Health Tips BD
Hi ! I'm Nasir uddin.I'm a medical Person,please follow me to get my post everytime....
29/12/2022
আপনার শিশুকে কখন কখন টিকা দিতে হবে এই তালিকা থেকে জেনে রাখুন। ছবিটা সেইভ করে রাখুন। শিশুদের নিয়মিত টিকাদান বিষয়ে আরও জানতে নিচের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাটবট লিংকটিতে ক্লিক করুন।
25/12/2022
জলাতঙ্ক, যা হাইড্রোফোবিয়া নামেও পরিচিত, র্যাবিস ভাইরাস ঘটিত একটি মারাত্মক রোগ হলো জলাতঙ্ক। আমাদের দেশে জলাতঙ্ক রোগে বছরে প্রায় ২০ হাজার মানুষ মারা যায়। জলাতঙ্কের ক্ষেত্রে মৃত্যুহার প্রায় শতভাগ। অর্থাৎ রোগলক্ষণ একবার প্রকাশ পেলে রোগীকে বাঁচানো প্রায় অসম্ভব। জলাতঙ্ক সম্পর্কে কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় তাই জেনে রাখা জরুরি।
কুকুরের আঁচড় বা কামড়ের পর দেরি না করে নিকটস্থ হাসপাতাল বা চিকিৎসকের শরণাপন্ন হয়ে জলাতঙ্ক ও ধনুষ্টংকারের টিকা গ্রহণ করা উচিত।
যেকোনো সময় পাগলা কুকুরের আক্রমণের শিকার হতে পারে যে কেউ। এ ছাড়া সাধারণ কুকুরকে বিরক্ত করলেও কামড় দিতে পারে। বছরের এই সময় কুকুরের আক্রমন বেড়ে যায় তাই কুকুরকে উত্ত্যক্ত না করে সতর্কভাবে চলাচল করা উচিত।
পরিসংখ্যান থেকে দেখা গেছে, দেশে কুকুরের আক্রমণের ঘটনা সবচেয়ে বেশি ঘটে আগস্ট থেকে নভেম্বর মাসে। তবে অন্য সময়ও এটা হতে পারে। রাস্তাঘাটে কুকুরের আক্রমণের শিকার হলে ভীত না হয়ে কিছু প্রাথমিক পদক্ষেপ নিতে হবে।
জলাতঙ্ক যেভাবে ছড়ায়: কুকুর, শিয়াল, বিড়াল, বানর, বেঁজি, বাদুড় ইত্যাদি র্যাবিস জীবাণু দ্বারা আক্রান্ত হলে এবং আক্রান্ত উল্লেখিত প্রাণি মানুষকে কামড়ালে মানুষের এ রোগ হয়। এসব আক্রান্ত প্রাণির মুখের লালায় র্যাবিস ভাইরাস থাকে। এ লালা পুরোনো ক্ষতের বা দাঁত বসিয়ে দেওয়া ক্ষতের বা সামান্য আঁচড়ের মাধ্যমে রক্তের সংস্পর্শে এলে রক্তের মাধ্যমে শরীরে ছড়িয়ে পড়ে এবং জলাতঙ্ক রোগ সৃষ্টি হয়। আমাদের দেশে শতকরা ৯৫ ভাগ জলাতঙ্ক রোগ হয় কুকুরের কামড়ে।
জলাতঙ্কের লক্ষণ: সন্দেহজনক প্রাণি কামড়ানোর ৯ থেকে ৯০ দিনের মাঝে জলাতঙ্কের লক্ষণ দেখা দেয়। কারো শরীরে জলাতঙ্কের লক্ষণ দেখা দিলে আক্রান্ত ব্যক্তির মধ্যে উন্মত্ত বা পাগলামো আচরণ এবং মৌন আচরণ—এ দুই ধরনের আচরণ দেখা দিতে পারে।
অস্বাভাবিক আচরণে আক্রান্ত ব্যক্তির কথাবার্তা ও ভাবভঙ্গি হবে অস্বাভাবিক। সে উদ্দেশ্য ছাড়াই ছুটে বেড়াবে, ক্ষুধামন্দা হবে, বিকৃত আওয়াজ করবে, বিনা প্ররোচনায় অন্যকে কামড়াতে আসবে ইত্যাদি।
এছাড়া পানির পিপাসা খুব বেড়ে যাবে, তবে পানি খেতে পারবে না। পানি দেখলেই আতঙ্কিত হবে, ভয় পাবে। আলো-বাতাসের সংস্পর্শে এলে আতঙ্ক আরও বেড়ে যাবে। খাবার খেতে খুবই কষ্ট হবে, খেতে পারবে না। শরীরে কাঁপুনি, মুখ দিয়ে অতিরিক্ত লালা নিঃসরণ হবে। কণ্ঠস্বর কর্কশ হতে পারে। মেজাজ খিটখিটে হয়ে যাবে, আক্রমণাত্মক আচরণ দেখা দেবে।
সন্দেহজনক প্রাণি কামড় বা আঁচড় দিলে যা করবেন: কুকুরে কামড়ালে প্রথমে ক্ষতস্থান চেপে ধরুন, যেন রক্তপাত বন্ধ হয়।
সন্দেহভাজন প্রাণি কামড়ানো বা আঁচড়ানোর সাথে সাথে ক্ষতস্থানটি ১০-২০ মিনিট ধরে সাবান ও প্রবহমান পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলার পর পটাশিয়াম পারম্যাঙ্গানেট দ্রবণ দিয়ে ভালো করে পরিষ্কার করতে হবে। সম্ভব হলে কোনো অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল সাবান ব্যবহার করতে পারেন ক্ষতটি ভালোভাবে পরিষ্কারের জন্য। অথবা ক্লোরহেক্সিডিন বা পোভিডোন আয়োডিন দিয়ে ক্ষতস্থানটিকে ভালো করে ওয়াশ করতে হবে। এতে ৭০-৮০% জীবাণু নষ্ট হয়ে যায়।
এরপর অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে অথবা নিকটবর্তী হাসপাতালে নিতে হবে।
চিকিৎসকের পরামর্শ মতো র্যাবিস ভ্যাকসিন নিতে হবে। সাধারণত প্রথম দিন দেওয়ার পর ৩, ৭, ১৪ ও ২৮তম দিনে মোট ৫টি ডোজে ভ্যাকসিন দিতে হয়। ক্ষেত্রবিশেষে হিউম্যান র্যাবিস ইমিউনোগ্লোবিউলিনও দেওয়ার প্রয়োজন হতে পারে।
ক্ষতস্থানে যা করা যাবে না: ক্ষতস্থানে কোনো স্যালাইন, বরফ, চিনি, লবণ ইত্যাদি ক্ষারক পদার্থ ব্যবহার করা যাবে না। বাটিপড়া, পানপড়া, চিনিপড়া, মিছরিপড়া, ঝাড়ফুঁক ইত্যাদি জলাতঙ্কের হাত থেকে কাউকে বাঁচাতে পারে না।
ক্ষতস্থান কখনোই অন্য কিছু দিয়ে কাটা, চোষণ করা বা ব্যান্ডেজ করা যাবে না। এতে বরং ইনফেকশন হতে পারে। ক্ষতস্থানে বরফ, ইলেকট্রিক শক দেওয়া যাবে না কিংবা হাত-পা বাঁধাও যাবে না।
কোনো কবিরাজ বা ওঝার শরণাপন্ন হয়ে কোনো অবৈজ্ঞানিক কিংবা অপচিকিৎসা গ্রহণ করে সময় ক্ষেপণ করবেন না।
যেসব প্রাণির কামড়ে ভ্যাকসিন নেওয়ার প্রয়োজন নেই: ইঁদুর, খরগোশ, কাঠবিড়ালী, গুঁইসাপ ইত্যাদি কামড় দিলে র্যাবিস ভ্যাকসিন নেওয়ার প্রয়োজন নেই। তবে টিটেনাস ভ্যাকসিন নেওয়ার প্রয়োজন হতে পারে।
বিশেষ অবস্থায় ভ্যাকসিন নিতে সমস্যা হবে কি: গর্ভাবস্থায়, মায়ের স্তন্যদানকালে, অন্য যেকোনো অসুস্থতায়, ছোট বাচ্চা বা বৃদ্ধ ব্যক্তি এরকম কোনো বিশেষ অবস্থায় জলাতঙ্কের ভ্যাকসিন নিতে কোনো সমস্যা নেই।
19/09/2022
নীরবে মহামারীর মতো ছড়িয়ে পড়েছে 'চোখ উঠা' বা 'ভাইরাল কনজাংটিভাইটিস'। এটি মারাত্মক ছোঁয়াচে চোখের রোগ।
করণীয়ঃ
✔ আক্রান্ত ব্যক্তি সংস্পর্শ এড়িয়ে চলুন।
✔ চোখ লাল হয়ে গেলে জনসমাগম এড়িয়ে চলুন।
✔ চোখে হাত লাগাবেন না।
✔ চোখে পানি দিবেন না।
✔ উজ্জ্বল আলো কিংবা সূর্যালোকে কালো চশমা কিংবা সানগ্লাস ব্যবহার করুন।
✔ চোখের পাতা ফুলে গেলে শুকনো গরম সেঁক দিতে পারেন।
✔ ব্যবহার্য জিনিসপত্র যেমন কাপড়চোপড়, গ্লাস, প্লেট, গরম পানি দিয়ে ধৌত করুন এবং আলাদা রাখুন।
✔ কোনো অবস্থাতেই ফার্মেসী বা ঔষধের দোকান থেকে নিজে নিজে ঔষধ কিনে ব্যবহার শুরু করবেন না। চোখ অত্যন্ত সংবেদনশীল অঙ্গ। নিজে নিজে ডাক্তারির ফলে চোখের মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে।
সাধারণত জটিল কোনো উপসর্গ না থাকলে ৭-১০দিনের মধ্যেই এটি সেরে যায়।
কখন চিকিৎসকের শরণাপন্ন হবেন?
✔ চোখ থেকে অনবরত পানি ঝরতে থাকলে
✔ কেতুরের জন্য চোখ খুলতে অসুবিধা হলে
✔ চোখে পুর্বের চাইতে ঝাপসা দেখলে
✔ চোখে ব্যথা শুরু হলে
26/01/2022
টমেটোর সঙ্গে শসা খাচ্ছেন! কি কি সমস্যা হতে পারে জানেন??????
শসা ও টমেটোর সালাদ
শসা এবং টমেটো- দুটো ফলজ সবজিই শরীরের জন্য অত্যন্ত ভালো। দুটোই প্রচুর পুষ্টিগুণে ভরা। আলাদা আলাদা করে খেলে, দুটোই শরীরের নানা উপকার করে। কিন্তু একসঙ্গে খেলে? হ্যা, একসঙ্গে খেলেই শরীরকে ফেলতে পারে নানা বিপদে। তেমনটাই বলছেন স্বাস্থ্য বিজ্ঞানীরা।
দাওয়াতে অনুষ্ঠানে ভারী খাবার খাওয়ার মধ্যে বা আগে-পরে অনেকেই শসা ও টমেটোর সালাদ খান। অনেকে বাড়িতেও নিয়মিত এই জাতীয় ফলজ সবজির সালাদ করে নেন। কিন্তু জানেন কি! এটা আপনার শরীরে বিপদ ডেকে আনতে পারে?
তাহলে আসুন জেনে নেয়া যাক, শসা এবং টমোটো একসঙ্গে খেলে কী কী সমস্যা হতে পারে?
শসা হজমে সাহায্য করে। কিন্তু টমেটোর সঙ্গে খেলে সেই শসাই হয়ে দাঁড়ায় হজমের শত্রু। তখন বদহজম ঘটানোর মতো কাণ্ড করতে থাকে সবজিটি।
টমেটোয় বহু ধরনের পুষ্টিগুণ থাকে। তাই এটি ধীরে ধীরে হজম হয়। কিন্তু শসা আবার হজম হয় দ্রুত। তাই এই দু’টি একসঙ্গে খেলে টমেটোর অনেক পুষ্টিগুণের অপচয় হয়।
শসা এবং টমেটো একসঙ্গে খেলে পেটে গ্যাসের সমস্যা হতে পারে। হতে পারে পেটব্যথা এবং তা থেকে মাথাব্যথার মতো সমস্যাও হতে পারে।
টমেটো ভিটামিন সি-তে ভরপুর। আর শসায় এমন কিছু উপাদান রয়েছে, যা টমেটোর এই ভিটামিন সি-র সঙ্গে বিক্রিয়া করে। বিক্রিয়ার ফলে এমন কিছু উপাদান তৈরি হয়, যা পাকস্থলীর ক্ষতি করে। তাৎক্ষণিক তা টের পাওয়া না গেলেও, এটা দীর্ঘ দিন ধরে চলতে থাকলে পেটের বড় সমস্যা দেখা দিতে পারে।
তবে, শুধু শসা এবং টমেটো একসঙ্গে করে খাওয়া যে উচিত নয়- তা কিন্তু নয়। আরও বেশ কয়েকটি সালাদের উপাদানও একসঙ্গে খাওয়া পেটের পক্ষে ভালো নয়।
যেমন- দইয়ের সঙ্গে শসা, টমেটো বা পেঁয়াজ মিশিয়ে অনেকে রায়তা বানান। সেটাও পেটের সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে। সূত্র- হিন্দুস্তান টাইমস।
এনএস//
18/11/2021
ভারনিক্স ?
বাচ্চা জন্ম নেওয়ার পরে প্রায় সকল বাচ্চার শরীরে যে সাদা ময়লার মত পদার্থ দেখা যায় সেটাকে "ভারনিক্স "বলে। "ভারনিক্স " নামের পদার্থটি প্রায় সকল বাচ্চার শরীরেই দেখা যায়। কোন কোন বাচ্চা শরীরে এত ভারনিক্স নিয়ে জন্মগ্রহণ করে আবার কোন কোন বাচ্চা একেবারে পরিষ্কার থাকে।
এই ভারনিক্স টা সম্পর্কে অনেকে অবগত নয়, বাচ্চাকে মুছে যখন অভিভাবকদের কাছে দেওয়া হয় তখন শরীরে ভারনিক্স থাকলে তারা ভাবেন বাচ্চাকে ক্লিয়ারলি ক্লিন করা হয়নি বা নিজেরাই মুছতে বসে যান।
সৃষ্টির সবকিছুর পিছনেই গভীর রহস্য লুকায়িত আছে, তাঁর অসীম জ্ঞান বুঝার ক্ষমতা আমাদের কারোরি নেই!
সদ্যজাত শিশুর শরীরে ভারনিক্স নামের এক ধরণের তেল জাতীয় পদার্থ থাকে যা মায়ের গর্ভে থাকাকালীন তরল পদার্থ থেকে শিশুর ত্বককে রক্ষা করে। এটি অ্যান্টিবডির মত শিশুর রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে।
জন্মের পর পরই শিশুকে পরিষ্কার বা মোছার সময় খেয়াল রাখতে হবে যেন ভারনিক্স ওঠে না যায়। (WHO) এর মতে শিশুর শরীরে ভারনিক্স কমপক্ষে ৬ ঘন্টা রাখা এবং সবচেয়ে ভালো হয় ২৪ ঘন্টা রাখলে।
🖌️সংগৃহীত
05/11/2021
শ্বাসকষ্টের সমস্যায় ছোট-বড় অনেকেই ভোগেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, শ্বাসকষ্ট আসলে কোনো রোগ নয়। এটি অন্যান্য রোগের লক্ষণ হিসেবে প্রকাশ পায়।
নাক বন্ধভাব থেকে শুরু করে সর্দি, চোখে চুলকানি ও পানি পড়া, বুকে চাপ বোধ, কাশি, হাঁচি, দ্রুত শ্বাস-প্রশ্বাস ইত্যাদি সমস্যা শ্বাসকষ্টের উপসর্গ হিসেবে বিবেচিত"
বছরের অন্যান্য সময় শ্বাসকষ্টের সমস্যা দেখা দিলেও এটি বেড়ে যায় শীতে। এর কারণ হলো ঠান্ডা আবহাওয়া। এ সময় বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ কমে যায়। ফলে ধুলাবালির পরিমাণ বাড়ে।
শীতে বায়ু দূষণের পরিমাণ অনেক বেড়ে যাওয়া শ্বাসকষ্টের সবচেয়ে বড় কারণ। শ্বাসকষ্ট সাধারণত ২ রকমের- অ্যাকিউট বা তীব্র ধরনের, যা খুব অল্প সময়ের মধ্যেই তীব্র শ্বাসকষ্টে রূপান্তরিত হয়। এতে অতি দ্রুত চিকিৎসার প্রয়োজন হয়।
দ্বিতীয়টি ক্রনিক বা দীর্ঘমেয়াদি শ্বাসকষ্ট, যার তীব্রতা প্রথমে কম থাকে, পরে বাড়তে থাকে।
বিশেষজ্ঞদের মতে শীতে দুটি কারণে শ্বাসকষ্ট বেড়ে যায়। এ সময় তাপমাত্রার পরিবর্তনের কারণে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়। একই সঙ্গে পরিবেশের শুষ্কতার কারণে বাতাসে জলীয়বাষ্পের হার বা আর্দ্রতা কমে যায়।
এ কারণে জীবাণু সহজেই শ্বাস-প্রশ্বাসের সঙ্গে ফুসফুসে প্রবেশ করে প্রদাহ ঘটায়। তবে শরীর থেকে তা সহজে বের হয় না। তখন জীবাণুরা বংশ বিস্তার করে ও শ্বাসতন্ত্র আক্রমণ করে।
তাই এমনিতেই শ্বাসকষ্টের সমস্যা আছে তাদের ঠিক একই কারণে রোগের প্রকোপ বাড়ে। আবার যারা সারা বছর শ্বাসকষ্টে ভোগেন না, তাদের ক্ষেত্রেও শীত আসলে শ্বাসকষ্টের সমস্যা রদেখা দিতে পারে।
এ সময় শ্বাসকষ্ট হলে যেসব বিষয়ে খেয়াল রাখবেন-
>> দীর্ঘদিন ধরে শ্বাসকষ্টে ভুগলে তা সাধারণত ব্রঙ্কাইটিস, টিবি বা যক্ষ্মা, অ্যাজমা, অ্যানিমিয়া বা রক্তশূন্যতার কারণ হতে পারে। তাই দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
>> ছোটবেলা থেকেই যদি শ্বাসকষ্টের সমস্যা থাকে তাহলে তা অ্যাজমা বা হাঁপানির জন্য হয়। এ ধরনের রোগীর বয়স বাড়লে তীব্র ধরনের অ্যাজমায় আক্রান্তের ঝুঁকিতে থাকে।
>> অ্যাজমা বা হাঁপানিজনিত কারণে রাতে বা ভোরে বেশি শ্বাসকষ্ট হয়। আবার কাশিও বাড়তে থাকে রাত হলে।
>> শ্বাসকষ্টের সঙ্গে যদি জ্বর থাকে, বুকে ব্যথা হয়, শ্বাস নিতে শোঁ শোঁ শব্দ হয়, তা সাধারণত নিউমোনিয়ার জন্য হয়। এ ধরনের লক্ষণ দেখলেই রোগীকে দ্রুত হাসপাতালে নিতে হবে।
>> যাদের কিডনি-সংক্রান্ত জটিলতার কারণে হঠাৎ শ্বাসকষ্ট হয় তাহলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। কারণ কিডনির অসুখে রক্তে এসিডের মাত্রা বেড়ে গিয়ে শ্বাসকষ্ট মারাত্মক সমস্যার সৃষ্টি করতে পারে।
>> এ সময় যেহেতু বায়ু দূষণের মাত্রা বেড়ে যায়, তাই বাইরে বের হলে অবশ্যই মাস্ক ব্যবহার করুন।
>> ঘরের ভেতরও পরিষ্কার রাখুন। না হলে ঘরের ধুলোও শ্বাসকষ্টের কারণ হয়ে দাঁড়াবে। সম্ভব হলে এয়ার পিউরিফাইয়ার রাখতে পারেন ঘরে।
>> এ সময় অবশ্যই ধূমপানের অভ্যাস ত্যাগ করতে হবে। শ্বাসকষ্টের সমস্যা থাকলে যদি ধূমপান করেন, তাহলে ফুসফুসের উপর চাপ বেশি পড়ে।
সূত্র: অ্যালার্জি অ্যাজমা নেটওয়ার্ক
বিশেষ দ্রব্যষ্ট ঃআমাদের [Health Tips BD] পেইজটি Follow করে রাখবেন এবং Like,comment Shares করবেন
02/11/2021
like ,comment, করে পাশে থাকবেন!এবং follow করে রাখবেন❤️
01/11/2021
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Habiganj
