Aliza's Collection
"জীবনে যা উপার্জন কর হালাল হারাম বেছে কর"
02/08/2025
পরিবারে বিষাক্ত রাজনীতি? "প্রতিবাদ করলেই তুমি খারাপ!".....
পৃথিবীতে সবচেয়ে সূক্ষ্ম অথচ ভয়ঙ্কর মানসিক খেলা অনেক সময় চলে আমাদের নিজস্ব পরিবারের ভেতরেই। সবচেয়ে বেশি মাইন্ড গেইম খেলা হয় বাবা-মায়ের দিক থেকেই যেখানে সন্তান সবসময় অপরাধী, আর বয়সের কারণে বাবা-মা হয়ে যান ‘অপরাজেয়’ সত্যের প্রতীক।
বয়স মানে অভিজ্ঞতা, কিন্তু অভিজ্ঞতা মানেই সবসময় সঠিক সিদ্ধান্ত তা নয়। বাবা-মায়েরা ভুল করতে পারেন, করেও থাকেন। কিন্তু সমাজ সেই ভুল নিয়ে প্রশ্ন করতে দেয় না। সন্তান যদি সাইলেন্ট ট্রিটমেন্ট, ইমোশনাল হ্যারাসমেন্ট, ভার্বাল অ্যাবিউজমেন্টের শিকার হয়েও চুপ থাকে তাকে বলে “অভদ্র”। প্রতিবাদ করলেই "তুমি খারাপ সন্তান"।
বেশিরভাগ পরিবারেই বাবা-মা জানেন কোন সন্তানের মাথায় কাঁঠাল ভেঙে খাওয়া যায়, আর কাকে তোষামোদ করে চলা ভালো। এ এক অদ্ভুত ক্ষমতার খেলা। হাজারো সন্তান জীবনের সঞ্চয়, সময়, ভালোবাসা দিয়ে যায় ফিরে পায় অস্বীকৃতি। আবার কেউ কেউ সামান্য কিছু করেও হয়ে যায় “সেরা সন্তান”।
আর একজন সন্তান, যিনি হয়তো পরিবারের জন্য বটগাছের ছায়া হয়ে থেকেছেন, তাকেই প্রতিনিয়ত ছোট করা হয়। কারণ, এখন তো সবাই নিজের ডানা মেলেছে তাকে ছোট করে রাখাই যেন নিয়ম। এমন পরিস্থিতি একজন মানুষকে নীরবেই ধীরে ধীরে দূরে ঠেলে দেয়।
এই ক্ষত কেউ বোঝে না। কারণ যার উপর দিয়ে যায়, কেবল সেই-ই জানে এর ওজন কেমন।
কিছু কষ্ট গভীরে থাকে:
তুমি যতই ভালো হও, যতই সহ্য করো একদিন সমাজ বলবেই: “তুমি কিছু করো না”, “তুমি অকৃতজ্ঞ”, “তুমি খারাপ”।
যখন বাবা-মার ভূমিকা সন্তানের জীবনে সহায়কের বদলে শত্রুতে পরিণত হয় তখন জীবন চলে, কিন্তু হৃদয় টা ক্ষতবিক্ষত হয়ে যায়। আল্লাহর পরেই বাবা-মা এই বাক্যটি তখন এক যন্ত্রণার ভার বহন করে।
এবং তবু…
পৃথিবীতে সবচেয়ে পবিত্র সম্পর্ক কোনটি?
আমার জীবন শেখায় স্বামী-স্ত্রী সম্পর্কই সবচেয়ে বাস্তব, সবচেয়ে সহনশীল, সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য। যদি আপনি একজন সঠিক জীবনসঙ্গী পান তাহলে জীবনের অনেক বিষাক্ত সম্পর্কই আর প্রয়োজন হয় না।
আর যদি সেই সঙ্গী-টিই ভুল হয়, তাহলে বাকি সব সম্পর্ক থেকেও জীবনে স্বস্তি আসে না।
> “সম্পর্কে শ্রদ্ধা থাকা জরুরি, তবে শ্রদ্ধা আদায়ের নাম করে মানসিক নিপীড়ন নয়।”
কিছু বাস্তব সত্য:
সব বাবা-মা শ্রেষ্ঠ হন না।
সব সন্তান অকৃতজ্ঞ হয় না।
যারা নিঃশব্দে সহ্য করে, তারা দুর্বল নয় তারা শুধু পরিবারকে ভাঙতে চায় না।
সবাই যে সমাজে ভালো, সে প্রকৃত ভালো না—অনেকেই হিপোক্রেট।
20/07/2025
সন্তানের জন্য সবচেয়ে দামী উপহার কী জানেন?
তা কোনো খেলনা, দামি জামা কিংবা আধুনিক শিক্ষা নয়। একজন সন্তানের জন্য সবচেয়ে বড়, সবচেয়ে মূল্যবান উপহার হলো তার বাবা ও মায়ের মধ্যে ভালোবাসা, সম্মান আর সুস্থ সম্পর্ক।
যেখানে বাবা-মা একে অপরকে শ্রদ্ধা করে, ভালোবাসে,
সেখানে সন্তান নিরাপত্তা, ভালোবাসা ও জীবনের মূল শিক্ষাগুলো সঠিকভাবে পায়। এই সম্পর্কটাই তাকে আত্মবিশ্বাসী মানুষ হয়ে উঠতে সাহায্য করে।
তাই যদি সত্যিই আপনার সন্তানের ভবিষ্যৎ সুন্দর করতে চান, তাহলে প্রথম উপহারটা হোক
একটা ভালোবাসায় ভরা, শান্তিপূর্ণ পরিবার।
19/07/2025
একজন স্বামী প্রতিটা কাজে স্ত্রীর খুঁত ধরেন।
খুব সাধারণ বিষয়ে বিশ্রীভাবে বকাঝকা করেন।
এমনকি মাঝে মাঝে গায়ে হাত তোলার জন্য তেড়ে আসেন। স্ত্রীর বলা প্রতিটি কথা এবং কাজ যেন ভুলে ভর্তি। খাবার দিতে এক মিনিট দেরী হলে ক্রুদ্ধ হয়ে স্বামী চলে যান। আবার ফিরার আগেও বলেন না। কোনো রুটিন নেই। যখন-তখন ঘরে ফিরে একই ব্যবহার করেন।
ভয়ে কুঁকড়ে থাকা স্ত্রী তার সন্তানকে পড়তে বসার কথা বললেও দোষ। স্বামীর কথা, "সারাক্ষণ পড়ার কথা বলতে হবে কেন?" আবার পড়ার কথা না বললেও দোষ। "ঘরে থেকে বাচ্চাকে কেন পড়াতে পারবে না? এতো কীসের কাজ?"
বাচ্চা দুষ্টুমি করলেও স্ত্রীর দোষ। আবার চুপচাপ থাকলে-ও দোষ। শাসন করলেও দোষ। তবে স্বামী সবকিছু করতে পারবেন। স্ত্রী-সন্তানদের প্রতি সম্পূর্ণ অধিকার দেখিয়ে মারতেও পারবেন। আর স্ত্রী মানেই দোষে ভরপুর একটি মানুষ। যার ভুল-ভ্রান্তি ছাড়া আরকিছুই নজরে পড়ে না। কথায় কথায় আবার ছেড়ে দেওয়ার হুমকি!
সহ্যসীমা পাড় করে একদিন স্ত্রী স্বে-চ্ছায় বিচ্ছেদ চাইলেন। কিন্তু, স্বামী ছাড়তে নারাজ। কপাল কুঁচকে বলেন, "সন্তানদের কী হবে? এ কেমন মা যে সন্তানদের ভবিষ্যৎ নষ্ট করতে চায়!"
কোমলমতি স্ত্রী এই বিষাক্ততা পুনরায় সহ্য করতে লাগলেন। কিন্তু, স্বামীর পরিবর্তন হলো না৷ তিনি ছাড়বেনও না, ধরবেনও না। আবার ভালো ব্যবহারও করবেন না। সারাক্ষণ রাগ-ক্ষোভ, বিরক্তি এবং হিংস্র আচরণ করেও চান স্ত্রী তার সাথে থাকুক।
এ পৃথিবীতে এমন স্ত্রীদের অভাব নেই, যারা দিনের পর দিন একটা টক্সিক মানুষকে সহ্য করে যাচ্ছেন। তিনি জানেন মানুষটি শুধরাবে না, তবুও সন্তানের দিকে তাকিয়ে সবটুকু মেনে নেন। যেন সন্তান তার বাবাকে না হারায়। অথচ, এসব বাবারা কিন্তু কখনোই সন্তানের প্রতি টান দেখান না।
উল্লেখিত ঘটনার এই নারী বর্তমানে বাইপোলার ডিসওর্ডারে আক্রান্ত। যা নিরাময়অযোগ্য। এই নারী এখন না সুখ বুঝেন, আর না তো দুঃখ। হাসতে হাসতে কান্না করে ফেলেন, আবার কাঁদতে কাঁদতে হাসেন। রাত কাটে তার টক্সিক মূহুর্ত স্মরণ করে। নিজের জীবনের প্রতি এতোটাই বিতৃষ্ণা, বিষাদ জমেছে যে, মৃত্যুকে তার মুক্তি বলে মনে হয়।
এই ধরণের রোগীরা সুযোগ পেলে পরিশেষে মৃত্যুকেই বেছে নেয়।
দুঃখজনকভাবে অসুস্থ স্ত্রী এখন স্বামীর বোঝা। এখনো সেই আগের মতো স্বামী তার টক্সিক আচরণ ধরে রেখেছেন। তবে স্ত্রীও আগের মতো কুঁকড়ে নেই। যে কোনো মূহুর্তে স্বামীকে ছাড়তে তিনি প্রস্তুত। তবুও তাদেরকে একসাথে থাকতে হচ্ছে। পারিবারিকভাবে এই বিচ্ছেদ কখনোই সম্ভবপর নয়। স্বামীও তা চান না।
এতকিছুর পরেও স্বামীর আচরণ আর বদলায় নি। তিনি স্ত্রীকে রাখতে চান, কিন্তু ভালো ব্যবহার ও ভালোবাসা দেখাতে পারবেন না। জগতের সবকিছু দিয়ে হলেও স্ত্রীকে পাশে দেখতে চান, তবে স্ত্রীকে একটু মানসিক শান্তি দিতে পারবেন না। এমনকি এই যে তার ধরে রাখার চেষ্টা, এটাও স্ত্রীকে বুঝতে দেন না।
টক্সিক পার্সন বরাবরই ভয়ংকর এবং বিপদজনক এক অভিশপ্তের নাম। সময়মতো তা প্রতিহত করতে না পারলে এরা একটা মানুষকে তিলে তিলে ধ্বংস করে দেয়। অন্যকে মানসিকভাবে অত্যাচার করার ক্ষেত্রে প্রয়োজনে এরা নিজের সুখ-শান্তি উপড়ে ফেলতেও পিছ পা হয় না😔😔
Cp
02/06/2025
১০% ডিস্কাউন্ট এ পাচ্ছেন। শেষ সময়ের অর্ডার নেয়া হচ্ছে। মিস করলেই লস 😱😱
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Habiganj Sadar
