ShowBizz 24/7
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from ShowBizz 24/7, Health/Beauty, Dhaka, bangladesh, mirpur, Dhaka.
We bring you the latest updates from the world of showbiz — from exclusive celebrity interviews and breaking news to film updates,Whether it's the red carpet or behind-the-scenes, we're here to deliver everything that keeps the spotlight glowing.
24/05/2026
19/05/2026
🏔️🇧🇩 পাহাড়ে সাধারণ মানুষের আস্থা, নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার অন্যতম প্রতীক বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।
দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা থেকে শুরু করে দুর্গম অঞ্চলে শান্তি, সম্প্রীতি ও উন্নয়ন নিশ্চিত করতে সেনাবাহিনীর ভূমিকা সর্বজনস্বীকৃত।
মানবিক সহায়তা, শিক্ষা বিস্তার, চিকিৎসাসেবা ও অবকাঠামো উন্নয়নের মাধ্যমে পার্বত্য অঞ্চলের মানুষের পাশে থেকে কাজ করে যাচ্ছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।
দেশ ও মানুষের কল্যাণে এই আত্মত্যাগ ও দায়িত্ববোধ সত্যিই অনুকরণীয়। ❤️
#বাংলাদেশ_সেনাবাহিনী
#পাহাড়ের_আস্থা
#শান্তি_ও_উন্নয়ন
18/05/2026
আর্মি কেন ফার্নিচার বানায়?!
এই প্রশ্নের মতো আরো প্রশ্ন হতে পারে — আর্মির আলাদা ডাক্তার লাগে কেন? আলাদা ডেন্টিস্টও লাগে কেন? আর্মির নিজস্ব নার্সিং সার্ভিস দরকার হয় কেন? ইত্যাদি। এই প্রশ্নগুলার উত্তর বুঝতে হলে আগে বুঝতে হবে একটা আধুনিক আর্মি শুধু যুদ্ধ করা কিছু সৈনিকের দল না, এটা একটা পূর্ণাঙ্গ self-sustaining system।
একটা সেনাবাহিনীকে ৩ ভাগে ভাগ করা যায়:
১. Fighting Arms — সরাসরি যুদ্ধ করে।
২. Supporting Arms — যুদ্ধরত ইউনিটকে combat support দেয়।
৩. Service Support Corps — পুরো বাহিনীকে চালু রাখে — খাবার, চিকিৎসা, পরিবহন, মেরামত, প্রশাসন, logistics সবকিছু দিয়ে।
এখন বাংলাদেশ আর্মির বিভিন্ন Arms & Services সংক্ষেপে দেখে নেই:
Fighting Arms:
• Infantry — মূল ground fighting force। সামনে থেকে যুদ্ধ করে।
• Armoured Corps — ট্যাংক ও armoured vehicle দিয়ে offensive operations চালায়।
Supporting Arms:
• Artillery — দূরপাল্লার fire support দেয়।
• Engineers Corps — bridge, bunker, mine clearing, combat engineering কাজ করে।
• Signals Corps — communication system চালায়। যুদ্ধক্ষেত্রে command connectivity রাখে।
Service Support Corps:
• Army Service Corps (ASC) — খাবার, fuel, transport, supply chain পরিচালনা করে।
• Ordnance Corps — অস্ত্র, গোলাবারুদ, equipment storage ও supply পরিচালনা করে।
• Electrical and Mechanical Engineers (EME) — vehicle, অস্ত্র, electronics repair করে।
• Army Medical Corps — সৈনিকদের চিকিৎসা দেয়। যুদ্ধক্ষেত্রেও medical support দেয়।
• Army Dental Corps — dental treatment দেয়, কারণ long-term troop health combat readiness-এর অংশ।
• Education Corps — training, শিক্ষা ও instructional support দেয়।
• Armed Forces Nursing Service — military হাসপাতাল ও field medical system চালায়।
• Army Aviation — helicopter ও aviation support দেয়।
• Military Police — discipline, security, traffic control ও military law enforcement দেখে।
• Remount Veterinary and Farm Corps — military animals, veterinary support ও কিছু agricultural support দেয়।
• Judge Advocate General (JAG) Branch — military legal affairs পরিচালনা করে।
অর্থাৎ একটা আধুনিক আর্মি আসলে একটা ছোট রাষ্ট্রের মতো। এখানে যুদ্ধের পাশাপাশি logistics, health, engineering, administration, welfare, training — সব একসাথে চলে। আশা করি ফার্নিচার ছাড়া বাকী প্রশ্নগুলোর উত্তর পেয়ে গেছেন।
এখন আসেন “আর্মি নিজে কেন ফার্নিচার বানায়?” প্রশ্নটার উত্তর খুঁজি:
ক। বাংলাদেশের সামগ্রিক ডিফেন্স বাজেট (২০২৫-২৬) - ৪০,৬৯৮ কোটি টাকা। এর মধ্যে বড় একটি অংশই যায় দৈনন্দিন পরিচালনা এবং রক্ষণাবেক্ষণে।
এর মধ্যে পরিচালন ব্যয় (Operating Expenses): প্রায় ৩৭,৮১২ কোটি টাকা। এর মধ্যেই রেশন, পেট্রোল, ফার্নিচার ও রক্ষণাবেক্ষণ খরচ থাকে।
আর উন্নয়ন ব্যয় (Development Expenses): ৯১৬ কোটি টাকা।
খ। বেতন-ভাতার বাইরে বাহিনীগুলোর মোট বাজেটের একটি বিশাল অংশ (প্রায় ৩৫-৪০%) ব্যয় হয় লজিস্টিক সাপোর্টে। বর্তমান প্রেক্ষাপটে এই ব্যয়গুলো মধ্যে রয়েছে:
- রেশন ও খাদ্য সরবরাহ - ২,৫০০ - ৩,২০০ কোটি টাকা (প্রায় ২ লক্ষাধিক সদস্যের দৈনিক ক্যালরি নিশ্চিত করা)
- জ্বালানি (Petrol, Oil, Lubricant - POL) - ১,৮০০ - ২,২০০ কোটি টাকা (ট্যাংক, এপিসি, ট্রাক এবং এভিয়েশন উইংয়ের মুভমেন্ট)
- ফার্নিচার ও ফিক্সচার - ৩৫০ - ৫০০ কোটি টাকা (নতুন ইউনিট স্থাপন এবং পুরাতন আসবাবপত্র প্রতিস্থাপন)
- অস্ত্র ও গোলাবারুদ (অপারেশনাল) - ৪,০০০ - ৫,৫০০ কোটি টাকা (ট্রেনিং এবং অপারেশনাল স্টকের রি-প্লেনিশমেন্ট)
- চিকিৎসা সরঞ্জাম ও ওষুধ - ৮০০ - ১,২০০ কোটি টাকা (CMH-সহ সামরিক হাসপাতাল সমূহের পরিচালনা)
এখন ফার্নিচার বাবদ এই ৫০০ কোটি টাকার আলাপে আসি।
গ। বাইরে থেকে ফার্নিচার কিনলে দাম বেশি পড়বে কেন?
ফার্নিচারের ক্ষেত্রে যদি সেনাবাহিনী বড় বড় শিল্পপতিদের ওপর ১০০% নির্ভরশীল হয়, তবে খরচ বাড়ার প্রধান কারণগুলো হল:
- মিডলম্যান কমিশন: সাপ্লাই চেইনে যত বেশি হাত বদল হবে, খরচ তত বাড়বে।
- টেন্ডারিং ওভারহেড: বড় বড় টেন্ডার প্রসেস করা, লিজাল কমপ্লায়েন্স এবং প্রশাসনিক তদারকির জন্য বিশাল জনবল ও সময় লাগে। নিজস্ব প্রোডাকশনে এই 'Administrative Cost' নগণ্য।
- সাপ্লাই চেইন আনসার্টেইনটি: হরতাল, যুদ্ধ বা বিশ্ববাজারে দাম বাড়লে বেসরকারি ব্যবসায়ীরা সরবরাহ বন্ধ বা দাম বাড়িয়ে দিতে পারেন। কিন্তু আর্মি রির্জাভ স্টক এবং নিজস্ব মিল থাকলে এই "Price Shock" থেকে রক্ষা পায়।
- কোয়ালিটি কন্ট্রোল (QC): বাজারের ফার্নিচার গুণমান নিশ্চিত করতে অতিরিক্ত থার্ড পার্টি টেস্টিং লাগে। আর্মির নিজস্ব মানদণ্ড (Military Grade) বজায় রাখতে বাইরের ভেন্ডররা প্রিমিয়াম চার্জ করতে পারে।
সহজ উদাহরণ: ধরা যাক, একটি স্ট্যান্ডার্ড ব্যারাক বেড বা অফিস টেবিলের উৎপাদন খরচ ৩০০ টাকা। সমমানের টেকসই ফার্নিচার বাইরে থেকে কিনলে তার ওপর ব্যবসায়ীর লাভ (১০-১৫%), ভ্যাট (৫-১৫%) এবং মার্কেটিং খরচ যোগ হবে। এ কারণে সাধারণ বাজারের তুলনায় নিজস্ব প্রোডাকশনে ২০% থেকে ৩৫% অর্থ সাশ্রয় হয়।
আরেকটি বিষয় খেয়াল করেন, যদি অফিসারদের জন্য ওটোবি বা এমন ব্রান্ডের ফার্নিচার কিনতে হতো তাহলে দাম কত পড়তো? এর বদলে আর্মি নিজেরা তৈরী করলে কত টাকা সাশ্রয় হতে পারে?
আপনি বলবেন, অফিসারদের জন্য আবার ওটোবি থেকে কেন কিনতে হবে? এটি অপচয় না?
ভাল কোয়ালিটির ফার্নিচার না দেয়া হলে যে সমস্যা হবে, সেটি হচ্ছে অফিসারদের ওভারওল লাইফ ষ্টান্ডার্ড বাইরের তুলনায় অনেক বেশি পিছিয়ে যাবে। তখন আপনি দেশের জন্য ভাল কোয়ালিটি সামরিক অফিসার পাবেন না। ভাল কোয়ালিটি রিক্রুট করতে হলে আপনাকে ভাল এনভায়র্নমেন্ট দিতে হবে। এটি না দিলে ভাল কোয়ালিটির সবাই মেডিক্যাল, বুয়েট ইত্যাদিতে চলে যাবে।
ঙ। আর্মি নিজে ফার্নিচার বানালে কী অর্থ সাশ্রয় হয়?
গাজীপুরে অবস্থিত BMTF (Bangladesh Machine Tools Factory) বর্তমানে ১৯টি আলাদা ফ্যাক্টরি পরিচালনা করছে, যার মধ্যে একটি হলো বিশাল ফার্নিচার ফ্যাক্টরি।
বাইরে থেকে একটি অফিস টেবিল কিনতে যে টাকা লাগে, নিজস্ব স-মিল (Sawmill) এবং কারিগর থাকায় সেনাবাহিনী ২০% থেকে ৩০% পর্যন্ত সাশ্রয় করতে পারে।যদি উপরে আলোচিত বছরে ৫০০ কোটি টাকার ফার্নিচারের চাহিদা থাকে, তবে নিজস্ব প্রোডাকশনের কারণে প্রায় ১০০-১২৫ কোটি টাকা সাশ্রয় করা সম্ভব!
অর্থাৎ বিগত ১০ বছরে শুধু নিজেরা ফার্নিচার বানিয়ে বাংলাদেশ আর্মি আমার-আপনার, এ গরীব দেশের অন্তত এক হাজার কোটি টাকার মতো সেইভ করেছে!
এখন আপনি বলবেন, এই ফার্নিচার বানানোর কারণে আর্মিকে তিরস্কার করা দূরে থাক, আলাদা ধন্যবাদ দেয়া উচিত!
চ। প্রশ্ন আসতে পারে: এ ফার্নিচার বানানোর কারণে কি আর্মির যুদ্ধের সক্ষমতা কমে যাচ্ছে না?
ভাল প্রশ্ন।
বিএমটিএফ-এর একটি প্রোফাইল অনুযায়ী, এর ১৯টি ফ্যাক্টরি এবং মূল কার্যালয় মিলিয়ে প্রায় মোট ৯৮ জন সামরিক সদস্য (বিভিন্ন র্যাঙ্কের) কর্মরত আছেন। তারা পুরো লজিস্টিক ম্যানেজমেন্ট, কোয়ালিটি কন্ট্রোল এবং ফ্যাক্টরি পরিচালনার দায়িত্বে থাকেন।
শুধু ফার্নিচার ইউনিটে কতজন নির্দিষ্টভাবে আছেন তা আলাদা করে বলা না থাকলেও, স্ট্র্যাটেজিক ও টেকনিক্যাল গাইডেন্সের জন্য প্রতি ইউনিটে সাধারণত ২-৫ জন করে অফিসার বা জেসিও (JCO) নিয়োজিত থাকেন।
যদি ৩-৫ জন অফিসার / জেসিও এবং ৮-১০ জন সৈনিককে এমপ্লয় করে প্রতি বছরে আমার দেশের শত কোটি টাকা সেইভ করা সম্ভব হয় - তাহলে কেন আমরা সেটি করবো না?!
উপরন্তু সেই সদস্যরা যদি হয়ে থাকেন Ordnance Corps এর সদস্য যাদের কাজই অস্ত্র, গোলাবারুদ, equipment storage ও supply পরিচালনা করা কিংবা Electrical and Mechanical Engineers (EME) কোরের সদস্য যাদের কাজই হচ্ছে vehicle, অস্ত্র, যন্ত্রপাতি ও electronics repair করা - তাহলে তো কোন কথায় নেই!
এ সকল সদস্যরা তো তাদের মূল অপারেশনাল ডিউটিই এখানে করছেন। বরং এটির মাধ্যমে তারা তাদের রিয়েল টাইম ট্রেনিং ও অপারেশনে সময় দিচ্ছেন! তাই এটি মোটেও সামরিক সক্ষমতায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে না!
ছ। এরকম প্রজেক্ট অবসরপ্রাপ্ত সৈনিকদের পুনর্বাসনে সাহায্য করে।
সেনাবাহিনী পরিচালিত শিল্পগুলোতে বড় একটি অংশ কাজ করেন অবসরপ্রাপ্ত সামরিক সদস্যরা। তাদেরকে সাধারণত চুক্তিভিত্তিক (Contractual) নিয়োগ দেওয়া হয়। বিএমটিএফ-এ কয়েকশ বেসামরিক কর্মচারী রয়েছেন, যাদের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ হলো কারিগরি জ্ঞানসম্পন্ন অবসরপ্রাপ্ত সৈনিক।
অর্থাৎ এ সকল প্রজেক্টের মাধ্যমে আর্মি Veteran Rehabilitation এর দায়িত্ব পালন করতে পারছে। এছাড়া বেশ কিছু সংখ্যক সাধারণ নাগরিকদের কর্মসংস্থানও এ সকল প্রজেক্টে হচ্ছে। ফলে দেশের জন্য একটি ক্ষুদ্র লেভেলে Employment Generation এর কাজও হচ্ছে।
জ। এরপর প্রশ্ন করবেন না: আর্মি কেন আবার জুতাও বানায়!
আর্মি এখন বিএমটিএফ-এর মাধ্যমে নিজস্ব জুতা (Military Boots), ইউনিফর্ম এবং অনেক ক্ষেত্রে টিনজাত খাবারও প্রক্রিয়াজাত করে। এতে সাপ্লাই চেইন ঝুঁকির মুখে পড়ে না। বাকী ফ্যাক্টরিগুলোতে অস্ত্র, গোলাবারুদসহ আরও কী কী তৈরী হয়, সেটি BMTF এর সাইটে গিয়ে দেখে নিবেন।
সেনাবাহিনীর এই প্রতিষ্ঠানগুলো আসলে বাণিজ্যিক মুনাফার চেয়ে Self-Sustainability বা স্বয়ংসম্পূর্ণতার জন্য তৈরি। যখন সেনাবাহিনী নিজে ফার্নিচার বানায় তখন তারা আসলে সরকারের ওপর থেকে বাজেটের চাপ কমায় এবং জরুরি অবস্থায় বাজারের সাপ্লাই চেইনের মুখাপেক্ষী হয়ে থাকে না।
ঝ। সামারী:
এখন আপনি বলুন, আপনি যদি আগামীকাল এদেশের প্রেসিডেন্ট বা প্রধানমন্ত্রী হন, তাহলে এই ফার্নিচার বানানোর জন্য আর্মিকে ধন্যবাদ দিবেন নাকি সেটি বন্ধ করে বছরে আরও ১৫০ কোটি টাকা বাজেট বেশী নিতে বলবেন?
ফার্নিচার, মিষ্টি, আটা-ময়দা নিয়ে প্রশ্ন আছে কারণে হয়তো বিষয়গুলো ক্লিয়ার না। এগুলো আশা করি ধীরে ধীরে আলাপ করলে ক্লিয়ার হয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ।
আজকে আশা করি ফার্নিচারের বিষয়টি ক্লিয়ার। ভবিষ্যৎ পোষ্ট ইনশাআল্লাহ:
- আর্মি কেন মিষ্টি বানায়?
- আর্মি কেন আটা-ময়দা বেঁচে?
16/05/2026
Hrithik Roshan ফ্যানসরা এবার কিছুটা নড়েচড়ে বসুন কারণ জায়ান্ট লেভেলের কিছু একটা কুকিং হচ্ছে! 🔥
রিসেন্টলি Marflix-এর অফিসে দেখা গেছে Hrithik Roshan-কে। আর ধারনা করা হচ্ছে Siddharth Anand-এর সাথে আবারও হতে যাচ্ছে এক ব্র্যান্ড নিউ কলাবোরেশন। অনেকেই ধারণা করছে, KING এর পর এবার 'Krrish' ফ্র্যাঞ্চাইজিকে নেক্সট লেভেলে নিয়ে যাওয়ার প্ল্যানই চলছে।
এর মাঝেই আরও বড় একটা ক্লু বের হয়েছে। Hrithik ইনস্টাগ্রামে ফলো করেছে Wētā FX-কে। এরা সেই অস্কার উইনিং ভিএফএক্স স্টুডিও যারা 'Avatar', 'Avengers' আর 'Lord of the Rings'-এর মতো ভিজ্যুয়াল ম্যাজিক তৈরি করেছে।
গ্রীকগড চুপচাপ আছে বলে অনেকেই ধরে নিয়েছে সে হয়তো ফিনিশড! কিন্তু হৃত্তিক শুধু কামব্যাক না বরং বড়সড় সিনেম্যাটিক স্টর্ম নিয়ে আসতে যাচ্ছে। এটা নিশ্চিত থাকুন Hrithik-এর নেক্সট প্রজেক্টের ভিএফএক্স হতে যাচ্ছে বলিউড সিনেমার এক নতুন বেঞ্চমার্ক।
✍️ CrackedFlix
16/05/2026
ডিরেক্টর তার প্রথম মুভিতে নায়ককে 'নামার্দ' বানিয়ে দিয়েছিল। এবার রাম চরনের জন্য কি অপেক্ষা করছে কে জানে 😐
10/05/2026
🔥 SALMAN KHAN MEGA LINE-UP – THE ERA OF BLOCKBUSTERS CONTINUES! 🔥
• Bollywood’s ultimate superstar is gearing up for one of the biggest comeback phases ever.
• Fans can expect mass entertainment, powerful dialogues, and full-on whistle-worthy entries.
• Dabangg 4 promises the return of iconic swag, humor, and unforgettable action style.
• Pawanputra Bhaijaan looks emotional and inspirational, touching hearts along with mass appeal.
• The spy universe hype rises again with Tiger 4 and the much-awaited Tiger vs Pathan.
• High-octane racing thrill returns as Race 5 is expected to bring stylish action and suspense.
• Sikandar 2 may showcase a mature, intense avatar with strong character depth.
• Wrestling drama nostalgia comes back with Sultan 2, giving motivation and patriotic energy.
• Kick 2 is ready to deliver crazy entertainment, comedy timing, and energetic songs.
• Salman’s screen presence continues to dominate every generation of movie lovers.
• Family audiences and single-screen fans alike are waiting for festival-level celebrations.
• Clearly, upcoming years belong to pure entertainment and box-office celebrations.
Get ready for theatres turning into stadiums again — the Bhaijaan magic is far from over! ✨
10/05/2026
কলকাতায় নতুন মুখ্যমন্ত্রীর শপথগ্রহণ ঘিরে যখন শহরজুড়ে চলছে চূড়ান্ত ব্যস্ততা ঠিক সেই সময়ই হঠাৎ কর শহরে এসে পৌঁছেছেন বলিউড অভিনেতা ও প্রযোজক আমির খান। শনিবার (৮ মে) দুপুরে কলকাতা বিমানবন্দরে তাকে দেখা যায় বলে জানা গেছে। তার এই আকস্মিক আগমন ঘিরে ইতোমধ্যে নানা জল্পনা শুরু হয়েছে বিনোদন ও রাজনৈতিক মহলে।
গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক মুহূর্তের আগের দিন আমির খানের কলকাতায় উপস্থিতি প্রথমে অনেককে ভাবিয়ে তোলে। তিনি কি বিশেষ অতিথি হিসেবে শপথ অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত? যদিও পরে সেই সম্ভাবনা নিয়ে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
#আমির_খান
#কলকাতা
10/05/2026
ARRIVING SOLO ON EID 2027 🔥✅
When it comes to Domination then nobody in India come close to 🙏🏻
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Dhaka, Bangladesh, Mirpur
Dhaka
