Organic life care
আসসালামু আলাইকুম। অর্গানিক লাইভ কেয়ার পক্ষ থেকে আপনাদের জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।
15/03/2023
গাজর খাওয়ার ১২টি উপকারিতা ও অপকারিতা জেনেনিন।
👉👉গাজরকে ইংরেজিতে ক্যারট (Carrot) বলা হয়।গাজরের মধ্যে এমন কিছু উপাদান থাকে যা আপনাকে সুন্দর রাখতে এবং আপনার স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সাহায্য করে। গাজরে পুষ্টির পরিমাণ (Nutrient in Carrot)
১০০ গ্রাম কাঁচা গাজরে প্রধান উপাদানের পাওয়া তার দীর্ঘ তালিকাটি নিম্নরূপ:
👉 কার্বোহাইড্রেট – ৯ গ্রাম
👉 চিনি – ৬ গ্রাম;
👉 ডায়েটারি ফাইবার – ৩ গ্রাম
👉 ফ্যাট – ০.২ গ্রাম
👉 প্রোটিন – ১ গ্রাম,
👉 ক্যালসিয়াম – ৩৩মিলিগ্রাম
👉 ম্যাগনেসিয়াম – ১৮মিলিগ্রাম
👉 ফসফরাস – ৩৬ মিলিগ্রাম
👉 পটাসিয়াম – ২৪০ মিলিগ্রাম
👉 সোডিয়াম – ২.৪ মিলিগ্রাম
👉 ভিটামিন বি – ০.০৪ মিলিগ্রাম,
👉 ভিটামিন বি – ২০.০৬ মিলিগ্রাম,
👉 ভিটামিন বি – ৩১.২ মিলিগ্রাম,
👉 ভিটামিন বি – ৬২.০১মিলিগ্রাম,
👉 ভিটামিন সি – ৭ মিলিগ্রাম
👉 গাজরের পুষ্টিগুণ ও উপকারিতা -
👉👉 নিয়মিত ভিটামিন এ খাচ্ছেন ভুলে যান বাইরের ভিটামিনের কথা। খেয়ে নিন একটি লাল রঙের গাজর। কারণ একটি গাজর আপনাকে দিতে পারবে ভিটামিন এছাড়া নানা উপকার থাকে। শক্তিশালী খাদ্য উপাদান শুধু ভিটামিন এ পাওয়া যায় তাই নয়, গাজরে আছে নানাবিধ উপকারী এটি আপনাকে উপহার দেবে সুন্দর ত্বক থেকে শুরু করে ক্যানসারের থেকে সুরক্ষা।
►► আসুন জেনে নিই একটি গাজর থেকে আপনি কি কি উপকার পাচ্ছেন।
❏❏ ১. দৃষ্টিশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে
আগে গাজর না খেয়ে থাকলে এখন থেকে গাজর খাওয়া শুরু করুন কারণ গাজের মধ্যে আছে বেটা ক্যারোটিন দৃষ্টিশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। বিটা ক্যারোটিন যা আমাদের লিভারে গিয়ে ভিটামিন A-তে বদলে যায় যা পরে চোখের রেটিনায় গিয়ে পৌঁছে চোখের দৃষ্টিশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। সেই সাথে রাত্রে বেলায় অন্ধকারের ভালো দেখার জন্য দরকারি এমন এক ধরনের বেগুনি পিগ্মেট এর সংখ্যা বাড়িয়ে দিয়ে দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখতে সাহায্য করে গাজর।
❏❏ ২. ক্যান্সারের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে
গাজর ক্যান্সারের ঝুঁকি কম করতে সাহায্য করে। কারণ গাজরে আছে falcarinol এবং falcarindiol যা আমাদের শরীরে এন্ট্রিক্যান্সার উপাদানগুলিকে রিফিল করে। গাজর খেলে ফুসফুস ক্যান্সার, কলোরেক্টাল ক্যান্সার এবং প্রোস্টেট ক্যান্সারে হওয়ার ঝুঁকি কম থাকে। বেশিরভাগ সমীক্ষায় দেখা গেছে, প্রতিদিন দেড় কাপ গাজরের রস পান করলে ক্যান্সারে তাৎপর্যপূর্ণ প্রভাব ফেলে।
❏❏ ৩.লিভারের জন্য গাজর
গাজরের মধ্যে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন A রয়েছে।যা শরীর থেকে বিষাক্ত পদার্থ অপসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এছাড়াও, এটি লিভারের পিত্ত এবং হিমায়িত ফ্যাট কম করতে সাহায্য করে। গাজরে দ্রবণীয় ফাইবার প্রচুর পরিমাণে পাওয়া যায়, যা আপনার লিভার এবং কোলনকে মলত্যাগের প্রক্রিয়াটিকে উদ্দীপনা দিয়ে পরিষ্কার করতে সহায়তা করে। প্রতিদিন একটি করে গাজর সেবন করলে লিভারে প্রদাহ, ফোলাভাব ও সংক্রমণ কমে যায়। লিভারের হেপাটাইটিস, সিরোসিস এবং কোলেস্টেসিসের মতো সমস্যা থেকে লিভারকে রক্ষা করে ।
❏❏ ৪.অ্যান্টি এজিংয়ের জন্য গাজর
শুধু আমাদের শরীরের জন্য ভালো তাই নয় এটি আমাদের জন্য অ্যান্টি এজিং উপাদানে হিসেবেও কাজ করে। এতে যে বেটা ক্যারোটিন আছে তা আমাদের শরীরের ভিতরে গিয়ে অক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে। আমাদের শরীরে ক্ষয়প্রাপ্ত সেলগুলিকে ঠিকঠাক করে যা সাধারণ মেটাবলিজমের কারণে হয়ে থাকে। এছাড়াও এটি এজিং সেলগুলোর গতি ধীর করে দিতে সাহায্য করে। এর ফলে আপনি ধরে রাখতে পারবেন আপনার যৌবনকে অধিক সময়ের জন্য।
❏❏ ৫.সুন্দর ত্বকের জন্য গাজর
সুন্দর ত্বকের জন্য গাজর খেতে পারেন এটা আপনার ত্বককে ভেতর থেকে সুন্দর করে তুলতে সাহায্য করে। কাজের মধ্যে ভিটামিন ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট আপনার ত্বকের রোদে পোড়া পোড়া ভাব দূর করতে সাহায্য করবে। এছাড়া ভিটামিন এ ত্বকের ভাঁজ পড়া ,কালো দাগ, ব্রণ ইত্যাদি দূর করতে সাহায্য করবে। যার ফলে আপনার ত্বক সুন্দর দেখাবে।
❏❏ ৬. অ্যান্টিসেপটিক হিসেবে কাজ করে
গাজর একটু ভালো অ্যান্টিসেপটিক হিসেবে কাজ করে। ইনফেকশন হওয়া থেকে রক্ষা করে। সব কেটে গেলে বা পুড়ে গেলে সেখানে লাগিয়ে দিন গাজরের রস। ইনফেকশন হওয়ার আশঙ্কা আর থাকবে না।
❏❏ ৭. হৃদরোগের জন্য গাজরের উপকারিতা
এছাড়া হৃৎপিণ্ডের নানান অসুখে এটা খুব ভালো কাজ করে। এর কেরাটিন ক্যারোটিনয়েড হৃৎপিণ্ডের নানা অসুখের ওষুধ ওষুধ হিসাবে কাজ করে। যেসব খাবারে যেমন-গাজর এর মধ্যে উচ্চমাত্রায় এই পাওয়া যায়। হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীদের মতে, প্রতিদিন একটি গাজর খেলে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি ৬৮% পর্যন্ত অনেক ঝুঁকি কমে যায়।
❏❏ ৮.ওরাল স্বাস্থ্যের জন্য গাজরের উপকারিতা
আপনি সুন্দর ও সুস্থ সবল দাঁত চান? তবে এখনই গাজর খাওয়া শুরু করুন। গাজর মুখের লালা উত্পাদন বাড়ায় এবং প্রাকৃতিকভাবে এটি ক্ষারীয় কারণে মুখের মধ্যে অ্যাসিডের প্রভাবকে ভারসাম্যহীন করে তোলে। ক্ষারীয় প্রভাব মুখের ব্যাকটিরিয়ার প্রতিরোধ করে, যার ফলে গহ্বর, মুখের গন্ধ এবং অন্যান্য মুখের স্বাস্থ্য সমস্যা দূরে রাখে। গাজরের মধ্যে ভিটামিন সি থাকে।এর ফলে যা সংযোজক টিস্যু, দাঁত এবং মাড়ির জন্য ভাল রাখতে সাহায্য করে।গাজর আপনার দাঁত ও মুখ পরিষ্কার করে। গাজরের মিনারেলস গুলো দাঁত মজবুত থাকতে সাহায্য করে।
❏❏ ৯. স্ট্রোকের ঝুঁকি কমাতে গাজরের উপকারিতা
এমন কিছু উপাদান রয়েছে যা মানব শরীরের স্ট্রোকের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে। হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীদের মতে জানা গেছে যে যারা ৬টির গাজর খেয়েছেন বা খাচ্ছেন তাদের স্ট্রোকের ঝুঁকি এর থেকে কম পরিমাণে কম একটি গাজর খাচ্ছেন তাদের তুলনায় অনেক কম হয়েছে। স্ট্রোকের ঝুঁকি কমাতে এখন থেকে খাদ্যতালিকায় গাজর যোগ করুন।
❏❏ ১০.কানের ব্যথার জন্য গাজরের উপকারিতা
সর্দি-কাশি বা কোনও অসুস্থতার পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া হিসাবে যদি কানে ব্যথা হয়। তবে গাজরকে ব্যবহার করার মাধ্যমে জন্য স্বস্তি দেয়। কলা, গাজর, আদা এবং রসুনের খোলা উষ্ণ গরম জল করে কানে ১-২ ফোঁটা লাগলে কানের ব্যথা কমে যায়।
❏❏ ১১.দাঁতের রোগের জন্য গাজর
গাজর রক্ত পরিষ্কার করে। এর মধ্যে প্রচুর পরিমাণে আয়রন রয়েছে। তামাক চিবিয়ে গাজর সেবন করলে দাঁতগুলিও শক্ত, পরিষ্কার এবং উজ্জ্বল এবং মাড়িও শক্ত হয়।
21/02/2023
যারা শরীরের মেদ বা চর্বি কমানোর জন্য টেনশন করছেন তাদের জন্য সুখবর নিয়ে এলাম মেদ বা চর্বি কমানোর প্যাক।
শরীরের মেদ বা চর্বি কমানো সম্ভব তা আবার সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক ভেজষ উপাদান দিয়ে ।
মেদ ভুঁড়ি নিয়ে অনেকেরই দুশ্চিন্তার শেষ নেই।
অনেকেই কিভাবে কমাবে তা নিয়ে টেনশান এ ঘুম হারাম।
কিন্তু নানা কারণে হয়তো ব্যায়াম বা খাদ্যাভাসের দিকে তেমন মনোযোগ দেওয়া হয় না। তাই মেদ ভুঁড়ি কমানোর খুব ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও তা হয়ে উঠে না। আর ও দিকে মেদ ভুঁড়ির পরিমাণ বেড়েই চলে। তাই পেটের ও শরীরের অতিরিক্ত মেদ ভুঁড়ি কমানোর ১টি সহজ উপায় নিয়ে আজকে এই পোস্ট।
-------------------------------------------------------
একমাত্র আমাদের ভেজষ উপাদান দিয়ে এই প্যাক ই এমন একটি প্যাক যা 99% ক্রেতার মন জয় করে নিয়েছে। আমার কথায় বিশ্বাস করতে বলছি না। আমাদের প্রোডাক্ট হাজারো মানুষ নিয়ে খাচ্ছে । আমাদের প্রোডাক্ট গুনে ও মানে সবার মন জয় করেছে। আমাদের প্যাক টি পুরপুরি প্রাকৃতিক ভেজষ উপাদানে তৈরি তাই কোন প্রকার (সাইড ইফেক্টস নেই)। মনে রাখবেন আল্লাহ সত্য, কোরআন সত্য ঠিক তেমনি সত্য ভেজষ উপাদান।
অনেক ভাই ও আপু যারা মেদ ভুঁড়ি নিয়ে সমস্যায় আছেন তারা চাইলে আমার প্যাক টি ট্রাই করে দেখতে পারেন। গ্যারান্টি দিয়ে বলতে পারি ১০০% ফল পাবেন ইনশা আল্লাহ।
তবে কিছু শর্ত মানতে হবে।
যেমনঃ- রাতে ভাত খাওয়া যাবে না, শুধুমাত্র রুটি খেতে হবে। অতিরিক্ত তৈলক্ত খাবার খাওয়া যাবে না। অধিক পরিমান মসলা জাতীয় খাবার, দুধ, ঘি,মাখন,মাংস খাওয়া যাবে না। এমনকি পেট ভরে খাবার খাওয়া যাবেনা উক্ত প্যাক খাওয়া কালীন।
***********************************
আপনি কিভাবে বোঝবেন ঔষুটি কাজ দিচেছ- প্রথমত 1/2 বার পায়খানা হবে। যখন আপনি পায়খানা করতে যাবেন তখন দেখবেন পায়খানার সাথে হালকা হালকা তৈলক্ত তৈলক্ত বের হচেছ। এটাই হচ্ছে চর্বি ।
যা পায়খানার সাখে বের হয়ে যাবে।
এই প্যাক খাবার পরে আপনি যদি মনে করেন আমার আর কমাতে দরকান নেই তারপর থেকে উক্ত প্যাকটি খাওয়া বন্ধ করে দিবেন।
-----------------------------------
সেবনের নিয়মঃ শুধু মাত্র রাতে খাবারের পরে ২ চা চামচ পরিমান এক গ্লাস পানিতে মিশিয়ে পান করতে হবে।
**********************
কারা এই প্যাকটি সেবন করতে পারবেন না। যাদের বসয় 1-12 বছর, আমাশা, বা পাতলা, ডাইরিয়ার রোগীরা।
যাদের প্রয়োজন, তারা যোগাযোগ করতে পারেন।
"""""""---------------------------""""
অর্ডার করতে ইনবক্সে নক করুন।
---------------------------------------------------------
*** খুচরা মূল্য ১৫০০/- টাকা
*** ওজন ২৫০ গ্রাম।
নিশ্চিন্তে অর্ডার করতে পারেন, যদি আমাদের কথা ও কাজে মিল না পান তাহলে পন্য ফেরত দিয়ে দিবেন, আপনাকে পন্যের পুরো টাকা ফেরত দেয়া হবে ইনশাআল্লাহ।
'''’'''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''
পেজঃ Organic life care
19/02/2023
👉👉 ভেষজশাত্রে ঔষধি গাছ হিসাবে আর্জুনের ব্যবহার অগনিত।বলা হয়ে থাকে, বাড়িতে একটি অর্জুন গাছ থাকা আর এক জন ডাক্তার থাকা একই কথা।এ র ঔষধি গুন মানবসমাজের দৃষ্টি আকর্ষন করেছে সুপ্রাচীন কাল থেকেই।শরীরের বল ফিরিয়ে আনা এবং রণাঙ্গনে মনকে উজ্জীবিত রাখতে অর্জুন ব্যবহারের উল্লেখ রয়েছে মহাভারত ও বেদ-সংহিতায়।তার পর যত দিন যাচ্ছে ততই অর্জুনের উপকারী দিক উদ্ভাবিত হচ্ছে।
❏❏ যাদের বুক ধড়ফড় করে অথচ উচ্চ রাক্তচাপ নাই, তাদের পক্ষে অর্জুন ছাল কাঁচা হলে ১০-১২ গ্রাম, শুকনা হলে ৫-৬ গ্রাম একটু ছেঁচে ২৫০ মিলি দুধ ও ৫০০ মি লি জল এর সাথে মিশিয়ে জ্বাল দিয়ে আনুমানিক ১২৫ মিলি থাকতে ছেঁকে বিকেলবেলা খেলে বুক ধড়ফড়ানি কমে যায়। তবে পেটে যাতে বায়ু না থাকে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।
❏❏ অর্জুন ছাল বেটে খেলে হৃৎপিন্ডের পেশি শক্তিশালী হয়, হৃৎপিন্ডের ক্ষমতা বাড়ে।এটি রক্তের কোলেষ্টরল কমায় এবং ফলত রক্তচাপ নিয়ন্ত্রনে থাকে।
❏❏ বিচুর্ণ ফল মূত্রবর্ধক হিসেবে কাজ করে এবং লিভারসিরোসিসের টনিক হিসাবে ব্যাবহৃত হয়।
❏❏ অর্জুনের ছালে ট্যানিন রয়েছে, এ টানিন মুখ,জিহ্বা ও মাড়ীর প্রদাহের চিকিৎসায় ব্যাবহার হয়।এটি মাঢ়ীঢ় রক্তপাত বন্ধ করে এবং শরীরে ক্ষত, খোস পাঁচড়া দেখা দিলে অর্জুনের ছাল বেটে লাগালে সেরে যায়।
❏❏ অর্জুনের ছাল হাঁপানি, আমাশয়, ঋতুস্রাবজনিত সমস্যা, ব্যথ্যা ,প্রদর ইত্যাদি চিকিৎসায়ও উপকারী।
❏❏ এটি সংকোচ ও জ্বর নিবারক হিসাবেও কাজ করে।
❏❏ এ ছাড়া অর্জুনে saponin রয়েছে, একটি যৌন উদ্দীপনা বাড়ায়। তাই চর্ম ও যৌন রোগে অর্জুন ব্যাবহ্রত হয়।যৌন উদ্দীপনা বাড়াতেও অর্জুনের ছালের রস ব্যাবহার হয়।
❏❏ অর্জুনের ছালে essential oil রয়েছে তাই অর্জুন খাদ্যা হজম ক্ষমতা বাড়ায়।খাদ্যাতন্ত্রের ক্রিয়া স্বভাবিক রাখতে সাহায্য করে।
❏❏ ক্যান্সার কোষের বর্ধন রোধকারী gallic acid,ethy gallae ও lutenolin রয়েছে অর্জুন ছালে। এ কারনে এটি ক্যান্সার চিকিৎসায় ব্যাহারের সুযোগ রয়েছে।
👉👉ভেষজ শাস্ত্রে ঔষধি গাছ হিসেবে অর্জুনের ব্যবহার অগণিত । বলা হয়ে থাকে, বাড়িতে একটি অর্জুন গাছ থাকা আর একজন চিকিৎসক থাকা একই কথা। এর ঔষধি গুণ মানব সমাজের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে সুপ্রাচীন কাল থেকেই। শারীরিক বল ফিরিয়ে আনা এবং রণাঙ্গনে মনকে উজ্জীবত করার ভেষজ রস হিসেবে অর্জুন ব্যবহারের উল্লেখ রয়েছে মহাভারত ও বেদ-সংহিতায়।
তারপর যতদিন যাচ্ছে অর্জুনের উপকারী দিক ততই উদ্ভাসিত চ্ছে। অর্জুন এমনি এক ধরনের ভেষজ উদ্ভিদ যা মানব কল্যাণে ব্যবহৃত হচ্ছে বহু যুগ ধরে। এটি কমব্রিটেসি গোত্রের অন্তর্ভুক্ত। এ গাছটির বৈজ্ঞানিক নাম Terminalia arjuna,সংস্কৃত নাম ককুভ। বৃহদাকৃতির বহুবর্ষজীবী এই উদ্ভিদটি প্রায় ১৮-২৫ মিটার উচ্চতা বিশিষ্ট হয়ে থাকে। গাছটির মাথা ছড়ানো ডালগুলো নীচের দিকে ঝুলানো থাকে। পাতা দেখতে অনেকটা মানুষের জিহবাকৃতির। ছাল খুব মোটা এবং ধূসর বর্ণের। গাছ থেকে সহজেই ছাল উঠানো যায়।
ফল দেখতে কামরাঙ্গার মত, পাঁচ খাঁজ বিশিষ্ট কিন্তু আকৃতিতে অনেক ছোট। শীতের শেষেই সাধারণত গাছ নিষ্পত্র হয়ে যায় এবং বসন্তে নতুন পাতায় গাছ ভরে যায়। নতুন পাতা গজানোর সময়েই গাছের শাখাগুলো পুষ্পমঞ্জরিতে ভরে ওঠে। নিম্মে অর্জুনের কিছু উপকারী দিক বর্ণনা করা হলো- 👉👉 হৃদরোগ:
অর্জুনের প্রধান ব্যবহার হৃদরোগে । অর্জুন ছালের রস কো-এনজাইম কিউ-১০ সমৃদ্ধ । এই কো-এনজাইম কিউ-১০ হৃদরোগ এবং হার্ট অ্যাটাক প্রতিরোধ করে । বাকলের রস ব্লাড প্রেসার এবং কোলেস্টেরল লেভেল কমায় । অর্জুনের ছাল বেটে রস খেলে হৃদপিন্ডের পেশি শক্তিশালী হয় এবং হৃদযন্ত্রের ক্ষমতা বাড়ে । বাকলের ঘন রস দুধের সাথে মিশিয়ে প্রতিদিন সকালে খালি পেটে খেতে হবে। বাকলে রস না থাকলে শুকনো বাকলেরগুঁড়া ১-২ গ্রাম দুধের সাথে মিশিয়ে সকালে খালি পেটে খেতে হবে।
👉👉 অ্যাজমা:
অর্জুন ছালের পাউডার ১২ গ্রাম দুধের ক্ষীর বা পায়েসের সাথে মিশিয়ে খেলে অ্যাজমা আক্রান্ত ব্যক্তির অ্যাজমা রোগের স্থায়ী সমাধান হবে।
👉👉 ক্ষয়কাশে:
অর্জুন ছালের গুঁড়া, বাসক পাতার রসে ভিজিয়ে শুকিয়ে রাখতেন প্রাচীন বৈদ্যেরা। দমকা কাশি হতে থাকলে একটু ঘি ও মধু বা মিছরির গুঁড়া মিশিয়ে খেতে দিতেন। এতে কাশির উপকার হতো।
👉👉 হাড় মচকে গেলে বা চিড় খেলে:
অর্জুন ছাল ও রসুন বেটে অল্প গরম করে মচকানো জায়গায় লাগিয়ে বেঁধে রাখলে সেরে যায়। তবে সেই সাথে অর্জুন ছালের চূর্ণ ২-৩ গ্রাম মাত্রায় আধা চামচ ঘি ও সিকি কাপ দুধ মিশিয়ে অথবা শুধু দুধ মিশিয়ে খেলে আরও ভালো হয়।
👉👉 ত্বকের পরিচর্যা:
ত্বকে ব্রণের ক্ষেত্রে অর্জুন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ছালের চূর্ণ মধুর সাথে মিশিয়ে ব্রণের উপর লাগালে খুব দ্রুত উপকার হয়। এছাড়া ছালের মিহি গুঁড়া মধু মিশিয়ে লাগালে মেচতার দাগ দূর হয়।
👉👉 বুক ধড়ফড়:
যাদের বুক ধড়ফড় করে অথচ উচ্চ রক্তচাপ নেই, তাদের পক্ষে অর্জুন ছাল কাঁচা হলে ১০-১২ গ্রাম, শুকনা হলে ৫-৬ গ্রাম একটু ছেঁচে ২৫০ মিলি দুধ ও ৫০০ মিলি পানির সাথে মিশিয়ে জ্বাল দিয়ে আনুমানিক ১২৫ মিলি থাকতে ছেঁকে বিকাল বেলা খেলে বুক ধড়ফড়ানি অবশ্যই কমবে। তবে পেটে যেন বায়ু না থাকে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। লো-ব্লাড প্রেসারে উপযুক্ত নিয়মে তৈরি করে খেলেও অবশ্য প্রেসার বাড়বে।
👉👉 রক্তপিত্তে:
মাঝে মাঝে কারণে বা অকারণে রক্ত ওঠে বা পড়ে। সেক্ষেত্রে ৪-৫ গ্রাম ছাল রাত্রিতে পানিতে ভিজিয়ে রেখে সকালে ছেঁকে নিয়ে পানিটা খেলে উপকার পাওয়া যায়।
👉👉 ফোঁড়া:
ফোঁড়া হলে পাতা দিয়ে ঢেকে রাখলে ফোঁড়া ফেটে যায়, তারপর পাতার রস দিলে তাড়াতাড়ি শুকিয়ে যায়।
👉👉 ক্ষত বা ঘা:
শরীরে ক্ষত বা ঘা হলে, খোস-পাঁচড়া দেখা দিলে অর্জুনের ছালের ক্বাথ দিয়ে ধুয়ে ছালের মিহি গুঁড়া পানি দিয়ে মিশিয়ে লাগালে দ্রুত ঘা সেরে যায়।
👉👉 কানের ব্যথায়:
কানের ব্যথায় অর্জুন ব্যবহার করা হয়। কচি পাতার রস কানের ভিতরে দুই ফোঁটা করে দিলে কানের ব্যথা ভালো হয়।
👉👉 যৌন রোগ:
যাদের মধ্যে যৌন অনীহা দেখা দেয় তাদের ক্ষেত্রে অর্জুনের ছাল চূর্ণ উপকারী। এই ছাল চূর্ণ দুধের সাথে মিশিয়ে প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে নিয়মিত খেলে এই রোগ দূর হয়। এছাড়া যাদের শুক্রমেহ আছে তারা অর্জুন ছালের গুঁড়া ৪-৫ গ্রাম ৪-৫ ঘণ্টা আধা পোয়া গরম পানিতে ভিজিয়ে রেখে, তারপর ছেঁকে ওই পানির সাথে ১ চামচ শ্বেতচন্দন মিশিয়ে খেলে উপকার হয় । এটা সুশ্রুত সংহিতার কথা ।
👉👉 রক্ত আমাশয়ে:
৪-৫ গ্রাম অর্জুন ছালের ক্বাথে ছাগলের দুধ মিশিয়ে খেলে রক্ত আমাশয় ভালো হয়।
👉👉 হজম ক্ষমতা বাড়ায়: ডায়রিয়া বা পেটের অন্য কোনো সমস্যা দেখা দিলে অর্জুনের ছাল ৪৫-৩০ গ্রাম করে খেলে হজম ক্ষমতা বৃদ্ধি পায় ও অসুবিধা দূর হয়। মুখ, জিহ্বা ও মাড়ির প্রদাহে : অর্জুনের ছাল এসব রোগের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। এটি মাড়ির রক্তপাতও বন্ধ করে। এছাড়াও অর্জুন ছাল সংকোচক ও জ্বর নিবারক হিসেবেও কাজ করে। এছাড়াও এর রয়েছে অনেক ঔষধিগুণ। ইদানিং অর্জুন গাছের ছাল থেকে ‘অর্জুন চা’ তৈরি হচ্ছে যা হৃদরোগের জন্য অত্যন্ত কার্যকরী। DOS থেরাপি অনুযায়ী অর্জুন ফল দেখতে মানব দেহের হৃদপিন্ডের মতো তাই অর্জুনকে হৃদরোগের মহৌষধ বলা হয়।
organic life care
17/02/2023
শরীরের সুস্থতায় হালিম বীজ এর অবদান সম্পর্কে জেনে নিন।
হালিম বীজ এর সাথে সব মানুষ কমবেশি পরিচিত। এই বীজ গুলো দেখতে ছোট ছোট হয়।হালিম বীজকে ইংরেজি ভাষায় গার্ডেন ক্রেস বলা হয়। এটি সরষে পরিবারের অন্তর্ভুক্ত ওয়াটার ক্রাইস একটি খাবার জিনিস।এই খাবার টি তার স্বাদ ও গন্ধ এর জন্য পরিচিত।পাস্তা,স্যান্ডউইচ জাতীয় ইউরোপিয়ান খাবারে ব্যাপকভাবে হালিম বীজ ব্যবহার করা হয়।এই বীজ বাচ্চা থেকে বুড়ো সবাই খেতে পারে।এই বীজ খাওয়া এর অনেক স্বাস্থ্যোপকারিতাও রয়েছে। তাহলে জেনে নেওয়া যাক এই হালিম বীজ এর উপকারিতা সম্পর্কে।
১.অন্ত্রের জন্য উপকারী- এই বীজে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকে যা কোষ্ঠকাঠিন্য ও বদহজম থেকে মুক্তি পেতে সাহায্য করে।এটি নিয়মিত খেলে অন্ত্রের গতিবিধি নিয়ন্ত্রিত হয়। বাচ্চাদের পেট ব্যাথা দূর করতে জলে মিশিয়ে এটি খাওয়ানো যেতে পারে।
২.ওজন কমায়- হালিম বীজ ফাইবার ও প্রোটিনের ভালো উৎস। ফলে খাবার তৃপ্তিদায়ক হয়ে ওঠে।এই জন্য খিদে পাওয়া কমে যায়। ফলে ধীরে ধীরে ওজন কমতে থাকে।
৩.পিরিয়ড নিয়মিত করে- হালিম বীজ ফাইটোকেমিক্যাল সমৃদ্ধ।যা হরমোন ইস্ট্রোজেন অনুকরণ করে। ফলে এটি অনিয়মিত পিরিয়ড নিয়ন্ত্রনে সহায়তা করে।
৪.জীবাণুর সংক্রমণ থেকে রক্ষা করে- হালিম বীজ আ্যন্টি অক্সিডেন্ট ও ভিটামিন সি সমৃদ্ধ। তাই এটি শরীরকে বিভিন্ন জীবাণু এর সংক্রমণ থেকে রক্ষা করে।
৫.জ্বর ,সর্দি ,গলা ব্যাথা দূর করে- হালিম বীজ আ্যন্টি মাইক্রোবিয়াল বৈশিষ্ট্য যুক্ত হওয়ার জন্য এটি জ্বর ,সর্দি সহ শ্বাস প্রশ্বাস এর বিভিন্ন সমস্যা দূর করে।
৬.চুল পড়া কমাতে হালিমের বীজ: হালিম বীজ চুল পড়া নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। হালিমের বীজ এবং দুধের মিশ্রণ, বিশেষ করে উষ্ণ, আপনার চুলকে সুন্দর করে তুলবে।
৭.গর্ভাবস্থায় হালিম বীজের উপকারিতা: হালিমের বীজ লোহিত রক্তকণিকা উৎপাদনে সহায়তা করে। এগুলো শরীরে হিমোগ্লোবিনের মাত্রাও উন্নত করে। এক টেবিল চামচ হালিম বীজে প্রায় 12 মিলিগ্রাম আয়রন থাকে। এটি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ কারণ গর্ভাবস্থায় আয়রন অপরিহার্য। হালিমের বীজে থাকা ক্যালসিয়াম শিশুর হাড় ও দাঁত মজবুত করতে সাহায্য করে।
৮.উচ্চতা বাড়ায়: উচ্চতা বাড়ানোর জন্য আপনি হালিম বীজ গ্রহণের কথা বিবেচনা করতে পারেন, কারণ তারা বৃদ্ধির হরমোন উৎপাদনকে উদ্দীপিত করে।
৯.স্তন্যদানকারী মায়েদের জন্য দুর্দান্ত: হালিমের বীজে প্রচুর পরিমাণে আয়রন ও প্রোটিন থাকে এবং স্তন্যদানকারী মায়েদের পুষ্টি জোগায়। হালিম অন্যতম জনপ্রিয় গ্যালাক্টাগগ। এগুলি এমন খাবার যা বুকের দুধ উৎপাদন বৃদ্ধি, বজায় রাখতে এবং প্ররোচিত করতে ব্যবহার করা যেতে পারে।
১০.হালিমের বীজ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে: ফলিক অ্যাসিড এবং ফ্ল্যাভোনয়েড সমৃদ্ধ হালিম বীজের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিকারী বৈশিষ্ট্যগুলি তাদের উচ্চ মাত্রার ভিটামিন সি, এ এবং ই এর জন্য দায়ী করা যেতে পারে। এর অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল বৈশিষ্ট্যগুলি গলা ব্যথা, সর্দি, জ্বর এবং ফ্লু প্রতিরোধ করে।
১১.মলত্যাগের গতি উন্নত করুন: উচ্চ আঁশযুক্ত হালিম বীজ মলত্যাগের উন্নতি করতে সাহায্য করে এবং এইভাবে কোষ্ঠকাঠিন্য, ফোলাভাব এবং গ্যাস নিয়ন্ত্রণ করে।
১২.হালিমের বীজ স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়: স্তন ক্যান্সার নারীদের মধ্যে সবচেয়ে সাধারণ ক্যান্সার। হালিম বীজের অ্যান্টি-কার্সিনোজেনিক গুণের কারণে স্তন ক্যান্সারের সম্ভাবনা কম।
organic life care
16/02/2023
কালোজিরার উপকারিতা
শুধু খাবারের স্বাদ বৃদ্ধিতেই নয়, আয়ুর্বেদিক ও কবিরাজি চিকিৎসাতেও কালোজিরার ব্যবহার হয়। কালোজিরার বীজ থেকে একধরণের তেল তৈরি হয়, যা আমাদের শরীরের জন্য অত্যন্ত উপকারী। এতে আছে ফসফেট, আয়রন এবং ফসফরাস। এছাড়াও কালোজিরা বিভিন্ন রোগের হাত থেকে দেহকে রক্ষা করে ৷ নিয়মিত কালোজিরা খাওয়ার উপকারিতা কী ? জেনে নিন ৷
১. নিয়মিত পেট খারাপের সমস্যা থাকলে কালোজিরা সামান্য ভেজে গুঁড়ো করে ৫০০ মিলিগ্রাম হারে ৭-৮ চা চামচ দুধে মিশিয়ে সকালে ও বিকেলে সাত দিন ধরে খেলে উল্লেখযোগ্য ফল পাওয়া যায়।
২. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে শক্তিশালী করে কালোজিরা। নিয়মিত কালোজিরা খেলে শরীরের প্রতিটি অঙ্গপ্রত্যঙ্গ সতেজ থাকে। এতে করে যে কোনও জীবানুর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে দেহকে প্রস্তুত করে তোলে এবং সার্বিকভাবে স্বাস্থ্যের উন্নতি করে।
৩. যারা হাঁপানি বা শ্বাসকষ্ট জনিত সমস্যায় ভুগে থাকেন তাদের জন্য কালোজিরা অনেক বেশি উপকারী। প্রতিদিন কালোজিরার ভর্তা রাখুন খাদ্য তালিকায়। কালোজিরা হাঁপানি বা শ্বাস কষ্টজনিত সমস্যা দূর করে।
৪. প্রচণ্ড সর্দি হয়ে মাথা যন্ত্রণা হচ্ছে ? এ ক্ষেত্রে কালোজিরা পুঁটলিতে বেঁধে শুঁকতে হবে। তবে পুঁটলিতে নেওয়ার আগে তা রগড়ে নিতে হবে। তাতে গন্ধ বের হয় এবং উপকার হয়।
৫. প্রচন্ড মাথা ব্যথা ? কালোজিরে বেটে কপালে প্রলেপ দিলে ও মিহি গুঁড়োর নস্যি নিলে উপকার হয়।
কালোজিরা ভাজা তেল গায়ে মাখলে চুলকানিতে উপকার হয়।
৭. কালোজিরা ডায়াবেটিক রোগীদের রক্তের গ্লুকোজ কমিয়ে দেয়। এতে করে কালোজিরা ডায়াবেটিক নিয়ন্ত্রনে রাখতে সহায়তা করে।
৮. স্মৃতিভ্রংশ ও স্মরণশক্তির দুর্বলতায় কালোজিরে খুব কার্যকর।
৯. পরিমাণমতো কালোজিরা খেলে প্রস্রাব পরিষ্কার হয়।
১০. শিশুদের কালোজিরা খাওয়ানোর অভ্যাস করলে দ্রুত শিশুর দৈহিক ও মানসিক বৃদ্ধি ঘটে
Organic life care
💖💖𝗙𝗼𝗹𝗹𝗼𝘄 দিয়ে 𝗗𝗼𝗻𝗲 লিখো 🥰
𝗕𝗮𝗰𝗸 দিবো✅
ইনশাআল্লাহ 💝..... 🔙♥𝗙𝗼𝗹𝗹𝗼𝘄 𝗕𝗮𝗰𝗸 𝘁𝗼 𝗕𝗮𝗰𝗸 ♥🔙
🖤
15/02/2023
চুল পড়া বন্ধে কালোজিরা তেল
ব্যবহারবিধিঃ মাথায় ব্যবহারের জন্য যতটুকু পরিমাণ নারিকেল তৈল লাগে তার ৪ ভাগের ১ ভাগ পরিমাণ কালিজিরার তৈল মিশ্রিত করে মাথার চুলে লাগাতে পারেন।
কিছু টিপসঃ
চুলের যত্নে কালিজিরার তেল অনেক উপকারী। চুলে শুধু নারিকেল তেলই লাগাতে হবে এমন কোন কথা নেই, নানা রকম তেলের মিশ্রণে পাওয়া যায় আরো সতেজ এবং সুস্থ চুল।
সপ্তাহে এক বা দুই দিন কালিজিরার তেল ব্যবহার বিধি অনুযায়ী লাগানো যেতে পারে।
শুষ্ক চুলের জন্য ডিমের সাদা অংশের সাথে সামান্য কালিজিরার তেল মিশিয়ে লাগালে চুলের শুষ্কতা কমে আসে।
নিয়ম করে সপ্তাহে ২ বার এই তেল দিয়ে চুলের যত্ন করলে চুলের সজীবতা ফিরে আসে।
নতুন চুল গজানোর জন্য ১:১ অনুপাতে অলিভ অয়েল এবং কালিজিরার তেল মিশিয়ে চুলের গোড়ায় গোড়ায় ম্যাসাজ করে লাগিয়ে নিন। এর পর একটি নরম তোয়ালে কুসুম গরম পানিতে ভিজিয়ে এবং পানি নিংড়ে পুরো চুল মুড়িয়ে মাথায় লাগিয়ে রাখুন ৪০ থেকে ১ ঘন্টা সময়ের জন্য। নিয়ম করে সমতাহে ২ বার এভাবে চুলের যত্ন নিলে নতুন চুল গজায়।
চুলের দৈর্ঘ্য বাড়াতেও এই তেল উপকারে আসে।
এই তেল চুলের উকুন কমাতেও সাহায্য করে।
তবে এই তেলের গন্ধ অনেকের কাছে অস্বস্তির কারণ হতে পারে।
অনেকেরই চুল পড়া, দুর্বল চুল, শুষ্ক চুল ইত্যাদি নানা রকম সমস্যা থাকে। এক্ষেত্রে সপ্তাহে কয়েকবার কালিজিরার তেলের ব্যবহার চুলের সমস্যাকে দূর করতে পারে।
12/02/2023
★★ আগে পড়ুন, তার পরে একটু ভাবুন ★★
★★ যারা খুব আনন্দের সাথে খুব মজা করে ইয়াবা গিলেন ঠিক তাদেরকেই বলছি......
খুব এনার্জি দেয় তাই নাহ!!! মনে রাখবেন ঠিক এক্ষুনি এইটা বাদ দিন,এটা রক্তের স্বাভাবিক গতিকে বাড়িয়ে দেয়,যার ফলে মস্তিষ্ক তে রক্ত চলাচল করাতে গিয়ে শিরা উপশিরা ফেটে বা ছিরে যায়।
মস্তিষ্কের কোষ ধংস করে দেয়, আর দেহের অন্যান্য অঙ্গের মত ব্রেইনের কোষ ডেমেজ হলে তা রিকভার হয় না, এইটা আস্তে আস্তে ঘটে,আজ একটু কাল একটু।
তাই আমরা এটাকে ধরতে ও পারি নাহ,একটা সময় আর কুলাতে না পেরে স্ট্রোক হয়/একটা জিনিস খেয়াল করছেন, আজকাল খুব কম বয়সে স্ট্রোক হয়,আমরা কেন হাতে ধরে নিজের আয়ু কমাচ্ছি।
যে ইয়াবা সেবন করে, তার রিতিমত বিহেভিয়ার ও চেঞ্জ হয়ে যায়, একটা সময় সমাজের একটা ডাম্প হিসেবে পরিচয় পাওয়া শুরু করে।
আর অসুস্থ হয়ে একবার বিছানায় পড়তে পাড়লে মনে রাখবেন কেও আপনাকে উঠাতে পারবে না,
সোজা বিছানা থেকে কবরে।
তাই...
সাবধান!! সাবধান!! সাবধান!!
আমার বলার দরকার ছিলো আমি বলছি,
মানা না মানা আপনার ব্যাপার,মনে রাখবেন
জীবন টা আপনার,তাই সিদ্ধান্ত টা আপনাকেই নিতে হবে ।
বি:দ্র: ছবি গুলো নজর কারার জন্যে দেয়া...
,,,,,, জনস্বার্থে পোষ্টটি বেশি বেশি শেয়ার করুন ।
10/02/2023
চাকসহ মধু নিতে কমেন্ট করুন।
09/02/2023
উপকারিতা:
✅ সহ*বাসের সময় বৃদ্ধি করে
✅ * শু*ক্রানুর উৎপাদন বাড়ায়
✅যৌন শক্তি বৃদ্ধি করার পাশাপাশি বীর্য ঘন করে থাকে
✅শুক্রতারল্য,শারীরিক দুর্বলতা ও যৌন দুর্বলতায়
✅স্নায়ুবিক দুর্বলতা দূর করে।
✅পুরুষের শুক্ররানু বৃদ্ধি পায়। এবং এটি যৌবন ধরে রাখে দীর্ঘদিন।
✅ হজম শক্তি বাড়ায়‚ কোষ্ঠকাঠিন্য তাড়ায়
✅ ত্বক উজ্জ্বল করে।
খাবার নিয়ম ঃ চা চামচের ২ চামচ, ২৫০ গ্রাম দুধ বা হালকা গরম পানিতে ভালোমত ৫ মিনিট মিশিয়ে রেখে খেতে হবে। শুধু মাত্র রাতে।
০+০+১
বি,দ্র.- ১৫ বছেরের নিচে সেবন করা যাব না। ধন্যবাদ।
যোগাযোগ :☎️01748736222
অর্গানিক লাইফ কেয়ার
09/02/2023
জেনে রাখা ভালো ঃ-
১। সকালের খাবার না খেলে পেট ভয় পায়।
২। 24 ঘন্টায় 10 গ্লাস জল না খেলে কিডনি ভয় পায়।
৩। গলব্লাডার ভয় পায় যখন আপনি রাত ১১টা পর্যন্ত ঘুমান না এবং সূর্যোদয়ের সময় জেগে উঠবেন না।
৪। তৈলাক্ত, মেয়াদোত্তীর্ণ খাবার খেলে ক্ষুদ্রান্ত্র ভয় পায়।
৫। ভাজা ও মশলাদার খাবার বেশি খেলে অন্ত্র ভয় পায়।
৬। সিগারেট ও বিড়ির দূষিত ধোঁয়া, ময়লা পরিবেশে নিঃশ্বাস নিলে ফুসফুস ভয় পায়।
৭। ভাজা ভাজা খাবার, জাঙ্ক এবং ফাস্ট ফুড খেলে লিভার ভয় পায়। ইয়েডো [ বেশি লবণ এবং কোলেস্টেরলযুক্ত খাবার খেলে হৃদয় ভয় পায়।
৮। দ্রুত এবং অবাধে পাওয়া যায় বলে বেশি চিনি খেলে অগ্ন্যাশয় ভয় পায়।
৯। আপনি যখন মোবাইলের স্ক্রিনের আলোতে এবং অন্ধকারে কম্পিউটারে কাজ করেন তখন চোখ ভয় পায় এবং
১০। নেতিবাচক চিন্তাভাবনা শুরু করলে মস্তিষ্ক ভয় পায়।
১১। যতটা পারবেন ভোরে ঘুম থেকে উঠে শরীর চর্চা ব্যায়াম করুন এবং ক্যাপসুল থেকে দূরে থাকুন তাহলে আমাদের শরীরের সব রোগ ভয় পাবে।
আপনার শরীরের বিভিন্ন অংশের যত্ন নিন এবং তাদের ভয় পাবেন না। এই সমস্ত অঙ্গ বাজারে পাওয়া যায় না. উপলব্ধগুলি খুব ব্যয়বহুল এবং সম্ভবত আপনার শরীরে ফিট করতে পারে না৷ তাই আপনার অঙ্গগুলিকে সুস্থ রাখুন।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Faridpur
