Bangladesh Plastic & Reconstruction Surgery Hospital

Bangladesh Plastic & Reconstruction Surgery Hospital

Share

to the people, for the people & serve the nation

14/08/2016

সব "রিলেশন" এ কিন্ত ভালবাসা থাকে না...... 😒
মাঝে মাঝে কিছু "রিলেশন" এর মধ্যে "শো অফ" ও কিন্ত থাকে..... 😰
কিছু ভালবাসায় যেমন অভিনয় থাকে,
তেমনি কিছু অভিনয়ে ভালবাসা থাকে....
কিছু ভালবাসায় বিশ্বাস থাকে,
কিছু বিশ্বাসে আবার ভালবাসা থাকে.....
কিছু অপেক্ষায় ভালবাসা থাকে,
কিছু ভালবাসায় অপেক্ষাও কিন্ত থাকে.....
সব ভালবাসা কিন্ত মুখ ফুটে বলা হয় না....
আবার, সব ভালবাসা সবসময় হ্যাপী এন্ডিং ঘটাতেও পারে না.... 😞
কিছু ভালোবাসা একান্তই গোপনে থাকে,
কিছু ভালবাসা হয়ত শুধু বন্ধুত্বের মাঝেই লুকিয়ে থাকে,
যা আপনাকে একান্ত কল্পনায় কাঁদাতেও পারে,
অথবা একলা ঘরে আনমনে হাসাতেও পারে..... 😃

10/08/2016

রাত বারটা ত্রিশ...আমি ফেবু গুতাই আর হাই তুলি। রিতু কলিং... আমার এক বান্ধবী... এত রাতে সাধারণত ও ফোন দেয়না। রিসিভ করলাম, সে বলে...“আমাকে কনগ্রাচুলেশন জানা”“ক্যান? বিয়া করসস?”“নাহ, ওর সাথে ব্রেকআপ করে ফেললাম...(মন খারাপের সুরে)”“ও তাই নাকি... এবার কি কাহিনী”“আরে ওর বন্ধুর গার্লফ্রেন্ড নিয়ে ঘুরতে গেসিল, আরও অনেক কাহিনী”“ও তাই নাকি... ভালো তো... পুরা কাহিনী বল”.................................এই কাহিনী প্রায় আধাঘণ্টা চলল। শেষ হওয়ার পর বলল... “এবারই শেষ... আমি আর পারছিনা”এরপর আমি তারে কিছু উপদেশ দিলাম... কারণ এর আগেও এই পোলার সাথে তার অনেকবার ব্রেকআপ হইসেআবার জোড়া লাগসে... এসব দুই দিন পর পর ব্রেকাপ আর জোড়া লাগার কাহিনী আর ভালা লাগেনা... আর ওই পোলাটাও ব্যাপক কর্পোরেট... এর আগে ওরে ছেড়ে এক মাইয়ার কাছে গেছে... এরপর আবার আসছে... তারপর কিছু বললেই, রিতুকে বলে, “যা ভাগ... থাকতে পারলে থাক না থাকলে যা”... ওইরাইতের কাহিনী শেষ।পরের দিন ওরে ফোন দিলাম কি অবস্থা জানার জন্য... ওমা ফোন দিয়ে শুনি ওরা আবার ঠিক হয়ে গেছে... ওই পোলা নাকি শেষ বারের মত সুযোগ চাইসে তাই রিতু সুযোগ দিছে...।শুনে মেজাজ পুরাখারাপ হই গেল... ললিপপ ললিপপ ফিল করলাম। ওই ঘটনা শেষ।গত বৃহস্পতিবার... রাত আড়াইটা ... দেখি ওই বেডির ফোন... সারাদিন এত টায়ারড ছিলাম যে ফোনধরার ইচ্ছে হল না... তিন বার কল রিসিভ করলাম না। ৪র্থবারে রিসিভ করলাম, এই ভেবে যে মরে টরে যাচ্ছে নাকি... তখন আবার ডায়াল কলে লাস্ট নাম্বার আমার থাকলে অবস্থা খারাপ হবে। রিসিভ করে কইলাম, “আমি ঘুম... কাইল কল দিমু”পরের দিন সে নতুন নাম্বার থেকে মেসেজ দিল, “ওর সাথে এবার ফাইনাল ব্রেকাপ করসি। এটা আমার নতুন নাম্বার এখন থেকে এটা চালু থাকবে”তারপর ওরে কল দিলাম... কাহিনী কি দেখার জন্য... সেই পুরান কর্পোরেট ভালোবাসার কাহিনী। ওরে আবার একটু মিথ্যে মিথ্যে ভালো ভালো কথা বলে ফোন রেখে দিলাম।আজ একটা কাজে ওর নতুন নাম্বারে ফোন দিয়ে দেখি বন্ধ। পুরানটাতে ফোন দিলাম দেখি চালু আছে।“কিরে তুই না ব্রেকাপ করসস বলে নতুন নাম্বার নিলি”“আবার ঠিক হয়ে গেছে... ওর বন্ধুরা ফোন দিয়ে বলসে ”“হারামজাদি মাইনসেরে রাইতের বেলা ঘুমাইতে দেস না, দুই দিন পর সব ঠিক। এরপরেরবার ঠিকমতো ব্রেকআপ না করে আমারে ফোন দিবিনা। মর তুই ”... বলে ফোন রেখে দিলাম। # ভাইয়া/আপু... এমন কাহিনী খুব আনকমন না। অনেকের রিলেশন আছে আজ ব্রেকাপ কাল ঠিক কিংবা পরশু আবার ব্রেকাপ আবার কিছুদিন ঠিক থেকে আবার ব্রেকাপ... ব্রেকাপ- মেকাপ এর চক্রযেন শেষ হয়না। দুই জনই যদি নন-কর্পোরেট পাবলিক হয় তাহলে এসব ভালো লাগে। কিন্তু একজন কর্পোরেট পাবলিককে বার বার সুযোগ দেয়ার কোন মানে হয়? এরা হল ভাদ্র মাসের পাগলা কুত্তা কুত্তির মত... আজ এর পেছনে তো কাল ওর... ওই কুত্তা/কুত্তিরুপী কর্পোরেট পাবলিকটার জন্যপরের জনের চান্সটা মিস হয়ে যায়...মানুষ নামক প্রাণীকে দ্বিতীয়বার সুযোগ দেয়ার ব্যাপারটা গুরুতর অপরাধের সমতুল্য... এর শাস্তি সুযোগদানকারী প্রতিমুহূর্তে ভোগ করে...

20/05/2016

পৃথিবীর সবচেয়ে ভয়ংকর রোগের
নাম হলো টেনশন। আর এ টেনশন রোগের কোনো ওষুধ নেই। তবে
এই রোগের প্রতিষেধক ক্ষমতা আছে আপনার নিজের ভিতরেই।
আসুন আমরা আজই এই টেনশন রোগকে রিলিজ দিয়ে দিই।
কিভাবে রিলিজ দিব তার কিছু উপায় জেনে নেয়া যাক। .
* অতীতকে ভুলতে না পারলে তবেই আসে টেনশন!!
এ ব্যাপারে ডাঃ সেউস বলেন-“ কাঁদবেন না, কারণ এটা শেষ
হয়ে গেছে। হাসুন, কারণ আপনি দাঁড়িয়ে আছেন নতুন সময়ে।
তাই ভাবুন নতুন করে; স্বপ্ন দেখুন নতুন ভাবে”। .
*কি করবো, কিভাবে করবো- এমন সব
কথাতেও আসে মানসিক দুশ্চিন্তা!! এ ব্যাপারে উইলিয়াম
জেমস বলেন-“ভয় পেয়ো না, মনে রেখো- যদি সম্ভব বলে
কোনও জিনিস থাকে তবে তুমিও অবশ্যই পারবে, নিশ্চিত
তোমার দ্বারাও এটা সম্ভব”। .
*যদি না পারি, কিংবা না পারলে তখন কি হবে- এমন সব
কথাতেও হতে পারেন হতাশ!!
এ ব্যাপারে অপরাহ উইনফ্রে বলেন- “রাজার মতো ভাবুন,
হেরে গেলেও নতুন করে নতুন নিয়মে নতুন পথে অবতীর্ণ হোন। কেননা রাজা জয়ী হতেই যুদ্ধ করে- হোক সে যুদ্ধ
পানিপথে কিংবা আকাশ-স্থল পথে”।
*হতাশ হবার সব থেকে বড় আরেকটি কারণের নাম “ভবিষ্যৎ
এর চিন্তা”!! এ ব্যাপারে এপিক্রুস বলেন-“চিন্তা করো না, ভেবে দেখো-
আজ তোমার যা কিছু আছে তা একদিন তোমার স্বপ্ন ছিল,
তেমনি ভাবে আজ যা কিছু ভাবছো একদিন তাও এসে যাবে”!!
অর্থাৎ দুশ্চিন্তাগ্রস্ত হবার কোনও কা্রণ নেই। শুধু মনটাকে
একটু শান্ত করে এগিয়ে চলুন, অবশ্যই সফল হতে পারবেন।

22/07/2015

ছোট্ট ছেলেটির মন খারাপ।খুব বেশিই খারাপ।
পরীক্ষায় একটি প্রশ্নের উত্তরে সে শূন্য পেয়েছে।
প্রশ্নটি ছিলো এরকম- “ব্যারোমিটারের সাহায্যে
একটি ভবনের উচ্চতা কীভাবে মাপা সম্ভব?” উত্তরটি
তার জানা ছিলো না।তাই বলে তো আর প্রশ্ন ছেড়ে
আসা যাবে না।মা বারবার বলে দিয়েছে ‘ফুল অ্যান্সার’
করে আসার জন্য।তাই বুদ্ধি খাটিয়ে সে
লিখেছিলো-“দড়ি বেঁধে ভবনের ছাদ থেকে
ব্যারোমিটারটি নিচে ফেলে দিতে হবে।তাহলে ঐ
দড়ির দৈর্ঘ্যই হবে ভবনের উচ্চতা”।শিক্ষক ঊত্তর দেখে
খুশি তো হনইনি বরং ভেবেছেন ছেলেটি দুষ্টমি করে
উত্তরটি লিখেছে,তাই তাকে ডেকে খাতাটা বাড়িয়ে
দিয়ে বললেন,“ধরে নিলাম উত্তরটা তুমি
জানো,দ্বিতীয়বার তোমায় সুযোগ দিচ্ছি,চটপট উত্তরটা
লিখে ফেল”।ছেলেটি ভাবলো,“এবার আর ভুল করা যাবে
না”।তাই এবার সে লিখলো-“আমি ভবনের উপর থেকে
নেমে এসে ভবনের অ্যাটেনডেন্টকে বলব,ভবনের প্রকৃত
উচ্চতাটি বললে আমি তোমাকে এই ব্যারোমিটারটি
উপহার দিবো,তখন সে বলে দিবে আর আমি জেনে
নিবো”।এবার হয়েছে,এবার নম্বর না দিয়ে শিক্ষক
যাবেন কোথায়?এই ভেবে মনে মনে এক চোট হেসে
নিলো ছেলেটি।কিন্তু তার উত্তর দেখে এবার আর
শিক্ষকও ভুল করলো না।দিয়ে দিলেন পুরো শূন্য(0)!
পদার্থবিজ্ঞানের প্রাশ্নে ভুল করলেও পরবর্তীতে সেই
ছেলেটিই হয়ে ওঠে,“বোর পরমাণু মডেলের” জনক
প্রখ্যাত পদার্থবিজ্ঞানী নীলস বোর ।।

21/07/2015

ছাত্রদের সাহস
এক ইঞ্জিনিয়ারিং আর মেডিক্যাল কলেজের
প্রিন্সিপাল, দুজনের মধ্যে তর্ক হচ্ছিলো যে কার
ছাত্রদের সাহস বেশী।
মেডিকেল কলেজের প্রিন্সিপাল তাঁর ছাত্রদের ডেকে
হাঙরে ভর্তি সমুদ্রের মধ্যে ঝাঁপ মারতে বললেন।
ছাত্ররা কোনও প্রশ্ন না করে সোজা ঝাঁপ মেরে
দিলো। প্রিন্সিপাল ঘুরে তাঁর বন্ধুকে বললেন, "দেখলে?
আমার ছাত্রদের সাহস কতোখানি?"
ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের প্রিন্সিপালও তাঁর
ছাত্রদের ডেকে হাঙরে ভর্তি সমুদ্রের মধ্যে ঝাঁপ
মারতে বললেন। ছাত্ররা সমুদ্রের দিকে একবার
তাকিয়ে বললো, "আপনি আমাদের নিজের মতন পাগল
ভেবেছেন নাকি?" ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের
প্রিন্সিপাল এবার তাঁর বন্ধুকে বললেন, "দেখলে? আমার
ছাত্রদের সাহস!"

21/07/2015

আমাদের
মধ্যে
অনেকেই
আছেন
যারা
একটু
অসুস্থ
হলেই
অ্যান্টিবায়োটিক
সেবন
করে
থাকেন।
আর
বেশির
ভাগ
ক্ষেত্রেই
দেখা যায় ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়াই সবাই এই ভুলটি
করেন। আবার অনেক সময় দেখা যায় ডাক্তারও প্রথম
চিকিৎসাতেই রোগীকে অ্যান্টিবায়োটিক দেয়। তবে
অধিকাংশ মানুষই অ্যান্টিবায়োটিক ওষুদটি কিভাবে
খেতে হয় কিংবা খাওয়ার পর কি করতে হয় তা জানে
না। তাই এ বিষয়ে সবারই পরিস্কার ধারণা থাকা উচিত।
অ্যান্টিবায়োটিক সাধারণত পানির সাথে খেতে হয়
কারন যদি ফলের জুস বা অন্য কোন ধরনের দুগ্ধ জাতীয়
খাবারের সাথে সেটা খাওয়া হয় তাহলে এর
কার্যকারিতার বিপরীত ফল হতে পারে। এছাড়া যখন
অ্যান্টিবায়োটিক ঔষধ খাওয়া হয় তখন বেশ কিছু ধরনের
খাবার খাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে।
এখানে কিছু খাবারের তালিকা দেয়া হল যা
চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় অবশ্যই বর্জন করতে হবে
অন্যথায় সেটা ঔষধের কার্যকারিতায় প্রভাব ফেলতে
পারে। বলা হয়ে থাকে যে, ঔষধের সাথে সেই
খাবারগুলো সম্ভাব্য ৩টি উপায়ে পরস্পরের উপর ক্রিয়া
করে। প্রথমত এগুলো দেহে ঔষধের শোষণকে বাধা দেয়।
দ্বিতীয়ত ঔষধ থেকে দেহে শোষিত হওয়ার হারের গতি
ধীর করে দেয় এবং সবশেষে দেহে ঔষধের ভাঙনে
প্রতিরোধ সৃষ্টি করে।
তাই অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়ার সময় অবশ্যই উচিত
সঠিক খাবার গ্রহন করা। এবার দেখে নিন কোন কোন
খাবার এই সময় বর্জনীয়।
অম্ল জাতীয় খাবার
যখন অ্যান্টিবায়োটিক ঔষধ খাওয়া হয় তখন প্রথম যে
খাবারটি বর্জন করতে হবে তা হল উচ্চ মাত্রার অম্ল
জাতীয় খাবার। চকলেট, বাদাম, টক ফল, টমেটো এই
জাতীয় খাবার গুলো দেহে ঔষধ শোষিত হতে বাধা দেয়।
দুগ্ধ জাতীয় খাবার
দই ছাড়া অন্য সব দুগ্ধ জাতীয় খাবার খাওয়া
অ্যান্টিবায়োটিক ঔষধ চলার সময় বন্ধ রাখতে হবে। দুধ,
পনির ইত্যাদিতে উচ্চ মাত্রার ক্যালসিয়াম থাকে যা
অ্যান্টিবায়োটিক শোষণে বাধা দেয়। তবে দইয়ে থাকা
প্রোবায়োটিকের জন্য তা অ্যান্টিবায়োটিকের উপর
কোন প্রভাব ফেলে না।
অ্যালকোহল
চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় কখনই অ্যালকোহল গ্রহন
করা যাবে না। অ্যালকোহলের মাঝে থাকা কিছু
বৈশিষ্ট্যের জন্য ঔষধের কার্যকারিতায় মারাত্বক
প্রভাব ফেলে।
আঁশ জাতীয় খাবার
আঁশ জাতীয় খাবারের কিছু বৈশিস্ট্য পাকস্থলিতে
খাবার শোষণের গতিতে ধীর করে। অ্যান্টিবায়োটিক
ঔষধ নির্দিষ্ট সময় নিয়ে পাকস্থলিতে ভাঙে কিন্তু তখন
যদি উচ্চ পরিমানে আঁশ জাতীয় খাবার খাওয়া হয়
তাহলে তখন সেই ঔষধ ভাল ভাবে কাজ করে না।
কফি
যখন অ্যান্টিবায়োটিক ঔষধ খাওয়া হয় তখন অবশ্যই
যেসব পানীয়তে ক্যাফেইন থাকে তা বর্জন করতে হবে।
চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় দেহের জন্য তখন তা
বিষের মত।
অন্যান্য সাপ্লিমেন্ট
এই সময় যেসব খাবারে অতিমাত্রায় আয়রন ও
ক্যালসিয়াম থাকে তা বর্জন করতে হবে। কারন এটি
ঔষধের শোষনে হস্তক্ষেপ করে।

21/07/2015

দীর্ঘদিন
প্রেমের
পর
বিয়ে।
বিয়ের
পর
অনেক
সংসারে
সেই
আগের
সম্পর্কটা
আর
থাকে
না।
প্রথম
কয়েকটা
দিন
বেশ
ভালোই কাটে। ছোটখাটো ঘটনা নিয়ে চলে
টানাপোড়েন।
কখনো অফিসের কাজের চাপ তো কখনো বাড়িতে শ্বশুর-
শাশুড়ির সঙ্গে মনোমালিন্য। সবকিছু নিয়ে বেশ ঘেঁটে
যাওয়া একটা পরিস্থিতি। এ পরিস্থিতিতে কী করা
উচিত বা উচিত নয় তা ভেবে কুল করতে পারেন না
দু'জনেই।
এমনটা হওয়া আশ্চর্য নয় মনে করেন মনোবিদরা।
সম্পর্কের রাস্তা সব সময় সমান থাকে না। জীবনে
সামান্য ঘটনা থেকে এমন পরিস্থিতি আপনাদের
ক্ষেত্রেও তৈরি হতে পারে। তবে কী সব ঘটনা, চোখ
বুলিয়ে দেখে নেয়া যাক এক নজর-
১. ওকেও পাল্টাতে হবে
বিয়ের পর যখন একটি মেয়ে নিজের বাড়ি ছেড়ে শ্বশুর
বাড়িতে আসেন, সে সময় তার সব থেকে কাছের মানুষ
স্বামীই। তবে তাকে নিরন্তর পরিবর্তন করার চেষ্টা
করলে হিতে বিপরীত হতে পারে। বিষয়টি স্বামীদের
ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। একে অপরকে একটু সময় দিন।
পরিস্থিতি পাল্টাতে একটু সময় তো লাগবেই।
২. বাবা-মায়ের সমস্যা
যদি স্বামী বা স্ত্রীর মুখে নিজের বাবা-মায়ের
সম্পর্কে খারাপ কথা শুনতে ভালো না লাগে, তবে
নিজের জীবন সঙ্গীর কথাও ভাবতে হবে। তারও খারাপ
লাগতে পারে। পরিবারে পরিবর্তন হলে সেটা জীবনেও
হয়। দু'জনকেই এটা বুঝতে হবে।
৩. শুধু স্ত্রীকে দেখো
স্ত্রীদের এই প্রবণতা বেশি থাকে। যেকোনো
ব্যাপারে অফিসে ফোন করা, নিমন্ত্রণে গিয়েও হাত
ধরে থাকা, বন্ধুদের সঙ্গে দেখা করতে গেলেও চাই
আনইন্টারাপটেড অ্যাটেনশন। প্রবণতা ভীষণ খারাপ।
মনোবিদদের মতে, স্বামী হোন বা স্ত্রী হোন
প্রত্যেকের একটি নিজস্ব সময় থাকা উচিত। তা না হলে
একঘেয়েমি আসতে বাধ্য। তাই নিজেও ফ্রি থাকুন এবং
সঙ্গীকেও ফ্রি থাকতে দিন।
৪. ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে বাইরে আলোচনা
এটা খুব খারাপ প্রভাব ফেলতে পারে। বাড়ির বাইরে
গিয়েও যদি কী করা উচিত, কী খাওয়া উচিত ইত্যাদি
নিয়ে যদি 'জ্ঞানবাণী' বর্ষণ করেন, তবে অচিরেই
সম্পর্কের খারাপ দিকগুলো মাথা তুলতে পারে।
সাবধান হোন। বাইরে কখনো সিনক্রিয়েট করবেন না।
মনে রাখবেন, নিজেদের সমস্যা নিজেরাই সমাধানের
চেষ্টা করুন। কোনো তৃতীয় ব্যক্তির কাছে সমাধান
চাইবেন না।
৫. কথা বন্ধ
অফিস থেকে ফিরতে দেরি হলে বা ফরমায়েশ মতো
কোনো জিনিস আনতে ভুলে গেলে বাড়িতে গিয়েই
দেখলেন স্ত্রীর মুখ হাঁড়ি। সঙ্গে কথা বন্ধ। 'মনের
কথাটি বুঝে নিতে হবে' এই ভেবে যদি কথা বন্ধ করেন
তবে সমস্যা বাড়বে বই কমবে না। সঙ্গী যদি
'অন্তর্যামী' হন তবে আলাদা কথা, না হলে কথা বলুন।
মনের কথা চেপে রেখে কথা বন্ধ করলে যেকোনো
সম্পর্কে ফাটল ধরতে পারে। নিজেদের ভাব আদান-
প্রদান ভীষণ জরুরি।
৬. ভুলে যান, ক্ষমা করুন
জন্মদিন হোক বা বিয়ের তারিখ, একবার ভুলে গেলে
মহাযজ্ঞ। একে অপরকে দোষারোপ করার অভ্যাস
থাকলে তা থেকে বেরিয়ে আসুন। ভুল মানুষ মাত্রই হয়ে
থাকে। খারাপ লাগার মুহূর্তটি স্বামী বা স্ত্রীকে
আলাদা করে বোঝানোর চেষ্টা করুন। নিশ্চয়ই তিনি
বুঝবেন।
৭. সময় বুঝে কথা বলুন
স্বামী বা স্ত্রী অফিস থেকে ফিরেছেন, সে সময়ই
সারাদিনের অভিযোগের ডালি সাজিয়ে বসলেন তার
সামনে। সঙ্গে আজেবাজে বাক্যবান। মেজাজ গরম হতে
পারে নিমেষে। তাই সময় এবং পরিস্থিতি বুঝে কথা
বলা জরুরি। মনে রাখবেন, ঠাণ্ডা মাথায় কথা বলুন। গরম
মাথার সিদ্ধান্ত বেশির ভাগ ক্ষেত্রে ভুল হয়।
৮. বিশ্বাসের অভাব, গোয়েন্দাগিরি
সম্পর্কের মূল ভিত্তি বিশ্বাস। যদি একে অপরকে
বিশ্বাস না করতে পারেন তবে সম্পর্ক টেকা খুব মুশকিল।
তার ওপর যদি গোয়েন্দাগিরির অভ্যাস থাকে তাহলে
তো কথাই নেই। ফোন বা ই-মেল, ফেসবুকে চ্যাট হিস্ট্রি
এসব ঘাঁটার অভ্যাসও খুব খারাপ। মনে রাখবেন, বিশ্বাস
একবার হারিয়ে গেলে সেটা সহজে ফেরত আসে না।
তাই এমন কাজ করা থেকে বিরত থাকাই ভালো।
৯. টেকেন ফর গ্রান্টেড
সকালের চা তো স্ত্রীই করবে। বাচ্চাকে স্কুল থেকে
তো স্বামীই আনবে এমনটা হলে খুব সমস্যা। যার সঙ্গে
সারাজীবন কাটাতে চান, তাকে কখনই টেকেন ফর
গ্রান্টেড মনে করবেন না। সঙ্গীকে এটা বুঝতে দিন,
ভালোবাসাই সম্পর্কের প্রধান চাহিদা। এই ভাবনা
স্বামী বা স্ত্রীকে আরো কাছে নিয়ে আসে।

21/07/2015

n
As one of the most exciting and innovative scientific
achievements to date, laser technology is being utilized
throughout the health care community. Our doctors use one
of the newest lasers, the ultrapulse carbon dioxide laser, to
treat sun-damaged skin, facial wrinkles, and scars in a
procedure called laser skin resurfacing.
What Is A Laser?
The word "laser" is an acronym, which stands for light
amplification by the stimulated emission of radiation. A
surgical laser, such as the CO2 laser, is a beam of light
capable of removing unwanted tissue, such as scarred,
lined, wrinkled, and otherwise imperfect skin. The laser
vaporizes skin cells by emitting bursts of radiation that are
absorbed by water in these cells. Laser light penetrates to a
very precise, controlled depth, making the procedure safe
and predictable, while reducing the risk of scarring or
pigmentation problems. Laser skin resurfacing is bloodless,
and is performed in our office under light sedation. As a
result of this treatment, you are left with more youthful
looking skin.
What Areas Can Be Treated Through Laser Resurfacing?
The laser is used to reduce tiny wrinkles, acne scars, and
other minor skin imperfections, especially around the mouth
and eyes. It can improve sun-damaged and acne-scarred
skin problems that often cause concern to both men and
women.
Benefits of Treatment
Laser resurfacing can be used as an alternative to chemical
peel and dermabrasion. The benefits of using this technique
are less pain and a faster recovery time. In most cases, it is
less costly.
Before Surgery
Prior to surgery, Our surgeons and you will discuss the
goals for facial improvement. After determining the most
appropriate procedure, we will fully describe the procedure,
what results to expect, and the costs. The skin is usually
pretreated prior to surgery to improve the healing time.
The Procedure
A local anesthetic is given to ensure that you are
comfortable throughout the procedure. The area is cleansed
and draped. Our surgeons direct the laser beam toward your
skin imperfections. The laser quickly and accurately
vaporizes the outermost layers of skin just four or five cells
in thickness.
What Can Be Expected?
In most cases, only one treatment is needed. The initial
redness fades in a few weeks to a light pink, which can be
camouflaged with cosmetics. The discoloration usually
disappears in one to three months. The goal of laser
resurfacing is to enhance facial appearance. Expectations
by the patient must be realistic and results should be
anticipated as improvements rather than total corrections.
Results of the surgery depend on many factors such as the
size, shape, and location of the imperfection and the
patient's heredity, age, and general skin condition.

21/07/2015

What are hyaluronic acid
injections?
If you want to reduce facial wrinkles and lines,
hyaluronic acid may be a good choice as a dermal
filler because of its compatibility with the human
body. In fact, this substance is found in almost
every single living thing. In humans, it acts as a
network that transfers essential nutrients from the
bloodstream to skin cells.
Hyaluronic acid is a natural substance found in your
body. High concentrations are found in soft
connective tissues and in the fluid surrounding your
eyes. It's also in some cartilage and joint fluids, as
well as skin tissue. It is extracted and reformulated
and now has become one of the most popular kinds
of injectable fillers.
If the term sounds familiar, it's because the same
substance is often injected into the aching joints of
people with arthritis to ease pain and provide extra
cushioning. Brand names include:
Captique
Esthélis
Elevess
Hylaform
Juvéderm
Perlane
Prevelle
Puragen
Restylane
Hyaluronic acid is not derived from animal sources.
When this gel is injected, it acts like an inflated
cushion to support facial structures and tissues that
may have lost volume or elasticity due to normal
aging. It also brings water to the surface of skin to
keep it looking fresh and supple.
In the last few decades, various synthetic forms of
hyaluronic acid have been developed and used to
correct disorders in the fields of rheumatology,
ophthalmology, and wound repair. More recently,
synthetic forms of hyaluronic acid are being
manufactured for use in face augmentation.

21/07/2015

ডাক্তারঃ ভয়ের কিছু নেই। চট করে করে আপনার
দাঁতটা তুলে নিব।
রোগীঃ না না ডাক্তার সাহেব, আমার ভয় করছে।
প্লিজ ডাক্তার সাহেব, আমি জন্ত্রনায় মারাই যাব,
বড্ড ভয় করছে।
ডাক্তারঃ ঠিক আছে, আপনি খানিকটা ক্যান্ডি
খেয়ে নিন। দেখবেন সাহস বেড়ে গেছে।
রোগীঃ ক্যান্ডি খেয়ে নিলো।
ডাক্তারঃ কি এখন সাহস বেড়েছে তো?
রোগীঃ নিশ্চয়ই বেড়েছে, এখন দেখি কোন শালা
আমার দাঁত তুলতে আসে? দাতে হাত লাগাবেন তো এক
ঘুষিতে নাক ফাটিয়ে দেবো !!!

18/07/2015

eid mubarak.

Photos 11/06/2015
Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Website

Address


Dhaka