Women's Beauty Care
Now Wait is over ! Finally the Bangladesh's fastest-growing Women's Beauty Care page is coming to the Bangladesh.
Women's beauty Care is the first Bangladesh lifestyle page to bring you the best in beauty, fashion, health, fitness, nutrition, weight loss, celebrity and love - all wrapped up in one super-glossy lifestyle title. Women's Beauty Care is the first Bangladesh lifestyle page to bring you the best in beauty, fashion, health, fitness, nutrition, weight loss, celebrity, and love - all wrapped up in one super-glossy lifestyle title.
08/12/2018
জেনে নিন – ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধিতে দুধ ও কাঁচা হলুদের ব্যাবহার:
ব্যাস্ততম এই জীবনে নিজের প্রতি খেয়াল রাখার সময়টুকু নেই আমাদের অনেকের কাছেই, কিন্তু তাই বলে নিজের ত্বকের উজ্জ্বলটা হারানোর ইচ্ছেও নেই কারো মাঝে, যার কারনে আমরা বাধ্য হয়েই ভরসা শুরু করি অনেক নামি-বেনামি ক্রিমের উপর । কিন্তু সত্যি বলতে, এইসকল ক্রিম সাময়িকভাবে ত্বকের উজ্জলতা বৃদ্ধি করলেও করে থাকে দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতিসাধন ।
তাই সর্বোত্তম হচ্ছে, প্রাকৃতিক কিংবা ঘরোয়া উপায়ে ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধির পন্থা অবলম্বন করা, আর প্রাচীনকাল হতেই ঘরোয়া উপায়ে ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করতে ব্যাবহৃত হয়ে আসছে ”দুধ ও কাঁচা হলুদ”, যা নিয়ে আমাদের আজকের এই ফিচার লেখাটি –
* প্রতিদিন এক গ্লাস উষ্ণ গরম দুধে আধা চা চামচ কাঁচা হলুদ বাটা মিশিয়ে পান করুন। এভাবে পান করতে না পারলে এর সঙ্গে মধু মিশিয়ে নিন। নিয়মিত হলুদ মেশানো দুধ পান করলে আপনার রং হয়ে উঠবে ভেতর থেকে ফর্সা।
* দেড় ইঞ্চি সাইজের এক টুকরো হলুদ নিন। তারপর টুকরো করে কেটে এক গ্লাস দুধে দিয়ে ভালো করে ফুটিয়ে নিন। দুধ গাঢ় হলুদ রঙ ধারণ করলে পান করুন। এভাবে প্রতিদিন একবার করে পান করতে থাকুন।
* দুধ, লেবুর রস ও হলুদ বাটা একসঙ্গে মিশিয়ে একটি মিশ্রন বা পেস্ট তৈরি করুন। সারা মুখে এই পেস্ট ভালভাবে লাগিয়ে প্যাকটি শুকনো হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। শুকিয়ে গেলে ঠান্ডা পানিতে পরিষ্কার করে ধুয়ে নিয়ে নরম তোয়ালে দিয়ে আলতো করে মুছে নিন। গরম পানিতে মুখ ধোবেন না এবং এটা ব্যাবহারের পর অন্তত ১২ ঘণ্টা রোদে যাবেন না। নিয়মিত ব্যবহারে আপনার ত্বকের রং হয়ে উঠবে ফর্সা, কোমল, দাগমুক্ত ও সুন্দর।
তাহলে আর দেরি কেন, প্রাকৃতিক এই ঘরোয়া উপায়টি অবলম্বন করুন আর নিজের ত্বকের সৌন্দর্য ধরে রাখুন আজীবন ।
08/12/2018
তৈলাক্ত ত্বকের সমস্যায় দারুণ উপকারী ৭টি খাবার:
সুন্দর ও মসৃণ ত্বক চান সবাই, কিন্তু সুন্দর ত্বক বজায় রাখতে দরকার হয় অনেকটা মনোযোগ ও যত্ন। নিয়মিত ত্বক পরিষ্কার করা এবং ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করাটা এক্ষেত্রে জরুরী। তবে ত্বকের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে পুষ্টিকর খাবার খাওয়ারও গুরুত্ব অনেক। বিশেষ করে ত্বকের তৈলাক্তভাব কমাতে কিছু খাবার খুবই কাজে আসতে পারে।
আমাদের ত্বকের তৈলাক্ততা তখনই বেড়ে যায় যখন ত্বকের সিবাম গ্রন্থিগুলো অতিরিক্ত সিবাম নিঃসরণ করে। অতিরিক্ত সিবামের কারণে ব্ল্যাকহেডস, বড় রোমকূপ এবং হোয়াইটহেডসের সমস্যা দেখা দেয়। প্রসাধনী ব্যবহার করেও সবসময় এসব সমস্যা দূর করা যায় না। তবে খাদ্যভ্যাসে কিছু পরিবর্তন আনলে ত্বকের তৈলাক্তভাব কমতে পারে। দেখে নিতে পারেন তৈলাক্ত ত্বকের জন্য উপকারি ৭টি খাবার-
১) হোল গ্রেইন
হোল গ্রেইন হলো লাল চাল, বার্লি, ভুট্টা এবং ওটসের মত খাবারগুলো। এসব খাবারে থাকে প্রচুর ফাইবার, ফলে হজম সহজ হয়। এতে ত্বকের তেলতেলে ভাবটাও কমে।
২) ডাবের পানি
ত্বককে তেলমুক্ত রাখতে তাকে আর্দ্র রাখা জরুরী। এক্ষেত্রে সাহায্য করে ডাবের পানি। এই পানিতে ভিটামিন সিয়ের পরিমাণও বেশি, ফলে তা ত্বকে ব্রণের উপদ্রব রোধ করে এবং ত্বকের রঙ রাখে উজ্জ্বল।
৩) কলা
ভিটামিন ডি এবং পটাসিয়ামের খুব ভালো উৎস কলা। এছাড়া ডিটক্সিফায়ার হিসেবেও তা উপকারী। ত্বকের রোমকূপ ছোট করে ব্রণ রোধ করতে কাজে আসে কলা।
৪) লেবু
লেবুতে রয়েছে প্রচুর ভিটামিন সি ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্টস। এতে ত্বক থেকে তেল দূর হয়, ত্বক থাকে মসৃণ।
৫) ডার্ক চকলেট
সাধারণ মিল্ক চকলেট নয়, ডার্ক চকলেটে খেতে হবে ত্বকের যত্নে। এতে রয়েছে ফ্ল্যাভোনল ধরণের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা কিনা ত্বককে সুস্থ রাখে এবং সিবাম উৎপাদন নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে তেলতেলেভাব কমায়।
৬) ব্রকোলি
ভিটামিন এ এবং সি পাওয়া যায় ব্রকোলি খেলে। সবজিটি ত্বকে তেলের উৎপাদন কমায়, ত্বককে রাখে সুস্থ।
৭) ফ্ল্যাক্স সিড
এ বীজটিতে আছে প্রচুর ওমেগা থ্রি ফ্যাটি এসিড। তা খাওয়ার ফলে ত্বকে তেলের উৎপাদন কমতে পারে।
08/12/2018
দ্রুত চুল কোঁকড়া করার সবচেয়ে সহজ ৭টি টিপস:
একটা সময় পার্টি লুক বলতে সবাই স্ট্রেইট করা চুল পছন্দ করতেন। এখন কিন্তু বিভিন্ন ধরণের কোঁকড়া করা চুলের চল এসে গেছে। পরিপাটি কিন্তু ঝলমলে কোঁকড়া করা চুলের আবেদন অস্বীকার করা যায় না। পার্লারে গিয়ে চুল কোঁকড়া করতে সময় ও টাকা দুটোই খরচ হয় অনেক। বাড়িতে নিজে হাতে চুল কোঁকড়া করাটাও বেশ সময়ের ব্যাপার।
কিন্তু কিছু ছোট ছোট টিপস জানা থাকলে আপনি কম সময়েই চুল কোঁকড়া করে নিতে পারবেন। দেখে নিন এসব টিপস-
১) হালকা কার্ল বা কোঁকড়া করা চুল
চুল কার্ল করতে হবে তারমানে এই নয় যে মাথাভর্তি ঝাঁকড়া চুল দেখা যাবে! সাধারণ একটি স্ট্রেইটনার ব্যবহার করেই চুল হালকা কোঁকড়া করে নিতে পারেন কয়েক মিনিটের মাঝেই। এখানে ক্লিক করে দেখে নিতে পারেন সহজ একটি ভিডিও টিউটোরিয়াল। মূলত চুলের গোছা আলাদা করে তার একটি অংশ স্ট্রেইটনারের ভেতরে চেপে ধরে বাকি অংশটা স্ট্রেইটনারে পেঁচিয়ে ধরতে হবে। এরপর স্ট্রেইটনার ধীরে ধীরে নিচের দিকে টেনে নিলে আলগা, হালকা কার্ল তৈরি হবে চুলের নিচের দিকে।
২) ন্যাচারাল কার্ল
স্ট্রেইটনার ব্যবহার করলে চুলে তাপ দেওয়া হয় এবং চুলের ক্ষতি হবার সম্ভাবনা থাকে। এ কারণে অনেকেই স্ট্রেইটনার ও কার্লার ব্যবহার করতে চান না। এসব যন্ত্র ছাড়াই চুল কার্ল করতে চাইলে আপনার কাজে আসবে একটি মোজা অথবা হেয়ার ডোনাট। যারা একটু ফুলিয়ে চুল বাধতে পছন্দ করেন তারা হেয়ার ডোনাটের সাথে পরিচিত। এটা দেখতে অনেকটা মোটা ইলাস্টিক ব্যান্ডের মতো। একটি পরিষ্কার মোজার বন্ধ দিকটা কেটে নিয়ে সেটা গুটিয়েও হেয়ার ডোনাট তৈরি করতে পারেন। চুল পনিটেইল করে বেঁধে নিয়ে এরপর পনিটেলের গোড়ায় এই হেয়ার ডোনাট বেঁধে নিন। এরপর চুল ভাগ ভাগ করে খুব টাইট করে এই ডোনাটের সাথে পেঁচিয়ে নিন ভিডিওর মতো করে। এভাবে চুল বেঁধে ঘুমালে সকাল নাগাদ চুল কার্ল হয়ে যাবে।
৩) পনিটেইল ট্রিক
মুখের চারপাশে চুলে খুলে রেখে তা একটু একটু করে কার্ল করাটা বেশ ঝামেলার। এতে অনেকেই ক্লান্ত হয়ে যান। এর বদলে চুল একটি পনিটেইল করে বেঁধে নিন। এরপর পনিটেইলের চুল ভাগ ভাগ করে কার্লারে পেঁচিয়ে কার্ল করে নিন। দেখবেন ছোট্ট এই কাজেই চুল কার্ল করাটা কতো সহজ হয়ে উঠেছে।
৪) চারটি পনিটেইল
একটি পনিটেইল করলে যদি চুল কার্ল করতে অসুবিধা মনে হয়, তাহলে মাথার চারদিকে চারটি পনিটেইল করে চুল বেঁধে নিতে পারেন। এতে চুল একদম গোড়া থেকে কার্ল করা সহজ হবে।
৫) ছোট কার্লারের ব্যবহার
লম্বা চুল কার্ল করার জন্য বড় আকারের কার্লিং আয়রন আপনার নাও থাকতে পারে। সেক্ষেত্রে ছোট কার্লিং আয়রনটিই ব্যবহার করতে পারেন। ছোট কার্লিং আয়রনে টাইট করে লম্বা চুল পেঁচিয়ে নিলে আকর্ষণীয় কার্ল তৈরি হয়।
৬) ছোট চুল কোঁকড়া করা
লম্বা চুল কার্ল করা তুলনামূলক সহজ। কিন্তু যাদের চুল ছোট তারা কী করবেন? তারা স্ট্রেইটনার ব্যবহার করে চুল কার্ল করে নিতে পারেন। এর জন্য চিকন স্ট্রেইটনার ব্যবহার করতে পারেন।
৭) দুইদিকে কোঁকড়া করা
কার্লিং আয়রনে চুল পেঁচানোর সময়ে সবাই সাধারণত একদিকেই পেঁচিয়ে থাকেন। কেউ ডানদিক বরাবর পেঁচান, কেউ বামদিক বরাবর। কিন্তু চুলের একটি গোছা ডানদিকে, একটি বামদিকে- এভাবে পেঁচিয়ে কার্ল করলে খুব ন্যাচারাল কার্ল পাওয়া যাবে এবং চুল ঘন দেখাবে।
12/09/2018
কোন মেকাআপ করলে বয়স কমে?
==========================
নারীদের মেকআপে সত্যিই আকর্ষণীয় লাগে। এ কথা গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে। মার্কিন গবেষকেরা বলেছেন, লিপস্টিক আর আইশ্যাডো ব্যবহারে নারীদের সত্যিই সুন্দর দেখায়। বয়স্ক নারীদের ক্ষেত্রেও মেকআপের ব্যবহারে তাঁদের প্রকৃত বয়সের চেয়ে কম বয়সী বলে মনে হয়। আকর্ষণীয় দেখাতে লিপস্টিকের চেয়ে চেয়ে আইশ্যাডো বেশি প্রভাব ফেলে।
সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা গেছে, মেকআপ ব্যবহারের ফলে তারুণ্যের তিনটি বৈশিষ্ট্য ফুটে ওঠে এবং আকর্ষণীয় দেখাতে সাহায্য করে। এ তিনটি ফিচার হচ্ছে মসৃণ ত্বক, ফেসিয়াল কনট্রাস্ট এবং মুখের আদল বদলে যাওয়া।
যুক্তরাষ্ট্রের পেনসিলভানিয়ার গেটিসবার্গ কলেজের সাইকোলজি বিভাগের গবেষক রিচার্ড রাসেল ওই গবেষণায় নেতৃত্ব দেন। তিনি ২০, ৩০, ৪০ ও ৫০ বছর বয়সী ৩২ জন নারীর মেকআপ নিয়ে গবেষণা করেন।
গবেষক রাসেল বলেন, অনেক ক্ষেত্রে একটি মেয়ে কখন মেকআপ দেবে, তার একটি নির্দিষ্ট নিয়মকানুন আছে। কিছু ক্ষেত্রে কম বয়সীদের চেয়ে বয়স্করা মেকআপ করে থাকেন। বয়সের সঙ্গে মানানসই মেকআপ করতে জানা প্রয়োজন।’
মেকআপ নিয়ে গবেষণা করার জন্য শুরুতে গবেষকেরা মেকআপবিহীন মুখের ছবি তোলেন। এরপর পেশাদার মেকআপশিল্পীদের নিয়ে গবেষণায় অংশ নেওয়া নারীদের মুখে মেকআপ করানো হয়। নির্দিষ্ট পরিবেশ ও আলোতে তাঁদের ছবি তোলা হয়। এরপর তাঁদের মুখের ছবি দেখে ১০ থেকে থেকে ৭০ স্কেলের মধ্যে বয়স অনুমান করতে বলা হয়। বয়সের অনুমান ছাড়াও আকর্ষণীয় ছবির তালিকা করতেও বলা হয় তাঁদের।
গবেষণামূলক নিবন্ধ ‘ব্রিটিশ জার্নাল অব সাইকোলজি’ সাময়িকীতে প্রকাশিত হয়েছে। তাতে বলা হয়েছে, মেকআপ করলে মধ্যবয়সী নারীর মুখ কম বয়সী দেখায়। আবার একই মেকআপে কম বয়সী নারীকে বয়স্ক দেখায়।
গবেষকেরা বলেন, গালে মেকআপ আর লিপস্টিক দেওয়ার চেয়ে শুধু লিপস্টিক আর চোখের কাছাকাছি মেকআপ করা হলে বয়সের পার্থক্যে বিশেষ প্রভাব পড়ে।
[ তথ্যসূত্র: সায়েন্টিফিক আমেরিকান ও ডেইলি মেইল ]
12/09/2018
চোখের নিচের কালো দাগ দূর করবেন যেভাবেঃ
==================================
ঘুম কম, বাড়তি মানসিক চাপ, অনিয়মিত পিরিয়ডসহ নানা কারণে চোখের নিচে কালি পড়তে পারে। যে কারণেই চোখের নিচে কালি পড়ুক না কেনো এটা চেহার উজ্জলতা পুরোটা আস্তে আস্তে নষ্ট করে দেয়। মুখটা খুব মলিন দেখায়।
সমস্যাতো হতেই পারে। এর জন্য রয়েছে প্রতিকারও। তাই ঘরোয়া কিছু উপাদান আর তার ব্যবহার জেনে নিলে খুব সহজে সমস্যা থেকে মুক্তি মিলবে।
টমেটো ও লেবুর রসের মিশ্রণ চোখের তলায় দিয়ে রাখুন। দশ মিনিট এই মিশ্রণ লাগিয়ে রাখলেই মিলবে মুক্তি।
আলুর রসে ভিজিয়ে নিন তুলোর বল। তারপর চোখের চারদিকে বুলিয়ে নিন এই বল। দশ মিনিট রেখে ঠান্ডা জলে ধুয়ে নিন।
ফ্রিজে রাখা ঠান্ডা গ্রিণ টি এর ব্যাগে চোখ বোলালেও মিলবে ফল।
আমন্ড ওয়েল চোখের ডার্ক সার্কলে বোলাতে হবে। সারারাত রেখে দিয়ে পরদিন সকালে ধুয়ে ফেললে মিলবে ফল।
ঠান্ডা দুধের কোনও বিকল্প নেই। তুলোর বলে ঠান্ডা দুধ লাগিয়ে তা ডার্ক সার্কলে ব্যবহার করুন।
অরেঞ্জ জুস আর গ্লিসারিনের মিশ্রণ ব্যবহার করা যেতে পারে।
যোগ বা মেডিটেশনের কোনও বিকল্প নেই।
ঠান্ডা শসা দশ মিনিট লাগিয়ে রাখলে ফল মিলবে।
পুদিনা পাতা চোখের তলায় কালি দূর করতে পারে। এক সপ্তাহ পুদিনা পাতা বাটা ব্যবহারেই মিলবে ফল। সারারাত এই মিশ্রণ চোখে লাগিয়ে রাখতে হবে।
গোলাপ জল চোখের কালি দূর করার জন্য ভালো। ১৫ মিনিট রেখেই ধুয়ে ফেলতে হবে।
বাটারমিল্কে হলুদ মিশিয়ে চোখে এই মিশ্রণ রেখে দিতে হবে পনেরো মিনিট। তার পরেই ঠান্ডা জলে ধুয়ে ফেলতে হবে।
[সংগ্রহঃ ইন্টারনেট]
12/09/2018
অল্প সময়েই ত্বক ফর্সা হয়ে উঠুক এমনটা যদি চান তাহলে নিয়মিত টমাটোর রস মুখে লাগাতে ভুলবেন না যেন!
===================
শরীরকে ঠিক রাখতে টমাটোর যে কোনও বিকল্প নেই , সে কথা তো সবারই জানা আছে। কিন্তু একথা কি জানেন, ত্বকের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটানোর মধ্যে দিয়ে সার্বিক সৌন্দর্য বৃদ্ধি করতেও এই সবজিটি বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। তাই তো বন্ধু অল্প দিনেই যদি অপরূপ সুন্দরী হয়ে উঠতে চান, তাহলে প্রতিদিন টমাটোর রস মুখে লাগাতে ভুলবেন না যেন। আর যদি কাঁচা টমাটো খেতে পারেন, তাহলে তো কথাই নেই! আসলে টমাটোর অন্দরে থাকা একাধিক উপকারি উপাদান একদিকে যেমন স্কিনের অন্দরে পুষ্টির ঘাটতি দূর করে, তেমনি কোলাজেনের উৎপাদন বাড়িয়ে দেয়। সেই কারণেই তো ত্বকের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পেতে সময় লাগে না। এক্ষেত্রে এক চামচ টমাটোর রসের সঙ্গে ১ চামচ জল মিশিয়ে সেই মিশ্রনটি মুখে লাগিয়ে ভাল করে মাসাজ করতে হবে। ১৫ মিনিট পর ধুয়ে ফেলতে হবে মুখটা। এইভাবে যদি প্রতিদিন ত্বকের পরিচর্যা করতে পারেন, তাহলেই দেখবেন কেল্লা ফতে!
এখন প্রশ্ন হল, টমাটোর রসের সাহায্যে ত্বকের খেয়াল রাখলে কী কী উপকার পাওয়া যায়?
১. ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি পায়:
খেয়াল করে দেখবেন স্ট্রেস এবং পরিবেশ দূষণ সহ আরও নানা কারণে সিংহভাগেরই ত্বকের বারোটা বেজে যায়। সেই সঙ্গে স্কিনের উজ্জ্বলতা হারিয়ে যাওয়ার কারণে সৌন্দর্যতা কমে চোখে পরার মতো। এমন পরিস্থিতিতে আপনার হারিয়ে যাওয়া সৌন্দর্যকে ফিরিয়ে আনতে কিন্তু নানাভাবে সাহায্য করতে পারে টমাটো। প্রসঙ্গত, একাধিক স্টাডিতে দেখা গেছে নিয়মিত টমাটোর রস মুখে লাগালে ত্বকের অন্দরে ভিটামিন সি এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের মাত্রা বাড়তে শুরু করে। ফলে ত্বক উজ্জ্বল এবং প্রাণবন্ত হয়ে উঠতে সময় লাগে না।
২. ত্বকের বয়স কমে:
আপনার বয়স কি ৩০ পেরিয়েছে? তাহলে প্রতিদিন টমাটোর রস লাগানো শুরু করুন মুখে। কারণ এই বয়সের পর থেকেই নানা কারণে ত্বক বুড়িয়ে যেতে শুরু করে। সেই সঙ্গে বলিরেখা প্রকাশ পাওয়ার কারণে সৌন্দর্য কমে চোখে পরার মতো। কিন্তু যদি টমাটোকে উদ্ধার কাজে লাগান, তাহলে ত্বকের এমন খারাপ অবস্থা হওয়ার আশঙ্কা যায় কমে। কারণ এই প্রকৃতিক উপাদানটির অন্দরে থাকা একাধিক উপকারি উপাদান ত্বকের অন্দরে অক্সিজেনের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। সেই সঙ্গে স্কিনের অন্দরে পুষ্টির ঘাটতি দূর হওয়ার কারণে ত্বক টানটান হয়ে ওঠে। ফলে বলিরেখা গায়েব হতে সময় লাগে না।
৩. সূর্যের খারাপ প্রভাব থেকে বাঁচায়:
বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে বাড়ির বাইরে বেরনোর আগে যদি অল্প করে টমাটোর রস মুখে লাগিয়ে নেওয়া যায়, তাহলে অতি বেগুনি রশ্মির কারণে ত্বকের কোনও ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা কমে। সেই সঙ্গে তাপ প্রবাহের কারণে ত্বক পুড়ে যাওয়ার সম্ভাবনাও হ্রাস পায়। আসলে টমাটোর অন্দরে থাকা লাইকোপেন নামক একটি উপাদান এক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।
৪. ত্বকের অন্দরে স্ট্রেস কমায়:
নানা কারণে স্কিনের অন্দরে টক্সিক উপাদানের মাত্রা বাড়তে শুরু করলে অক্সিডেটিভ স্ট্রেসের মাত্রা বাড়তে শুরু করে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই স্কিনের সৌন্দর্য কমতে থাকে। এমনটা যদি দীর্ঘ দিন ধরে হয়, তাহলে কিন্তু বিপদ। কারণ সেক্ষেত্রে অল্প বয়সেই ত্বক বুড়িয়ে যেতে শুরু করে। ফলে বয়স ৩০-এর খাতায় থাকলেও লোকের মনে হয় আপনি সিনিয়ার সিটিজেনদের কোটায় ঢুকে পরলেন বলে! তবে মজার বিষয় কী জানেন, আপনি যদি চান, তাহলে এমন ঘটনা কিন্তু আপনাদের সঙ্গে নাও ঘটতে পারে। কীভাবে এমনটা সম্ভব? এক্ষেত্রে প্রতিদিন মুখে এবং সারা শরীরে টমাটোর রস লাগিয়ে মাসাজ করতে শুরু করুন। এমনটা করলে দেখবেন আগামী ১৫ দিনের মধ্যে ত্বকের সৌন্দর্য বেড়ে গেছে।
৫. ত্বকের অন্দরে জমে থাকা ময়লা ধুয়ে যায়:
একথা নিশ্চয় জানা আছে যে পরিবেশে উপস্থিত ডাস্ট পার্টিকালরা প্রতিনিয়ত ত্বকের অন্দরে প্রবেশ করে স্কিনের মারাত্মক ক্ষতি করে চলেছে। তাই তো দিনের শেষে সবাইকেই ভাল করে মুখ ধুয়ে শুতে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়ে থাকে। কিন্তু সমস্যাটা হল বাজার চলতি বেশিরভাগ ফেসওয়াশ জেলই এই কাজটি ঠিক মতো করে উঠতে পারে না। ফলে ত্বকের মারাত্মক ক্ষতি হয়। এমন অবস্থায় ত্বককে বাঁচাতে যদি অ্যাভোকাডোর সঙ্গে টমাটোর রস মিশিয়ে মুখে লাগাতে পারেন, তাহলে কিন্তু দারুন উপকার পাওয়া মেলে। আসলে এই দুই প্রকৃতিক উপাদান একদিকে যেমন ত্বকের অন্দরে জমে থাকা টক্সিক উপাদানদের বের করে দেয়। সেই সঙ্গে ত্বককে উজ্জ্বল এবং প্রাণবন্ত করে তোলে। ফলে সৌন্দর্য বাড়ে চোখে পরার মতো।
৬.মৃত কোষের স্তরকে সরিয়ে ফেলে:
পরিমাণ মতো টমাটোর পেস্টের সঙ্গে ১ চামচ চিনি মিশিয়ে নিন। তারপর সেই মিশ্রনটি মুখে লাগিয়ে ভাল করে মাসাজ করুন। এমনটা প্রতিদিন করলে দেখবেন ত্বকের উপরে জমে তাকা মৃত কোষের স্তর সরে যেতে শুরু করে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই ত্বকের সৌন্দর্যতা বৃদ্ধি পেতে সময় লাগে না।
[সংগ্রহঃ ইন্টারনেট]
12/09/2018
সব সময় সুন্দর থাকতে এই বিষয়গুলো খেয়াল রাখুনঃ
======================================
সব সময় সুন্দর থাকতে এই বিষয়গুলো খেয়াল রাখুন
সৌন্দর্য্য (beauty) ব্যাপারটা একদম ভেতর থেকে আসে। বাস্তব কথা বলতে কি মানুষ মানেই শৌখিন ! ফেসিয়াল বা ফেসপ্যাক যাই বলুন অতটা কাজে আসে না যতটা না আপনার দৈনিক জীবন-যাপন বা খাদ্যভ্যাস আপনার উপর প্রভাব ফেলে। সৌন্দর্য্য (beauty)৮০% নির্ভর করে আপনার খাদ্যভ্যাসের উপর বাকি ২০% নির্ভর করে বাহ্যিক যত্নের উপর। চলুন দেখে নিন কিভাবে ক্ষুদ্র কিছু অভ্যাসের মাধ্যমে সবসময় নিজেকে সুন্দর (Beautiful) রাখবেন।
সঠিক খাদ্যভ্যাস : একজন মানুষ যত বেশি ভিটামিনযুক্ত খাবার খাবেন তিনি ততটাই ফিট এবং সুন্দর (Beautiful) থাকবেন। তাই খাবারে শাক-সবজী এবং ফলের পরিমাণ বৃদ্ধি করুন। খাবার থেকে প্রাপ্ত ভিটামিন এ ,বি,ডি,সি , ইত্যাদি ত্বক (skin) এবং শরীরকে সুন্দর(Beautiful) রাখবে।
পর্যাপ্ত ঘুম : সুন্দর (Beautiful) থাকতে ঘুমের কোন বিকল্প নেই। প্রতিদিন ৭-৮ ঘন্টা ঘুম আপনাকে সুন্দর থাকতে সাহায্য করবে। সঠিক পরিমাণ ঘুম আপনাকে রাখবে টেনশনমুক্ত ও তরতাজাা । তাই রাতজাগার অভ্যাস ও ত্যাগ করুন।
পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি : ডি-হাইড্রেটেশন বা পানি স্বল্পতা আপনার ত্বক (skin) কে মলিন করে দেয় শরীরকে দুর্বল করে দেয়। তাই ত্বক ভালো রাখতে দিন শুরু করুন এক গ্লাস পানি দিয়ে। এবং প্রতিদিন অন্তত ৮-১০ গ্লাস পানি পান করুন। এতে শরীর ত্বক(skin) দুটোই থাকবে তরতাজা।
[সংগ্রহঃ ইন্টারনেট]
11/09/2018
জেনে নিন – রমণীদের স্পর্শকাতর অঙ্গের কালো দাগ দূর করার ৫ টিপস :
দেহের স্পর্শকাতর গোপন অঙ্গ কোনগুলি? বগল, দুই থাইয়ের মধ্যবর্তী স্থান, প্রজনন অঙ্গ, হিপ, কোমরের ভাঁজ৷ এই সমস্ত অংশে কালো দাগ খুবই স্বাভাবিক একটি ঘটনা। পোশাকের ঘর্ষণ থেকে শুরু করে লোম পরিষ্কার, নানা কারণে এসব স্থানে কালো দাগ হয়৷
যাদের ওজন একটু বেশি, তাদেরকে অনেক বেশি মুখোমুখি হতে হয় এই সমস্যার। এই অবস্থায় কী করবেন? যেহেতু এসব অঙ্গের যত্ন নিয়ে কেউ পার্লারে যেতে চান না৷ এখানে সব ধরণের পণ্য ব্যবহার করা যায় না, তাই জেনে নিন পাঁচটি দারুণ ঘরোয়া উপায়। অল্প সময়েই চলে যাবে স্পর্শকাতর অঙ্গের কালো দাগ!
শসার রস
শসার রস যে কোন স্পর্শকাতর অঙ্গের দাগ দূর করার জন্য দারুণ উপকারী। এতে ত্বকের ক্ষতির কোন সম্ভাবনাই থাকে না। শসার রস লাগিয়ে রাখুন ২০/২৫ মিনিট। তারপর ধুয়ে ফেলুন। কয়েকদিন ব্যবহারেই উপকার পাবেন।
আলু
আলু রস লাগানো একটু ঝামেলার হলেও এটি উপকারী শসার রসের চাইতেও বেশি। আক্রান্ত স্থানে আলুর রস লাগিয়ে রাখুন। ৩০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। এটাও ত্বকের কোন ক্ষতি করে না।
লেবুর রস
লেবুর রস হচ্ছে প্রাকৃতিক ব্লিচ। কিন্তু এটি সরাসরি স্পর্শকাতর অঙ্গে ব্যবহার না করাই উচিত, ত্বকে হতে পারে জ্বলুনি ও র্যাশ। লেবুর রসের সঙ্গে শসার রস ও এক চিমটি হলুদ মিশিয়ে নিন। তারপর একে লাগান আক্রান্ত স্থানে। লেবুর ও হলুদ দাগছোপ দূর করবে আর শসা রক্ষা করবে ত্বককে। ২০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। ধোয়ার সময় সাবান দেবেন না।
দুধ ও মুলতানি মাটি
কাঁচা দুধের সঙ্গে মুলতানি মাটি ও গোলাপ জল মিশিয়ে পেস্ট করে নিন। এই মিশ্রণ ত্বকে লাগিয়ে রাখুন, শুকিয়ে গেলে ধুয়ে ফেলুন। এই প্যাক মুখেও ব্যবহার করতে পারেন।
দই ও হলুদ
দইয়ের সঙ্গে এক চিমটি হলুদ, সামান্য লেবুর রস ও চিনি মিশিয়ে নিন। এই মিশ্রণটি স্ক্রাবের মত ঘষে ঘষে লাগান, তবে খুব হালকা হাতে। তারপর রেখে দিন ২০ মিনিট। ধুয়ে ফেলুন ঠাণ্ডা জল দিয়ে।
[সংগ্রহঃ ইন্টারনেট]
04/09/2018
জেনে নিন – শরীরের বাড়তি মেদ দ্রুত ঝেড়ে ফেলার ৪ টি কার্যকরী উপায়
সারাদিন ব্যস্ত থাকেন, ব্যায়াম কিংবা ডায়েট করার সময় নেই। ফলে হু হু করে বেড়ে চলেছে ওজন! আপনিও কি এই সমস্যায় আক্রান্ত? তাহলে জেনে রাখুন, সন্ধ্যা ও রাতের সময়টা মাত্র ৪টি সহজ কাজ করেই কমাতে পারবেন বাড়তি ওজন। বাড়তি কোন সময় লাগবে না, কাজের ক্ষতি হবে না।, কেবল রপ্ত করে নিন কিছু সহজ অভ্যাস। আর এগুলোই আপনাকে খুব সহজে করে দেবে স্লিম ও সুন্দর!
১. হালকা নাস্তার অভ্যাস :
আমরা অনেকেই ডায়েট করছি ঠিকই কিন্তু দেখা যায় সন্ধ্যার নাস্তার টেবিলে পেট ভর্তি করে আহার করে ফেলি। সন্ধ্যার নাস্তায় অনেক ভারী খাবার খেয়ে ফেলি। এই বাজে অভ্যাসটির কারণে আপনার ওজন আরও দ্বিগুণ বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাই যতটা সম্ভব চেষ্টা করবেন সন্ধ্যার নাস্তাটি হালকাভাবে সেরে নেয়ার। একেবারেই না হলেই না এমন খাবার খাওয়ার চেষ্টা করুন। এক্ষেত্রে আপনি যদি নাস্তা করার অভ্যাসটি বাদ দিতে পারলে স্বাস্থ্যের পক্ষে ভালো উপকার পাওয়া যাবে।
২. রাতের খাবারের পর অন্যকিছু না খাওয়া :
রাতের খাবারের পর অনেকের অভ্যাস থাকে আরও কিছু খেয়ে ফেলা। অনেকেই খাবারের পরপর মিষ্টি জাতীয় খাবার খেতে অনেক বেশি পছন্দ করেন। এই ধরনের অভ্যাস থেকে থাকলে তা থেকে যত শীঘ্রই সম্ভব নিজেকে মুক্ত করুন। রাতের খাবারের পর আর কিছুই খাবেন না। প্রয়োজনে পানি খেতে পারেন।
৩. হালকা শারীরিক ব্যায়াম :
রাতের খাবারের পর একটু সময় নিয়ে হালকা ধরনের শারীরিক ব্যায়াম করে নিতে পারেন। এক্ষেত্রে অবশ্যই খেয়াল রাখবেন একেবারে রাতের খাবারের পরপর ব্যায়াম না করে একটু সময় বিশ্রাম নিয়ে তারপর ব্যায়াম করুন। এভাবে প্রতিদিন রাতে হালকা ধরনের কয়েকটি ব্যায়ামের অভ্যাস গড়ে তুলুন। এর ফলে শরীরের অতিরিক্ত ওজন অনেকটা নিয়ন্ত্রণে আসবে।
৪. তাড়াতাড়ি ঘুমানোর অভ্যাস :
অনেকেই রাত জাগতে পছন্দ করেন। এতে করে রাতে ক্ষুধার প্রবণতা বাড়ে এবং অতিরিক্ত খাওয়া হয়ে থাকে। আবার রাত জাগার ফলে অযথা শরীর খারাপ হওয়ারও সম্ভাবনা থাকে। তাই রাত জাগার এই বদ অভ্যাসটি বাদ দেয়ার চেষ্টা করুন এবং একটি নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করুন। এতে শারীরিক সুস্থতা বজায় থাকবে এবং আপনার শরীরের অতিরিক্ত মেদ ঝরে যাবে।
04/09/2018
এক নিমেষেই ত্বকে লাবণ্য ফিরিয়ে আনুন!
ময়স্বল্পতার কারণে অনেকেই রূপচর্চা বিষয়টিকে ঝামেলা মনে করেন। কর্মজীবী নারীদের বাইরের কাজ সেরে ঘরের কাজ করতে হয়। এত কিছুর মাঝে নিজের ত্বকের আলাদা যত্ন নেওয়া হয়ে ওঠে না। কিন্তু জানেন কি, ত্বকে তাৎক্ষণিক লাবণ্য পেতে আপনার চাই মাত্র ১৫ মিনিট? ডিম, মধু এবং বাদামের তেল ব্যবহার করে তৈরি করে নিতে পারেন এমনই একটি ফেস প্যাক।
চলুন জেনে নিই, কীভাবে তৈরি ও ব্যবহার করবেন প্যাকটি।
যা যা লাগবেঃ-
মধু এক টেবিল চামচ, আমন্ড অয়েল বা কাঠবাদামের তেল আধা চা চামচ ও ডিমের সাদা অংশ একটি।
যেভাবে ব্যবহার করবেনঃ-
প্রথমে হেয়ার ব্যান্ড দিয়ে সব চুল পেছনে বেঁধে নিন। একটি পাত্রে পরিমাণমতো সব উপাদান ব্যবহার করে পেস্টটি তৈরি করে নিন। এবার পেস্টটি মুখে লাগিয়ে ১০ থেকে ১৫ মিনিট রেখে দিন। এরপর কুসুম গরম পানি দিয়ে ধুয়ে তোয়ালে দিয়ে আলতোভাবে মুছে ফেলুন। এই মাস্কটি আপনার মুখে এনে দেবে তাৎক্ষণিক উজ্জ্বলতা ও লাবণ্য।
04/09/2018
পাকা পেঁপে খাওয়ার জাদুকরী উপকারিতা :
স্বাদ ও গুনাগুণের কারণে বিশ্বের জনপ্রিয় ফলগুলোর মধ্যে অন্যতম পেঁপে। এতে রয়েছে প্রাকৃতিক ফাইবার এবং ভিটামিন এ, সি, এবং কে, ম্যাগনেসিয়াম, পটাসিয়াম, প্রোটিন। চলুন তাহলে জেনে নিই পেঁপের অসাধারণ কিছু উপকারিতা-
কোলেস্টেরল কমায়ঃ-
অন্যান্য ফলের মতোই পেঁপেতে কোনো কোলেস্টেরল নেই। আর পেঁপেতে আছে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার। তাই কোলেস্টেরলের সমস্যায় যারা দুশ্চিন্তায় আছেন তারা প্রতিদিনের খাবার তালিকায় পেঁপে রাখুন। অন্যান্য কোলেস্টেরল যুক্ত খাবারের বদলে পেঁপে খান। তাহলে আপনার কোলেস্টেরলের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে থাকবে।
হৃদরোগ থেকে রক্ষা করেঃ-
পেঁপে অথেরোস্ক্লেরোসিস এবং ডায়াবেটিক হৃদরোগ প্রতিরোধ করে। পেঁপের ভিটামিন এ, সি এবং ই, সমূহের এবং শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্টসের চমৎকার উৎস। এই তিনটি পুষ্টি কলেস্টেরল প্রতিরোধে সাহায্য করে, যা হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোক এর প্রধান কারণ এক। পেঁপের এ ছাড়াও ফাইবার এর একটি ভালো উৎস, যা উচ্চ কলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে সহায়তা করে।
দৃষ্টিশক্তি রক্ষা করেঃ-
অপথ্যালমোলজি আর্কাইভস প্রকাশিত একটি সমীক্ষা অনুযায়ী, প্রতিদিন তিনবার পেঁপে খেলে চোখের বয়সজনিত ঝুঁকি অনেকটাই কমে যায়। বয়স্কদের মধ্যে দৃষ্টি শক্তির ক্ষতির প্রাথমিক কারণ প্রতিদিনের খাবারে তুলনামূলকভাবে কম পুষ্টি গ্রহণ করা।
পেঁপে আপনার চোখের জন্য ভালো কারণ এতে আছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও ভিটামিন এ, সি, ও ই এর উপস্থিতি।
হজমে সহায়তা করেঃ-
বদ হজমের রোগিদের পাকা পেঁপে খেলে খুব উপকার মিলবে। পাকা পেঁপে খেলে মুখে রুচি বাড়ে, সাথে সাথে খিদে বাড়ে তা ছাড়া পাকা পেঁপে পেট পরিষ্কার করে এবং বায়ু নাস করে। এ ছাড়াও পেপে অর্শ রোগের ক্ষেত্রেও বেশ উপকারি।
অর্শ ও কৃমিনাশকঃ-
কাঁচা পেঁপের আঠা ও বীজ কৃমিনাশক। কাঁচা পেঁপের আঠা চিনি বা বাতাসের সঙ্গে মিশিয়ে খেলে অর্শ ও জন্ডিসসহ লিবারের নানা রোগ ভালো হয়। এ আঠা প্রতিদিন সকালে ৫- ৭ ফোটা বাতাসার সঙ্গে মিশিয়ে খেলে অর্শের রক্ত পড়া বন্ধ হয়।
ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়ঃ-
পেঁপেতে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, বিটা ক্যারোটিন, ফ্লেভানয়েড, লুটেইন, ক্রিপ্টোক্সান্থিন আছে। এ ছাড়াও আরও অনেক পুষ্টি উপাদান আছে যেগুলো শরীরের জন্য খুবই উপকারী। ক্যারোটিন ফুসফুস ও অন্যান্য ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়।
চুলের যত্নেঃ-
চুলের যত্নে পেঁপে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। টক দইয়ের সঙ্গে পেপে মিশিয়ে চুলে মাখলে চুলের গোড়া শক্ত হয় ও চুল ঝলমলে হয়। ১ চামচ পেঁপের আঠা ৭/৮ চামচ পানি দিয়ে ফেটে চুলের গোড়ায় কিছুক্ষণ রেখে ধুয়ে ফেললে উকুন মরে যায়।
ত্বকের যত্নেঃ-
পেঁপে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি-অক্সিডেন্টসমৃদ্ধ ফল, তাই ত্বকের লাবণ্য ও উজ্জ্বলতা ধরে রাখতে সাহায্য করে। রক্ত সঞ্চালন স্বাভাবিক রাখে। প্রতিদিন পাকা পেঁপের সাথে মধু ও টকদই মিশিয়ে লাগালে ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি পায়।
ব্রণের দাগ কমিয়ে উজ্জ্বলতা বাড়ায়ঃ-
ব্রণের সমস্যা প্রায় সবারই থাকে। এসব ব্রণের কারণে মুখে খুব বাে ধরনের দাগ তৈরি হয়। এই বাজে দাগগুলো নিরাময় করতে পারে সুমিষ্ট এই ফলটি। মুখের অন্যান্য যেকোনো দাগ যেমন মেছতা, ফুস্কুরির দাগও খুব সহজেই দূর করে দিতে পারে। মুখের বিভিন্ন দাগ দূর করার পাশাপাশি পেঁপে ফলটি মুখের উজ্জ্বলতাও ফিরিয়ে আনতে সহায়তা করে।
02/09/2018
মাইগ্রেনের মাথাব্যথা নিমেষে দূর করবে জাদুকরী ২ টি পানীয়:
মাইগ্রেনের ভয়াবহ মাথাব্যথার সাথে যারা পরিচিত তারাই জানেন এটি কি ধরণের যন্ত্রণাদায়ক। মাইগ্রেনের মাথাব্যথা একবার শুরু হলে যেতেই চায় না। যন্ত্রণার তীব্রতা অনুযায়ী এর স্থায়িত্ব ২/৩ দিন পর্যন্ত হতে পারে। সাধারণ পেইনকিলারে এই মাইগ্রেনের মাথাব্যথা দূর করা সম্ভব হয়ে উঠে না। একারণে ভয়াবহ যন্ত্রণা পোহাতে হয় অনেক ভুক্তভুগিকে।
কিন্তু এই মাইগ্রেনের ব্যথা দূর করার রয়েছে দারুণ কিছু উপায়। সাধারণ ২ টি জুস পানের ফলে নিমেষে দূর হয়ে যাবে মাইগ্রেনের মারাত্মক মাথাব্যথা। চলুন তবে জেনে নেয়া যাক সেই দুটি পানীয় সম্পর্কে।
১) ব্রকলি, গাজর ও আপেলের পানীয়।
উপকরণঃ
– ছোট আকারের ব্রকলির ৮ ভাগের ১ ভাগ
– ২ টি মাঝারি আকারের গাজর
– ১ টি আপেল
পদ্ধতিঃ
– ব্রকলি, আপেল ও গাজর ছোটো ছোটো খণ্ড করে ব্লেন্ডারে সামান্য পানি দিয়ে ব্লেন্ড করে নিন ভালো করে।
– মিহি ব্লেন্ড করে ছেঁকে নিতে পারেন। প্রয়োজন না পড়লে ছেঁকে নেয়ার দরকার নেই।
– এতে মেশান ১ চিমচি লবণ ও ১ চিমটি বিট লবণ। এবার এই পানীয় পান করে নিন। অনেক দ্রুত ভালো ফল পাবেন।
২) লেবুর রস, মধু ও আপেল সিডার ভিনেগারের পানীয়।
উপকরণঃ
– ২ চা চামচ আপেল সিডার ভিনেগার
– ১ গ্লাস পানি
– ১ চা চামচ মধু
– ১ চা চামচ লেবুর রস
পদ্ধতিঃ
– ১ গ্লাস পানিতে আপেল সিডার ভিনেগার ভালো করে মিশিয়ে নিন।
– ভিনেগার মিশে গেলে এতে, মধু ও লেবুর রস মিশিয়ে নিন ভালো করে।
– এই পানীয় মাইগ্রেনের ব্যথা শুরু হলে দিনে ২-৩ বার পান করুন। মাইগ্রেনের ব্যথা দূর হবে খুব দ্রুত।
[সংগ্রহ: ইন্টারনেট]
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Telephone
Website
Address
Dhaka
1216
Opening Hours
| Monday | 06:00 - 02:00 |
| Tuesday | 06:00 - 02:00 |
| Wednesday | 06:00 - 02:00 |
| Thursday | 06:00 - 02:00 |
| Friday | 06:00 - 02:00 |
| Saturday | 06:00 - 02:00 |
| Sunday | 06:00 - 02:00 |
