিতে পারেন। পরদিন সকালে ভালো করে ধুয়ে ফেলুন।
৪। কারি পাতা
কারি পাতা চুলের পিগমেনটেশনকে আরও বেশি কালো করে থাকে। এক টেবিল চামচ নারকেল তেলে কিছু পরিমানের কারি পাতা দিয়ে জ্বাল দিন। এটি চুলে ভাল করে ম্যাসাজ করুন। ৩০ থেকে ৪৫ মিনিট পর শ্যাম্পু করে ফেলুন। সপ্তাহে এক থেকে দুইবার করুন।
৫। ব্ল্যাক কফি
দ্রুত সাদা চুল কালো করতে চাইলে ব্ল্যাক কফি অতুলনীয়। তরল ব্ল্যাক কফি দিয়ে চুলের গোঁড়া থেকে আগা পর্যন্ত ধুয়ে নিন। এটি স্থায়ীভাবে চুল কালো না করলেও কিছু সময়ের জন্য চুল কালো করে থাকবে।
কলপ ব্যবহারে পরিবর্তে এই ঘরোয়া উপায়গুলো ব্যবহার করে দেখতে পারেন। এই উপায়গুলো আপনার চুলকে কালো করতে সাহায্য করবে।

08/03/2016

গরমকালে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় আপনার পা। আর এই পায়ের প্রতি সবচেয়ে বেশি অবহেলা করে থাকি আমরা। যার ফলশ্রুতিতে পায়ে কালো দাগ পড়ে যায়। সূর্যের তাপ, ধুলাবালি, ময়লা সরাসরি আমাদের পায়ে লেগে থাকে। যার কারণে পায়ের ত্বক দ্রুত রুক্ষ এবং কালো হয়ে যায়। অনেকেই পায়ের দাগ দূর করার জন্য পেডিকিউর করে থাকেন। আবার অনেকেই সময়ের কারণে নিয়মিত পার্লারে যেতে পারেন না। কিছু কাজ আছে যা পেডিকিউর ছাড়া আপানর পায়ের দাগ দূর করে দেবে খুব সহজে।
১। লেবু এবং চিনির স্কার্ব
পায়ের কালো দাগ দূর করে স্কার্ব অনেক বেশি উপকারী। কুসুম গরম পানিতে পা দুটো ভিজিয়ে রাখুন। তারপর লেবুর টুকরোর মধ্যে চিনি দিয়ে দিন। এবার এটি দিয়ে পায়ে ৫ মিনিট স্কার্বিং করুন। পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। তারপর হালকা কোন ময়েশ্চারাইজার লাগিয়ে নিন পায়ে।
২। লেবু
লেবু হল প্রাকৃতিক ব্লিচিং উপাদান। রোদে পড়া দাগ, পায়ের কালো দাগ লেবুর রস দূর করে থাকে খুব সহজে। পায়ের কালো স্থানে লেবুর রস দিয়ে কয়েক মিনিট ম্যাসাজ করুন। তারপর ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এছাড়া এক চা চামচ মধু এবং লেবুর রস মিশিয়ে পায়ের কালো দাগে ১০-১৫ মিনিট ম্যাসাজ করুন। এটি প্রতিদিন রাতে করুন। আর দেখুন কিছুদিনের মধ্যে পায়ের কালো দাগ দূর হয়ে গেছে।
৩। দুধ
দুধের ল্যাটিক অ্যাসিড ত্বকের কালো দাগ দূর করতে বেশ কার্যকর। এটি শুধু ত্বকের কালো দাগ দূর করাই নয়, ত্বক নরম কোমল করে থাকে। দুধের সাথে গোলাপ ফুলের পাপড়ি মিশিয়ে নিতে পারেন।
৪। বেসন
বেসন, টমেটোর রস, লেবুর রস এবং শসার রস মিশিয়ে প্যাক তৈরি করে নিন। এই প্যাকটি পায়ের কালো দাগে লাগিয়ে নিন। কিছুক্ষণ পর শুকিয়ে গেলে আস্তে আস্তে ম্যাসাজ করে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এটি সপ্তাহে এক দুই বার করুন।
৫। অলিভ অয়েল এবং চিনি
পায়ের কালো দাগ এবং মৃত কোষ দূর করতে অলিভ অয়েল এবং চিনির মিশ্রণ বেশ কার্যকর। অলিভ অয়েল এবং চিনি মিশিয়ে নিন। এবার এটি স্কার্বিং করুন। সপ্তাহে কয়েকবার করুন।
প্যাকগুলো নিয়মিত ব্যবহার করুন। প্যাক ব্যবহার করার পর হালকা লোশন লাগাতে ভুলে যাবেন না যেন।

08/03/2016

নিখুঁত, উজ্জ্বল ত্বক প্রতিটি মেয়ের স্বপ্ন। এই স্বপ্ন পূরণের জন্য ব্যবহার করে থাকে কত শত ক্রিম, কত শত ফেসপ্যাক। অথচ হাতের কাছে থাকা একটি উপাদান দিয়ে পাওয়া সম্ভব নিখুঁত উজ্জ্বল ত্বক। আর সেই উপাদানটি হল অ্যালোভেরা জেল। প্রাচীনকাল থেকে রূপচর্চায় ব্যবহার করা হয়ে থাকে অ্যালোভেরা জেল। অ্যালোভেরা ফেসপ্যাক ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করে ত্বকের দাগ দূর করতে সাহায্য করে থাকে। আসুন এমন কিছু অ্যালোভেরা ফেসপ্যাকের কথা জেনে নেওয়া যাক।
১। অ্যালোভেরা এবং পেঁপে
পেঁপেতে ত্বকের রং হালকা করার উপাদান রয়েছে। এছাড়া এটি ত্বক এক্সফলিয়েট হিসেবে ব্যবহার করা হয়। কয়েক টুকরো অ্যালভেরা জেল এবং পেঁপে ম্যাস করে পেস্ট তৈরি করে নিন। এবার এই প্যাকটি ত্বকে ব্যবহার করুন। কিছুক্ষণ পর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।
২। অ্যালোভেরা এবং লেবুর রস
২টি অ্যালোভেরা পাতার জেল এবং অর্ধেকটা লেবুর রস ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করে পেস্ট করে নিন। এটি ত্বকে ১০-১৫ মিনিট লাগিয়ে রাখুন। শুকিয়ে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।
৩। অ্যালোভেরা, শসা এবং গোলাপ জল
২ টেবিল চামচ অ্যালোভেরা জেল, কয়েক টুকরো শসা এবং কয়েক ফোঁটা গোলাপ জল। শসা এবং অ্যালোভেরা জেল পেস্ট করে নিন। এরসাথে গোলাপ জল মিশিয়ে নিন। এই প্যাকটি ত্বকে লাগিয়ে রাখুন। ২৫-৩০ মিনিট পর কুসুম গরম পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। এই প্যাকটি ত্বকের ইনফেকশন দূর করে ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করে থাকে।
৪। অ্যালোভেরা এবং টমেটো
২ টেবিল চামচ টমেটোর রস এবং ১ টেবিল চামচ অ্যালোভেরা জেল মিশিয়ে প্যাক তৈরি করে নিন। এই প্যাকটি ত্বকে ২-৩ মিনিট ম্যাসাজ করে লাগিয়ে নিন। ১৫-২০ মিনিট পর ঠান্ডা পানি দিয়ে ত্বক পরিষ্কার করে ফেলুন।
৫। ডিম এবং অ্যালোভেরা জেল
১টি ডিম ভাল করে ফেটে নিন। এরপর এতে ২ টেবিল চামচ অ্যালোভেরা জেল মিশিয়ে নিন। এবার এটি মুখ এবং ঘাড়ে ভাল করে লাগিয়ে নিন। ১৫ থেকে ২০ মিনিট অপেক্ষা করুন। একটি তুলোর বল পানিতে ভিজিয়ে ত্বক থেকে প্যাকটি তুলে ফেলুন। তারপর পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। এটি ত্বকের নমীয়তা বৃদ্ধি করে বলিরেখা দূর করে থাকে।
অ্যালোভেরা প্যাকগুলো নিয়মিত ব্যবহারে ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করে ত্বকের দাগ দূর করে থাকে।

08/03/2016

ব্রণ সমসায় ভোগেন নি এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া ভার। ছেলে-মেয়ে উভয় এই সমস্যায় পড়ে থাকেন। ব্রণ যে কোন ধরণের ত্বকে হয়ে থাকে। তবে তৈলাক্ত ত্বকে একটু বেশি পরিমাণে হয়ে থাকে। ব্রণ দূর করার জন্য কত চেষ্টাই না করা হয়। কত ক্রিম ব্যবহার করা হয়, কাড়ি কাড়ি টাকা খরচ করা হয় এই ব্রণ দূর করার জন্য। কিন্তু এইসব কতটুকু কার্যকর হয়? অনেক সময় এইগুলো ত্বকের ক্ষতি করে থাকে। কিছু ঘরোয়া উপায় আছে, যা দ্বারা রাতারাতি ব্রণ দূর করা সম্ভব।
১। মধু
অনেক রোগের চিকিৎসায় মধু ব্যবহার করা হয়ে থাকে। ঠিক তেমনি ব্রণ দূর করতে এটি বেশ কার্যকর। ব্রণের উপর মধু লাগিয়ে রাখুন কিছুক্ষণ। শুকিয়ে গেলে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এটি দ্রুত ব্রণ দূর করে দেবে। এছাড়া মধু, দারুচিনি গুঁড়ো এবং লেবুর রস মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে ব্রণে লাগাতে পারেন। এটি দ্রুত ব্রণ দূর করে থাকে।
২। লেবু
একটি তুলোর বলে লেবুর রস লাগিয়ে নিন। এবার এটি রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে ব্রনে লাগান। এছাড়া এক টেবিল চামচ লেবুর রস এবং এক চা চামচ দারুচিনি গুঁড়ো মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। এটি সারারাত ব্রণে লাগিয়ে রাখুন। সকালে কুসুম গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। সেনসেটিভ ত্বকের অধিকারীরা এটি ব্যবহারে বিরত থাকুন।
৩। ডিমের সাদা অংশ
ডিমের সাদা অংশে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এবং অ্যামিউনো অ্যাসিড রয়েছে যা ব্রণে জীবাণু ধ্বংস করে দেয়। ডিমের সাদা অংশ খুব ভাল করে ফেটে নিন। এবার এটি আঙুল দিয়ে ব্রণের উপর লাগিয়ে ফেলুন। ৩-৪ মিনিট শুকানোর জন্য অপেক্ষা করুন। বাকী ডিমের সাদা অংশটুকু মুখে প্যাক হিসেবে লাগিয়ে নিন। ২০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। এটি ব্রণ দূর করার সাথে সাথে ত্বক নরম কোমল করে তুলবে।
৪। রসুন
রসুনে অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল উপাদান ব্রণ দূর করে থাকে। রসুনের কোয়া কুচি করে রস করে নিন। এবার এর সাথে কয়েক ফোঁটা পানি মিশিয়ে নিন। এটি ব্রণে লাগান। এছাড়া ২-৩ টি রসুনের কোয়া পানিতে ১০-১৫ মিনিট ভিজিয়ে রাখুন। এবার রসুনের পেস্ট এবং অ্যালোভেরা জেল মিশিয়ে ব্রণের উপর লাগিয়ে ফেলুন। শুকিয়ে গেলে কুসুম গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।
৫। টুথপেস্ট
রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে কিছু টুথপেস্ট ব্রণের উপর লাগিয়ে নিন। এভাবে সারা রাত রাখুন। সকালে পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। এটি দ্রুত ব্রণ শুকিয়ে ফেলে থাকে।
ব্রণ চিরতরে দূর করার জন্য পরিবর্তন করতে হবে খাদ্য অভ্যাস। প্রচুর পরিমাণ ফল এবং শাক সবজি প্রতিদিনকার খাদ্য তালিকায় রাখুন। এছাড়া প্রচুর পরিমাণ পানি পান করুন।

23/12/2015

লেটেস্ট মিরর কাজের ও এম্ব্রয়ডারিযুক্ত এক্সক্লুসিভ কিছু সালোয়ার কামিজ দেখতে ভেনাস ব্যুটিক এ আসুন| প্রদরশনি ২৪-৩০ ডিসেম্বর ২০১৫ ৷ ভেনাস ব্যুটিক, বাড়ি #৪০, রোড #০৯ , সেক্টর #১১, উত্তরা, ঢাকা ৷
01819143188

05/11/2015

ভেনাস এর প্যাকেজ - পেডিকিউর, ম্যানিকিউর, হট অয়েল ম্যাসেজ ও হারবাল ফেসিয়াল - মাত্র ৬০০ টাকা ৷ এ অফার ৫ নভেম্বর থেকে ১১ নভেম্বর পর্যন্ত ৷ হেয়ার রিবনডিং করা হচ্ছে মাত্র ৩০০০ টাকায় ৷
ভেনাস বিউটি সেলন এন্ড হেলথ স্পা
বাড়ি -৪০, রাস্তা - ৯, গরিব এ নেয়াজ এভেনু, সেক্টর -১১ উত্তরা
ফোন - 01819143188

04/11/2015

মুখের কালো দাগের সমস্যা সারিয়ে নিন ছোট্ট এই রূপচর্চা করে

আপনার সুন্দর চেহারায় কালো দাগ মোটেও মানানসই নয়। ব্রণের দাগ হোক বা অন্য কারণে হওয়া দাগ কুৎসিত কালো দাগ যে কোন সুন্দর চেহারাকেও মলিন করে দেয়। রোজ রাতে করুন এই ছোট্ট একটু রূপচর্চা। অল্প কিছুদিনের মাঝেই মুখের দাগ মিলিয়ে যেতে শুরু করবে।
কী ব্যবহার করবেন?
মুখের দাগ দূর করতে আমরা ব্যবহার করবো লেবু। একটু লক্ষ্য করলেই দেখবেন যে সকল অ্যান্টি স্পট ফেয়ারনেস ক্রিম লেবুর কথা বলে। কারণ একটাই, লেবু প্রাকৃতিক ব্লিচ হিসাবে কাজ করে। তবে লেবু এই রূপচর্চাটি কেবল রাতের বেলায় করতে হবে এই কারণে যে সূর্যের আলো আপনার ত্বকে রিঅ্যাকশন করতে পারে। রাতের বেলায় রূপচর্চাটি করলে সূর্যের আলো বা গরমে ত্বকের ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা নেই এবং ত্বক সম্পূর্ণ ৮-১০ ঘণ্টা পাচ্ছে দাগ দূর করার জন্য।
কী করবেন?

দুটি পদ্ধতি অবলম্বন করতে পারেন আপনি। যদি আপনার ত্বক হয়ে থাকে স্বাভাবিক, তাহলে মাত্র ৫ মিনিটের একটি কাজ করতে হবে আপনাকে। যদি শুষ্ক বা সেনসিটিভ হয়ে থাকে, তাহলে সময় লাগবে ৩০ মিনিট।
-মুখ খুব ভালো করে পরিষ্কার করে নিন। ফেসওয়াশ দিয়ে মুখ ধুয়ে তোয়ালে দিয়ে মুছে নিন।
-যদি যদি শুষ্ক বা সেনসিটিভ ত্বক হয়, তাহলে পাকা লেবুর রসের সাথে মুলতানি মাটি ও মধু মিশিয়ে নিন। এই মিশ্রণ ধোয়া মুখে লাগিয়ে ৩০ মিনিট রাখুন। তারপর ধুয়ে ফেলুন। নিয়মিত ব্যবহারে ত্বকের কালো দাগ মিলিয়ে যাবে
-আর স্বাভাবিক বা তৈলাক্ত ত্বক হয়, তাহলে তাজা পাকা লেবুর রস (যে লেবু পেকে হলদে হয়ে গেছে, অর্থাৎ লেমন) সরাসরি মুখের কালো দাগে লাগিয়ে নিন। লেবুর রসের সাথে সামান্য মধুও মিশিয়ে নিতে পারেন। তারপর শুকাতে দিন। এবং লেবুর রস মুখে নিয়েই ঘুমিয়ে যান। স্বাভাবিক বা তৈলাক্ত ত্বকে কোন সমস্যা হবে না। সকালে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে মুখ মুছে নিন।
ত্বকে লেবুর রস দেয়ার পর যদি কোন রকম অস্বস্তি অনুভব করেন, তাহলে অবিলম্বে মুখে ধুয়ে ফেলুন এবং পুনরায় ব্যবহার করবেন না।

04/11/2015

খুব সহজ ৩ টি ঘরোয়া মাস্ক ব্যবহারে অল্প সময়ে ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ান

অনেকেরই খুব দ্রুত ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়িয়ে নেয়ার কৌশল একেবারেই জানা নেই। কিন্তু আপনি খুব সহজেই তাৎক্ষণিকভাবে ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়িয়ে নিতে পারেন, সেই সাথে কাটিয়ে ফেলতে পারেন ত্বকের মলিনতাও। ভাবছেন কীভাবে? চলুন তাহলে শিখে নেয়া যাক খুব সহজ উপায়গুলো।

১) লেবু ও মধুর মাস্ক
১ টেবিল চামচ মধু নিন, এতে ১ টেবিল চামচ লেবু খুব ভালো করে মিশিয়ে ফেলুন। এরপর এই মিশ্রণটি পুরো ত্বকে ভালো করে লাগান। ৫ মিনিট ম্যাসেজ করে নিন। এরপর ১৫ মিনিট এভাবে রেখে দিন। ১৫ মিনিট পর ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ত্বক ভালো করে ধুয়ে ফেলুন। লেবু ত্বক ব্লিচ করে ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ায় এবং মধু ত্বক ময়েসচারাইজ করে ত্বকে তাৎক্ষণিক উজ্জ্বলতা এনে দিতে পারে।

২) টমেটোর মাস্ক
ঘরে লেবু বা মধু না থাকলে চিন্তা করবেন না। টমেটো আছে তো? এতেই বেশ ভালো কাজ হবে। একটি মাঝারি আকারের টমেটো মাঝখানে দুখণ্ড করে নিয়ে কাটা অংশ দিয়ে পুরো ত্বক ভালো করে ঘষে নিন। ভালো করে ঘষে নিয়ে ১৫ মিনিট এভাবেই রেখে ত্বকে কাজ করতে দিন। এরপর ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ভালো করে ত্বক ধুয়ে ফেলুন। টমেটোর ব্লিচিং উপাদান ত্বকে তাৎক্ষণিক উজ্জ্বলতা এনে দেবে। সেই সাথে মলিনতাও দূর হয়ে যাবে।

৩) চালের গুঁড়ো ও দুধের মাস্ক
২-৩ টেবিল চামচ চালের গুঁড়ো নিন। এতে পরিমাণ মতো দুধ মিশিয়ে ঘন পেস্টের মতো তৈরি করে নিন। যদি গুঁড়ো দুধ ব্যবহার করতে চান তাহলে সমপরিমাণ গুরি দুধ নিয়ে পরিমাণ মতো পানি মিশিয়ে পেস্টের মতো তৈরি করে ফেলুন। এই মিশ্রন ত্বকে লাগিয়ে নিন। ১৫-২০ মিনিট রেখে হাতের আঙুল দিয়ে ত্বক ঘষে নিন ভালো করে। মাস্কটি ঘষে নেয়ার ফলে আপনাআপনিই ঝড়ে যাবে। এতে করে ত্বকের উপরিভাগে জমে থাকা ময়লা ও মরা কোষ দূর হয়ে ত্বকের উজ্জ্বলতা তাৎক্ষণিকভাবেই বৃদ্ধি পাবে।

04/11/2015

চুল ঝলমলে করার সহজ উপায়

প্রায় সকল নারীই স্বাস্থ্যউজ্জ্বল ঝলমলে রেশমি চুলের আকাঙ্ক্ষা থাকে। চুল পড়ে যাওয়া, চুলে রুক্ষতা চলে আসা, আগা ফাটার সমস্যা লেগেই থাকে। কিন্তু অতিরিক্ত কেমিক্যাল, আবহাওয়া এবং সঠিক যত্নের অভাবে চুলের অবস্থা দিনকে দিন খারাপই হতে থাকে। যার কারণে বেশীরভাগ নারীর কাছে স্বাস্থ্যউজ্জ্বল ঝলমলে চুল পাওয়া স্বপ্নটা আসলে স্বপ্নই থেকে যায়। কিন্তু ১ টি মাত্র ডিপ কন্ডিশনিং হেয়ার মাস্ক আপনার চুলের হারানো সৌন্দর্য ফিরিয়ে দিতে পারে খুব সহজেই। চলুন তাহলে জেনে নেয়া যাক চুল ঝলমলে করার সহজ উপায়।

যা যা লাগবেঃ
– ১ টি পাকা কলা
– ২ টেবিল চামচ নারকেলের দুধ
– ১ টেবিল চামচ নারকেল তেল (অতিরিক্ত শুষ্ক চুল হলে আরেক চামচ যোগ করুন)
– ২ টেবিল চামচ মধু

পদ্ধতি ও ব্যবহারবিধিঃ
– প্রথমে কলা ছিলে খণ্ড করে নিন। এরপর একটি ব্লেন্ডারে উপরের সকল উপকরণ দিয়ে ব্লেন্ড করে নিন।
– ৪০-৪৫ সেকেন্ড ব্লেন্ড করুন বা কলা একেবারে মিশে মসৃণ পেস্টের মতো তৈরি করা পর্যন্ত ব্লেন্ড করে নিন। ব্যস, আপনার ডিপ কন্ডিশনিং হেয়ার মাস্ক তৈরি।
– চুল ভালো করে আঁচড়ে নিন। এরপর এই মিশ্রণটি চুলের গোঁড়া থেকে আগা পর্যন্ত ভালো করে লাগিয়ে নিন।
– চুলের গোঁড়ায় আলতো করে ম্যাসেজ করে নিন ৫ মিনিট। এরপর একটি শাওয়ার ক্যাপ বা প্ল্যাস্টিকের ব্যাগ দিয়ে চুল ও মাথা ঢেকে রাখুন।
– ৩০ মিনিট এভাবে রেখে আপনার সাধারণ শ্যাম্পু দিয়েই চুল ভালো করে ধুয়ে পরিষ্কার করে নিন। এবার দেখুন ম্যাজিক।
– প্রথম ব্যবহারেই চুলে আমূল পরিবর্তন আপনার নজরে পড়বে। সপ্তাহে মাত্র ১ বার ব্যবহারেই পেতে পারেন ঝলমলে স্বাস্থ্যউজ্জ্বল চুল।

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Telephone

Website

Address


House/40, Road/9, Garib-E-Newaz Avenue, Uttara
Dhaka