First Aid BD
Disease, Health, Treatment and Counseling Centre
সবার জন্য কিছু কথা ゚viralシfypシ゚viralシ Friends - friends
11/10/2025
Office time @
09/04/2025
Health awareness is our goal ゚viralvideo Apu Biswas ICC - International Cricket Council
সৃতিতে কিছু ゚viralvideo Raazi.me Lyzabeth Lopez
01/02/2025
ডায়াবেটিস রুগীর করনীয় ও পরামর্শ
🩺🩺🩺🩺🩺🩺🩺🩺🩺🩺🩺
ডায়াবেটিস রোগীর জন্য প্রয়োজনীয় নিয়মাবলী
ক) সাধারণ নিয়মাবলী
• 🩺🩺🩺তিন বেলার খাবার ৫-৬ বার ভাগ করে খাবেন।
•🩺🩺🩺 মাটির নিচে হয় এমন সব্জি কম খাবেন (কচু, ওল, আলু, মুলা, গাজর, শালগম, ওলকপি, বিটকপি, শাকআলু, মাটিআলু)। মাটির উরের সব সব্জি খাওয়া যাবে।
*🩺🩺🩺🩺 মিষ্টি কুমড়া কম খাবেন।
• 💊💊💊কামড়ে খেতে হয় এমন ফল খাওয়া যাবে (আপেল-নাসপাতি অর্ধেক, বরই ৫-৬ টা ছোট কলা ১টা বড় অর্ধেক, আমড়া, পেয়ারা, কামরাঙ্গা, জলপাই, জামরুল, কাচা শসা ইচ্ছে মতো।
*💊💊💊 চিনি/ গুড় দিয়ে তৈরি মিষ্টি জাতীয় খাবার খাবেন না।
*🫂🫂🫂 চর্বি জাতীয় খাবর (গরু/খাসীর মাংস, চিংড়ি মাছ, মগজ, কলিজা, নারকেল, ডিমের কুসুম) কম খাবেন।
• 🩺🩺🩺প্রতিদিন ৩০ মিনিট মধ্যম গতিতে হাঁটবেন সপ্তাহে ০৫ দিন।
* 💉💉💉প্রতিমাসে অন্তত: ১ বার রক্তের সুগার পরীক্ষা করবেন।
* 💊💊💊সম্ভব হলে বাড়ীতে গ্লুকোমিটার দিয়ে সপ্তাহে অথবা ০১ দিন ০৪ বার (খালি পেটে, নাস্তা, দুপুরের খাবার ও রাতের খাবারের ২ ঘন্টা পরে) রক্তের সুগার পরীক্ষা করে লিখে রাখবেন এবং পরবর্তী ভিজিটে রিপোর্ট নিয়ে দেখা করবেন।
খ) খাবারের উদাহরণ:
১🥬🥖🍒. সকালের নাস্তা (৮.০০-৯.০০ টা)
হাতের বানানো রুটি ২/৩ টা
সব্জি ইচ্ছে মতো
ডিমের সাদা অংশ ১টা
চিনি ছাড়া চা
৩.💥💥💥 দুপুরের খাবার (২.০০-৩.০০ টা)
ভাত (মাঝারী সাইজের) ২/৩ কাপ
সজি ইচ্ছে মতো
ডাল ১ কাপ
মাছ/মাংস ২ টুকরা
৫. ✅✅✅রাতের খাবার (৮.৩০-৯.০০ টা)
হাতে বানানো রুটি ২/৩ টা
• সব্জি ইচ্ছে মতো
4 ডাল ১ কাপ
মাছ/মাংস ২ টুকরা
২. বেলা ১০.০০-১১.০০ টা
১টা রুটি + সব্জি অথবা ১ কাপ মুড়ি অথবা ১ কাপ চিড়া
ভিজানো।
মিষ্টি ছাড়া বিস্কুট ২/৩ টা
সাথে যে কোন ১টি ফল
৪. বিকালের নাস্তা (৫.০০-৬.০০ টা)
মুড়ি ১ কাপ দুধ ১ কাপ (শ্বর ছাড়া) অথবা বিস্কুট চিনি ছাড়া জ্জ টা
ফল ১টা
🩺🩺🩺🩺💉💉💉💉💊💊💊💊
Shakib Khan ゚viralシ Jamal Bhuyan Sanji Da
তোমার এ-তো আয়োজন
মানুষ মানুষের জন্য আজ এ কথার ব্যবহার টা আজ আর নেই বললেই চলে। page DrAhmed Farhan Ghouri
11/10/2024
অ্যালার্জিজনিত সর্দি (Allergic Rhinitis)
রোগের বর্ণনা (Disease Description)
আমাদের শরীর সব সময়ই ক্ষতিকর বস্তুকে (পরজীবী, ছত্রাক, ভাইরাস, এবং ব্যাকটেরিয়া) প্রতিরোধের মাধ্যমে রোগ প্রতিরোধের চেষ্টা করে। এই প্রচেষ্টাকে রোগ প্রতিরোগ প্রক্রিয়া বা ইমিউন বলে। কিন্তু কখনও কখনও আমাদের শরীর সাধারণত ক্ষতিকর নয় এমন অনেক ধরনের বস্তুকেও ক্ষতিকর ভেবে প্রতিরোধের চেষ্টা করে। সাধারণত ক্ষতিকর নয় এমন সব বস্তুর প্রতি শরীরের এ অস্বাভাবিক প্রতিক্রিয়াকে অ্যালার্জি বলা হয়।
কারণ (Causes)
মাইট (যা পুরানো ধুলাবালিতে থাকে) ঘরের ধুলা, ময়লা, ফুলের রেণু, প্রাণীর পশম বা চুল, প্রসাধনী সামগ্রী। যে সব রোগীর বংশানুক্রমিকভাবে অ্যালার্জি হওয়ার প্রবণতা বেশি থাকে তাদের ক্ষেত্রে দেখা যায় কিছু কিছু অ্যালার্জেনের সংস্পর্শে এলে রক্তের আইজিইয়ের (IgE) মাত্রা অনেক বেড়ে যায় এবং শরীরের বিভিন্ন জায়গাতে বিশেষত নাকে অবস্থিত মাস্ট সেল নামক এক ধরনের কোষের সঙ্গে লেগে থাকে। কোনো ভাবে শরীরে আবার এই অ্যালার্জেনের সংস্পর্শে এলে মাস্ট সেলগুলো ভেঙ্গে যায় এবং এর থেকে ভাসো অ্যাকটিভ অ্যামাইন নির্গত হয়। এই রাসায়নিক পদার্থগুলো প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে এবং উপসর্গগুলো ঘটায়।
রোগের প্রকারভেদ (Classification)
অ্যালার্জিক রাইনাইটিস দুই ধরনের:
• সিজনাল অ্যালার্জিক রাইনাইটিস: বছরের একটি নির্দিষ্ট সময়ে অ্যালার্জিক রাইনাইটিস হলে একে সিজনাল অ্যালার্জিক রাইনাইটিস বলা হয়।
• পেরিনিয়াল অ্যালার্জিক রাইনাইটিস: সারা বছর ধরে অ্যালার্জিক রাইনাইটিস হলে একে পেরিনিয়াল অ্যালার্জিক রাইনাইটিস বলা হয়।
রোগের লক্ষণ ও উপসর্গ (Symptom & Sign) সিজনাল অ্যালার্জিক রাইনাইটিস:
• ঘন ঘন হাঁচি।
• নাক দিয়ে পানি পড়া।
• নাসারন্ধ্র বন্ধ হয়ে যাওয়া।
• চোখ দিয়ে পানি পড়া।
• চোখে তীব্র ব্যথা অনুভব করা।
ল্যাবরেটরি পরীক্ষা (Investigation)
রক্ত পরীক্ষা বিশেষত ইয়োসিনোফিলের মাত্রা বেশি আছে কিনা তা দেখা।
• সিরাম আইজিইয়ের মাত্রা: সাধারণত অ্যালার্জি
রোগীদের ক্ষেত্রে আইজিইয়ের মাত্রা বেশি থাকে। • স্কিন প্রিক টেস্ট: এই পরীক্ষায় রোগীর চামড়ার উপর বিভিন্ন অ্যালার্জেন দিয়ে পরীক্ষা করা হয় এবং এই পরীক্ষাতে কোন কোন জিনিসে রোগীর অ্যালার্জি আছে তা ধরা পড়ে।
চিকিৎসা (Treatment)
সমন্বিতভাবে এ রোগের চিকিৎসা হলো:
• অ্যালার্জেন পরিহার: যখন অ্যালার্জির সুনির্দিষ্ট কারণ খুঁজে পাওয়া যায় তখন তা পরিহার করে চললেই সহজ উপায়ে অ্যালার্জি নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
• ওষুধ প্রয়োগ: ওষুধ প্রয়োগ করে সাময়িকভাবে অ্যালার্জির উপশম অনেকটা পাওয়া যায়। এ রোগের
প্রধান ওষুধ হলো অ্যান্টিহিস্টামিন ও নেজাল স্টেরয়েড। অ্যান্টিহিস্টামিন, নেজাল স্টেরয়েড ব্যবহারে রোগের লক্ষণ তাৎক্ষণিকভাবে উপশম হয়। যেহেতু স্টেরয়েডের বহুল পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া তাই এ ওষুধ একনাগাড়ে বেশি দিন ব্যবহার করা যায় না। যতদিন ব্যবহার করা যায় ততদিনই ভাল থাকে এবং ওষুধ বন্ধ করলেই আবার রোগের লক্ষণগুলো দেখা দেয়। Dr Mohammad jamil Uddin
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Telephone
Website
Address
Myone More, Dainkini
Gazipur
KALIAKOIR,GAZIPUR

18/11/2024