IQRA
Shahajada Md. Mahfuzur Rahman
14/03/2023
"তোমার মধ্যে প্রভু বাস করে বলেই তোমার এত
সম্মান, আজ তিনি চলে গেলে তোমার চাঁর পয়সার
ও মূল্য নেই"
"মান আরাফা নাফসাহু ফাক্বাদ আরাফা রাব্বাহু"
এ দিকে খেয়াল করে বলা হয়েছে কারণ মানুষ যখন নফসের পায়রবী করে তখনই সে অন্য পথে অর্থাৎ হারাম পথে চলে গেল।
বর্তমান প্রচলিত তাবলীগ ও টঙ্গী ইজতেমা নিয়ে কিছু কথা।
-------
ঘটনা:-০১
ছোট বেলা থেকে দেখেছি। নিজের চোখে বেশ কয়েকটি পরিবারের দুর্দশা দেখেছি। দুর্দশা এই কারণে ছিল যে, বাড়ীর কর্তা প্রচলিত তাবলীগে ৬ মাস এক বছরের চিল্লা দিতে গিয়েছে। এদিকে বাড়ীতে স্ত্রী, সন্তান, মা-বাবার চলার মত টাকা দিয়ে যায় নি।
কোন ভাবে তার সাথে যোগাযোগ করা হলেও সে, বলেছে যে, আল্লাহ তায়ালা দেখবেন। তার আমীর বলেছে যে, হযরত ইবরাহীম আলাইহিস সালাম তার পরিবার রেখে গেছেন খোলা প্রান্তরে তাবলীগের জন্য। সুতরাং আপনাদেরও আল্লাহ তায়ালা দেখবেন।
সমস্যা:-০১
এখানে দুটি বিষয় জড়িত। একটি হচ্ছে ঈমানের আরেকটি হচ্ছে বান্দার হক্ব এর।
মহান আল্লাহ তায়ালা বান্দার হক্ব নষ্ট করলে কখনো ক্ষমা করেন না। যতক্ষণ না পর্যন্ত ওই বান্দা ক্ষমা করে।
দ্বিতীয়ত: এখানে ইবরাহীম আলাইহিস সালামের যে দলীল দেয়া হচ্ছে, এটা ছিল হযরত ইবরাহীম আলাইহিস সালাম এর জন্য খাস। তাকে আল্লাহ তায়ালা সরাসরি নির্দেশ দিয়েছেন। এছাড়া এই আয়াত উম্মতে মুহাম্মাদীর জন্য নির্দেশ স্বরূপ আসেনি।
তাই এই আয়াতকে সামনে রেখে বান্দার হক্ব নষ্ট করা কোন ভাবেই শরীয়ত সম্মত নয়। বরঞ্চ আয়াতের অপব্যখ্যার কারণে তা কুফুরীর দিকে নিয়ে যেতে পারে।
সমস্যা:-০২
প্রচলিত নিয়মে তাবলীগ ও ইজতিমা সাহাবী, তাবেয়ী, তাবে-তাবেয়ীদের যুগে ছিল না। যার দরূন দেওবন্দীদের উসূল অনুযায়ী এই তাবলীগ ও ইজতিমা নিকৃষ্ট বিদআত। আর প্রত্যেক বিদআতই জাহান্নামী।
যার জন্য দেওবন্দীদের উচিত নিজেদের উসূল ঠিক করা এবং উসূল উপরে বহাল থাকতে চাইলে সর্বদা এটার প্রয়োগ যথাযথ ভাবে করা।
সমস্যা:-০৩
তাবলীগে এবং চিল্লায় আল্লাহর রাস্তায় বের হওয়ার জন্য তারা যে সকল দলীল উপস্থাপন করে। তার অধিকাংশ দলীল ই জিহাদের দলীল।
জিহাদ হচ্ছে ইসলামের ফরজ একটি বিধান। এই বিধানের আয়াতের অপব্যাখ্যার মাধ্যমে মানুষকে বিদআতের দিকে ধাবিত করা চরম আকারে ভ্রষ্টটা। যা মানুষের ঈমান বিনষ্ট করতে পারে যেকোন মূহুর্তে।
যার জন্য এসব অপব্যাখ্যা থেকে সরে না আসা পর্যন্ত প্রচলিত তাবলীগে যাওয়া কোনভাবেই সম্ভব নয়। কুরআনের আয়াতের অপব্যাখ্যা একজন মানুষকে সরাসরি কুফুরীর দিকে নিমজ্জিত করে।
সমস্যা:-০৪
দেওবন্দ ও কওমীদের রেজাউল করীম আবরার (তবে বর্তমানে বাংলাদেশের সকল স্তরের কওমী আলেমগণ) বলে থাকে যে,
ইবাদতের মধ্যে নতুন কিছু সংযোজন করাই হচ্ছে বিদআত। তারা আরো বলে যে, ওই কাজটি যদি সওয়াবের নিয়তে করা হয়। তাহলে তা নিকৃষ্ট বিদআত।
বর্তমানে যারা তাবলীগ ও ইজতেমায় যায়। তারা এটাকে ইবাদত মনে করেই যায়। বরঞ্চ বেশ কয়েক জায়গায় ব্যানারে দেখলাম ”মক্কা নগরী ২”। এমনকি এখানে গেলে নাকি এক রাকাআতে ৪৯ কোটি রাকাআতের সওয়াব। যা তাদের দাওয়াতে তাবলীগ কিতাবের মধ্যে রয়েছে।
সুতরাং একথা স্পষ্টভাবেই বলা যায় যে, ইবাদতের নতুন এই পদ্ধতি বা ১৫০ বছর আগে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। তা তারা সওয়াবের নিয়তে করে থাকে।
যা স্পষ্ট বিদআত বরং তাদের সংজ্ঞা অনুযায়ী নিকৃষ্ট বিদআত।
সমস্যা:-০৫
দেওবন্দীগন এবং তাদের মান্যবর রেজাউল করীম আবরার সহ তারা একটি উসূল বলে যে, আসলুল ইবাদাতি আত-তাওকীফ।
এই উসূল তারা শুধুই মিলাদুন্নাবীর ক্ষেত্রে প্রয়োগ করে। অথচ একই উসূলে তাদের তাবলীগ এবং ইজতিমা নিকৃষ্ট বিদআত। যা তারা জেনে বুঝেই করে যাচ্ছে। হায় আফসোস এই জাতি এবং জাতির মূর্খ আলেমদের জন্য।
সমস্যা-০৬
গ্রাম গঞ্জের অনেক অনেক মুরুব্বী এবং তরুনদের বলতে শুনেছি যে, ইজতিমা হচ্ছে বাংলাদেশের গরীবদের হজ্জ।
যেটা নাকি তাদের আমীর সাহেব এবং মসজিদের তাবলীগী ইমাম সাহেব বলেছে। এমনকি এটাও শুনেছি বেশ কয়েকজন মুরুব্বীর থেকে যে, হজ্জ না করতে পারলেও েএকবার ইজমায় গেছিলাম। আল্লাহ এটাকেই হজ্জ হিসেবে কবুল করবেন ইনশাআল্লাহ।
আসতাগফিরুল্লাহ। এসব ফিৎনা চরম আকারে ধারণ করেছে। অথচ এগুলো নিয়ে বলার কেউ নেই।
এসকল ফিৎনাবাজ, গোমড়াহী দেওবন্দী এবং কওমী আলেমরা শুধু মিলাদ কিয়ামের বিরোধীতা নিয়েই ব্যাস্ত। অথচ মিলাদ কিয়ামকে আমরা মুস্তাহাব বলি। (যদিও সলাত সালাম হিসেবে আমরা ফরজ জানি-)
কিন্তু তারাই ইজতিমাকে হজ্জ হিসেবে পরিচয় করিয়ে দিচ্ছে, কুরআনের আয়াতের অপব্যাখ্যার মাধ্যমে মানুষকে নব আবিস্কৃত প্রচলিত বিদআতী তাবলীগের দিকে ধাবিত করছে। সেই দিকে এসব নষ্টভ্রষ্ট চাটুকার আলেমদের কোন ভ্রুক্ষেপও নেই। আফসোস।
আল্লাহ আমাদের নব্য নিকৃষ্ট বিদআতী ফিৎনা থেক হেফাজত করুন৷আমিন৷
12/12/2022
# # #ঈমান রক্ষা করার দায়িত্ব নিজের # # # একদিন কৌতুহলবশতঃ
একজন মৌলভীকে জিজ্ঞাসা করলাম
" হুজুর " জান্নাতে কে যাবে? "
হুজুর বললেন ----"একমাত্র মুসলমানরাই জান্নাত যাবে !
তাহলে হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান কই যাবে ?
হুজুর পুলকিত হাসি দিয়ে বললেন " সব শালারা দোজখে যাবে "
হুজুরকে কইলাম, কোন মুসলমান বেহেস্ত যাবে শিয়া না সুন্নী?"
হুজুর কহিল বেশক সুন্নী বেহেস্ত যাবে !
আচ্ছা হুজুর সুন্নী তো দুই রকমের, মুকল্লিদ আর গের-মুকল্লিদ ?
তাহলে কোন দল বেহেস্তে যাবে ?
হুজুর কহিল অবশ্যই "মুকল্লিদ"
হুজুরকে কহিলাম মুকল্লিদের তো চার ভাগ। ওদের মধ্যে কে জান্নাতে যাবে?
হুজুর কহিল হানাফি যাবে জান্নাতে, আরকিছু?"
না হুজুর মানে হানফি র তো দুটো ভাগ- দেউবন্দী আর বেরেলবী? কৌতুহল ছিল তাই বললাম !
হুজুর বলল - দেউবন্দী যাবে জান্নাতে"।
ধন্যবাদ হুজুর কিন্তু দেউবন্দী র দুটো ভাগ- হায়াতি আর মমাতি। তো এদের মধ্যে কোন দেববন্দী যদি তা যদি একটু খুলে বলেন?
এরপর হুজুর আমার দিকে বড় করে তাকালেন, আমিও ভয়ে আর প্রশ্ন করিনাই।
মনে মনে ভাবছি, আমাদের মুসলিমদের মধ্যে এতো ফ্যারকা কেন ?????সংগৃহিত-
বিসমিল্লাহ কি?
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম এর মধ্যে ১৯ টি হরফ আছে
অন্যদিকে পাকপান্জাতনের নাম লিখতেও
১৯ টি হরফ লাগে
যেমন
মুহাম্মাদ ৪ হরফ / আলী ৩ হরফ
ফাতিমা ৫ হরফ/ হাসান ৩ হরফ
হুসাইন ৪ হরফ
মোট ৪+৩+৫+৩+৪= ১৯ হরফ
এইদিকে হিসাব করলে
কুরআন শরীফের শুরুতেই পাকপান্জাতন
এছারাও রয়েছে বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম এর ( বা ) হরফের মধ্যে মাওলা আলী আঃ শান
যেমন বর্ণিত আছে
হযরত ইবনে আব্বাস রাঃ বলেন যে
একরাতে হযরত আলী আঃ
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম এর ( বা )
অহ্মরের ব্যাখ্যা করতে লাগলেন
সমস্ত রাত কেটে সকাল হয়ে গেলো
কিন্তু তাফসীর শেস হলো না
তখন আমার বোধ জাগলো যে
আমি এক সুমুদ্রের পাশে একটি ডোবা মাত্র
হযরত আলী আঃ বলেছেন হে
ইবনে আব্বাস রাঃ
সকল আসমানী কিতাবের রহস্য একমাত্র
কুরআন মাজীদে আছে এবং সমগ্র কুরআন
মাজীদে যা আছে তা একমাত্র সুরা ফাতিহা
তে ই আছে
সুরা ফাতিহায় যা আছে তা বিসমিল্লাহ্ এর মধ্যে আছে
আর বিসমিল্লাহ তে যে ( বা ) অহ্মর আছে
তার নিচে একটা নুক্তা ( বিন্দু ) আছে
আমি আলী সেই নুক্তা
কুরআনের গভীরতম গ্যান হাসিল করতে হলে পাকপান্জাতন ছারা কোন উপায় নাই
ইবনে সাদ বর্ণনা করেন
আলী আঃ বলেছেন খোদার কসম
এমন কোন আয়াত নাই যে আমি জানিনা
কোন টা কার জন্য নাজিল হয়েছে
কোথায় নাজিল হয়েছে
আল্লাহ্ নিঃসন্দেহে আমাকে বোঝার মতো
অন্তর ও বলার মতো শক্তি দিয়েছেন
সাওয়ায়েকে মুহরিকা ১২৫ পৃষ্ঠা
পাকপান্জাতন অর্থাৎ পবিত্র পাঁজনের কারনে তরিকতের সাধনায় পাঁচের
একটি মর্তবা রয়েছে কেননা
ইসলামের ভিত্তি পাঁচটি যথাঃ
কালিমা নামাজ রোজা যাকাত ও হজ্জ
কালিমা পাঁচটি যথাঃ
কালিমা তাইয়্যেবাহ / কালিমা শাহাদাত
কালিমা তাওহীদ / কালিমা তামজীদ এবং
কালিমা রদ্দে কুফর
খোদা অন্বেষণকারী পথ পাঁচটি যথাঃ
শরিয়ত / তরিকত / হাকিকত
মারেফত / অহেদানিয়াত
ওজুদ পাঁচটি যথাঃ
ওয়াজেবল ওজুদ / ওহেদাল ওজুদ
মোমকেনাল ওজুদ / মোততেনাল ওজুদ
এবং আরেফেল ওজুদ
মোকাম পাঁচটি যথাঃ
ওরাউল ওরা / আউআদনা /
কাবা কাউসাইন / মাহমুদা এবং
সুলাতানান নাসীরা
মক্কেল পাঁচজন যথাঃ
আজরাইল / মিকাইল / জিব্রাইল
ইস্রাফিল / এবং আজাজিল
জাত পাঁচটি যথাঃ
ছাপা ( নুর ) / আব ( পানি ) /
আতশ ( আগুন ) / খাক ( মাটি )
এবং বাদ ( বাতাস )
আত্বদর্শনে সূফীবাদ (কপি)
04/12/2022
আমি এক জনকে ভাল বানাতে চেয়েছিলাম ,পরিনামে আমিই দুষি '
কয়কি আর করছে কি ?
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Telephone
Website
Address
Kashimpur
Gazipur
