MD Osman Goni

MD Osman Goni

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from MD Osman Goni, Health/Beauty, Jatrabari.

30/08/2024

মুফতি রুহুল আমিন সাহেব।
সাহেবজাদা, শামছুল হক ফরিদপুরী(ছদর ছাহেব) রহঃ
মুহতামিম, গওহরডাঙ্গা মাদরাসা।
সভাপতি, বেফাকুল মাদারিসীল কওমিয়া গওহরডাঙ্গা।
খতিব, জাতীয় মসজিদ বাইতুল মোকাররম ঢাকা।

#খেতাবাত।
তিনি কখনো খেতাবাতের জন্য লালায়িত ছিলেন না।
৭ জানুয়ারি ২০১৯ ইংরেজী আব্দুল্লাহ সাহেব ধর্মমন্ত্রী হয়ে সর্বপ্রথম গওহরডাঙ্গা মাদরাসা আসলেন। তখন তিনি বলেছিলেন তোমরা অচিরেই একটি সুসংবাদ পাবে। তারপরও গওহরডাঙ্গা সংশ্লিষ্ট কেউ হুজুরের খেতাবাতের পক্ষে কখনো পোস্ট করেনি। যখন জানা গেছে খেতাবাতের জন্য প্রাথমিক বাছাইয়ে তিন জনের নাম এসেছে, তাদের মধ্যে যেকেউ খতিব হবেন।
তখন তাঁর ছাহেবজাদা মুফতি উসামা আমিন সাহেব চেষ্টা করেছেন যাতে কোন বেদায়াতী, মাজারপুজারী জাতীয় মসজিদের খতিব না হয়। অতঃপর যখন চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়েছে তখন মুফতি উসামা আমিন সাহেব ফেসবুকে শুধুমাত্র "আলহামদুলিল্লাহ" শব্দ লিখেছেন। এছাড়া অতিরিক্ত কোন শুভেচ্ছা কেউই কোনভাবে জানান নি। এই হলো খেতাবাতের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস।

তাছাড়া তিনি যখন খতিব হয়েছেন তখন এই দায়িত্বে কোন আলেম ছিলেন না। বিদাআতি আলেম সালাউদ্দিন সাহেব অসুস্থ থাকায় দীর্ঘদিন এ জায়গাটি খালি ছিল। এখন যারা হুজুরকে সরিয়ে পছন্দের কাউকে বসানোর জন্য উঠে পড়ে লেগেছে। তারাও তখন এই পদের জন্য লেখালেখি করেন নি। যখনই হুজুরকে দেয়া হলো তখনই তারা বিরোধিতা করেছেন। এবং তাদের বিরোধিতা যখন বিদআতিদের সাথে মিলে গেছে তখন তারা লজ্জিত হয়েছে। এবং দলে দলে হুজুরকে সম্বর্ধনাও দিয়েছে।
যদি সরকারের সাথে লোভিং করে কোন আলেমকে সরিয়ে দিয়ে তিনি খতিব হওয়ার চেষ্টা করতেন তাহলে বোঝা যেত তিনি পদলোভী। যেমনটা এখন হচ্ছে।

#নির্বাচন।
নড়াইল ১ আসনের তখনকার স্বতন্ত্র এমপি ছিলেন মুজিবুর রহমান মুক্তি। তার জুলুম নির্যাতনের শিকার হয়ে দলে দলে মানুষ গওহরডাঙ্গায় আসতে ছিলো। প্রত্যেকের কথা ছিলো, মুক্তির কারণে আমরা বাড়িতে থাকতে পারিনা, আমাদের হাজার হাজার মানুষ জেলখানায় বন্দী, বেছে বেছে অনেক মানুষকে হত্যা করেছে। এই জালিমের মোকাবেলায় আপনাকে ছাড়া কাউকে এই মুহূর্তে দেখছি না। আপনি আমাদের দিকে দয়ার নজরে তাকান। ওদিকে সরকারী গ্রীন সিগন্যালও তিনি পেয়েছেন। তখন বোর্ডের সব আলেমদের সাথে পরামর্শ করে তিনি এগিয়ে ছিলেন। অতঃপর সরকার যখন দেখলো হুজুরের মত ভদ্র মানুষ মুক্তির জুলুমের মোকাবেলায় টিকে থাকতে পারবেনা, জুলুমকে জুলুম দিয়ে প্রতিহত করবে না। তখন তারা মুক্তিকেই বেছে নেয়। এটা একটি রাজনৈতিক বিষয়। সরকারী গ্রীন সিগন্যাল পেলে কয়জন আলেম আছেন তা গ্রহণ করবেন না। জাতী তাঁদের দেখতে চায়। মনে রাখতে হবে রাজনৈতিক দলগুলোর কেউই আলেমদের বন্ধু না। একজনের পক্ষ নিলে দালাল হলে অপরজনের পক্ষ নেওয়াও দালালি হবে। পার্থক্য আজ এবং কাল।

#কওমী_জননী
কওমী স্বীকৃতির জন্য শাইখুল হাদিস সাহেবসহ অনেক আলেমই অনেক দোড়ঝাপ করেছেন। না খেয়ে মুক্তাঙ্গনে পড়ে রয়েছেন। একপর্যায়ে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া কওমি মাদ্রাসার নাম পরিবর্তনসহ আটটি অতিরিক্ত শর্ত দিয়ে স্বীকৃতি দেয়ার জন্য রাজি হন। টিভিতে প্রচার হয়। কিন্তু বাস্তবে কোন কিছুই তিনি করতে পারেননি।
এদিকে আওয়ামীলীগ ক্ষমতায় এলে দেওবন্দের আদলে হুজুরদের দেওয়া শর্ত মেনে নিয়ে স্বীকৃতি দিতে চাইলেন। তখন কেউ কেউ উল্টো বক্তব্য দিল যে, স্বীকৃতি দেয়া হলে বাংলাদেশে গৃহযুদ্ধ লাগবে ইত্যাদি। সেইসব পরিস্থিতিকে স্বাভাবিক করে মুফতি রুহুল আমিন সাহেব যখন স্বীকৃতির বিষয়টিকে প্রায় চূড়ান্ত করে ফেলেছেন। তখন গৃহ যুদ্ধের ঘোষণা কারীরাই স্বীকৃতির ফসল ঘরে তুলতে বড়বোর্ডের যুক্তি দেখিয়ে এমনভাবে সংবিধান লিখলেন। যাতে আজীবন তারাই সব পদগুলো দখল করে রাখবে। তাই তারাই শাপলার রক্তকে ভুলে গিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে সংবর্ধনা দেওয়ার ব্যবস্থা করে। নাম দেয় শোকরানা মাহফিল। ইতিহাস সাক্ষী শোকরানা মাহফিল বাস্তবায়নের কোন মিটিংয়ে
মুফতি রুহুল আমিন সাহেব ছিলেন না। কারা বক্তব্য দিবে? কে পরিচালনা করবে? কে সংবর্ধনা দিবে সবই তারা করেছে। যারা আজ "কওমী জননী" উপাধি প্রচার করে নিজেদের কর্মকান্ডকে ঢাকতে চেষ্টা করছেন। "কওমি জননী" শব্দটা না থাকলে, শাপলার রক্তের সাথে আপনাদের বেইমানি করার কথাটা জাতী ভুলে যেত। সুতরাং ভুল যেটা ছিল সবারই ছিল। একজনের ভুলকে ঢালাওভাবে প্রচার করে সবার ভুল কে স্বীকৃতি দেওয়া ঠিক না।

#আত্মগোপন
হুজুর নিয়মিত গওহরডাঙ্গা আসছেন। ঢাকা যাচ্ছেন। এখনো বাসায় অবস্থান করছেন। তার মোবাইল খোলা আছে। হুজুর একেবারে স্বাভাবিক জীবন যাপন করছেন। তার খোঁজখবর না নিয়ে একজন আলেম, জাতীয় মসজিদের খতিব হওয়ার জন্য যিনি পাগল হয়ে গেছেন। একটি পদের জন্য তিনি কিভাবে মিথ্যাচার করেছেন। ঠিক তার বড় ভাই উবায়দুর রহমান খান নদভীও একই পদ্ধতিতে লাইভে এসে বেফাকের বিভিন্ন দুর্নীতির কথা বলে বেফাকের পদ দখল করেছেন। আবার সুযোগ বুঝে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর এমন প্রশংসা করেছেন যা আজ পর্যন্ত কওমী ঘরনার কেউ করেনি। পদ পাওয়ার জন্য তার ভূমিকা সফল হয়েছে। তিনি আজ বেফাকের মহাপরিচালক। তাই একই পদ্ধতিতে ছোট ভাই মিথ্যাকে অবলম্বন করে প্রচার করছেন খতিব সাহেব আত্মগোপন করেছে। পালিয়েছে। একজন আলেমের মুখে আর একজন আলেম সম্পর্কে এমন মিথ্যাচারের নজির তিনিই প্রথম।

#জুমা_না_পড়ানো
প্রথম দুই জুমায় তিনি অসুস্থ ছিলেন। ফলে বিরোধীদের আনন্দ উল্লাস অনেক বেড়েছে। তাই উপদেষ্টাদের অনুমতি পেয়েও তিনি জুমায় অংশগ্রহণ করেননি। কারণ তিনি চান না তাকে নিয়ে একটা বিব্রতকর পরিস্থিতি তৈরি হোক। ৪/৫ হাজার মানুষের নিরাপত্তা নিয়ে জুমার নামাজ পড়ানোর সক্ষমতা তার ছিল। বলা হয়েছে। কিন্তু তিনি বলেন জুমা পড়ানো এমন কি হালুয়া? যেটা জোরপূর্বক আমাকে অর্জন করতে হবে? লোভিং করে, প্রভাব দেখিয়ে খতিব থাকতে হবে?

#স্বঘোষিত_নতুন_খতিব
হুজুর জুমার মসজিদে না আসায় মসজিদ কর্তৃপক্ষ ডা. অলিউর রহমান ও মাওলানা মোঃ আব্দুল্লাহ সাহেবকে
অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে জুমার নামাজ পড়াতে বলেন। সেই থেকে মাওলানা আব্দুল্লাহ সাহেবকে একবারও জুমা পড়াতে না দিয়ে ডা. অলিউর রহমান জুমা পড়াতে থাকেন। প্রথম জুমার বয়ান করার পরেই তিনি মুসল্লিদের উদ্দেশ্যে বলেন; বয়ান কেমন হলো? পছন্দ হয়েছে? সামনের জুমা আমি পড়াবো? এভাবে জাতীয় মসজিদের মেম্বারে বসে নিজের পক্ষে মতামত নেওয়ার চেষ্টা করেন। একজন মানুষের মধ্যে খতিব হওয়ার কতটা স্বপ্ন থাকলে এমন হয়? পূর্ণ বক্তব্য শুনে দেখবেন একটু পরপরই বর্তমান সরকারের প্রশংসা, নিজের প্রশংসা, আর কিছু চাটুকারিতা ছাড়া কিছুই নেই। অথচ তিনিই সাবেক প্রধানমন্ত্রীর সাথে বসে বিভিন্নভাবে তার প্রশংসা করছেন। বঙ্গবন্ধুকে জাতীর পিতা, শহীদ আখ্যায়িত করে শুধু প্রশংসা প্রদর্শনের জন্য লাইভে এসে বক্তব্য দিয়েছেন। এমনকি ইসলামিক ফাউন্ডেশনে তার নিয়োগ এই চাটুকারিতার ফলেই হয়েছিল। সর্বশেষ যেভাবে তিনি এই একজন আলেমের প্রতি মিথ্যাচার করলেন, তা জাতি আজীবন মনে রাখবে। খতিবের পদ তার কাছে এতলোভনীয় পদ যে, এর জন্য প্রয়োজনে তিনি আখেরাতও নষ্ট করতে পারেন। মনে রাখবেন এক সময় জাতি তার কর্মকাণ্ড সম্পর্কে অবগত হবে। যেমন তার ভাইয়ের ক্ষেত্রে হয়েছে। হয়তোবা তখন আর সময় থাকবে না।

আল্লাহ আমাদেরকে সঠিক বিষয় বুঝার তাওফিক দান করেন।

30/08/2024
27/08/2024

সীমা অতিক্রম হয়ে গেছে
ওয়াল্লাহি সামনে যদি পাই
বিনা বাক্যে যা পাই তা দিয়েই জ'ব।'ই করবো
ইনশাআল্লাহ 👇

27/08/2024

নোয়াখালী বাসীর প্রতি
সকলে এগিয়ে আসুন।

23/08/2024

নোয়াখালীতে অনেক মানুষ পানি বন্দী
#বৃষ্টি কম হলেও, বাহিরের পানি এসে আগের চেয়ে বেড়ে চলছে।
#এখন পানি বন্দী থেকে মানুষ উদ্ধার করা থেকে শুকনা খাবার ও পানিও ও মোমবাতি অনেক বেশি প্রয়োজন।
#বিদুৎ বিছিন্নের কারণে মানুষের আতংকে আছে😭
#এই মূহুর্তে আমাদের শুকনা খারাব অনেক প্রয়োজন আপনার এগিয়ে আসুন।
আমরা শ্রম দিতে প্রস্তুত আছি।
#যারা সহযোগিতা করতে ইচ্ছুক যোগাযোগ করুন : 01975813116
বিকাশ /নগদ পার্সেনাল নাম্বার।

19/08/2024

ইমামে আজম ইমাম আবু হানিফা রহ: সম্পর্কে রাসূল সা: এর ভবিষৎবাণী -------------
-----------------------------------------------

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা নাবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে বসেছিলাম। এমন সময় তাঁর উপর অবতীর্ণ হলো সূরাহ জুমু‘আহ ৩ নাম্বার আয়াত ( তাকে প্রেরণ করা হয়েছে তাদের অন্যান্য লোকদের জন্যও, যারা এখনও তাদের সঙ্গে মিলিত হয়নি।সূরাহ আল-জুমু‘আহ৩) ’ তিনি বলেন, আমি জিজ্ঞেস করলাম, তারা কারা? তিনবার এ কথা জিজ্ঞেস করা সত্ত্বেও তিনি কোন উত্তর দিলেন না। আমাদের মাঝে সালমান ফারসী (রাঃ)-ও উপস্থিত ছিলেন। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম সালমান (রাঃ)-এর উপর হাতে রেখে বললেন, ঈমান সুরাইয়া নক্ষত্রের নিকট থাকলেও আমাদের কতক লোক অথবা তাদের এক ব্যক্তি তা অবশ্যই পেয়ে যাবে।

,,,[৪৮৯৮; মুসলিম ৪৪/৫৯, হাঃ ২৫৪৬, আহমাদ ৯৪১০] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৫২৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৪৫৩৩)

সালমান ফারসি ৩৬ হিজরী সনে ২৫০ মতান্তরে ৩৫০ বছর বয়সে মাদায়েন শহরে ইন্তেকাল করেন। পক্ষান্তরে সাহাবীদের মধ্যে সবর্শেষ ইন্তেকাল করেন হযরত আবু তোফায়েল (রা.) ১১০ বা ১২০ হিজরী সনে। এ পর্যন্ত সময়কালকে সাহাবায়ে কেরামের যুগ বলা হয়।রাসূল সা. বোঝাতে চাইলেন, ﻭﺁﺧﺮﻳﻦ ﻣﻨﻬﻢ আয়াতের

“”উদ্দেশ্য হচ্ছে, ইমাম আযম আবু হানিফা। কেননা ইমাম মালেক আরবের আসবাহী বংশের, ইমাম শাফেয়ী কুরাইশ বংশের, ইমাম আহমদ বিন হাম্বল শাইবানি বংশের।এদের কেউই পারাস্যের নন।কেবল ইমাম আবূ হানিফা-ই পারস্যের অধিবাসী। আকাশের সুরাইয়া তারকার নিকটও যদি ইমান/ইলম থাকে পারস্যের এক ব্যক্তি /সালমান ফারসীর বংশের এক ব্যক্তি তা অবশ্যই অর্জন করতে সক্ষম বা পারসী সন্তানদের মধ্যে এক ব্যক্তি সেখান থেকে তা গ্রহণ করবেন। সুতরাং ইমাম আজম আবূ হানিফা-ই হচ্ছেন হাদিসে ঘোষিত ব্যক্তি।

,,,এ- মর্মে ত্বহাবী শরীফের ভৈরুর (লেবানন)নুসখার প্রথম খন্ডের ৫-৬ পৃষ্ঠায়, হিন্দুস্তানিয় নুসখার ৭ নং পৃষ্ঠায় বলা হয়েছে-

ﺍﻹﻣﺎﻡ ﺍﻷﻗﺪﻡ ﺍﻟﻬﻤﺎﻡ ﺍﻷﻋﻈﻢ ﺍﻷﻓﺨﻢ ﻧﺎﺋﻞ ﺍﻟﺪﺭﺟﺎﺕ ﺍﻟﻌﻠﻰ ﺑﺸﻬﺎﺩﺓ ﻟﻮ ﻛﺎﻥ ﺍﻟﻌﻠﻢ ﻋﻨﺪ ﺍﻟﺜﺮﻳﺎ ﻓﺨﺮﺍﻷﻣﺔ ﺍﻟﻤﺤﻤﺪﻳﺔ ﻧﺎﺷﺮﺍﻟﺴﻨﺔ ﺍﻟﻤﺼﻄﻔﻮﻳﺔ ﻗﺮﻡ ﺍﻟﻔﻘﻬﺎﺀ ﻭ ﺍﻟﻤﺤﺪﺛﻴﻦ ﻭﻣﻌﻈﻢ ﺃﻫﻞ ﺍﻟﺼﻼﺡ ﻭﺍﻟﺪﻳﻦ ﺇﻣﺎﻣﻨﺎ ﻭ ﺇﻣﺎﻡ ﺍﻟﻤﺴﻠﻤﻴﻦ ﻣﻦ ﻟﺪﻥ ﻋﻬﺪ ﺍﻟﺘﺎﺑﻌﻴﻦ ﺇﻟﻰ ﻳﻮﻡ ﺍﻟﺪﻳﻦ ﺃﺑﻮﺣﻨﻴﻔﺔ ﺍﻟﺼﻮﻓﻰ ﺍﻟﺘﺎﺑﻌﻰ ﺍﻟﻜﻮﻓﻰ ﺭﺡ ‏( ﻃﺤﺎﻭﻯ ﺷﺮﻳﻒ ﺝ 6-5 )

অর্থ,,,ইমামে আজম হযরত আবু হানিফা (রহ.) মুজতাহেদ ইমামগণের সর্বপ্রথম ও সবচেয়ে বড় ইমাম। তিনি গভীর জ্ঞানের অধিকারী ও ইমামদের মধ্যে সর্বোচ্চ মর্যাদার অধিকারী। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের ভবিষ্যদ্বানী, “যদি ইলম আকাশের সূরাইয়া তারকার কাছেও থাকে তবুও কেউ তা হাসিল করবেন”, সেই সৌভাগ্য তিনিই অর্জন করেছিলেন। তিনি উম্মতে মোহাম্মদীর জন্য গর্বস্বরূপ এবং সুন্নতের প্রচার-প্রসারকারী। তিনি সকল ফকিহ ও মুহাদ্দেসগণের সর্দার ও তাদের মাথার মুকুট। তিনি দ্বীনদার বুযুর্গগণ ও মাশায়েখগণের মহান ব্যক্তিত্ব। তিনি তাবেঈগণের যুগ থেকে কেয়ামত পর্যন্ত আমাদের ও মুসলমানদের ইমাম। তিনি একজন সূফি এবং কুফী-তাবেঈ ছিলেন।

,,(তাহাবী শরিফ ভইরুর নসখা-১খ.৫-৬পৃ.হিন্দুস্তানিয় নুসখা ৭পৃ. )

।আল্লামা উসমানী রহ.তাফসীরে উসমানীতে বলেন-“হযরত শাহ সাহেব রহ. লিখেন যে,-আল্লাহ তায়ালা আরবদের সৃষ্টি করেছেন এই দ্বীনকে প্রতিষ্ঠার জন্য যাদের পিছনে রয়েছে অনারবী কামেল লোকেরা”। হাদিসের মধ্যে এসেছে-“যখন নবীজী সা. কে এই আয়াত ﺁﺧﺮﻭﻥ ﻣﻨﻬﻢ ﻟﻤﺎ ﻳﻠﺤﻘﻮﺍ ﺑﻬﻢ ﻭ এর ব্যাপারে প্রশ্ন করা হল তখন নবীজী সা. হযরত সালমান ফারসী রা. এর কাঁধে হাত রেখে বললেন-“যদি ইলম বা দ্বীন “সুরাইয়া” পর্যন্ত গিয়ে পৌঁছে তাহলে তাঁর জাতি পারস্যের লোকেরা সেখান থেকেও তা নিয়ে আসবে। শায়েখ জালালুদ্দীন সুয়ুতী রহ. প্রমুখগণ একথা স্বীকার করেছেন যে, এই ভবিষ্যতবাণীর বড় মিসদাক (লক্ষ্য) হল ইমামে আজম আবু হানীফা রহ.”। (তাফসীরে উসমানী হাশিয়া নং-৭)

উপরোক্ত মুসলিম শরীফের হাদীসের ব্যাখ্যায় ইমাম জালালুদ্দীন সুয়ুতী রহ:
তাবয়ীযুস সহীফা’ কিতাবে ‘তাবশীরুন নাবীয়্যী বিহী’ শিরোনাম অধ্যায়ে বলেন

ﺍﻗﻮﻝُ، ﻭﻗﺪْ ﺑُﺸِّﺮَ ﺑﺎﻻِﻣﺎﻡِ ﺃﺑﻲ ﺣﻨﻴﻔﺔَ ﻓﻰ ﺍﻟﺤﺪﻳﺚِ আমি বলি,এই হাদীসে ইমাম আবু হানিফা রহ: সম্পর্কে সুসংবাদ দেয়া হয়েছে। পরিশেষে উক্ত কিতাবের ৩১-৩৩ পৃষ্টায় তিনি বলেন, ইমাম আজমের ব্যাপারে এ হাদীসের সুসংবাদ ও মর্যাদা বিশুদ্ধ ও নির্ভরযোগ্য।
ইমাম জালাল উদ্দিন সুয়ুতী কোন হানাফী আলেম নয়, তিনি ছিলেন শায়েফী মাযহাবের প্রসিদ্ধ আলেম,সেই ইমাম জালাল উদ্দিন সুয়ূতী বলেন, উক্ত হাদিস দ্বারা ইমাম আযম আবূ হানিফাই ছিল উদ্দেশ্য।

,,, বিখ্যাত মুহাদ্দিস আল্লামা ইবনে হাজার হাইসামী (রহঃ) শাফেয়ী মাযহাবের মুকাল্লিদ হওয়া সত্যেও লিখেছেন,

ইমাম ইবনে হাজর হায়তামী (ওফাত ৯৭৩হি.) তাঁর আল ’খায়রাতুল হিসান’ কিতাবের একটি অধ্যায়ে বর্ণনা করেন-

ইমাম আবু হানীফা সম্পর্কে রাসূলুলস্নাহর ’সুসংবাদ বিষয়ক হাদীস’ অধ্যায়ের প্রারম্ভে তিনি বলেন-
এতে কোনো সন্দেহ নেই যে, এ দ্বারা ইমাম আবু হানীফা উদ্দেশ্য|

,,কেননা, তাঁর সমসাময়িক পারস্যবাসীদের মধ্যে কোনো ব্যক্তি তাঁর জ্ঞানের সীমায় এমনকি তাঁর ছাত্রদের জ্ঞানের সীমা পর্যন্ত পৌঁছতে সক্ষম হয়নি|

,, (ইবনে হাজর হায়তামী, ১৯৮৩, পৃ. ২৪

“” ইবনে হাজার মক্কী রহ: শাফেয়ী মাযহাব এর অনুসারী ছিলেন তিনি বলেন “অনারব এক জাতী”র বিষয়ে সহীহ সনদে একটা হাদীস পাওয়া যায়-

“”নবিজী সাল্লাল্লাহু আলাইহী ওয়াসাল্লাম বলেন-

ﺍﻟْﻌَﺠَﻢُ ﻳُﺸْﺮِﻛُﻮﻧَﻜُﻢ ﻓﻰ ﺩﻳﻨَﻜﻢ ﻭﺍﻧﺴﺎﺑِﻜﻢ،ﻗﺎﻟﻮﺍ ﺍﻟﻌﺠَﻢُ ﻳﺎ ﺭﺳﻮﻝَ ﺍﻟﻠّٰﻪ؟ﻗﺎﻝ ﻟﻮ ﻛﺎﻥ ﻣﻌﻠَّﻘًﺎ ﺑﺎﻟﺜُّﺮﻳَّﺎ ﻟﻨﺎﻟَﻪُ ﺭﺟﺎﻝٌ ﻣِﻦَ ﺍﻟﻌﺠﻢِ ﻭﺍَﺳْﻌَﺪُﻫﻢ ﺑﻪ ﺍﻟﻨﺎﺱُ

“” অনারব তোমাদের দ্বীন ও বংশে তোমাদের সাথে শরীক হবে।তারা প্রশ্ন করলো অনারব!ইয়া রাসুলাল্লাহ?

“””নবিজী উত্তরে বললেন যদি ঈমান সপ্তর্ষিমণ্ডলস্হ সুরাইয়া সেতারা চুডায়ও পৌছে যায় তখনও পারস্যবাসী থেকে কিছু ব্যক্তি তা অর্জন করে নিবে;এর কারনে তারা মানুষদের মধ্যে সবচেয়ে সৌভাগ্য অর্জন করবে।

সনদের মান:-ইমাম হাকেম বলেন হাদীসটি বুখারী মুসলিমের শর্তানুযায়ী সহীহ। সুত্র:-মুসতাদরাক-কিতাবু তাবরিরুর রুইয়া ৪/৪৩৭, হাদীস নং ৮১৯৪;

আল্লামা জালালুদ্দীন সুয়ূতী (রহঃ) এই হাদীসটি উল্লেখ করার পর লিখেছেন, “আমি বলছি যে হুযুরে আকরাম (সাঃ) ইমাম আবু হানীফা (রহঃ) সম্পর্কে এই হাদীসে সুসংবাদ দিয়েছেন ।”

তাবয়ীযুস সাহীফাহ ফি মানাক্কিবুল ইমাম আবী হানীফাহ, পৃষ্ঠা-১৬)

তিনি আরও বলেন
“”””””””””” কেননা!

চার ইমামের মধ্যে ইমাম আবু হানীফা ছাড়া অন্য কেউ পারস্যের ছিলেন না|

,উল্লেখ্য, ইমাম মালিক (রহ.) মদীনায় ৯৩ হিজরীতে জন্ম লাভ করেন| (যাহাবী, সিয়ারু, আ’লামিন নুবালা, ১৪১৩ হি, ৮/৪৮)

ইমাম শাফে’ঈ ১৫০ হিজরীতে বায়তুল মুক্বাদ্দিসের গাজায় জন্মলাভ করেন| (নভভী, তাহযীবুল আসমা ওয়াল লুগাত, ১/৬৮) ইমাম আহমদ ইবনে হাম্বল মাতা-পিতা উভয় দিক থেকে আরবী| তিনি বাগদাদে ১৬৪ হিজরীতে জন্ম লাভ করেন|

,,(মযী, তাহযীবুল কামাল, ১৯৮০, ১/৪৩৭)

সুতারাং এ কথা স্পষ্ট যে,রাসূল সা: এর ভবিষৎবাণীর ব্যাক্তি ইমাম আবু হানিফা রহ: ই ছিলেন।

তাছাড়া----
মুসনাদে আহমাদের বর্ণনায় ৫ জায়গায়---“ইলম যদি সুরাইয়া তারকার….. তাহলে পারস্যের এক ব্যক্তি……”।
এই হাদিসটি একাধিক সনদে এসেছে।

[ মুসনাদে আহমাদ ২/২৯২, ৩০৯, ৩০৭৮, ৪৬৯, ৪২০] হাদীসটির মান: মুসনাদে আহমাদে বর্ণিত হাদীসটি সহীহ।
[দেখুন, মাজমাউজ জাওয়ায়িদ লিল হাইসামি, পূর্ণ নাম নুরুদ্দীন আলী বিন আবী বাকার আল হাইসামী, দারুল কুতুব বৈরুত থেকে ছাপা, ১৪০৭ হিজরী, ১০/৬৪ পেজ].তিরমিযী ও নাসায়ীতেও এই হাদীসটি বর্ণিত আছে।.আলবানীর সহীহা ১১/৬২, ১০১৭ নং হাদীস।

তিরমিযীতে ও ‘পারস্যের একজন’ এই শব্দ বর্ণিত হয়েছে। ইমাম আবু নুয়াইম ইস্পাহানী ‘তারীখে ইস্পাহান’ এ এই হাদীসের সমস্ত সনদ একসাথে উল্লেখ করেছেন। ইমাম সিরাজী ও তাবারানীও এই হাদীস উল্লেখ করেছেন।
মুহাক্কিক উলামারা আবু হানিফা রহঃ এর কথাই সবাই বলেছেন; তার সাথে অন্য কার ও কারও কথা ও কেউ বলেছেন কিন্তু ইমামে আযম রহ এর উপরেই সকলে জোর দিয়েছেন যেহেতু উনি মুসলিম উম্মাহ-র ফিক্বহ শাস্ত্রের জনক।
এজন্যই ইমাম শাফীঈ রহ বলছেন

ﺍﻟﻨﺎﺱ ﻋﻴﺎﻝ ﻋﻠﻰ ﺃﺑﻲ ﺣﻨﻴﻔﺔ ﻓﻲ

ﺍﻟﻔﻘﻪ.

তিনি আরও বর্ণনা করেন-
‎ﺍﻟﻨﺎﺱ ﻋﻴﺎﻝ ﻋﻠﻰ ﺃﺑﻲ ﺣﻨﻴﻔﺔ ﻓﻲ ﺍﻟﻔﻘﻪ

রসুলুল্লাহ সঃ থেকে বর্ণিত হাদিসে পারস্য ব্যক্তির অসাধারণ কৃতিত্বের সু-সংবাদও ভবিষ্যৎবাণী করেছেন, বিশেষজ্ঞ উলামাদের মতে বিশেষ করে ইমাম সূয়ুতি রহ. , ইবনে হাজার আসকালানী রহ. , ও শাহ ওলীউল্লাহ মুহাদ্দেসে দেহলভি রহ. প্রমুখদের গবেষনার আলোকে সেই সু-সংবাদ প্রাপ্ত ব্যক্তি হলেন ইমামে আজম ইমাম আবু হানিফা রহ. । কেননা পারস্য বা অনারবে তিনিই ইতিহাসের একমাত্র প্রথিতযশা ও ক্ষনজন্মা ব্যক্তিত্ব যিনি ইলম – প্রজ্ঞা ও ইজতিহাদ তথা কোরান – সুন্নাহর গবেষনায় চরম উৎকর্ষতা অর্জন করেছিলেন।
(তাবয়ীযুস দ সহিফা:২০-২১, আল- খাইরাতুল হিসান:২৯, উকূদুয যমান: ৪৫)
ইমাম আবু হানিফা রহঃ কুফার অধিবাসী ছিলেন, আর কুফা, বসরা ইত্যাদি স্থান পারস্যের কেন্দ্রবিন্দু।
ইমাম সূয়ুতি রহঃ লেখেন – ইমাম আবু হানিফা রহ: প্রতি রাসূল সা: এর সুসংবাদ এবং তার শ্রেষ্ঠতের উপড় উক্ত হাদিস টি অত্যান্ত নির্ভরযোগ্য এবং বিশুদ্ধতম( তাবয়ীযুছ ছহীফা-২০)

(তাবারানী)
হাদীস শরীফে এসেছে, অর্থাৎ “ফারিসকে গালি দিওনা কেননা সেখানকার আলেম পৃথিবীকে জ্ঞানে পূর্ণ করে দেবে । ”আল্লামা জালালুদ্দীন সুয়ূতী (রহঃ) এই হাদীসটি উল্লেখ করার পর লিখেছেন, “আমি বলছি যে হুযুরে আকরাম (সাঃ) ইমাম আবু হানীফা (রহঃ) সম্পর্কে এই হাদীসে সুসংবাদ দিয়েছেন ।”
(তাবয়ীযুস সাহীফাহ ফি মানাক্কিবুল ইমাম আবী হানীফাহ, পৃষ্ঠা-১৬)

উক্ত হাদীস গুলি উল্লেখ করার পর আল্লামা জালালুদ্দীন সুয়ূতী (রহঃ) শাফেয়ী মাযহাবের বিখ্যাত মুহাদ্দিস হওয়া সত্যেও লিখেছেন, “এই হাদীসগুলিতে রাসুলুল্লাহ (সাঃ) ইমাম আবু হানীফা (রহঃ) সম্পর্কে সুসংবাদ দিয়েছেন যাতে ইমাম সাহেবের উপর পরিপূর্ণ আস্থা রাখা যেতে পারে।”

(তাবয়ীযুস সাহীফাহ ফি মানাক্কিবুল ইমাম আবী হানীফাহ, পৃষ্ঠা-১৭-১৮)
আরও একজন বিখ্যাত মুহাদ্দিস আল্লামা ইবনে হাজার হাইসামী (রহঃ) শাফেয়ী মাযহাবের মুকাল্লিদ হওয়া সত্যেও লিখেছেন, “এই বিষয়ে কোন সন্দেহ নেই যে, আলোচ্য হাদীসে ইমাম আবু হানীফা সম্পর্কে ভবিষ্যৎ বানী করা হয়েছে । কেননা ইমাম সাহেবের যুগে পারস্য বংশীয় কোন ব্যাক্তি ইসলামী জ্ঞান ও পাণ্ডিত্যে ইমাম সাহেব ও তাঁর শিষ্যদের সমতুল্য হতে পারেনি । এই ভবিষ্যৎ বাণী রাসুলুল্লাহ (সাঃ) এর মো’জেজাও প্রকাশ পাচ্ছে।”

(আল খাইরাতুলহিসান, পৃষ্ঠা-১৭)

❑ ইমাম আযম আবূ হানিফা রহ: উক্ত গৌরবান্বিত সু-সংবাদের সাথে সম্পৃক্ত হওয়ার জন্য আরেফ-ই কামেল সৈয়দ আলী হাজভীরি’ রহ: বলেনঃ

“হযরত ইয়াহ্য়া বিন মা’আয ( রহ:) বলেন যে, আমি একদিন রাসূলুল্লাহ (স:) কে
স্বপ্নে দেখলাম। তখন আমি আরজ করলাম,
ইয়া রাসূলাল্লাহ ﷺ আপনাকে আমি কোথায় তালাশ করবো! হুযূর ﷺ ইরশাদ ফরমালেনঃ ‘ইন্দা ইল্মে আবী হানীফাহ্ ‘ অর্থাৎ আবু হানিফার জ্ঞান সমুদ্রে তালাশ করো।”
[কাশফুল মাহজুব; পৃ.২২৪]

❑ ইমাম আবূ হানিফা রহঃ কে হযরত আলী রাঃ দুআ করেছিলেনঃ.

أخبرنَا أَبُو حَفْص عمر بن إِبْرَاهِيم المقرىء قَالَ أَنا مكرم بن أَحْمد قَالَ ثَنَا أَحْمد ابْن عبيد الله بن شَاذان الْمروزِي قَالَ حَدثنَا أبي عَن جدي قَالَ سَمِعت إِسْمَاعِيل ابْن حَمَّاد بن أبي حنيفَة يَقُول أَنا إِسْمَاعِيل بن حَمَّاد بن النُّعْمَان بن ثَابت بن النُّعْمَان ابْن الْمَرْزُبَان من أَبنَاء فَارس الْأَحْرَار وَالله مَا وَقع علينا رق قطّ ولد جدي فِي سنة ثَمَانِينَ وَذهب ثَابت إِلَى عَليّ بن أبي طَالب رَضِي الله عَنهُ وَهُوَ صَغِير ودعا لَهُ بِالْبركَةِ فِيهِ وَفِي ذُريَّته وَنحن نرجو من الله ان يكون قد اسْتَجَابَ الله ذَلِك لعَلي بن أبي طَالب رَضِي الله عَنهُ فِينَا

আবু হানিফার পৌত্র ইসমাঈল রহঃ বলেনঃ

আমি ইসমাঈল ইবন হাম্মাদ ইবন নুমান ইবন সাবিত ইবন নুমান ইবন মারযুবান। আমরা পারস্য বংশোদ্ভূত এবং কখনো দাসত্বের শৃঙ্খলে আবদ্ধ হই নি। আমার দাদা (আবূ হানিফা রহঃ) ৮০ হিজরীতে জন্ম গ্রহণ করেন। (আবূ হানিফার রহঃ পিতা) সাবিত রহঃ শৈশবকালে আলী (রা)-এর নিকট উপস্থিত হন এবং হযরত আলী রাঃ তাঁর ও তাঁর বংশের মঙ্গলের জন্য দুআ’ করেছিলেন । আমরা আশা করি তাঁর ঐ দুআ নিষ্ফল হয় নি।

সাইমারী, আখবারু আবী হানীফাহ ওয়া আসহাবিহী, পৃ.-১৬; মিজ্জি, তাহযিবুল কামালঃ ২০/৪২৩ ইবন হাজার হাইতামী, আল-খাইরাতুল হিসান ফী মানাকিবি আবী হানীফাহ নুমানঃ ৩০।

/////

ইমাম আযম আবূ হানিফা ’দিরায়তে হাদীসে’ যেমন সকলের জন্য অনুকরণীয়, তেমন ’রেওয়াতে হাদীসে’ও তিনি সর্বজন স্বীকৃত ইমাম ছিলেন; কিন্তু যার ব্যক্তিত্ব যত বেশি তার বিরোধিতাও তত বেশি| ইমাম আ’যমকেও বিরোধিতা ও শত্রুতার কঠিন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হয়েছে বারংবার| বিগত কয়েক শতাব্দী ধরে তাঁর বিরোধিতার যে প্রপাগাণ্ডা চলছে তা হলো তিনি ইলমে হাদীস সম্পর্কে অনবিহিত ও অনভিজ্ঞ ছিলেন (নাঊযুবিল্লাহ)|

এটি তাঁর বিরুদ্ধে এক জঘন্য অপবাদ| যেখানে কুরআন,হাদীস প্রমাণ করে, ইমাম আবু হানিফার শ্রেষ্ঠত্বের কথা। সেখানে কিছু কিছু ওলামাদের বিচ্ছিন্ন “যেরা” কে পুজি করে কুরআন,হাদীসের “তাদীলের” বিপরিত দলিল কায়েম করে ইমাম আবূ হানিফার দিরায়তে হাদীস” ও ’রেওয়াতে হাদীস- কে প্রত্যাখ্যান করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে। আফসুস তাদের জন্য,যাদের মধ্যে ইনসাফের লেশমাত্রাও নেই। আরো আফসুস হয় তাদের জন্য , যারা ইমাম আবু হানিফা (রহ.)-এর সম্পর্কিয় আয়াত ও হাদীসসমূহের উপরও ইনসাফ করতে পারেনি। জানিনা উক্ত আয়াত ও সহীহ হাদিসের বিরুধীতা পূর্বক তাদের ইমান ও আখেরাতের পরিণতি কি হবে।

“আল্লাহ আমাদের সে ভাইদের হিংসাকে বন্ধুতে পরিণত করেদিন, তাদের অন্তরকে প্রশস্ত করে দিন। তাদের অপপ্রচারে আমাদের সবরে জামীল ইখতিয়ার করার তাওফীক দান করুন। আমীন

14/07/2024

আমরা তো মাজহাব মানি না। কোরআন সুন্নাহ মানি। কিন্তু কোরআন সুন্নাহ বুঝতে গেলে আরবি ভাষার পন্ডিত ব্যাক্তিবর্গের নাহু সরফ মানতিক ফাসাহাত বালাগাত উসুলে ফিকাহ উসুলে হাদিস উসুলে তাফসির জানতে হয়।সেই ক্ষেত্রে মাজহাব প্রয়োজন হয়।মাজহাব অনেক আছে -সকল মাজহাব গিয়ে চার মাজহাবে মিলে যায়। তাই চার মাজহাবে আবদ্ধ হয়ে যায়। চার মাজহাবের মধ্যে ইমাম আবু হানিফা (রহঃ)শ্রেষ্ঠ।আমরা হানাফি মাজহাব মানি। তাঁরা হলেন কোরআন সুন্নাহ বুঝতে সহায়ক উস্তাদ। তাদের কে না মেনে বিদ্যা অর্জন অসম্ভব। মনগড়া বিদ্যা অর্জন করা যায়না। ব্যাক্তি লাগে। দুনিয়ার সকল কাজের উস্তাদ লাগে। কোরআন সুন্নাহ শিক্ষা অর্জন করতে ও উস্তাদ লাগে। উস্তাদ ছাড়া ছাত্রের যেমন মূল্য নেই, তেমনই বাবা ছাড়া সন্তানের ও মূল্য নেই।জারজ হয়।এই জন্য মাজহাব লাগে। যাদের মাজহাব লাগেনা বলে দাবি করে -দাবিটি সত্য নয়।কারণ বিদ্যা অর্জন করতে কিতাব বা বই লাগে। কিতাব বা বইটি একজন ব্যাক্তি লিখেছেন! তিনি কাহাকেও অনুসরণ করে লেখেছেন।তাই মাজহাব প্রয়োজন। মনগড়া কোনো কাজ করা সম্ভব নয়।ভূল করে বসবে। এক্সিডেন্ট করবে। সঠিক পথে যেতে ভূল করবে। ভাই ফিতনার যুগ চলছে। নবীর যুগ থেকে আমরা অনেক দূরে! কোরআন সুন্নাহ পেয়েছি মাধ্যমে মাধ্যমে। এই মাধ্যম গুলোই হলো উস্তাদ। আর এই সকল উস্তাদবৃন্দ মাজহাব মেনে কোরআন সুন্নাহর ব্যাখ্যা করেছেন।মাজহাব বিরোধী ফিতনার পিছনে ইহুদি খৃষ্টানের ষড়জন্ত্র লুকায়িত আছে। সচেতন ভাবে চলতে হবে। ধন্যবাদ

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Jatrabari?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Website

Address


Jatrabari