Dmf SM. ARJU

Dmf SM. ARJU

Share

Health trips...

20/10/2022
25/09/2022

গত ২মাসে আল্ট্রাসনোগ্রাম করার সময় প্রায়ই এই কেসটি পাচ্ছি।
রোগীকে কাউন্সিলিং করাটা কস্টসাধ্য, তাদের যতোই বুঝাই শুধু কান্না আর কান্না । এটা স্বাভাবিক, একজন মা ৪-৫ বা ৬মাসের সময় আল্ট্রা করতে এসে যদি শুনে বাচ্চার হাত-পা-হার্টবিট সব ঠিক আছে, মেশিনে দেখা যাচ্ছে শিশুটি নড়াচড়া করছে কিন্তুু মাথার (খুলির) স্ক্যাল অংশ নাই +ব্রেইন তৈরি হয় নাই তখন সেই মা অসহায়ের মতো তাকিয়ে থাকে আর চোখ থেকে জল গড়িয়ে পরে।

#তাদের_অনেক_প্রশ্নঃ
কেন এমনটা হলো?
কোনো বাতাস লাগে নাইতো, আমি কি এমন পাপ করলাম, আল্লাহ আমার উপর নারাজ কেন ইত্যাদি?
এখন তাহলে কি হবে? এটা কি ভালো হবে? ট্রীটমেন্ট কি?

#আসুন_বিষয়টা_একটু_জানিঃঃ------------------------
এই সমস্যাকে Anencephaly বলা হয়। এটা সাধারণত নিউরাল টিউব ডিফেক্টে হয়। এই নিউরাল টিউব কনসিভের পর ৪-৫ সপ্তাহ বা ২৮-৩২ দিনের মধ্যে তৈরি হয়ে বন্ধ হয়ে যায়। যদি কোনোক্ষেএে টিউবের কোনো অংশ বন্ধ না হয় তখনই নিউরাল টিউব ডিফেক্ট হয়ে জন্মগত এই ত্রুটি Anencephaly হয়।
আর এই নিউরাল টিউব ডিফেক্টের কিছু কারন যেমনঃ মা-বাবার জীনগত কিছু সমস্যা, আরো ফলিক এসিড এর ঘাটতি, কিছু এন্টিসাইকোটিক ড্রাগস, ওপিয়ড ঔষধ যা গর্ভকালীন সময়ের প্রথম ২মাসে খেলে ইত্যাদি।

#ডায়াগনোসিস_বা_কিভাবে_এই_সমস্যা_বুঝা_যাবে?
১২-১৪ সপ্তাহের মধ্যে আল্ট্রাসনোগ্রাম করলেই ডায়াগনোসিস করা সম্ভব। এছাড়াও মায়ের Serum Alpha-fetoprotein(elevated), MRI, Amniocentesis ইত্যাদি টেস্টের মাধ্যমে জানা সম্ভব।

িকিৎসা_কি?
এর কোনো চিকিৎসা নাই।

#কোনো_প্রতিরোধ_ব্যবস্থা??
অবশ্যই অবশ্যই অবশ্যই কনসিভ করার পর থেকে প্রথম ৩মাস ফলিক এসিড সেবন করতে হবে। এমনকি যারা কনসিভ করতে চাচ্ছেন তাদেরকেও কনসিভের আগে থেকেই ফলিক এসিড খেতে হবে। প্রথম দুইমাস কোনো প্রকার ওপিয়ড মানে ব্যথানাশক ঔষধ খাবেন না, এন্টিসাইকোটিক ড্রাগস খাওয়া যাবেনা।

িশু_কি_জন্মের_পর_বেঁচে_থাকবে?
এরা অনেক সময় গর্ভেই নস্ট হয়ে যায় অথবা মারা যায়।
আর জন্মের সাথে সাথে বা কয়েক ঘন্টা/দিন/সপ্তাহের মধ্যেই মারা যায়। বিভিন্ন রিপোর্টের মাধ্যমে এটা প্রমানিত এই ধরনের শিশুরা জন্মের পর ১বছরের মধ্যে ১০০% ক্ষেএে মারা যায়। এরা হয় অন্ধ নয়তো বধির আর এদের কনসাসনেস থাকে না।

#কেন_এই_পোস্ট?
সচেতনতা বৃদ্ধি।
অনেকেই অনেক কথা বলেনঃ আগেকার যুগের মানুষতো ডাক্তার দেখাতোনা, আমারতো এখন কোনো সমস্যা নাই তাহলে কেন ডাক্তার দেখাবো, আমি ঔষধ খেতে পারিনা বমি আসে, ৬মাসে আল্ট্রা করবো এতো আগে আল্ট্রা করে কি লাভ, আবার অনেকে বলেন হয় ৮মাসে আল্ট্রা করবো অথবা আল্ট্রাই করবোনা।
আশা করি যারা পোস্টটি ভালোভাবে পড়েছেন তারা বুঝতে পেরেছেন কেন প্রথমদিকে একটা আল্ট্রাসনোগ্রাম করতে হয় আর কেন সবসময় ডাক্তারের চেকআপে থাকতে হয়।


আল্লাহ আমাদের সকলকে সুস্থ ও ভালো রাখুন🤲।
Collected from
20 Minute Medical

26/08/2022

★ #খালিপেটে_বা_ভরাপেটে_ঔষধ_কেনো_খাবেন★

আমরা যখন রোগীদের সমস্যা শুনে ঔষধ লিখি তখন অনেক ঔষধ থাকে খালিপেটে খাওয়ার আবার অনেক ঔষধ থাকে ভরাপেটে খাওয়ার জন্য।
আজকাল অনেক চিকিৎসক ই আছেন রোগী কে সুন্দর করে প্রেস্ক্রিপশন বুঝিয়ে বলে দেন।এতে রোগী যেমন রোগ সম্পর্কে সচেতন হয় তেমনি ঔষধ গুলো বুঝে নিলে চিকিৎসক এর নির্দেশনা মেনে খেতে পারে।
পক্ষান্তরে অনেক চিকিৎসক আছেন, হয়তো সময়ের অভাবে রোগী কে বুঝিয়ে বলেন না।এমনকি অনেক চিকিৎসক কে দেখেছি ঔষধের সঠিক নির্দেশনাও লিখতে ভুলে যায়,ব্যাস্ততার জন্য !!!
যাই হোক,সবার জানার জন্য এবং জানা থাকলে রোগী নিজেও সচেতন হতে পারবে এই কারনে নিচে কিছু ঔষধের জানা-অজানা তথ্য তুলে ধরলাম।

★ব্যাথার ঔষধঃ
ভরাপেটে খেতে হবে।এর সাথে গ্যাসের ঔষধ খাওয়া উচিৎ। এবং বছরের পর বছর নয়,বরং ব্যাথা কিছুটা কমে গেলেই এসব ঔষধ খাওয়া বন্ধ করতে হবে,আর রেজিস্টার্ড চিকিৎসক এর পরামর্শ ছাড়া অবশ্যই খাওয়া যাবেনা।
জেনে রাখা ভালো, ব্যাথার ওষুধের কিডনির উপর প্রভাব রয়েছে।

★গ্যাসের ঔষধ এবং বমির ঔষধঃ
অধিকাংশ গ্যাসের ঔষধ খালিপেটে খেতে হয়।এটি খাওয়ার আধা ঘন্টা আগে খেতে বলা হয়,কারন এতে আগে ভাগেই পাকস্থলীতে এসিড সিক্রেশন বন্ধ রেখে পাকস্থলীর সুরক্ষা নিশ্চিত করে।
বমির ঔষধ ও খালিপেটে খাওয়ার আধা ঘন্টা আগে খেতে হয়।এতে নার্ভ ব্লক হয়ে এবং গ্যাস্ট্রিক মটিলিটি কমে গিয়ে বমির উদ্রেক বন্ধ হয়।

★কোলেস্টেরলের ঔষধঃ
আমি খুব কম চিকিৎসক কে এটা নিয়ে কথা বলতে দেখেছি।কখন খাবে এ ব্যাপারে কেনো যে সবাই নীরব তা আজও আমার অজানা।
এটি রাতের খাবার খাওয়ার আধা ঘন্টা আগে খালিপেটে খেতে হয়,তাহলে এবজর্বশন ভালো হয় নতুবা ঔষধের ৩০% পায়খানার সাথে বের হয়ে যায়,যা কিনা খালিপেটে ঔষধ খেলে হয়না।

★থাইরয়েড হরমোনের ঔষধঃ
এটি সাধারণত খালিপেটে সকালে খেতে হয়।২ ঘন্টা আগে খাওয়া ভালো, এতে absorption হয় ৮০% এর বেশি।কিন্তু অধিকাংশ রোগী জানান ২ ঘন্টা আগে খাওয়া সম্ভব হয়না,এক্ষেত্রে মিনিমাম ১ ঘন্টা আগে খাওয়া বাধ্যতামূলক। এই সময়ে কোনো গ্যাসের ঔষধ, ডায়াবেটিস এর ঔষধ বা অন্য কোনো কিছু খাওয়া যাবেনা।

★ইনহেলারঃ
ইনহেলার ব্যাবহারের পর অবশ্যই কুলি করবেন।

★Vitamin-D or Cholecalciferol:
এই গ্রুপের মেডিসিন, যা আমরা ক্যালসিয়াম এর ঘাটতি পূরনের জন্য ৬-৮ সপ্তাহের জন্য প্রেস্ক্রাইব করি সেটা প্রতি সপ্তাহে সকালে খালিপেটে খেতে হবে।

★আয়রন ট্যাবলেট বা রক্তশূন্যতার ঔষধঃ
এই ঔষধ খালিপেটে খাওয়া উচিৎ,কারন খালিপেটে আয়রনের absorption বেশি হয়।কিন্তু অনেক রোগী জানান এতে তাদের অস্বস্তি হয়,যেমন পেট ভুটভুট বা পেট ফাপা।সেসব ক্ষেত্রে ভরা পেটে খাওয়া যেতে পারে।

★আয়রন আর ক্যালসিয়াম একসাথে নয়ঃ❌
আমরা যখন রোগী কে আয়রন ক্যাপসুল দেই তখন ক্যালসিয়াম এর ঔষধ দেইনা।মনে রাখা জরুরী, আয়রন আর ক্যালসিয়াম এর ঔষধ একসাথে কখনও খাওয়া যাবেনা।
কারন ক্যালসিয়াম ট্যাবলেট আয়রনের absorption এ বাধার সৃষ্টি করে।😢

আশা করছি উপরের আলোচনা থেকে আপনারা সবাই বুঝতে পারছেন,কেনো ঔষধ ভরা বা খালিপেটে খেতে হবে!

©️ 20 Minute Medical

12/08/2022

#আসুন_গ্যাস্ট্রাইটিস_বিষয়ে_সহজে_জেনে_নিই

আমরা যখন কোন খাদ্য গ্রহণ করি তখন খাদ্য
পরিপাকের জন্য এবং খাদ্যে উপস্থিত Micro-
organism সমুহ কে ধ্বংস করার জন্য পাকস্থলী
থেকে এক প্রকার (HCL) এসিড ক্ষরিত হয়,
যা খাদ্য পরিপাকে সক্রিয় ভুমিকা রাখে।
একজন সুস্থ মানুষের পাকস্থলীতে প্রতিদিন প্রায়
১.৫ -২ লিটার HCL ক্ষরিত হয়।

এই HCl acid ক্ষরণ এর মাত্রা যদি কোন কারনে বেড়ে
যায়, তখন stomach এর ভিতরের আবরণ তথা
Muchs membrane টা inflamed হয়ে যায়,
অধিক পরিমানে HCL এর কারনে Stomach এর
মিউকাস মেমব্রেনের যে inflammation হয়, এই
অবস্থা কে gastritis disease বলে!!!

প্রশ্ন :: gastritis কেন হয়??

উত্তর :: আমাদের stomach প্রতিনিয়ত HCL acid
ক্ষরণ করে, তাই যখন পাকস্থলী খালি (empty
stomach) থাকে তখন HCL acid অধিক পরিমানে
জমা হয়ে যায়, কারন HCl acid এর কাজ হচ্ছে খাদ্য
পরিপাকে হেল্প করা, যখন stomach এর মাঝে কোন
food ই থাকবেনা, তথা যখন empty stomach
থাকবে, তখন অতিরিক্ত HCL acid পাকস্থলী তে জমে
যাবে, অতিরিক্ত এসিড এর কারনে তখন পাকস্থলী
এর ভিতর ক্ষত হয়ে যায়, এবং পর্যায়ক্রমে তা
intestine এর দিকেও ছড়িয়ে পড়ে।

Acidity যদি stomach এর উপরের দিকে
oesophegus কেও effect করে, অর্থাৎ HCL acid
অধিক হারে বেড়ে গিয়ে যদি উপরে দিকে
oesophegus কে আক্রান্ত করে, তবে এই অবস্থাকে
Gastro-Esophegeal Reflex disorder (GERD)
বলা হয়, এই ক্ষেত্রে আক্রান্ত patient দের বেশি বেশি
ঢেকুর আসবে, এবং patient তার বুক জ্বালাপোড়া
করে বলে complain করবে।।। এবং সকালে ঘুম থেকে উঠলে গলাতে কফ জমে থাকতে পারে।।।
inflammation এর পরিমান বেশি বেড়ে Mucus
membrane এর মাঝে ulceration ও হতে পারে,
যাকে আমরা gastric ulcer বলে থাকি।।।
Untreated থাকলে at the point of ulcer abonormal cell division হতে পারে, যা পরিশেষে
malignancy ডেভেলপ করতে পারে।

প্রশ্ন ::gastritis রোগের উপসর্গ কি??

ans::
1.. পেটের বাম পাশে ব্যাথা করা।

২.. বুক জালা পোড়া করা,

৩.. খাবারে অরুচি চলে আসবে!

৪.. পেট জালা পোড়া,

৫..পেট ফেঁপে থাকা,

৬.. মাথা ঘুরানো

৭.. বমি বমি ভাব,

৮.. ক্ষুধামন্দা

৯.. অল্প খাবার এর পর পেট পুরে গেছে মনে হওয়া,,

১০।
GERD এর ক্ষেত্রে বুকে ব্যাথা অনুভব হতে পারে
just. at the point of Xhiphoid process and most time at 10 mm left to xhiphoid process, এই ক্ষেত্রে অধিক হারে ঢেকুর আসতে পারে,এবং Nausea is common..

11।
ডিউডেনাম আলসার হলে পেটের মাঝামাঝি ব্যাথা
হতে পারে, and pain also can be
Reffered whole abdomen....

12।
আলসারের সবচেয়ে symptoms
হচ্ছে increase food appetite, inspite of taking
meal the patient will suffer from hunger..... because due to inflammation, after filling stomach by foods, any proper Nerve signal
will not go to hunger center of CNS,, that
why Hunger center always stimulate the
patient to eat more and more as like patient
of Diabetes mellitus। অর্থাথ গ্যাস্ট্রিক
আলসার এর রোগীর বেশি বেশ ক্ষুধা লাগতে পারে, কিংবা খাওয়ার পর আবার ক্ষিধা লেগে
যেতে পারে।

#প্রশ্ন :
কি কি কারনে এই রোগ হয়,

উত্তর,
১. অনিয়মিত খাবার খেলে,

২. তেলে ভাজা খাবার বেশি খেলে।

৩.. কোল্ড ড্রিংক খাওয়া,

৪..ধুমপান করা

৬.. পানি কম খেলে

৭.. রাত্রে খাবার খেয়ে সাথে সাথে ঘুমিয়ে যাওয়া,
এই ক্ষেত্রে GRED সম্ভাবনা অনেক বেশি,

৮... অধিক হারে গোস্ত খাওয়া।।

৯... NSAID (পেইন কিলার মেডিসিন) এর Adverse
effect হিসাবে গ্যাস্ট্রাইটিস ও গ্যাস্ট্রিক আলসার
হতে পারে। তাই NSAID নিলে সাথে একটি PPI
দিয়ে দিবে।
১০। আবার H,Pylory দ্বারা ইনিফেকশন হলে
ডিউডেনাল আলসা হতে পারে,

#পরামর্শ ::
১.নিয়মিত খাবার খান, বেশী বেশী পানি পান করুন

২..রাত্রে খাবারে পর ২০-৩০ মিনিট হাঁটাহাঁটি করে
ঘুমাবেন।।

৩..রেগুলার সকাল বেলায় ইসুপগুলের ভূসি ভিজিয়ে
পান করুন।।

৪.. সকালে খালি পেটে ২ গ্লাস পানি পান করলে তিন সপ্তাহে
গ্যাস্ট্রিক রোগের পরিমান অর্ধেক কমে যাবে।

৫...দৈনিক ১৩০ গ্রামের বেশী গোস্ত যেন খাওয়া না হয়।

৬.. তেলে ভাজা ও তৈলাক্ত খাবার পরিহার করুন

৭... অতিরিক্ত খাবার গ্রহণ থেকে বিরত থাকুন।

PPI is most effective
eg= Omeprazol
Esomeprazole
Pantoprazole
Rabeprazole

বমিবমি ভাব থাকলে Domperidon also should
be Use.।।।।।

22/07/2022

জেনে রাখা ভালো:

১। সকালের খাবার না খেলে পেট ভয় পায়।
২। 24 ঘন্টায় 10 গ্লাস জল না খেলে কিডনি ভয় পায়।

৩। গলব্লাডার ভয় পায় যখন আপনি রাত ১১টা পর্যন্ত ঘুমান না এবং সূর্যোদয়ের সময় জেগে উঠবেন না।

৪। তৈলাক্ত, মেয়াদোত্তীর্ণ খাবার খেলে ক্ষুদ্রান্ত্র ভয় পায়।

৫। ভাজা ও মশলাদার খাবার বেশি খেলে অন্ত্র ভয় পায়।

৬। সিগারেট ও বিড়ির দূষিত ধোঁয়া, ময়লা পরিবেশে নিঃশ্বাস নিলে ফুসফুস ভয় পায়।

৭। ভাজা ভাজা খাবার, জাঙ্ক এবং ফাস্ট ফুড খেলে লিভার ভয় পায়। ইয়েডো [ বেশি লবণ এবং কোলেস্টেরলযুক্ত খাবার খেলে হৃদয় ভয় পায়।

৮। দ্রুত এবং অবাধে পাওয়া যায় বলে বেশি চিনি খেলে অগ্ন্যাশয় ভয় পায়।

৯। আপনি যখন মোবাইলের স্ক্রিনের আলোতে এবং অন্ধকারে কম্পিউটারে কাজ করেন তখন চোখ ভয় পায় এবং

১০। নেতিবাচক চিন্তাভাবনা শুরু করলে মস্তিষ্ক ভয় পায়।

১১। যতটা পারবেন ভোরে ঘুম থেকে উঠে শরীর চর্চা ব্যায়াম করুন এবং ক্যাপসুল থেকে দূরে থাকুন তাহলে আমাদের শরীরের সব রোগ ভয় পাবে।

আপনার শরীরের বিভিন্ন অংশের যত্ন নিন এবং তাদের ভয় পাবেন না। এই সমস্ত অঙ্গ বাজারে পাওয়া যায় না. উপলব্ধগুলি খুব ব্যয়বহুল এবং সম্ভবত আপনার শরীরে ফিট করতে পারে না৷ তাই আপনার অঙ্গগুলিকে সুস্থ রাখুন৷

22/07/2022

🚫 সতর্কতামূলক পোস্ট

অনেক সময় দেখা যায় অবিবাহিত মেয়েদের পিরিয়ড বন্ধ হয়ে গেছে। ডাক্তারের কাছে গেলে ডাক্তার বললো প্রেগনেন্সি টেস্ট করে নিয়ে আসুন । এমতাবস্থায় প্রথমে হয়তো রোগীর লোক বলবে রোগী অবিবাহিত। এখনও বিয়ে হয়নি, বাচ্চা কিভাবে হবে ডাক্তার তখন জোর দিয়ে বলবে আগে টেস্ট করে নিয়ে আসুন তারপর রোগী দেখবো, না হলে দেখবোনা। রোগী যাবে টেস্ট করাতে। এবার দেখা গেলো রোগী প্রেগনেন্সি টেস্ট পজেটিভ। বাড়ির লোক অবাক, রোগী অজ্ঞান।

তখন স্বাভাবিক ভাবেই রোগীর বক্তব্য থাকবে,
আমি কিছু করিনি। রোগীর লোকের বক্তব্য, কিছু করিসনি তো বাচ্চা কোথা থেকে এলো।
ডাক্তারের কাছে রোগী কাঁদতে কাঁদতে বলবে, বিশ্বাস করেন ডাক্তার সাহেব আমি কিছুই করিনি। বাচ্চা কোথা থেকে এলো আমি জানিনা।

রোগীর লোক যদি জীন বিশ্বাসী হয় তবে বলে দেবে জীনের বাচ্চা ওটা কিন্তু ডাক্তারের কেরামতি এখনও বাকি আছে। ডাক্তার তখন আলট্রাসনোগ্রাফির সাহায্য নেবে।

আলট্রাসনোগ্রাফিতে দেখা যাবে রোগী প্রেগনেন্ট না। রোগীর তল পেটে কোন ফেটাস নেই।

এখন প্রশ্ন হচ্ছে রোগীর পেটে বাচ্চা নেই কিন্তু প্রেগনেন্সি টেস্ট পজেটিভ আসলো কেন।
এটা যে স্ট্রিপ দিয়ে টেস্ট করা হয় সেই স্ট্রিপ আসলে বাচ্চা ডিটেকটর না।

একজন মহিলা যখন বাচ্চা কনসিভ করে তার ৬ দিনের মধ্যে human chorionic gonadotropin (HCG) নামক একটি হরমোন নিঃসৃত হয় দেহ থেকে যা ইউরিন এর মাধ্যনে দেহ থেকে বের হয়। হরমনটি মূলত syncytiotrophoblast (প্লাসেন্টা অংশ) রক্ষার কাজে ব্যবহৃত হয়।

কিন্তু এই একই হরমোন অনেক টিউমার যেমন : Seminoma, choriocarcinoma, germ cell tumors, hydatidiform mole formation, teratoma with elements of choriocarcinoma, and islet cell tumor এর কারণেও নি:সৃত হতে পারে। তখন তো প্রেগনেন্সি টেস্ট পজেটিভ দেখাবে।

এইরকম পরিস্থিতিতে প্রথমেই অনেকে আত্মহত্যার পথ বেছে নেয়। আত্মহত্যা করা বা অন্য কিছু ঘটানোর আগে সিউর হোন। আপনি নিজে সতর্ক হোন আর আশেপাশের মানুষকেও সতর্ক করুন। তাহলে হয়তো একটা প্রাণ বাঁচতে পারে।🥰

#ধন্যবাদ

Photos from Dmf SM. ARJU's post 19/07/2022
19/07/2022

রক্তের গ্রুপ নির্বাচন শিখতে যারা ইচ্ছুক তাদের জন্য এই পোস্ট ।

ব্লাড গ্রুপিংয়ের জন্য যা দরকার-

১। ব্লাড গ্রুপিংয়ের ৩ টা এন্টি-
(I)Anti-A
(II) Anti-B
(III)Anti-D
২। জীবাণুমুক্ত একটা সুচ
৩।একটা কাঁচের স্লাইড
৪।তুলা
৫। জীবানুনাশক
প্রথমে যার ব্লাড গ্রুপ নির্বাচন করবেন তার হাতের যেকোনো একটা আঙুল ভালো করে জীবাণুমুক্ত করে নিবেন।এরপর সুচ দিয়ে আঙুল এর আগায় হাল্কা খোঁচা দিয়ে কাঁচের স্লাইডে ৩ ফোটা রক্ত নিবেন ছবিতে দেয়া নির্দেশনা অনুযায়ী দুরত্ব রেখে।তারপর-
১ম ফোঁটায় এন্টি-A
২য় ফোঁটায় এন্টি-B
৩য় ফোঁটায় এন্টি-D
দিয়ে ভাল করে সুচ এর গোড়া দিয়ে মেশাবেন।খেয়াল রাখবেন রক্ত এবং এন্টি মেশানোর সময় একটা যেনো অন্যটার সাথে না মিশে।

এখন ব্লাড গ্রুপিংয়ের এর নিয়ম-

১। যদি Anti -A ফাটে আর Anti-B না ফাটে তাহলে রক্তের গ্রুপ A।

২। যদি Anti-A না ফাটে আর Anti -B ফাটে তাহলে রক্তের গ্রুপ B।

৩। যদি Anti- A এবং Anti-B দুইটাই ফাটে তাহলে রক্তের গ্রুপ AB।

৪। যদি Anti-A ও Anti-B একটাও না ফাটে তাহলে রক্তের গ্রুপ O।

আমরা রক্তের গ্রুপ নির্বাচন শিখলাম।
এখন positive আর negative নির্বাচন-

১।Anti-D........ যদি ফাটে তাহলে রক্ত +(positive)।
২।Anti-D......... যদি না ফাটে তাহলে রক্ত —(negative)

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Kushtia?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Website

Address


Kushtia