Twenty-Four Health Care

Twenty-Four Health Care

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Twenty-Four Health Care, Health/Beauty, Dhaka.

20/06/2026

সিঙ্গাপুর ও কলম্বোর দাদাগিরি শেষ! ১৮ হাজার কোটি টাকায় বাংলাদেশে তৈরি হচ্ছে ভারত, নেপাল ও ভুটানের মেগা ট্রানজিট পোর্ট! 🚢💰🇧🇩

আমাদের চট্টগ্রাম বা মোংলা পোর্টের গভীরতা কম হওয়ায় বড় জাহাজ (মাদার ভেসেল) সরাসরি দেশে ভিড়তে পারত না। পণ্য আগে যেত সিঙ্গাপুর বা কলম্বো পোর্টে, তারপর ছোট জাহাজে আসত দেশে। এতে খরচ হতো প্রচুর ডলার।

কিন্তু এবার গেম ঘুরিয়ে দিচ্ছে বাংলাদেশ! কক্সবাজারের মহেশখালীতে ১৮.৫ মিটার গভীরতার মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্র বন্দর-এর কাজ এখন রকেটের গতিতে এগোচ্ছে!

কেন এটি দক্ষিণ এশিয়ার গেম চেঞ্জার?
✅ মাদার ভেসেল: ৮ হাজার কন্টেইনারবাহী বিশাল জাহাজ এখন সরাসরি দেশে ভিড়বে। এতে প্রতি কন্টেইনারে ২০০ ডলার খরচ বাঁচবে!
✅ অবিশ্বাস্য স্পিড: ইউরোপ-আমেরিকায় পণ্য যেতে আগে লাগত ৪৫ দিন, এখন লাগবে মাত্র ২৩ দিন!
✅ ট্রানজিট হাব: ভারত (সেভেন সিস্টার্স), নেপাল ও ভুটান তাদের পণ্য এই পোর্ট দিয়ে আনা-নেওয়া করবে। ট্রানজিট ফি থেকেই বছরে বাংলাদেশের আয় হবে ৫,০০০ কোটি টাকার বেশি!
✅ ফ্রি ট্রেড জোন: পোর্টের পাশেই হচ্ছে ৩০০ একরের ফ্রি ট্রেড জোন (FTZ) ও ইকোনমিক জোন। যেখানে অটোমোবাইল ও ইলেকট্রনিক্স কারখানায় কাজ পাবে প্রায় ১ থেকে ২ লাখ মানুষ!

জাপানের (JICA) অর্থায়নে ২০৩০ সালের মধ্যে এটি পুরোদমে চালু হলে বাংলাদেশের জিডিপি বাড়বে ৩%।

আপনার মতে, এই বন্দর পরিচালনার দায়িত্ব কি বাংলাদেশ সরকারের হাতে থাকা উচিত নাকি বিদেশি কোনো দক্ষ পোর্ট অপারেটরের হাতে লিজ দেওয়া উচিত?

Summary:
Bangladesh is bidding farewell to its dependency on Singapore and Colombo ports! An 18,000 Crore BDT mega-project is transforming Matarbari into a Deep Sea Port with an 18.5m draft, capable of docking massive Mother Vessels directly. This game-changer will slash shipping times to the US from 45 to 23 days, save $200 per container, and serve as a mega transit hub for India, Nepal, and Bhutan. Generating over 5,000 Crore BDT in annual revenue and creating 200,000 jobs in the adjacent Free Trade Zone (FTZ), Matarbari is set to boost Bangladesh's GDP by 3%.

#নিউজ

19/06/2026

আদানিকে দেওয়া ৪০ বিলিয়ন ডলারে দেশেই হতে পারে মেগাপ্রজেক্ট! ভুতুড়ে চুক্তিতে টাকা পাচার না করে পদ্মা-তিস্তা-যমুনা ব্যারাজ বানালে বদলে যাবে বাংলাদেশের মানচিত্র! 🛑🇧🇩

ভারতের আদানি পাওয়ার থেকে ২৫ বছরে ১৬০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কিনতে আমাদের পরিশোধ করতে হবে প্রায় ৪০ বিলিয়ন ডলার (প্রায় ৫ লাখ কোটি টাকা)!

জানলে অবাক হবেন!
ঠিক এই ৪০ বিলিয়ন ডলার দিয়ে বাংলাদেশ নিজেই একটি যুগান্তকারী মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে পারে— পদ্মা-তিস্তা-যমুনা আন্তঃসংযুক্ত ব্যারাজ ও অববাহিকা উন্নয়ন প্রকল্প।

এই মেগাপ্রজেক্ট হলে আমাদের কী লাভ?
✅ নিজস্ব বিদ্যুৎ: পাহাড়ি ঢল না থাকলেও আধুনিক রান-অফ-রিভার ও পাম্পড স্টোরেজ প্রযুক্তি ব্যবহার করে এখান থেকে ১,৫০০ থেকে ২,৫০০ মেগাওয়াট সস্তা জলবিদ্যুৎ পাওয়া সম্ভব!
✅ নদী ও সুন্দরবন রক্ষা: পদ্মা ব্যারাজের মাধ্যমে পানি ধরে রাখলে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের মৃতপ্রায় নদীগুলো সচল হবে, যা লবণাক্ততা দূর করে সুন্দরবনকে বাঁচাবে।
✅ কৃষি ও খাদ্য নিরাপত্তা: তিস্তা ব্যারাজের আধুনিকায়নে উত্তরাঞ্চলের কৃষিতে বিপ্লব আসবে এবং মাটির নিচের পানির ওপর চাপ কমবে।
✅ নৌ-বাণিজ্য: সারা বছর নদীতে পানি থাকলে অভ্যন্তরীণ নৌ-বাণিজ্য সচল হবে, যা হাজার কোটি টাকার জ্বালানি তেল বাঁচাবে।

হ্যাঁ, এতে উজানের পানি নিয়ে ভারতের সাথে কূটনীতি এবং পলিমাটি ড্রেজিংয়ের চ্যালেঞ্জ আছে। কিন্তু আমরা তো নেপাল-ভুটানের মতো হাইড্রো সুপার পাওয়ার হতে চাই না, আমরা চাই একটি হাইড্রো-ইন্টেলিজেন্ট বাংলাদেশ!

বিদেশের পকেট ভারী না করে, ১৫-৩০ বছর মেয়াদী এই ওয়াটার-এনার্জি-ফুড মডেলে বিনিয়োগ করাই কি সত্যিকারের স্বাধীনতা নয়?

আপনার মতে, আদানির এই অসম চুক্তি অবিলম্বে বাতিল করে, সেই টাকা দিয়ে দেশের নদী ও বিদ্যুৎ বাঁচাতে এই মহাপরিকল্পনা কি শুরু করা উচিত?

Summary:
Bangladesh is set to pay Adani Power $40 billion over 25 years for 1600 MW of electricity. Shockingly, this exact amount could fund a transformative mega-project: The Padma-Teesta-Jamuna Interconnected Barrage. This visionary project wouldn't just generate 1500-2500 MW of cheap hydro-power using low-head and pumped storage tech; it would secure Bangladesh's food and water, revive dead rivers, save the Sundarbans from salinity, and boost inland water trade. While challenges like siltation and upstream water politics (India) exist, this Water-Energy-Food Integration Model can make Bangladesh a 'Hydro-Intelligent' nation. Should we scrap the Adani deal and invest in our own country?

#নিউজ

19/06/2026

ভারতের আপত্তিকে পাশ কাটিয়ে এবার বাংলাদেশেই তৈরি হবে বিশ্বখ্যাত বায়রাক্তার ড্রোন! তুরস্কের মেগা অফারে কাঁপছে শিলিগুড়ি করিডোর! 🚁🇧🇩

যেকোনো পরিস্থিতিতে গেম-চেঞ্জার হিসেবে প্রমাণিত তুরস্কের Bayraktar TB2 এবং দূরপাল্লার Akıncı ড্রোন এবার তৈরি হতে পারে খোদ বাংলাদেশের মাটিতেই! ঢাকা ও আঙ্কারার উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে তুরস্ক এই জয়েন্ট প্রডাকশন বা যৌথ কারখানার আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব দিয়েছে।

কিন্তু এই খবরে ভারতের ঘুম হারাম কেন?
✅ চিকেনস নেক আতঙ্ক: ভারতের শিলিগুড়ি করিডোর বাংলাদেশের একদম কাছে। ভারতের প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের ভয়—উচ্চ প্রযুক্তির এই ড্রোনগুলো বাংলাদেশ নিজে বানালে এবং ওড়ালে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোর সমস্ত সামরিক গতিবিধি বাংলাদেশের রাডারে চলে আসবে!
✅ অদৃশ্য নজরদারি: ৪,০৯৬ কিমি বর্ডারে বাংলাদেশের কড়া নজরদারি এবং ড্রোন ডেটা তুরস্ক বা চীনের হাতে চলে যাওয়ার ভয়ে ভারত চরম উদ্বেগে আছে।

বাংলাদেশের লাভ কী?
বিশ্বের ড্রোন বাজার ২০৩০ সালের মধ্যে ২৬ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছাবে। বাংলাদেশ যদি এই ড্রোন বানিয়ে এশিয়া-প্যাসিফিকে রপ্তানি শুরু করে, তবে বছরে হাজার কোটি টাকার বৈদেশিক মুদ্রা আয় হবে। শত শত অ্যারোস্পেস ইঞ্জিনিয়ারের চাকরি হবে।

আপনার মতে, কারও আপত্তিতে কান না দিয়ে, নিজেদের আকাশ সুরক্ষায় তুরস্কের সাথে এই মেগাপ্রজেক্ট কি দ্রুত শুরু করা উচিত?

Summary:
Ignoring India's strategic concerns, Bangladesh is set to establish a joint drone manufacturing plant with Turkey to produce the world-renowned Bayraktar TB2 and Akıncı drones. Indian defense analysts are alarmed as these high-tech drones could put India's highly sensitive Siliguri Corridor under continuous surveillance. Meanwhile, this mega-project will transform Bangladesh into a South Asian drone export hub, targeting the $26 Billion Asia-Pacific market and creating thousands of aerospace engineering jobs.

#নিউজ

18/06/2026

দেশের মাটির নিচে তেলের খনি সিলগালা করে রেখে, বিদেশ থেকে ১ লাখ কোটি টাকার তেল আনছে সিন্ডিকেট! লিটারে ৩০ টাকা কমার সুযোগ আটকে রাখল কারা?🛢️🇧🇩

আমরা তেলের দাম বাড়লে হাহাকার করি। বাসের ভাড়া বাড়ে, চাল-ডালের দাম বাড়ে। অথচ জানলে অবাক হবেন, আমাদের পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলার শালবাহান গ্রামের মাটির নিচেই লুকিয়ে আছে বিশাল তেলের খনি (কেরোসিন ও ডিজেল)!

কেন এই খনি তোলা হচ্ছে না?
✅ ইতিহাসের পাতায়: ১৯৮৬-৮৭ সালে এখানে তেলের সন্ধান মেলার পর ফরাসি কোম্পানি ফরাসল খনন কাজ করে। ১৯৮৮ সালে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ নিজে এর উদ্বোধন করেছিলেন! কিন্তু কিছুদিন পরই রহস্যজনকভাবে খনিটি চিরতরে সিলগালা করে দেওয়া হয়!
✅ ভুয়া অজুহাত বনাম ভূ-রাজনীতি: সরকারি কাগজে বলা হয় এটি শুষ্ক কূপ। কিন্তু স্থানীয় মানুষ ও বিশেষজ্ঞদের দাবি— আন্তর্জাতিক ভূ-রাজনৈতিক চাপ এবং আমদানি সিন্ডিকেটের গোপন সমঝোতার কারণেই এই খনি বন্ধ করা হয়েছিল।
✅ কত টাকা লুট হচ্ছে? বাংলাদেশ প্রতি বছর ৮০ হাজার থেকে ১ লাখ কোটি টাকার জ্বালানি আমদানি করে। পঞ্চগড়ের এই খনি থেকে মাত্র ১০% তেল পেলেও বছরে ১০ হাজার কোটি টাকা বাঁচত দেশের!

আধুনিক থ্রি-ডি (3D Seismic Survey) প্রযুক্তি দিয়ে এই তেল তুললে দেশে ডিজেলের দাম লিটারে অন্তত ২০-৩০ টাকা কমে যেত! কৃষকের সেচ খরচ কমত, জিনিসপত্রের দাম হতো অর্ধেক।

আপনার মতে, যারা ৪০ বছর ধরে দেশের এই খনি আটকে রেখে বিদেশ থেকে তেল কিনে কমিশন খেয়েছে, তাদের কি আইনের আওতায় আনা উচিত?

Summary:
A massive conspiracy is keeping fuel prices high in Bangladesh! An oil well discovered in Salbahan, Panchagarh in 1986, and inaugurated by President Ershad in 1988, has been mysteriously sealed shut for nearly 40 years. Experts suspect geopolitical pressure and a powerful import syndicate are behind this to protect a 1 Lakh Crore BDT annual fuel import business. Modern 3D seismic extraction could save 10,000 Crore BDT yearly and drop local diesel prices by 30 BDT/liter!

#নিউজ

18/06/2026

নেপাল-ভুটান যেতে লাগবে মাত্র ৩০ মিনিট! ১০ হাজার কোটি টাকায় সৈয়দপুর বিমানবন্দর হচ্ছে দক্ষিণ এশিয়ার নতুন ট্রানজিট হাব। ✈️💰🇧🇩

এতদিন নেপাল, ভুটান বা ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোকে (সেভেন সিস্টার্স) আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বা কার্গো পরিবহনের জন্য অনেক ঘুরতি পথ ব্যবহার করতে হতো। কিন্তু এবার গেম ঘুরিয়ে দিচ্ছে বাংলাদেশ!

সৈয়দপুর বিমানবন্দরকে দেশের ৫ম আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও আঞ্চলিক ট্রানজিট হাব-এ রূপান্তর করতে ১০,০০০ কোটি টাকার মেগা প্রজেক্ট হাতে নিয়েছে সরকার। সদ্য ঘোষিত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে অর্থমন্ত্রী একে দেশের অন্যতম প্রধান আন্তর্জাতিক গেটওয়ে হিসেবে গড়ে তোলার ঘোষণা দিয়েছেন।

কেন এটি অর্থনীতির গেম চেঞ্জার?
✅ হাজার কোটি টাকার আয়: নেপাল, ভুটান ও ভারতের বিমান আমাদের আকাশসীমা ও বিমানবন্দর ব্যবহার করলে ল্যান্ডিং ফি, পার্কিং ফি, এবং গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং থেকে বছরে হাজার কোটি টাকা আয় হবে!
✅ কার্গো বিপ্লব: নেপাল-ভুটানের মতো ল্যান্ডলকড (ভূবেষ্টিত) দেশগুলোর পণ্য পরিবহনে সৈয়দপুর হবে বিশাল কার্গো হাব।
✅ মেগা রানওয়ে: বড় বড় মাদার ভেসেল (ওয়াইড-বডি বিমান) নামার জন্য রানওয়ে ১২,০০০ ফুটে উন্নীত করা হচ্ছে।

এই প্রজেক্ট সফল হলে উত্তরবঙ্গের কৃষিপণ্য সরাসরি বিদেশে যাবে, আর নেপাল-ভুটান থেকে আনা পণ্যের পরিবহন খরচ কমবে ৩০-৪০%!

আপনার মতে, এই বিমানবন্দরটি চালু হলে উত্তরবঙ্গের বেকারত্ব কতটা কমতে পারে?

Summary:
Bangladesh is transforming Saidpur Airport into a massive regional transit and cargo hub for Nepal, Bhutan, and India's Seven Sisters. With a 10,000 Crore BDT mega-project, the runway will be extended to 12,000 feet to handle wide-body aircraft. Flying to Nepal or Bhutan will take just 30 minutes! This strategic geopolitical move is expected to generate billions of Takas annually through aeronautical charges, cargo handling, and tourism, fundamentally revolutionizing the economy of Northern Bangladesh.

#নিউজ

18/06/2026

গাছের পাতা থেকে তৈরি হচ্ছে তেল, যার লিটার প্রতি দাম ৫০ হাজার টাকা! রংপুরের তরুণের জাদুকরী আবিষ্কারে বদলে যাচ্ছে কৃষকের ভাগ্য! 🚀🇧🇩

তাইওয়ানের একটি বহুজাতিক কোম্পানির আরামদায়ক চাকরি ছেড়ে দেশে ফিরেছিলেন প্রকৌশলী আসাদুজ্জামান আরিফ। লক্ষ্য ছিল দেশের মাটিতে নতুন কিছু করার। আর তিনি তা প্রমাণ করে দেখিয়েছেন!

রংপুরের পীরগাছা উপজেলার শ্রীকান্ত গ্রামে মাত্র ১ একর জমি লিজ নিয়ে তিনি লাগিয়েছেন ২,০০০ অস্ট্রেলিয়ান টি ট্রি গাছ।

কীভাবে তৈরি হচ্ছে এই জাদুকরী তেল?
✅ দামি তেল ও পানি: প্রতিদিন ১৫০ কেজি পাতা স্টিম ডিস্টিলেশন (বাষ্পীভবন) করে বের করা হয় দেড় লিটার বিশুদ্ধ এসেনশিয়াল অয়েল, যার বাজারমূল্য লিটারে ৫০ হাজার টাকা! আর উপজাত হিসেবে যে সুগন্ধি হাইড্রোসল ওয়াটার বের হয়, তা-ও বিক্রি হয় হাজার টাকা লিটারে।
✅ জাদুকরী গুণ: এই তেল ব্রণ, খুশকি, ফাঙ্গাস ও চুল পড়া রোধে জাদুর মতো কাজ করে। প্রসাধনী ও ওষুধ শিল্পে এর কদর বিশ্বজোড়া।
✅ বিদেশে রপ্তানি: এই তেল ইতিমধ্যে থাইল্যান্ড ও তাইওয়ানে রপ্তানি শুরু হয়েছে!
✅ আজীবন লাভ: একবার গাছ লাগালে ২০-৩০ বছর পর্যন্ত বেঁচে থাকে এবং পাতা দেয়। মাত্র ১ একর জমি থেকে বছরে ৩০ লাখ টাকা আয় করছেন আরিফ ভাই!

ক্ষতিকর তামাক চাষের বদলে কৃষকরা যদি এই গাছ লাগান, তবে পুরো উত্তরবঙ্গের অর্থনীতি বদলে যাবে!

আপনার মতে, প্রসাধনীর কাঁচামাল আমদানি বন্ধ করতে এবং বেকারত্ব দূর করতে সরকারের কি অবিলম্বে তরুণদের টি ট্রি চাষে সহজ শর্তে ঋণ ও প্রশিক্ষণ দেওয়া উচিত?

Summary:
A literal goldmine from leaves! Asaduzzaman Arif, a former engineer in Taiwan, returned to Bangladesh and planted 2,000 Australian Tea Trees on just 1 acre of land in Pirgacha, Rangpur. Through steam distillation, he extracts pure essential oil worth 50,000 BDT per liter, along with Hydrosol water worth 1,000 BDT/liter. This magical oil is highly demanded globally for cosmetics and medicinal use (curing acne, dandruff, fungus). Earning around 30 Lakh BDT annually from just 1 acre, he is already exporting to Thailand and Taiwan. Since the trees live for 20-30 years, this could easily replace harmful to***co farming in North Bengal and save billions in cosmetic imports. Let's support this brilliant entrepreneur!

#নিউজ

18/06/2026

টাকার অভাবে আর কারও চিকিৎসা থামবে না! ক্যানসার, কিডনিসহ ৬টি জটিল রোগের রোগীদের বছরে ১ লাখ টাকা দেবে সরকার। ভিটেমাটি বিক্রির দিন শেষ! 🏥❤️🇧🇩

ক্যানসার বা কিডনি ডায়ালাইসিসের খরচ মেটাতে গিয়ে আমাদের দেশের হাজারো পরিবার নিঃস্ব হয়ে যায়। এই অসহায় মানুষদের চোখের পানি মুছতে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে এক যুগান্তকারী ঘোষণা দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। চিকিৎসা অনুদান ৫০ হাজার থেকে বাড়িয়ে দ্বিগুণ অর্থাৎ ১ লাখ টাকা করা হয়েছে!

কোন ৬টি রোগের রোগীরা এই টাকা পাবেন?
১. ক্যানসার
২. কিডনি রোগ
৩. লিভার সিরোসিস
৪. স্ট্রোকে প্যারালাইজড
৫. জন্মগত হৃদরোগ
৬. থ্যালাসেমিয়া

দালাল ও সিন্ডিকেটের মুখে ছাই!
আগে এই অনুদানের টাকা তুলতে গিয়ে দালালদের খপ্পরে পড়তেন রোগীরা। কিন্তু এবার সরকার নিয়েছে জিরো টলারেন্স নীতি:
✅ সরাসরি পেমেন্ট (G2P): কোনো ক্যাশ টাকা বা চেকে লেনদেন নয়। টাকা যাবে সরাসরি রোগীর নিজস্ব ব্যাংক অ্যাকাউন্ট বা বিকাশ/নগদে!
✅ ডিজিটাল ট্র্যাকিং: মাইগভ (myGov) পোর্টালে অনলাইনেই আবেদন করা যাবে এবং ফাইলের অবস্থা ট্র্যাক করা যাবে।
✅ কঠোর যাচাই: সিভিল সার্জন ও বিশেষজ্ঞ ডাক্তারদের মেডিকেল বোর্ড কঠোরভাবে রিপোর্ট যাচাই করবে, যাতে ভুয়া রোগী সাজিয়ে কোনো সিন্ডিকেট টাকা লুট করতে না পারে।

এই ১ লাখ টাকা দিয়ে একজন কিডনি রোগী বছরে ২৫-৩০টি ডায়ালাইসিস একদম ফ্রিতে করতে পারবেন!

আপনার মতে, সরকারি অনুদানের টাকা নিয়ে যেসব দালাল বা অসাধু কর্মকর্তা দুর্নীতি করার চেষ্টা করবে, তাদের কি সরাসরি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া উচিত?

Summary:
A massive relief for patients battling severe diseases! In the 2026-27 budget, the Bangladesh government has doubled the financial assistance for patients with Cancer, Kidney disease, Liver Cirrhosis, Paralysis from Stroke, Congenital Heart Disease, and Thalassemia from 50,000 to 1,00,000 BDT annually. To prevent medical syndicates and middlemen from looting the funds, the money will be transferred directly to the patients bank or mobile banking accounts via the G2P system. A truly humanitarian step to stop families from selling their properties for medical treatments.

#নিউজ

17/06/2026

ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানির দিন শেষ! পচন ঠেকাতে গ্রামে গ্রামে বসছে ২০০০ সোলার মিনি হিমাগার। সিন্ডিকেটের মাথায় হাত! ☀️🧅🇧🇩

আমাদের দেশে বছরে পেঁয়াজ উৎপাদন হয় চাহিদার চেয়েও বেশি। কিন্তু জানলে অবাক হবেন, শুধু রাখার জায়গা না থাকায় প্রতি বছর প্রায় ২৫-৩০% (২,০০০ কোটি টাকার) পেঁয়াজ পচে নষ্ট হয়! আর এই ঘাটতি মেটাতে ভারত থেকে আমদানি করতে হয় ৬ লাখ টন পেঁয়াজ।

এই মেগা লুটপাট আর চলবে না! গত ১৫ জুন সরকার ঘোষণা করেছে এক জাদুকরী সমাধান:
✅ ২০০০ মিনি কোল্ড স্টোরেজ: আগামী ১ থেকে দেড় বছরের মধ্যে দেশজুড়ে বসানো হবে ২০০০টি ছোট হিমাগার।
✅ বিনা বিদ্যুতে চলবে: এগুলো সম্পূর্ণ সৌরবিদ্যুৎ চালিত, তাই কারেন্ট বিলের কোনো ঝামেলা নেই! খরচ সাধারণ হিমাগারের চেয়ে ৭০% কম।
✅ কৃষকের সমবায়: কোনো বড় ব্যবসায়ী নয়, ১৫-২০ জন কৃষক মিলে সমবায়ের ভিত্তিতে নিজেদের হিমাগার নিজেরাই চালাবেন!

সিন্ডিকেট কেন ভয় পাচ্ছে?
মৌসুমে কৃষককে আর পানির দামে ফড়িয়াদের কাছে পেঁয়াজ বেচতে হবে না। কৃষক নিজের হিমাগারে পেঁয়াজ রেখে অফ-সিজনে ভালো দামে বেচবে। ফলে আড়তদার বা আমদানিকারক মাফিয়ারা আর কৃত্রিম সংকট তৈরি করে আপনার পকেট কাটতে পারবে না।

আপনার মতে, দেশীয় কৃষকদের বাঁচাতে এবং এই প্রকল্পকে সফল করতে সরকারের কি এখন থেকেই পেঁয়াজ আমদানির আইপি দেওয়া সম্পূর্ণ বন্ধ করা উচিত?

Summary:
Bangladesh is set to completely halt onion imports from India within 1.5 years by building 2,000 solar-powered Mini Cold Storages across the country. Currently, lack of storage causes 2,000 Crore BDT worth of onions to rot annually, forcing 6 lakh tons of imports. Managed by farmer cooperatives, these solar storages will eliminate post-harvest losses, empower farmers to bypass middlemen, and permanently crush the import syndicate's artificial price hikes.

#নিউজ

17/06/2026

বিদেশি বিমান ফাঁকি দেওয়ার দিন শেষ, নতুন রাডারের জাদুতে মাত্র ৩ মাসে ২০০ কোটি টাকা আয় করেছে বাংলাদেশ! 🚀🇧🇩

এতদিন বাংলাদেশের আকাশসীমা, বিশেষ করে বঙ্গোপসাগরের ওপর দিয়ে বিদেশি উড়োজাহাজগুলো বিনা পয়সায় উড়ে যেত! আমাদের পুরোনো রাডারের সক্ষমতা না থাকায় তারা নজরদারি এড়িয়ে ওভারফ্লাইং চার্জ ফাঁকি দিতো।

কিন্তু এখন আর সেই সুযোগ নেই!
শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বসেছে ফ্রান্সের থ্যালেস (Thales) কোম্পানির অত্যাধুনিক এস-ব্যান্ড এবং মোড-এস সেকেন্ডারি সার্ভেল্যান্স রাডার! গত ২০ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে আনুষ্ঠানিকভাবে এই নতুন এটিসি টাওয়ার ও রাডার উদ্বোধন করা হয়।

এই নতুন প্রযুক্তির ম্যাজিক দেখুন:
✅ আকাশছোঁয়া আয়: আগে যারা ফাঁকি দিতো, তারা এখন রাডারে ধরা পড়ছে! ফলে ২০২৬ সালের প্রথম ৩ মাসেই (জানুয়ারি-মার্চ) ওভারফ্লাইং চার্জ আদায় হয়েছে প্রায় ১৯৯ কোটি ২৮ লাখ টাকা! যা দুই বছর আগের তুলনায় প্রায় ৪২ কোটি টাকা বেশি!
✅ শতভাগ নজরদারি: ২০০ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত কভারেজ দিচ্ছে এই রাডার। এখন দেশের আকাশসীমা দিয়ে একটা পাখি উড়ে গেলেও তা এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলারের (ATC) স্ক্রিনে ধরা পড়বে।
✅ নিজেদের টাকায় প্রজেক্ট: সবচেয়ে গর্বের বিষয় হলো, ৯৪২ কোটি টাকার এই মেগাপ্রজেক্ট কোনো বিদেশি ঋণ নিয়ে হয়নি! বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) তাদের নিজস্ব অর্থায়নেই এটি সম্পন্ন করেছে।

দেশের আকাশ এখন শতভাগ নিরাপদ এবং অর্থনীতিও পাচ্ছে নতুন গতি!

আপনার মতে, বিদেশি ঋণ না নিয়ে নিজেদের টাকায় এমন লাভজনক প্রযুক্তিগত প্রকল্প দেশে আরও বাড়ানো উচিত কি না?

Summary:
Foreign aircraft can no longer bypass Bangladesh's airspace for free! With the inauguration of the new French-made ATC tower and state-of-the-art radar system at Shahjalal International Airport (completed Dec 2025, inaugurated April 20, 2026), blind spots over the Bay of Bengal have been eliminated. The result? A massive revenue boost! In just the first three months of 2026, Bangladesh collected nearly 200 crore BDT in overflight charges from foreign airlines. Best of all, this 942 crore BDT mega-project was entirely self-funded by CAAB without foreign loans. A true milestone for Bangladesh's aviation security and economy!

#নিউজ

17/06/2026

শহরের ময়লা দিয়ে তৈরি হবে ৪০০-৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ! বছরে বাঁচবে ১০০০ কোটি টাকা, তবু অসাধু কর্মকর্তাদের পকেট ভারী করতে আটকে রাখা হয়েছে এই মেগাপ্রকল্প! 🛑🇧🇩

চীনের মতো দেশে ময়লা পুড়িয়ে বিদ্যুৎ বানানোর ৪০০টির বেশি প্ল্যান্ট আছে। তাদের দেশে এখন ময়লার এতই অভাব যে, বিদ্যুৎকেন্দ্র চালাতে বিদেশ থেকে ময়লা আমদানি করতে হয়!

আর আমাদের অবস্থা কী?
আমাদের ঢাকা ও চট্টগ্রামের রাস্তায় শুধু ময়লার স্তূপ আর দুর্গন্ধ। অথচ আমাদের এই ময়লা ব্যবহার করেই ৪০০-৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব। এতে কয়লা বা এলএনজি (LNG) আমদানি করতে হবে না, বছরে দেশের হাজার কোটি টাকা বেঁচে যাবে! সম্প্রতি একটি চীনা প্রতিষ্ঠান চট্টগ্রামেও ময়লা থেকে ৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ বানানোর প্রস্তাব দিয়েছে।

তাহলে এত বছর ধরে ময়লা থেকে বিদ্যুৎ হচ্ছে না কেন?
কারণ, একটি অসাধু আমলাতান্ত্রিক সিন্ডিকেট!
✅ চুরি: প্রতি বছর ময়লার ভাগাড় (ল্যান্ডফিল) বা জমি অধিগ্রহণের নামে শত শত কোটি টাকার বাজেট পাস হয় এবং তা লুট করা হয়। যদি ময়লা পুড়িয়ে বিদ্যুৎ বানানো হয়, তবে ল্যান্ডফিলের প্রয়োজন ফুরিয়ে যাবে (৯৫% বর্জ্য পুড়ে যাবে)। আর ল্যান্ডফিল না থাকলে তো অসাধু কর্মকর্তাদের অবৈধ আয়ের পথ চিরতরে বন্ধ হয়ে যাবে!
✅ ভুয়া অজুহাত: তাই তারা বছরের পর বছর পরিবেশ ছাড়পত্র এবং ময়লায় পানি বেশি— এমন নানা ভুয়া অজুহাত দিয়ে ঢাকার আমিনবাজারসহ অন্যান্য প্রকল্পগুলো আটকে রাখে।

আমরা কেন ময়লার স্তূপে বসে থেকে বিদেশ থেকে চড়া দামে জ্বালানি কিনবো?

আপনার মতে, এই ল্যান্ডফিল সিন্ডিকেট ভাঙতে বর্জ্য-বিদ্যুৎ প্রকল্পগুলোকে কি সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীনে নিয়ে একটি উচ্চ পর্যায়ের টাস্কফোর্স গঠন করা উচিত?

Summary:
While China has over 400 Waste-to-Energy plants and even imports trash to generate power, Bangladesh is drowning in garbage despite having the potential to generate 400-500 MW of electricity from its waste! This could save the country 1,000 crore BDT annually by reducing expensive coal and LNG imports. Why is it stalled? Corrupt bureaucrats intentionally block these projects with fake excuses like high moisture and environmental clearances. Why? Because if waste is burned for power, the need for landfills drops by 95%, permanently shutting down their illegal, multi-crore business of landfill budgets and land acquisitions! Recently, a Chinese firm offered a 40MW plant in Chittagong. It's time to bypass the bureaucracy and make this a top national priority.

#নিউজ

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Website

Address


Dhaka