ANAMUl HAQ Highway view
Beautiful road views & Travel Moments Form across Bangladesh, captured Form the car".
হাইওয়ে ধরে ছুটতে ছুটতে কখনো কখনো এমন কিছু জায়গায় থামতে হয়, যেখানে প্রকৃতি আর প্রশান্তি মিলেমিশে একাকার হয়ে যায়। 🛣️✨
আজকের গন্তব্য ছিল পূবাইলের ফিওনা রিসোর্ট। মালিকপক্ষের সাথে বার্ষিক বনভোজনে এসে হাইওয়ের ভিউ ছাড়িয়ে রিসোর্টের এই সবুজ প্রান্তর আর বিশাল গাছের ছায়ায় অন্যরকম একটা বিকেল কাটলো। র্যাফেল ড্র-এর ভাগ্যে (টোকেন নং: ৩৪৪, ৩৪৫) পুরস্কার না জুটলেও, এই পড়ন্ত বিকেলের মায়াভরা দৃশ্যগুলোই আমার সেরা প্রাপ্তি। 🌅📸
রাস্তার ক্লান্তি ভুলে প্রকৃতির এই স্নিগ্ধতা উপভোগ করাটাই আসল ট্রাভেলিং। স্মৃতিগুলো ফ্রেমবন্দি করে নিলাম।
🚨 জরুরি সংবাদ: জসীমউদ্দীন ফুট ওভার ব্রিজের পিলারে ORIN গাড়ির ভয়াবহ দুর্ঘটনা! 🚨
আজ ২১শে জানুয়ারি, সন্ধ্যা ৬:৩০ মিনিটে জসীমউদ্দীন মোড়ে একটি ORIN গাড়ি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সরাসরি ফুট ওভার ব্রিজের পিলারে প্রচণ্ড বেগে ধাক্কা মারে।
ধাক্কার তীব্রতা এতটাই ভয়াবহ ছিল যে, গাড়িটির সামনের অংশ প্রায় ৩ থেকে ৩.৫ হাত দুমড়েমুচড়ে পিলারের ভেতরে ঢুকে গেছে। দুর্ঘটনায় গাড়ির ড্রাইভার এবং যাত্রী মারাত্মকভাবে আহত হয়েছেন এবং জানমালের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে।
আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। ওই এলাকা দিয়ে যাতায়াতকারী সকলকে সাবধানে চলাচলের অনুরোধ রইল।
📍 স্থান: জসীমউদ্দীন ফুট ওভার ব্রিজ।
⏰ সময়: সন্ধ্যা ৬:৩০ মিনিট, ২১ জানুয়ারি।
আহতদের জন্য সবাই দোয়া করবেন। নিরাপদ সড়ক আমাদের সবার কাম্য।
"কিছু বিকেলের মায়া খুব অদ্ভুত হয়। সূর্য ডুবলে যেমন আলোর সবটুকু রেশ এক নিমেষে ফুরিয়ে যায় না, তেমনি কিছু দীর্ঘ পথচলার পর হঠাৎ থেমে যাওয়া মানেই হারিয়ে যাওয়া নয়।
সব গল্পের শেষটা শব্দে বলতে হয় না; কিছু শূন্যতা আর দীর্ঘশ্বাসই বলে দেয় ঠিক কতটা পথ আমরা পেছনে ফেলে এলাম। যেটুকু সময় কাটিয়েছি, তা যেন এই পড়ন্ত বিকেলের সোনালী রোদের মতোই মনের কোনো এক কোণে তোলা থাকে।
ভালো থাকুক সেই মুহূর্তগুলো, যা কোনোদিন ভোলা সম্ভব নয়।"
শিরোনাম: আইনের বৈষম্য নাকি গতির মরণখেলা? প্রশাসনের কাছে প্রশ্ন! 🚔⚖️
আমি নিয়মিত ঢাকা-খুলনা রুটে যাতায়াত করি। গত ১৭ই জানুয়ারি খুলনায় ফেরার পথে যা দেখলাম, তা অত্যন্ত হতাশাজনক এবং বৈষম্যমূলক।
ফরিদপুর-ভাঙ্গা হাইওয়েতে যেখানে গতির সীমা ৮০ কিমি, সেখানে বাস 🚌 চলছে ১২০ কিমি বেগে। এমনকি যেখানে গতিসীমা কমিয়ে ৬০ কিমি করা হয়েছে, সেখানেও বাস 🚌 এর গতি বিন্দুমাত্র কমে না—সেই একই ১০০-১২০ কিমি বেগে তারা রাস্তা দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। অথচ পুলিশ 👮♂️ প্রশাসন ঠিকই আমাদের মতো ছোট গাড়িগুলোকে থামিয়ে গতির হিসাব নিচ্ছে।
প্রশাসনের কাছে আমার প্রশ্ন:
আমি যদি ৬৫ কিমি বেগে গাড়ি চালিয়ে আইনের আওতায় আসি, তবে আমার চোখের সামনে দিয়ে যে বাস 🚌 ১২০ কিমি বেগে দাপিয়ে গেল, সে কেন ছাড় পেল? আইন কি তবে শুধু আমাদের মতো ছোট গাড়ি চালকদের জন্য? 🤨
বাস 🚌 এর এই বেপরোয়া গতির কারণে আমাদের ছোট গাড়িগুলো বাতাসের ঝাপটায় নৌকার মতো দুলতে থাকে। আইন যদি সবার জন্য সমান হয়, তবে এই বাস 🚌 গুলোকে কেন আটকানো হচ্ছে না? 👮♂️⁉️
দৃষ্টি আকর্ষণ:
Bangladesh Highway Police 👮♂️
Faridpur District Police 🚓
বিনীত অনুরোধ—প্লিজ, শুধু আমাদের দিকে নজর না দিয়ে সরাসরি রাস্তার এই বৈষম্য দূর করুন। বেপরোয়া বাস 🚌 চালানো থামান, নয়তো মহাসড়ক হবে কেবল লাশের মিছিল। 🙏🛑
🍂 আকাশের ওপারে আকাশ
সব বিকেলের গল্প বলা হয়ে ওঠে না,
কিছু কথা শুধু গোধূলির এই ম্লান আলোতেই মিশে থাকে।
আকাশটা তো সবার জন্যই এক,
তবুও কারোর আকাশ জুড়ে থাকে মেঘ, আর কারোর দিগন্ত জুড়ে নীরবতা।
সব প্রাপ্তি পূর্ণতা পায় না বলেই হয়তো প্রকৃতি এতো মায়াবী,
দূরত্ব আছে বলেই এই শান্ত রোদটুকু এতোটা দামী।
ভালো থাকুক সেই সব মুহূর্ত, যা একান্তই নিজের—
যা কোনোদিন নাম দিয়ে চেনা যায় না।
"দিনের শেষ আলোটা যখন মিলিয়ে যায়, তখনই কেন জানি পুরনো স্মৃতির জানলাটা খুলে যায়। এই 'পড়ন্ত বিকেল' গুলো ভীষণ অবাধ্য, কিছুতেই মনকে শান্ত হতে দেয় না।" 🌆✨
👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇
🚨 ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের পরিচ্ছন্নতা নিয়ে চরম প্রশ্ন! (ছবি/ভিডিও সংযুক্ত)
তারিখ ও সময়: ১২ ই ডিসেম্বর, দুপুর ২ টা।
স্থান: ঢাকা এয়ারপোর্ট রোডে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের টোল প্লাজার ঠিক আগের অংশ।
বাংলাদেশের কোটি কোটি সাধারণ মানুষের ট্যাক্সের অর্থে নির্মিত এই ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে। এটি আমাদের দেশের মর্যাদার প্রতীক, যেখানে পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা এবং সরকারি সম্পদ রক্ষা করা অপরিহার্য।
কিন্তু আজ (১২ ই ডিসেম্বর, দুপুর ২ টায়) এই গুরুত্বপূর্ণ এক্সপ্রেসওয়ের এক হতাশাজনক চিত্র দেখা গেল। টোল প্লাজার ঠিক আগের অংশে সাধারণ একজন ব্যক্তি প্রকাশ্যেই প্রস্রাব করছেন। (ভিডিও/ছবিতে স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে)
এই ঘটনায় কিছু গুরুতর প্রশ্ন:
মনিটরিংয়ের অভাব: এত টাকা ব্যয়ে নির্মিত এবং এতোটা গুরুত্বপূর্ণ একটি স্থানে কি ন্যূনতম সিসিটিভি বা কর্তৃপক্ষের নজরদারি নেই?
দায়িত্ব কার: জাতীয় সম্পদ ও জনগণের টাকায় নির্মিত এই অবকাঠামোকে অপরিষ্কার হওয়া থেকে বাঁচানোর মূল দায়িত্ব কার?
সাধারণের আচরণ: একজন সাধারণ নাগরিক যদি আইন ও নিয়মের তোয়াক্কা না করে প্রকাশ্যে এমন কাজ করার সাহস দেখান, তবে কি ধরে নেওয়া যায় না যে এখানে নজরদারির যথেষ্ট অভাব রয়েছে?
আমরা ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের কর্তৃপক্ষকে বিশেষভাবে অনুরোধ করছি:
নজরদারি দ্বিগুণ করুন: টোল প্লাজা সহ পুরো এক্সপ্রেসওয়ের গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে কঠোর সিসিটিভি মনিটরিং ও টহল জোরদার করা হোক।
অবিলম্বে জরিমানা: এমন অপরিষ্কার কাজের বিরুদ্ধে অবিলম্বে দৃষ্টান্তমূলক ও কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা (জরিমানা) গ্রহণ করা হোক।
সচেতনতা ও সাইনেজ: পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার ব্যাপারে স্পষ্ট সতর্কীকরণ সাইনেজগুলো দৃশ্যমান স্থানে স্থাপন করা হোক।
এই দৃষ্টিনন্দন এক্সপ্রেসওয়ের মর্যাদা আমাদের সকলেরই রক্ষা করা উচিত। কর্তৃপক্ষকে অবশ্যই আরও কঠোর হতে হবে।
কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হচ্ছে।
#পড়ন্ত_বিকেল #পরিবহন #নজরদারী #সরকারিসম্পদ
খুঁজে দেখো, তোমার মন খারাপের কারণটা হয়তো আমার গল্পের শেষ লাইন। এই পড়ন্ত বিকেলে, আমি তোমার সেই না বলা কথা হয়ে থাকব।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Sector 15, Uttara
Dhaka
