Health Tips Sourav Mondal
Different information about health, different solutions about health, different videos about health
একটা অস্বস্তিকর চাপ ও ঝাঁকুনি অনুভূত হয়। * অনেক সময় বাহু, পিঠ, ঘাড়, চোয়াল অথবা পাকস্থলীতেও অস্বস্তি অনুভূত হয়। * অনেক সময় বুকে অস্বস্তির সঙ্গে সঙ্গে শ্বাস ছোট হয়ে আসে। * অন্য লক্ষণগুলোর মধ্যে ঘাম দিয়ে শরীর ঠান্ডা হয়ে যাওয়া, বমি বমি ভাব বা হালকা মাথাব্যথা, পিঠে বা চোয়ালে ব্যথা হতে পারে।
মাঝরাতে হঠাৎ বুকে ব্যথা। অস্বস্তিবোধ হলেই মনে হয় আপনার হৃদযন্ত্রে কিছু সমস্যা আছে। হার্টের অসুখ জীবনযাপনের উল্টোপাল্টা নিয়মের কারণে হতে পারে, সেটা অনেকেই বোঝেন না। তাই স্ট্রেস-টেনশন, লেট নাইট করা, অনিয়মিত খাওয়া-দাওয়া, এক্সারসাইজের অভাব ইত্যাদি।
খাওয়ার আগে গোসল করুন
পেট ভরে খাওয়ার পর শরীরের তাপমাত্রা এমনিতেই খানিকটা বেড়ে যায়। শরীরের হজম প্রক্রিয়া শুরু করার জন্য বেশি মাত্রায় রক্ত চলাচল শুরু হয়। আর এই সময়ে গোসল করলে শরীরে তাপমাত্রা আরও বেড়ে যেতে পারে। তার ওপর গোসল করলে কখনো কখনো হৃৎস্পন্দন বাড়ে। গোসলের ফলে যেহেতু শরীরের তাপমাত্রা এমনিই বেড়ে যায়, তাই হজম প্রক্রিয়ার জন্য বাড়তি রক্তের সরবরাহ না-ও হতে পারে। এতে হজম প্রক্রিয়া ধীরে হয়ে গিয়ে শরীরে ক্লান্তি আসতে পারে। তাই খাওয়ার পর গোসল না করাই ভালো। খাওয়ার এক থেকে তিন ঘণ্টা আগে গোসল করা উচিত।
যাঁদের ঘামাচির প্রবণতা রয়েছে, তাঁদের জন্য কিছু পরামর্শ—
• সরাসরি রোদের উত্তাপ থেকে দূরে থাকার চেষ্টা করুন। রোদে ছাতা ব্যবহার করুন।
• সম্ভব হলে তুলনামূলক ঠান্ডা পরিবেশে থাকুন।
• পাতলা সুতি কাপড়ের তৈরি ঢিলেঢালা পোশাক পরুন।
• বাতাস চলাচল করে, এমন জায়গায় ঘুমান।
• বারবার ত্বকে ঠান্ডা পানি প্রয়োগ করলেও ত্বক ভেজা রাখা যাবে না। অর্থাৎ, পানি দেওয়ার পর ত্বক মুছে ফেলতে হবে।
• ত্বকে তেল বা কোনো অয়েনমেন্ট লাগাবেন না।
তুলসী-মধু একটি চমৎকার ঘরোয়া উপাদান কাশি কমানোর জন্য। এটি শ্বাসতন্ত্রের সমস্যা কমাতে কাজ করে। তুলসী ও মধুর মধ্যে রয়েছে অ্যান্টিসেপটিক উপাদান। এটি ত্বককে প্রশমিত করে এবং অ্যালার্জি কমায়।
শুধু পেটই নয়, আলসার, এগজিমা, হাঁপানি-সহ নানা চর্মরোগ সেরে যায় থানকুনি পাতা খেলে। ত্বকেও জেল্লা বাড়ে। ত্বকের ওজ্জ্বল্য বাড়ায় থানকুনি পাতা ৷ প্রতিদিন থানকুনি পাতা খাওয়ার অভ্যাস করলে বড় বড় রোগের থেকে জয় পাওয়া সম্ভব ৷ অ্যাংজাইটি এবং মানসিক অবসাদের প্রকোপ কমায়।
কী খাবেন না
গর্ভাবস্থার এই সময়ে অতিরিক্ত ক্যাফেইন জাতীয় খাবার যেমন চা বা কফি কম খেতে হবে। কারণ অতিরিক্ত ক্যাফেইন জাতীয় খাবার গর্ভপাতের আশঙ্কা বাড়িয়ে দেয়। এই সময় সামুদ্রিক মাছ কম খেয়ে মিঠা পানির মাছ খাবেন৷ কারণ সামুদ্রিক মাছে পারদের পরিমাণ বেশি থাকায় ভ্রুণের মস্তিষ্কের বিকাশে বিরূপ প্রভাব ফেলতে পারে।
04/06/2023
নারীর গর্ভকালীন সময়ে প্রথম দু-তিন মাস ও শেষের তিন মাস অতিরিক্ত পরিশ্রম না করে হালকা হাঁটাচলা করা উচিত। ভারী জিনিস বহন করা বা তোলা যাবে না। পিচ্ছিল স্থানে হাঁটা যাবে না এবং সিঁড়ি বেয়ে ওঠার সময় বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। এ সময় দিনের বেলা কমপক্ষে দু-ঘণ্টা ঘুম বা বিশ্রাম এবং রাতে কমপক্ষে আট ঘণ্টা ঘুম আবশ্যক।
গর্ভস্থ শিশুর শরীর গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় উপাদান মায়ের কাছ থেকেই আসে, তাই মায়ের প্রতিদিনের খাদ্য হতে হবে সুষম; যার মধ্যে মাছ, মাংস, ডিম, দুধ, শাকসবজি, ফলমূল ও প্রচুর পানি থাকতে হবে। সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে দুপুরে অন্তত দুই ঘণ্টা ও রাতে অন্তত সাত ঘণ্টা বিশ্রাম দিতে হবে।
তীব্র গরমে কী হয় মানুষের শরীরে? বায়ুমণ্ডলের তাপমাত্রা বেড়ে যাওয়ার কারণে মানুষের শরীরও গরম হয়ে যায়। এর ফলে রক্তনালীগুলো খুলে যায়। এর জের ধরে রক্ত চাপ কমে যায় যে কারণে সারা শরীরে রক্ত সঞ্চালন করা হৃদপিণ্ডের জন্য কঠিন হয়ে পড়ে।
গরমের সময় শরীরকে পানিশূন্য হতে না দেওয়া। শরীরে পানির পরিমাণ স্বাভাবিক রাখতে প্রচুর পরিমাণ পানি, ডাবের পানি, মুখে খাওয়ার স্যালাইন পান করা। বেশি গরমের সময় ব্যায়াম বা ভারী কায়িক পরিশ্রম না করা। গরমে বাইরে বের হলে সাদা বা হালকা রঙের কাপড় পরে বাইরে বের হওয়া।
চুলের বৃদ্ধি: পেঁয়াজের তেল মাথার ত্বকের পিএইচ'য়ের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে। এতে মাথার ত্বকে রক্ত সঞ্চালন বাড়ে ও চুলের বৃদ্ধি দ্রুত হয়। চুলের গোড়া শক্ত করতে ও মাথার ত্বক সুস্থ রাখতে এই তেল উপকারী। উজ্জ্বলতা বাড়ায়: এতে রয়েছে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট যা চুলে ঘনভাব আনে ও উজ্জ্বলতা বাড়ায়।Jun
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Telephone
Website
Address
Khulna
