Faiyaz Ibne Noman
আব্বু আম্মুর আদরের ফাইয়াজ সোনা
13/11/2023
🗨শিশুর খাবার ব্লেন্ডার বা মিহি করা থেকে বিরত থাকুন!
➡শিশুর বয়স ছয় মাস পেরোলে তাকে বাড়িতে তৈরি খাবার দিন, দোকান থেকে কেনা সিরিয়াল নয়। অতিরিক্ত চালের গুঁড়া, সুজি, বার্লি ইত্যাদি খাওয়াবেন না। সব ধরনের খাবারই দেবেন, কিন্তু ব্লেন্ডারে মিহি করার প্রয়োজন নেই। ভাত বা খিচুড়ি, সবজি, মাছ, ডাল, তেল মিশিয়ে নরম করে রান্না করতে হবে।
➡ব্লেন্ডারে তৈরি খাবার খেলে শিশুর স্বাদগ্রন্থির বিকাশ বাধা পায়। তাকে জোর করে খাওয়ানো ঠিক নয়। খাবার নিয়ে শিশুর পেছনে দৌড়ানো এবং টিভি দেখিয়ে, গেম খেলতে বসিয়ে মনোযোগ সরিয়ে খাওয়ানো ঠিক নয়। খিদে পেলে সে এমনিতেই খাবে।
➡একসঙ্গে অনেক পদের খাবার পরিবেশন করলে শিশু দ্বিধায় পড়ে যায়। আবার সব সময় শুধু তার পছন্দের খাবার দিতে হবে, তা-ও ঠিক নয়। এতে অন্য খাবারের প্রতি আগ্রহ জন্মাবে না।
©️ অধ্যাপক মো. আবিদ হোসেন মোল্লা, শিশু বিভাগ, বারডেম হাসপাতাল
12/10/2023
✴️শিশুদের খাবার✴️
✅ শিশুকে দৈনিক কয়েকবার খাওয়াতে হবে কিন্তুু অল্প পরিমানে।
✅ শিশুর খাবার প্লেট, বাটি, চামচ পরিস্কার পরিচ্ছন্ন, রঙিন, ছোট সাইজের এবং আকর্ষনীয় হতে হবে।
✅ একই খাবার প্রতিদিন না দিয়ে খাবারে ভিন্নতা আনতে হবে।
✅ বাচ্চাকে খাওয়ানোর সময় গল্প বলা, ছড়া বলা/ বিভিন্ন অভিনয় করা।
✅ তাকে কিছু খেলনা দিতে হবে যা খেললে শারীরিকভাবে তার শক্তি খরচ হবে এবং ক্ষুধা বাড়বে।
✅খাবার দেয়ার সময় খাবারের গ্রহনযোগ্যতা বিচার করতে হবে। খাবার বাসি, ঠান্ডা বা বেশী গরম যেন না হয় সেদিকেও খেয়াল রাখতে হবে।
✅ বাচ্চাকে সবসময় বাড়ির তৈরি খাবার দিতে হবে এবং খাবার সুন্দর করে পরিবেশন করতে হবে।
✅বাচ্চাকে খাওয়ানোর সময় নিজেও সাথেসাথে কিছুটা খাবেন তাহলে বাচ্চার আগ্রহ বাড়বে।
✅বাচ্চাকে খাওয়ানোর জন্য জোরাজুরি করানো যাবেনা। একবেলা না খেলে এমন কোনো ক্ষতি হবে না পরের বেলা বাচ্চা খিদে পেলে নিজে থেকেই খেতে চাইবে।
✅বাচ্চাদের বাইরের খাবার দেয়া যাবেনা বিশেষ করে চিপস, চকলেট, জুস, চুইংগাম এগুলোতে বাচ্চার পেট ফেপে যায় রুচি নষ্ট হয়।
✅ পরিবারের সবার সাথে শিশুকে খেতে দিতে হবে। অন্যান্য শিশুদের সাথে খেতে দিলে প্রতিদ্বন্দিতায় উৎসাহী হয়ে খাওয়া শিখবে।
✅ যে সমস্ত খাবার পুষ্টিকর, সহজে হজম হয় সেগুলো দিবেন।
✅আরেকটা কথা পিতামাতাকে বলবেন " বাচ্চাকে অতিরিক্ত খাওয়াবেন না ওদের পাকস্থলী আমাদের মত বড় না, সুতরাং ঐ ছোট পাকস্থলীতে যতটুকু সম্ভব ততটুকুই ও খেতে পারবে। এর বেশি দিলে শিশু বমি করে দিবে যেটা বাচ্চার জন্য আরো খারাপ হবে, এতে বাচ্চা আরও দুর্বল হয়ে যাবে।"
✅আরেকটা কথা " ভিটামিন সিরাপ কখনো মুখের রুচি বাড়ায়না। এটা শুধুমাত্র বাচ্চা দীর্ঘদিন না খেলে ওর যে ভিটামিন-এ'র অভাব হচ্ছে ওটা পুরন করে"।
মা শাহ আল্লাহ 💗
03/10/2023
খিচুড়ি শিশুদের জন্য একটি সুষম খাবার।
প্রতিদিনের খাবার তালিকায় শিশুর জন্য একটি ডিম রাখুন।
সুজি সাবু তে ফরমুলা দুধ না মিশিয়ে সব্জি বা ফল মিশিয়ে খেতে দিন, বাদাম গুড়ো বাটার \ঘি মিশিয়ে দিন,
শিশুকে প্রতিদিন দুটো খেজুর খেতে দিন।
সবুজ এবং রঙিন শাক সব্জি রাখুন শিশুর খাবার তালিকায়।
প্রতিদিন একি খাবার না দিয়ে খাবারের বৈচিত্র আনুন।
টক জাতীয় খাবার শিশুর মুখে রুচি বাড়াতে সাহায্য করে যেমন মাল্টা লেবু।
আয়রনের ঘাটতি দুর করতে পালংশাক বিটরুট মুরগির কলিজা খাসির কলিজা রাখুন শিশুর খাবার তালিকায়।
02/10/2023
আম্মুর আগের সেলফি আর এখনকার সেলফি 🤪🤪
শিশুর প্রথম খাবার সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ কিছু পরামর্শঃ
✅ জন্মের পর ৬ মাস পর্যন্ত শিশুকে শুধুমাত্র বুকের দুধ খাওয়াবেন।
✅ ৬ মাস পূর্ণ হলে বুকের দুধের পাশাপাশি অন্যান্য খাবারে অভ্যস্ত করবেন।
✅ ২ বছর বয়স পর্যন্ত বুকের দুধ খাওয়াবেন।
✅ উইনিং এর শুরুতে একটি নতুন খাবার দিন। আস্তে আস্তে তার পরিমাণ বাড়ান। এর পর আরো একটি নতুন খাবার দিন।
✅ খাবার এমনভাবে তৈরি করুন যাতে খাবারের ক্যালরির পরিমাণ বুকের দুধের চাইতে বেশি হয়। পাতলা করে সুজি, চালের গুঁড়া, গরুর দুধ খাওয়ালে ক্যালরির মাত্রা বুকের দুধের চাইতে কম হয়ে যায়।
✅ পারিবারিক খাবার নরম করে চামচ বা আঙুল দিয়ে খেতে দিন।
✅ শিশুর খাবারে সবুজ এবং হলুদ শাকসবজি যুক্ত করুন।
✅ আয়রন এবং জিংক সমৃদ্ধ খাবার খেতে উৎসাহিত করুন।
✅ ২ বছরের কম বয়সী শিশুদের যে সমস্ত খাবার গলায় আটকে যায় যেমন আস্ত বাদাম, গাজরের টুকরো ইত্যাদি দেয়া থেকে বিরত থাকুন।
✅ চিনিযুক্ত পানীয় বর্জন করুন।
✅ খাবার সময় মনোযোগ বিচ্ছিন্নকারী টিভি, মোবাইল, কার্টুন দেখিয়ে খাওয়ানো থেকে বিরত থাকুন।
✅ বোতল দিয়ে না খাইয়ে চামচ বা আঙুল দিয়ে খাবার দিন।
✅ বাজারের রেডিমেড খাবার বর্জন করুন।
✅ ফাস্টফুড, কোমল পানীয়, জুস, চিপস খাওয়ানো থেকে বিরত থাকুন।
ডা. বাঁধন
27/09/2023
বাচ্চাকে কেন খিচুড়ি খাওয়াবেন??
#লিখেছেনঃ পুষ্টিবিদ মোঃ ইকবাল হোসেন।
--নিউট্রিশন কন্সাল্টেন্ট, চট্টগ্রাম ডায়বেটিক জেনারেল হাসপাতাল।
"অনেক বাবা মায়ের প্রশ্ন থাকে যে বাচ্চাকে খিচুড়ি খাওয়ানো কি আবশ্যক? এ ব্যাপারে বিভিন্ন জনের বিভিন্নরকমের মতামত দেখা যায়। কেউ বলেন বাচ্চাকে খিচুড়ি খাওয়ানো জরুরী আবার কেউ বলেন না। এ ব্যাপারে আজকে আমি পুষ্টিবিদ মোঃ ইকবাল হোসেন আপনাদের কাছে কিছু বিষয় তুলে ধরতে চাই।
আমি বলি হ্যা, ৬ মাস এক্সক্লুসিভ ব্রেস্টফিডিং এর পরে যখন বাচ্চাকে নতুন খাবারের সাথে পরিচয় করানো হয়, সেখানে খিচুড়ি খাওয়ানো টা বেশ জরুরী। এটা বাচ্চাদের গ্রোথ পিরিয়ড, এই সময় বাচ্চাদের ব্যালান্স ডায়েট খুব জরুরী। ব্যালান্স ডায়েট বলতে বোঝায় যে খাবারে পরিমিত পারিমানে কার্বোহাইড্রেট, ফার্স্টক্লাস প্রোটিন, ফ্যাটসহ অন্যান্য ভিটামিন এবং মিনারেলস থাকে। এই সবগুলো উপাদান একত্রে পেতে হলে আপনাকে আপনার বাচ্চাকে, ভাত/রুটি+মাছ/মাংস/ডিম+শাকসব্জি+তেল সবগুলো উপাদান একসাথে খাওয়াতে হবে। কিন্তু বাচ্চারা নতুন খাওয়া শেখার সময় মাছ/মাংস/ডিম সহজে খেতে চায় না। এতে তাদের পুষ্টি ঘাটতি হতে পারে। সেক্ষেত্রে খিচুড়ি হতে পারে সহজ এবং সস্তা সমাধান। পরবর্তীতে অবশ্যই ধীরে ধীরে স্বাভাবিক খাবার ব্যাবস্থাপনায় আসতে হবে। তবে একটা কথা মাথায় রাখতে হবে যে, বাচ্চাদের খাবারে বৈচিত্র আনাটা খুব জরুরী। তাই চেষ্টা করতে হবে একই খাবার বা ভিন্ন খাবার তাদের সামনে ভিন্নভাবে উপস্থাপন করার।
কিভাবে খিচুড়ি সহজ সমাধান??
মাছ/মাংস/ডিম এগুলো প্রোটিন জাতীয় খাবার। আবার ডালও প্রোটিন জাতীয় খাবার। তবে মাছ, মাংস, ডিম এগুলো ফার্স্টক্লাস প্রোটিন(প্রাণীজ প্রোটিন) বা উন্নতমানের প্রোটিন হিসাবে বিবেচিত, অন্যদিকে ডাল বা শিমের বিচি সেকেন্ডক্লাস প্রোটিন(উদ্ভিজ প্রোটিন) হিসাবে বিবেচিত।
পার্থক্যটা কোথায়?
একটা ফার্স্টক্লাস প্রোটিনের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হচ্ছে তাতে সবধরনের এসেনশিয়াল এমাইনো এসিড উপস্থিত থাকে অন্যদিকে সেকেন্ডক্লাস প্রোটিনে এক বা একাধিক এসেনশিয়াল এমাইনো এসিড মিসিং থাকে।
কিন্তু বাচ্চাদের শরীর ও মস্তিষ্কের সঠিক গঠনের জন্য ফার্স্টক্লাস প্রোটিন অত্যন্ত জরুরী। ৬ মাস বয়স পর্যন্ত বাচ্চার শারীরিক ও মানসিক বিকাশে জন্য প্রয়োজনীয় সমস্ত উপাদান মায়ের বুকের দুধেই থাকে। তাই ৬ মাস পর্যন্ত ব্রেস্টফিডিং ই যথেষ্ট এবং খুব খুব খুবই জরুরী। ৬মাস পর থেকে বাচ্চাকে ঘরে তৈরি বাড়তি খাবার দিতে হয়। এটা বাচ্চার গ্রোথ পিরিয়ড, আর গ্রোথ পিরিয়ডে ফার্স্টক্লাস প্রোটিনের চাহিদা একটু বেশিই থাকে। প্রোটিন কে বডি বিল্ডিং ফুড বলা হয়। অর্থ্যাৎ কোন কারনে যদি আপনার বাচ্চার ফার্স্টক্লাস প্রোটিনের ঘাটতি থাকে তাহলে তার শারীরিক বৃদ্ধি সঠিকভাবে হবে না, সেইসাথে মানসিক বৃদ্ধিও ব্যাহত হতে পারে।
খিচুড়ি কি ফার্স্টক্লাস প্রোটিনের ঘাটতি পুরন করতে সক্ষম??
এবার আসি মুল প্রসঙ্গে। এতক্ষনের আলোচনায় এটুকু অন্তত বুঝতে পেরেছি যে, ফার্স্টক্লাস প্রোটিন কতটা গুরুত্বপুর্ণ। এখন প্রশ্ন হতে পারে, তাহলে খিচুড়ি কি ফার্স্টক্লাস প্রোটিনের ঘাটতি পুরন করতে সক্ষম?? জ্বী অবশ্যই সক্ষম। কিন্তু সেটা কিভাবে? ডাল কে সেকেন্ডক্লাস প্রোটিন বলা হয়, কারন ডালের মধ্যে লাইসিন নামক একটি এসেনশিয়াল এমাইনো এসিড মিসিং থাকে। অন্যদিকে চালের মধ্যে ঐ লাইসিন নামক এসেনশিয়াল এমাইনো এসিডটি বেশি থাকে। আমরা যখন চাল আর ডাল একত্রে রান্না করি তখন চালে অধিক পারিমানে অবস্থিত লাইসিন এমাইনো এসিড, ডালের যেখানে লাইসিন এমাইনো এসিডের ঘাটতি আছে সেখানে গিয়ে বাইন্ড করে। ফলে ডাল তখন ফার্স্টক্লাস প্রোটিনে পরিনত হয়। অর্থ্যাৎ আপনি যদি বাচ্চাকে মাছ-ভাত বা মাংস-খাওয়ান সেক্ষেত্রে যে পুষ্টিগুন পাবে, বাচ্চাকে ডালের খিচুড়ি খাওয়ালেও সেইম পুষ্টি পাবে। সাথে একটু সব্জি আর শাকের কচিপাতা যোগ করে দিলেই তৈরী হয়ে গেল আপনার বাচ্চার ব্যালান্স ডায়েট।
এখন প্রশ্ন হতে পারে, আমি যদি খিচুড়ি রান্না না করে বাচ্চাকে ডাল-ভাত খাওয়াই, তাহলে কি খিচুড়ির মত পুষ্টিগুন পাবে? জ্বী না, খিচুড়ির পরিবর্তে ডাল-ভাত খাওয়ালে সমপরিমাণ পুষ্টিগুন পাবে না।"
👉 এমনকি বাংলাদেশ ব্রেস্টফিডিং ফাউন্ডেশনও সলিডে বাচ্চাদেরকে খিচুড়ি দিতে সাজেস্ট করে থাকে। তাই যারা বলেন বাচ্চাকে খিচুড়ি খাওয়ানো লাগবেনা, এ কথা সঠিক না। বাচ্চাদের খাবার আর বড়দের খাবার কখনওই এক হতে পারে না। বাচ্চাদের আর বড়দের এক্টিভিটি, গ্রোথ কিছুই যদি একরকম না হয় তাহলে তাদের খাদ্য ও পুষ্টি ইনটেক কিভাবে এক হয়? বাচ্চাদের জন্য সবসময়ই এক্সট্রা পুষ্টি ও কেয়ারের প্রয়োজন কারণ বাচ্চাদের ব্রেইন ডেভেলপমেন্ট ৯৯% হয় ৫ বছরের মধ্যে। আমাদের দৈনন্দিন খাবারে কি সব সুষম পুষ্টি উপাদান প্রতিদিন থাকে? সবসময় থাকেনা। তাই বাচ্চাদের জন্য এমন খাবার সিলেক্ট করতে হবে যাতে বাচ্চা প্রোপার পুষ্টি পায় নিয়মিত।
আবার অনেকে বলেন, বাচ্চাকে ছোট থেকেই ভাত না খাওয়ালে, ঘরের সব সাধারণ খাবারে অভ্যস্ত না করলে বাচ্চা বড় হয়ে সাধারণ খাবার খেতে চায় না।
তাদের কাছে একটি প্রশ্ন, কখনও কি ১০-১৫ বছর বয়সী কাউকে ব্লেন্ড করা খিচুড়ি বা সেরেলাক বা সুজি খেয়ে জীবন পার করতে দেখেছেন❓ সময় যখন হবে তখন এমনিই খাবে। খাবার এমন এক জিনিস, ক্ষুধা এমন এক জিনিস যা আপনাকে শিখিয়ে দিতে হবেনা কাউকে, বাচ্চা সময়ের সাথে সাথে তার চাহিদা অনুযায়ী খাবেই!
🚩 আমি অবশ্যই ব্লেন্ডেড খাবার বা খিচুড়ি সবসময় খাওয়াতে উৎসাহিত করছিনা। বাচ্চা যদি সহজেই বা দ্রুতই আপনাদের দৈনন্দিন খাবারে অভ্যস্ত হয়ে যায় সেটি হলে অবশ্যই ভালো, কিন্তু যেসব বাচ্চারা দৈনন্দিন খাবারে দেরিতে অভ্যস্ত হয় তাদের নিয়ে এত হৈচৈ করার কিছু নেই, সেই মা কে এটা বলে হার্ট করার কিচ্ছু নেই যে
"ওমা!! তোমার বাচ্চা ভাত খায়না কেনো? খালি নিজের আরামের জন্য ব্লেন্ড করে খাওয়াইছো তাইনা?" এসব অদ্ভুত কথা আর মেন্টালিটি বাদ দিন! ভাত খাওয়া ফরজ না! বেঁচে থাকতে সুষম পুষ্টি ইনটেক করা ফরজ এবার সেটা যেকোনো সোর্স হতে পারে। সব বাচ্চা এক না। প্রতিটা বাচ্চা আলাদা। আরেকজনের বাচ্চার সাথে কম্পেয়ার করে নিজের বাচ্চাকে কখনও তার ধারণক্ষমতার চেয়ে বেশি প্রেশার ক্রিয়েট করবেন না। শুধু খাবার না, জীবনে কোনো ক্ষেত্রেই এটা করবেন না। বাচ্চার জীবনকে খাওয়া খাওয়া করে দুর্বিষহ করে তুলবেন না।
যে বাচ্চা সলিড চিবাতে পারেনা তাকে আপনি আস্ত খাবার জোর করে দিলে তার গলায় বেঁধে/choking হয়ে দম আটকে যেতে পারে!
অবশ্যই বাচ্চাকে আস্তে আস্তে আস্ত/দৈনন্দিন খাবারে অভ্যস্ত করার চেষ্টা করবেন, কিন্তু জোর করবেন না দয়া করে। অনেকেই আমাকে ইনবক্সে বলেন, আপু সবাই বলে আমি আমার বাচ্চাকে খাওয়াতে জানিনা, ঠিকমতো যত্ন করিনা.. আপনারা কারো taunting এ উৎসাহিত হয়ে বাচ্চাকে প্রেশার দিবেন না। আপনার বাচ্চার ভালো আপনার চেয়ে বেশি কেউ চায় না বা বুঝেনা। আপনার বাচ্চা যেমন বা যেভাবে কমফোর্টেবল, ওভাবেই আপনার বাচ্চাকে বেড়ে উঠতে সাহায্য করুন।
দাদুর বাড়ি চলে আসলাম 😇😇
‼️৬মাস সলিড শুরুতে অন্যতম হচ্ছে পিউরি ❓‼️
আপেলের পিউরি তৈরি করার জন্য প্রয়োজনীয় উপকরণ:
➖ফ্রেশ একটি আপেল( বাচ্চার চাহিদা বুঝে) , এক কাপ পানি।
আপেলের পিউরি তৈরি করার পদ্ধতি:
➖আপেলটা ধুয়ে খোসা ছাড়িয়ে নিন।এরপর ছোট ছোট কিউব আকারে কেটে নিন। এবার একটা প্রেসার কুকার বা যেকোনো প্যানে বসিয়ে নিন। এতে দু’কাপ /১কাপ মতো পানি দিন। এতে আপেলের টুকরোগুলো দিয়ে ৫/৭মিনিট সেদ্ধ করে নিন। খেয়াল রাখুন আপেলটা যেন ভাল করে সেদ্ধ হয়। আপেল নরম না হলে শিশুর খেতে সমস্যা হতে পারে। আপেল সেদ্ধ হয়ে গেলে আপেলটা বের করে নিন এবং ঠান্ডা হতে দিন।
এবার ব্লেন্ডারে আপেলের টুকরোগুলো দিয়ে ভাল করে ব্লেন্ড করে নিন অথবা ম্যাশার দিয়ে ম্যাশ করে নিতে পারেন।একটি মসৃণ মিশ্রণ তৈরি করে নিন। এবার এতে স্বাদের জন্য এক চিমটে দারুচিনির গুঁড়ো যোগ করুন। আপনি চাইলে দারুচিনির গুঁড়ো নাও দিতে পারেন।বাচ্চা যদি ফরমুলা খায় এতে সামান্য দুধ মিশিয়ে মিশ্রণটিকে ঘন করুন। ব্যস তৈরি আপনার আপেলের পিউরি।।।
➖এভাবে বাচ্চাদের পিউরি দিলে তারা খাবারের সাথে অভ্যাস্ত হবে, খাবারের সাথে নিজেকে পরিচিত করবেন,সলিড জার্নিটা সহজ হবে ইন শা আল্লাহ।।।
18/09/2023
💢 শিশুদের খাবার
💥 শিশুকে দৈনিক কয়েকবার খাওয়াতে হবে কিন্তুু অল্প পরিমানে।
💥 শিশুর খাবার প্লেট, বাটি, চামচ পরিস্কার পরিচ্ছন্ন, রঙিন, ছোট সাইজের এবং আকর্ষনীয় হতে হবে।
💥 একই খাবার প্রতিদিন না দিয়ে খাবারে ভিন্নতা আনতে হবে।
💥 বাচ্চাকে খাওয়ানোর সময় গল্প বলা, ছড়া বলা/ বিভিন্ন অভিনয় করা।
💥 তাকে কিছু খেলনা দিতে হবে যা খেললে শারীরিকভাবে তার শক্তি খরচ হবে এবং ক্ষুধা বাড়বে।
💥 খাবার দেয়ার সময় খাবারের গ্রহনযোগ্যতা বিচার করতে হবে। খাবার বাসি, ঠান্ডা বা বেশী গরম যেন না হয় সেদিকেও খেয়াল রাখতে হবে।
💥 বাচ্চাকে সবসময় বাড়ির তৈরি খাবার দিতে হবে এবং খাবার সুন্দর করে পরিবেশন করতে হবে।
💥 বাচ্চাকে খাওয়ানোর সময় নিজেও সাথেসাথে কিছুটা খাবেন তাহলে বাচ্চার আগ্রহ বাড়বে।
💥 বাচ্চাকে খাওয়ানোর জন্য জোরাজুরি করানো যাবেনা। একবেলা না খেলে এমন কোনো ক্ষতি হবে না পরের বেলা বাচ্চা খিদে পেলে নিজে থেকেই খেতে চাইবে।
💥 বাচ্চাদের বাইরের খাবার দেয়া যাবেনা বিশেষ করে চিপস, চকলেট, জুস, চুইংগাম এগুলোতে বাচ্চার পেট ফেপে যায় রুচি নষ্ট হয়।
💥 পরিবারের সবার সাথে শিশুকে খেতে দিতে হবে। অন্যান্য শিশুদের সাথে খেতে দিলে প্রতিদ্বন্দিতায় উৎসাহী হয়ে খাওয়া শিখবে।
💥 যে সমস্ত খাবার পুষ্টিকর, সহজে হজম হয় সেগুলো দিবেন।
💥 আরেকটা কথা পিতামাতাকে বলবেন " বাচ্চাকে অতিরিক্ত খাওয়াবেন না ওদের পাকস্থলী আমাদের মত বড় না, সুতরাং ঐ ছোট পাকস্থলীতে যতটুকু সম্ভব ততটুকুই ও খেতে পারবে। এর বেশি দিলে শিশু বমি করে দিবে যেটা বাচ্চার জন্য আরো খারাপ হবে, এতে বাচ্চা আরও দুর্বল হয়ে যাবে।"
💥 আরেকটা কথা " ভিটামিন সিরাপ কখনো মুখের রুচি বাড়ায়না। এটা শুধুমাত্র বাচ্চা দীর্ঘদিন না খেলে ওর যে ভিটামিন-এ'র অভাব হচ্ছে ওটা পুরন করে"।
14/09/2023
শিশুকে নতুন খাবার দিবেন কিভাবে ⁉️⁉️‼️
শিশুর ৬ মাস বয়স হলে বুকের দুধের পাশাপাশি দুইবেলা বেলা বাচ্চাকে বাড়তি খাবার দিতে হবে। এই বাড়তি খাবার হতে পারে ফলের পিউরি সবজি পিউরি সাবুদানা ওটস ভাতের মাড় পাতলা ডাল সুজি স্যুপ ঝাউভাত ।সাত মাস থেকে চাল, ডাল, সবজি, দিয়ে খিচুড়ি দেওয়া শুরু করবেন, পাশাপাশি নরম ভাত সবজি দিবেন , ফল (কলা/আপেল/পাকা পেঁপে/মৌসুমি ফল চটকে) ইত্যাদি। নতুন খাবার শুরু করার সময় সচেতন থাকতে হবে কিছু বিষয়ে।
● প্রথমে ২ বা ৩ চামচ করে খাবার একদম পিষে (দইয়ের মতো থকথকে হবে, কিন্তু স্যুপের মতো পাতলা নয়) শুরু করতে হবে। তারপর ধীরে ধীরে বাড়িয়ে প্রতি বেলা ১ কাপের চার ভাগের এক ভাগ (৬৫-৭০ মিলি) করে ৩ বেলা দিতে হবে।
● সব খাবার একবারে শুরু করতে যাবেন না। একটা একটা করে যোগ করতে হবে। যেমন চাল + ডাল, এরপর চাল + ডাল + একটা সবজি, তারপর চাল + ডাল + একটা সবজি + মুরগির মাংস—এভাবে। যেকোনো নতুন খাবার শুরু করে দুই–তিন দিন পর্যবেক্ষণ করতে হবে, পাতলা পায়খানা বা কোনো অ্যালার্জি হয় কি না।
● ৯ মাস বয়স থেকে আধা কাপ (১২৫ মিলি) ভারী খাবার ৩ বেলা ও ২ বেলা হালকা নাশতা দিতে হবে। ১ বছর বয়স থেকে ৩ বেলা ১ কাপ (২৫০ মিলি) ভারী খাবার ও ২ বেলা নাশতা।
● ১ বছর বয়স পর্যন্ত প্রথমে বুকের দুধ খাইয়ে তারপর বাড়তি খাবার খাওয়াতে হবে। এরপর এক বছর বয়স থেকে প্রথমে বাড়তি খাবার, তারপর বুকের দুধ দিতে হবে।
● ডিমের সাদা অংশ, গরু অথবা খাসির মাংস (রেড মিট), কলিজা, চর্বিযুক্ত খাবার ১ বছর এবং গরুর দুধ ২ বছর বয়সের পর দিতে হবে।
‼️সতর্ক থাকুন ‼️
■ বাচ্চার খাবার কখনো যেন শুধু চাল বা গমের সুজি না হয়। প্রতিদিন গাজর বা মিষ্টিকুমড়া না দিয়ে সপ্তাহে দুই–তিন দিন দেবেন।
■ বাচ্চার খাবারে ১ বছর বয়স পর্যন্ত কোনো আলাদা লবণ, চিনি বা মিছরি দেওয়া যাবে না।
■ প্রিজারভেটিভ ও রংযুক্ত খাবার, কোলাজাতীয় খাবার, ফাস্টফুড দেওয়া যাবে না।
■ টিভি, মোবাইল, কম্পিউটার দেখিয়ে কখনো বাচ্চাকে খাওয়ানো উচিত নয়।
■ বাচ্চার পেছনে খাবার নিয়ে লেগে থাকবেন না। আধা ঘণ্টার মধ্যে যতটুকু খায়, তা শেষ করে দিতে হবে। প্রতি বেলা খাবারের মধ্যে তিন–চার ঘণ্টা ব্যবধান থাকতে হবে।
©
মা শাহ আল্লাহ বলে দিবেন সবাই 🥰
আল্লাহুম্মাহ বারিক লাহা ❤️
09/09/2023
আসসালামু আলাইকুম
শুভ সকাল খালামনিরা 😍😍।
সানগ্লাস পরে কেমন লাগছে আমাকে??😎😎
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Telephone
Website
Address
Feni
