I'm JoY
Digital Creator
Nondini's Capturing moments of Odhibas Day❤️
09/09/2025
পুরুষ মানুষ অনেকটা খেজুর গাছের মতো — আদর পায় না, যত্ন পায় না, কেউ জল দেয় না, সার দেয় না, গোড়ায় মাটি দেয় না। সে নিজের পায়ের তলার মাটি নিজেই শক্ত করে অযত্নে অবহেলায় বেড়ে ওঠে।
বেড়ে ওঠার পর তার কাছে প্রত্যাশা অনেক। তার ফল খুব মিষ্টি, তার রসের জন্য হাহাকার! তার রস থেকে তৈরি গুড় অনেক বেশি উপকারি আর সুস্বাদু। রসের জন্য তাকে বছরের পর বছর ক্ষতবিক্ষত করা হয়। যতদিন বেঁচে থাকে তাকে কাটা হয়, তার রস এক ফোঁটা এক ফোঁটা করে নিংড়ে নেওয়া হয়। রস নেওয়া শেষ হলে তার আর কোনো কদর থাকে না, একাকী পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে থাকে!
জীবন শেষ করার পর জ্বালানী কাঠ হিসেবে তাকে কাজে লাগানো হয়, দাউ দাউ আগুনে সে জ্বলেপুড়ে ছারখার হয়ে যায়।
কিন্তু খেজুর গাছ কোনো অভিযোগ করে না, প্রতিবাদ করে না, বিনিময়ে ভালোবাসা চায় না, কোনো কিছু প্রত্যাশাও করে না — শুধু ফল দিয়ে যায়, রস দিয়ে যায় আর মাথা নিচু করে সবার প্রয়োজন মিটিয়ে যায়।
খেজুর গাছসম পুরুষদেরকে স্যালুট জানাই। সবাই ভালো থাকুক, সুস্থ থাকুক, অন্তত তাদের পরিবারের জন্য হলেও।
08/08/2025
স্বামীকে খুব তাড়াতাড়ি বশে আনার উপায়-
১.স্বামী যখন...see more
08/07/2025
নিজের মনস্তাত্ত্বিক সত্বাকে জাগিয়ে তুলতে অসাধারণ ফিল্মগুলো দেখা প্রয়োজন 🎬🎥
05/07/2025
◼️রান্নার কাজে এখন নন-স্টিক প্যান বেশ জনপ্রিয়।
নন-স্টিক বাসন ব্যবহারের কিছু ক্ষতিকর দিক রয়েছে, যা মূলত এর প্রলেপ এবং অতিরিক্ত তাপে এর প্রতিক্রিয়া থেকে আসে। এই প্রলেপটি উচ্চতাপে বা স্ক্র্যাচ পড়লে ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থ নিঃসরণ করতে পারে, যা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।
নন-স্টিক প্যানের ক্ষতিকর দিকগুলো হলো:
🔸বিষাক্ত ধোঁয়া:
অতিরিক্ত তাপে বা স্ক্র্যাচ পড়লে নন-স্টিক প্যানের টেফলন প্রলেপ থেকে বিষাক্ত গ্যাস বের হতে পারে, যা শ্বাসকষ্ট, মাথা ঘোরা, বমি বমি ভাব বা ফ্লুর মতো উপসর্গ সৃষ্টি করতে পারে।
🔸রাসায়নিক পদার্থের সংস্পর্শ:
নন-স্টিক প্যানে ব্যবহৃত টেফলন (PTFE) একটি সিন্থেটিক রাসায়নিক যা সহজে ক্ষয় হয় না এবং মানবদেহ ও পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর।
🔸খাবারে মিশে যাওয়া:
প্যানের প্রলেপ ক্ষতিগ্রস্ত হলে বা উঠলে, তা খাবারের সাথে মিশে যেতে পারে এবং দীর্ঘমেয়াদে স্বাস্থ্যের ক্ষতি করতে পারে।
🔸হরমোনজনিত সমস্যা:
কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, নন-স্টিক প্যানের রাসায়নিক উপাদান শরীরে হরমোনের ভারসাম্যহীনতা তৈরি করতে পারে।
🔸অন্যান্য স্বাস্থ্য সমস্যা:
কিছু ক্ষেত্রে, নন-স্টিক প্যানের কারণে লিভার ও কিডনির ক্ষতি, এমনকি ক্যানসারের ঝুঁকিও বাড়তে পারে।
🔸পোষা পাখির জন্য ক্ষতিকর:
নন-স্টিক প্যান থেকে বের হওয়া বিষাক্ত ধোঁয়া পোষা পাখির জন্য বিশেষভাবে ক্ষতিকর হতে পারে।
বিকল্প হিসাবে স্টেইনলেস স্টিলের পাত্র ব্যবহার করতে পারেন।
◼️স্টেইনলেস স্টিলের পাত্র ব্যবহারের বেশ কিছু সুবিধা রয়েছে। এটি টেকসই, ক্ষয়-রোধী, এবং পরিষ্কার করা সহজ। এছাড়াও, এটি স্বাস্থ্যকর এবং রান্নার জন্য নিরাপদ।
স্টেইনলেস স্টিলের পাত্র ব্যবহারের কিছু সুবিধা নিচে উল্লেখ করা হলো।
🔹টেকসই এবং মজবুত:
স্টেইনলেস স্টিল একটি শক্তিশালী উপাদান, যা সহজে ভাঙ্গে না বা বেঁকে যায় না।
🔹ক্ষয়-রোধী:
স্টেইনলেস স্টিল সহজে মরিচা পড়ে না, তাই এটি দীর্ঘস্থায়ী হয়।
🔹অ-প্রতিক্রিয়াশীল:
এটি অ্যাসিডিক বা ক্ষারীয় খাবারের সাথে বিক্রিয়া করে না, তাই রান্নার জন্য নিরাপদ।
পরিষ্কার করা সহজ:
স্টেইনলেস স্টিলের পাত্রের মসৃণ তল সহজেই পরিষ্কার করা যায়।
🔹স্বাস্থ্যকর:
এটি ব্যাকটেরিয়া জন্মাতে দেয় না, তাই স্বাস্থ্যকর।
তাপের সুষম বিতরণ:
এটি তাপ ভালোভাবে ধরে রাখে এবং খাবার সমানভাবে রান্না করে।
🔹বহুমুখী ব্যবহার:
এটি রান্না, পরিবেশন এবং খাবার সংরক্ষণে ব্যবহার করা যেতে পারে।
🔹নান্দনিক ডিজাইন:
স্টেইনলেস স্টিলের পাত্র দেখতে আকর্ষণীয় এবং আধুনিক।
পোস্টটি শেয়ার করে দিতে পারেন যাতে অন্যরাও জানতে পারে।
07/06/2025
Best movie in 2025 ever ❤️🎬
Must watch this Film 🎥
06/06/2025
🎬 Tourist Family (2025) — ভিনদেশে গড়ে ওঠা এক অনাত্মীয় ভালবাসার গল্প।
চেন্নাইয়ে পাড়ি জমানো এক শ্রীলঙ্কান তামিল পরিবারের ছোট ছোট মুহূর্তগুলো মিলে তৈরি হয়েছে এক বিশাল আবেগের সমুদ্র।
পরিচালক অভিষান জীবিন্থ প্রথম সিনেমাতেই বুঝিয়ে দিলেন, গল্প বলার জন্য প্রচার নয়, দরকার হৃদয়ের সুনিপুণ ছোঁয়া।
সাসিকুমার-সিমরনের অভিনয় যেন বাস্তব জীবনের আয়না।
শান্ত, ধীরে জ্বলতে থাকা আবেগ।
ভয়, আশা, আত্মপরিচয় আর নিঃশব্দে বলা অনেক কথা।
🎼 শন রোল্ডানের ব্যাকগ্রাউন্ড স্কোর—মন গলিয়ে দেওয়া একেকটা স্পর্শ।
এটা কোনো সাধারণ সিনেমা না, এটা ভাঙা মানুষদের জোড়া লাগার নিরব আকুতি।
মানবিক গল্প পছন্দ করেন? তাহলে Tourist Family মিস করলে পস্তাবেন
04/06/2025
WHEN LIFE GIVES YOU TANGERINE (Korean Drama) সিরিজটা দেখা আমার সিনেমা সিরিজ দেখার জীবনে সব চাইতে কঠিন ছিলো । আমি মানসিকভাবে খুব দুর্বল একজন মানুষ । বিশেষ করে মানসিকভাবে ভেঙে পড়ছি গত কয়েকবছরে- নিজ মা বাবার বার্ধক্য, নানা পারিবারিক দায়িত্ব এবং পরিবারের বড় সন্তান হওয়ায় নিজ মনে অনেক কিছু চলতে থাকে প্রতিনিয়ত। সিরিজটা দেখতে গিয়ে আমার মনের বাঁধ ভেঙ্গে গেছে- বিশেষ করে শেষের দুটো এপিসোড অনেকটা ভয়ে আমি দেখছিলাম না । জীবনে যে সময়টায় মেয়েরা ভয়ংকর সব ভুল করে বসে, সৌভাগ্যবশত সে বয়সে প্রেম করেছি এমন মানুষের সাথে যে আমাকে দুনিয়াটা পায়ের কাছে এনে দেওয়ার মন রাখে। প্রেমিক থেকে সংসারী স্বামী হওয়ার মুহূর্তগুলো যেন সিরিজটা দেখার সময় আবারও চোখের সামনে ভেসে উঠলো । সিরিজটা প্রতি পদে আমাকে ভয়ঙ্করভাবে আকড়ে ধরেছে ।
সত্য বলতে এতোটা মানসিক শক্তি আমার নাই । এ সিরিজ দেখতে গিয়ে আমি রীতিমত মন ভাং/ চুর করে কেঁদেছি । সিরিজের কোন দৃশ্য ফেলে কোনটার কথা বলবো- সারমর্ম কি দেবো আমার জানা নাই। এই প্রথম আমি কাহিনি সংক্ষেপ- কার অভিনয় কেমন - কোন চরিত্র প্রয়োজন - কোন দৃশ্য অন্য রকম হলে মন ভরতো, এসব লিখবো না । এতো সুন্দর গল্প , এমন নিখুঁত অভিনয়, এমন হৃদয় ছোঁয়া প্রতিটা মুহূর্ত কোনো দিন আর আসবে না। কারোর পক্ষে সম্ভব না এমন অনুভূতি দর্শকদের উপহার দেওয়ার ।
আমার কাছে এ গল্পের সারমর্ম একটা দৃশ্যতেই- There was a girl in the boy’s life. All his life, the boy kept the girl’s world safe 🍀
© Aurin Hossain
03/06/2025
ছয়টা জিনিস যদি মেনে চলতে পারেন, মেন্টাল পিস আর ম্যাচুরিটি দুটোই বাড়বে। "6 Laws of Maturity"
1. সবকিছু সবাইরে বলবেন না।
আপনার গল্প সবার শুনতে ইচ্ছা করে না। এমনকি অনেকেই চায় আপনি ব্যর্থ হোন। তাই নিজেকে ফিল্টার করতে শিখেন।
2. বন্ধু ঠিকভাবে বাছাই করুন।
ভাল মানুষের সঙ্গে থাকলে নিজের মানসিকতা আপনা থেকেই উন্নতি হয়। বন্ধুরা আপনার ভবিষ্যৎ গড়ে, তাই বুদ্ধি খাটান।
3. কিছু আশা করবেন না, কিন্তু সবকিছুতে কৃতজ্ঞ থাকুন।
ছোট জিনিসগুলার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে শিখেন। এতে আপনি একধরনের শান্তি পাবেন, যা অন্য কিছুতে সম্ভব না।
4. সেরা চেষ্টা করুন, আর প্রসেসে বিশ্বাস রাখুন।
পরিশ্রম করলে ভাগ্য ভালো হবেই। যে কাজ করছেন, সেটা মন দিয়ে করেন। ফল আসবেই।
5. নিজেকে কন্ট্রোল করুন, অন্যকে নয়।
আপনি অন্যকে কন্ট্রোল করতে পারবেন না, কিন্তু নিজের ইমোশন আর আচরণ কন্ট্রোল করাটা সত্যিকারের শক্তি।
6. রিয়্যাক্ট কম করেন।
আপনার রিয়্যাকশন যদি কেউ কন্ট্রোল করতে না পারে, তখন কেউ আপনাকে ম্যানিপুলেটও করতে পারবে না।
23/05/2025
স্বাবলম্বী হওয়ার স্বপ্ন যাদের, তাদের প্রথম বিনিয়োগ হওয়া উচিত একটি কম্পিউটার বা ল্যাপটপে। এটি শুধু একটি যন্ত্র নয়, বরং এটি একটি দিগন্ত, একটি সম্ভাবনা, একটি জীবন বদলে দেওয়ার হাতিয়ার। আগেকার দিনে নারীর স্বাবলম্বীতার প্রতীক ছিল একটি সেলাই মেশিন। আজকের দিনে তার জায়গা নিয়েছে ল্যাপটপ। কারণ তুমি যদি ল্যাপটপ ব্যবহার করতে পারো, তাহলে তুমি ঘরে বসেই বিশ্বজুড়ে কাজ করতে পারো। অনলাইনে নিজের পরিচয় তৈরি করতে পারো। এমনকি নিজের ছোট্ট একটি বিজনেসও শুরু করতে পারো, কোনো অফিস ছাড়াই।
অনেকেই ভাবেন, ল্যাপটপ কিনে কী করবো? কাজ তো জানি না! আসলে শেখার শুরু এখান থেকেই। ল্যাপটপ হাতে থাকলে তুমি নিজেই নিজের শিক্ষক হতে পারো। তোমার দরকার শুধু ইন্টারনেট আর কিছুটা ইচ্ছাশক্তি। এরপর তুমি চাইলে কিছু স্কিল ডেভেলপ করে নিতে পারো, যেগুলো বর্তমান সময়ে সবচেয়ে চাহিদাসম্পন্ন এবং ইনকাম-জনিত।
প্রথমেই তুমি শিখতে পারো ডিজিটাল মার্কেটিং। ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, ইউটিউব এসবের বিজ্ঞাপন, পেজ ম্যানেজমেন্ট, কনটেন্ট প্ল্যানিং এখন সবচেয়ে জনপ্রিয় কাজগুলোর একটি। এর মাধ্যমে তুমি অন্যের পণ্য বা নিজের পণ্য অনলাইনে বিক্রি করতে পারো। এরপর আসতে পারে গ্রাফিক ডিজাইন। তুমি যদি কিছুটা ক্রিয়েটিভ হও, তাহলে গ্রাফিক ডিজাইন শেখা খুব কঠিন কিছু নয়। লোগো, ব্যানার, সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট ডিজাইন করে অনলাইন মার্কেটপ্লেসে ভালো আয় করা যায়।
যারা লিখতে ভালোবাসো, তাদের জন্য কনটেন্ট রাইটিং বা কপি রাইটিং হতে পারে চমৎকার একটা পথ। বাংলা বা ইংরেজি যেকোনো ভাষায় লিখে তুমি অনলাইনে চাকরি পেতে পারো বা ফ্রিল্যান্সিং করতে পারো। আর তুমি যদি ওয়েবসাইটে আগ্রহী হও, তাহলে ওয়েব ডিজাইন বা ওয়ার্ডপ্রেস শেখা খুবই কার্যকর। নিজের একটি ওয়েবসাইট বানাতে পারবে, চাইলে অন্যদেরও ওয়েবসাইট বানিয়ে দিতে পারবে।
এছাড়াও ভিডিও এডিটিং ও অ্যানিমেশন এখন ইউটিউবারদের যুগে ভীষণভাবে দরকারি। তুমি চাইলে ইউটিউবারদের ভিডিও এডিট করে দিও, অথবা নিজেই ভিডিও বানাও। ভয়েস ওভার বা অনলাইন প্রেজেন্টেশন স্কিল এর মাধ্যমে অনলাইন কোর্স বানানো বা বিজ্ঞাপনের জন্য কাজ করা যায়।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ একটি স্কিল হলো ভাষা। যদি তুমি ইংরেজি বা আরবি ভাষা শিখে ফেলো, তাহলে দেশের বাইরের ক্লায়েন্টদের সঙ্গে কাজ করতে পারো, এমনকি বিদেশি কোম্পানিতেও চাকরি পেতে পারো অনলাইনে।
তোমার চারপাশে অনেকেই তোমাকে থামিয়ে দিতে চাইবে। বলবে “মেয়েরা এসব করে কী হবে?” কিন্তু মনে রেখো, কোনো স্বপ্নই ছোট নয়। তুমি যদি নিজে বিশ্বাস করো যে তুমি পারবে, তাহলে তুমি অবশ্যই পারবে। তাই আজ থেকে শুরু করো। নিজের জন্য একটি ল্যাপটপ কিনো, শেখো, এবং নিজের একটি পরিচয় তৈরি করো। তুমি শুধু নিজের জীবন বদলাবে না, তোমার পরিবারের, এমনকি সমাজের দৃষ্টিভঙ্গিও বদলে দেবে।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Gazipur
