Shimus Beauty Shop BD

Shimus Beauty Shop BD

Share

Women's Beauty

21/09/2025

❤️

Photos from Shimus Beauty Shop BD's post 03/09/2023

যারা ওজন বাড়াতে চাও তারা এই প্রোডাক্টস গুলো নিয়ে নেও!!
একমাসের মধ্যে ৪-৫ কেজি ওজন বাড়াতে কার্যকরী প্রোডাক্ট।💖❤️❤️
খাবারের রুচি বাড়াবে,
শারীরিক দুর্বলতা কমাবে।

Photos from Shimus Beauty Shop BD's post 02/09/2023

𝗠𝗮𝗿𝗶𝗸𝗮 𝗕𝗼𝗱𝘆 𝗔𝘂𝗿𝗮 𝗧𝗼𝗻𝗲𝗿

𝐌𝐚𝐝𝐞 𝐢𝐧 𝐓𝐡𝐚𝐢𝐥𝐚𝐧𝐝.

থাইল্যান্ডে এটি খুবই জনপ্রিয়।

আমাদের অনেকের ই ঘাড়, কনুই,হাটু ও সিক্রেট প্লেস এ অনেক দিনের কালো দাগ থাকে যা সহজে রিমুভ হয় না।এ টি একদম ম্যাজিক এর মত কাজ করে এত ইফেক্টিভ।😊

🌿এটি বাহু, পা, ঘাড়, হাঁটু, কনুই, কালো দিক, সমস্ত জায়গা মুছতে পারে।
🌿শরীরের ভিতর থেকে ময়লা পরিষ্কার করে।
🌿মারিকা বডি অরা টোনার বডি ক্লিনিজিং টোনার দিয়ে দেহের দাগগুলি পরিষ্কার করুন।
🌿ত্বককে স্টিং করে না।
🌿ত্বকে নরম ও আর্দ্রতা করার জন্য এটি একটি ময়েশ্চারাইজার।
🌿ঘাম কমায়।
🌿wipe করার সময় স্কিন dry feel হয় না।

02/09/2023

যারা চুল পরার সমস্যায় ভুগছেন তাদের জন্য বেস্ট একটা হেয়ার টনিক!! 💚💚💚
চুলের গ্রোথনেস উজ্জ্বলতা ফিরিয়ে আনতে
এবং চুলের গোড়া থেকে মজবুত করতে
এই টনিকটা খুবই কার্যকর!!

Photos from Shimus Beauty Shop BD's post 30/07/2021

💋ZOZU Lip Mask💋
( 20 piece)

উপকারিতাঃ
~~~~~~~~
• ফিরিয়ে আনুন ঠোটের গোলাপি ভাব।
• ঠোঁটের আর্দ্রতা ফিরিয়ে আসুন।
• অসময়ে ঠোঁট ফাটা বন্ধ হবে।
• ঠোঁট এর কালো রঙ হ্রাস করে ঠোঁটের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করে।
• ঠোঁট রিংকেল মুছে ফেলে।
• কোলাজেন প্রোটিন সমৃদ্ধ যা ঠোটের মৃত টিস্যু পুনরায় বিল্ড করে।

উপাদানঃ
~~~~~~
water, Glycerin, Glucose, honey, butanediol, sorbic (sugar) Collagen Protein, aloe vera extract, hydroxy methylbenzene, fragrance compound.

ব্যবহার বিধিঃ
~~~~~~~~
• এটি ব্যবহার করার আগে আপনার ঠোঁট শুকিয়ে ফেলুন।
• প্যাকেটি সাবধানে খুলুন।
• এখন আপনার ঠোঁট উপর মাস্ক প্যাডটি লাগান এবং 15-20 মিনিট অপেক্ষা করুন।
• 15-20 মিনিট পরে মাস্ক প্যাডটি খুলুন এবং দুটি আঙুল দিয়ে হালকাভাবে ম্যাসাজ করুন।
• এভাবে ২/৩ দিন পর পর ব্যবহার করুন।
Inbox mE for order... 💬

29/07/2021

আয়না
লেখক শাপলা
পর্ব:০৪

আমি শুভর কথা শুনে হাসবো না রাগবো বুঝতে পারছিলাম না। বললাম,"শুভ এতো রাতে তোর রুমে ১টা মেয়ে,তোর বাবা জানলে কি হবে ভাব....আমি চিন্তায় পাগল হয়ে যাচ্ছি। আর, তুই মজা করছিস?"
শুভ বললো, খামোখা মজা করবো কেন?আমি এখানে আর থাকবো না মা।
আমি শুভ আর সারিনার দিকে তাকিয়ে আছি। কিছু বুঝে উঠার আগেই আমার কেমন অদ্ভুত লাগতে লাগলো।এরপর কি হলো আমার মনে নেই।যখন চোখ খুললাম দেখলাম শুভর রুমের মেঝেতে পরে আছি।ও কোথায়?আমি কি সেন্সলেস হয়ে গিয়েছিলাম?না... না মনে হয় সবটাই স্বপ্ন ছিল।শুভকে ডাকতে লাগলাম। কিন্তু,ওর কোনো সাড়া নেই।ওর টেবিলের উপর ১টা ডায়েরী দেখতে পেলাম।এটা তো শুভকে আমি ই উপহার দিয়েছিলাম।ডায়েরী খুললাম।সেখানে এলোমেলো ভাবে অনেক কিছু লেখা।
"মা,ছোটো থেকেই আমি লক্ষ্য করেছি আমি সবার মতো নই। সবার মাঝে থেকেও আমার মনে হতো ,এরা কেউই আমার নিজের না।সবার সাথে মানিয়ে নিতে আমার খুবই কষ্ট হতো।আমি ভেবে পেতাম না কিভাবে তোমরা এতো প্রখর আলোয় বাইরে যাও। আমার তো খুবই কষ্ট হতো।আর, রাত হলে তুমি আমাকে ছাদে উঠতেও দিতে না।খালি বলতে,ভয় লাগে না তোর?আমি বুঝতে পারতাম না আঁধারে আবার ভয় কিসের? আঁধারে তো নিজেকে আড়াল করা যায়। স্কুল যাওয়া-আসা এসবে যে আমার কত সমস্যা হতো, তোমাকে কিভাবে বলবো।যাই হোক,এই পরিবেশে আমার যেমন থাকতে কষ্ট তেমনি তোমাদেরও আমাকে নিয়ে সমস্যায় পরতে হবে।তাই,আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি চলে যাবো। তোমাকে কয়েকটা প্রশ্নের উত্তর দিই।আমি যে মানুষ নই সেটা আমি প্রথমে জানতে পেরেছিলাম সারিনার থেকে। ও-ই আয়নায় দৃশ্যমান হয়ে আমার সাথে কথা বলতো।আর, আমার বাবা কখনোই মানুষ হতে পারে না।সে অবশ্যই আমাদের সম্প্রদায়ের কেউ।এ বিষয়ে তুমিই ভালো জানবে।আর,আমি সবসময়ই চেষ্টা করেছি আমার সম্প্রদায়ের কাছে ফিরে যেতে। কিন্তু, আমার মা যে মানবসম্প্রদায়ের তাই আমি সেখানে যেতে পারবো না কখনো সারিনা বললো। কারন, আমি নাকি মানুষের মতো হয়ে গেছি।তাই, নিজের অস্তিত্ব প্রমাণ করতে আমাকে ১জন মানুষ হত্যা করতে হতো। তাহলেই,ওরা বুঝতো আমি আসলেই মানুষ নই। আর, আমাকে বলা হল আমি যেন তোমার স্বামী অর্থাৎ তুমি যাকে আমার বাবা দাবি করো তাকে খুন করতে।সত্যি কথা বলতে উনাকে মেরে ফেলতে আমার একটুও কষ্ট হতো না। কিন্তু, তুমি তো আমার মা। তুমি কষ্ট পাবে ভেবেই আমি তা করিনি।আমি ভেবেছি,আগে তোমার চোখে উনাকে খারাপ প্রতিপন্ন করবো।যেন, তুমি উনাকে অপছন্দ করো।এরপর,উনি মারা গেলেও তোমার কষ্ট হবেনা।তাই ,আমি রেইনবো কেক,রিমি সব বানিয়ে বলেছি। আরো,নানা ভাবেই চেষ্টা করেছি কিন্তু পারিনি। তুমি ভাবছো আমি কত খারাপ না? আসলেই আমি খারাপ।তবে, তোমাকে আমি খুবই ভালোবাসি মা।যাইহোক,আমি যেহেতু মারতে পারলাম না তাই জ্বীন সম্প্রদায়ের প্রধান আমাকে বললো আমি যেন এখানেই থাকি।কারন, আমার মধ্যে মানুষের লক্ষণ বিদ্যমান।আর,কোনো জ্বীন যেন আমার সাথে যোগাযোগ না রাখে। কিন্তু, তবুও সারিনা আমার সাথে দেখা করতে এসেছিল। বিধায়,ওকে শাস্তি স্বরুপ মানুষের কাছে পাঠিয়ে দেয়া হয়েছিল সমস্ত স্মৃতি মুছে।আর,তাই ও আমাকে হাসপাতালে চিনতে পারেনি।জ্বীনদের ২টা অনন্য ক্ষমতা হলো তারা আয়নায় প্রবেশ করতে পারে।আর, বিভিন্ন পশু-পাখির রূপ ধারণ করতে পারে।এই ২টা ক্ষমতার ১টাও আমার ছিল না। কিন্তু,শেষে অনেক চেষ্টার পর আমি দেখলাম আমি আয়নায় প্রবেশ করতে পারি।আর,এ কারনে হয়তো আমি আমার সম্প্রদায়ের কাছে ফেরত যেতে পারবো। আমাকে ক্ষমা করো মা।আমি তোমাকে ফেলে স্বার্থপরের মত চলে যাচ্ছি। কিন্তু, এখানে থাকতে আমার খুবই অস্বস্তি হয়। তুমি কি চাও আমার সারাটা জীবন অস্বস্তি-তে কাটুক?"
আমি আর পড়তে পারলাম না।ও কি সত্যিই মানুষ নয়?ও হওয়ার আগে আমি অনেক ডাক্তার দেখিয়েছি।এমনকি এ যুগের মানুষ হয়েও কত-শত কবিরাজের কাছে গেছি।১জন মহিলা বলেছিল তার কাছে নাকি ৩ টা জ্বীন বন্দি।সে জ্বীনের সাহায্যে অনেক কিছু করে ফেলতে পারে।আমি তাকে আমার স্বর্নের রুলি দুটি দিয়েছিলাম। বলেছিলাম, যেকোনো কিছুর বিনিময়ে আমি শুধু ১টা সন্তান চাই।উনি আমাকে কিছু খেতে দিয়েছিলো।তারপর, আমি ঘুমিয়ে পরেছিলাম। সন্ধ্যার দিকে ঘুম ভাঙলো।উনি হেসে বললো সামনের মাসেই তুই খুশি হয়ে যাবি দেখিস।সত্যিই তাই হলো।উনি আসলে কি করেছিল আমি জানি না। উনাকে আমি আর কখনো খুঁজে পাইনি।
সাদিক কে সবটা বলতে হবে।সত্যিই কি ও তবে শুভর বাবা নয়? আমার হাত-পা কাঁপতে লাগলো।আমি সাদিককে সব কিছু বললাম।ও চুপ করে শুনলো।বললো, কোথায় শুভর লেখা দেখাও?আমি দেখালাম।ও দীর্ঘশ্বাস ফেললো। বললো, তোমার মাথা খারাপ হয়ে গেছে।এটা তো খালি পৃষ্ঠা। কোন লেখা নেই।আর শুভ হতচ্ছারা নিশ্চয়ই বকুনি খেয়ে আমার উপর রাগ দেখিয়ে বাড়ি থেকে চলে গেছে। চিন্তা করো না একটু পরই ফিরে আসবে।
আমি হতভম্ব হয়ে সাদিকের কথা শুনছি।কি বলছে ও?আমি তো স্পষ্ট লেখাগুলো দেখতে পাচ্ছি। কিন্তু,ও কেন পাচ্ছেনা।
শুভ কি শুধু চেয়েছে আমাকে সত্যিটা জানাতে?
দেখতে দেখতে অনেক দিন পার হলো। শুভ আর ফিরলো না।সাদিক থানায় রিপোর্ট করিয়েছে। কিন্তু,কাজ হয়নি ।হবে না সেতো আমি জানি ই।আমি সাদিক কে সবসময় সত্যি টা বলি।ও বিশ্বাস করে না।আমাকে মানসিক ডাক্তার দেখায়।সব নাকি আমার মনের ভুল।আমি সত্যিই বুঝতে পারি না কোনটা সত্যি কোন টা মিথ্যা।আমি প্রায়ই আয়নায় শুভ কে দেখি।ডাক্তার বলে এসব নাকি আমার কল্পনা। কিন্তু,শুভ সেতো আমার সন্তান ছিল।তাকে তো আমি কত কষ্ট করে বড় করেছি।তার কি মনে পরে না আমার কথা?
ডাক্তার বলে আমি না স্কিজোফ্রেনিয়ায় আক্রান্ত। যেহেতু আমি দেরীতে মা হয়েছি এবং জ্বীন পোষে এমন কারো কাছে সাহায্যের জন্য গিয়েছি তাই আমার মাথায় এটা ঢুকে গেছে যে আমার ছেলেটা হয়তো বা মানুষ না।জ্বীনই হয়তো আমার ছেলের বাবা। অবচেতন ভাবে এসব ভাবার কারনেই নাকি আমি ভুল ভাল কথা বলি,দেখি।
আমিও ডাক্তারের কথাই মেনে নিয়েছি।সবই হয়তো আমারই অবচেতন মনের ভাবনা।শুভ হয়তো আসলেই ওর বাবার উপর রাগ করে চলে গেছে।এরপর,কোনো বিপদে পরেছে হয়তো মারা গেছে।হয়তো সারিনা,শুভ,ডায়েরী যা সবই আমি দেখেছিলাম সব ভুল। কিন্তু, তবুও আমি জানি আমি ভুল নই।কারন, আমি আমার চারপাশে শুভর অস্তিত্ব অনুভব করি। আমি ১ দিন সুইসাইড করার চেষ্টা করেছিলাম। কিন্তু,তখন আমার মনে হলো কেউ যেন আমার কানে কানে পরম মমতায় বলছে,এমন করো না মা....এমন করো না।
আমি ওকে স্বপ্নে দেখি।কত বছর কেটে গেছে।সবাই ওকে ভুলে গেছে। কিন্তু, আমি জানি ও বেঁচে আছে।ওর আর সারিনার খুব ফুটফুটে ১টা মেয়ে হয়েছে।স্বপ্নে ও আমাকে বলছে,মা তোমার নাতনির ১টা নাম রাখো।
আমি নামের বইয়ে নাম খুঁজি।সবাই আমাকে পাগল বলে।আমি মেনেও নিই।আমি পাগল হয়ে যদি আমার সন্তানকে দেখতে পাই তাহলে পাগল হওয়াটাই বা মন্দ কি............
............. সমাপ্ত.............

28/07/2021

আয়না
লেখিকাঃ শাপলা
পর্ব:০৩
সারিনা বসে আছে ড. ফাতেমার সামনে।সারিনার মায়ের কাছ থেকে ড.ফাতেমা গতরাতের ঘটনা সবটাই শুনেছে।তিনি সারিনা কে বললো, তুমি দেখেছো তোমার ঘরের আয়নার ভিতরে ১টা ছেলে
ছিল?ঐ ছেলেটা যে তোমাকে ডিস্টার্ব করেছিল?
সারিনা হ্যাঁ-সূচক মাথা নাড়লো।ড. হেসে বললো,শোনো কাল যে ঐ ছেলে হুট করে তোমার হাত ধরেছিল তাই তুমি ভয় পেয়েছিলে।আর, অতিরিক্ত ভয় পেলে আমাদের মস্তিষ্ক বিক্ষিপ্ত হয়ে যায়।সে ভুলভাল জিনিস দেখে।তুমিও তাই দেখেছো।পর্যাপ্ত ঘুম আর বিশ্রাম নিলে এই হ্যালুসিনেশন কেটে যাবে। সারিনা আবারো হ্যাঁসূচক মাথা নাড়লো।
সারিনা-কে নিয়ে ওর মা বাড়িতে ফিরে এলো।মা আজকে অনেক মজার মজার সব খাবার রান্না করার প্রস্তুতি নিচ্ছে।বাবাও খুব হাসিখুশি।মা জানালেন তোর বড় ভাই আসবে কালকে ফ্লোরিডা থেকে।তাই,এখন থেকেই বাড়িতে সাজসাজ রব।
সারিনা অবাক হয়ে শুনছে কারন তার যে বড় ভাই আছে এটা সে আজকেই প্রথম শুনলো।কই তার স্মৃতিতে তো কিছুই নেই।
............
শুভ বসে আছে ওর বাবার সামনে।আমি শুভর বাবাকে অনেক বার বললাম যে , তুমি অফিসে যাও।আমি ছেলে কে বকবো। কিন্তু আমার কথা সাদিক শুনলোই না।সাদিক আজকে শুভর সব খাতা চেক করেছে। সেখানে কোনো অংক,বাংলা এসব লেখা নেই।কি সব অদ্ভুত আঁকিবুঁকি করা।সব খাতায়।শুভ বরাবরই খারাপ ছাত্র। কিন্তু,এমনটা যে ও করে আমার ধারনাতেই ছিল না।শুভর বাবা রাগী চোখে শুভর দিকে তাকিয়ে আছে।শুভও ওর বাবার চোখে চোখ রেখে তাকিয়ে আছে।এতে সাদিক বারবার চোখ নামিয়ে নিচ্ছে।কারন,শুভর চোখের দিকে একনাগাড়ে অনেকক্ষণ তাকিয়ে থাকা যায় না।ওর বাবা বললো, তোমার সাহস দেখে আমি অবাক।এতো টাকা খরচ করে আমি তোমাকে বই-খাতা কিনে দিই কি এসব ছাতার মাথা আঁকার জন্য।
সাদিক প্রায় আধাঘণ্টার মতো শুভকে ধমকালো। কিন্তু,শুভ নিরুত্তর।এতে সাদিক আরো ক্ষিপ্ত হলো। শুভর খাতা গুলো পুড়ে ফেললো। আমার দিকে তাকিয়ে বললো, আমার ছেলে হয়ে সে এমন বেয়াদব হয়েছে কেন বলোতো।
শুভ ঠান্ডা গলায় বললো, আমি আগেও বলেছি , আবার বলছি আমি আপনার ছেলে নই।আর,এটা আমি রাগ করে বলিনা।এটা সত্যি।তাই, আপনি বারবার নিজেকে আমার বাবা দাবি করবেন না এতে আমার রাগ হয়।
কথাগুলো বলে শুভ নিজের ঘরে চলে গেল।সাদিক আমার দিকে তাকিয়ে বললো,তোমাকে তো মা-ই ডাকে তাহলে আমাকে বাবা ডাকে না কেন? আমি সাদিকের দিকে তাকিয়ে রইলাম। ও কি আমাকে সন্দেহ করছে?.......
সারিনার বড় ভাইয়ের নাম সাদমান।অবাক করা ব্যাপার হলো,সাদমানও সারিনা কে জিজ্ঞেস করল,'ওহ.. তাহলে তুমিই সারিনা।' সারিনা অবাক হয়েছে কারন, তার নাহয় কিছু মনে থাকে না তাই বলে তার ভাইও তাকে চিনবে না।এ কেমন কথা?সারিনার বারবার মনে হচ্ছে,নিশ্চয়ই কোনো গন্ডগোল আছে।তার,ভাই তার সাথে গল্প করছে নিজের এক্স গার্লফ্রেন্ড নিয়ে। তার গার্লফ্রেন্ড নাকি সারিনার মতো দেখতে ছিল।এ কেমন কথা? বারবার কথাচ্ছলে সারিনার গায়ে হাত দিচ্ছে।সারিনার খুবই অস্বস্তি হচ্ছে।চরম অস্বস্তির ঘটনা টা ঘটলো সেদিন রাতে। সারিনা দরজা খুলেই ঘুমায় ভয়ের কারনে। মাঝরাতে হঠাৎ সে কারো উপস্থিতি টের পেলো ঘরে। তাকিয়ে দেখলো আর কেউ নয়,সাদমান।সে খুবই অশ্লীল ভাবে কথা বলছিলো সারিনার সাথে।সারিনা চিৎকার করে ওর মাকে ডাকার সময়ই সাদমান ওর মুখ চেপে ধরলো।সারিনা বুঝতে পারলো আজকে ওর কপালে খারাপ কিছু আছে।তবুও,নিজেকে বাঁচাতে শেষ চেষ্টা করলো সে।আর,অবাক করা বিষয় হলো, ও সাদমানের থেকে নিজেকে ছাড়িয়ে নিতে সক্ষম হলো। সাদমানের গালে নিজের সর্বশক্তি দিয়ে চড় মারলো সারিনা।ওর থাপ্পরের চোটে ফ্লোরে পরে ঠোঁট কেটে রক্ত বেরোতে লাগলো সাদমানের।সারিনা অবাক হয়ে গেল,এতো শক্তি ওর!
সাদমান দেখলো সারিনার চোখের মনি দুটো আর কালো নেই,গাঢ় সবুজ রঙা।সে ভয়ে চিৎকার করতে লাগলো। ততক্ষণে বাবা-মা চলে এসেছে এখানে।তারা বাইরে থেকে দরজা নক করছে ,সারিনা দরজা খুললো। মা-বাবাকে সে সাদমানের খারাপ উদ্দেশ্যের কথা জানালো। কিন্তু, অবাক ব্যাপার হলো বাবা-মা ওকে বিশ্বাস না করে সাদমানের পক্ষে কথা বলছে।উল্টা ওকে বকাবকি করছে। তাদের ভাষ্যমতে তাদের ছেলে নির্দোষ।সারিনাই দোষী।এক পর্যায়ে সারিনার মা বললো,"এই মেয়েকে ঘরে জায়গা দেয়াই উচিত হয় নি।হতে পারে কোনো খারাপ মেয়ে। সেদিন রাতে মায়া না দেখালেই হতো।আজ আর আমার ছেলেকে এতো বড় অপবাদ সহ্য করতে হতো না।" হঠাৎ,সারিনার অনেক কিছু মনে পরতে লাগলো। একদিন রাতে চোখ খুলে সারিনা দেখেছিল এই ভদ্রলোক আর ভদ্রমহিলা কে।তারা সারিনাকে নাম-ঠিকানা এসব জিজ্ঞেস করছে। কিন্তু,সারিনা কিছুই বলতে পারলো না।তারপর থেকে মাস ছয়েক হলো সারিনা এখানেই আছে। নিজের মেয়ের মতোই দেখে ওরা সারিনাকে।সারিনা নামটাও ওরাই দিয়েছে।সারিনার চারপাশটা কেমন ঘোলাটে লাগতে লাগলো।ছয় মাস আগে সে কোথায় ছিল?সেই স্মৃতি ওর মনে নেই।এখন ও কি করবে তাও ওর মাথায় ঢুকছে না। হঠাৎ ও দেখলো ওর সামনে থাকা আয়না টা কেমন দুলছে।যেন এটা আয়না নয় স্বচ্ছ কোনো সরোবরের পানি।সারিনা ধীরে ধীরে আয়নার দিকে এগিয়ে গেল,তার হাত আয়নায় রাখলো। খেয়াল করলো হাতটা আয়নার ভিতরে ঢুকে গেছে।সারিনাও পানিতে নামার মতোই আয়নায় চলে গেলো।পিছন থেকে চিৎকার আসতে লাগলো।সবাই ভূত...ভূত বলে চেঁচামেচি করছে।সারিনা বেশিক্ষণ শুনলো না।সে এখন অন্য ১টা জগতে।এখানে সবই আগের জগতের মতো। কিন্তু,কোনো লোকজন নেই। কোথায় যাবে সারিনা জানেনা।কার যেন পায়ের ছাপ মাটিতে।সারিনা সেই ছাপ ফলো করতে লাগলো।
পায়ের ছাপ গুলো আসলে শুভর।শুভও এই পথ দিয়েই সারিনার আয়নায় দৃশ্যমান হয়েছিল।
সারিনা ধীরে ধীরে পায়ের ছাপ এর শেষ প্রান্তে চলে এলো।এখানে আর যাওয়ার পথ নেই।সামনে সে দেখতে পেলো শুভকে। বিছানায় বিমর্ষ হয়ে বসে আছে। হঠাৎ,সারিনাকে দেখে সে বললো ,তুমি?আমার মন বলছিল তুমি আসবে।শুভ হাত বাড়িয়ে দেয়।সারিনা আছে ১টা ঘোরের মধ্যে।সে নিজের অজান্তেই শুভর হাত ধরে। বেরিয়ে আসে আয়না থেকে।এই আয়নাটাতে ছোট থেকেই শুভ ১টা মেয়েকে দেখতো। মেয়েটাকে নাম জিজ্ঞেস করলে সে বলতো, আমাদের কোনো নাম হয়না। সারাক্ষন শুভ ওর সাথে কথা বলতো।বড় হওয়ার পর বুঝলো আয়নাতে এই মেয়েটাকে তার মা দেখে না সেই শুধু একা দেখে।সেই মেয়েটার এখন একটা নাম আছে,"সারিনা"....কিভাবে সারিনা নাম পেলো মেয়েটা শুভ জানেনা। কিভাবেই বা আয়না জগতের বাইরে এলো তাও জানেনা। তবে আজ নিশ্চয়ই জানবে।........
শুভকে সাদিক আজকে এতোটা বকেছে যে শুভ রাতে ভাত খায়নি।অবশ্য শুভরও দোষ আছে।সে কিভাবে নিজের বাবাকে অস্বীকার করতে পারে।আমি ভাবলাম,আজ ওর সাথে খোলামেলাভাবে কথা বলবো।ও এমন কেন করে?সাদিক ঘুমানোর পরে আমি শুভর ঘরে গেলাম। গিয়ে যা দেখলাম তা দেখার জন্য আমি মোটেও প্রস্তুত ছিলাম না।এতো রাতে ওর ঘরে ১টা মেয়ে। আচ্ছা,এই মেয়েটা তো সারিনা।আমি দরজা আটকে জানতে চাইলাম ব্যাপারটা কি?এতো রাতে তুমি এই বাড়িতে কিভাবে এসছো?আর কেনই বা এসেছো?এতো রাতে বাড়ি থেকে বের হয়েছো তোমার মা জানেন? তোমার যদি রাস্তায় বিপদ হতো তবে?
শুভ বললো,মা...আমি তোমাকে ১ টা কথা বলি তুমি মন দিয়ে শোনো।এটা তোমাকে আরো আগেই বলা উচিৎ ছিল।
আমি জিজ্ঞেস করলাম,কি কথা?
শুভ বললো,আমি মানুষ নই মা।
- কিহ?কোন ধরনের মজা এইগুলো?
-মজা না মা সত্যিই।
-আচ্ছা সত্যি? তাহলে তুই কি?বল শুনি।
-আমি জ্বীন।তাই, সাধারন মানুষের থেকে আমার শরীরের তাপমাত্রা অনেক বেশি।কারন,আমি মানুষের মতো মাটির তৈরী নই। পরের পার্ট সহজে পেতে আমার পেজ ফলো দিয়ে রাখেন🥰.........................
চলবে,,,,,

26/07/2021

আয়না
পর্ব:০২
Writer: Shapla
Copy
রেইনবো কেক দেখে আমি সত্যিই স্তম্ভিত হয়ে গিয়েছিলাম।কেউ যেন আমার শ্বাস-প্রশ্বাস আটকে দিয়েছিলো।আমি,শুভর দিকে স্থির দৃষ্টিতে তাকিয়ে রইলাম।শুভর বাবা বললো,কি হলো?এমন করছো কেন?কেকটা খাও। আমি আর নিজেকে সামলাতে পারছিলাম না। "আমাকে কেক খাওয়ানোর এতোই তাড়া?হবে নাই বা কেন?আমি যত তাড়াতাড়ি মরবো ততই তো তোমার লাভ।আমাকে বিষ মিশানো কেক খাইয়ে রিমিকে বিয়ে করবে?"
শুভর বাবা বললো,কি বলছো এসব পাগলের মত?আর রিমি এলো কোথা থেকে?আজকেই আমি রিমিকে জীবনে প্রথম দেখলাম।আর কেকে বিষ থাকবে কেন?
আমি শুভর বাবার কোনো কথাই বিশ্বাস করতে পারলাম না।রাগে কাঁপতে কাঁপতে বললাম, আমি এক্ষুনি পুলিশে কমপ্লিন করবো।
হয়তো আমি সেদিন সত্যিই থানায় ফোন করতাম। কিন্তু, তার আগেই সাদিক নিজেই আমার সামনে রেইনবো কেক টা খেয়ে ফেললো।বললো,কই বিষ? আমার কিছু হয়েছে কি?
তখন আমি সম্বিৎ ফিরে পেলাম।সাদিক তার বন্ধু আসাদকে ফোন করলো। বললো, রিমিকে দিতে। তখন রিমিকে সে খোলাখুলি সব বললো।এসব শুনে রিমি কান্না করে দিলো।আসাদও রাগারাগী করলো তার বউয়ের নামে এমন অপবাদ দেয়ার জন্য।সাদিক এবার আমাকে রাগী কন্ঠে জিজ্ঞেস করল,কে বলেছে তোমাকে এসব?শুভ বাঁদর টা?
আমি অস্বীকার করলাম।কারন,এর আগেও শুভ এমন উদ্ভট কথা বলে সাদিকের কাছে শাস্তি পেয়েছে।তাই, আমি আর আজকে ওকে বিপদে ফেলতে চাইনা।যা শাস্তি দেয়ার আমিই পরে দিবো।আমি, সাদিকের কাছে ক্ষমা চাইলাম।কাঁদলাম।ব্যাপারটা বাড়তে দিলাম না।
পরদিন আমি শুভকে জেরা করার জন্য ওর রুমে গেলাম। দেখলাম দরজা বন্ধ।কান পেতে রইলাম ও রুমে কি করে... দেখলাম ও খুব কাঁদছে।বিলাপের মতো।আর,কি যেন বলছে।সব কথা বুঝতে না পারলেও খানিক যেটা আমি বুঝলাম তা হলো,ও কারো কাছে আরেকটা সুযোগ চাইছে। কাঁদতে কাঁদতে বলছে,আমাকে আরেকটা শেষ সুযোগ দিন।
কাকে বলছে এসব?ওর তো ফোনও নেই। আমি ওর রুমের ডুপ্লিকেট চাবি নিয়ে এসে আস্তে দরজা খুললাম। দেখলাম ওর ঘরে থাকা বড় আয়নাটার সামনে ও ক্ষমা চাওয়ার ভঙ্গী করে বসে আছে আর কাঁদছে।আমি ওকে ডাকলাম,শুভ তুই এমন করছিস কেন?
শুভ আমাকে দেখে ভূত দেখার মতো চমকে উঠলো।
সেইদিনের পর থেকে ওর আয়না রোগ সেরে গেলো।আর, আয়নার সামনে বসে থাকেনা।রোজ স্কুল যায়।বাড়ি ফিরে হোমওয়ার্ক করতে বসে।আর ৫ টা বাচ্চার মতোই।তবে খুবই বিষন্ন হয়ে থাকে সবসময়।
এভাবে মাস ছয়েক কাটার পরে আমি জোর করে ওকে সাইক্রিয়াটিস্টের কাছে নিয়ে গেলাম। খুবই নামকরা ডাক্তার উনি।গিয়ে দেখলাম আরো বেশ কিছু পেশেন্ট আমাদের মতোই অপেক্ষা করছে।ডাক্তার শুভর সাথে একা কথা বলতে চাইলেন।তাই, আমি ওয়েটিং জোনে বসলাম। আমার পাশে বসে থাকা ভদ্রমহিলার সাথে টুকটাক গল্পও হলো।উনি জানালেন, উনার মেয়ের জন্য এসেছেন।মেয়েটার নাম সারিনা। মেয়েটা নাকি ইদানিং হঠাৎ হঠাৎ খুব কান্নাকাটি করে। কিন্তু,কারন জিজ্ঞেস করলে বলে,জানিনা। খুব কান্না আসে কিন্তু কেন আসে জানিনা।কান্না করার কথা পরে অস্বীকার করে।
ভদ্রমহিলা আমাকে হাতে ইশারা করে ক্লিনিকের বারান্দায় দাঁড়িয়ে থাকা ১ কিশোরী কে দেখালো।আমি দেখলাম, আমার শুভর বয়সী মেয়েটা। দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে আইসক্রিম খাচ্ছে।একদমই স্বাভাবিক দেখাচ্ছে।এর মধ্যে শুভ ডাক্তারের কেবিন থেকে বের হলো। হঠাৎ,শুভ বারান্দার দিকে তাকিয়ে দৌড়ে সারিনা নামক মেয়েটার দিকে ছুটে গেলো। আমি আর সারিনার মা-ও পিছন পিছন গেলাম। শুভ গিয়ে সারিনার হাত ধরে ফেলল।বললো,আমাকে চিনতে পারছো? সারিনা এমন আকস্মিক ঘটনায় ভয় পেয়ে গেল।সে বললো,না আমি তোমাকে চিনি না।হাত ছাড়ো। কিন্তু,শুভ বারবার চিৎকার করে একই কথা বলে যাচ্ছিল যে মেয়েটার তাকে চিনা উচিৎ। ততক্ষণে ক্লিনিকের ২ জন কর্মচারী এসে শুভর হাত ছাড়ানোর চেষ্টা করছিলো। কিন্তু,২ টা প্রাপ্ত বয়স্ক লোক কিছুতেই ওর সাথে পেরে উঠছিল না।ও ধাক্কা দিয়ে লোকগুলোকে ফেলে দিল।এদিকে সারিনা ভয়ে কাঁদতে শুরু করল।এমন সময় ডক্টর ফাতেমা নিজে কেবিন থেকে বেরিয়ে এসে শুভকে বললো,শুভ তুমি ওর হাত ছাড়ো।ও তো আর পালিয়ে যাচ্ছেনা। তুমি আগে বলো তুমি ওকে কিভাবে চিনো? তোমার বন্ধু? তোমার ক্লাসে পড়ে? সারিনার মা বললো,না না আমার মেয়ে তো গার্লস স্কুলে পড়ে। শুভ বললো, আমি সত্যিই ওকে চিনি।
ড. ফাতেমা বললো, 'আচ্ছা চিনলে প্রথমে বলো তো ওর নাম কি?'এবার শুভ চুপ করে রইলো। অসহায়ের মতো তাকালো।সারিনার হাত ছেড়ে বললো,চলো মা বাড়ি যাবো।সারিনার মা ইচ্ছে মতো শুভকে বকলো।
ড.ফাতেমা আমাকে ৫ মিনিটের জন্য তার কেবিনে ডাকলেন। বললেন, আপনি ঘাবড়াবেন না। নতুন নতুন টিনেজে পা দিয়েছে।এই বয়সে কাউকে ভালো লাগা স্বাভাবিক।এই মেয়ের চেহারার সাথে হয়তো ওর কোনো বান্ধবীর চেহারার মিল আছে।
আমি অবাক হয়ে গেলাম। বললাম,আমার ছেলে ১টা বাচ্চা।ও কোনো মেয়েদের দিকে তাকায় ও না। আপনি কি বলছেন এসব?
ডক্টর দীর্ঘশ্বাস ফেলে বললো,১৪ বছরে কেউ বাচ্চা থাকে না। আপনি ওর দিকে আরো ভালো ভাবে খেয়াল করুন।
আমি আর শুভ রিকশায় করে বাড়ি ফিরছি।ওকে এই ব্যাপারে জিজ্ঞেস করবো কিন্তু কিভাবে শুরু করবো বুঝতে পারছিলাম না। হঠাৎই শুভ বললো, আচ্ছা মা তুমি কি তোমার স্বামীকে অনেক ভালোবাসো?
আমি দীর্ঘশ্বাস ফেলে বললাম,কত তোমাকে শিখাবো শুভ নিজের বাবাকে এভাবে সম্বোধন করে না।
"উনি মারা গেলে কি তুমি খুব বেশি কষ্ট পাবে মা?"
আমার মন চাইলো শুভর গালে একটা চড় মারি। কিন্তু,মনকে বোঝালাম ও মানসিক ভাবে বিক্ষিপ্ত হয়ে আছে।শুভ আবারো বলল,উনাকে তুমি ছেড়ে দাও মা। উনার চারিত্রিক সমস্যা আছে। আমি তোমাকে প্রমানও দিতে পারি।
আমি এবার আর সহ্য করতে পারলাম না।শুভর গালে একটা চড় বসিয়ে দিলাম।"চুপ থাকো বেয়াদব ছেলে।"......
সারিনা নিজের ঘরে ঘুমানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে। কিছুতেই সে আজকে দিনের ঘটনা টা ভুলতে পারছে।এই ছেলে নিশ্চয়ই পাগল। অবস্য ওটা তো পাগলদেরই জায়গা। কেন যে ওর মা ওকে নিয়ে গেল ওখানে। সারিনা মনে করার চেষ্টা করে ও নাকি মাঝে মাঝে খুব কাঁদে।কই ওর তো মনে পরে না।এসব ভাবতে ভাবতে সারিনা ঘুমিয়ে পরে। মাঝরাতে হঠাৎ দরজায় টোকা দেয়ার আওয়াজ শুনে সারিনার ঘুম ভাঙে।ও ঘরের আলো জ্বালে।দেখে দরজা খোলাই।তাহলে এমন অদ্ভুত আওয়াজ আসছে কোত্থেকে?সারিনা খেয়াল করলো আওয়াজ টা কেউ কাঁচের উপর করছে।ওর রুমের জানলা কাঁচের।ও ভয় পেয়ে গেলো। ওদের বাসা সাত তলায়।আর, আশেপাশে কোনো বাড়ি নেই।তাহলে?জানালায় কেউ কিভাবে আওয়াজ করবে?সারিনা রুম থেকে বের হওয়ার সিদ্ধান্ত নিলো। কিন্তু,বের হওয়ার সময় ড্রেসিং মিররে চোখ পরায় সে অবাক হয়ে গেলো।সেই আয়নায় ১টা ছেলে দাঁড়িয়ে আছে‌।সে ভিতর থেকে কিছু বলতে চেষ্টা করছে। কিন্তু,কোনো আওয়াজ আসছে না।তাই,সে জোরে জোরে আয়নায় নক করছে।এই ছেলেটিই হাসপাতালে সারিনার হাত ধরে টানাটানি করেছিলো। সারিনা ভয়ে অজ্ঞান হয়ে গেলো।

Page like diye following diye rakhen jara post khuje pete chan... Friends der mention or share dite paren post a.🥰
3rd part page a post dewa hobe...

25/07/2021

বিয়ের পর ১০ বছর আমি সন্তানহীন ছিলাম।ডাক্তার বলেছিল আমি কখনোই মা হতে পারবোনা।আশাও ছেড়ে দিয়েছিলাম। আমার স্বামীর সাথেও আমার সম্পর্ক ভালো যাচ্ছিলো না।আমি বুঝতাম সে সন্তান চায় যেকোনো উপায়ে কিন্তু সেই উপায় মুখ ফুটে আমাকে বলতে পারতো না।কারন, আমার বড় ভাইয়ের অধীনে সে চাকরি করে।আমিই নিজেকে প্রস্তুত করলাম যে ওকে বলবো, তুমি ২য় বিয়ে করো। কিন্তু, কোনোদিনই পেরে উঠতাম না।বুক ভারী হয়ে আসতো কষ্টে। এভাবেই রসকষহীন জীবন কাটাচ্ছিলাম রোবটের মত। হঠাৎ,১ দিন অনুভব করলাম মাতৃত্বকালীন লক্ষনগুলো আমার মধ্যে দৃশ্যমান।টেস্টের রেজাল্টও পজিটিভ আসলো।আমি এতো খুশি হয়েছিলাম। আমার চেয়েও বেশি খুশি হয়েছিল আমার স্বামী।দেখতে দেখতে আমাদের ১টা পুত্র সন্তান হয়। অপারেশন থিয়েটারে আধোহুঁশে শুনতে পাচ্ছিলাম ডাক্তার-নার্সরা বলাবলি করছিল,বেবির শরীরের তাপমাত্রা এতো বেশি কেন?আমি বেশিক্ষণ ওদের কথা শুনতে পারলাম না।বাবুর কান্নার শব্দ শুনতে শুনতে ঘুমিয়ে পরলাম।একটু পর যখন ওকে নিজের চোখে দেখলাম আমি অবাক হয়ে রইলাম।এতো সুন্দর শিশুর মা আমি....ওর চোখ দুটো গাঢ় সবুজ রঙের। বেশিক্ষন এক নাগাড়ে তাকালে চোখ ধাঁধিয়ে যায়।তবুও, আমি তাকিয়ে থাকি।সত্যিই,ওর শরীর অনেক গরম ছিল। আমার মনে হচ্ছিল যেন আমার হাত পুড়ে যাচ্ছে। তবুও, আমি ওকে ছাড়ছিলাম না। বুকে জড়িয়ে ধরে রাখছিলাম।ওর নাম রেখেছিলাম শুভ।শুভ হওয়ার পর আমার স্বামী আর আমার মধ্যকার সমস্ত সমস্যার সমাপ্তি ঘটে। খুবই সুখী মনে হতো নিজেকে। কিন্তু,শুভ যতই বড় হচ্ছিল ততই ওকে আমার অস্বাভাবিক লাগতো।এমনিতে তো ওর গায়ের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে বেশিই থাকতো,যেকেউ ওকে ছুঁলেই বলতো,এমা! বাচ্চাটার গা তো জ্বরে পুড়ে যাচ্ছে। এছাড়াও শুভ অন্য বাচ্চাদের সাথে মিশতো না।একা একা আয়নার সামনে বসে হাত নাড়িয়ে নাড়িয়ে কথা বলতো।এটা অবশ্য আমি কিছু মনে করতাম না।কারন, বাচ্চা মানুষ একাই কথা বলবে। কিন্তু, খানিকটা বড় হওয়ার পরও ওর আয়না রোগ গেলো না। যদিও,এখন আর কথা বলে না একা একা, কিন্তু আয়নার দিকে তাকিয়ে থাকে। আমার মা মজা করে বলতো, আমার নাতি নিজের রূপে নিজেই পাগল। কিন্তু আমার ভাল্লাগতো না।দিনের বেলাটায় ও বেশিরভাগই ঘুমাতো।খুবই চুপচাপ থাকতো, একেবারেই কম কথা বলতো।আর,ও ওর বাবাকে একদমই পছন্দ করতো না।এমনকি বাবা ডাকতোও না।ও-ই মনে হয় একমাত্র শিশু যে কিনা ৫ বছর বয়স থেকেই মাকে রেখে আলাদা ঘরে ঘুমাতে চাইতো।৬ বছরেই ওকে আমি আলাদা ঘর দিলাম। ভাবলাম রাতে ভয় পেয়ে আমার কাছে চলে আসবে। কিন্তু,আসলো না।আমি ওকে ভূতের ভয় দেখালাম। বললাম,একা ঘুমালে তোমার কাছে ভূত আসবে।ও বললো, আমি ভূত ভয় পাই না মা।মাঝরাতে ওর ঘরে গেলেও দেখতাম ও জেগে আছে। আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে আছে।আমি ওকে বকতাম।ও ঘুমোতে বিছানায় যেতো। কিন্তু, আমার মনে হতো ও ভান ধরছে।ও আসলে ঘুমায় না।ওর আচরণে আমি খুবই বিরক্ত হতাম। সবচেয়ে বিরক্ত হতাম ওর কথা-বার্তায়। বকতাম ওকে। একদিন,ওর বাবা বাসায় ফিরতে দেরী করছে।ফোনও বন্ধ।আমি দুশ্চিন্তা করছি।আর ও আপন মনে আয়নার সামনে বসে হাসছে।ওর বয়স তখন ১৩... ১৩ বছরের ছেলে নিশ্চয়ই এতোও ছোট না যে বাবা ফিরছে না আর তাতে তার দুশ্চিন্তাও হচ্ছে না। আমি ওকে জিজ্ঞাসা করলাম,"শুভ তোর কি বাবার জন্য চিন্তা হচ্ছে না?"
ও বললো,"নাহ! তোমার জন্য হচ্ছে।"আমি অবাক হয়ে কারন জানতে চাইলাম।ও বললো,"কারন বললে তুমি আমার উপর রাগ করবে।তবে,১টা কথা শোনো আজকে তোমার স্বামী তোমার জন্য রেইনবো কেক আনবে কিন্তু ঐটা তুমি খেওনা।"
শুভর কথা শুনে আমার খুবই রাগ হলো, "তোমার স্বামী"কি ধরনের ভাষা শুভ?বাবা বলতে পারিস না?
শুভ নিরুত্তর। আমি ওকে পাল্টা প্রশ্ন করলাম,"তোর বাবা রেইনবো কেক আনবে এটা তোকে কে বলছে?"
ও বললো, "আমি জানি।"ওর এমন আধ্যাত্মিক কথাবার্তায় আমি অভ্যস্থ।তাই,আর জিজ্ঞেস করলাম না যে সে কিভাবে জানে... কারন, আমি জিজ্ঞেস করলেও সে উত্তর দিবেনা।আমি দীর্ঘশ্বাস ফেলে বললাম, "তোর বাবা কেক আনলে আমি খাবো না কেন?তুই আমাকে কারন না বললে আমি কিন্তু খাবোই। "শুভ নির্লিপ্ত ভাবে বললো,"কেকের মধ্যে বিষ মিশিয়েছে তোমাকে মেরে ফেলার জন্য।"
আমি দাঁতে দাঁত চেপে জিজ্ঞেস করলাম,"আমাকে কেন মারবে ?"
শুভ আগের মতোই ভাবলেশহীন ভাবে বললো,''কারন উনার রিমি নামের ১টা মেয়ের সাথে প্রেমের সম্পর্ক। তোমাকে পথ থেকে সরিয়ে ওর সাথে বিয়ে করবে।''
আমি আর নিজেকে কন্ট্রোল করতে পারলাম না।কষিয়ে শুভর গালে ১টা চর মারলাম। বললাম, "আর ১টাও ফালতু কথা বলবি না। রেইনবো কেক এই শহরে পাওয়া যায় না। তার উপর রাত বাজে বারোটা।"শুভ কিছুই বললো না।খালি আয়নার দিকে তাকিয়ে রইলো। খানিক বাদে কলিং বেল বাজলো। দরজা খুলে দেখি শুভর বাবা এসেছে।
জিজ্ঞেস করলাম, তোমার ফিরতে এতো লেইট হলো কেন?আর ফোন ধরোনি কেন?
সে বললো, আমার কলিগ আসাদের বাসায় গিয়েছিলাম।আজ ওর বিবাহ বার্ষিকী ছিল। তুমি তো এমনিতেও কোথাও যাও না।তাই তোমাকে বলিনি। আর, ফোন হ্যাং হয়ে গিয়েছিল।একটু আগে ঠিক হয়েছে। বাসার কাছেই ছিলাম তাই তোমাকে আর ফোন করিনি।
বলেই শার্ট খুলে হাত-মুখ ধুতে গেল। তখন, শার্টের বুক পকেটে থাকা ওর ফোন বেজে উঠল।আমি রিসিভ করলাম, ওপাশে ১টা মেয়ের কন্ঠ শোনা গেল।আমি বললাম, আপনি কে?সে বললো,আমি রিমি।সাদিক ভাই ঠিকমতো বাড়ি ফিরেছে?
আমি ১টা ধাক্কার মতো খেলাম।শুভও তো রিমি নামের কারো কথাই বলেছিল। ততক্ষণে শুভর বাবা চলে এসেছে আমার সামনে।এসে ফোন নিয়ে তার ঠিক ভাবে ফিরার কথা বলে রেখে দিলো।বললো,রিমি আমার কলিগ আসাদের বউ।
আমি নিজেকে সামলালাম। ছি: কিসব ভাবছি আমি।
তখন হঠাৎ,শুভর বাবা বললো,ও আচ্ছা ভুলেই গিয়েছিলাম তোমার জন্য রেইনবো কেক এনেছি। আমার ব্যাগে দেখো।
আমি ওর কথায় ১টা ধাক্কার মতো খেলাম.........
চলবে......???

"আয়না"
শাপলা
পর্ব:০১

Photos from Shimus Beauty Shop BD's post 19/07/2021

কারচুপি ওয়ান পিচ...😌
ওয়েটলেস জরজেট এর উপর কারচুপি কাজ করা,,
হাতায় ও কাজ করা আছে।
ছবিতে কালারগুলো একটু হালকা দেখাচ্ছে কিন্তু সামনাসামনি অনেক বেশি সুন্দর। 🥰🥰
কোনো প্রোগ্রাম বা অনুষ্ঠানে পরার জন্য পার্রফেক্ট!🤗

👉👉👉ঈদের আগে আজকেই লাস্ট অর্ডার নেওয়া হবে, এবং কালকেই প্রোডাক্টস ডেলিভারি পাবে ইনশাআল্লাহ!!
প্রাইজ খুব রিজেনবল...মাত্র ৬৮০ টাকা ফিক্সড। 🤩

এতো কম প্রাইজে এই কারচুপি ওয়ান পিচ কোথাও পাবেনা চ্যালেঞ্জ।

Photos from Shimus Beauty Shop BD's post 18/07/2021

#অর্গানিক_হেয়ার_অয়েল!!

চুল_পড়া, #চুলের_গ্রোথ কমে যাওয়ার #কার্যকারী সমাধান নিয়ে এলাম তোমাদের জন্য।🤗🥰
কোনো প্রকার কেমিক্যাল ব্যবহার ছাড়া এবং পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া মূক্ত!!

এখন থেকে নামি দামি ব্রান্ডের তেল বেশি দামে কিনে টাকা নষ্ট না করলেও চুলের সমস্যা সমাধান হয়ে যাবে এই প্রাকৃতিক উপাদান সমৃদ্ধ ১০০% অর্গানিক
হারবাল হেয়ার অয়েল।💖💖💖
💞💞ছেলে-মেয়ে উভয়ই ব্যবহার করতে পারবে।

১০০ গ্রাম... প্রাইজ ২৫০ টাকা।
২০০ গ্রাম... প্রাইজ ৪৫০ টাকা।☺️

👇উপকারিতাঃ
🌹 ১৫ দিনের মধ্যে চুল পড়া রোধ করবে,
🌹 ঊকুনের সমস্যা দূর করবে।
🌹 চুল ঘনো করবে,
🌹 চুলের ফেটে যাওয়া ও ফ্যাকাশে ভাব রোধ করে,
🌹 নতুন চুল গজাতে সহায়তা করে,
🌹 চুল লম্বা করে,
🌹 আগা-গোড়া ফাঁটা রোধ করে,
🌹 খুশকি দূর করে,
🌹 এতে বিদ্যমান হারবাল উপাদান গুলো মাথার তালুর রক্ত চলাচল বৃদ্ধি করে, এবং মাথার চর্মরোগ জনিত সমস্যা সমাধান দিবে।
ফলে চুল হয় স্বাস্থ্যোজ্জল ও সজীব।

ব্যবহারের নিয়মটা প্রোডাক্টস পার্চেজ করার পর বলে দেওয়া হবে।

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Khulna?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Website

Address


Khulna
GPO9000