Dental Spa - Shifa

Dental Spa - Shifa

Share

আপনার মুখ ও দাঁতের যে কোন সমস্যার সমাধান ও সৌন্দর্যের জন্য যোগাযোগ করতে পারেন আমাদের সাথে।।

06/08/2022

Welcome to our house.....

06/08/2022
Photos from Dental Spa - Shifa's post 23/08/2021

সচেতনতা মূলক পোষ্টঃ-
**********************
দাঁতের চিকিৎসা কেনো করাবেন???
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~

➤ Samsung, IPhone, Huawei, Oppo ব্যন্ডের মোবাইল কিনবেন শো অফ করার জন্য।

➤ Armani, Lavi's, Kalvin Klein, Tommy Hilfiger, Diesel, Lee jeans, Guess, ব্যন্ডের প্যান্ট কিনবেন নিজেকে আরো স্মার্ট দেখানোর জন্য।

➤ Ralph Lauren, Adidas, Burberry, Armani, Tommy Hilfiger, Hugo Boss,
Guess, James p***e ব্যন্ডের সার্ট কিনবেন বন্ধুদের কে দেখানোর জন্য।

➤ Nike, New Balance, Adidas, Puma, Gucci, Reebok, Converse, Air Jordan, Vans, Under Armour ব্যন্ডের জুতা কিনবেন নিজেকে আরো সুন্দর দেখানোর জন্য।

➤ Jaeger-Le Coultre, A.Lange & Sohne,
Audemars Piguet, Piaget, Cartier, Benson, Longines, Tudor, Omega, Rolex, Harry Winston ব্যন্ডের হাত ঘড়ি কিনবেন অন্যকে ছাড়িয়ে যাওয়ার জন্য।

➤ Peter England, Jack & Jones,
Park Avenue, Allen Solly, Hidesign,
Titan, Red Tape, Cross ব্যন্ডের ব্যাল্ট কিনবেন নিজেকে সুনিপুণ ভাবে উপস্থাপন করার জন্য।

➤ Gucci, Montblanc, Luis Vuitton, Bellroy, Burberry, Bottega Veneta, Hermes, Armani, Harben - London
ব্যন্ডের মানিব্যাগ কিনবেন বিভিন্ন ব্যাংকের কার্ড রাখার জন্য

➤ Ray- Ban, Oakely, Maui Jim, American Optical, Tom Ford, Persol, Oliver Peoples, Prada ব্যন্ডের সানগ্লাস কিনবেন নিজেকে ডেশিং লুক দেয়ার জন্য।

➤ Polo Blue, Lacoste Eau De Blabc, Davidoff Cool Water,
Bvlgari Man in Black, Hugo Boss, Nautica Man Blue, Dolce & Gabana,
Jaguar Man Classic ব্যন্ডের পারফিউম কিনবেন অন্য মানুষের কাছে নিজেকে জানান দেয়ার জন্য।

এতকিছুর পরেও যখন কথা বলার সময় আপনার মুখ থেকে দুর্গন্ধ বের হবে এবং আপনার সামনে থাকা লোকগুলো নাক চেপে আপনার সাথে কথা বলবে। তখন কিন্তু আপনার সব আয়োজন ম্লান হয়ে যাবে।

তাই এহেন পরিস্থিতি এড়াতে নিয়মিত আপনার ডেন্টিস্টের কাছে দাঁতের চিকিৎসা নিন।

করোনা কালীন সময়ে আপনার দাঁত ও মুখের সকল রোগের চিকিৎসায় আমরা আছি আপনাদের পাশে।

Photos from Dental Spa - Shifa's post 10/07/2020

:

#চেনার উপায় (লক্ষণ/উপসর্গ):
১.ঠোঁট, জিহ্বা, মাড়ি ও গালের ভেতরের দিকে হয়
২.সাধারণত পৃষ্ঠস্থ বা অগভীর হয়ে থাকে
৩. গোলাকার বা ডিম্বাকার হয়ে থাকে
৪. সাধারণত ১০ মি.মি. এর চেয়ে ছোট হয়, তবে কখনও কখনও এর চেয়ে বড়ও হতে পারে।( নিচের ছবিতে দৃশ্যমান)
৫.এর রঙ হালকা হলুদ বা সাদা, কিন্তু এর চারপাশ ফোলা ও লাল হয়
৬.এতে কম-বেশী ব্যথা হয়, খাবার খেতে গেলে জ্বালাপোড়া হয়
৭.একসাথে ১-৬ টি হতে পারে
৮.৫-৭ দিনের মধ্যে সেরে যায়
৯.১-৪ মাস পরপর হতে পারে
১০.সাধারণত সেরে যাওয়ার পর কোন স্কার বা দাগ থাকে না।

#কারণ:
বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এর কারণ জানা যায় না, তবে কখনও কখনও এটি নিম্নলিখিত কারণসমূহের কোনটির জন্য হয়ে থাকে:
১.আঁকাবাকা, ধারালো বা ভাঙা দাঁতের কামড়
২.আয়রন, ভিটামিন বি১২ বা ফলিক এসিড এর অভাব
৩.মহিলাদের মাসিকের আগে, মেনোপজের পরে
৪.মানসিক চাপ বা উদ্বিগ্নতা
৫.কোন কোন ওষুধ যেমন- এন্টি ইনফ্লেমেটরি ড্রাগস, নিকোটিন থেরাপি(ওরাল) ইত্যাদির পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া
৬.এলার্জি
৭.বংশগত
৮.বিভিন্ন রোগ, যেমন-সিলিয়াক ডিজিজ, ক্রন’স ডিজিজ, এইচ আই ভি /এইডস, কোলন ক্যান্সার ইত্যাদি।

#পরামর্শ:
১.দৈনিক সকালে ঘুম থেকে উঠে ও রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে ভালোভাবে দাঁত ব্রাশ করুন
২.মুখ ও জিহ্বা সর্বদা পরিষ্কার রাখুন
৩.প্রতিদিন পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি পান করুন
৪.পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ করুন
৫.অধিক মশলাযুক্ত খাবার খাবেন না
৬.মাঝে মাঝে লবণ-পানি দিয়ে গড়গড়াসহ কুলি করুন
৭.মানসিক চাপ মুক্ত থাকুন
৮.ধূমপানের অভ্যাস থাকলে ত্যাগ করুন
৯.পান যদি খেতেই হয় জর্দা ছাড়া খাবেন
১০.দৈনিক ৬-৮ ঘন্টা ঘুমাবেন।

আকাঁবাঁকা দাঁত কিংবা ধারালো,ভাঙা দাঁতের কামড়ের কারনে ঘাঁ সহ, মুখগহ্বরের যাবতীয় চিকিৎসার জন্য একজন ডেন্টাল ডিগ্রিধারীর ডাক্টরের শরনাপন্ন হোন।

Photos from Dental Spa - Shifa's post 28/06/2020

* দাঁতের ফ্লুরোসিস কি?

ফ্লুরোসিস একটি দীর্ঘস্থায়ী দাঁতের রোগ।যা উচ্চস্তরের ফ্লুরাইড দীর্ঘদিন ধরে গ্রহণ করার জন্য রোগীর দাঁত এবং হার গুলিতে আক্রান্ত হয়।
কারণ: দীর্ঘদিন ধরে ডাক্তাররা এর উপস্থিতির কারণ হিসেবে দুই ভাবে ফ্লুরাইড মানুষের শরীরে অবস্থান করে বলে বুঝিয়েছেন :
১. পানি ফর্মে: যেমন কোন অঞ্চলের বাসিন্দাদের প্রভাবিত করে যেখানে অতিরিক্ত জলের মিশ্রণ গুলো পানীয় জলের পাশাপাশি খাবারে পাওয়া যায় ফ্লুরাইড। কোন ব্যক্তি পানিতে উচ্চ পরিমানে ফ্লোরাইড রয়েছে তা না জেনে গ্রহণ করতে থাকলে এই রোগের ঝুঁকি বেড়ে যায়
২. পেশাদার ফর্মে:কোন অ্যালুমিনিয়াম শিল্পের শ্রমিক রা সংস্পর্শে আসে ফ্লোরা ইন যৌগ গুলো। এই ফ্লুরাইড যৌগগুলো বায়ুমন্ডলে র মধ্যে অবস্থিত। এর প্রসার ও তীব্রতা সরাসরি পানীয় জল এবং খাদ্য ফ্লোরাইডের ঘনত্বের উপর নির্ভর করে। তাই এ রোগের ঝুঁকি বেড়ে যায়।
অতএব আমরা বলতে পারি যে মানবদেহে ফ্লোরসিস সংঘটিত হওয়ার প্রধান কারণ হলো দীর্ঘদিন ফ্লোরিন যৌগের নিয়মিত বর্ধিত ভোজন।
*****ফ্লোরাইডযুক্ত পানি 1.5 মিলিগ্রাম/লিটার ।এর চেয়ে বেশি ফ্লুরাইড থাকলে তা গ্রহণ করা যাবে না আর যদি দীর্ঘদিনগ্রহণ করা হয় তবে ফ্লুরোসিস অনিবার্য প্রকাশ পায়। প্রায়ই শিশুরা অসুস্থ হয়ে পড়ে বিশেষত যাদের বয়স চার বছরের বেশি হয় না।

লক্ষণ গুলোর মধ্যে দেখা যায় যে
*ফ্লুরোসিস এর প্রধান লক্ষণ হলো দাঁত এনামেলের পৃষ্ঠে দাগের উপস্থিতি এবং মারাত্মক রূপ হচ্ছে এনামেল ভঙ্গুরতা। যা সহজেই মাড়ির কিনারে পুরো দাঁতের উপর ক্ষত ক্ষত দাগ। দাগ গুলি সাদা বা হলুদ বর্ণের হতে পারে।সাদা থেকে আস্তে আস্তে দাঁতের উপর ডার্ক বাদামী বর্ণের পিগমেন্ট যুক্ত দাগ গুলো প্রকাশ পায় এবং দাঁতের এনামেল ক্ষয় হয় ও ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র গর্ত দেখা যায়।
মারাত্মক আকার যেটি সেটি হল এনামেল ধীরে ধীরে ধ্বংস হয় ওপুরো দাঁত নষ্ট হয়ে যায়।

চিকিৎসা:
যদি কোন রোগীর মধ্যে ফ্লুরোসিস ধরা পড়ে তবে তাড়াতাড়ি যথাসম্ভব চিকিৎসা শুরু করা উচিত।
১. প্রথমেই অবশ্যই দাঁতের দাগগুলো মোচন করতে হবে হোয়াইটেনিং পদ্ধতির মাধ্যমে। যেমন লেজার হোয়াইটেনিং উইথ হাইড্রোজেন পার অক্সাইড ব্যবহার করে।সতর্কতাঃ খেয়াল রাখতে হবে যে মাড়িতেযেন না লাগে।
২ রাসায়নিক ব্লিচিং এনজাইম হাইড্রোজেন পার অক্সাইড ব্যবহার করে। সতর্কতাঃ মারিতে যেন না লাগে
৩.যদি সম্ভব হয় ভালো ফিলিং ম্যাটেরিয়াল দিয়ে ফিলিং করা ।
৪.ফিলিং যদি সম্ভব না হয় তবে ভিনিয়ার বা ক্রাউন ফিলিং করা যায় ।
৫.ফ্লোরসিস চিকিৎসা সময় এবং এর সমাপ্তির পরে রোগীর শরীরে ফ্লুরাইড গ্রহণ কমাতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে । ফ্লুরাইড যদি পানীয় জলের ঘনত্বের বেশি থাকে তবে বোতলজাত পানি খাওয়া উচিত ।যতটা সম্ভব দুধ শাকসবজি এবং ফল খাওয়া । গুরুত্বপূর্ণ ভিটামিন সাপ্লিমেন্ট কমপ্লেক্স গ্রহণ করা । যেমন ক্যালসিয়াম গ্লুকোনেট, ক্যালসিয়াম ফসফরাস।
৬. কোন ক্ষেত্রেই টুথপেস্টে ফ্লোরাইড থাকা উচিত না। ফ্লুরাইড ছাড়া টুথপেস্ট ব্যবহার করতে হবে।
শিশুদের ক্ষেত্রে প্রাথমিক কৃত্রিম খাওয়ানোর তাড়াহুড়া করবেন না সুষম পরিপূরক খাদ্য খাওয়ানোর সময় দুগ্ধজাতীয় খাবার উচিত এবং শরীরের ভিটামিন সি এবং ডি গ্রহণের পাশাপাশি ক্যালসিয়াম শরীরের চাহিদা বিবেচনা করে তা নিশ্চিত করতে হবে ডাক্তারের পরামর্শে।
**ক্যালসিয়াম এবং ফসফরাস একটি উচ্চ উপাদান যুক্ত ভিটামিন গ্রহণের পরামর্শ দেয়া হয় যা শরীরের অতিরিক্ত ফ্লুরাইড অপসারণ করে থাকে।
৭. টুথপেস্ট এবং মাউথওয়াশ গুলি ফ্লোরাইড মুক্ত থাকতে হবে।
৮. নরম টুথব্রাশ ব্যবহার করবেন।
পানিতে ফ্লুরাইডের পরিমাণ হবে প্রতি লিটারে ১.৫ মিলিগ্রাম।
৯. বাসার খাওয়ার পানিতে যদি ফ্লুরাইড বেশি থাকে তবে সে পানি খাওয়া যাবে না। বোতলজাত পানি খেতে হবে। এরকম রোগীদের ক্ষেত্রে বাসা বা অঞ্চলের পানি পরীক্ষা করে নিতে হবে। জানতে হবে ফ্লুরাইড এর পরিমাণ কতটুকু আছে।

ডেন্টিস্ট
আনতারা ফাহমিদা

26/06/2020

দন্ত সংরক্ষন বিদ্যা (কনজারভেটিভ ডেন্টিস্ট্রি) > (এন্ডোডনটিকস) (পর্ব -৩)।

আজকের অলোচনার বিষয়বস্তু
ইন্ট্রাক্যানাল মেডিক্যামেন্টস (দাতেঁর ক্যানাল এ ব্যবহার্য ঔষধসমূহ)।

রুট ক্যানাল চিকিৎসায় চুড়ান্ত সাফল্য লাভ করতে হলে ক্যানাল থেকে ব্যাকটেরিয়া ও তার উপজাত এবং পাল্পের নির্জীব অংশ সম্পুর্নভাবে দূর করতে হবে। এ ক্ষেত্রে ইন্ট্রাক্যানাল মেডিক্যামেন্টস গুরুত্ববাহী ভূমিকা পালন করে থাকে।

দন্ত চিকিৎসায় ইন্ট্রাক্যানাল মেডিক্যামেন্টস সাধারনত ডিসইনফেকশন, শক্ত টিস্যু তৈরী করা, এপেক্সেফিকেশন, ব্যাথ্যা নিয়ন্ত্রণ, দাতঁ থেকে ক্ষরিত বস্তু বা রক্ত ক্ষরন নিয়ন্ত্রণ, প্রদাহজনিত রুট রিজর্বশন ইত্যাদি ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়ে থাকে।

ইন্ট্রাক্যানাল মেডিক্যামেন্টস এর অাদর্শ বৈশিষ্ট্য সমূহ :

- শক্তিশালী এবং বিস্তৃত বর্নালীর ব্যাকটেরিয়া ও ছত্রাক রোধী হবে।
- এপিকাল টিস্যুতে কোন বিরুপ প্রতিক্রিয়া করবেনা।
- মেডিক্যামেন্টস এর শক্তিশালী কার্যকারিতা অক্ষুন্ন থাকবে।
- দীর্ঘ সময় জীবাণু প্রতিরোধী কার্যকারিতা প্রদর্শন করবে।
- দন্ত টিস্যুর ( রক্ত, সিরাম, প্রোটিন) উপস্থিতিতে কার্যকর থাকবে।
- কোন প্রকার হাইপারসেনসিটিভিটি (অতিস্পর্শকাতরতা) ও এলার্জিক প্রতিক্রিয়া করবে না।
- এপিকাল টিস্যু পুর্নগঠনে বাধাগ্রস্থ করবেনা।
- সহজে ব্যবহার করা যাবে ও তুলনামূলক ব্যয়বহুল হবেনা।
- কালচার মিডিয়াতে অক্রিয়াশীলতা প্রদর্শনে সক্ষম হবে।

রাসায়নিক প্রকৃতি উপর ভিত্তি করে ইন্ট্রাক্যানাল মেডিক্যামেন্টস এর শ্রেনীবিভাগ :

* এসেনশিয়াল অয়েল - ইউজেনল
* ফেনলিক যৌগ - ফেনল,ক্যাম্ফোরেটেট ফেনল, ক্যাম্ফোরেটেট মনোক্লরোফেনল (CMCP),ক্রিসল, ক্রিসাটিন,থাইমল
* এলডিহাইডস - ফরমোক্রিসল, গ্লুটারালডিহাইড
* হ্যালাইডস - সোডিয়াম হাইপোক্লোরাইট,অায়োডিন,পটাশিয়াম অায়োডাইড
* স্টেরয়েডস
* ক্যালসিয়াম হাইড্রোক্সাইড
* এন্টিবায়োটিকস
* কম্বিনেশনস (সমন্বিত)

তুলনামূলক বেশি ব্যবহার্য ও গুরুত্ববহন করে এমন কিছু ইন্ট্রাক্যানাল মেডিক্যামেন্টস এর বিবরন নিন্মে দেওয়া হল।

★ক্যাম্ফোরেটেট মনোক্লরোফেনল(CMCP) :

ইহা ৩৫% মনোক্লরোফেনল এবং ৬৫% ক্যাম্ফর (কর্পূর) দ্বারা তৈরী। এর ভাল জীবাণুরোধক গুন রয়েছে, কিন্তু টিস্যু এর জন্য টক্সিক। এর বাষ্প এপিকাল ফোরামেন দিয়ে অতিবাহিত হয়ে ইন্ট্রাক্যানাল মেডিক্যামেন্টস হিসাবে কাজ করে।

★ ফরমোক্রিসল :
এতে ১৯% ফরমালডিহাইড, ৩৫% ক্রিসল, ৪৬%পানি & গ্লিসারিন দিয়ে অথবা ফরমালিন ও ক্রিসল ১:২ অনুপাতে মিশিয়ে তৈরী করা হয়। ফরমোক্রিসল এরোবিক ও এনারোবিক জীবাণুর বিরুদ্ধে খুবই কার্যকর। কিন্তু ইহা কারসিনোজেনিক ও মিউটেজেনিক। এছাড়াও এটি একটি শক্তিশালী বিষ যা বিস্তৃতভাবে জীবিত টিস্যুকে ধংব্স করে স্থির প্রদাহজনিত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে।

★ ক্লোরহেক্সডিন (CHX) :

ক্লোরহেক্সডিন অনেক বছর অাগে থেকেই দন্তক্ষয় প্রতিরোধ, পেরিওডোন্টাল থেরাপি, এন্টিসেপটিক মাউথওয়াশ হিসাবে দন্ত চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়ে অাসছে। তবে সাম্প্রতিককালে ২% জেল ফর্মূলায় ইন্ট্রাক্যানাল মেডিক্যামেন্টস হিসাবে ব্যবহৃত হচ্ছে। ইহা এককভাবেও ব্যবহার করা যায় এবং ক্যালসিয়াম হাইড্রোক্সাইড এর সাথে মিশিয়েও ব্যবহার করা যায়। তবে ক্যালসিয়াম হাইড্রোক্সাইড ও ক্লোরহেক্সডিন একসাথে মিশিয়ে ব্যবহার করলে বেশী জীবাণুর বিরুদ্ধে কার্যকরী হয়।

★ ক্যালসিয়াম হাইড্রোক্সাইড Ca(OH)2 :

ইহা ব্যাকটেরিয়াকে বংশবৃদ্ধি করতে বাধাগ্রস্থ করে এবং ব্যাকটেরিয়ারোধী কার্যকারিতা রয়েছে, তাই ক্যালসিয়াম হাইড্রোক্সাইড ক্যানালের নেক্রোটিক পাল্প টিস্যু ও ব্যাকটেরিয়া সংক্রমনের চিকিৎসায় নির্দেশিত হয়ে থাকে। তবে ভাইটাল (জীবিত) পাল্প ও ব্যাথা কমানোর চিকিৎসায় এর ভূমিকা খুব কম। ক্যালসিয়াম হাইড্রোক্সাইড ক্যানাল এ হাইড্রোক্সিল আয়ন রিলিজ করে যার ফলে উচ্চ পিএইচ অানয়ন করে, ফলে ক্যানালের এন্ডোটক্সিন দুর ও ব্যাকটেরিয়ারোধী হয়। সাধারনত ক্যালসিয়াম হাইড্রোক্সাইড পাউডার ও রেডিমিক্স পেষ্ট (শুধু ক্যালসিয়াম হাইড্রোক্সাইড বা ক্যালসিয়াম হাইড্রোক্সাইড সাথে আয়োডোফর্ম) আকারে পাওয়া যায়। ক্যালসিয়াম হাইড্রোক্সাইড পাউডার নানা মাধ্যমের (পানি, নরমাল স্যালাইন, লোকাল এনেস্থটিক সলুউশন, প্রপিলিনগ্লাইকল, গ্লিসারিন) সাথে মিশিয়ে ক্যানাল এ ব্যবহার করা হয়। যেসব দাতেঁ পেরিএপিকাল লেশন সহ ক্যানাল হতে অবিরত সচ্ছ ও রক্তিম ক্ষরন হয়ে থাকে সেসকল দাতেঁর চিকিৎসায় ক্যালসিয়াম হাইড্রোক্সাইড খুবই ভাল ফলাফল দেয়।

★ পলি / ট্রিপল এন্টিবায়োটিক পেষ্ট :

এটি মেট্রোনিডাজল/অরনিডাজল/টিনিডাজল, সিপ্রোফ্লক্সাসিন, মিনোসাইক্লিন/ ক্লিন্ডামাইসিন এর সমন্বয়ে তৈরী।
রুট ক্যানাল ইফেকশন জটিল বিধায় এতে একক এন্টিবায়োটিক এর চেয়ে সমন্বিত এন্টিবায়োটিক অনেক বেশী কার্যকরী হয়ে থাকে। দাতেঁর পেরিরেডিকুলার লেশন দুর করার ক্লিনিক্যাল সাফল্য আছে বিধায় একে লেশন স্টেরিলাইজেশন এন্ড টিস্যু রিপেয়ার (LSTR) ও বলা হয়ে থাকে।

লেখক -
আশিক ইকবাল
এমডি,
ডেন্টাল এক্সপ্রেস

26/06/2020

দন্ত সংরক্ষন বিদ্যা (কনজারভেটিভ ডেন্টিস্ট্রি) > (এন্ডোডনটিকস) ( পর্ব -২)।

আজকের অলোচনার বিষয়বস্তু রুট ক্যানাল ইরিগেশন মেটেরিয়ালস।

রুট ক্যানাল চিকিৎসা ব্যর্থ হওয়ার অন্যতম প্রধান কারন সমূহের একটি হল যথাযতভাবে ক্যানাল ইরিগেশন না করা। সফল রুটক্যানাল চিকিৎসায় ইরিগেশনের মুল উদ্দেশ্য হল মেকানিকাল (কাঠামোগত), কেমিক্যাল (রাসায়নিক), বায়োলজিক্যাল (জৈবিক) ভাবে ইনফেকটেট পাল্পাল টিস্যু, ডেন্টিন ডেব্রিস, ইনফেকটিভ মাইক্রোঅর্গানিজম, এন্ডোটক্সিন, ব্যাকটেরিয়াল বায়োফ্লিম ইত্যাদি পূর্ণভাবে দুর করা, যেন তা এপিকাল লেশন, সিস্ট,এপিকাল গ্রানুলোমা সহ সমস্যাপূর্ণ দাতেঁর রোগের উৎপত্তিগত কারন না হয়ে দাড়ায়। আমেরিকান এসোসিয়েশন অব এন্ডোডন্টিকস এর জার্নাল অনুযায়ী এন্ডোডন্টিক ইরিগেশনের আদর্শ বৈশিষ্ট্য গুলো হল >

- বিস্তৃত বর্নালীর জীবাণু ও ছত্রাকের বিরুদ্ধে কার্যকর থাকবে।
- এপিকাল টিস্যুতে কোন বিরুপ প্রতিক্রিয়া করবেনা।
- ইরিগেশন দ্রবনের কার্যকারিতা অক্ষুন্ন থাকবে।
- ইরিগেশনের পর দীর্ঘ সময় জীবাণু প্রতিরোধী কার্যকারিতা প্রদর্শন করবে।
- দন্ত টিস্যুর ( রক্ত, সিরাম, প্রোটিন) উপস্থিতিতে কার্যকর থাকবে।
- ডেন্টিন ও ডেন্টিন টিউবলকে জীবাণু মুক্ত করবে।
- দাঁতের কাঠামোতে কোন দাগ সৃষ্টি করবেনা।
- দাঁতের টিস্যু বা কোষের জন্য ননএন্টিজেনিক,ননটক্সিক, ননকার্সিনোজেনিক হতে হবে।
- সম্পূর্ণভাবে স্মেয়ার লেয়ার দুর করার গুনাগুন থাকবে।
- এপিকাল টিস্যু পুর্নগঠনে বাধাগ্রস্থ করবেনা।
- সহজে ব্যবহার করা যাবে ও তুলনামূলক ব্যয়বহুল হবেনা।
- এন্ডোটক্সিন দূর করবে।
- কোন ফিলিং বা সিলার এর সাথে বিরুপ প্রতিক্রিয়া করবেনা, ইত্যাদি।

রুট ক্যানাল ইরিগেশনের ক্ষেত্রে অনেক ধরনের পদার্থ ব্যবহার হয়ে থাকে, যেমন-
এসিড জাতীয় (সাইট্রিক এসিড ও ফসফরিক এসিড) চিলেটিং এজেন্ট (ইথিলিনডায়ামিনটেট্রাএসিটিক এসিড (EDTA), প্রটিওলাইটিক এনজাইম, এককালিক দ্রবন (সোডিয়াম হাইপোক্লোরাইট (NaOCl), সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড, ইউরিয়া & পটাসিয়াম হাইড্রোক্সাইড), অক্সিডেটিভ এজেন্ট (হাইড্রোজেন পার অক্সাইড & গ্লাই অক্সাইড), লোকাল এনেস্থেটিক সলুউশন, ক্লোরহেক্সেডিন ডাইগ্লোকোনেট (CHX),
ডিটারজেন্ট এবং নরমাল স্যালাইন ইত্যাদি।

তুলনামূলক বেশি ব্যবহার্য ও গুরুত্ববাহী এমন ইরিগেশন ম্যাটেরিয়ালস এর বিবরন নিন্মে দেওয়া হল।

* সোডিয়াম হাইপোক্লোরাইট (NaOCl) :

ইরিগেশন হিসাবে সাধারনত বেশীরভাগ ক্ষেত্রে সোডিয়াম হাইপোক্লোরাইট ব্যবহৃত হয়। সোডিয়াম হাইপোক্লোরাইট ০.৫ -
৫.২৫% পর্যন্ত দ্রবন আকারে পাওয়া যায়। ইহা বিস্তৃত বর্নালীর জীবাণুরোধী এবং পাল্পাল টিস্যু, কোলাজেন, নেক্রোটিক ও জীবিত জৈবিক টিস্যুতে কার্যকরভাবে দ্রবীভূত হয়।
কিন্তু এটা টক্সিক, অপ্রিতীকর স্বাদ ও গন্ধযুক্ত। তাই অত্যন্ত সতর্কতার সহিত ব্যবহার করতে হয়।

*ক্লোরহেক্সেডিন ডাইগ্লোকোনেট (CHX) :

ক্লোরহেক্সেডিন ডাইগ্লোকোনেট প্রায় ৫০ বছর আগে থেকেই দন্তক্ষয় প্রতিরোধ, পেরিওডোন্টাল থেরাপি, এন্টিসেপটিক মাউথওয়াশ হিসাবে দন্ত চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়ে আসছে। এর জীবাণুরোধী গুন রয়েছে, কিন্তু এটা টিস্যুতে দ্রবীভূত হয়না এবং স্মেয়ার লেয়ার দূর করতে পারেনা। যাহোক ইহা সোডিয়াম হাইপোক্লোরাইট এর মত অপ্রিতীকর স্বাদ ও গন্ধযুক্ত নয়, কম টক্সিক।

* ইথিলিনডায়ামিনটেট্রাএসিটিক এসিড (EDTA) :

ইরিগেশনের শেষধাপে সোডিয়াম হাইপোক্লোরাইট এর সাথে যৌথভাবে স্মেয়ার লেয়ার এবং ডেব্রিস (বর্জিতাংশ) দূর করতে ব্যবহৃত হয়। তাছাড়াও ক্যানালের সরু বা প্রতিবন্ধকতা দূর করতে ব্যবহৃত হয়।

* মিক্সচার টেট্রাসাইক্লিন সাইট্রিক এসিড এন্ড ডিটারজেন্ট (MTAD) :

EDTA এর বিকল্প হিসাবে এর ব্যবহার্যতা রয়েছে। ইরিগেশনের শেষধাপে সোডিয়াম হাইপোক্লোরাইট এর সাথে যৌথভাবে স্মেয়ার লেয়ার এবং ডেব্রিস (বর্জিতাংশ) দূর করতে ব্যবহৃত হয়।

বহু বছর ধরে নানা পদ্ধতিতে ইরিগেশন করা হচ্ছে। যেমন- সিরিন্জ নিডিল, রোটারি ব্রাশ, এন্ডো ফাইল, গাটা পার্চা, আল্ট্রাসনিক,সনিক, এয়ার সনিক ইত্যাদি। তবে সাম্প্রতিককালে লেজার ও এন্ডোভেক সিস্টেম এর ব্যবহার রুট ক্যানাল ইরিগেশন ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর করে তুলেছে।

লেখক -
আশিক ইকবাল
এমডি,
ডেন্টাল এক্সপ্রেস বিডি।

26/06/2020

🌎শিশুর দাঁত উঠছে না?🌏

শিশুদের দন্ত কুসুম বিকশিত হওয়ার চক্রের তিনটি পর্ব আছে। প্রথমে দাঁত গঠনের জন্য খনিজ পদার্থের সমাগম ঘটে, দাঁত গজায়, তারপর ঝরে পড়ে।
দাঁতে খনিজ পদার্থের সমাহার শুরু হয় ভ্রূণ অবস্থাতেই। গর্ভকালের মাঝামাঝি অর্থাৎ ১৪ সপ্তাহের দিকে শুরু হয় এবং অস্থায়ী দাঁতের জন্য ৩ বছর বয়স পর্যন্ত চলতে থাকে। স্থায়ী দাঁতের জন্য ২৫ বছর বয়স পর্যন্ত চলে।
দাঁতের গঠন শুরু হয় মুকুট থেকে, বিস্তৃত হয় শিকড়ের দিকে।

প্রথম দাঁত ওঠে মধ্য চোয়ালের (সেন্ট্রাল ইনসিসর), পরে তা দুপাশে ছড়াতে থাকে। এরপর শুরু হয় দাঁত পড়ে যাওয়ার পর্ব। সাধারণত ৬ বছর বয়সে দাঁত পড়া শুরু হয়, ১২ বছর বয়স অব্দি তা বহাল থাকে।
স্থায়ী দাঁত ওঠে অস্থায়ী দাঁত পড়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে, কখনোবা ৪-৫ মাস সময় নিয়ে। এই দাঁত পড়া ও দাঁত ওঠার সময়কাল এদিক-ওদিক হলে শুরু হয় দুশ্চিন্তা। আসলে শিশুদাঁত ওঠার সঙ্গে তার শরীরের বিকাশের তাল বেশির ভাগ সময় মেলে না।

তবে ১৩ মাস বয়সেও শিশুর দাঁত না গজালে একটু দেরি হচ্ছে বলে ধরে নেওয়া যায়। তার সচরাচর কারণ হলো:
* হাইপোথাইরড (থাইরয়েড হরমোনের অভাব)
* পরিবারগত
* অজানা কারণ
* কোনো নির্দিষ্ট দাঁত না গজানোর প্রধান কারণ ঘিঞ্জি দাঁত সমস্যা—বের হয়ে আসার পথ না পাওয়া, মাড়ির ফাইব্রোসিস।

আবার কোনো কোনো শিশুর ৬ বছর বয়সের আগেই অকালে দাঁত পড়া শুরু হয়ে যেতে পারে। এর কারণগুলো হলো হিস্টোসাইটাসিস এক্স, সাইক্লিক নিউট্রোপেনিয়া, লিউকোমিয়া, আঘাতজনিত।
আবার একেবারে প্রথম থেকেই দাঁতের রং অস্বাভাবিক হতে পারে। এর কারণ—পুষ্টি সমস্যা, দীর্ঘ রোগভোগ, ওষুধের প্রতিক্রিয়া যেমন টেট্রাসাইক্লিন।

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Khulna?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Telephone

Website

Address


Khulna