Niramoy Homeo Clinic
৩০+ বছরের অধিক অভিজ্ঞতা সম্পন্ন চিকিৎসকের দ্বারা সকল ধরণের জটিল ও কঠিন রোগের সুচিকিৎসা করা হয়।
15/12/2025
🔍আঁচিল
বিভিন্ন ধরণের ত্বকের সমস্যা ত্বকের সৌন্দর্যেরহানী ঘটায়। আঁচিল বা তিল হচ্ছে সেই রকম একটি ত্বকের সমস্যা। রঞ্জক কোষ একত্রিত হয়ে ত্বকে কালো দাগ সৃষ্টি করে। আঁচিলকে মেলানোসাইটিক নেভি ও বলা হয়ে থাকে। এরা ত্বকের নীচে বা উপরের স্তরে উভয় স্থানেই হতে পারে। সাধারণত এরা মুখে, বাহুতে, ঘাড়ে এবং পায়ে হয়ে থাকে। আঁচিল সাধারণত বাদামী, কালো, লাল, গোলাপি বা একই রঙের হতে দেখা যায়। আঁচিলের আকার, আকৃতি এবং রঙ একেক জনের ক্ষেত্রে একেক রকম হয়। এবং লক্ষন ভিত্তিক ঔষধও আলাদা হবে অসংখ্য ঔষধ থেকে এখানে মাত্র কয়েকটি ঔষধের আলোচনা করছি।
""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""
🔍
একমাত্র হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসাই হচ্ছে আঁচিল রিমোভের সঠিক পন্থা। কখন,কোথায় আঁচিল ঝরে পড়বে টেরই পাবেন না।
🔔থুজা ( Thuja): আঁচিলের লক্ষণ: রোগীর আঁচিল যদি ফুলকপির মতো দানা দানা খাঁজ কাটা হয় তখন থুজা( Thuja) ব্যবহার করা যায়।
🔔ষ্ট্যাফেসাইগ্রিয়া ( Staphy): আবার যদি দেখা যায় কোন রোগীর পারদের অপব্যবহারউৎপঅন্ন সাইকোটিক দোষযুক্ত ফুলকপির মতো বড়ো
ধরণের আঁচিল বা উপমাংসের সহিত রোগীর একজিমা ও দাঁতের রোগ বর্তমান থাকে এবং
ষ্ট্যাফেসাইগ্রিয়া ( Staphy ) ব্যবহারে ভাল কাজ করে।
🔔নাইট্রিক এসিড ( Nitricum Acidium): আবার রোগীর আঁচিল যদি ফুলকপির মতো দেখতে হয় কিন্তু নড়াচড়ায় আবার সামান্য লাগলেই রক্তপাত হয় তখন Nitricum Acidium ব্যবহার করতে হবে।
🔔সেবাইনা ( Sabaina) : আর যদি কোন শিশু রোগীর শরীরে এবং মুখমন্ডলে গুড়ি গুড়ি আঁচিল হয় তৎসংগে আঁচিলের ভিতর হতে ভাতের মতো পদার্থবের হয় রোগী বা শিশুর মা-বাবা যদি বলে তবে সেবাইনা ভাল কাজ করে থাকে।আর যদি সেবাইনা
ব্যবহারে সম্পূর্ণ ভাবে আঁচিল আরোগ্যলাভ না করে তবে কষ্টিকামে অব্যর্থ ফল পাবেন। আবার কোন রোগীর যদি মাথায় ফুলকপির মতো আঁচিল হয় অন্য কোন ঔষধের প্রয়োজন পড়েনা থুজা ব্যবহার কলেই যথেষ্ট ফল পাওয়া যায়।
🔔কষ্টিকাম ( Causticum) :
আবার যদি রোগীর কাছে শুনা যায় বহুদিনের পুরাতন আঁচিল তাহা নরম আকারে চোট আবার ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র এবং দেখতে থোবরা, চেপ্টা, কিংবা সূচালো হয়, উহা সাধারণত : চোখের পাতায়, নাকের ডগায়, ঘারে, হাতের আংগুলে ও নখের ধারে হয় তখনি Causticum ব্যবহার্য তবে থুজার বিফলতায় কুষ্টিকাম।
এখানে মাত্র কয়েকটা ঔষধ আলোচনা করা হল।লক্ষন ভিত্তিক আরো অনেক ঔষধ আসতে পারে সুতরাং রোগীর রোগ লক্ষন ব্যাতীত ঔষুধ প্রয়োগ করা কঠোর ভাবে নিষিদ্ধ।
02/11/2025
🎍নাক্স ভমিকাকে এভাবে চিনুন~
🌿 নাক্স ভম – ২০টি প্রধান লক্ষণ
1. অল্প অল্প খেলে পেট ভরে যায়, তবু ক্ষুধা থাকে।
→ Feels full after eating a little, yet remains hungry.
2. অতিরিক্ত খাবার, মদ বা ওষুধের অপব্যবহারের পর অসুস্থতা।
→ Illness after overeating, alcohol, or drug abuse.
3. সকালে ঘুম থেকে উঠেই মাথা ভার ও বিরক্তি অনুভব।
→ Head feels heavy and irritable on waking in the morning.
4. টয়লেটে গেলেও সম্পূর্ণ মলত্যাগ হয় না মনে হয়।
→ Constant urge for stool, but incomplete evacuation.
5. ঠান্ডা হাওয়া বা একটু বাতাসেই অসহ্য লাগে।
→ Extremely sensitive to cold and drafts of air.
6. ছোটখাটো ব্যাপারেও সহজে রেগে যাওয়া।
→ Becomes angry or irritated at trifles.
7. বুক জ্বালাপোড়া, অম্বল, ও গ্যাসের প্রবণতা।
→ Heartburn, acidity, and flatulence.
8. রাতে রোগের উপসর্গ বেশি বেড়ে যায়।
→ Complaints worse at night.
9. মাথাব্যথা যেন টুপি বা ব্যান্ড দিয়ে চেপে ধরেছে এমন অনুভব।
→ Headache as if the skull is tightly bound by a band.
10. ঘুম ভেঙে যায় খুব ভোরে, তারপর ঘুম আসে না।
→ Wakes up very early and cannot fall asleep again.
11. কফ বা বমির সঙ্গে টক স্বাদ অনুভব।
→ Sour taste in mouth with cough or vomiting.
12. কোষ্ঠকাঠিন্য – মল শক্ত ও শুকনো।
→ Constipation with hard, dry stool.
13. কফে বা পেটে অ্যাসিডিক গন্ধ।
→ Acidic smell in phlegm or stomach.
14. কাজে অত্যন্ত আগ্রহী কিন্তু সামান্য বিরক্তিতে হতাশ।
→ Very ambitious but easily discouraged by opposition.
15. ঠান্ডা লাগলে নাক বন্ধ, আবার উষ্ণ ঘরে খুলে যায়।
→ Nose blocked in cold air, opens in warm room.
16. পেটের গ্যাস বুক পর্যন্ত উঠে অস্বস্তি সৃষ্টি করে।
→ Gas rises up causing pressure and uneasiness in the chest.
17. অতিরিক্ত ওষুধ খাওয়ার পর অস্বস্তি বা বিষক্রিয়া।
→ Discomfort or toxicity after excessive medication.
18. একটানা বসে থাকা বা মানসিক চাপের কারণে অসুস্থতা।
→ Illness from sedentary life or mental strain.
19. কফসহ কাশি, যা সকালে বেশি।
→ Cough with mucus, worse in the morning.
20. ঠান্ডা পানি খেলেই পেটের সমস্যা বা ব্যথা শুরু হয়।
→ Drinking cold water brings on stomach pain or trouble.
15/08/2025
জুম'আ মুবারক💐
13/08/2025
🔴 মরচে পড়া লোহায় কী এমন থাকে যে তাতে পা কেটে গেলে টিটেনাস ইনজেকশন দিতে হয়❓
▫️মরচে পড়া লোহায় মরিচার সাথে আরও থাকতে পারে ময়লা আবর্জনা এবং বিভিন্ন ধরণের জীবাণু। এই জীবাণু গুলোই আমাদের জন্য বেশি ক্ষতিকর।
▫️একপ্রকার ব্যাকটেরিয়া Clostridium tetani যা সাধারণত মাটি, আবর্জনা ও নোংরা স্থানে পাওয়া যায়। এই ব্যাকটেরিয়ার স্পোর যখন তীক্ষ্ণ পেরেক বা ওইজাতীয় জীবাণু বাহিত বস্তু দ্বারা চামড়া ভেদ করে শরীরের মাংসপেশিতে প্রবেশ করে তখন সেগুলো বংশবিস্তারের মাধ্যমে এক প্রকার টক্সিন (tetanospasmin) তৈরি হয়। এ টক্সিন মানবদেহের মোটর নিউরনে আক্রমন করে যা মাংসপেশির সন্ঞ্চালন নিয়ন্ত্রণ করে।
▫️সংক্রমণ বৃদ্ধি পেলে পেশী খিঁচুনি ক্রমশ চোয়ালেও পরিলক্ষিত হয়, ফলে এই রোগের একটি সাধারণ নাম হল দাঁতকপাটি । এই রোগের অন্যান্য লক্ষণগুলি হল পেশীর অনমনীয়তা, গিলে খেতে অসুবিধা এবং দেহের অন্যান্য অংশে খিঁচুনি। শরীরের পেছনের মাংসপেশিগুলো সংকুচিত হয় বলে পুরো শরীর ধনুকের মতো বেঁকে যায়। এই কারণে এই রোগকে (ধনুঃ + টঙ্কার) ধনুষ্টংকার বলে।
গ্যাস্ট্রিক দূর করতে সেরা সমাধান #গ্যাস্ট্রোমার।
◆আপনি কি গ্যাস্ট্রিক সমস্যায় ভুগছেন?
◆গ্যাস্ট্রিকের কারণে কোনো তৈলাক্ত কিংবা ◆ভাজাপোড়া খাবার খেতে পারছেন না?
◆মসলাদার কিংবা হালকা ভাজাপোড়া খাবার খেলেই আপনার গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা হচ্ছে?
আজকেই আপনার গ্যাস্ট্রিককে বলুন টাটা-বাইবাই!
কারণ আমরা দিচ্ছি গ্যাস্ট্রিক দূর করার সেরা সমাধান #গ্যাস্ট্রোমার। যত পুরনো সমস্যাই হোক, সব দূর হয়ে যাবে মাত্র দশদিনে, ইনশাআল্লাহ (গ্যারান্টেড)।
---
অর্ডার করতে আপনার নাম, ঠিকানা ও মোবাইল নাম্বার ইনবক্স করুন অথবা কমেন্টে জানিয়ে দিন।
#গ্যাস্ট্রিক #গ্যাস্ট্রোমার #গ্যাস্ট্রিকসমাধান
26/07/2025
🧠 মাথা ধরেছে? ঘুম হয় না? অ্যাসিডিটি?
আমরা একেকটা উপসর্গের জন্য একেকটা ওষুধ খুঁজি।
কিন্তু হোমিওপ্যাথি শুধু রোগ দেখে না — **রোগী দেখে**।
কেন মাথা ধরছে? কেন ঘুম আসছে না?
অভিমান, দুশ্চিন্তা, না বলা কথা — সব কিছুই লক্ষণ।
✅ তাই হোমিওপ্যাথির ওষুধ শুধু দেহ নয়, মনও ছুঁয়ে যায়।
🌿 কারণ আপনি শুধু রোগ না — আপনি একজন মানুষ।
25/07/2025
এখন কাঁঠাল পাকা শুরু হয়েছে। অনেকের পেটে কাঁঠাল সহ্য হয়না। সুতরাং কাঁঠাল খেয়ে যদি কারো পেটব্যথা বা ডায়রিয়া হয় তাহলে "Pulsatilla" ঔষধটা ১৫ মিনিট অন্তর এক ফোঁটা করে তিনবার সেবন করুন ইনশাআল্লাহ আর কোন সমস্যা থাকবেনা।
✍️ Latifuzzaman Rubel
25/07/2025
বাচ্চার মা বোতলে করে এই নীল কালারের প্রস্রাব নিয়ে আসছে। উনার ছেলে গতকাল জন্মদিনের পার্টিতে নীল কালারের কেক খেয়েছে একটু বেশি পরিমাণে। যেহেতু গ্রামে থাকে তাই স্বাভাবিকভাবে এলাকার লোকাল দোকান থেকে কেক কিনেছে। কিছু কিছু লোকাল দোকানে কেকের মধ্যে ফুডগ্রেড কালার গুলো সাধারণত ইউজ করে না দাম বেশি হওয়ায়। শিল্প কারখানায় ব্যবহৃত রং ইউস করা হয়। অতিরিক্ত এই রঙ যুক্ত কেক খাওয়ার কারণে প্রস্রাব কালার চেঞ্জ হয়ে যাওয়ায় উনি ভয় পেয়ে বোতলে করে প্রস্রাব নিয়ে আসছেন।
এবার আরেকটা ঘটনা বলি, আমার পরিচিত একটা বাচ্চার প্রস্রাবের কালার পিঙ্ক কালার হয়ে গিয়েছে। পরে খোঁজ নিয়ে জানতে পারলাম সেই বাচ্চা একটু বেশি পরিমাণে হাওয়াই মিঠাই খেয়েছে।
কমেন্ট একজন জানিয়েছেন উনার বাচ্চার ড্রাগন ফল খাওয়ার কারণে প্রস্রাবের কালারও ওইরকম হয়েছে। যদিও ড্রাগন ফল ন্যাচারাল কালার তাই এটা সমস্যা না।
চেষ্টা করবেন বাচ্চাদের খোলামেলা বাইরের রঙিন কালারের খাবারগুলো এভয়েড করার জন্য। অস্বাস্থ্যকর এই ধরনের ফুডগ্রেড কালার ব্যবহার করার কারণে বাচ্চার লিভার এবং কিডনির ক্ষতি হতে পারে। আমাদের শরীরে ওষুধ থেকে শুরু করে যত ধরনের ভালো খারাপ কেমিক্যাল যাই খাই না কেন সবই কিন্তু লিভার এবং কিডনির মাধ্যমে প্রক্রিয়াজাত হয়ে আলটিমেটলি বের হয়।
-ডাক্তার মেহেদী
22/07/2025
সায়েবা’স মেথড: কনডম যেখানে মুমূর্ষু মায়ের জীবন বাঁচায়
প্রসব পরবর্তী জরায়ুর অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে একদিন আঠারো বছর বয়েসী একটি মেয়ে মারা যায়। ড. সায়েবা আক্তার তখন ওই হাসপাতালের গাইনি বিভাগের প্রধান।
বাংলাদেশে প্রসবকালীন মাতৃমৃত্যুর অন্যতম একটি কারণই এই ধরণের রক্তক্ষরণ।
যদিও এ ধরণের সমস্যার চিকিৎসা পদ্ধতি আছে, কিন্তু এজন্য বিদেশী যেই প্রযুক্তিটি পাওয়া যায় সেটির দাম তিনশ ডলার, বাংলাদেশী টাকায় চব্বিশ হাজার টাকার মতো।
২০০০ সালের কথা। ঢাকা মেডিকেল কলেজে তখন এই প্রযুক্তিটির একটিমাত্র কপি আনা হয়েছিল, একবারের বেশী ব্যবহারের কথা নয়, কিন্তু চিকিৎসকেরা কয়েকবারই ব্যবহার করেছিলেন সেটি।
একদিন সেটি হারিয়ে যায়। সেদিনই মারা যায় মেয়েটি।
প্রযুক্তিটি মূলত একটি বেলুন, যেটি জরায়ুর ভেতরে ঢুকিয়ে ফুলিয়ে দিলেই কার্যত রক্তক্ষরণ বন্ধ হয়।
"সেই রাতে খুব মনে হচ্ছিল, একটি বেলুন যদি পেতাম, তাহলে মেয়েটাকে বাঁচানো যেত। সারারাত ঘুমাতে পারিনি", বিবিসির আহ্রার হোসেনকে বলছিলেন ড. আক্তার।
নির্ঘুম রাতে ড. আক্তারের মনে হঠাৎই চলে আসে শিশুদের খেলনা বেলুনের কথা।
"মাঝে মাঝে আমি দেখেছি গ্রামে কনডমকে ওরা বাতাস দিয়ে ফুলিয়ে খেলনা হিসেবে ব্যবহার করে। হঠাৎ আমার মনে হল এই কনডমকে যদি আমি ইউটেরাসের (জরায়ু) ভেতর ঢুকাই, কারণ কনডম একটা মেডিকেল ডিভাইস, এটাকে যদি ইউটেরাসের ভেতর ঢুকিয়ে তারপর ফুলিয়ে চাপ সৃষ্টি করি, তাহলে হয়তো রক্তপাত বন্ধ হবে"।
"তারপর আমি দেখলাম, কনডম কতটুকু পানি বা স্যালাইন ধরতে পারে। আমি এক লিটার ফ্লুইড ওটার ভেতরে ঢুকিয়ে অনেক চেষ্টা করেও সেটিকে ফাটাতে পারলাম না"।
পরদিন তিনি হাসপাতালে গিয়ে দেখেন, চিকিৎসকেরা একটি মেয়ের জরায়ু কেটে ফেলার প্রস্তুতি নিচ্ছে। অনেক সময় প্রসব পরবর্তী রক্তক্ষরণ ঠেকাতে জরায়ু কেটে ফেলা হয়।
"আমি বললাম একটু অপেক্ষা কর। সে-ই আমার প্রথম কেস, যেখানে আমরা কনডমটাকে ক্যাথেটার দিয়ে বেঁধে ওর ইউটেরাসের ভেতর ঢুকিয়ে স্যালাইন দিয়ে ফুলিয়ে দেয়ার পর পনেরো মিনিটের মধ্যেই ব্লিডিং বন্ধ হয়ে গেল"।
পুরো ব্যবস্থাটি করতে খরচ হল একশ টাকারও কম।
সেই থেকে পদ্ধতিটি সায়েবা'স মেথড নামে পরিচিত। ব্যবহার করা হচ্ছে বিশ্বের বহু দেশে। বাংলাদেশের হাসপাতালগুলোতে এটি একটি স্বীকৃত চিকিৎসা ব্যবস্থা।
ড. আক্তার এখন সরকারি চাকরি থেকে অবসরে চলে গেছেন।
তবে মায়েদের ফিস্টুলা নিয়ে ভাবেন তিনি চিকিৎসকের পেশাজীবনের শুরু থেকেই।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে থাকতেই তার একটি উদ্যোগ আজ পরিণত হয়েছে 'ন্যাশনাল ফিস্টুলা সেন্টারে', বিবিসিকে বলেন ড. সায়েবা আক্তার।
আর অবসরে যাওয়ার পর তিনি ঢাকার নিউ ইস্কাটন এলাকায় গড়ে তোলেন 'মামস ইন্সটিটিউট অব ফিস্টুলা অ্যান্ড ওমেনস হেলথ', যেটি মূলত একটি কুড়ি শয্যার দাতব্য হাসপাতাল।
নারী শিক্ষায়ও ভূমিকা রাখছেন ড. আক্তার, এজন্য স্বল্প আয়ের পরিবারের মেয়েদের কর্মমুখী শিক্ষা দেবার জন্য ঢাকা ও গাইবান্ধায় দুটি প্রতিষ্ঠান তিনি চালাচ্ছেন।
ড. সায়েবা আক্তারের জন্ম হয়েছে চট্টগ্রামে। পিতা ছিলেন টাঙ্গাইলের করটিয়া সাদত কলেজের শিক্ষক, সেই সুবাদে ওই ক্যাম্পাসেই বেড়ে ওঠা।
চিকিৎসাশাস্ত্র পড়েছেন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে, প্রথম কর্মস্থলও ওখানেই।
স্বামী ড. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর কবিরও একজন ডাক্তার। তিনি একজন কিডনি রোগ বিশেষজ্ঞ এবং ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অব কিডনি ডিজিজ অ্যান্ড ইউরোলজির সাবেক পরিচালক।
2020 চিকিৎসাতে একুশে পদক পাওয়ায় অভিনন্দন!
ম্যামের এ চিকিৎসা সারা বিশ্ব অন্যভাবে চিনছে বাংলাদেশকে।
Follow Niramoy Homeo Clinic
21/07/2025
বর্তমানে একটা ভয়াবহ ভাইরাস জ্বরের প্রকোপ চলছে। তীব্র জ্বর আসবে। ১০৩°/১০৪° এর মতো উঠে যাবে। সাথে শরীরের বিভিন্ন জায়গায় তীব্র ব্যথা হবে, কাশি হবে। আর ভয়াবহ রকমের দুর্বলতা থাকবে। প্রেসার লো হবে।
ব্লাড টেস্ট করালে দেখা যায় এটা ডেংগুও না, চিকনগুনিয়াও না। কিন্তু ভয়াবহ এক জ্বর। হাসপাতালেও যাওয়া লাগতে পারে। আর জ্বর সেরে গেলেও শরীরের ব্যথা সহজে সারে না।
সকলে সাবধানে থাকুন। সুস্থ থাকুন। মাস্ক ব্যবহার করুন।
20/07/2025
প্রথম দেখায় মনে হতে পারে, একটা রোগা পাতলা মানুষের কঙ্কাল আর অন্যটা স্বাস্থ্যবান ব্যক্তির।
মূল বিষয় হচ্ছে এখানে ছোট কঙ্কালটি মানুষের আর বড় কঙ্কালটি গরিলার!
19/07/2025
খনার চিকিৎসা বচন (১)
“মাংসে মাংস বৃদ্ধি, ঘিতে বৃদ্ধি বল
দুধে বীর্য বৃদ্ধি, শাকে বৃদ্ধি মল”
অর্থ:
মাংস খেলে মাংস বাড়ে,
ঘি খেলে শরীরে বল আসে।
দুধ খেলে বীর্য বৃদ্ধি হয়,
আর শাক খেলে পেট পরিষ্কার থাকে।
-
খনার চিকিৎসা বচন (২)
“রসুনে রক্ত, আদায় গতি,
হলুদের গুণ ধরে না স্মৃতি।
তুলসী পাতায় কাশি যায়,
পেঁয়াজ খেলে যৌবন চায়।”
অর্থ:
রসুন রক্ত পরিষ্কার করে, আদা হজম বাড়ায়,
হলুদ রোগ প্রতিরোধে কার্যকর, তুলসী কাশি সারায়।
পেঁয়াজ খেলে যৌনশক্তি বাড়ে।
-
খনার চিকিৎসা বচন (৩)
“কাঁচা আমে পেটের শান্তি,
পাকা আমে রসের ভাঁড়।
বেলের শাঁসে পেটের জাদু,
তেঁতুল খেলে মুখে ছাঁদ।”
অর্থ:
কাঁচা আম হজমে সহায়ক, পাকা আম শক্তি দেয়,
বেল পেট পরিষ্কার করে,
তেঁতুল মুখে স্বাদ বাড়ায়।
-
খনার চিকিৎসা বচন (৪)
“ধনে পাতা গরম কমায়,
পুদিনা মুখ ঠান্ডা চায়।
লেবুতে মল, কচুতে রক্ত,
এই সবজিতে জীবন শক্ত।”
অর্থ:
ধনে গরম কমায়, পুদিনা ঠান্ডা দেয়,
লেবু হজমে সহায়, কচু রক্ত বাড়ায়।
-
খনার চিকিৎসা বচন (৫)
“তেঁতুল দিলে মুখে রস,
পাকা কলায় চলে গস।
নিম পাতা করে শোধন,
তুলসী পাতায় হয় রোগ ক্ষয়ন।”
অর্থ:
তেঁতুল মুখে টক-মিষ্টি স্বাদ আনে,
পাকা কলা কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে।
নিম পাতা রক্ত পরিশোধ করে,
তুলসী রোগ প্রতিরোধে সহায়।
-
খনার চিকিৎসা বচন (৬)
“আদায় গরম, রসুনে বল,
মেথি খেলে কমে কল।
চিরতা জলে পিত্ত ধোয়,
তেতো কাহার কভু ক্ষয়?”
অর্থ:
আদা গরম, রসুন শক্তিদায়ক,
মেথি গ্যাস-অম্বল কমায়।
চিরতা পিত্ত দূর করে,
আর তেতো শরীরের রোগ কমায়।
-
খনার চিকিৎসা বচন (৭)
“কচুতে রক্ত, চাল কুমড়ো ঠান্ডা,
তালের রসে শীতল ফাঁদা।
আনারসে গ্যাসে শান্তি,
দুধে খেলে শরীর ভারী।”
অর্থ:
কচু রক্ত বাড়ায়, চাল কুমড়ো ঠান্ডা দেয়,
তালের রস ঠান্ডা রাখে, আনারস গ্যাস কমায়।
দুধ শরীর মজবুত করে।
-
খনার চিকিৎসা বচন (৮)
“মধু মুখে দিলে জ্বালা যায়,
তিলের তেলে চুলে আয়।
লাউয়ে জ্বর, করলাতে পিত্ত,
জ্বরের দিনে করো না হিত।”
অর্থ:
মধু মুখ ঠান্ডা রাখে,
তিলের তেল চুলে দিলে উজ্জ্বল হয়।
লাউ জ্বর কমায়, করলা পিত্ত দূর করে,
তবে জ্বরে করলা খাওয়া ঠিক নয়।
এই সুন্দর ছবিটি এঁকেছেন - Nasir Ahammed
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Telephone
Website
Address
Basherpul Main Road, Demra
Dhaka
