Health & Nutrition - Molecular Science
For Beauty and Healthy by using the Organic Method. Our Method is not only organic but also Molecula
#ফ্যাটি_লিভার নিরাময়
প্রথমতঃ ডায়াবেটিস থাকলে লিভারের ফ্যাট নিরাময় হয়ে যাবে বটে, তবে ৬ মাস বা ১ বছর পর তা আবার ধীরে ধীরে চলে আসতে পারে। তবে সবার ক্ষেত্রে নয়।
এই চিকিৎসায় যে ওষুধ গুলো ব্যবহার করি, তাদের যে কোনো একটি তেও পূর্ণ ফল হয়। কিন্তু ঘটনা হলো, কারো কারো তা হয় না। এ কারণে সচরাচর ৩ টা ওষুধ এক সাথে প্রয়োগ করি - অগ্নিরস, স্নেহভেদি, এবং হেপা।
হেপা ওজন এবং রোগের অবস্থা অনুযায়ী প্রয়োগ করা হয়। কিন্তু এই ওষুধ কারো কারো শরীর অত্যন্ত উত্তপ্ত করে ফেলে। ঘুম বাড়িয়ে দেয়। তাদের ক্ষেত্রে বেশি মাত্রা লেখা থাকলেও কম মাত্রা দিয়ে শুরু করার সময়ে অনুভূতি অনুযায়ী বুঝে নিতে হবে আর মাত্রা বাড়াবেন কি না।
স্বল্প মাত্রায় ওষুধ চললেও কাজ হবে, তবে সময় একটু বেশি লাগবে এবং দিনে অন্তত ৪ টা খেতেই হবে, ভরা পেটে।
অতি অল্প সময়ে লিভার ফ্যাট মুক্ত হয়ে যায়। প্রথম দিন থেকেই পায়খানার সাথে চর্বি কেটে পড়ে কিন্তু পায়খানা পাতলা হয় না।
সকালে ওষুধ খেলে বিকালের আগে একবার টয়লেটে যেতে হতে পারে। সুতরাং ভ্রমণ, অফিস ইত্যাদি বিবেচনায় রেখেই সকালে খাবেন। সমস্যা থাকলে শুধু রাতে।
যেহেতু প্রতি দিনই ওষুধ কাজ করে সেহেতু কেউ চাইলে ১৫ দিন বা এক মাস করেও খেতে থাকতে পারেন।
সচরাচর ১ মাসের বেশি সময় লাগে না। তবে ব্যতিক্রম থাকবেই। এবং লিভার ফ্যাট মুক্ত হলেই রোগমুক্ত হওয়ার নিশ্চয়তা নেই। তাই আরও কিছু কাল স্বল্প মাত্রায় ওষুধ খেয়ে যেতে হয়।
গত ৮ বছরে ওষুধের দাম বাড়ানো হয় নি। অথচ সব দ্রব্যের মূল্য অনেক অনেক বেড়েছে।
০1723-620027 ম্যাসেজ। কত দিনের ওষুধ নিতে চান, ওজন কত এই তথ্য উল্লেখ করবেন প্লিজ।
।।।
#ফ্যাটি_লিভার
সব রোগের মা!
এবং এর সন্তানাদি মানবজাতির শত্রু।
- পেটের ডান পাশে একটু বেশি ফোলা মনে হতে পারে।
- পেটের নিচের দিক একটু বেশি মোটা মনে হতে পারে।
- রুচি কমে যেতে পারে।
- হজমশক্তি কমে যাবে।
- পায়খানা পরিষ্কার হবে না। কারো কারো আম দোষ দেখা দেবে। পায়খানা ছেড়া ছেড়া হতে পারে। ঠাণ্ডা সহ্য হবে না। পেট যতই পরিষ্কার হোক না কেন, মনে হবে যে আরও পরিষ্কার হতো।
- কখনও কখনও কোষ্ঠকাঠিন্য এবং কিছু কাল পর পর ডায়রিয়ার মতো হতে পারে।
- পেটের নিম্ন অংশে প্রচুর গ্যাস সৃষ্টি হতে পারে। মনে হয় যে গ্যাস বের হয়ে গেলে পেট স্বাভাবিক হয়ে যাবে, কিন্তু গ্যাস তৈরি হতেই থাকবে।
- শরীরে প্রচুর ক্লান্তি, ঘাম, কারও কারও ক্ষেত্রে পেট ফুলে থাকার কারণে শ্বাসকষ্ট, কারও কারও ক্ষেত্রে অক্সিজেন এর অভাবের কারণে শ্বাসকষ্ট ইত্যাদি হতে পারে।
- পেটে আবদ্ধতা বিরাজ করলে পায়ের নিচের অংশে ব্যথা, রগে ঘন ঘন টান ইত্যাদি হতে পারে।
- পেট পরিষ্কার না হলে শরীরের মধ্যে অস্থিরতা দাহ জ্বালা বিরাজ করে। মনে হয় যে পেটের মধ্যকার সব ময়লা বের করে ফেলা যেত! আর এই অনুভূতিই আবদ্ধতার উপস্থিতি প্রমাণ করে।
- কারও কারও ক্ষেত্রে হাত পায়ের তালু জ্বালাপোড়া, চুল পড়া, ত্বকের রঙ কালো হয়ে যাওয়া, কারও কারও ক্ষেত্রে জন্ডিস এর ভাব সৃষ্টি হলে হলুদ হয়ে যাওয়া...
#এবং
ধীরে ধীরে ডায়াবেটিস, রক্তের কোলেস্টেরল, লিভার সিরোসিস সহ পৃথিবীর যাবতীয় রোগের প্রতি শরীর উন্মুক্ত হয়ে পড়ে।
#চিকিৎসা
ভবিষ্যতের যাবতীয় রোগ এড়াতে হলে লিভারকে ফ্যাটের আক্রমণ থেকে রক্ষা করতে হবে।
Hepa; 2 + 0 + 2 ভরা পেটে। ৩ দিন। তার পর-
৪ + 0 + ৪ ভরা পেটে ৫ দিন।
তার পর থেকে ১ + ১ + ১, ২ মাস।
ওজন অনুযায়ী মাত্রা ভিন্ন হতে পারে।
স্নেহভেদি চূর্ণ - রাতে ভরা পেটে ৪-৫ চামচ + গরম পানি। ১-২ দিন পর পর।
১৫ দিন পর থেকেঃ
অগ্নিবটী - সকালে ১ বা ২ টি ভরা পেটে।
অন্যান্য রোগ সৃষ্টি হয়ে গেলেও লিভারকে ফ্যাট মুক্ত না করে সেই সব রোগ নিরাময় করা যায় না।
লিভার ফ্যাট মুক্ত হয়ে গেলে পেট ঠাণ্ডা হয়ে যায়!!!!! বায়ু সৃষ্টি হয় না। পেটের মধ্যে নড়ে চড়েও না!
ফ্যাটি লিভার যৌন দুর্বলতার একটি বড় কারণ। এবং এই কারণে যৌন দুর্বলতা শুরু হলে তা শুধু বাড়তেই থাকে। খাদ্যাভ্যাস এর কারণে কখনও কখনও কম বেশি হয়ে থাকে।
#লিভারে ফ্যাট থাকলে ঘন #প্রস্রাব হতে পারে, যদিও তা মেহ রোগ নয়।
#ম্যাসেজ ০১৭২৩-৬২০০২৭
টিউমার চিকিৎসায় হোমিওপ্যাথি ---(পর্ব ২)
শরীরের বিভিন্ন স্থানে টিউমার বিভিন্ন নামে পরিচিত :
১. নাক, জরায়ু প্রভৃতি শৈ্লষ্মিক ঝিলি্লর টিউমারের নাম প্যাপিলোমা,
২. জরায়ু, পাকস্থলী প্রভৃতি স্থানের মাংসপেশির টিউমারের নাম মাইওমা,
৩. চর্মের টিউমারের নাম এপিথেলিওমা,
৪. পিঠ, কাঁধ প্রভৃতি স্থানে ফ্যাটিটিস্যু টিউমারের নাম লিপোমা,
৫. বোনের কার্টিলেজের টিউমারের নাম কনড্রমা,
৬. মাথার খুলি, মুখম-ল, নাসিকা গহ্বর প্রভৃতি স্থানে হাড়ের অস্থি টিউমারের নাম অস্টিওমা,
৭. মস্তিষ্ক কোষের টিউমারের নাম গ্লাইওমা,
৮. মস্তিষ্ক, লিভার প্রভৃতি স্থানে রক্ত নালিকার টিউমারের নাম হেমান জিওমা,
৯. ঘাড়, জিহ্বা, বগল প্রভৃতি স্থানের লসিকা নালির টিউমারের নাম লিমফ্যানজিওমা।
সাধারণত কম বয়সে সার্কোমা টিউমার দেখা দেয়। সাধারণত ৪০ বছর বয়সের পর কার্সিনোমা টিউমার দেখা দেয়।
টিউমারের কারণ :
১. যে সব মহিলা ডিঅ্যান্ডসি বা এমআর করে বা কোনো গাছ-গাছড়া দিয়ে ভ্রূণ নষ্ট করে বা প্রসবকালে যেসব মহিলার প্রচ- কষ্ট হয় বা যে সব মহিলা ঘন ঘন সন্তান প্রসব করে বা যে সব মহিলার অতি অল্প বয়সে বিয়ে হয় সেই সব মহিলার জরায়ুতে আঘাত হেতু, জরায়ু, জরায়ু মুখ, ডিম্বকোষ, স্তন গ্রন্থিতে টিউমার দেখা দিতে পারে। সাধারণত মহিলাদের উপরোক্ত কারণ থেকে নিবৃত থাকা বাঞ্ছনীয়।
২. পুরুষদের অ-কোষে কোনো রকম লাগলে অ-কোষ ফুলে শক্ত হয়ে টিউমার দেখা দেয়,
৩. যারা কলকারখানায় চিমনি পরিষ্কার করে তাদের বিভিন্ন স্থানে টিউমার দেখা দেয়,
৪. কোনো কোনো পরিবারে বংশগতভাবে টিউমার দেখা দিতে পারে,
৫. আঘাত, ঘর্ষণ, পেষণ বা উদ্দীপনার ফলে স্থান বিশেষ অ্যাডিনোমা সৃষ্টি হতে পারে,
৬. পুরনো পোড়া ঘায়ে অনেক টিউমার বা ক্যান্সার দেখা দিতে পারে,
৭. আলকাতরা, সেল অয়েল সুট ইত্যাদি রাসায়নিক দ্রব্য চামড়ার উপর প্রদাহ সৃষ্টি করে টিউমার দেখা দিতে পারে,
৮. খাদ্যের পরিপুষ্টির অভাবে লিভারে টিউমার দেখা দিতে পারে,
৯. গায়ক, বংশীবাদক এদের গলায় বা ফুসফুসে টিউমার দেখা দিতে পারে,
১০. ইসট্রিন হরমোনের অভাবে স্তনে টিউমার দেখা দিতে পারে,
১১. জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি গ্রহণ করার ফলে নারীদের সাধারণ হরমোন বিকাশ বাধাপ্রাপ্ত হয়, ফলে জরায়ুতে বা স্তনে, যৌন দ্বারে টিউমার দেখা দেয়ার সম্ভাবনা থাকে।
আলোচিত কারণসমূহ ব্যতীত আরো নানাবিধ কারণে টিউমার দেখা দিতে পারে। হোমিওপ্যাথিক দৃষ্টিতে যাদের সোরা, সিফিলিস, সাইকোসিস ও টিউবারকুলার মায়াজম সংমিশ্রিত অবস্থায় থাকে তাদের টিউমার দেখা দিতে পারে।
হিমাদ্রি বিড়ম্বনা
(সবাই পড়বেন প্লিজ)
শুরু থেকেই একটা আইডিয়া বাস্তবায়নে কয়েকটি প্ল্যান ছিল। একটি প্ল্যান নিয়ে অর্ধেক কাজ করে তা বাদ দিয়ে অন্য একটি প্ল্যান হাতে নিলাম। কিন্তু দুখের বিষয়, সুবিধার ক্ষেত্রে প্রথমে যা বলেছিলাম তা হয় নি।
এর মূলে ছিল একটি ভুল ধারণা। বিষয় টি মাথায় রাখা সত্ত্বেও এই ভুলটি মাথায় বাসা বেধেছিল যে যন্ত্র যত সফিস্টিকেটেড হবে ততই ভালো হবে। আসলে, পাম্প এবং ট্র্যাকশন এই দুই টি নীতির উপরে প্রতিষ্ঠিত বিভিন্ন যন্ত্র সারা বিশ্বে রয়েছে। আমরা ট্র্যাকশন নীতিটি বেছে নিলেও শুধু যান্ত্রিক ক্রিয়া আমাদের কোনো লক্ষ্য নয় এবং তাতে কোনো স্থায়ী ফলও হবে না।
আমার লক্ষ্য ছিল সামান্য ট্র্যাকশন সৃষ্টি করা অবস্থায় তেল ব্যবহার। তাতে কোষ কলা সহজে বৃদ্ধি পাবে এবং কিছুকাল ব্যবহার করলে সেই বৃদ্ধি স্থায়ী হয়ে যাবে।
তাই স্প্রিং এর পদ্ধতি বাদ দিয়ে আবারও তৈরি করলাম রাবার স্ট্র্যাপ এর পদ্ধতি ভিত্তিক যন্ত্র। এটা সবচেয়ে বেশি সহজ, কম ব্যয়বহুল, এমন কি ক্লাসে বা অফিসে বা কাজে থাকা অবস্থায় ও ব্যবহার করা যায়।
#সাথে_জাগরণ এর একটি ব্যান্ড ব্যবহার করলে ১ মাসের উন্নতি হবে এক দিনে ইনশাআল্লাহ।
ব্যবহার পদ্ধতিঃ
আগে তেল ব্যবহার করুন।
চুলের গার্ডার বা যে কোনো কাপড় দিয়ে লিংগের মাথাটা মুড়িয়ে নিন।
এর ওপর প্রদত্ত ফিতাটা এমনভাবে জড়িয়ে নিন যেন রাবার স্ট্র্যাপ টা বাইরের দিকে থাকে।
এখন এই স্ট্র্যাপ কে কোমরে বা ঘাড়ের অপর দিয়ে নিয়ে প্যান্টের বেল্টের সাথে প্রয়োজনীয় মাত্রায় টান টান সৃষ্টি করে বেধে রাখুন।
যত দিন যাবে তত এই ড়ান কে বাড়িয়ে নেবেন।
জাগরণ এর ব্যান্ড থাকলে প্রথমে (তেল লাগানোর পর) তা পরে নিন।
স্ট্র্যাপ কে এমনভাবে গিট দেবেন যেন তার মাথা ধরে টান দিলেই তা খুলে যায়। নইলে বিড়ম্বনায় পড়তে হবে।
রাতে ঘুমাবার সময়ে ব্যবহার করা যায়।
পড়ার সময়ে টেবিলে বসা অবস্থায় ব্যবহার করা যায়।
সব আইডিয়া বাস্তবায়নের উপায় আমার হাতের নাগালে নেই। তবুও এর পরে আর কোনো পদ্ধতি উন্নয়নের প্রয়োজন হবে না।
যাদেরকে স্ট্রেচার স্প্রিং দিয়েছি তারা যদি চান যে এটাই ব্যবহার করবেন, তাহলে একটা ম্যাসেজ দিলে তাদেরিকে এটা ফ্রি দিয়ে দেব। কী আর করা! আইডিয়া বাস্তবায়নে ধরা!
তবে... দেখেন কী বিস্ময়কর ঘটনা ঘটে। ইনশাআল্লাহ।
াপুরুষ!
#হিমাদ্রি_বিলাস
বিস্ময় সৃষ্টি করছে! সকল প্রশংসা মহান সৃষ্টিকর্তার।
#ব্যবহার_বিধি
তবে পুরো পোস্ট না পড়ে কেউ থেমে যাবেন না, প্লিজ।
যাদেরকে ধাতব স্ট্রেচার (স্প্রিং) দিয়েছিঃ
তিন টি স্প্রিং এর মধ্যে লালটা সবচেয়ে হালকা। এটাই প্রথমে ব্যবহার করবেন। অন্তত এক সপ্তাহ।
হলুদ টা সবচেয়ে বেশি শক্তিশালী। এটা কেবল তখনই ব্যবহার করবেন যখন অন্যগুলোকে সহজ এবং খেলনা মনে হবে।
১) প্রথমে লিংগে তেল লাগিয়ে নিন এবং গোলাকার চাকতি, যার মাঝে একটা ছিদ্র আছে, সেটা নেবেন। অংগকে এটার ছিদ্রের মধ্য দিয়ে প্রবেশ করিয়ে দেবেন। ফলে এটা থাকবে অংগের একেবারে গোড়ায়।
২) এ বার লাল রঙের স্প্রিং #গোটানো অবস্থায় নিন। লিংগকে এর মধ্যে প্রবেশ করিয়ে দিন। এটাকে এমনভাবে ধরতে হবে যেন এর যে মাথায় হুক (চাবির রিং এর হুক) রয়েছে তা থাকে #বাইরের দিকে।
৩) এ বার দেখুন একটা ছোট বেল্ট আছে, ইলাস্টিক ফিতা দিয়ে তৈরি। এটাকে লিংগের মাথায় এমনভাবে হালকা করে পেচাবেন যেন এর কাপড়ের তৈরি হুক বাইরের দিকে থাকে। তবে এই বেল্ট পরার আগে লিংগের মাথা সামান্য কাপড় বা ব্যান্ডেজ বা চেপ্টা চুলের ব্যান্ড দিয়ে হালকা করে পেচিয়ে নিলে ত্বকে কোনো ব্যথা লাগবে না।
৪) এ বার স্প্রিং এর দুটি হুক আটকানো জায়গা থেকে খুলে সেগুলো দিয়ে এই কাপড়ের হুক দুটোকে আটকে দিন।
৫) এ বার স্প্রিং এর গায়ের বাধন খুলে দিন। ধীরে ধীরে তা টান টান অবস্থায় নিয়ে যান।
৬) তেল লাগানো অবস্থায় এই টান সৃষ্টি হতে থাকলেই লিংগ বৃদ্ধি পাবে।
৭) জাংগিয়ার মধ্যে মাথা উপরের দিকে দিয়ে যতক্ষণ সম্ভব রেখে দিন। তার পর খুলে ফেলুন।
৮) তেল না লাগিয়ে স্ট্রেচার ব্যবহার করা যাবে না।
৯) রাতে ঘুমানোর সময়ে ব্যবহার করা যায়। যখন কষ্টকর মনে হবে, খুলে ফেলবেন।
১০) খোলার সময়ে আগে চাবির হুক এবং কাপড়ের হুকের বাধন খুলে নেবেন। এবং খুলে ফেলার পর স্প্রিং আবারও গুটিয়ে বেধে রাখবেন।
#অভিজ্ঞতা থেকে দেখা গেছে যে জাগরণ এর হালকা একটা ব্যান্ড লিংগের গোড়ায় পরে থাকা অবস্থায় হিমাদ্রি ব্যবহার করলে এক মাসের উন্নতি হয় এক দিনে!
পরবর্তী পোস্ট গুরুত্ব সহকারে পড়ুন।
।।।।।।
#জাগরণ_যোগ ব্যবহার বিধি
( #জাগো_মহাপুরুষ!)
১) যে ব্যান্ডগুলো দেয়া হয়েছে তাদের মধ্যে আপনার জন্য যেটা কে সবচেয়ে ঢিলা বলে মনে হয় সেটা আংটির মতো অংগের গোড়ায়, কখনো কখনো মাঝে, পরে থাকুন। তবে আগে সামান্য তেল লাগিয়ে নিতে হবে।
২) দিনে যতক্ষণ সম্ভব পরে থাকুন। অন্তত ২ বার তেল লাগাবেন।
৩) যাদেরকে দুটি তেল দেয়া হয়েছে তারা L চিহ্নিত তেলটি প্রধানত সহবাসের সময়ে লাগাবেন। তাতে আপনার সংগীনির আনন্দ ও বেড়ে যাবে। ইন্য তেলটি অন্য সময়ে ব্যবহার করবেন।
৪) স্ত্রীর কাছে না গেলেও, বিশেষ করে ইরেকশনের সমস্যা থাকলে, দিনে কয়েক ঘণ্টা ব্যবহার করুন।
৫) সহবাসের সময়ে যে ব্যান্ড টিকে বেশি, এবং অবশ্যই সহনীয় মাত্রায় টাইট, বলে মনে হয়, সেটা ব্যবহার করুন।
৬) প্রয়োজনে মিলনের প্রস্তুতি পর্ব শেষ হলে তার পর ব্যান্ড পরে মিলন শুরু করুন।
৭) মিলনের সময়ে ব্যবহার করতে চাইলে অথচ স্ত্রী বুঝে ফেলুক এটা না চাইলে, কেবল মোহন-প্রস্তুতি শেষেই ব্যবহার করুন।
৮) মিলনের সময়ে ব্যবহার করলে, বীর্যপাতের আগে খুলে ফেলুন, প্রয়োজনে খুলে আংটির মতো আংগুলে বা চুরির মতো হাতে পরে রাখুন।
৯) মিলনের সময়ে ব্যবহার করতে না চাইলে, বেশ কিছু দুন ইন্য সময়ে ঢিলা ব্যান্ড গুলো ব্যবহার করতে হবে। তাতে উত্রহান জনিত সমস্যা ধীরে ধীরে দূর হয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ।
১০) একই জিনিস একাধিক পিস দেয়া হয়েছে, যেন একটা নষ্ট হলে অন্যটা ব্যবহার করা যায়।
১১) প্রদত্ত তেল ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। তাতে কোষ কলার ক্ষতি হবে।
১২). বড় ব্যান্ড গুলো কে বাংলা ৪ এর মতো করে পরে দুই ভাজ করে পরতে হবে। ধীরে ধীরে যত উন্নতি হবে তত বেশি শক্তিশালী ব্যান্ডের প্রয়োজন হবে।
একেবারে প্রথম বার বা অন্তত এক সপ্তাহের আগে খুব টাইট ব্যান্ড ব্যবহার করা উচিত নয়।
প্রদত্ত তেল ছাড়া কোনো ভাবেই ব্যান্ড ব্যবহার করা যাবে না!
প্রথম দিকে সামান্য ব্যথার অনুভূতি জাগতে পারে তবে কয়েক দিনের মধ্যেই অংগ ঘাতসহ হয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ।
গ্লুকোজ কোষের খাবার । সব প্রাকৃতিক খাদ্য ভেঙ্গে এটি ৬টি পুষ্টিতে পরিনত হয়। এর মধ্যে একটি প্রধান পুষ্টি হচ্ছে গ্লুকোজ।এটিকে বলা হয় কোষের জ্বালানী। রক্তে গ্লুকোজ বেড়ে গেলে ডাক্তারি ভাষায় একে বলে ডায়বেটিস।কিন্তু সাধারন ভাষায় দেহে কোন গ্লুকোজ বাড়েনি।গ্লুকোজতো রক্তেই ছিল এবং আছে ও থাকবে। কারন গ্লুকোজ কোষের অপরিহার্য পুষ্টি।কোন কারনে দেহ রক্তে গ্লুকোজ বেশী দেখাতে পারে কারন কোষ গ্লুকোজ খেতে পারছে না।সুতরাং অব্যবহৃত গ্লুকোজ রক্তে ঘুড়ে বেড়াবে এটিই তো স্বাভাবিক।আধুনিক ডায়বেটিস চিকিৎসায় প্রধান ড্রাগ গুলো ব্যবহার হয় গ্লুকোজ নিয়ন্ত্রনে। কোষের প্রধান পুষ্টি গ্লুকোজ নিয়ন্ত্রনে রেখে কিভাবে ডায়বেটিস নামক রোগটির চিকিৎসা কিভাবে হচ্ছে তা বোধগম্য নয়।আবার কৃত্রিম ইনসুলিন ব্যবহার করে কিভাবে ডায়বেটিস চিকিৎসা হচ্ছে সেটিও বোধগম্য নয়।দেহের বিটা সেল ইনসুলিন তৈরি করে । প্রথমতঃ বিটাসেল ইনসুলিন তৈরি করতে অক্ষম কি না প্রাথমিক ভাবে এটি নিশ্চিত করার কোন পদ্ধতি নেই। দেহে ইনসুলিনের প্রধান কাজ হচ্ছে দেহ কোষে গ্লুকোজ কে ঢুকিয়ে দেয়া।প্রতিটি কোষ গাত্রে গ্লুকোজ প্রবেশের দরজা আছে।তবে দরজাগুলো সব সময় তালা মারা থাকে। ইনসুলিন মূলতঃ চাবির কাজ করে। অর্থাৎ কোষ গাত্রের তালা খুলে দেয় গ্লুকোজ কোষের অভ্যন্তরে প্রবেশ করে এবং ২৬টি ধারাবাহিক রসিায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে রাসায়নিক শক্তিতে পরিনত হয়।ধরি নিচ্ছি বিটাসেল অকার্যকর সে ক্ষেত্রে ইনসুলিন নিতে হবে তাতে কোন বির্তক নেই।কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে যদি কোষগাত্রের তালা নষ্ট থাকে তবে ইনসূলিন কিভাবে কাজ করে তা মোটেই প্রমানিত নয়।সুতরাং দেহ রক্তে অকার্যকার গ্লুকোজের চিকিৎসা পদ্ধতি প্রশ্নবিদ্ধ। কেনা না সমস্যাটি অকার্যকর গ্লুকোজে নয় অকার্যকর কোষে।কোষ অকার্যকর হয় পুষ্টি না পেয়ে অধিকতর টক্সিন খাদ্য এবং অযথা ড্রাগ (এলোপ্যাথিক ড্রাগ) খেয়ে।সুতরাং সঠিক পুষ্টি ব্যবস্থাপনায় ডায়বেটিস প্রতিরোধ ,নিয়ন্ত্রন ও নিরাময় সম্ভব।কেননা দেহ কোষ প্রাকৃতিক খাদ্য ব্যতিত অন্য কিছু গ্রহন করে না।
Dr.Shebendra karmakar
Ph.D in Natural Medicine,USA
N H Sujon 01782828283
অবশেষে #মেশিন! #যন্ত্র!
পুরুষের প্রসাধনী।
অতি সহজ-সরল একটি মেশিন। যা ব্যবহার করতে থাকা অবস্থায় অফিস করা যায়, লেখাপড়া করা যায়। দিনে এক ঘণ্টা ব্যবহারে এক মাসেই পুরুষের বিশেষ অংগ সবল সুঠাম বলিষ্ঠ ধৈর্যশীল (অর্থাৎ পর্যাপ্তভাবে সময় বিলাসী) তথা স্বপ্নের আদর্শে রূপান্তরিত হয়। ৬ বছরের গবেষণার ফল। দেহের সম্ভাবনা অনুযায়ী যে যতটুকু চাবে, ততটুকুই পাবে ইনশাআল্লাহ!!! ২-৩ ইঞ্চি বৃদ্ধি খুবই স্বাভাবিক।
এর আগে পুরুষের বিশেষ অঙ্গ বৃদ্ধি করার জন্য কয়েকটি তেল আবিষ্কার করেছিলাম এবং প্রত্যেকটিতেই কিছু না কিছু কাজ হয়েছিল। কিন্তু বড় রোগে আক্রান্ত ব্যক্তির ক্ষেত্রে সব সময়েই কিছু চাওয়া-পাওয়ার ঘাটতি রয়েই গেছে।
বর্তমান #হিমাদ্রি_মেশিন প্যাকেজে থাকছে একটি মেশিন, একটি বিশেষ ধরনের তেল, এবং কিছু খাওয়ার ওষুধ "উচ্ছ্বাস"। যাদের কাছে B-6 আছে তারা মেশিনের সাথে সেটাও ব্যবহার করতে পারবেন। তবে এই তেল এর মূল লক্ষ্য উত্তেজনা নয়। এর মূল লক্ষ্য হলো বৃদ্ধি।
১ সপ্তাহেই বিশাল উন্মতি ইনশাআল্লাহ। ৩ মাসে পূর্ণাঙ্গ ব্যক্তিত্ব! তার পর থেকে সপ্তাহে ১ - ২ দিন করে কিছুকাল ব্যবহার করলে ফল স্থায়ী ইনশাআল্লাহ। জীবনটা এমন যে অনেককে শুধু কল্পনার মধ্যেই নিজেকে সন্ধান করতে হয়। কিন্তু বাস্তবতাই সফলতা দৃশ্যমান হওয়ার জায়গা।
কেউ চাইলে, বড় ধরনের উন্নতির আগেও, স্ত্রীর কাছে যাওয়ার এক ঘন্টা আগে ব্যবহারে বিস্ময়কর প্রভাব!
আকৃতি বিকৃত হলে অল্প সময়ে সুঠাম হয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ।
শরীরে যত দুর্বলতাই থাক না কেন, মিলনে কোনো দুর্বলতা থাকবে না ইনশাআল্লাহ।
ইরেকটাইল ডিসফাংকশান নিরাময় করার সর্বশেষ পদ্ধতিগত উপায়।
অংগ বৃদ্ধির অব্যর্থ পদ্ধতি। স্থায়ী। পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া তো নেই ই, বরং যন্ত্রটা ব্যায়াম সংঘটিত করে বলে রোগ বা অন্যান্য ওষুধের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া নিরাময় করে।
#ডিলার_নিয়োগ_দেয়া_হচ্ছে। ম্যাসেজ 01723620027
#জাগরণ সম্পর্কে আরো স্পষ্টতা সৃষ্টির লক্ষ্যে
এই পদ্ধতি অবলম্বন করে স্ত্রীর কাছে গেলে নিজেই ইরেকশন সৃষ্টি করা যায় এবং বহুক্ষণ তা ধরে রাখা যায়। কিন্তু তার মানে এই নয় যে স্ত্রীর কাছ থেকে দূরে থাকা অবস্থায় তা ব্যবহার করা যাবে না। তা অবশ্যই ব্যবহার করা যাবে। বরং দিনে 2-5 বার ব্যবহার করলে অতি দ্রুত সমস্যা সমাধান হয়ে যেতে থাকবে ইনশাআল্লাহ।
অর্থাৎ এটা একটা থেরাপি এবং একটা চিকিৎসা। ফলে এমন নয় যে তা চিরকাল ব্যবহার করতে থাকতে হবে। তবে কেউ চাইলে তা সর্বদাই ব্যবহার করতে পারেন।
যাদের ইরেকশনে কোনো সমস্যা নেই কিন্তু বেশিক্ষণ তা ধরে রাখা সম্ভব হয় না তাদের জন্য এই পদ্ধতি অমৃত স্বরূপ। খাওয়ার ওষুধ প্রয়োগ করার মাধ্যমে তারা যদি সেই সমস্যার সমাধান করে ফেলতে পারেন তাহলে তখন তাদেরকে এই পদ্ধতির ব্যবহার করার প্রয়োজন হবে না। তবুও এই পদ্ধতি ব্যবহার করে যতটা সময় পাওয়া যায় খাওয়ার ওষুধের মাধ্যমে ততটা সময় আশা করা সম্ভব নয়। কারণ সচরাচর দেখা যায় যে ইরেকশন ভালো হওয়া সত্ত্বেও একটি পর্যায়ে গিয়ে তা দুর্বল হতে থাকে। অথচ মিলনের শেষদিকেই শক্তির বেশি প্রয়োজন হয়। এটা কিন্তু আসলে একটা প্যারাডক্স। এই প্যারাডক্স নিরসনের জন্য জাগরণ অত্যন্ত জরুরী।
এমন অনেকে আছেন যাদের ওষুধে খুব বেশি কাজ হয়না। তাদের জন্যই মূলত জাগরণ।
এখনও কেউ কেউ তালগোল পাকিয়ে ফেলছেন।
#হিমাদ্রি হলো পুরুষের যৌন অংগকে বলিষ্ঠ ও মজবুত করার জন্য।
#জাগরণ হলো যখন ইচ্ছা ইরেকশন সৃষ্টি করা এবং যতক্ষণ খুশি তা ধরে রাখার জন্য।
এটা তাদের জন্য যাদের ---
--- ইরেকশন হয়ই না, যদিও কামনা রয়েছে।
--- ইরেকশন হলেও হঠাৎ নুয়ে পড়ে।
--- স্ত্রীর বয়স অনেক কম বিধায় নিজের শক্তি বাড়ানো প্রয়োজন।
--- ইরেকশন হলেও শক্তি কম থাকে।
--- কেমিক্যাল ওষুধ থেকে রেহাই পাওয়ার প্রয়োজন রয়েছে।
#সুসংবাদ দেয়ার লোভ সংবরণ করতে পারছি না তাই...
..ইচ্ছা অনুযায়ী ইরেকশন সৃষ্টি এবং যতক্ষণ ইচ্ছা মিলনে মজবুত থাকা...
[সম্পূর্ণ পোস্ট না পড়ে কেউ কোনো পদক্ষেপ নেবেন না এবং প্রশ্নও করবেন না, প্লিজ]
.. কিছু কথা না বলেও পারছি না। কিন্তু প্রথমেই দুঃখপ্রকাশ করছি যে হাতে অনেক কাজ জমে আছে। বিশেষ করে মেশিন এবং রসায়ন এবং কিছু বড় বড় রোগের পার্সেল। সেগুলো ক্লিয়ার না করা পর্যন্ত এই কথাগুলো বলার ইচ্ছা ছিল না।
আলহামদুলিল্লাহ! B-6 এর যত অর্ডার ছিলো, দিয়ে দিয়েছি। ইনশাআল্লাহ তিন-চার দিনের মধ্যেই অধিকাংশ পার্সেল দিয়ে দেব। না দিতে পারলে আমারই দুশ্চিন্তা বাড়ে এবং আমার কাজগুলো এলোমেলো হয়ে যায়।
/// পৃথিবীতে এই প্রথম! ওষুধ না খেয়ে শুধু তেল ব্যবহার করেই যে কোনো সময়ে কঠিন উত্থান ( #ইরেকশন) সৃষ্টি এবং যতক্ষণ ইচ্ছা তা ঐ অবস্থায় ধরে রাখার উপায়। প্রথম বার ব্যবহারের সময় থেকেই! সফলতা গ্যারান্টিড ইনশাআল্লাহ। ///
চিকিৎসা পেশা শুরু করার প্রথম দিকে বিশেষ করে যৌন স্বাস্থ্য নিয়ে চিকিৎসা বিষয়ে আমি খুব বেশী আগ্রহী ছিলাম না। দীর্ঘকাল ধরে যারা আমার কাছ থেকে চিকিৎসা নিচ্ছেন তারা এ ব্যাপারে ভালো করেই জানেন। বিভিন্ন যৌন উত্তেজক কেমিকেলের কারণে মানুষের যৌন স্বাস্থ্যে ভাটা পড়েছে। দীর্ঘকাল ধরে সেই সব জিনিস সেবন করলে যৌন দক্ষতা শূন্যের কাছাকাছি চলে যায়। যাদের দক্ষতা কিছুটা থাকে তাদের শক্তি ও পুরোপুরি সেইসব ওষুধের ওপর নির্ভরশীল হয়ে যায়। এ কারণে এই সব সস্তা দ্রব্যের মধ্যে আমি প্রকৃত চিকিৎসা নিয়ে খুব বেশি আগ্রহী ছিলাম না, যেহেতু প্রকৃত চিকিৎসা বেশ সময়সাপেক্ষ এবং ব্যয়বহুল।
যা হোক, যারা বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হওয়ার কারণে যৌন ক্ষমতা হারিয়েছেন তাদেরকে বিভিন্ন ধরনের ওষুধ দেয়া সত্ত্বেও খুব বেশি ভালো ফল পাওয়া যায় নি। শুক্রের ঘাটতি থাকলে সে ক্ষেত্রে অত্যন্ত ভালো ফল পাওয়া যায়, অর্থাৎ শুক্র বৃদ্ধি করা যায়। কিন্তু যাদের স্নায়ুতন্ত্র দুর্বল এবং বিকারগ্রস্ত হয়ে যাওয়ার কারণে উত্থানজনিত সমস্যা রয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে অনেক ঝামেলা প্রায়ই রয়ে যায়।
#সময়ের ব্যাপারটা মহামারীর মত রূপ ধারণ করেছে । কারণ সচরাচর অল্প বয়সে শুক্রের এবং উত্তেজনার ঘাটতি না থাকলেও, সময়ের ক্ষেত্রে অধিকাংশ পুরুষের মধ্যেই সমস্যা দেখা যায়। অর্থাৎ তারা স্ত্রীর সঙ্গে মিলনের ক্ষেত্রে খুব বেশি সময় টিকে থাকতে পারেন না।
শুক্রতারল্য এবং আবেগের অতিমাত্রায় উচ্ছ্বাসের কারণে যে সমস্যাগুলো হয় সেগুলো কিন্তু ওষুধের দ্বারাই সমাধান করা যায় । যেমন শুক্রের এবং উত্তেজনার ঘাটতি না থাকলে সময় বৃদ্ধি করার জন্য #স্তম্ভনী_বটী কমপক্ষে 2 মাস সেবন করলে ভালো ফল পাওয়া যায়।
কিন্তু যাদের শুক্রের ঘাটতি রয়েছে তাদের জন্য অবশ্যই শুক্রবর্ধক ওষুধও প্রযোজ্য ।
যারা দীর্ঘকাল ধরে কেমিক্যাল ওষুধ সেবন করেছেন কিংবা বিভিন্ন ধরনের বড় রোগে ভুগেছেন কিংবা মানসিক কারণে ইরেকটাইল ডিসফাংশন বা উত্থান জনিত সমস্যায় ভুগছেন তাদের ক্ষেত্রেও খুব বেশি সফলতা আসে না। অংগের আকৃতি দৃঢ়তা সবলতা ইত্যাদি বৃদ্ধি করা গেলে কারো কারো ক্ষেত্রে সফলতা লাভ করা যায়। আর এই উদ্দেশ্যেই #হিমাদ্রি মেশিন উদ্ভাবন করা হয়েছে। তাছাড়া আকৃতির প্রয়োজনও রয়েছে। স্ত্রীরা তা আশাও করেন।
অর্থাৎ যদি কোষ-কলায় ড্যামেজ বা ক্ষয় এর কারণে অঙ্গের আকৃতি খর্ব হয়ে যায় তাহলে এই পদ্ধতি কাজ করবে, তাতে কোনো সন্দেহ নেই, কারণ এই পদ্ধতির মাধ্যমে অঙ্গের আকৃতি বৃদ্ধি পাবে। ইনশা আল্লাহ।
কিন্তু অনেকে এমন আছেন যাদের উত্থান জনিত সমস্যা আছে বলে তারা মনে করেন না, অথচ তারা যখনই স্ত্রীর কাছে যান তখন মানসিক কারণে সেই সমস্যা এসে দেখা দেয়।
অনেকে এমন আছেন যাদের মধ্যে উত্তেজনা অনুভূত হয়, কিন্তু উত্থান পর্যাপ্তভাবে দৃঢ় হয় না বলে তারা "লালন মরলো জল পিপাসায় থাকতে নদী মেঘনা" অবস্থার মধ্যে পড়ে যান।
আবার আমরা আগেও বলেছি যে যাদের বয়স কম এবং ফলে শুক্র এবং উত্তেজনায় ঘাটতি নেই, তাদের ক্ষেত্রে 'সময়ের' বিষয়টা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
ফলে যৌন স্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে দুটি বিষয় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সেগুলি হলোঃ
>> যখন প্রয়োজন তখন অত্যন্ত সফল #ইরেকশন বা উত্থান সৃষ্টি করা
>> এবং যতক্ষণ ইচ্ছা ততক্ষণ থাকতে পারা, কিংবা অন্তত একটি ন্যূনতম সময় পর্যন্ত থাকার যোগ্যতা অর্জন করা
এই বিষয় দুটি নিয়ে বহুকাল ধরে ভাবছিলাম এবং বিভিন্ন ধরনের পদ্ধতি সন্ধান করছিলাম। নতুন নতুন উদ্ভাবন সেই প্রচেষ্টার চিত্র তুলে ধরে। প্রায় এক যুগ ধরে এ নিয়ে ভেবে চলেছি।
সেই প্রচেষ্টার এই একটি পর্যায়ে #মেশিন উদ্ভাবন করতে হয়েছে, যাতে ফল যে হবে তাতে কোনই সন্দেহ নেই, ইনশাআল্লাহ। কিন্তু >> ইচ্ছা অনুযায়ী কিংবা প্রয়োজন অনুযায়ী ইরেকশন সৃষ্টি করতে পারা এবং যতক্ষণ সম্ভব ততক্ষণ সফল ভাবে টিকে থাকতে পারা
এই পর্যন্ত পাওয়া সেরা ওষুধ!
মহারসায়ন #মহাঋদ্ধি লেহ
[সম্পূর্ণ পোস্ট টা না পড়ে কোনো পদক্ষেপ নেবেন না।]
যা মাত্র তিন দিন সেবনেই যিনি দুর্বলতার কারণে শুয়ে থাকলে বসতে বা বসে থাকলে উঠে দাড়াতে পচ্ছন্দ করেন না, তিনি হয়তো এক পায়ে দাড়াতেও স্বাচ্ছন্দ বোধ করবেন।
হাড় দাত সহ কোষ কলা শুক্রের ক্ষয় দ্রুত নিরাময় হবে।
শরীরের যে কোনো পচন বা ক্ষত জাতীয় রোগ এক মাসেই নির্মূল হয়ে যাবে।
পেটের গ্যাস বিদায় নেবে। পেট পরিষ্কার হয়ে যাবে।
মনে হবে যেন শক্ত কাঠ কামড় দিয়ে অনায়াসে ভেংগে ফেলা যাবে।
মনে হবে যেন ঘুষি মেরে ইটের দেয়াল ভেংগে ফেলা যাবে।
মনে হবে যেন পা দিয়ে মাটিতে আঘাত করে গর্ত তৈরি করে ফেলা যাবে।
এই মনে হওয়া থেকে অনেক কিছুই বোঝা যাবে। শরীরের ক্ষয় পুরণ হলে যা হয়।
আঘাত জনিত থ্যাতলানো অবস্থা, শিরা শুকিয়ে যাওয়া, তীব্র ব্যথা, পা অবশ ভাব, ঝিনঝিন অনুভূতি, দীর্ঘকালের চর্মরোগ দূর হয়ে যাবে।
শরীরের ছোট ছোট টিউমার বিলীন হয়ে যাবে।
স্তনের টিউমার বা যে কোনো ফোলা বা ব্যথা সমন্বিত ফোলা বিলীন হয়ে যাবে।
ভগন্দরের পুজ ঘা ক্ষত জনিত রোগ নির্মূল হবে।
যত কঠিন জীবাণুই শরীরে থাক না কেন, ধ্বংস হয়ে যাবে।
চুল ভ্রমরকালো হবে এবং আর পাকবে না। একেবারে কঠিন বার্ধক্য ছাড়া চুল পাকবে না।
শরীরে অতুলনীয় শক্তি ও কর্মদক্ষতা অনুভূত হবে।
সুস্থ অবস্থায় এক টানা ১ বছর সেবন করলে এক শত বছর বাচলেও কোনো রোগ হওয়ার কথা নয়। তখন যখন-ইচ্ছা স্ত্রী সহবাস করলেও শুক্রক্ষয় হবে না। খাওয়া দাওয়ার অনিয়ম দ্বারা শরীর প্রভাবিত হবে না। অত্যধিক ভ্রমণে যাদের শরীর বায়ুবিকার গ্রস্ত হয় তারা বিকার মুক্ত হবেন।
চোখের দৃষ্টির অভূতপূর্ব উন্নতি ঘটবে।
দুর্বলতা অবসন্নতা ক্লান্তি কাজে অনীহা.......
কোন দীর্ঘস্থায়ী রোগে অনেকদিন ভোগার কারণে, এমনকি রোগের মূল বিষয় গুলি নিয়ন্ত্রণে এসেছে এই অবস্থাতেও, দুর্বলতা প্রকাশ পেতে পারে এবং তা স্থায়ী হয়ে যেতে পারে।
কোনো রোগ ব্যাধি ছাড়া বয়সের কারণে দুর্বলতা প্রকাশ হতে পারে।
দুর্বলতার প্রধান কারণ হলো শরীরের কোষকলা ইত্যাদির ক্ষয়।
যেমন ডায়াবেটিস রোগীকে যদি সঠিক ওষুধ দেয়া হয় তাহলে সুগারের মাত্রা স্বাভাবিক থাকে এবং অধিকাংশ ক্ষেত্রে তা হঠাৎ করে ওঠানামা করে না। অথচ রোগীর শরীরের অবস্থা আগে থেকে যদি খুব দুর্বল হয়ে গিয়ে থাকে, তাহলে অনেক সময়ে আগের সবলতা আর ফিরে আসে না।
এভাবে রক্তের কোলেস্টেরল থাইরয়েড ইত্যাদির কারণেও কিন্তু দুর্বলতা স্থায়ীভাবে শরীরে আসন গেড়ে বসে।
রক্তস্বল্পতা, কাজে অনীহা, অত্যন্ত ক্লান্তি, বসলে উঠতে এবং শুলে উঠে বসতে ইচ্ছা না জাগা, একটু পরিশ্রম করলে হাঁপিয়ে ওঠা বা বুক ধড়ফড় করা, ত্বক কুচকে যাওয়া, ত্বকের বর্ণ নষ্ট হয়ে যাওয়া, এমনকি শরীরের বিভিন্ন স্থানে ব্যথা, এবং সবচেয়ে বড় সমস্যা হিসেবে যা দেখা যায় - পায়ের কিছু অংশ ঝিনঝিন করা বা অবশ হয়ে যাওয়া - এই জাতীয় উপসর্গ এক বা একাধিক সাথে থাকলে, তখন ব্যাকগ্রাউন্ডে কোনো রোগ থাকলে তার ওপর চিকিৎসার সঙ্গে শরীরের শক্তি বর্ধক এবং শরীরের ক্ষয়পূরণকারী মহারসায়ন " #মহাঋদ্ধি" খেতে হবে। ২-৩ দিনের মধ্যেই নিজেকে সবল ও শক্তিশালী মনে হবে ইনশাআল্লাহ। ৩ মাস খেলে হাড়ের ক্ষয় দাত দুর্বল হয়ে যাওয়া শুক্রের ঘাটতি ইত্যাদি সমস্যা দূর হয়ে যায়।
এখন থেকে সুযোগ হলেই এই ওষুধ টা বানাবো ইনশাআল্লাহ।
কেউ জীবনে একটা ওষুধ খেতে চাইলে এটাই খাবেন।
আমার যাবতীয় কর্মের জন্যও যদি কেউ আমাকে মনে না রাখে তবুও সেবনকারী শুধু এই ওষুধের জন্যই আজীবন আমাকে মনে রাখবে।
ডায়াবেটিস উচ্চ রক্ত চাপ রক্তের কোলেস্টেরল হার্ট ব্লক আমাশয় থাকলে সাথে কিছু দিনের জন্য হলেও এর সাথে তার জন্য প্রয়োজনীয় ওষুধও দিতে হবে।
এই ওষুধের মূল কাজ হলো দেহের ক্ষয় পূরণ করা এবং বড় রোগ নিরাময় সহজ করে তোলা এবং বার্ধক্যকে দূরে ঠেলে দেয়া।
অনেককেই গোল্ড এর ওষুধ খাইয়েছি। অনেক ব্যয়বহুল। তারা জানেন কী জাদু আছে তাতে। কিন্তু #মহাঋদ্ধি গোল্ড না হলেও, অনেক দৃষ্টিতে তার চেয়েও শক্তিশালী।
রসায়ন ক্রিয়ার জন্য অর্থাৎ স্থায়ী এন্টি এজিং এজেন্ট হিসেবে খেতে চাইলে এক টানা খেতে হয়।
অন্য কোনো উদ্দেশ্যে খেলে অন্তত তিন মাস। ফল শুরু হয় তৎক্ষণাৎ।
এটাই এই পর্যন্ত জানা সবচেয়ে বিস্ময়কর এবং শক্তিশালী এন্টি এজিং বা বার্ধক্যনিরোধক ওষুধ।
সুস্থ অবস্থায় জীবনে মাত্র এক বার খাওয়াই যথেষ্ট।
ইনশাআল্লাহ!
এক সাথে এক বছরের জন্য অর্ডার দিলে প্রতি দিনের জন্য খরচ হবে ১১০ টাকা।
এক সাথে ৬ মাসের জন্য অর্ডার দিলে প্রতি দিনের জন্য খরচ হবে ১৩০ টাকা।
এক সাথে ৩ মাসের জন্য অর্ডার দিলে প্রতি দিনের জন্য খরচ হবে ১৪০ টাকা।
এক সাথে ১ মাসের জন্য অর্ডার দিলে প্রতি দিনের জন্য খরচ হবে ১৫০ টাকা।
অর্ডার দেয়ার পর ২০ দিন সময় দিতে হয়। সদ্য তৈরি করে পাঠাতে হয় কারণ অনেকে এটা বহুদিন ধরে খাবেন। এক বছরের তৈরিকৃত ওষুধের ক্রিয়া কমে যেতে থাকে।
bKash/ Nagad - 01723620027
নাম্বারে ছোট একটা ম্যাসেজ দিতে হবে।
।।।।।।।।।।।।।।।।।।।
#মহাঋদ্ধি সেবনবিধি
সারাপৃথিবী ঘুরে যদি কোনো রসায়ন খাওয়ার প্রয়োজন হয় তাহলে এটিই সেই - মহাঋদ্ধি।
সকালে খালি পেটে আধা চামচ খাবেন। গরম পানি / দুধ দিয়ে। পেট পরিষ্কার হয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ। পায়খানা তরল হবে না। পেটে মোচড় দেবে না। মনে হবে ভিতর থেকে ময়লা ঠেলে বের করে দিচ্ছে।
কয়েক দিন পর মাত্রা ১ চা চামচ করা যাবে।
অত্যন্ত সুস্বাদু হওয়ায় শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।
হাতে বা চামচে সামান্য পানি থাকলেও ছত্রাক পড়তে শুরু করবে। সুতরাং পানি থেকে সাবধান। ছত্রাক পড়তে শুরু করলে রোদে রাখলে ঠিক হয়ে যাবে। তবে ফ্রিজেও রাখা যায়। তবে খাওয়ার সময়ে গরম (বেশি) পানিতে আগে গুলে নেবেন।
৩/৪ দিন পর থেকেই শরীর হালকা মনে হবে। ক্ষয় পূরণ হতে থাকবে।
রসায়ন জাতীয় ওষুধের ফল হুট করে পাওয়া যায় না। অন্তত ১০ দিন অপেক্ষা করতে হবে।
এই রসায়ন খাওয়ার সময়ে ভারী ভারী খাবার যেমন মাংস দুধ মাছ ইত্যাদি খাওয়া ভালো। খিদে বাড়বে অনেক। অথচ গ্যাস হবে না। কারো কারো ক্ষেত্রে প্রথম ২-১ দিন গ্যাস অনুভূত হতে পারে। পরে ঠিক হয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ।
কয়েক দিনের মধ্যেই ত্বকের রঙ উজ্জ্বল হয়ে যাবে।
যাদের রোদ সহ্য হয় না তারা একটু দেরিতে মাত্রা বাড়াবেন। তাদের ক্ষেত্রে বেশি ওষুধ খাওয়া পড়লে গায়ের রঙ কিছু টা কালো হয়ে যেতে পারে। মাত্রা কমালে বা কয়েক দিন পর ঠিক হয়ে যাবে।
এক মাস অতিক্রান্ত হওয়ার পর থেকে দুরারোগ্য ব্যাধিও নিরাময় হতে থাকবে।
যারা রসায়ন ক্রিয়া চান তাদের পক্ষে এক বছরের মধ্যে এক দিনও ওষুধ বাদ দেয়া চলবে না। রসায়ন ক্রিয়া সাধিত হলে দেহ ভবিষ্যতের জন্যও নীরোগ হয়ে যায়। তখন ইচ্ছে মতো আহার বিহার (ভ্রমণ) স্ত্রীগমন কোনো কিছুই ক্ষতিকর হয় না।
অন্যান্য উদ্দেশ্যে অন্তত ৩ মাস খাবেন।
চরম দুর্বলতায় কয়েক দিন খেলেই গায়ে শক্তি ফিরে আসবে ইনশাআল্লাহ।
এক মাস সেবনের পর থেকে শরীর জীবাণু দ্বারা আক্রান্ত হতে পারবে না।
শ্রেষ্ঠতম বার্ধক্যনিরোধক বা এন্টি এজিং রসায়ন। রসায়ন ক্রিয়া সাধিত হলে বৃদ্ধ বয়সেও যৌবন শক্তি দুর্বল হয় না।
#নতুন_জীবন!
https://www.facebook.com/1095980163858784/posts/4601779086612190/
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Khulna
