Emi's creation

Emi's creation

Share

Assalamu Alaikum, this is Emi.Hope you are all good.welcome to my new page

31/07/2023

ডেঙ্গু জ্বর থেকে প্রতিকার🚫🦟🦟

21/12/2022

Expanded programme on immunization /EPI Schedule
Every one should know this.

11/12/2022

Fish chaps🧆🧆🐟🐟
Made by 🙋‍♀️

10/12/2022

The world was crying with you💔

06/12/2022

মানুষের বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে দৃষ্টিশক্তি যেমন কমতে থাকে, চোখের প্রতি যত্নশীল না হওয়ার কারণেও দৃষ্টিশক্তি কমতে পারে। গবেষণায় দেখা গেছে, বিশ্বের শতকরা ৭৫ ভাগ মানুষ দৃষ্টিশক্তিজনিত কারণে চশমা ব্যবহার করে।
দীর্ঘক্ষণ মোবাইল বা কম্পিউটার স্ক্রিনে চোখ রাখলে দৃষ্টিশক্তি ঝাপসা হয়ে যাওয়াসহ আরও অনেক সমস্যা হয়ে থাকে । কিছু কাজ নিয়মিত করতে পারলে চোখ দুটোকে ভালো রাখা যায় আরও অনেকটা দিন।যেমনঃ
১.চোখের ব্যায়ামঃ

চোখের স্বাস্থ্য ঠিক রাখার জন্য সহজ কিছু ব্যায়াম আছে। এ ব্যায়ামগুলো যে কোন সময়ই করা যায়। সোজা হয়ে বসে ঘড়ির কাঁটার দিকে এবং ঘড়ির কাটার বিপরীত দিকে চোখ ঘুরান। এভাবে ৫-১০ মিনিট করুন এবং তারপর চোখ বন্ধ করে বিশ্রাম নিন।
আরেকটি সহজ ব্যায়াম হচ্ছে, চোখ থেকে ১২ ইঞ্চি দূরে এবং চোখ বরাবর একটি বস্তু রেখে তার দিকে তাকিয়ে থাকুন যতক্ষণ না চোখের পাতা পড়ে। কিছুক্ষণ বিরতি নিয়ে পুনরায় ব্যায়ামটি করুন। দিনে ২-৩ বার এ ব্যায়ামটি করতে পারেন।

২.বিশ্রাম দিনঃ

টিভি দেখা বা কম্পিউটারে কাজ করার সময় বেশ কয়েকবার বিরতি নিন। একাধারে কম্পিউটার স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থাকলে কম্পিউটার ভিসন সিনড্রোম তৈরি হয়। ২ ঘণ্টা পর পর ১০-১৫ মিনিটের বিরতি নিন। চোখের সতেজতার জন্য আপনার ডেস্কে কিছু ফুল রাখতে পারেন। যদি আপনি জানালার পাশে বসেন তাহলে বাইরের দিকে তাকাতে পারেন। এর ফলে চোখের চাপ কমবে এবং চোখ কিছুটা রিলাক্স হতে পারবে।

৩.খাবারঃ
প্রতিদিন ৮-১০ গ্লাস পানি পান করুন।চোখের আদ্রতা ধরে রাখতে ওমেগা থ্রি অয়েল সমৃদ্ধ খাবার যেমন স্যামন,স্যার্ডিনস মাছ,গাজর, বীট, পেঁপে, সবুজ শাকসবজি খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন। লাল রঙের ফল ও সবজিতে ভিটামিন "এ" ও ভিটামিন "ই" থাকে যা চোখের জন্য উপকারী। প্রচুর তাজা ফল ও সবজি খান। এর ফলে শরীর হাইড্রেটেড থাকবে এবং দৃষ্টিশক্তিরও উন্নতি হবে।

৪.সুরক্ষিত রাখুনঃ
বাহিরে যাওয়ার সময় সানগ্লাস পরুন। সুইমিং পুলে সাঁতারের সময় সুইম গিয়ার পরুন যাতে ক্লোরিনযুক্ত জলের সংস্পর্শ থেকে চোখ সুরক্ষিত থাকে।চোখ লাল হওয়া পানি পড়া ময়লা জমা এজাতীয় উপসর্গ দেখা দিলে চোখে লেন্স পড়া থেকে বিরত থাকুন

চোখ অমূল্য সম্পদ। পৃথিবীর সৌন্দর্য দর্শন করতে চোখের বিকল্প নেই। তাই এই ইন্দ্রিয় যত্ন নেওয়া একান্ত প্রয়োজন

04/12/2022

নখ আমাদের হাত পায়ের সৌন্দর্যকে বহুগুন বাড়িয়ে দেয়। আমাদের প্রত্যেকের ই নখের যত্ন নেওয়া উচিত। খুব সহজেই আমরা বাসায় নখের যন্ত নিতে পারি। যেমনঃ
১.একটা কাচের পাত্রে বেশ কিছুটা লেবুর রস করে তার সঙ্গে বেসন মিশিয়ে লেবুর রস আর বেসনের পেস্ট তৈরি করতে হবে, এবং এই পেস্ট নখের ওপর লাগিয়ে রাখতে হবে।

২. শীত হোক বা গ্রীষ্ম, হাত-পা সবসময় পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। রোজ নিয়ম করে লাগাতে হবে ময়েশ্চারাইজার।

৩. দাঁত ব্রাশ করার মতোই ব্রাশ করুন নখ। টুথ ব্রাশে টুথপেস্ট তা দিয়ে ঘষে পরিষ্কার করতে হবে নখ। বেশকিছু দিন এই পদ্ধতি চালিয়ে গেলেই পাওয়া যাবে ঝকঝকে নখ।

৪. নখের সাদা ভাব ধরে রাখতে সবসমইয় নেল পলিশ লাগানোর আগে লাগানো দরকার বেস কোট। এতে নখ ভালো থাকে।

৫. নখ সাদা রাখার জন্য দোকানে কিনতে পাওয়া যায় নেল হোয়াইটনিং পেনসিল। প্রয়োজনে গোটা ম্যানিকিউরের কিট কিনে বাড়িতেই করা যেতে পারে ম্যানিকিউর। এতে নখ শুধু সাদাই হবে না, ভালো থাকবেও।

03/12/2022

আমার ছোট্ট পেজটিতে আমি দৈনন্দিন জীবনের কিছু প্রয়োজনীয় টিপস এ্যান্ড ট্রিকস সেয়ার করবো।
আশা করি আপনাদের ভালো লাগবে।
আর যদি ভালো লাগে তাহলে আমাকে লাইক,ফলো করে পাশে থাকবেন। ধন্যবাদ।🫰🫰

03/12/2022

শীত কালে চুলের যত্নে কিছু কার্যকরী হেয়ার কেয়ার টিপস:
১. চুল সুরক্ষিত রাখুনঃ
সবসময় চেষ্টা করা উচিত চুলকে সূর্যের আলো, রোদ, বৃষ্টি থেকে সুরক্ষিত রাখার। সূর্যের কড়া রোদ, তাপ, ধুলোবালি ইত্যাদি চুলের দুর্দশা ডেকে আনে।
ধীরে ধীরে এরা জমাট বাঁধা শুরু করে চুলের গোড়াতে এবং ফলাফল স্বরূপ শুরু হয় চুল পড়া। তাই এ ঝামেলা গুলো থেকে রেহাই পেতে খোলা আকাশের নিচে রোদ কিংবা বৃষ্টিতে চলাচলের সময় ছাতা অথবা ক্যাপ পড়া উচিত।
এমনকি কাপড় কিংবা ওড়না দিয়ে ঢেকে রাখলেও অনেকাংশেই চুল সুরক্ষিত রাখা সম্ভব।
২. ভেজা চুলকে সাবধানে ট্রিট করুনঃ
ভেজা চুল সবথেকে ভঙ্গুর অবস্থায় থাকে। ভেজা অবস্থায় থাকাকালীন সময়ে চুলের গোড়া থেকে চুল ভেঙে যাওয়া সবচেয়ে সহজ তাই শ্যাম্পু করার সময় চুলে বেশি চাপ প্রয়োগ করা উচিত নয়।
এছাড়াও গোসলের পরপরই চুলে চিরুনি ব্যবহার থেকে বিরত থাকা উচিত
৩. সঠিকভাবে শ্যাম্পু করুনঃ
বাইরে বের হলে চুলে প্রচুর ধুলোবালু আর ময়লা চুলে জমে থাকে। তাই, চুল পরিষ্কারের জন্য চুলের ধরন বুঝে ভালো মানের শ্যাম্পু ও কন্ডিশনার ব্যবহার করুন ।
শ্যাম্পু করার সময় ভালো করে মাসাজ করে শ্যাম্পু করুন। চুলে বেশি ময়লা থাকলে দুইবার শ্যাম্পু করুন।
সপ্তাহে ৩/৪ দিন ভালো শ্যাম্পু দিয়ে চুল পরিষ্কার করুন।
৪. নিয়মিত কন্ডিশনার ব্যবহার করুনঃ
প্রতিদিন গোসল অথবা চুল ধোঁয়ার পর চুলে কন্ডিশনার ব্যবহার করুন। এতে চুল হয় মসৃন ফলে ভেঙে যাওয়ার সম্ভাবনা অনেকাংশেই কমে যায়।
৫. কন্ডিশনার ব্যবহার করুন তবে সঠিকভাবেঃ
চুলের কন্ডিশনার সঠিকভাবে ব্যবহার করা উচিত। কন্ডিশনারের কাজই হলো চুলকে মসৃন রাখা যার মানে হলো চুলের গোড়াতে এর কোনো প্রয়োজনই নেই।
তাই কন্ডিশনার ব্যবহার করার সময় তা প্রয়োগ করা উচিত চুলের গোড়া থেকে অন্তত এক ইঞ্চি দূর থেকে।
এছাড়া অতিরিক্ত পরিমানে কন্ডিশনার ব্যবহার করা থেকেও বিরত থাকা উচিত নাহলে চুল তৈলাক্ত হয়ে যাওয়ার আশংকা থাকে।
৬. একই ধরণের হেয়ার প্রোডাক্ট ব্যবহার করুনঃ
চুলের যত্ন নেওয়ার সময় একই কোম্পানির অনুরূপ উপাদানে তৈরি প্রোডাক্টস ব্যবহার করা উচিত।
এতে কোন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ছাড়াই আপনার চুলের যত্ন নিতে পারবেন।
৭. অতিরিক্ত হিট দেওয়া থেকে বিরত থাকুনঃ
তাপ চুলকে ভেঙে যেতে সহায়তা করে আর তাই চুলে হিট দেওয়া থেকে বিরত থাকাই উত্তম।
অতিরিক্ত হিটের কারণে চুল জ্বলে যেতেও পারে তাই ব্লোয়ার, আয়রন অথবা চুল স্ট্রেটনার যদি ব্যবহার করতেই হয় তাহলে সাবধানতার সাথে তা করা উচিত।
৮. তোয়ালে ব্যবহার করুন আলতোভাবেঃ
অনেকেই চুলকে মোছার সময় খুব চাপ প্রয়োগ করে চুল মুছে থাকে। এতে বারবার ঘর্ষণের ফলে চুল তার সুস্থতা হারিয়ে ফেলে গোড়া থেকে ভেঙে যাওয়ার আশংকায় থাকে।
তাই চুল মোছার সময় যতটা সম্ভব আলতোভাবে তোয়ালে ব্যবহার করা উচিত।
৯. আঁটসাঁট বেণী নয়ঃ
ঘুমানোর আগে শক্ত করে বেণী না করাই ভালো। এতে চুল একসাথে থাকবে কিন্তু টানটানে থাকবেনা ফলে ভেঙে যাওয়ার সুযোগ কম।
১০. ভালো বালিশের কভার ব্যবহার করুনঃ
কটন এর কাপড় রুক্ষ হয় যা থেকে তৈরী বালিশের কভারে ঘুমালে চুল ভেঙে যাওয়া একটি দৈনন্দিন ঘটনা হয়ে যেতেপারে।
তাই তা পরিহার করে পাতলা কাপড়ের কভার ব্যবহার করা উচিত।
১১. তেল দিন নিয়মিতঃ
চুলে নিয়মিত তেল ব্যবহারে শক্ত হয় চুলের গোড়া তবে তা যেন আবার অতিরিক্ত না হয়ে যায়। অতিরিক্ত তেল ব্যবহার করলে তা মুছে ফেলতে ব্যবহার করতে হবে অতিরিক্ত শ্যাম্পু যা চুলের জন্য ভালো নয়।
১২. হট অয়েল মাসাজঃ
চুলের পরিপূর্ণ পুষ্টি যোগাতে অয়েল মাসাজের বিকল্প নেই। আজকাল কোকোনাট অয়েল ছাড়াও বাজারে আমলা অয়েল, আমন্ড অয়েল, অলিভ অয়েল, ক্যাস্টর অয়েল ইত্যাদি কিনতে পাওয়া যায়।
চাইলে এগুলো একসাথে মিক্স করেও চুলে লাগাতে পারেন।
১৩. চুলে টিজিং পরিহার করুনঃ
টিজিং করে চুলের আয়তন বৃদ্ধি করা গেলেও তা চুলের জন্য ভালো নয়। তাই তা পরিহার করাই উচিত।
১৪. ঠান্ডা পানি দিয়ে চুল পরিষ্কার করুনঃ
গরম পানির ব্যবহার চুলের জন্য ক্ষতিকর, তাই চুল পরিষ্কারের জন্য সবসময় ঠান্ডা পানি ব্যবহার করুন।
শীতকালে অনেকে চুলে গরম পানি ব্যবহার করে থাকে, এটি হেয়ার ড্যামেজের আশঙ্কা বাড়িয়ে দেয়।
১৫. চুল নিয়মিত ব্রাশ করুনঃ
চুল নিয়মিত ব্রাশ করা প্রয়োজন। এতে রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি করে চুলের বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।
নিয়ম করে দিনে ২-৩ বার হেয়ার ব্রাশ করা চুলের জন্য উপকারী, রাতে ঘুমানোর আগে চুল ব্রাশ করুন।
১৬. চুলে হেয়ার প্যাক ব্যবহার করুনঃ
চুল ভালো রাখার জন্য ধরন বুঝে হেয়ার প্যাক ব্যবহার করুন। চুল শুষ্ক বা মিশ্র হলে ১০ থেকে ১৫ দিন পরপর, আর তৈলাক্ত হলে ১৫ দিন পরপর চুলে প্যাক লাগান।ঘরে তৈরী প্যাক চুলের সুরক্ষায় বেশি কার্যকরী ।
১৭. অতিরিক্ত হেয়ার প্রোডাক্ট নয়ঃ
চুলে অতিরিক্ত হেয়ার প্রোডাক্ট কখনই ব্যবহার করা উচিত নয়। এতে চুলের বৃদ্ধি এবং সৌন্দর্য ব্যাহত হয়।
১৮. স্বাস্থ্যকর খাবারঃ
আপনার স্বাস্থ্য আপনার চুলে প্রতিফলিত হয়। আপনি স্বাস্থ্যকর থাকলে, ভাল থাকবে চুল। তাই সুন্দর চুল রাখতেস্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া আবশ্যক।
আর তাই আপনার চুলের বৃদ্ধি এবং স্বাস্থ্যের জন্য ভিটামিন, লোহা এবং প্রোটিন এর মত পুষ্টিকর খাবার নিয়মিত গ্রহণ করুন।
বেশি বেশি প্রোটিন জাতীয় শাক-সবজি চুল ভালো রাখতে সহায়তা করে, এছাড়াও প্রচুর পরিমাণে পানি পান করুন।
সুন্দর চুলের জন্য যে খুব ব্যয়বহুল লাইফস্টাইল অথবা প্রোডাক্টস ব্যবহার করতে হয় এমনটা কখনই নয়। শুধু প্রয়োজন নিয়মিত পরিচর্যা আর প্রয়োজন সঠিক পুষ্টির।

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Gazipur?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Telephone

Website

Address


Gazipur